নিষিদ্ধ জেনেও গ্রামের ওই পুরনো মন্দিরে গিয়ে অদ্ভুত অসুখে পড়ল সপ্তদশী কিশোরি টগর৷ সবাই বলে, জ্বিনে ধরেছে ওকে। রাত-বিরাতে ঘর থেকে উধাও হয়ে যেতে লাগল! এ গল্প শুরু হয় আটশ বছর আগে। পায়ে হেঁটে পূর্ণযৌবনা নদী পাড়ি দিয়ে এক রহস্যময়ীর গ্রামে আগমনের মধ্য দিয়ে। তার আটশ বছর পর রহস্যের তল পেতে উত্তরবঙ্গের অখ্যাত সেই গ্রামে পা রাখল এক সাক্ষাৎ বিভ্রান্তি! একজন অভ্র। এসব কিছুর সাথে ইতিহাস বিখ্যাত চরিত্র বখতিয়ার খিলজি এবং আঠারো শতকের এক ফরাসি লেখকের সম্পর্ক কোথায়? জমাট রহস্য, আধিভৌতিকতা আর একটুখানি ইতিহাস। অভ্র'র মায়াময় জগতে আপনাকে আরো একবার স্বাগতম।
অভ্র চরিত্রটা দারুণ। হিমুর প্রতিচ্ছবি বলতে গেলে কিন্তু তাও তার মাঝে কিছু নতুনত্ব আছে। আধিভৌতিক হিসেবে সুন্দর ছিল বইটা। অভ্রের হিউমারও দারুণ ব্লেন্ড করেছে সময়ে সময়ে।
ব্যক্তিগতভাবে আবুল ফাতাহর অভ্র চরিত্রটার চেয়ে তারেক ফয়সালকে বেশি পছন্দ করি। সিরিয়াস টোনের থ্রিলার। নো ননসেন্স। তবে অভ্রকে দুই একটি বইতে ইদানীং রহস্যভেদী চরিত্রে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন লেখক। বখতিয়ারের জ্বিন সম্পর্কে অন্তত সেকথাই বলা যাচ্ছে বইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী। পড়ে ফেললাম। এবার আসা যাক কেমন হলো বখতিয়ারের জ্বিন। যা যা ভালো লেগেছেঃ ১) প্রচ্ছদ। এ পর্যন্ত সমসাময়িক যতগুলো থ্রিলার পড়লাম, বখতিয়ারের জ্বিনের প্রচ্ছদ অনায়াসে টপ থ্রি-তে রাখা যায় (আমার কাছে)। চমৎকার একটা প্রচ্ছদের জন্য লেখক প্রশংসার (এবং একইসাথে প্রচ্ছদকারীও) দাবীদার। ২) প্লট। আমি বলছি না বইটায় কাহিনী খুব চমৎকারভাবে গতিশীল এবং টানটান উত্তেজনাকর। লেখক বলেছেন বখতিয়ারের জ্বিন স্লো বার্নিং থ্রিলার যারা পছন্দ করেন, তাদের জন্য উপাদেয় হবে। প্লটটা আমার কাছে খুব ইন্টারেস্টিং লেগেছে। সত্যিই তো, বখতিয়ার খিলজীর সাথে একটা মন্দিরের দেবীমূর্তির কী সম্পর্ক থাকতে পারে, এটা জানতে আগ্রহ পাঠকদের হবেই। মূলত কাহিনী সংক্ষেপটা আগ্রহ জাগানিয়া। ৩) আবুল ফাতাহর লেখনী খুব সাবলীল। বইটা যারা কিনেছেন এবং পড়েছেন, তারাও আমার সাথে একমত হবেন। কাহিনী কিংবা গতি, যতটাই সাদামাটা হোক না কেন, আবুল ফাতাহর লেখনী খুবই সাবলীল। ৪) বানান ভুল বইতে খুবই কম। যত্নের সাথে সম্পাদনা করা হয়েছে, সেটা বোঝাই যায়। এটাও লেখক, সম্পাদকের প্লাস পয়েন্ট। ৫) উত্তরবঙ্গের প্রাকৃতিক দৃশ্যের বর্ণনা পেয়েছি বইটিতে। ভালো লেগেছে। ৬) মধ্যবিত্ত পরিবারের কিছু সচরাচর বেদনা এবং ভাইবোনের মাঝে খুনসুটির দৃশ্যগুলো ভালো লেগেছে। মূলত, অভ্রকে এই ধরনের কাহিনীগুলোতে আনলেই ভালো লাগে বেশি। রহস্যভেদী হিসেবে অভ্রকে লেখক আরও আনবেন কি আনবেন না, সেটা তার ব্যাপার। তবে আটপৌরে মধ্যবিত্ত সমাজে অভ্রের মতো চরিত্রগুলো হরহামেশাই দেখা যায়। পড়তে গেলে সেগুলো আমরা পাঠকেরা রিলেট করতে পারি দারুণভাবে। ৭) অভ্রের শেষ বইটির মতো এখানেও তারেক ফয়সালকে আনা হয়েছে। যেহেতু চরিত্রটাকে ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ করি, তাই কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ বা আদৌ আনা দরকার ছিল কিনা, সে কথায় যাচ্ছি না। যা যা ভালো লাগেনিঃ ১) কাহিনী বিন্যাস। ১৭০+ পৃষ্ঠার একটি বই। নেহাত ছোট নয়। কিন্তু এই বইতে যখন প্রায় মাঝামাঝি সময়ে এসেও কাহিনী তেমনভাবে জমে ওঠে না, থ্রিলার পাঠকদের কাছে একটু বিরক্তবোধ হওয়া স্বাভাবিক। ২) অতিরিক্ত ভাঁড়ামো। মানলাম অভ্র ছেলেটার মাঝে সার্কাজম একটু বেশি। জটিল পরিস্থিতিতেও হাসি-ঠাট্টার লোভ সে সামলাতে পারে না। তাই বলে এতটা?! বলতে বাধ্য হচ্ছি, বইটা আমার কাছে থ্রিলার-কমেডি ঘরানারই লেগেছে বেশি। সেটা মূল চরিত্র অভ্রের কারণেই। ৩) শ্বেতকালী দেবী বনাম বখতিয়ারের জ্বিন। চমৎকার একটি প্লট হতে পারত। হরর জনরাতেও চলে যেতে পারত লেখক চাইলে। সেখানে গেল না বইটা। একেবারে ধারেকাছে দিয়েও না। ৪) আফরীন এবং চন্দ্রিমার মাঝে অভ্রকে স্যান্ডউইচ হয়ে যাবার বর্ণনা এত বেশি যে রীতিমতো হাঁসফাঁস লাগছিল। কমিক রিলিফ থ্রিলারে আবশ্যিক কোনো বিষয় নয়। একঘেয়েমিতা থেকে দূরে রাখতে মাঝে মাঝে আনা যেতেই পারে। তবে বখতিয়ারের জ্বিনে কমিক রিলিফ এতটাই যে বিরক্তি ছাড়া আর কিছু পাইনি। ৫) ক্লাইম্যাক্স। পুরো বইয়ের শেষে রহস্যের যে সমাধান দেয়া হয়েছে, তাতে আমি হতভম্ব হয়েছি বলতে গেলে। এতটাই সরলীকরণ করা হয়েছে যে চরমমাত্রায় হতাশ হয়েছি বলতে বাধ্য হলাম। তারেক ফয়সাল গল্পের শেষে এসে যে সমস্যার সমাধান করলেন, সেটাও আহামরি কিছু লাগল না। ৬) পুরো বইটা যাকে কেন্দ্র করে তৈরি হলো, সে বখতিয়ারের জ্বিনকে নিয়ে লেখক কোনো দৃষ্টিপাতই করেননি বলতে গেলে (পুরোটাই ব্যক্তিগত মতামত) ৭) অভ্রকে যে সমস্যার সমাধান করতে ডেকে আনা হয়েছে, সে সমস্যা তার কাছে মেয়েটার পরিবার খোলাসাই করেছে বইয়ের অর্ধেকের শেষে। তাহলে গোয়েন্দা ভাড়া করার মানে কী?
বখতিয়ারের জ্বিন আমাকে হতাশ করেছে। ইতিহাসনির্ভর চমৎকার একটা থ্রিলার আশা করেছিলাম। অভ্রের সস্তা রসিকতায় সেটা কোথায় যেন হারিয়ে গেল। তবে ওয়ান টাইম রিড হিসেবে মোটামুটি চালানো যায়। খুব বেশি আশা না করাই ভালো। তবে অভ্রকে যারা পছন্দ করেন, তারা মজা পাবেন। চন্দ্রিমা, আফরীনের সাথে অভ্রের খুনসুটিও মুখে হাসি এনে দেবে পাঠকদের। আমার ব্যক্তিগত রেটিং ৩.২/৫
এটা আমার পড়া অভ্র সিরিজের প্রথম বই। লেখকের বর্ণনা ভংগিমা এক কথায় চমৎকার। বইটাতে বোধহয় চরিত্রগুলো নিয়ে আর একটুখানি কাজ করা যেত। আর কিছু কিছু যায়গায় বর্ণনার বাহুল্য এড়ালে বইটা আরেকটু সুখপাঠ্য হতো।
কিন্তু যা হয়েছে সেটা পাঠক হিসাবে আমাকে ধরে রেখেছে শেষ পর্যন্ত আর উপহার দিয়েছে আনন্দময় কয়টি ঘন্টা। শুভকামনা থাকবে লেখকের জন্য। ভালো থাকুন আর আরো চমৎকার সব বই উপহার দিন আমাদের।
আর চমৎকার প্রচ্ছদের কথা না বললেই নয়...এমন প্রচ্ছদ অবশ্যই বইটার আকর্ষণ অনেকখানি বাড়িয়ে দিয়েছে। লেখক এবং প্রচ্ছদ শিল্পী একই ব্যাক্তি হওয়ায়, তার জন্য রইল দ্বিগুণ শুভকামনা।
উত্তরবঙ্গের একটি গ্রাম। নাম শীতখালি বা শ্বেতখালি। অভ্র নামের এক বাউন্ডুলে বেকার যুবককে অদ্ভূত এক দায়িত্ব দিয়ে সেখানে পাঠানো হলো। স্রেফ দায়িত্ব না বলে, গোয়েন্দাগিরির দায়িত্ব বলা ভালো। এই যাত্রায় তার একজন সঙ্গী আছে। নাম চন্দ্রিমা।
সপ্তদশী টগর এই গ্রামের একজন অতি প্রভাবশালী ব্যক্তির মেয়ে। সম্প্রতি তাকে জ্বিনে ধরেছে। যেই সেই জ্বিন না, খোদ ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খিলজির পোষ্য জ্বিন। এই জ্বিন সাহেব ৮০০ বছর ধরে এখানে কি করছে তার থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো গ্রামে দামিনী নামের এক রহস্যময় নারীর প্রতিষ্ঠা করা একটা কালি মন্দির আছে। কালো কালি না, ফর্সা কালি। সেই কালি মন্দিরে পুজার অনুষ্ঠানে বেড়াতে গিয়েই টগরের এই হাল। মেয়েটার অবস্থা এখন খুবই খারাপ। তার অতি দুশ্চিন্তিত ঢাকায় থাকা বড় চাচা অভ্রকে পাঠিয়েছেন বিষয়টা খতিয়ে দেখার জন্য। এটাই এই বইয়ের সবচেয়ে খারাপ দিক। এখানে খতিয়ে দেখার কি আছে! লেখকও বুঝেছেন এটা। বুঝে, উদ্ভট উদ্ভট কিছু লজিক দেখিয়ে বিষয়টা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন। ব্যাখ্যা ভালো হয়নি। বইয়ের বেশ কয়েক জায়গায় বলা আছে- 'অভ্র প্রচন্ড বুদ্ধিমান'। চরিত্রটা পড়ে, আমার এমন মনে হয়নি। অভ্র বাউন্ডুলে বেকার যুবকের চরিত্র হিসেবে ঠিক আছে, গোয়েন্দা টাইপ হিসেবে একেবারেই নয়।
এ বইয়ের দুইটা ভালো দিক আছে। প্রথমত, প্লট। এবং দ্বিতীয়ত, আবুল ফাতাহ'র লেখা; পড়তে বিরক্তি আসে না। কিন্তু দু'টো ভালো ব্যাপারই পুরোপুরি ম্লান হয়ে গেছে বইয়ের পরতে পরতে ছড়িয়ে থাকা মাত্রাতিরিক্ত চর্বির কারণে। জ্বী, এ বইয়ের প্রায় ৪০ ভাগ অংশই অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা এবং কাজকামে ভর্তি। যেখানে যেখানে বর্ণনা অতি আবশ্যক ছিল, লেখক সেখানে একেবারেই ভ্রুক্ষেপ করেননি। উপরন্তু, উনার মনযোগের বড় একটা অংশ জুড়ে ছিল অভ্রের অতিরিক্ত রকম সস্তা রসিকতা এবং তার বান্ধবীদ্বয়ের চরিত্র বিকাশ। আমি খুবই অবাক হইছি, আবশ্যক বিষয়াদি বাদ দিয়ে লেখকের একদমই অপ্রয়োজনীয় অংশে সম্পূর্ণ সচেতনময় এতো মনযোগ দেখে! অভ্র সিরিজের কোন বই আগে আমার পড়া হয় নাই। এমন হতে পারে, লেখক হয়তো 'স্বতন্ত্র বখতিয়ারের জ্বিন'-এর চেয়ে 'সিরিজ অভ্র' কে বেশি গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন। আবার এমনও হতে পারে, আমি হয়তো এ বইয়ের মূল বিষয়বস্তু কিছু বুঝিই নাই!
আবুল ফাতাহ'র লেখা তিনটা বই আগে পড়া হয়েছে। 'আততায়ী', 'দ্য এন্ড' এবং 'ফেরাউনের গুপ্তধন'। লেখকের লেখার সবচেয়ে খারাপ যে ব্যাপারটা আগে পড়া বইগুলোতে চোখে লেগেছিল, তা হচ্ছে- 'বাংলা সাহিত্যের কতিপয় জনপ্রিয় চরিত্র এবং অতি জনপ্রিয় বিশেষ একজন লেখক থেকে প্রভাবমুক্ত হতে না পারা'। এ বইতে লক্ষ করলাম লেখক নিজেকে অনেকখানিই প্রভাবমুক্ত করতে পেরেছেন। স্বকীয়তা বজায় রাখার চেষ্টা স্পষ্ট।
আশা করছি, দোষ ত্রুটি কাটিয়ে উঠে লেখক আগামীতে আমাদের দারুণ দারুণ সব বই উপহার দিতে পারবেন। উনার সে সামর্থ্য আছে। চারটা বই পড়ে এ ব্যাপারে আমি অন্তত নিশ্চিত।
পড়েছি দুদিন অাগে.. তখনই এটা নিয়ে কিছু লিখে ফেলা উচিত ছিল। এখন লেখার মতো কিছু খুজে পাচ্ছি না।
আগের বই অভ্রত্বের সাথে এই বই এর বেশ মিল আছে।তার নায়িকার পরিচিত এক বড়লোকের গ্রামের বাড়িতে একটা সমস্যা দেখা গেছে। সেই সমস্যার সমাধান করতে পাঠানো হয়েছে অভ্রকে। অভ্র যার কোন কাজ কাম নাই। উদ্দেশ্যেহীন ভাবে ঘুরে বেড়ায় এবং সস্তা রসিকতা করে বেড়ায়। মাঝেমধ্যে রহস্য সমাধান ও করে সে।
এই গল্পে নায়িকার ২য় বড়লোক আত্মীয় দেখানোটা কেমন হয়ে যায়। তাই লেখক ২য় মেয়ে ঢুকিয়ে দেয়। আগের গল্পের জন তো আছেই সাথে নতুন একজন। দুজনই প্রেমিকা প্রেমিকা ভাব।
তবে গল্পের রহস্য ভালো ছিল। সত্য মিথ্যা মিলিয়ে যে ইতিহাস তৈরী করা হয়েছে সেটা খারপ লাগেনি। সব মিলিয়ে ভালো বলা যায়।
“পৃথিবীতে পৃথিবীর নিয়ম মেনে চলা মানুষ যতদিন থাকবে ততদিন পদে পদে জাগতিক নিয়ম নীতিকে সস্তা রসিকতায় উড়িয়ে দেয়ার মতো অভ্রদেরও দরকার আছে। অভ্ররা না থাকলে অভ্রত্বতে আক্রান্ত হব কীভাবে আমরা”
অভ্র এমনই এক মানুষ যার কাছে জগতের বিভ্রান্তিগুলো এসে ঠোকর খেয়ে পড়ে। যত সিরিয়াস ঘটনাই ঘটুক, সে তার হালকা হাস্যরস দিয়ে তার মূল্য কমিয়ে দিবে। তার ট্রেডমার্ক হাসি দিয়ে বিভ্রান্ত করে তোলে প্রতিপক্ষকে। হোক সে কোন রমনী বা কোন শত্রু! শত্রু? হ্যা শত্রু। তার কোনো শত্রু থাকবে এটা মানা যায় না। তবে তারও শত্রুর প্রয়োজন হয়।
লেখক «আবুল ফাতাহ মুন্নার» অভ্র সিরিজ আমি সেই শুরু থেকেই পড়ি। রহস্য প্রিয় এই অভ্রকে নিয়ে লেখক চমৎকার কিছু গল্প আমাদের উপহার দিয়েছেন। অভ্র যেমন রহস্য করতে পছন্দ করে, তেমনি রহস্যের জট খুলতেও পছন্দ করে। ব্যক্তিগতভাবে লেখকের লেখা আমাকে খুব টানে। প্রথম কারণ তার হালকা মেজাজে সুন্দর করে গল্প উপস্থাপন করার পদ্ধতি। দ্বিতীয় কারণ লেখকের হিউমার সেন্স আমার জানামতে খুব ভালো। তো যাইহোক এবারও যখন “~একজন অভ্র এবং বখতিয়ারের জ্বিন~” বইটি প্রকাশের খবর পাই তখন আমার মন পুলকিত হয়ে উঠে। বইটি প্রকাশ করেছেন ““নন্দন প্রকাশনী””। বইটিও আমার সংগ্রহ করা হয় ভিন্ন ভাবে। সে যাইহোক চলুন কাহিনী সারাংশে যাই।
বাউন্ডুলে জীবন পার করছে অভ্র। ঋণগ্রস্ত অভ্রকে পাড়ার মুদি দোকানীও আর সদাই-পাতি দিতে চায় না। মাথাঘোরানো ক্ষিদে নিয়ে রাস্তায় ঘুরে। এমনটা না যে তার পড়াশোনা নেই, তাই চাকরি-বাকরি করতে পারেনা। পড়াশোনা মোটামুটি জানা আছে তার। অনেকদিন যাবত বড়লোক বাবার মেয়ে ‘আফরিনকে’ পড়াতো। সেখানে ভালোই মাইনে পেত। তাই আর বাড়তি চিন্তা করেনি। কিন্তু এখন টিউশনিটা আপাতত নেই। তাই এই অবস্থা।
ঝুম বৃষ্টির পর ঘনকালো মেঘের আড়াল থেকে যেমন করে সূর্যের দেখা পাওয়া যায়, তেমন ভাবে অভ্রের কাছে হঠাৎই ‘চন্দ্রিমা’ একটি প্রস্তাব নিয়ে আসে। চন্দ্রিমার চাচাতো বোনের অদ্ভুত এক সমস্যা দেখা দিয়েছে। তার সমাধানের জন্যই অভ্রের কাছে আগমন। ওহ, চন্দ্রিমা হচ্ছে আগের অভ্র সিরিজগুলোর অভ্রের পার্শ্ব চরিত্র।
অভ্র চন্দ্রিমার চাচার মাধ্যমে জানতে পারে যে তার ভাতিজির সাথে অদ্ভুত কিছু ঘটছে। গ্রামের সাধারণ মানুষের ধারণা তাকে জ্বিনে ধরেছে৷ কিন্তু চাচা মনে করেন এর মাঝে আরো কোন রহস্য আছে। ঘটনা সব শুনে অভ্র মনে করলো এটা তার কাজ না। সে চলে গেল প্রখ্যাত ডিটেকটিভ ‘তারেক ফয়সালের’ কাছে। (আমার পছন্দের আরেক চরিত্র। তিনি শখের গোয়েন্দা। তাকে নিয়েও লেখকের বই আছে) তবে তিনি এখন শারীরিক ভাবে অসুস্থ। তবে ঘটনা শুনে কিছু হিন্টস দিয়ে দিলেন।
অবশেষে অভ্র আর চন্দ্রিমা ভিকটিম টগরের গ্রামের বাড়ি আসে। সেখানে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করতে থাকে। তবে সবাই কেমন জানি কথা চেপে রাখে। স্বয়ং ভিকটিমের মা নিজেই কি যেন লুকাতে চেষ্টা করে। জ্বিনের রহস্য সন্ধান করতে করতে অভ্রের সামনে চলে আসে ৮০০ বছর পূর্বের বিখ্যাত --ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির-- এক অদ্ভুত তথ্য। তা হচ্ছে “বখতিয়ারের জ্বিন”
৮০০ বছর পর এসে বর্তমানে টগরের সাথে বখতিয়ারের জ্বিনের কীসের সম্পর্ক? আর সেখানেই ততকালীন সময়ে এক তন্ত্র সাধীকা ‘দামিনীর’ তৈরী করা শেত্বকালী মূর্তিরইবা কিসের যোগসূত্র?
***
অভ্রের স্বভাবসুলভ হাস্যরসাত্মক কথাবার্তা, চন্দ্রিমা আর আফরিনের সাথে বিভ্রান্তিমূলক সম্পর্ক, প্রিয় চরিত্র তারেক ফয়সালের ইনক্লুড এবং সবশেষ অভ্রের ধীর স্থীর রহস্যর জটা খোলা বেশ উপভোগ করেছি।
আর কিছুই বলব না। শুধু একটি বার্তা দিবো। কেবল অভ্র ভক্তদের জন্যই এই বই। যারা জগতের নোংরা, বালখিল্যতা, প্রতিহিংসা, লোভ, ব্যার্থতা নিতে পারে না। আবার এসবের বিপরীতে কিছু করতেও পারেনা। শুধু বুকে চেপে অভিশাপ দিয়ে যায় তাদের জন্য এ বই।
The 5th book of Avro series. Even if you haven't read the previous books there's no problem to understand the story. Each book from the series is stand alone. There is something in the author's writing that makes you read in one breath. Some supernatural thoughts come to mind when you hear the word Jinn. The story also points in that direction. And the first name that comes to mind after hearing the name of Bakhtiyar is Muhammad bin Bakhtiyar Khalji who conquered Bengal in 1204. However, although the direction of history is mentioned, the story has progressed in the context of the present time.
Avro, the main character, loves to surprise people with his words. Be it the opponent, the beautiful lady or anyone! He is living a life of apathetic. Even the grocers sellers in the neighborhood don't always want to pay off the debt-ridden Avro. It's not that he doesn't have an education, so he can't work. He knows his studies fairly well. For a long time, he used to teach Afrin who's father is a rich man. He was well paid there. So didn't think extra. But now the tuition is not there. That's why he is facing this situation.
At that time Chandrima came like a boon. The problem is with one of his uncle's nieces. The people of the village seemed to think that she was possessed by a jinn. But Chandrima's uncle suspects there is a mystery. So he assigned Avro to look for the matter. But seeing that, Avro went to a private detective, Tareq Faisal. He gave some hints as he was ill. Eventually Avro and Chandrima went together to unravel the mystery. Victim's mother kept hiding her words. The people of the village are also reluctant to open their mouths to any unknown terror.
While searching for the mystery of the jinn, Avro came across a strange piece of information about the famous 800 years ago - Ikhtiyar Uddin Muhammad bin Bakhtiyar Khalji. That is “Bakhtiyar's jinn". What is the relationship of Bakhtiyar's jinn in this present situation after 600 years? What is the connection between white statue made by the Tantra sadhika 'Damini' and the French author? Avro's humorous use, his misleading dealings with Chandrima and Afrin, Tareq Faisal's clues are all quite enjoyable in the end.
উত্তরবঙ্গের একটি গ্রাম। নাম শীতখালি বা শ্বেতখালি। অভ্র নামের এক বাউন্ডুলে বেকার যুবককে অদ্ভূত এক দায়িত্ব দিয়ে সেখানে পাঠানো হলো। স্রেফ দায়িত্ব না বলে, গোয়েন্দাগিরির দায়িত্ব বলা ভালো। এই যাত্রায় তার একজন সঙ্গী আছে। নাম চন্দ্রিমা। সপ্তদশী টগর এই গ্রামের একজন অতি প্রভাবশালী ব্যক্তির মেয়ে। সম্প্রতি তাকে জ্বিনে ধরেছে। যেই সেই জ্বিন না, খোদ ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খিলজির পোষ্য জ্বিন। এই জ্বিন সাহেব ৮০০ বছর ধরে এখানে কি করছে তার থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো গ্রামে দামিনী নামের এক রহস্যময় নারীর প্রতিষ্ঠা করা একটা কালি মন্দির আছে। কালো কালি না, ফর্সা কালি। সেই কালি মন্দিরে পুজার অনুষ্ঠানে বেড়াতে গিয়েই টগরের এই হাল। মেয়েটার অবস্থা এখন খুবই খারাপ। তার অতি দুশ্চিন্তিত ঢাকায় থাকা বড় চাচা অভ্রকে পাঠিয়েছেন বিষয়টা খতিয়ে দেখার জন্য। এটাই এই বইয়ের সবচেয়ে খারাপ দিক। এখানে খতিয়ে দেখার কি আছে! লেখকও বুঝেছেন এটা। বুঝে, উদ্ভট উদ্ভট কিছু লজিক দেখিয়ে বিষয়টা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন। ব্যাখ্যা ভালো হয়নি। বইয়ের বেশ কয়েক জায়গায় বলা আছে- 'অভ্র প্রচন্ড বুদ্ধিমান'। চরিত্রটা পড়ে, আমার এমন মনে হয়নি। অভ্র বাউন্ডুলে বেকার যুবকের চরিত্র হিসেবে ঠিক আছে, গোয়েন্দা টাইপ হিসেবে একেবারেই নয়। এ বইয়ের দুইটা ভালো দিক আছে। প্রথমত, প্লট। এবং দ্বিতীয়ত, আবুল ফাতাহ'র লেখা; পড়তে বিরক্তি আসে না। কিন্তু দু'টো ভালো ব্যাপারই পুরোপুরি ম্লান হয়ে গেছে বইয়ের পরতে পরতে ছড়িয়ে থাকা মাত্রাতিরিক্ত চর্বির কারণে। জ্বী, এ বইয়ের প্রায় ৪০ ভাগ অংশই অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা এবং কাজকামে ভর্তি। যেখানে যেখানে বর্ণনা অতি আবশ্যক ছিল, লেখক সেখানে একেবারেই ভ্রুক্ষেপ করেননি। উপরন্তু, উনার মনযোগের বড় একটা অংশ জুড়ে ছিল অভ্রের অতিরিক্ত রকম সস্তা রসিকতা এবং তার বান্ধবীদ্বয়ের চরিত্র বিকাশ। আমি খুবই অবাক হইছি, আবশ্যক বিষয়াদি বাদ দিয়ে লেখকের একদমই অপ্রয়োজনীয় অংশে সম্পূর্ণ সচেতনময় এতো মনযোগ দেখে! অভ্র সিরিজের কোন বই আগে আমার পড়া হয় নাই। এমন হতে পারে, লেখক হয়তো 'স্বতন্ত্র বখতিয়ারের জ্বিন'-এর চেয়ে 'সিরিজ অভ্র' কে বেশি গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন। আবার এমনও হতে পারে, আমি হয়তো এ বইয়ের মূল বিষয়বস্তু কিছু বুঝিই নাই! আবুল ফাতাহ'র লেখা তিনটা বই আগে পড়া হয়েছে। 'আততায়ী', 'দ্য এন্ড' এবং 'ফেরাউনের গুপ্তধন'। লেখকের লেখার সবচেয়ে খারাপ যে ব্যাপারটা আগে পড়া বইগুলোতে চোখে লেগেছিল, তা হচ্ছে- 'বাংলা সাহিত্যের কতিপয় জনপ্রিয় চরিত্র এবং অতি জনপ্রিয় বিশেষ একজন লেখক থেকে প্রভাবমুক্ত হতে না পারা'। এ বইতে লক্ষ করলাম লেখক নিজেকে অনেকখানিই প্রভাবমুক্ত করতে পেরেছেন। স্বকীয়তা বজায় রাখার চেষ্টা স্পষ্ট।
অভ্র সিরিজের সর্বশেষ সংস্করণ 'একজন অভ্র_এবং_বখতিয়ারের জ্বিন' রহস্য,মিথ,গোয়েন্দার মিলন হল অভ্র সিরিজে||
বই এর শুরুতেই ফাতাহ ভাই বলে দিয়েছেন এই বই মারমার-কাটকাট থ্রিলার না বরং স্লো বার্নিং বই|| তবে এত স্লো আর অপ্রয়োজনীয় প্রেমের আলোচনায় অতিষ্ঠ হয়ে গিয়েছিলাম || জোর করে চন্দ্রিমা আর আফরিন কে গল্পে বারবার ঢোকানো হচ্ছিলো বলে মনে হল||অনেক জায়গায় তাদের প্রয়োজন ই ছিল না|| 46 পৃষ্ঠার পর থেকে মূলত গল্প শুরু হয়েছে এর আগের পৃষঠা গুলো জোর করে লাগানো হয়েছে এমন লেগেছে আমার কাছে|| রহস্যোপন্যাস এর বই এর অর্ধেকে এসেও যদি গল্প না জমে তবে বিরক্ত লাগবেই|| মূলত 74 পৃষ্ঠার পর থেকে রহস্য আস্তে আস্তে ডানা ছড়াতে শুরু করে|| পুরো বই টাকে দুই ভাগে ভাগ করলে 9-73 পেইজ below average টাইপ লেখা||এই 64 পেইজ কে 34 পেইজে লিখলে আর ও ভাল হত(এটি লেখকের ব্যক্তিগত বিষয়,তার সৃষ্টি তার যেভাবে ভাল লেগেছে ওভাবেই করেছেন) আর 74-শেষ অব্ধি যাস্ট অসাধারণ || 74 পরবর্তী অএইজ গুলোতে হিমু আর মিসির আলীর যৌথ ক্যারেকটার দেখা যাই অভ্রর মাঝে|| পরে তারেক ফয়সাল(মিসির আলী 2.0) কেও পাবেন গল্পে|| বই এর শেষাংশ অত্যন্ত গতিশীল|| পড়তে বেশ মজাই লাগবে|| লেখকের লেখনশৈলী অনেক ভাল বিশেষ করে পাঠক ধরে রাখার মত যথেষ্ট ভাল||
এই জেনারের খুব কম আমি পড়েছি তাই অত জানা শোনা নেই||
তবে শেষে বেশ ভাল হয়েছে এই বই|| ছোট খাটা কিছু জিনিস নজর কেড়েছে,যেমন: -গ্রামের নামকরণ এর ব্যাখ্যা, -বখতিয়ারের মিথ টা যা বই এর নাম , -সর্বশেষ টুইস্ট দামিনী কে নিয়ে||
মোটামুটি বেশ ভাল লেগেছে || তবে শুরুতে এত স্লো বই অনেকের ই ভাল লাগবেনা :|
সিরিজের বই হলেও অভ্র কে সেটার জানার জন্য এই বই ভালো ভূমিকা রাখে৷ কারণ বললে, অভ্র সিরিজের অন্যান্য বই থাকলে নতুন পাঠক যখন বইটি পড়বে তখন অভ্র সম্পর্কে বেশ ভালো ধারণা পাবে। স্ট্যান্ড অ্যালোন হিসেবে ঠিকঠাক। মূল কাহিনি শুরু হতে বইয়ের অর্ধেকের বেশি সময় খরচ হয়ে যায়। এদিকটা অর্ধেক পজেটিভ কিছুটা নেগেটিভ। দার্শনিক বিচারের দিক থেকে অভ্রের মাধ্যমে লেখক কিছু বাস্তবতা টেনে নিয়ে এসেছেন। সেগুলো কয়েকটি ক্যাচ করলেও বাকিগুলো মিস করার মতো অর্থাৎ ছেড়ে দিলে খুব একটা সমস্যা হবে না৷ হিউমার রয়েছে বইতে অনেক; অতিরিক্ত বলব না তবে অভ্র চরিত্রের দিকে তাকালে ঠিকঠাক। গল্পে টানাপোড়েনের কয়েকটি বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে, যৌক্তিকও ছিল আবার কিছুটা রসাত্মক।
মূল কাহিনি যে বিষয়বস্তু নিয়ে সেটা ইন্টারেস্টিং ছিল। ইতিহাস আর মিথের মিশ্রণ ভালো। তবে আধিক্য ছিল টুইস্টে। দুর্বল দিক হচ্ছে সেটা। লেখকের গল্পের গাঁথুনি ভালো, লেখনশৈলী প্রাঞ্জল, বর্ণনাভঙ্গি স্মুথ৷ গল্পের কারবার, কাহিনির অন্দরমহলে ঢোকার দীর্ঘ রাস্তা, অভ্র চরিত্রের কিছুক্ষেত্রে মহানুভবতা, কোমলতা বাদ দিলে বইটি সুখপাঠ্য। ঈষৎ বিরক্তির উদ্রেক হলেও হতে পারে।
টাইপো রয়েছে দুয়েক জায়গায়, বানানের ভুল অনেক ছিল। আগামিকাল, দেয়া, নেয়া, ঠারেঠুরে এইরকম আরও অনেক।বইয়ের প্রোডাকশন বেশ ভালো৷
গল্পটি মূলত এক কিশোরী টগরকে নিয়ে লেখা, যেকিনা গ্রামের এক নিষিদ্ধ মন্দিরে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তারপর থেকে রাতের বেলায় বন্ধঘর থেকে উধাও হয়ে বাড়ির পাশের জংগলে দেখা যেতে লাগল। গ্রামের মানুষের ধারণা তাকে জ্বিনে ধরেছে।কীসের জ্বিন? বখতিয়ারের জ্বিন 😲 জ্বিনের এই রহস্য উদঘাটন করতে টগরের চাচাত বোন চন্দ্রিমা অভ্রকে ব্যাপারটা জানায়। অভ্র ও চন্দ্রিমা রহস্যটা খুঁজে বের করতে টগরের সেই গ্রামের বাড়িতে যায়। সবশেষে অভ্র তার দারুন রসিকতা এবং তার বুদ্ধি দিয়ে জ্বিনের এই রহস্যটা সমাধান করে
এক ভাইয়া বলেছিল এই লেখকের লেখনিতে মাদকতা কাজ করে যা আপনাকে বইটা শেষ না করে উঠতে দিবেনা। সত্যি তাই 😃 অভ্র চরিত্রটা দারুন লেগেছে। ভৌতিকতা, রহস্য এবং ইতিহাস নিয়ে এই বইটি আপনার দারুন লাগবে বলে আশা করি ❤
একজন অভ্র এবং বখতিয়ারের জ্বিন লেখক :- আবুল ফাতাহ প্রচ্ছদ :- আবুল ফাতাহ প্রকাশনী :- নন্দন প্রথম প্রকাশ :- মে ২০২০ মুদ্রিত মূল্য :- ৩০০ পৃষ্ঠা :- ১৭৬
অনুভূতি কথন :-
একজন অভ্র এবং বখতিয়ারের জ্বিন বইটি অভ্র সিরিজের ৫ম বই। সিরিজের বই হলেও এই বইটি পড়তে অসুবিধা হবে না। কারণ অভ্র সিরিজের প্রত্যেকটি বই স্ট্যান্ড অ্যালোন। স্লো বার্নিং রহস্য উপন্যাস হিসেবে বেশ উপভোগ করেছি। বই পড়ার সময় ধীরেধীরে রহস্যের জগৎ এর অনেক গভীরে হারিয়ে গেছিলাম। অতিপ্রাকৃত,ইতিহাস,আধিভৌতিকতা, রসিকতার ছলে যুক্তি স্থাপন মোটামুটি সবই ভাল লেগেছে। অভ্র চরিত্রটা স্মরণ করিয়ে হিমুকে। আমার মতে একটা চরিত্র ভিন্ন নামে বেচে থাকুক পাঠকের মাঝে। বইটি আসলে বিষন্নতা দূর করার ক্ষমতা রাখে। আশাকরি অনেকেরই বইটি ভালো লাগবে।
This was better than I had thought. The history of the temple and mixing it with the first Muslim invasion in the Indian subcontinent - neat. Especially Damini, ohmygod. I'd have much, much preferred a supernatural mystery to young teen steam though... Also, isn't Afrin a university student? What university student needs a home tutor??????????????? If not for these two points, I'd have given this book 4 stars.
This entire review has been hidden because of spoilers.