What do you think?


ভাস্কর চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কবিতা
'ভাস্কর চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কবিতা'র দ্বিতীয় সংস্করণে যোগ হয় 'কীরকম আছো মানুষেরা' ও 'জিরাফের ভাষা' বই দুইটির কবিতা। দুইটি বইই প্রকাশিত হয় ২০০৫ সালে।
প্রথম সংস্করণের ভূমিকায় ভাস্কর চক্রবর্তী শ্রেষ্ঠ কবিতা সম্পাদনা প্রসঙ্গে বলেছিলেন, 'আমার পছন্দের কবিতাগুলো নিয়ে, এই বই, সেই বইয়ের দিকেই যাওয়ার একটা প্রচেষ্টামাত্র। আর কিছূ নয়।'
প্রথম সংস্করণের ভূমিকায় ভাস্কর চক্রবর্তী শ্রেষ্ঠ কবিতা সম্পাদনা প্রসঙ্গে বলেছিলেন, 'আমার পছন্দের কবিতাগুলো নিয়ে, এই বই, সেই বইয়ের দিকেই যাওয়ার একটা প্রচেষ্টামাত্র। আর কিছূ নয়।'
- GenresPoetry
175 pages, Paperback
First published December 1, 1999
About the author
Bhaskar Chakraborty
21 books35 followersভাস্কর চক্রবর্তী (Bhaskar Chakraborty, কোথাও কোথাও Bhaskar Chakrabarti) (১৯৪৫-২০০৫) একজন বাঙালী কবি, এবং গদ্যকার।
জন্ম দেশভাগের দুই বছর আগে, কোলকাতার বরানগরে। পড়েছেন ব্রহ্মানন্দ কেশব চন্দ্র কলেজে। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১০, প্রথম কাব্যগ্রন্থ বহুল আলোচিত শীতকাল কবে আসবে সুপর্ণা (১৯৭১)। লেখালেখির শুরু ষাটের দশকের মাঝখানে, লিখেছেন টানা চল্লিশ বছর, মৃত্যুর আগ অব্দি। পেশাগত জীবনে তিনি ছিলেন স্কুল শিক্ষক।
তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে এসো , সুসংবাদ এসো (১৯৮১), রাস্তায় আবার (১৯৮৩), দেবতার সঙ্গে (১৯৮৬), আকাশ অংশত মেঘলা থাকবে (১৯৮৯), স্বপ্ন দেখার মহড়া (১৯৯৩), তুমি আমার ঘুম (১৯৯৮), নীল রঙের গ্রহ (১৯৯৯), কীরকম আছো মানুষেরা (২০০৫), জিরাফের ভাষা (২০০৫)। গদ্যগ্রন্থের মাঝে প্রিয় সুব্রত, শয়নযান উল্লেখযোগ্য।
জন্ম দেশভাগের দুই বছর আগে, কোলকাতার বরানগরে। পড়েছেন ব্রহ্মানন্দ কেশব চন্দ্র কলেজে। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১০, প্রথম কাব্যগ্রন্থ বহুল আলোচিত শীতকাল কবে আসবে সুপর্ণা (১৯৭১)। লেখালেখির শুরু ষাটের দশকের মাঝখানে, লিখেছেন টানা চল্লিশ বছর, মৃত্যুর আগ অব্দি। পেশাগত জীবনে তিনি ছিলেন স্কুল শিক্ষক।
তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে এসো , সুসংবাদ এসো (১৯৮১), রাস্তায় আবার (১৯৮৩), দেবতার সঙ্গে (১৯৮৬), আকাশ অংশত মেঘলা থাকবে (১৯৮৯), স্বপ্ন দেখার মহড়া (১৯৯৩), তুমি আমার ঘুম (১৯৯৮), নীল রঙের গ্রহ (১৯৯৯), কীরকম আছো মানুষেরা (২০০৫), জিরাফের ভাষা (২০০৫)। গদ্যগ্রন্থের মাঝে প্রিয় সুব্রত, শয়নযান উল্লেখযোগ্য।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 12 of 12 reviews
November 1, 2021
১.
২০১৩ সাল। বইটা খুলতেই আশ্চর্য লাইনগুলো ভেসে উঠলো। কিনবো না কিনবো না করে কিনেও ফেললাম। কিন্তু সহসা মন বসাতে পারলাম না। একটু যেন বেশিই সহজ কবিতা, ঢেউ নেই। কেমন এক সর্বব্যাপী বিষণ্ণতার বোধ ছড়িয়ে আছে কবিতাগুলোর ছত্রে ছত্রে। এইরকম ভালোলাগা মন্দলাগার মধ্যেই ভাস্করের কবিতা হঠাৎ পেয়ে বসলো আমাকে। এই "পেয়ে বসা" ছাড়া উপায় ছিলো না আসলে। এই বোধ, এই বিস্ময়, এই বিপন্নতা,এই কাতরতা যে আমার একান্ত নিজস্ব!!ভাস্কর আজীবনের জন্য আমার প্রিয় কবিদের হ্রস্ব তালিকায় স্থান করে নিলেন।
২.
আমাদের যাপিত জীবনের ক্লান্তিকর পুনরাবৃত্তিপরায়নতা ভাস্করের মতো বুঝতে পারেননি আর কোনো কবি। এই যে জন্মানো, বেড়ে ওঠা, প্রেম, বিয়ে, চাকরি, অফিস-বাড়ি-বাড়ি-অফিস, ঘুম, জাগরণ, জাগরণ, ঘুম, একই রকম, একই রকম, জীবনানন্দের "জাগিবার গাঢ় বেদনার অবিরাম অবিরাম ভার,"জীবনকে টেনে টেনে মৃত্যু অবধি বয়ে চলার বেদনাবোধ ঘুরেফিরে এসেছে ভাস্করের কবিতায়।
৩.
আমাদের মতো সাধারণ এবং কিঞ্চিৎ ভাবুক মানুষের জীবনের গভীর ট্র্যাজেডি হচ্ছে "সংবেদনশীলতা।"দেখার জন্য চোখ আছে, ভাবার জন্য মন আছে, জীবনে শুদ্ধতার সন্ধান আছে কিন্তু চারপাশের ক্লেদাক্ততা, পরশ্রীকাতরতা, হিংসা থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার সামর্থ্য নেই। যার ফলস্বরূপ একটা সময় মানুষের সাথে তৈরি হয় অনতিক্রম্য দূরত্ব। যে দূরত্ব একজীবনে আর অতিক্রম করা যায় না। ভাস্কর নিরতিশয় বিস্ময় ও বিষাদ নিয়ে এই দূরত্বকে বরণ করেছেন। নিজের ক্লীবত্ব নিয়ে বেদনায় দুমড়ে মুচড়ে গিয়েছেন। সেই বেদনার সঙ্গী করেছেন আমাদের মতো পাঠকদের।
৩.হ্যাঁ, ভাস্করের কবিতায় উপমা,উৎপ্রেক্ষা,ছন্দের ঝনৎকার নেই। তার কবিতা সহজপাঠ্য কিন্তু সহজপাচ্য নয়।তার কবিতায় আছে গভীর বোধ, প্রাজ্ঞতা, জীবন সম্পর্কে বিস্ময় ও জিজ্ঞাসা এবং যা তার কবিতার বিষয়ে প্রায়ই বলা হয়, সেই বিষণ্ণতা। প্রশ্ন জাগে এতো নিরাশা আর নিরর্থকতার মাঝে কী নিয়ে আসলে বেঁচে ছিলেন তিনি? কী তাকে শক্তি যুগিয়েছে শেষাবধি? কিছু তো ছিলো, তাই না?
কে আর এমন ভাবতে পারে-
কে আর ধ্বংসস্তুপে এমন অবলীলায় স্বীকার করতে পারে-
(২ নভেম্বর, ২০২১)
প্রেমিকেরা একদিন স্বামী হয়।স্বামীরা তারপর আর
প্রেমিক থাকে না।
২০১৩ সাল। বইটা খুলতেই আশ্চর্য লাইনগুলো ভেসে উঠলো। কিনবো না কিনবো না করে কিনেও ফেললাম। কিন্তু সহসা মন বসাতে পারলাম না। একটু যেন বেশিই সহজ কবিতা, ঢেউ নেই। কেমন এক সর্বব্যাপী বিষণ্ণতার বোধ ছড়িয়ে আছে কবিতাগুলোর ছত্রে ছত্রে। এইরকম ভালোলাগা মন্দলাগার মধ্যেই ভাস্করের কবিতা হঠাৎ পেয়ে বসলো আমাকে। এই "পেয়ে বসা" ছাড়া উপায় ছিলো না আসলে। এই বোধ, এই বিস্ময়, এই বিপন্নতা,এই কাতরতা যে আমার একান্ত নিজস্ব!!ভাস্কর আজীবনের জন্য আমার প্রিয় কবিদের হ্রস্ব তালিকায় স্থান করে নিলেন।
২.
আমি দেখি
একটা দিন,আরেকটা দিনের মতো
আরেকটা দিন,আরেকটা দিনের মতো
একইরকম, অস্থিসার,ফাঁকা
আমাদের যাপিত জীবনের ক্লান্তিকর পুনরাবৃত্তিপরায়নতা ভাস্করের মতো বুঝতে পারেননি আর কোনো কবি। এই যে জন্মানো, বেড়ে ওঠা, প্রেম, বিয়ে, চাকরি, অফিস-বাড়ি-বাড়ি-অফিস, ঘুম, জাগরণ, জাগরণ, ঘুম, একই রকম, একই রকম, জীবনানন্দের "জাগিবার গাঢ় বেদনার অবিরাম অবিরাম ভার,"জীবনকে টেনে টেনে মৃত্যু অবধি বয়ে চলার বেদনাবোধ ঘুরেফিরে এসেছে ভাস্করের কবিতায়।
৩.
যখন সময় এসে দাবি করে,ওহে ভদ্র,কিছু একটা করো
আমি তো ঝাঁপিয়ে পড়ি অন্ধকারে
বোমা ভেবে যা কিছু ছুঁড়ি না কেন,রংমশাল হয়ে যায় সব।
আমাদের মতো সাধারণ এবং কিঞ্চিৎ ভাবুক মানুষের জীবনের গভীর ট্র্যাজেডি হচ্ছে "সংবেদনশীলতা।"দেখার জন্য চোখ আছে, ভাবার জন্য মন আছে, জীবনে শুদ্ধতার সন্ধান আছে কিন্তু চারপাশের ক্লেদাক্ততা, পরশ্রীকাতরতা, হিংসা থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার সামর্থ্য নেই। যার ফলস্বরূপ একটা সময় মানুষের সাথে তৈরি হয় অনতিক্রম্য দূরত্ব। যে দূরত্ব একজীবনে আর অতিক্রম করা যায় না। ভাস্কর নিরতিশয় বিস্ময় ও বিষাদ নিয়ে এই দূরত্বকে বরণ করেছেন। নিজের ক্লীবত্ব নিয়ে বেদনায় দুমড়ে মুচড়ে গিয়েছেন। সেই বেদনার সঙ্গী করেছেন আমাদের মতো পাঠকদের।
৩.হ্যাঁ, ভাস্করের কবিতায় উপমা,উৎপ্রেক্ষা,ছন্দের ঝনৎকার নেই। তার কবিতা সহজপাঠ্য কিন্তু সহজপাচ্য নয়।তার কবিতায় আছে গভীর বোধ, প্রাজ্ঞতা, জীবন সম্পর্কে বিস্ময় ও জিজ্ঞাসা এবং যা তার কবিতার বিষয়ে প্রায়ই বলা হয়, সেই বিষণ্ণতা। প্রশ্ন জাগে এতো নিরাশা আর নিরর্থকতার মাঝে কী নিয়ে আসলে বেঁচে ছিলেন তিনি? কী তাকে শক্তি যুগিয়েছে শেষাবধি? কিছু তো ছিলো, তাই না?
কে আর এমন ভাবতে পারে-
টবের মাটিতে আজও দুই পা ডুবিয়ে,হাত ছড়িয়ে দাঁড়ালে
শরীরে কি ফুল হবে?
আঙুলের থেকে পাখি,উড়ে যাবে,দুরূহ আকাশে?
কে আর ধ্বংসস্তুপে এমন অবলীলায় স্বীকার করতে পারে-
বিশাল ঘুমের মধ্যে বাক্সবন্দী আমার জীবন কেটে গেছে।
পশ্চিম বাংলার এই হেলে পড়া রাতে আজ কবুল করছি
মৃত্যু বড়ো জ্বালাতন করেছিল
জীবনও জ্বালিয়েছিল খুব-
তবু ছিল কিছু একটা-হয়তো মানুষজন্ম-হয়তো তোমার বৃষ্টিমুখ।
(২ নভেম্বর, ২০২১)
Read
May 10, 2025ভাস্কর চক্রবর্তীর কবিতা নিজের স্বগোতক্তির মতো মনে হয়৷ ❤️
October 11, 2023
ভাস্কর চক্রবর্তী তার কবিতায় সাধারণভাবে অসাধারণ সব কথা বলে গিয়েছেন। বড় ভালো লাগল। নগর জীবনে হাপিয়ে উঠা গুমোট অনুভূতিগুলোর প্রকাশ যেন তার কবিতার লাইনেই পেয়ে গেলাম। কিছু কবিতা বারবার আউড়ে গিয়েছি। কিছু কিছু লাইন আবার স্তব্ধ করে দিয়েছে ক্ষণিকের জন্য।
October 20, 2022
#কেজি II
"যোগ করো বিয়োগ করো গুণ করো ভাগ করো
মাটির নিচের পাচঁটি সবজির নাম বলো তো?
দশটা ফুল? দশটা ফল?
এভাবেই তোমাকে ঝটপট শিখতে হবে আরও অনেক কিছু।
আর হাজারো পাঠক্রম তোমাকে গিলতে হবে তারপর —
তারপর, পচতে হবে।"
..……..........................................................
পচেই তো গেল সব, কাঁচা থাকতেই পচে গেল, পাকার আর সময় পেল কই !!!
# উৎকন্ঠা
"যদিও কথাটা শাস্ত্রে লেখা নেই, ভূ-ভারতে নেই,
আমাদের ঘষটাতে ঘষটাতে মরতে হবে।
ঘরের অভাবে আর ভাতের অভাবে মরতে হবে।
আমাদের পরমাণু খেয়ে মরতে হবে।
সাত স্বর্গ ঘুরে ঘুরে বন্ধুর অভাবে
সাতটা নরক ঘুরে প্রেমের অভাবে
একা একা কথা বলবার অপরাধে
একা শুয়ে থাকবার অপরাধে
রাস্তাজুড়ে বিড়ালের মতো
আমাদের একদিন চেপ্টা হয়ে পড়ে থাকতে হবে।"
…...................................................................
বই পড়ে পড়ে মরতে হবে
কবিতা লিখে লিখে মরতে হবে
গান গেয়ে গেয়ে মরতে হবে
ছবি আঁকতে আঁকতে মরতে হবে।
.............................………………………………….……
# যদি ভালোবাসা, প্রিয়, আমাকে বাঁচাতে পারে বাঁচবো তাহলে - (মৃতঞ্জীবনী)
#আমি শুধু একটা রক্তের নদী সাঁতরিয়ে-সাঁতরিয়ে আজও নীল-শাড়ি-পড়া
ওই মেয়েটির কাছে গিয়ে শান্তি চাইব। - (তোমাকে বলছি)
# চব্বিশ পঁচিশে আমাকে যা সব থেকে বেশি কাহিল করেছিল, তা অসুস্থ হয়ে পড়ার এক ভয়। উন্মাদ হয়ে পড়ার এক ভয়। - (শয়নযান)
# ...যেকোনো লাইন থেকেই একটা কবিতা শুরু হতে পারে, আর যেকোনো লাইনেই শেষ হয়ে যেতে পারে সেই কবিতা। কবিতা হবে আপাত সরল। হাজারমুখো৷ বিষয়ের কোনো বাছবিচার থাকবে না৷ - (শয়নযান)
# আমি বিশ্বাস করি কবিতায়, ভালোবাসায় বিশ্বাস করি। - (শয়নযান)
কী রকম আছো মানুষেরা !!! ভাল তো ?
"যোগ করো বিয়োগ করো গুণ করো ভাগ করো
মাটির নিচের পাচঁটি সবজির নাম বলো তো?
দশটা ফুল? দশটা ফল?
এভাবেই তোমাকে ঝটপট শিখতে হবে আরও অনেক কিছু।
আর হাজারো পাঠক্রম তোমাকে গিলতে হবে তারপর —
তারপর, পচতে হবে।"
..……..........................................................
পচেই তো গেল সব, কাঁচা থাকতেই পচে গেল, পাকার আর সময় পেল কই !!!
# উৎকন্ঠা
"যদিও কথাটা শাস্ত্রে লেখা নেই, ভূ-ভারতে নেই,
আমাদের ঘষটাতে ঘষটাতে মরতে হবে।
ঘরের অভাবে আর ভাতের অভাবে মরতে হবে।
আমাদের পরমাণু খেয়ে মরতে হবে।
সাত স্বর্গ ঘুরে ঘুরে বন্ধুর অভাবে
সাতটা নরক ঘুরে প্রেমের অভাবে
একা একা কথা বলবার অপরাধে
একা শুয়ে থাকবার অপরাধে
রাস্তাজুড়ে বিড়ালের মতো
আমাদের একদিন চেপ্টা হয়ে পড়ে থাকতে হবে।"
…...................................................................
বই পড়ে পড়ে মরতে হবে
কবিতা লিখে লিখে মরতে হবে
গান গেয়ে গেয়ে মরতে হবে
ছবি আঁকতে আঁকতে মরতে হবে।
.............................………………………………….……
# যদি ভালোবাসা, প্রিয়, আমাকে বাঁচাতে পারে বাঁচবো তাহলে - (মৃতঞ্জীবনী)
#আমি শুধু একটা রক্তের নদী সাঁতরিয়ে-সাঁতরিয়ে আজও নীল-শাড়ি-পড়া
ওই মেয়েটির কাছে গিয়ে শান্তি চাইব। - (তোমাকে বলছি)
# চব্বিশ পঁচিশে আমাকে যা সব থেকে বেশি কাহিল করেছিল, তা অসুস্থ হয়ে পড়ার এক ভয়। উন্মাদ হয়ে পড়ার এক ভয়। - (শয়নযান)
# ...যেকোনো লাইন থেকেই একটা কবিতা শুরু হতে পারে, আর যেকোনো লাইনেই শেষ হয়ে যেতে পারে সেই কবিতা। কবিতা হবে আপাত সরল। হাজারমুখো৷ বিষয়ের কোনো বাছবিচার থাকবে না৷ - (শয়নযান)
# আমি বিশ্বাস করি কবিতায়, ভালোবাসায় বিশ্বাস করি। - (শয়নযান)
কী রকম আছো মানুষেরা !!! ভাল তো ?
December 26, 2020
এই বই পড়া , বোঝা এবং তাকে নিজের ভেতর ধারণ করা কখনো ফুরোয় না। যারা সাহিত্য সমালোচক, তারা ভালো মন্দ বিচার করবেন। আমি এক নবীন পাঠক মাত্র।
আর কী বলি... :)
আর কী বলি... :)
July 27, 2019
ভয়ানক সুন্দর
May 8, 2025
প্রিয় পাঁচ কবিতার ভিতর এই বই থাকবে।
September 13, 2025
ভাস্কর চক্রবর্তী শীতকালে তিন মাস ঘুমানোর কথা বলেন, বলেন প্রেমিকদের স্বামী হয়ে যাওয়ার কথা। তার কবিতায় জানিয়ে দেন কিভাবে মৃত্যুর পর তিনি চিঠি লিখবেন। সাথে আমাদের জানাতে থাকেন এমন সব কথা, যা আমরা নিজেদের জীবনের সাথে মিলিয়ে নিতে পারি৷
November 22, 2020
যেসব কবির লেখা পড়ে রাতে ঘুম আসে না ।। কবি ভাস্কর চক্রবর্তী তাদের মধ্যে অন্যতম ❤
April 9, 2021
ভাস্কর চক্রবর্তী কবিতাবোদ্ধার জন্য নন। ভাস্কর চক্রবর্তী কেবলমাত্র কবিদের কবি। আর কমবেশি প্রত্যেক মানুষই কবি। এই সংকলনে তাঁর বহুপঠিত 'শীতকাল কবে আসবে সুপর্ণা'-র পাশাপাশি জায়গা করে নিয়েছে তাঁর স্বল্পপঠিত সৃষ্টিগুলি।
Read
May 2, 2020good
May 11, 2021
Bohubar porechhi kobita gulo.. osadharon sundor
Displaying 1 - 12 of 12 reviews









