Jump to ratings and reviews
Rate this book

কাগমারী সম্মেলন ঃ মওলানা ভাসানীর পূর্ব বাংলার স্বাধিকার ও সাম্রাজ্যবিরোধী সংগ্রাম

Rate this book

165 pages, Hardcover

Published October 1, 2017

12 people want to read

About the author

Syed Abul Maksud

23 books24 followers
Syed Abul Maksud (Bangla: সৈয়দ আবুল মকসুদ) was a Bangladeshi journalist, columnist, research scholar, essayist, and writer. He was acclaimed for his critical and research work. His essays on literature, society, culture, and politics are much appreciated for his clear view, lucid language, and simple style. He carried out substantive research works on the lives of famous litterateurs such as Rabindranath Tagore, Buddhadeva Bose, Mohandas Karamchand Gandhi, Syed Waliullah, etc. His Journal of Germany is a popular travel book. In 1995 he has been awarded the Bangla Academy Award for his contributions to Bengali Literature.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
3 (50%)
4 stars
1 (16%)
3 stars
0 (0%)
2 stars
1 (16%)
1 star
1 (16%)
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
Profile Image for Sabir Joarder.
9 reviews4 followers
September 10, 2024
মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলনের পর তৃতীয় কোনো গুরুত্বপূর্ন ঘটনা কাগমারী সম্মেলন, সম্মেলন কেন্দ্রিক ঘটনা সম্পকে ইতিহাস অজানায় ছিলো আমার মতো গতানুগতিক মানুষের কাছে। ভাসানির দূরদর্শী চিন্তা লক্ষ করা যায় এই কথায় যেখানে
কাগমারী সম্মেলনের এক ফাঁকে মওলানা ভাসানী গ্রামের পথে হাঁটতে হাঁটতে ঔপন্যাসিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলেছিলেন- ‘পূর্ব বাংলা একদিন স্বাধীন হবেই। ১২ বছরের মধ্যে পূর্ব বাংলা পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হবে।’
Profile Image for Huzaifa Aman.
164 reviews7 followers
January 28, 2026
তুমি আজ আমাকে পাক-মার্কিন সামরিক চুক্তি সমর্থন করতে বলছো। তুমি যদি আমাকে বন্দুকের নলের সামনে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাস করো, আমি বলবো, 'না'! তুমি যদি আমাকে কামানের সামনে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাস করো আমি বলবো 'না'! 'না'! তুমি আমাকে যদি আমার কবরে গিয়েও জিজ্ঞাস করো সেখান থেকে আমি চিৎকার করে বলবো, 'না'! 'না'!'”
— হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে উদ্দেশ্য করে মওলানা ভাসানী। (১৯৫৭ ৳ সালে কাগমারি সাংস্কৃতিক সম্মেলনে)

পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসনের দাবি করা হচ্ছিল, কিন্তু সে দাবি একটি ভিন্ন মাত্রা পায় কাগমারী সম্মেলনে সে সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় বাঙালি নেতা মওলানা ভাসানীর কণ্ঠ থেকে “আসসালামু আলাইকুম” উচ্চারিত হওয়ার পর থেকে। ‘আসসালামু আলাইকুম’ মানে হচ্ছে আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। কিন্তু দেখেন মওলানা ভাসানী ‘আসসালামু আলাইকুম’কে ব্যবহার করলেন “স্বাধীনতার” সমার্থক শব্দ হিসেবে। কাগমারি সাংস্কৃতিক সম্মেলনের প্রভাব পড়েছিল বাঙালির অসাম্প্রদায়িক সংস্কৃতিতে।

ভাসানির অসাম্প্রদায়িক চিন্তা-চেতনা ও সমাজতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা গঠনের যে সুবিশাল বিপ্লবামুখী কর্মযজ্ঞ চলমান ছিল তার মধ্যে অন্যতম এই কাগমারী সম্মেলন।

১৯৫৭ সালের ৭-৯ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের কাগমারীতে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক 'কাগমারী সম্মেলন' ছিল পূর্ব বাংলার স্বাধিকার আন্দোলনের টার্নিং পয়েন্ট । মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে এই সম্মেলনে পশ্চিম পাকিস্তানের শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে 'আসসালামু আলাইকুম' উচ্চারণের মাধ্যমে স্বাধীনতার ইঙ্গিত দেওয়া হয়।

মওলানা ভাসানীকে অনেকে কমিউনিস্ট বলেতো। কিন্তু ভাসানী কমিউনিস্ট ছিলেন না। তিনি বলেন ইসলামে মানুষের কর্তব্যকে দুই ভাগে ভাগ করে দেখা হয়েছে-আল্লাহর প্রতি কর্তব্য আর মানুষের প্রতি কর্তব্য। মানুষের প্রতি কর্তব্য পাকিস্তানে, বিশেষ করে পূর্ব পাকিস্তানে, নিদারুণভাবে অবহেলিত হচ্ছে! সেই কথাই আমি দেশের সবাইকে বলছি। ধর্মবর্ণনির্বিশেষে দেশের সবার প্রতি মওলানা সাহেবের কি গভীর দরদ, তা প্রত্যক্ষ করেছিলেন কাগমারিতে আগত সকল লেখক-লেখিকা , চিত্রশিল্পী , গায়ক , বিভিন্ন শ্রেণির পেশাজীবি ও বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা।

বইয়ে এমন সব চমকপ্রদ তথ্য ও ঘটনার বিবরণ রয়েছে, যা অন্য কোনো বইয়ে নেই।
Displaying 1 - 2 of 2 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.