গ্লিনা তার কথা শেষ করতে পারে না, তার আগেই আবার খিল খিল করে হাসতে শুরু করে। হাসতে হাসতে মেয়েটি যখন তার কোমরে ঝোলানো অস্ত্রটি খুলে নিতে থাকে তখন কিজানের মনে হয় মেয়েটি কী অপূর্ব সুন্দরী, কী নিষ্পাপ তার দুটি চোখ, কী অপূর্ব স্বর্গের দেবীর মতো তার চেহারা। যারা এই মেয়েটির নক্সা করেছে তাঁরা নিশ্চয়ই সমস্ত পৃথিবীর সৌন্দর্য একত্র করে এই মেয়েটির ডিজাইন করেছে। তার দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকেও বোঝা সম্ভব না এই মেয়েটি সত্যিকার মানুষ নয়...
Muhammed Zafar Iqbal (Bengali: মুহম্মদ জাফর ইকবাল) is one of the most famous Bangladeshi author of Science-Fiction and Children's Literature ever to grace the Bengali literary community since the country's independence in 1971. He is a professor of Computer Science & Engineering at Shahjalal University of Science and Technology (SUST). Before that, Iqbal worked as a research scientist in Bell Communication Research for six years until 1994.
Birth and Family Background: Iqbal was born on 23 December 1952 in Sylhet. His father, Foyzur Rahman Ahmed, was a police officer. In his childhood, he traveled various part of Bangladesh, because of his father's transferring job. Zafar Iqbal was encouraged by his father for writing at an early life. He wrote his first science fiction work at the age of seven. On 5 May 1971, during the liberation war of Bangladesh, the Pakistan's invading army captured his father and killed him brutally in the bank of a river.
Education: Iqbal passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1968 and HSC exam from Dhaka College in 1970. He earned his BSc in Physics from Dhaka University in 1976. In the same year Iqbal went to University of Washington to obtain his PhD and earned the degree in 1982.
Personal Life: Iqbal married Dr. Yasmeen Haque in 1978. Yasmeen is the Dean of the Life Science Department, Head of the Physics Department, Provost of the Shohid Janoni Jahanara Imam Hall and a researcher at SUST. They have two children - son Nabil and daughter Yeshim. Yeshim translated the book Amar Bondhu Rashed (Rashed, My Friend) written by her father. Iqbal's elder brother, Humayun Ahmed, was the most popular author and film-maker of Bangladesh since its independence. Humayun died after a nine-month struggle against colorectal cancer on the 19 July 2012. His younger brother, Ahsan Habib, is the editor of the satirical magazine, Unmad and one of the most reknowned cartoonist of Bangladesh.
Academic Career: After obtaining PhD degree, Iqbal worked as a post-doctoral researcher at California Institute of Technology (CalTech) from 1983 to 1988. He then joined Bell Communications Research (Bellcore), a separate corporation from the Bell Labs (now Telcordia Technologies), as a Research Scientist. He left the institute in 1994 and joined the faculty of the Department of CSE of SUST.
Literary career: Iqbal started writing stories from a very early age. Iqbal wrote his first short story at the age of seven. While studying in the Dhaka University Iqbal's story Copotronic Bhalobasa was published in a local magazine. But, a number of readers at that time felt that the story was based on a foreign story. To answer this allegation, he later rewrote the story and published the story in collection of stories named Copotronic Sukh Dukkho. Since then he is the most popular writer both in Bengali Science-Fiction and in Juvenile Leterature of the country.
Other Activities and Awards: Zafar Iqbal won the Bangla Academy Award, the highest award in literature in Bangladesh, in 2004. Iqbal also played a leading role in founding Bangladesh Mathematical Olympiad. In 2011 he won Rotary SEED Award for his contribution in field of education.
সাইফাই - রোবট কালচার - টেকওভার - মানুষের বিটলা বুদ্ধি আর ইমোশনাল ডিসিশনস - রিভার্স টেকওভার।
বই যেমন ছোট, আমার রিভিউ ও তেমনি। তবে শাহরুখ খানের সিগনেচার পোজের মত উনি এই বইয়েও ৩৩বার "আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলাম" লাইন দিয়ে দিসেন, এতো শর্ট বই এ এই লাইন একাধিক বার দিতে পারাটা মাস্টার লেভেলের কাজ।
কাহিনী সুন্দর, ক্যারেক্টারগুলাও বাজে না, এক দেড় প্যারা ক্যারেক্টারাইজেশনের পরেই রিলেটেবল হয়ে যাচ্ছে - খালি সমস্যাটা হইলো উনার সব বই ৩০০ কিমি. গতিতে শেষ করতে হয়। এই ফর্মা গুনে বই লেখার স্বভাবের জন্যে আমরা যে কত কিছু মিস করে যাচ্ছি, তার কোন হিসাব নাই। ব্রেকনেক স্পিড বলে কোন বই বা মুভির কাহিনী বেশি ফাস্ট হইলে, উনার রিসেন্ট বই সব শব্দের গতিতে আগায়। কাহিনীর ব্রড স্ট্রোকেও উনি আর যান না, এক্সিকিউটিভ সামারি দিয়েই শেষ।
আফসোস। এই লোকটার হাতে জাদু ছিলো। ফুলটাইম শো এর বদলে উনি এখন ৩০ সেকেন্ডের টিভিসি দেখাচ্ছেন আমাদের।
হুট করে শেষ। গোছানো এবং চেনা পথেই নতুন কিছু অবশ্যই, যেহেতু এতে মুজাইয়ের সায়েন্স ফিকশন ইউনিভার্সের সবকিছুই আছে। যা দরকার, খুব দরকার, তা হলে ‘বর্ধিত কলেবর’। আঁশ মেটে না পড়ে। আর একারনেই পাঁচতারা যে চাইছি তিনি আরো অন্তত একশো পৃষ্ঠা বেশি লিখুক! কারন, ভালো না লাগলে এরকম কিছু চাইতাম না।
Extremely disappointed.It has the same old concept,but I wasn't even disappointed with that.I kind of expected it to not have any great new story and read the book only for the sake of nostalgia, but it didn’t even provide that.It felt more like a summary,not bothering with any elaboration of any plot or character.
ভবিষ্যতের পৃথিবীতে যখন সকলে রোবটদের ওপর অতি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তখন একে একে মানুষের কর্মদক্ষতা আর সৃজনশীলতা কমে আসতে থাকে। ওদিকে পঞ্চম মাত্রার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রোবটরা মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে সামনেই, যাদের বুদ্ধি মানুষের চাইতে বেশি। বিজ্ঞান আকাদেমি তাই কৌশল অবলম্বন করে বিকল করে দিতে চায় সমস্ত রোবট, যেন আবার জেগে ওঠে মানুষ। কিন্তু ঝামেলা হয়ে বসে এই পঞ্চম মাত্রার রোবটদের একজন, নাম গ্লিনা। তার নিজের লক্ষ্য আবার পৃথিবীতে রোবটদের অধিকার ফিরিয়ে আনা। গ্লিনার পৈশাচিক পরিকল্পনা যেকোনোভাবেই হোক ঠেকিয়ে দিতে হবে। এই হলো কাহিনী।
শুরুর দিকটা ভালোই লাগছিল, আগের কোনো বইয়ের মতো নয়। অতিনির্ভরশীলতা কীভাবে দূর করা যায়, সেটাতেই কাহিনী সীমাবদ্ধ থাকলে হয়তো ভালোই হতো, কলেবর সেই অংশে বাড়িয়ে। কিন্তু সে কাহিনীটা মাত্র দুই পৃষ্ঠায় শেষ করে দিয়ে অন্য দিকে কাহিনী চলে গেলো, যার শেষটুকু কী হলো কেন হলো বোঝাই গেল না, যেটা হতাশ করে দিতে পারে পাঠককে।
প্রথমার্ধই ভালো ছিল। দ্বিতীয় অংশ অর্থাৎ গ্লিনা অংশ খারাপ। বইটা এক বেলাতেই শেষ।
জাফর ইকবাল স্যারের নিয়মিত রেফারেন্সগুলো আছে যেমন, বিজ্ঞান আকাদেমির প্রধান, বাইভার্বাল, কপোট্রন; উত্তেজক পানীয়তে চুমুক দিল; মেয়েটি এবার খিল খিল করে হেসে ফেলল এবং মিটিয়া বুঝতে পারলো মেয়েটি অসাধারণ সুন্দরী, ইত্যাদি। তবে, বানানের একটা দিক বেশ ক্রিঞ্জ দিয়ে আসে নিয়মিত তার বইতে, সেটি হলো, সকল 'কি' এর জায়গায় 'কী' ব্যবহার।
"গ্লিনা" সময় প্রকাশন মুদ্রিত মূল্য ২৪০/- প্রচ্ছদ: ধ্রুব এষ
৭/১০ জাফর ইকবাল স্যারের একটা টিপিকেল সায়েন্স ফিকশন৷ একই কনসেপ্ট একই থিমের গল্প আগেও বহুবার পড়া। তবুও শুধু লেখনীর টানেই পড়তে ভালো লাগে৷ সহজ, সুন্দর, সাধাসিধে একটা গল্প৷ ছোট্ট একটা সহজ মেসেজ। সুন্দর একটা সমাপ্তি৷ এক দেড় ঘন্টা সময় নিয়ে বসলেই মন ভালো করা একটা অনুভূতি নিয়ে শেষ করে উঠা যায়৷ এই অনুভূতিটুকুর জন্যই খুব জটিল,খুব ইন্টারেস্টিং,খুব জাঁকজমক না থাকা সত্বেও চারটা তারা দিয়ে দেওয়া যায়!
নিটিল নামটা আমার নামের সাথে এত মিল দেখে পড়তে আরো বেশি আপন আপন লাগছিলো! মনে হচ্ছিলো আমারই ছোট্ট পিচ্চি ভাই। এজন্যও হয়ত 4★ দিয়েছি!
যথেষ্ট ভাল একটা নাটকের প্লট। কিন্তু উপন্যাস হিসাবে বলতে হয়, "স্যার আপনার বড়ই তাড়াহুড়ো!"এত সুন্দর একটা আইডিয়া। কিন্তু ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে হুশ হুশ করে। ধর তক্তা পার পেরেক স্টাইলে তারা ফিল্ডে নেমে যাচ্ছে। বুঝতে বুঝতে বইই শেষ!
রোবট ও মানুষের দ্বন্দের কাহিনী। পুরোনো প্রেক্ষাপট। পড়তে খারাপ লাগেনি। কিছুক্ষণের জন্য অন্য জগতে ডুব দেয়া যাচ্ছে, এটাও মন্দ কি! সম্পূর্ণ নতুন কোন প্রেক্ষাপট বাংলা কোন সায়েন্স ফিকশানে উঠে আসবে, সেই অপেক্ষায় আছি। দেখি কোন লেখক আমাকে নতুন চমক দিতে পারে কিনা।
"ভবিষ্যতের কোনো এক সময়। বিজ্ঞানের ক্রমাগত উৎকর্ষের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলছে দৈনন্দিন জীবনে প্রযুক্তির ব্যবহার। মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে মানুষ থেকে বহুগুন বিকশিত ৫ম শ্রেণীর রোবট সম্প্রদায়। এমনি এক সময়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রথমবার পৃথিবীর জন্য ঝুঁকি হয়ে দাঁড়ালো। মানব সভ্যতার এই ক্রান্তিলগ্নে খুব গোপন স্থানে সদস্যদের নিয়ে ভয়ঙ্কর একটা সিদ্ধান্ত নিলেন বিজ্ঞান একাডেমির প্রধান মহামান্য 'রুখ'! সিদ্ধান্তটির ফল এলো খুব দ্রুত। রাতারাতি বদলে গেলো পুরো দৃশ্যপট। আবির্ভাব হলো 'গ্লিনা'র! চুরি হয়ে গেলো রোবট পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ দফতরের প্রধান 'কিজান'এর ৪ বছরের শিশু সন্তান 'নিটিল'। পৃথিবীর মানুষদের সামনে এলো মানবজাতির অস্তিত্ব বিলীন করে দেয়ার মতো ভয়ংকর এক পরি��ল্পনা। পরে 'রুখ' কি পেরেছিলেন 'গ্লিনা'র ভয়ংকর সেই পরিকল্পনা থামাতে? কিজানের শিশু সন্তান 'নিটিল'এরই বা কি হয়েছিলো?"
আমার সায়েন্স ফিকশন পড়া শুরু অনেকটাই মুহম্মদ জাফর ইকবাল'এর হাত ধরে। রংপুর পাবলিক লাইব্রেরীর খুব সাধারণ বিল্ডিংয়ে 'টাইটান একটি গ্রহের নাম' দিয়ে যে অসাধারণ ভালো লাগার শুরু হয়েছিলো তা আজও বিদ্যমান। পুরো বছর যে ক'জন লেখকের বইয়ের অপেক্ষায় থাকি মুহম্মদ জাফর ইকবাল তাঁদের একজন। তাই স্বাভাবিক ভাবেই বইটি নিয়ে অনেক আশা ছিলো।
'গ্লিনা' মূলত সায়েন্স ফিকশন হলেও আসলে মানবিকতার গল্প। বিজ্ঞানের চরম উৎকর্ষতার সময় মানব সভ্যতা যখন মূল্যহীন হয়ে পরে তখন মানুষের জন্য ভালোবাসা, আবেগ আর মানবিকতাই পারে সেই ধ্বংসের রাশ টেনে ধরতে। মানুষের যন্ত্রের প্রতি অতিনির্ভরশীলতা কতোটা ভয়ানক হতে পারে 'গ্লিনা'য় তাই দেখানো হয়েছে। গল্প কিংবা গল্প বলার ধরণ দুটোই বেশ পরিচিত ছিলো, ট্র্যাডিশনাল জাফর ইকবাল স্টাইল! তাছাড়া রুখ, কিহি, ক্রিশান, বাইভার্বাল, ট্রাকিওশান সহ বেশ কিছু পরিচিত শব্দ পুরোনো দিনের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছিলো। চরিত্র গঠনে 'রুখ', 'রিদি' কিংবা 'কিজান' বেশ দৃঢ়, নিজেদের চিত্রায়নে স্বয়ংসম্পূর্ণ। গ্লিনা গল্পের প্রয়োজনেই বিবেকহীন, রুক্ষ, মায়া মমতা বিবর্জিত। এমন একজন সুপার পাওয়ার এন্টাগনিস্ট যেকোনো উপন্যাসের জন্যই বড় পাওয়া! প্লট সহজ সরল গোছানো। লেখক জানেন তিনি কি করতে চেয়েছেন। সংলাপ বেশ যত্ন নিয়ে লেখা, অযথা বর্ণনা যেমন ছিলো না তেমনি মূল্যহীন চরিত্রও দেখিনি। সত্যি বলতে, ভালো লাগাটা এখানেই। আমি জাস্ট এক বসায় বইটি শেষ করেছি।
তবে, পুরোনো গল্পগুলো যেমন: টুকুনজিল, ক্রোমিয়াম অরণ্য, রুহান রুহান ... এগুলোর সাথে কম্পিটিশনে 'গ্লিনা' হেরে যাবে। সম্ভবত গল্পটির গভীরতার জন্যই। fast forward জাতীয় গল্পের এই এক সমস্যা; যখনই গল্পটা ভালো লেগে যায়, আরও একটু গভীরে যেতে ইচ্ছে করে, তখনি শেষ হয়ে যায়। লেখক আরও একটু সময় নিয়ে লিখতে পারতেন। কেন করলেননা তা বোধগম্য হলো না! 'গ্লিনা'র প্রচ্ছদ রীতিমতো হতাশ করেছে। মুহম্মদ জাফর ইকবালের সায়েন্স ফিকশনগুলোতে ধ্রুব এষ'এর মতো পেশাদার প্রচ্ছদশিল্পীর কাজ ইদানিং বেশ predictable হয়ে গেছে! মূল প্রচ্ছদ সহ প্রতিটি অধ্যায়ের শুরুতে ইলাস্ট্রেশনগুলোও তেমন আকর্ষণীয় ছিলো না। নতুনদের মধ্যে আদনান আহমেদ রিজন, সজল আহমেদ, জুলিয়ান, ডিউক জন সহ আরও অনেকেই পেশাদার না হয়েও বেশ ভালো কাজ করছেন। প্রতিষ্ঠিত পুরোনো প্রকাশনীগুলো এঁদের সুযোগ দিয়ে দেখতে পারে। ফন্ট এবং কাগজ প্রশংসার দাবি রাখে। ফন্ট পরিস্কার আর কাগজ যথেষ্ট মানসম্মত ছিলো। সংলাপ আর বর্ণনা আলাদা করে লেখা। ভুল বানান তেমন চোখে পড়েনি। গল্পটা ভালো লেগে গেলে যে কেউ একবারেই শেষ করতে পারবে। তবে কম্পোজ আর বাঁধাই নিয়ে অভিযোগ থেকেই যায়। ছাপায় alignment ঠিক ছিলো না। বাঁধাই বেশ শক্ত হওয়ায় ওল্টানোর সময় শেষের দিকের পৃষ্ঠা ছিঁড়ে যাচ্ছিলো! বইমেলায় প্রকাশিত প্রায় বই এ কিছু তাড়াহুড়ো থাকে, বিভিন্ন জটিলতায় অনিচ্ছাকৃত ভুল রয়ে যায়। আশা করছি, মেলা পরবর্তী সংস্করণে সেগুলো ঠিক হয়ে যাবে।
১২৮ পৃষ্ঠা আর ২৪০ টাকা মূল্যের 'গ্লিনা' বইমেলায় ১ম প্রকাশের পর ফেব্রুয়ারি মাসেই বেড়িয়ে গেছে এর একে একে ৩টি সংস্করণ। rokomari, bookstreet, bibidho সহ প্রায় সব অনলাইন, অফলাইন বুকশপে আকর্ষণীয় ছাড়ে পেয়ে যাবেন বইটি। করোনা'র বৈশ্বিক মহামারী, তীব্রতা, আতংক কিংবা গুজব যাই বলুন না কেন, নিজ সচেতনতা, সামাজিক দূরত্ব আর জনসমাগম এড়িয়ে চলার বিকল্প নেই। 'গ্লিনা' নিঃসন্দেহে এই সময় আপনার চমৎকার সাথী হতে পারে।
ভালো থাকুন সবাই। বইয়ের আলোয় পৃথিবী আলোকিত হোক। ধন্যবাদ।
দিন দিন মানুষের বুদ্ধির বিকাশ হয়েই চলেছে।সভ্যতার এই উন্নতির পিছনে ভূমিকা মানুষের মাথার ভিতরে ছোট্ট সেই মস্তিষ্ক নামক রক্তমাখা মাংসপিন্ডের ৷ মানুষ যখন নিজে নিজে ভেবে-চিন্তে কোনো সমস্যা সমাধান করে তখন তার মস্তিষ্কের ভিতরে অসংখ্য নিউরনে অনুরনন হয়। সিন্যাপ্স গুলায় কানেকশন শুরু হয়। সেই ছোট মাংসপিন্ডটি তখন আরও শক্তিশালী হয়ে যায়৷ ঠিক সেই ভাবেই দিন আগাচ্ছে। মানুষের চিন্তার ক্ষমতা,বুদ্ধিমত্তা আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে....কারন তখন মানুষের সমস্যা সমাধান করতে হলে চিন্তা করা ছাড়া আর কোনো উপায় ছিলনা,,,, কিন্তু বিপত্তি ঘটালো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা,,,আরও সহজ করে বললে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রোবট,,,যারা কিনা মানুষের মতো চিন্তা করতে পারবে, মানুষের মতো শিখতে পারবে,,,,তাদের আবার প্রকারভেদ রয়েছে,,,,,,প্রথম পর্যায়ের রোবট, দ্বিতীয় পর্যায়ের রোবট,,,, মানুষ সভাবতই অলস প্রজাতি। সুতরাং, শুরু হয়ে গেলো নিজের মস্তিষ্কের বিকাশ এর ক্রমবর্ধমান বিকাশের অবসান ঘটানো।।
মানুষ এখন সার্জারিতে রোবট ইউজ করে, সহজ ম্যাথ এর সমস্যা সমাধান করতেও রোবট ব্যবহার করে, এমনকি গৃহস্থালির কাজেও রোবট ব্যবহার করে।
তাদের এই বুদ্ধির বিকাশের সংকা বুঝতে পারলেন বিজ্ঞান একাডেমির সদস্যরা। বুঝতে পারলেন মানুষের বুদ্ধির বিকাশ এর যাত্রা অব্যাহত রাখতে হলে এই রোবট গুলোকে অকেজো করা বা ধবংস করা ছাড়া উপায় নেই।
বিজ্ঞান একাডেমির সদস্যদের পরিকল্পনা ঠিক সফল ও হলো৷ মানুষ আবার আগের মতই চিন্তা করে সমস্যা সমাধান শুরু করল, নিজের কাজ নিজে করতে লাগলো.....
কিন্তু বিপত্তি ঘটালো পঞ্চম পর্যায়ের রোবট যার নাম গ্লিনা,,যার কিনা মানুষের চেয়েও ভালো বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতা ছিলো,তার ছিলো সুখ,দুঃখ,রাগ, অভিমানের মতো সংবেদনশীল অনুভূতিগুলো অনুভব করার অসাধারণ ক্ষমতা। সে অন্যসব রোবটদের নিয়ে যাদের আনুগত্য করার জন্য তাদের সৃষ্টি, সেই মানুষের বিরুদ্ধেই,আরও সহজ করে বলতে গেলে তাদের অস্তিত্ব রক্ষায় নেমে পড়ল৷ আক্রমণ করতে লাগলো তাদেরই ডিজাইন করা মানুষের উপর,,ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করতে লাগলো। তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে নিজেদের আলাদা একটা নেটওয়ার্ক দরকার, আলাদা রাজ্য দরকার। গ্লিনা তার ডিজাইন করা মানুষ টির একমাত্র সন্তানকে(টুটুল) একটি দ্বিপে তাদের কাছে নিয়ে যায় আর তাদের নিজেদের একটি আলাদা নেটওয়ার্ক দেয়ার দাবি জানায় । যদি তা করা হয় তাহলে একসময় হয়তো পৃথিবীতে মানুষ থাকবেনা, থাকবে পঞ্চম, ষষ্ঠ কিংবা তার চেয়েও উন্নত পর্যায়ের রোবট আর তা যদি না করা হয় তাহলে ঐ বাচ্চাটির অস্তিত্ব বিলুপ্ত হবে! বিজ্ঞান একাডেমির সভাপতি ও অন্য বিজ্ঞানীরা বাচ্চাটিকেও বাচাতে চায় আবার মানুষের অস্তিত্ব ও টিকিয়ে রাখতে চায় । বিজ্ঞানীরা টুটুলের বাবা যে কিনা গ্লিনার ডিজাইন করেছে তাকে নিয়েই পাল্টা পরিকল্পনা করল গ্লিনার জন্য ও অন্যান্য পঞ্চম পর্যায়ের রোবটদের জন্য!
কে জিতবে গ্লিনা নাকি মানুষ??? জানতে বইটি পড়তে পারেন......
এরকমই মজার বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর মাধ্যমে খুব সুন্দর করে একটি মেসেজ দেয়া হয়েছে, যেটা হলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহারের খারাপ দিকটা! (মানুষ সাধারণত যেটা দিয়ে সুবিধা পায়, তার কাজ সহজ হয় সেটার খারাপ দিক নিয়ে মাথা ঘামায় না)
বর্তমানে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে খুবই গবেষণা চলছে৷ কিভাবে তাদের বেস্ট ইমপ্লিমেন্ট করা যায়,,,,
মানুষ ইতোমধ্যেই মেশিননির্ভর হয়ে গিয়েছে, একটা ছোট কাজও এখন মেশিনের সাহায্যে করা হয়।উ��্দেশ্য দ্রুততা,উন্নয়ন,মাথা কম খাটানো বা সোজা কথায় কম কাজ করে বেশি আউটপুট নেয়া!
যেহেতু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রোবটদের শিখতে পারা ও চিন্তা করতে পারার ক্ষমতা দেয়া হবে আর তারা যেহেতু মেশিন তাহলে একসময় কি তারা আমাদের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমানের পরিচয় বহন করবেনা?
আমরা যেমন তাদের এখন আমাদের প্রয়োজনে ব্যবহার করি তারাও তখন তাদের প্রয়োজনে আমাদের ব্যবহার করতে পারে কি????! 😮
After a long time (most probability after 2010), I have read a novel which is written by Zafar Sir. If you have never read one of his sci-fi's, then you might like the book. However, as a fan, I have completed most of his books (till 2010) and now found that even after a decade the plot did not changed much. Those cliché names, same environment, identical situation and finally similar denouement.
In a not so distinct future, human civilization has become more dependent upon the robots and AI's to do their works. As a result, the people are getting lazy, not only for daily chorus rather other practices, which enriches our neurons to have that critical thinking ability and lead the race. However, soon the science committee made a covert operation which could even change the current society. After this intros, you will find some scientific jargons, some utopian situation and in the end a simple conclusion (the message which you will find in his books countless times).
Nevertheless, I have become astonished after reading some lines. "এর মাঝে এক পাশ থেকে একজন সল্পবসনা নারী এসে ঢোকে". This book is mainly for teenagers. Having some degree of love in these books are fine. But, I am not okay with this "সল্পবসনা নারী" kind of sexual phrases - our culture do not harmonizes with this kind of terms in teenage books.
For a busy person like him, it is quite understandable about his constrains and the provocation of the publishers - who want 'the bestselling sci-fi' should be published in the recent bookfair from their company. Like most people, I also think that his best works have already been produced. Sci-fis like কপোট্রনিক সুখ দুঃখ, টুকুনজিল (some asserts this inspired from E.T.) or টুকি ও ঝায়ের (প্রায়) দুঃসাহসিক অভিযান can still now fight for the first place in the best Bengali Sci-fi books. I just hope his retirement will give him quite some time to produce some magnum-opus in the Bengali Sci-fi genre. (I, myself do not believe that though).
বইমেলায় মুহাম্মাদ জাফর ইকবাল স্যারের বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি কেনাটা বইমেলার একটা রিচুয়াল আমার জন্য, ঠিক মনে নেই কবে থেকে কিন্তু এই রিচুয়াল আমাকে বারবার নিরাশ করেছে, ২০২০ এর বই গ্লিনা, পড়তে বসে প্রথমেই মনে হলো এই বইটি লেখার জন্য কি কোনো শব্দ লিমিট বা সময় লিমিট ছিলো? বাংলা ২য় পত্র পরীক্ষায় শেষ শোয়া ঘন্টা হাতে রাখতাম রচনা লেখবার জন্য,অল্প সময়ে অনেক লিখতে হবে এটাই থাকতো উদ্দেশ্য। অনেক দিন পর সেই ফ্লেভারটা পেলাম।
গল্পটির প্লট যথেষ্ট দুর্বল,এই যুগে সাই-ফাই কনসেপ্টগুলো মাথা ঘুরিয়ে দেবার মতন, সেখানে এই বইটির মূল কাহিনি হতাশাব্যঞ্জক, তারো সাথে কিছু শব্দ যেমন (ভাগাড়) বেশ বেমানান একটা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনির জন্য।
যাহোক, আমি আশা করিনি এটা থেকে খুব বেশি, কিন্তু এভাবে হতাশ হবো তাও ভাবিনি।
The book felt like it was rushing to the end of it. It was based on a familiar concept with a different perspective but it greatly lacked in keeping the reader hooked to the story. Although the detailing parts related to the concept was excellent. At least this wasn't a SciFi book which would explain everything with quantum physics.
We are rushing towards AI and using it to supposedly make out lives so much better everyday. I think this book helps to paint a picture of what might happen if we rush in too fast. It's not all that different from a lot of JI's other science fiction stories but it is does show through the first few examples how we do tend to abuse the advantages we have and the possible consequences of that.
Loved the story. The characters were nicely fleshed out and I was able to root for them almost immediately. The resolution and the - core message? - that I got out of it made me smile. Honestly would have given it 5 stars if it didn't read like a first draft. Does he not have an editor or even copy editor any more??
পড়লাম। নতুনত্ব, সৃজনশীলতা আছে বলে মনে হলো না। বাচ্চারা পড়তে পারে। তাও সাহিত্য, সায়েন্স ফিকশন সম্পর্কে ভুল ধারণা জন্মাবে। তবে পড়ে যে আনন্দ পাইনি তা না। আনন্দের ধরন - বাংলা সিনেমার অবাস্তব সস্তা কাহিনীতে ধনী নায়িকা গরিব নায়কের প্রেমে পড়লে কিংবা নায়কের বাবার খুনের প্রতিশোধ সফল হলে যেমনটা পাওয়া যায় তেমন।
গল্পের প্লটটা সুন্দর.. সামনের দিকে আগানোটাও ভালোই চলছিল... কিন্তু তারপরে কোথা থেকে যে কই চলে গেল ঠিক বোঝা গেলনা... আর গল্পের ফিনিশিং, আহা! স্যারের লেখা সব থেকে বাজে ফিনিশিংয়ের মধ্যে এইটা উপরের দিকেই থাকবে... মনেহয় কোন কারনে লেখা বন্ধ রেখে আবার অনেক কয়দিন পরে এসে তাড়াহুড়ো করে বইটি শেষ করতে চেয়েছেন... কি আর করা, নিয়ত নিয়েছিলাম স্যারের সব সায়েন্স ফিকশন বই পড়বো, তাই না চাইলেও গেলা আরকি!
I did enjoy reading it but I didn't get the point of this story. Everything that happened in this story was to end the use of robots completely. The ending got me confused. WHAT WAS THE POINT OF EVERYTHING THAT HAPPENED THEN?
The concept was great. The setup was fantastic. The author took the bad-AI trope and turned it into a great story. My only complain was about it's length. I think because it is middle grade, the author didn't make the characters complex or didn't twist the trope anymore than necessary.
সিগনেচার জাফর-ইকবাল-স্যার রাইট আপ। চেনা প্লট, চেনা বাক্য, চেনা ডিসক্রিপশান। সবই চেনা। সমুদ্রের বালুবেলা, গাংচিল, রোবোট মানবের মধ্যকার কথাবার্তা, প্রতিটা প্যাটার্ন পরিচিত। অথচ, কি অদ্ভুত ভাললাগলো। সায়েন্স ফিকশনের সাথে লেখক এখানে একটা অদ্ভুত জিনিস জুড়ে দিয়েছেন। মানবের প্রতি মমতা। মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা। একবারে পড়ে ওঠার মতো বই।