Jump to ratings and reviews
Rate this book

ইজিপশিয়ান ট্রেজার

Rate this book
বাংলাদেশ আর্মির সাবেক মেজর সাইফ হাসানকে সামান্য এক সূত্রের উপর ভরসা করে ছুটে যেতে হল মিশরে। এখানেই মরুভূমির ভেতর কোনো এক পিরামিডের অভ্যন্তরে এখনো লুকোনো আছে ফারাও এর গুপ্তধন!

মিশরীয় ললনা সুমাইয়কে সাথে নিয়ে নেমে পড়ল গুপ্তধনের সন্ধানে। কিন্তু এর হদিস পেতে হলে সমাধান করতে হবে একাধিক জটিল ধাঁধার। ধাঁধার সমাধান করবে কি সাইফ, শুরু থেকেই পেছনে লেগে গেল রহস্যময় প্রতিদ্বন্দ্বী।
সাইফ প্রতিপক্ষের পরিচয় যখন পেল, আক্ষরিক অর্থেই শিউরে উঠল। সুমাইয়াকে কিডন্যাপ করা হল। এই বিদেশবিভুইয়ে একা একা শক্তিধর প্রতিপক্ষকে ফাঁকি দিয়ে সাইফ কি পারবে সাত রাজার অমুল্য ধন বাংলাদেশে নিয়েআসতে?

182 pages, ebook

Published January 1, 2019

29 people want to read

About the author

Abul Fatah

28 books128 followers
Abul Fatah is a Bangladeshi writer. He become famous by writing story at social networks.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
2 (7%)
4 stars
3 (10%)
3 stars
14 (50%)
2 stars
7 (25%)
1 star
2 (7%)
Displaying 1 - 6 of 6 reviews
Profile Image for Sakib A. Jami.
349 reviews41 followers
December 21, 2024
সিক্রেট শ্যাডো সিরিজ আমার অন্যতম পছন্দের একটা সিরিজ। বিশেষ পছন্দ মেজর সাইফ হাসানকে। তার ব্যক্তিত্ব মুগ্ধ করার মতো। সিক্রেট শ্যাডো সিরিজের এখন পর্যন্ত প্রকাশিত তিনটি বইয়ের মধ্যে দুইটি বই পড়েছি। যে দুটি বেশ ভালো লেগেছিল। সে তুলনায় “ফিরাউনের গুপ্তধন” কেমন লাগল?

সিরিজের সবচেয়ে দুর্বল গল্প হিসেবে বইটিকে উল্লেখ করা যায়। মূলত সিক্রেট শ্যাডো সংস্থার সূচনা লগ্নের কথা এতে বর্ণিত। কীভাবে এই সংস্থার পরিকল্পনা এলো, বইটির মূল্য আকর্ষণ এটিই। কীভাবে মেজর সাইফ হাসান এতে যুক্ত হলো, কার কল্পনায় এই বিশাল এসপানিওজ সংস্থা গঠনের ইচ্ছে; এখানে তারই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

মূলত মিশরের এক বিত্তশালীদের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ঘটনার সূত্রপাত। মিশরে যিনি মারা গিয়েছেন, তার জন্য বাংলাদেশে কিছু ঘটবে এমন ভাবনার কোনো কারণ নেই। তবে একটা মেইল এসেছে কর্নেল আজহার চৌধুরীর কাছে। অনেক বছর আগে এক স্বপ্নের কথা বলেছিল। কর্নেল আজহার চৌধুরীর স্বপ্ন বিশ্বের বড় বড় এস্পানিওজ সংস্থার মতো বাংলাদেশের গড়ে তুলবেন এমন সিক্রেট এজেন্সি। তবে শুধু দেশের জন্য নয়, কাজ করবে সমগ্র বিশ্বের কল্যাণের জন্য।

মৃত্যুকালে বন্ধুর সেই স্বপ্নের কথা মনে রেখেছিল সেই মিশরীয় ব্যবসায়ী। অনেক আগে মিশরের মরুভূমিতে ঘুরতে গিয়ে এক গুপ্তধনের সন্ধান পায় সে। সেই সন্ধান দিয়ে গিয়েছে কর্নেলকে। এ-ও বলে দিয়েছে বুদ্ধিমান ও বিশ্বস্ত কাউকে যেন পাঠায় সেই গুপ্তধন উদ্ধারে। আর সেই ব্যক্তিটি মেজর সাইফ হাসান।

সামান্য ট্রেজার হান্টের ঘটনা মনে হলেও, ঘটনাটা আর সামান্য ছিল না। পেছনে ফেউ লেগেছে। প্রাচুর্যের গন্ধ পেলে মৌমাছি ছুটে আসে। বিশ্বের বড় সিক্রেট এজেন্সির লোক যখন পেছনে লাগে, তখন পাশ কাটিয়ে যাওয়া মুশকিল। মুখোমুখি এ লড়াই জিতবে কে?

“ফিরাউনের গুপ্তধন” বইটি বেশ সাদামাটা। গল্প গতিশীল হলেও আগ্রহ জাগানিয়া ছিল না। আগে থেকেই বোঝা যাচ্ছিল কী হতে চলেছে। আর সেটাই ঘটছিল। ফলে লেখক চমক দেওয়ার উপাদান রাখলেও সেই চমক আসলে কাজ করেনি। উপন্যাসে অনেক উপাদান ছিল ডালপালা ছড়িয়ে দেওয়ার, কিন্তু লেখক মূলত গল্পেই ছিলেন। তাই প্রয়োজনীয় জায়গায় সাবপ্লট না এনে, অপ্রয়োজনীয় অংশে এনেছেন।

যেমন, শাইলককে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার ঘটনা ভালো হলেও, বিষয়টা অপ্রয়োজনীয়। মূল ঘটনার সাথে যোগসাজশ নেই। এমন ঘটনা তখনই আনা যায়, যখন লেখক একাধিক সাবপ্লট এনে গল্পকে প্রাণবন্ত করেন। কিন্তু এখানে যে জায়গায় বিস্তারিত ঘটনার প্রয়োজন ছিল, সাবপ্লট জরুরি ছিল; সেখানে না এনে যখন যেখানে দরকার নেই, গল্পের প্রয়োজন নেই; সেখানে আনেন— তখন প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।

লেখক গল্পের মধ্য দিয়ে চরিত্রের যেভাবে পরিচয় করিয়ে দেন, এখানে সেই বিষয় অনুপস্থিত ছিল। সুমাইয়া চরিত্র লেখক এনেছেন অযথা। কেবল নারী চরিত্র না থাকলে জমে না, সেই কারণে। এখানে মেজর সাইফ হাসানের হোঁচট খাওয়া তার ব্যক্তিত্বের সাথে যায় না।

তাছাড়া মেজর সাইফ হাসানকে অতিমানবীয়, বুদ্ধিতে সবসময় সবার চেয়ে এগিয়ে যাওয়া একটু অতিরঞ্জিত লেগেছে। বিশ্বের বাঘা এজেন্ট এত সহজে হেরে যাবে, সেটা সহজবোধ্য নয়। আরো কঠিন করে উপস্থাপন করা যেত। তাহলে উপভোগের পরিমাণও বেশি হতো।

তবে সিক্রেট শ্যাডো সিরিজের উৎপত্তির ভাবনা কোথা থেকে এলো, এখানে এই বিষয়টা ভালো লেগেছে। এই প্রশ্ন বাকি দুইটা বই পড়ার সময় জেগেছিল। তার উত্তর এখানে পাওয়া গেছে।

আদী প্রকাশনের বইয়ে সম্পাদনার ভুল খুব বেশি চোখে লাগে। এখানেও ছাপার ভুল ছিল। সেগুলোও কমিয়ে আনা জরুরি।

পরিশেষে, সিক্রেট শ্যাডো সিরিজের নতুন কোনো উপন্যাস আসাটা জরুরি মনে হয়। আবারও মেজর সাইফ হাসান ও তার দলবল নিয়ে রহস্য সমাধানে ঝাঁপিয়ে পড়বে। যে বন্ধন বইয়ের পাতায় পাতায় লক্ষ্য করা যায়, তার আবেগ ছড়িয়ে যাবে। গল্পগুলো যে কেবল স্পাইয়ের না, এখানে ভাতৃত্বও ছড়িয়ে পড়ে।

◾বই : ফিরাউনের গুপ্তধন
◾লেখক : আবুল ফাতাহ
◾প্রকাশনী : আদী প্রকাশন
◾ব্যক্তিগত রেটিং : ৩.২/৫
Profile Image for Mohammad Kamrul Hasan.
370 reviews15 followers
January 27, 2021
বাংলাদেশ আর্মির সাবেক মেজরকে মিশরে পাঠানো হলো, মিশরের ত্বপ্ত মরুভূমির মধ্যে লুকিয়ে রাখা হাজার বছরের পুরানো এক গুপ্তধনের সন্ধানে। শুধু সন্ধানে না, সাথে করে সেই গুপ্তধন বাংলাদেশে নিয়ে আসারও হুকুম দেয়া হলো।

মিশরের ধনকুবের 'নাসের বিন ইউসুফ' মারা যাবার আগে তার বাংলাদেশী বন্ধু 'কর্নেল আজাহার চৌধুরী'কে বিশাল এক ইমেইল পাঠান। কারন তিনি তার এই বন্ধুর মহৎ এক উদ্দেশ্যে সাধনের জন্যে তাকে আর্থিক ভাবে সহযোগীতা করার চিন্তা করেন। সেই সূত্রে তাকে ইমেলে জানান, মিশরে মরুভূমির মধ্যে এক ভূগর্বস্থ পিরামিডের ভিতরে গচ্ছিত এক গুপ্তধনের কথা। ইউসুফ অনুরোধ করেন যে, যে করেই হোক সেগুলো উদ্ধার করতে। তবে সেগুলো উদ্ধার করার জন্যে খুব প্রখর বুদ্ধি সম্পন্ন লোক পাঠাতে হবে। কারন তিনি পিরামিডটার সঠিক জায়গা বর্তমানে ভূলে গেছেন। তার বলা বর্ননা থেকে সূত্র ধরে গুপ্তধন উদ্ধার করতে হবে।

নাসির বিন ইউসুফ, তার দুরসম্পর্কের খালাতো ভাই 'শেখ সালাউদ্দিনের' উপর দ্বায়িত্ব দিয়ে যায়, সব রকম সহযোগীতা করার জন্যে মেজর সাইফকে।

শেখ সালাউদ্দিনের মেয়ে 'শেখ সুমাইয়া' লন্ডন থেকে জার্নালিজমের উপর পড়াশোনা শেষ করে মাত্রই দেশে আসলো। আর আমাদের বাংলাদেশী স্পাই সাহেব প্রথম দেখায় ফিদাহ। আর কাহিনীতে সুমাইয়াকে নিয়েই স্পাই সাহেবের চিন্তার অন্তনাই। তবে সেটা যৌক্তিক ভাবে। কারন মেজর সাইফ ঘটনার এক পর্যায় রহস্যময় এক ভয়ংকর প্রতিদ্বন্ধীর মুখোমুখি হয়। তারা সুমাইয়াকে দু'দুবার কিডন্যাপ করে।
কাহিনী খুব জমে উঠে। বারবার মেজর সাইফ তাদের ঘোল খাওয়াতে লাগলো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মেজর সাইফ ধরা খান বিপক্ষের দুর্ধ্বস্য এক এজেন্ট ‘শাইলকের’ কাছে । আর তখন পরিস্থিতি খুব জটিল। কি হবে?

মেজর সাইফ সৌভাগ্যবসত খুঁজে পায় সেই পিরামিড, খুঁজে পায় বর্ননাণুযায়ী সারকোফেগাস, কফিন। কিন্তু হায়, কোথায় গুপ্তধন? তাহলেকী সব প্রচেষ্টা ব্যার্থ ? সাইফ কি পারবেনা তার দেশের উন্নতিতে কোন সহযোগীতা করতে?

#মতামত

আবুল ফাতাহ ভাই আমার একজন পছন্দের লেখক। তার অভ্র সিরিজ আমার খুব পছন্দের। যাইহোক, “ফেরাউনের গুপ্তধন” বইটি আমার কাছে ভালো লেগেছে। তবে খুব যে লেগেছে তা বলবো না।
কাহিনীটা ভাই লিখেছিলো তার লেখালেখির প্রথম অবস্থায়। সে হিসেবে বলতেই হয় দুর্দান্ত প্লট তৈরী করেছেন।
কাহিনীর ধারাবাহিকতা ছিলো সুন্দর। এক বসায় পড়ারমত বই।
তবে আমি হতাস কারন, বইটা খুব ছোট। সম্র্পূন থ্রিলারের মজা পাইনি। পড়ার আগেই যেন শেষ।

বইয়ে চার পাঁচটা শব্দ ভুল পেয়েছি। তবে এতে পড়তে সমস্যা হয়নাই। বইয়ের প্রচ্ছদ খুব ভালো লেগেছে।
বাইন্ডিং, পেজ সব ছিলো সুন্দর।

ব্যাক্তিগত রেটিং ৩/৫ । ধন্যবাদ 😊

📖বই হোক আপনার, আপনি বইয়ের📖
Profile Image for Shaon Arafat.
131 reviews31 followers
February 26, 2019
মিশর নিয়ে আগ্রহ প্রচুর। আরও আগ্রহ নিয়ে বইটা পড়া শুরু করছিলাম। শেষমেশ, পুরোপুরি হতাশ। শুনেছি এ বইটা লেখকের প্রথম বই, অনেক আগে লেখা। সে হিসেবে হয়তো কিছুটা ঠিক আছে। তবে ��ামেলা বাধাইছে লেখকের গত বইমেলায় প্রকাশিত 'দ্য এন্ড' বইটা। 'দ্য এন্ড' আগে পড়া না থাকলে, সম্ভবত এবারে দুইটার জায়গায় তিনটা স্টার দেওয়া যাইতো।

বি দ্রঃ ট্রেজার হান্ট থ্রিলার হিসেবে প্লট ভালো ছিলো।
Profile Image for Shrabonti Debnath.
31 reviews
May 1, 2023
বুক রিভিউ

বই: ফেরাউনের গুপ্তধন
লেখক: আবুল ফাতাহ মুন্না
প্রচ্ছদ: আবুল ফাতাহ
প্রথম: প্রকাশ বইমেলা ২০১৯
প্রকাশনী: আদী প্রকাশন
ঘরানা: ট্রেজার হান্ট থ্রিলার/ মৌলিক থ্রিলার
পৃষ্ঠা: ১৬০
মুদ্রিত মূল্য: ৩০০টাকা

কাহীনি সংক্ষেপ:
সাবেক মেজর সাইফ কে বাংলাদেশের সাবেক কর্নেল আজহার চৌধুরী দায়িত্ব দিলেন মিশরের এক গুপ্তধন খুঁজে বের করার,শুধু খুঁজে বের করা ই না মিশর হতে দেশে এই গুপ্তধন নিয়ে আসার হুকুম ও জারী হলো।
সেই উদ্দেশ্যেই সাবেক মেজর সাইফ হাসান উড়ে চললো তপ্ত মিশরের বুকে।
সেখানে তাকে সাহায্য করার জন্য আজহার চৌধুরীর বন্ধু শেইখ সালাহউদ্দিন কে আগে থেকেই নির্দেশ দেওয়া ছিলো।মিশরের মাটিতে পা দেওয়ার সাথে সাথেই সেখানে তৃতীয় আরেকজন যোগ হলো।সালাহউদ্দিন সাহেবের মেয়ে শেখ সুমাইয়া, যে সুদুর লন্ডন থেকে জার্নালিজমে উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করে এসেছে।

মিশরের ধনকুবের "নাসির বিন কাশেম" মারা যাবার আগে তার বন্ধু আজহার সাহেব কে এক চিঠিতে জানান মিশরের কোন ভূগর্ভস্থ পিরামিডের নিচে রয়েছে হাজার বছরের পুরোনো গুপ্তধন।তিনি আজহার চৌধুরী কে তার বাংলাদেশের আর্থিক সহায়তার জন্য সেই গুপ্তধন উদ্ধার করতে অনুরোধ করে যান।
তাকে সাহায্য করার জন্য দায়ভার চাচাতো ভাই শেইখ সালাহউদ্দিন কে দায়িত্ব ও দেন।

কিন্তু এরই মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম করা "মোসাদ" সাইফের উপর নজরদারী শুরু করে।
শুরু হয় খুন,কিডন্যাপ আরো অনেক ভয়ংকর কিছুর।
সাইফ একবারের জন্য নাসের বিন কাশেমের দেওয়া নির্দেশ কৃত জায়গায় গিয়ে ফিরে আসে।পিরামিডের সেই নির্দেশকৃত জায়গায় নাসের রেখে আসেন ধাধা!

এদিকে মোসাদের সবচেয়ে বড় চাল "শাইলক" এর দায়িত্ব পড়ে সাইফ কে মেরে ফেলার।যার নিশানা কখনো ভুল হয় না।
অন্যদিকে একবার বৃথা হয়ে সাইফ বাংলাদেশে ফিরে আসবে ভাবে।সত্যি ই ফিরে আসে? নাকি উদ্ধার করে সেই ফেরাউনের গুপ্তধন!

শুরু হয় নতুন এক যাত্রার!

ব্যাক্তিগত মতামতঃ
আবুল ফাতাহ মুন্না আমার প্রিয় লেখকদের একজন।তার সাথে ফেসবুকে লেখালেখির মাধ্যমে পরিচয় হলেও তার সৃষ্ট চরিত্র অভ্র চরিত্র সবচেয়ে মন কাড়ে।অভ্র সিরিজ দিয়েই লেখক তার দক্ষতা এর প্রমান দিয়ে দিয়েছিলেন।

আর তাছাড়া এই বইটি তার লেখালেখির প্রথম দিকে শুরু করলে প্রকাশ হয় অনেক পরে।তার পরও পাঠক কে মুগ্ধ করবে বইটি।
তবে পাঠক আর দেরী কেন? গুপ্তধনের খুঁজে বেড়িয়ে পড়ুন এবার।

৪/৫
Profile Image for Syeda Banu.
99 reviews53 followers
May 16, 2019
মিশরের বিস্তীর্ণ মরুভূমিতে উঠেছে ভয়ংকর সাইমুম! বালুঝড়ে আটকা পড়লেন ধনকুবের নাসির বিন ইউসুফ। আশ্রয় খুঁজতে গিয়ে ঘটনাক্রমে পেয়ে গেলেন চার হাজার বছরের পুরনো ঐশ্বর্যপূর্ণ এক পিরামিড, যেখানে এত বছর পর তিনিই প্রথম এঁকেছেন মানুষের পদচিহ্ন। 


ফেরআউনের সেই হারিয়ে যাওয়া সম্পদ উদ্ধারের ভার পড়েছে বাংলাদেশের সাবেক আর্মি মেজর সাইফ হাসানের উপর। সূত্র প্রায় কিছুই নেই, নিজের বুদ্ধির জোরেই সমাধান করতে হবে ধাঁধার। কিন্তু মিশরে পা রেখেই টের পেল গন্ধে গন্ধে পেছনে লেগেছে মহাশক্তিধর শত্রু।


শত্রুর চোখ এড়িয়ে ফেরআউনের গুপ্তধন কি উদ্ধার করতে পারবে সাইফ?


পাঠপ্রতিক্রিয়া: শুধুমাত্র মিশর আর ফেরআউনের নামেই বইটা পড়া। তবে পিরামিড এবং সেইসব প্রসঙ্গ খুব কম ছিল বইয়ে তাই কিছুটা হতাশ হয়েছি। 


গল্পটা মূলত একশন থ্রিলার, বেশ গতানুগতিক বলতেই হবে। টুইস্টগুলোও কি হবে বুঝে নেওয়া যাচ্ছিলো। পরিপক্ক পাঠক যারা নিয়মিত এই ধারার বই পড়েন তাদের পানসে লাগবে। 


অনেক কিছু অযৌক্তিক এবং খাপছাড়া লেগেছে গল্পে। জোর করে সুমাইয়ার চরিত্রের অবতারণা করারও দরকার ছিল না। মাসুদ রানার বইয়ের 'অতি রোমান্টিক অংশ'গুলো বাদ দিলে নারীচরিত্ররা যা দাঁঁড়ান সুমাইয়াকে তাই লেগেছে।


বইয়ের ছাপা নির্ভুল। লেখকের গল্প বলার ধরনও আগ্রহ জাগায়। লেখকের পক্ষ থেকে পরবর্তীতে আরো ভালো ভালো গল্প পাওয়ার আশা রাখলাম।


বই: ফেরআউনের গুপ্তধন

লেখক: আবুল ফাতাহ

প্রকাশনায়: আদী প্রকাশন 

প্রকাশকাল : বইমেলা ২০১৯
Profile Image for Mahmood Showrav.
39 reviews1 follower
November 18, 2019
সিরিজের প্রথম বই থেকে এর কাহিনীর ধারা ভিন্ন বলে হয়তো অনেকের কাছে অতটা ভালো নাও লাগতে পারে। তবে সাবলিল লেখার ধরন আর ভিন্ন ধারার কিছু করার প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানাই।আগামীতে মেজর সাইফ সিরিজের আরো বই আশা করবো ফাতাহ ভাইয়ের কাছ থেকে।
Displaying 1 - 6 of 6 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.