Jump to ratings and reviews
Rate this book

ফুলমতী

Rate this book
আমস্টারডাম থেকে আবেল ভ্যান ডার বার্গ স্টুডেন্ট এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে কলকাতায় এসে বাড়তি দু’দিন থেকে গেল তার ভার্চুয়াল ঈশ্বরী ফুলমতী মাইকে খুঁজতে। তার বিশ্বাস দেড়শো বছর আগে কিশোরী ফুলমতীর এক অমিত বিক্রমের জন্যই তার জন্ম। আবেল সেই গল্প বয়ে নিয়ে যেতে চায় দেশে। তার ইচ্ছে টেসেল আইল্যান্ডে প্রিয়তমার কোলে মাথা রেখে একদিন সেই গল্প শোনাবে। ফুলমতীর গল্প খুঁজতে কলকাতায় তার সঙ্গী হয় মিতালী ওরফে রোজি, শচীবাবু, দিলীপ। কলকাতার বিভিন্ন ঘাটে এই খোঁজের পাশাপাশি উন্মোচিত হয় দেড়শো বছর আগের দারিদ্র পীড়িত ভারতবর্ষের গ্রাম, ইনডেঙ্‌চার সিস্টেম, ওলন্দাজ গায়ানায় চিনি চাষ, মার্কাস ও এমিলির প্রেম, প্ল্যানটেশন মালিকদের মধ্যে হিংসা ও চক্রান্ত। পৃথিবীর দুই গোলার্ধের দুই দেশের দেড়শো বছরের ব্যবধানকে মুছে ফেলে এই উপন্যাস।

192 pages, Hardcover

First published January 1, 2020

30 people want to read

About the author

Krishnendu Mukhopadhyay

39 books19 followers
কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৬৪, ব্যারাকপুরে। প্রথম জীবন কেটেছে শ্যামনগরে। ইছাপুর নর্থল্যান্ড বয়েজ হাইস্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা। স্কুলজীবন থেকেই লেখালেখির সূত্রপাত। প্রথমে অনিয়মিতভাবে কিছু লিটল ম্যাগাজিনে লিখতেন। ২০০৫ থেকে নিয়মিতভাবে আনন্দবাজার পত্রিকার বিভিন্ন প্রকাশনায় ছোটগল্প লিখছেন। ‘খেজুর কাঁটা’ গল্পটি নিয়ে হয়েছে শ্রুতিনাটক। ছোটগল্প ‘ছবির মুখ’ আকাশবাণীতে বেতারনাটক হয়ে সম্প্রচারিত হয়েছে। লেখকের ‘ব্রহ্মকমল’ গল্পটি ২০০৬-এ ‘দেশ রহস্যগল্প প্রতিযোগিতা’য় প্রথম পুরস্কার লাভ করেছে। ২০০৭-এ ‘পূর্বা’ শীর্ষক একটি কল্পবিজ্ঞান গল্পের জন্য ‘দেশ গল্প প্রতিযোগিতা’য় দ্বিতীয় স্থান পেয়েছেন। রাধিকা লেখকের প্রথম উপন্যাস।পেশাদারি জীবনে ইঞ্জিনিয়ার, বেসরকারি বিদ্যুৎ সংস্থায় তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে কর্মরত। সাহিত্য ছাড়াও অন্যান্য বিষয়ে প্রবন্ধ লেখেন। ভারতীয় মার্গ সংগীতের প্রতি বিশেষভাবে অনুরক্ত।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
8 (50%)
4 stars
3 (18%)
3 stars
4 (25%)
2 stars
1 (6%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 6 of 6 reviews
Profile Image for Gourab Mukherjee.
166 reviews24 followers
October 2, 2020
দুই ছাত্রী মিলে শিক্ষক দিবসে বইটি উপহার দিয়েছিল। তারপর এতদিনে পড়ার ইচ্ছা হল। কারণ খুব সোজা। এই জীবনের টানা পোড়েন নিয়ে গল্প ঠিক আমার রুচির নয়। পরন্তু এই লেখকের আমি বেশ কয়েকটি ভালো বই ইতিমধ্যে সাবার করেছি। তাই শেষমেশ পড়েই ফেললাম।


🏷️ভালো লাগা:-
💥 লেখক কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় তার track-recordবশতই আবার সুন্দর একটি মনস্তত্ত্ব বিশ্লেষণের গল্প লিখেছেন। 🧠🧠

👥 গল্পের চরিত্ররা আমাদের চারপাশের দেখা লোকজনের মত নয়। তবুও তাদের দুঃখ, তাদের না পাওয়া, তাদের জীবন সংগ্রামের সাথে নিজেকে জুড়তে মন যায়।

👥 গল্পের প্রত্যেকটা চরিত্রই বেশ complex। কেউ পাতি একমাত্রিক চরিত্র নয়। তাদের মনের অবস্থা গুলোকে এত সুন্দর করে তুলে ধরা সত্যিই শিল্প।🧠

💥 অতীত আর বর্তমানের দুই গল্পকে সমান লয়ে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, তাদের মজবুত বুননে এক গল্প দাঁড় করানো, এই শিল্পের নমুনা আগেও দেখেছি। এবং যথারীতি লেখক এতেও নিরাশ করেননি। 💯

🪓খারাপ লাগা:-
আসল গল্প শুরু হতে প্রায় আদ্দেক বই পেরিয়ে গেছে। এতে একটু বিরক্ত হয়েছি বটে। তবে শেষে এত action, এত plot twist দিয়েছেন যে সব পুষিয়ে গেছে। তাই তেমন রাগ নেই। 😸😸

পুনশ্চ বলে রাখি, এই ধরনের বই আমার ঠিক পছন্দের নয়। তাই রিভিউ খানির উপর ভরসা করাও ঠিক না। কিছু না বুঝেই হয়তো রাগ দেখাচ্ছি। 😬
Profile Image for Sonal Das.
66 reviews20 followers
August 4, 2019
আবেল ভ্যান ডার নামে এক ওলন্দাজ যুবক সুদূর আমস্টারডাম থেকে কলকাতায় এসেছে তার সেখানকার কলেজের সাথে কলকাতার এক কলেজের মিউচুয়াল স্টুডেন্ট এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে। আবেল এর কাছে সুদূর আমস্টারডাম থেকে এই কলকাতাতে আসতে পারা জীবনের এক বিশাল পাওনা , কারন তার পরিবারের কেউ এর আগে কখনো ইন্ডিয়াতে আসেনি। খুব ছোটবেলা থেকে সে ঠাকুমার মুখে শুনে এসেছে এই দেশের কথা, এখানকার পবিত্র গঙ্গা নদীর কথা আর ফুলমতীমাঈয়ের কথা। তার কাছে ভারতবর্ষ মানে ফুলমতীমাঈয়ের দেশ আর ফুলমতীমাঈ ঈশ্বরীতুল্য। তার বা তাদের পরিবারের কাছে এই ফুলমতীর কোন ছবি নেই, তাকে কেমন দেখতে সে সম্বন্ধেও অনেক খোঁজ করেও তারা কিছু পায়নি। অথচ কি অদ্ভুত ভাবে তাদের পরিবারের সাথে জড়িয়ে গেছে এই ফুলমতীমাঈয়ের নাম আর তার রূপকথার মতন গল্পগুলো।

কে এই ফুলমতীমাঈ? কলকাতায় থেকে ফুলমতী কিভাবে জড়িয়ে পড়ল সুদূর আমস্টারডামের ভ্যান ডার পরিবারের সাথে। সেই সব কাহিনী নিয়েই লেখক কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়ের এবারের উপন্যাস '#ফুলমতী'।

এই কাহিনীটি ছড়িয়ে আছে তিনটি আলাদা সময়ের তিনটি আলাদা স্থানকে কেন্দ্র করে। প্রথমটি বর্তমান সময়ের কলকাতা , দ্বিতীয়টি আবেল ভ্যান ডার এর পরিবারের প্রাচীন ইতিহাস মাখা ওলন্দাজ গায়ানা (দাস প্রথা সদ্য অবলুপ্ত হবার সময়কাল) এবং শেষেরটি উনবিংশ শতাব্দীর ইংরেজ শাসিত ভারতের পশ্চিম বিহারের দোপোহারি গ্রাম। কাহিনীর একদিকে ওলন্দাজ গায়ানার প্রাচীন ইতিহাসের সাথে মিশে গেছে এক ভারতীয় নারীর রূপকথা , আর অন্যদিকে বর্তমান কলকতার বুকে এক যুবক খুঁজে চলেছে উনবিংশ শতাব্দীর প্রাচীন ভারতবর্ষকে। এই তিন সময়কালকে এক সুতোয় বেঁধে লেখক এক আশ্চর্য কাহিনী সৃষ্টি করেছেন।

কাহিনীতে রয়েছে তিন সময়কালের বিভিন্ন চরিত্রের মানুষজন। তিন সময়কালের বিভিন্ন চরিত্রের মধ্যে আমার ব্যক্তিগতভাবে ভীষণ ভাল লেগেছে ওলন্দাজ গায়ানার অলডার্ট বুগার্ডের মেয়ে এমিলির চরিত্রটি। এই চরিত্রটি না থাকলে এই কাহিনীটি এত ঘটনাবহুল হয়ে উঠত না , জানা যেত না ফুলমতীমাঈয়ের নাম, আবেল ভ্যান ডার কখনো কলকতার বুকে খুঁজে বেড়াত না তার ঈশ্বরীকে।

এছাড়া ভাল লেগেছে - ভালবাসা আর রূপকথার যে মিশেলটা সারা কাহিনী জুড়ে আছে সেই ফ্লেভারটা। একদিকে এমিলি - মার্কসের চিরন্তন ভালবাসা, আর অন্যদিকে আবেল - রোজি/মিতালির নিঃস্বার্থ বন্ধুত্বপূর্ণ ভালবাসা। ভালবাসা মানুষকে যে কতটা বদলে দিতে পারে তা এই চরিত্রগুলির কাহিনী যেন পাঠকদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। এছাড়াও রয়েছে এক রহস্যময়ী প্রিয়তমার উপস্থিতি যার কথা পাঠকরা কাহিনীর শুরু থেকে শেষ অবধি আবেল ভ্যান ডার এর লেখা কিস্তিতে পেতে থাকবেন।

লেখক কৃষ্ণেন্দুবাবুর জন্য কোন প্রশংসাই যথেষ্ট নয়, তাঁকে অকুণ্ঠ সাধুবাদ জানাই আনন্দ বাজার পত্রিকা শারদীয়াতে এরকম একটা ম্যাজিকাল উপন্যাস উপহার দেবার জন্য। আগামী পূজাবার্ষিকীতে এরমকম এক্সপেরিমেন্টাল লেখা আপনার সোনার কলম দিয়ে আরও আসুক এই কামনাই করি।

এ উপন্যাস অবিলম্বে পড়ার মতন, এই কাহিনী বহুদিন মনে রাখার মতন।
আপনার পাঠ-অভিজ্ঞতা শুভ হোক :)

বি দ্রঃ - কাহিনীতে বেশ কিছু জায়গায় মুদ্রণ প্রমাদ আছে, যা আনন্দবাজার পত্রিকার মতন সংস্থার থেকে একদমই কাম্য নয়।বই হবার সময় বিষয়টিকে যেন গুরুত্ব-সহকারে দেখা হয়। ছবি চলনসই।
Profile Image for Shreyashi Bhattacharjee Dutta.
84 reviews6 followers
March 30, 2021
গল্পটি শুরু হচ্ছে একটি রূপকথা দিয়ে। সেই রূপকথার নায়িকা ফুলমতিমাঈ। আবেল ভ্যান ডার বার্গ বলে এই ছেলেটি ছোটবেলা থেকে তার ঠাকুমার কাছে শুনে এসেছে এই ফুলমতিমাঈয়ের গল্প। এই নারী হয়ে উঠেছেন তার জীবনের এক আশ্চর্য চরিত্র, তার ভার্চুয়াল ঈশ্বরী।

সেই ফুলমতিমাঈ ছিলেন ভারতবর্ষের মেয়ে। কোন একটি কারণে তার কাছে গোটা ভ্যান ডার বার্গ পরিবার চিরকৃতজ্ঞ। আবেল তাই কলকাতায় একটা কলেজ অনুষ্ঠানে এসে আরো দুইদিন থেকে গিয়ে খুঁটিয়ে চিনে নিতে চাইছে ফুলমতিমাঈয়ের দেশকে, তাঁর সংস্কৃতিকে। সে ঘুরে দেখছে গঙ্গার প্রতিটি ঘাট আর খুঁজে চলেছে সেই ঘাট যেখান থেকে ফুলমতিমাঈ ও আরো হাজার হাজার অসহায় মানুষ রোজগারের আশায় পাড়ি দিয়েছিলেন অজানা দেশে।
কে এই ফুলমতিমাঈ? তিনি কি সত্যি ছিলেন নাকি শুধু রূপকথার এক নায়িকা?
ফুলমতিমাঈ কীভাবে ভারতবর্ষ থেকে নিদারল্যন্ডের এই ছেলেটির পরিবারের সাথে জড়িয়ে গেল?

এইসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে খুঁজে কাহিনী এগিয়ে চলে সমান্তরালভাবে আলাদা সময়ের তিনটি আলাদা স্থানকে কেন্দ্র করে-

প্রথমটি হচ্ছে বর্তমানে আবেল এয়ারপোর্টে বসে যখন আবেল তার সব গল্পগুলো তার প্রিয়তমাকে গুছিয়ে বলার উদ্দশ্যে ট্যাবে নোট করে নিচ্ছে।
আরেকদিকে আবেল যখন কলকাতার ঘাটে ঘাটে ঘুরে দেখে চিনে নিচ্ছে ফুলমতির দেশকে, সাথে থাকছে গাইড শচীবাবু ও মিতালি।
তৃতীয় অংশটি আমাদের বলছে ১৮৭১ সালে ক্রীতদাসপ্রথা বেয়াইনি হওয়ার পর ডাচ গায়ানায় অবস্থিত আবেলের পূর্বপুরুষদের গল্প।

ডাচ গায়ানায় চিনির কারখানা, ক্রীতদাসপ্রথা অবলুপ্তির ঘটনা ও বিহারের দোপোহারি গ্রামের অসহায় মানুষ- সকলেই যেন এক সুতোয় বাঁধা পড়ে গিয়ে একদিন ভ্যান ডার বার্গ পরিবারের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ফেলে ফুলমতিমাঈকে।
এই উপন্যাসে অনেকরকম স্বাদ যেন একসাথে পাওয়া গেল। অনেকটা টক ঝাল মিষ্টি লজেন্সের মত। রূপকথা দিয়ে গল্পটা শুরু করায় প্রথম পাতা থেকেই পাঠকের মনকে আকৃষ্ট করতে লেখক সক্ষম হয়েছেন। ফুলমতির গল্পের সাথে সাথে মিতালি, শচীবাবু, এমিলি ও মার্কাসেরা হয়ে উঠেছেন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।
ইতিহাস, রূপকথা, প্রেম, বন্ধুত্ব, মানবতাবাদ- সবকিছু একাকার হয়ে গিয়ে পাঠক যেন এমন একটি যাত্রা করবেন যার শেষে এই গল্পের পর��বেশ ও চরিত্ররা অনেকদিন পর্যন্ত গেঁথে থাকবে পাঠকের হৃদয়ে।
Profile Image for Dipankar Bhadra.
677 reviews60 followers
August 8, 2025
স্টুডেন্ট এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের মাধ্যমে আবেল ভ্যান ডার বার্গ আমস্টারডাম থেকে কলকাতায় এসেছেন। তবে কলকাতায় আগমনের পেছনে তার একটি বিশেষ উদ্দেশ্য রয়েছে। ছোটবেলা থেকেই সে তার ঠাকুমার কাছে ভারত, গঙ্গা নদী এবং ফুলমতী মাঈয়ের কথা শুনে এসেছে। এই ফুলমতী মাঈ-র সাথে তার পরিবারের অনেক গল্প ও স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। আবেলের কাছে তিনি হলেন এক ভার্চুয়াল ঈশ্বরী, যার কোনো ছবি বা সঠিক তথ্য নেই, তবুও তার প্রতি আবেলের অদৃশ্য আকর্ষণ আছে।

ফুলমতী মাঈ কি সত্যিই ছিলেন, নাকি তিনি কেবল একটি ছেলেভুলানো গল্পের অংশ? এই রহস্যের উত্তর জানতেই আবেল কলকাতায় আসার সিদ্ধান্ত নেয়। তার এই অভিযানের সঙ্গী হিসেবে তিনি পান শচীবাবু, মিতালী (যিনি রোজি নামেও পরিচিত), এবং দিলীপকে। একসাথে তারা কলকাতার বৈচিত্র্যময় শহুরে জীবনে প্রবাহিত হয়ে, বের করতে শুরু করেন দেড়শো বছরের পুরনো ভারতবর্ষের গল্প। তাদের অনুসন্ধান কেবলমাত্র ফুলমতী মাঈয়ের অস্তিত্বই নয়, বরং একটি দ্বন্দ্বময় ভারতীয় সমাজ, ইনডোর সিস্টেম, ওলন্দাজ গায়ানার চিনি চাষের ইতিহাস এবং মার্কাস ও এমিলির প্রেমের গল্পকেও সামনে নিয়ে আসে।

গল্পটি তিনটি ভিন্ন সময় এবং স্থানের মধ্যে আবর্তিত হয়: প্রথমটি বর্তমান কলকাতা, যেখানে আবেল বাস্তবতা ও ইতিহাসের সংযোগ খুঁজছে; দ্বিতীয়টি ডাচ গায়ানা, যেখানে দাসপ্রথা সম্প্রতি বাতিল হয়েছে; এবং শেষেরটি উনবিংশ শতাব্দীর ইংরেজ শাসিত বিহার। এই তিনটি টাইমলাইন পরিচালনা করা সত্যিই চ্যালেঞ্জিং, কিন্তু লেখক তা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে সামলেছেন। প্রতিটি সময়কাল ও স্থানকে চিত্রিত করার ক্ষেত্রে লেখক বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন, যা পাঠকদের সামনে একটি জীবন্ত চিত্র তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

গল্পের চরিত্রগুলো কিছুটা রূপকথার আদলে তৈরি হলেও, তাদেরকে কখন‌ই কৃত্রিম মনে হয় না। ফলে, তাদের হাসি, কান্না, আনন্দ ও দুঃখ—সবকিছুই পাঠকদের কাছে জীবন্ত এবং অনুভবযোগ্য হয়ে ওঠে।

রূপকথা ও ইতিহাসের সমন্বয়ে গড়া এই কাহিনী আসলে একটি প্রেমের গল্প, যা প্রমাণ করে ভালোবাসার শক্তি মানুষের জীবনকে পুরোপুরি বদলে দিতে পারে। হে পাঠক, এই ব‌ইটি যদি আগে না পড়ে থাকেন, তবে এখন পড়ুন। নাহলে কিছুদিন পরেও পড়তে পারেন। কিন্তু এই বইটি থেকে নিজেকে বঞ্চিত করবেন না।
Profile Image for Rashed Chowdhury.
42 reviews
July 6, 2025
উপন্যাসটা শুরুর দিক থেকে পড়ে খুব একটা ভালো লাগছিলো না। একবার বর্তমানে সময়ের গল্প বলা হচ্ছে তো আবার কিছুক্ষণ পরেই সুদুর অতীতের ইতিহাস আশ্রিত পূর্বপুরুষের ঘটনাপ্রবাহের বর্ণনা চলছে, এভাবে বর্তমান-অতীত ভ্রমণ করতে করতে গল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে খুবই সমস্যা হচ্ছিলো, কিছুটা বিরক্তও হচ্ছিলাম। কিন্তু কাহিনী যতই পরিণতির দিকে আগাচ্ছিলো ততই যেন আটকে যাচ্ছিলাম। শেষদিকে এসে লেখক যেই টুইস্ট দিলেন সেটা একদমই আশা করিনি। আবেল ভ্যান ডার বার্গ এর জন্য মনটা একদম খারাপ হয়ে গেলো। হয়তো আরো অনেক কিছুই বলার ছিলো, কিন্তু বলতে পারছি না।
Displaying 1 - 6 of 6 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.