Jump to ratings and reviews
Rate this book

ব্যোমকেশ #33

বিশুপাল বধ

Rate this book

68 pages, Unknown Binding

First published June 13, 1970

Loading...
Loading...

About the author

Sharadindu Bandyopadhyay

187 books472 followers
Sharadindu Bandyopadhyay (Bengali: শরদিন্দু বন্দোপাধ্যায়; 30 March 1899 – 22 September 1970) was a well-known literary figure of Bengal. He was also actively involved with Bengali cinema as well as Bollywood. His most famous creation is the fictional detective Byomkesh Bakshi.
He wrote different forms of prose: novels, short stories, plays and screenplays. However, his forte was short stories and novels. He wrote historical fiction like Kaler Mandira, GourMollar (initially named as Mouri Nodir Teere), Tumi Sandhyar Megh, Tungabhadrar Teere (all novels), Chuya-Chandan, Maru O Sangha (later made into a Hindi film named Trishangni) and stories of the unnatural with the recurring character Baroda. Besides, he wrote many songs and poems.

Awards: 'Rabindra Puraskar' in 1967 for the novel 'Tungabhadrar Tirey'. 'Sarat Smriti Purashkar' in 1967 by Calcutta University.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
68 (30%)
4 stars
84 (37%)
3 stars
55 (24%)
2 stars
14 (6%)
1 star
2 (<1%)
Displaying 1 - 29 of 29 reviews
Profile Image for Shariful Sadaf.
217 reviews110 followers
March 24, 2021
এবারে প্রেক্ষাগৃহে নাটকের মঞ্চে ব্যোমকেশের সামনে অভিনব পদ্ধতিতে এক খুন হলো। অজিতবাবুকে ছাড়াই লেগে পড়লেন রহস্য উন্মোচনে একে একে সব সন্দেহভাজনদের জবানবন্দী নেওয়া হচ্ছিলো একসময় আকষ্মিকভাবে থেমে গেলো আমাদের সবার প্রিয় ব্যোমকেশ :(
ব্যোমকেশের শেষ গল্পটা অসমাপ্ত থেকে গেলো। শেষ হয়েও শেষ হয়ে উঠলো না। খুনের রহস্য দিয়ে কাহিনি চমৎকার ভাবে শুরু হলেও তার সুখকর সমাপ্তি আমাদের আর কখনো জানা হবে না এই দুঃখ রয়েই যাবে। ব্যোমকেশের ছুটি হয়ে গেলো। বিদায় ব্যোমকেশ। 🖤
Profile Image for Omar Faruk.
288 reviews21 followers
March 7, 2023
অসমাপ্ত লেখা। শুরুটা রহস্যঘন ছিল। কিন্তু অন্তিমকালে কি হলো জানা গেলো না। শেষ হইয়াও, হইলো না শেষ ....
Profile Image for Kripasindhu  Joy.
671 reviews5 followers
Read
July 29, 2026
শেষের দিকে ব্যোমকেশের গল্পগুলো তেমন উতরে যেতে পারার মতো ছিল না। এই গল্পটা জমবে বোধ হচ্ছিল কিন্তু অজানা থেকে গেল সমাপ্তিটা।
Profile Image for শুভাগত দীপ.
328 reviews46 followers
April 14, 2020
|| রিভিউ ||

বইঃ বিশুপাল বধ
লেখকঃ শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় ও নারায়ণ সান্যাল
প্রকাশকঃ আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা
প্রকাশকালঃ অজানা
ঘরানাঃ মার্ডার মিস্ট্রি
প্রচ্ছদঃ অজানা (সম্ভবত ফ্যানমেড)
পৃষ্ঠাঃ ৬৪
ফরম্যাটঃ পিডিএফ

কাহিনি সংক্ষেপঃ বিশ্বনাথ পাল ওরফে বিশুপাল একটা থিয়েটার চালান। তাঁর সেই থিয়েটারের জনপ্রিয় মঞ্চনাটক গুলোর একটা হলো 'কীচক বধ'। এক সন্ধ্যায় সত্যান্বেষী ব্যোমকেশকে সাথে নিয়ে নামজাদা অধ্যাপক প্রতুলচন্দ্র চললেন 'কীচক বধ' দেখতে। সবকিছু ঠিকঠাকই এগোচ্ছিলো। কিন্তু নাটকের শেষাঙ্কে অদ্ভুতভাবে মৃত্যু ঘটলো কীচকরূপী বিশুপালের।

বিষ প্রয়োগে খুন করা হয়েছে বিশুপালকে। পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত করতে এলেন মাধববাবু। থিয়েটারের সাথে জড়িত সবাইকেই সন্দেহের আওতায় আনা হলো। যেহেতু ঘটনাস্থলে স্বয়ং ব্যোমকেশ বক্সী উপস্থিত ছিলো,সে-ও নিজের মতো করে লেগে গেলো তদন্তে। আর এই তদন্তেই ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসতে লাগলো খুন হউএ যাওয়া বিশুপাল সম্পাদিত ধোঁয়াশাপূর্ণ উইল সম্পর্কিত কিছু ঘটনা।

বিশুপালের ছোট ভাই ডাক্তার অমল পালও সন্দেহের আওতার বাইরে নন। সন্দেহের বাঁকা চোখে তাকানো হচ্ছে বিশুপালের লিভিং টুগেদার পার্টনার সুলোচনার দিকেও। দশ/বারো বছর আগে নিজের শালীকে খুন করে জেলে গিয়েছিলো কালীচরণ ওরফে শালীচরণ। ওর কথাই বা এখানে আসছে কেন!

রীতিমতো ক্লু-লেস একটা কেস নিয়ে এবার কাজ কর‍তে হচ্ছে সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ বক্সীকে। তার ওপর নাক উঁচু স্বভাবের পুলিশ মাধববাবুর নানা নখরা তো আছেই। বরাবরের মতো নিজের তুখোড় অনুসন্ধানী মস্তিষ্ককে কাজে লাগিয়ে ব্যোমকেশ নিজের জাত চিনিয়ে দিলো আবারো। তবে এই যাত্রায় তার অভিন্নহৃদয় বন্ধু অজিত বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলোনা। কেন, তা বইটা পড়লে জানতে পারবেন আর তারপর স্তম্ভিত হয়ে যাবেন।

পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ বক্সীকে নিয়ে মোট ৩৩ টা কাহিনি রচনা করেছেন। 'বিশুপাল বধ' তাঁর লেখা শেষ ব্যোমকেশ কাহিনি। এই কাহিনিটা উনি শেষ করে যেতে পারেননি। পরবর্তীতে 'বিশুপাল বধ' শেষ করেন সাহিত্যিক নারায়ণ সান্যাল।

'ব্যোমকেশ সমগ্র'-এর প্রায় সবগুলো গল্প পড়লেও অসমাপ্ত এই 'বিশুপাল বধ' পড়া হয়েছিলোনা আমার। সম্প্রতি জানলাম, নারায়ণ সান্যাল এটার পরিণতি টেনেছেন। তাই পড়ার সিদ্ধান্ত নিই। সাদামাটা মার্ডার মিস্ট্রি হিসেবে 'বিশুপাল বধ' সফল। শেষ ব্যোমকেশ কাহিনি হিসেবে নারায়ণ সান্যাল শেষে এমন একটা কাজ করেছেন, যাতে রীতিমতো আশ্চর্য ও রাগান্বিত বোধ করেছি। কাহিনিটা শেষ করার জন্য ট্রাজেডি ক্রিয়েট করাটা খুব জরুরি কিছু ছিলো বলে আমার মনে হয়নি। বিস্তারিত বললামনা। তাহলে স্পয়লার দেয়া হয়ে যাবে। আগ্রহী পাঠকরা 'বিশুপাল বধ' পড়লেই ধরতে পারবেন আমার রাগের কারণটা।

'বিশুপাল বধ' আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা থেকে প্রকাশিত 'ব্যোমকেশ সমগ্র'-তে অসমাপ্ত হিসেবে আছে। আর এটার সম্পূর্ণ ভার্শন ইন্টারনেট অ্যাভেইলেবল। আমি নিজেও পিডিএফ পড়েছি। কেউ লিংক চাইবেননা। কষ্ট করে গুগলের সাহায্য নিলেই পেয়ে যাবেন।

ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৩.৭৫/৫
গুডরিডস রেটিংঃ ৩.৫০/৫

© শুভাগত দীপ

(১৪ এপ্রিল, ২০২০, সন্ধ্যা ৬ টা ৩৪ মিনিট; বাড়ির ছাদ, নাটোর)
Profile Image for অনিরুদ্ধ.
143 reviews22 followers
December 3, 2020
ব্যোমকেশের আরেকটি মাস্টারপিস হতে পারতো...
Profile Image for Rubell.
198 reviews23 followers
Read
December 31, 2025
খুবই ইন্টারেস্টিং একটা গল্পের আভাস দিয়ে থেমে গেল ব্যোমকেশ।
Profile Image for Maysha Rashid.
26 reviews9 followers
February 3, 2026
শেষ জানতে না পারার আক্ষেপ থেকেই যাবে....!
Profile Image for Sazzad Hossen.
103 reviews6 followers
May 8, 2023
This is the last book of Sharadindu Bandopadhyay's Byomkesh Collection.He could not finish the story completely but Narayanan Saniyal completed the story. And to say about the story fully satisfied. The last pert of the story so pathetic.
Profile Image for Tasmia Tasneen Nitol.
55 reviews
November 27, 2022
সিরিজের শেষ বই। সবগুলো শেষ করার পরই অনুভূতি লিখতে বসলাম। গল্পের বই দিয়ে রিডিং পড়তে শেখা এক পাঠিকার পক্ষে এত বয়সে এসে প্রথমবার ব্যোমকেশ পড়াটা একটু আশ্চর্যের! কারনটা একটু ব্যাখ্যা করি আগে।
গোয়েন্দা শব্দটার সাথে প্রথম পরিচয় ঘটে মাত্র ক্লাস টু তে। তিন গোয়েন্দা দিয়ে। সেই তিনগোয়েন্দা পড়তে গিয়েই জানতে পারি শার্লকহোমস, পোয়ারো আর উপমহাদেশের ফেলুদা, ব্যোমকেশের কথা। শার্লক হোমস প্রথম পড়ি ক্লাস সেভেনে। যখন তিন গোয়েন্দার ঘোরে পুরোপুরি ডুবে আছি। তিনগোয়েন্দার বিশাল ফ্যানগার্ল আমার শার্লক হোমসকে ভালো লাগলো না! এ কেমন গোয়েন্দা? কিছুই করে না, বাসায় বসে চিন্তা ভাবনা করেই রহস্যের সমাধান করে ফেলে আর চুরুট খায়! এর চেয়ে তিনগোয়েন্দায় ঢের বেশি থ্রিল। ওরা কি সুন্দর শত্রুর সাথে ফাইট করে, কত জায়গায় যায়, মরতে মরতে বুদ্ধি খাঁটিয়ে ফিরে আসে! তিনগোয়েন্দার কাছে তখন শার্লক হোমসকেই মলিন লাগলো! আর শার্লক হোমসের পর পরই পড়া হয় ফেলুদা সমগ্রের সবগুলো খন্ড। বড় হয়ে আমি সত্যজিতের ফ্যান হয়েছি। আমার প্রিয় বই গুলোর লিস্ট করলে তাতে অবশ্যই শঙ্কু সমগ্র থাকবে। অথচ ক্লাস সেভেনে পড়া সেই আমার কাছে ফেলুদা পাত্তা পেল না৷ শার্লককেই ভালো লাগেনি, সেখানে শার্লকের পর পরই পড়া ফেলুদাকে আমার জাস্ট শার্লকের ছায়া মনে হয়েছিল! কৈশোরের ফ্যাসিনেশন নিয়ে পরপর দুইবার হতাশ হয়ে ব্যোমকেশ পড়ার আর আগ্রহ জাগেনি এরপর। অনেক সময় গড়ালো, পরবর্তী তে অসংখ্যবার অনেক বইতে ব্যোমকেশের রেফারেন্স পেয়েও পড়ি পড়ি করেও কেন যেন পড়া হচ্ছিল না। অবশেষে খুব রিসেন্টলি পিয়া সরকারের বৃশ্চিক, বৃশ্চিক চক্রে ব্যোমকেশের রেফারেন্স আবার সামনে আসতেই মনে হলো, এবার পড়ে ফেলি।
পড়লাম এবং মুগ্ধ হলাম! থ্রিলারপ্রেমি, থ্রিলারে ডুবে থাকা আমি ব্যোমকেশের মতই অনেক রহস্য ভেবে ভেবেই সমাধান করে ফেলতে পারি! তবুও ভালো লাগে। তবুও ব্যোমকেশের চিন্তার প্রণালীতে মুগ্ধ হই। মনে হয়, আমার হয়ত শার্লক হোমস আর ফেলুদাও এই বয়সে এসে পড়া উচিৎ ছিল! তাহলে হয়ত ওদেরও ভালো লাগতো!
সিরিজের বেশিরভাগ গল্পই ভীষণ ভালো লেগেছে। বিশেষ করে একটু বড় পরিসরের গুলো। শেষদিকের গল্পগুলোতে অজিতকে মিস করছিলাম খুব। অজিতের জন্য গল্প থেমে থাকছিলো না, কিন্তু কেন যেন মনে হচ্ছিল, লেখক খুব সচেতন ভাবে অজিতকে ইগ্নোর করছিলেন। ব্যাপারটা খারাপ লাগছিলো। অজিতের উপস্থিতি তে গল্পগুলো যতটা উপভোগ করছিলাম, সবকিছু ঠিক থাকার পরও অজিতের অনুপস্থিতিতে ততটা উপভোগ্য লাগছিল না।
অবশেষে, শেষ গল্প 'বিশুনাথ বধ'। শরদিন্দু বাবু গল্পটা শেষ করে যেতে পারেননি। নারায়ণ বাবু যেভাবে গল্পটা এগিয়ে নিয়ে সমাপ্তি টেনেছেন, সেটা পারফেক্টই লেগেছে। পড়তে গিয়ে মনে হয়নি দুইজন আলাদা মানুষের লেখা। সুন্দর কনসেপ্ট, জমজমাট কাহিনি। কিন্তু... কিন্তু একটাই। অজিত! ব্যোমকেশকে যতটা ভালোবেসেছি, ততটাই ভালোবেসেছি অজিতকে আর ওদের বন্ধুত্বটাকে। সিরিজের সমাপ্তি টানার জন্য অজিতের এই পরিণতি কাম্য ছিল না। মানতে পারিনি!
Profile Image for Owlseer.
246 reviews16 followers
Read
November 18, 2024
এটা বুঝি শেষ—শেষ বইটা পড়ে ফেললাম, শেষ কেসটা অসমাপ্ত রয়ে গেল, আর যেন চারপাশে এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা। সত্যন্বেষী ব্যোমকেশ আর তাঁর অবিচল সঙ্গী অজিত আর শুধু গল্পের চরিত্র নয়, তাঁরা হয়ে উঠেছেন আমাদের আপনজন, আমাদের পথপ্রদর্শক, একেকজন কিংবদন্তি।

ব্যোমকেশ, তোমার সেই তীক্ষ্ণ বুদ্ধি আর সত্যের প্রতি অটল নিষ্ঠা আমাদের শিখিয়েছে যে সত্য, যতই অধরা হোক, তার পেছনে ছোটা কখনো বৃথা যায় না। আর অজিত, তোমার বন্ধুত্ব আর হৃদয়ের উষ্ণতা আমাদের শুধু কাহিনি শুনিয়েই থেমে থাকেনি; তোমার প্রতিটি পদক্ষেপে ব্যোমকেশের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলে তুমি, এক বন্ধু, এক সহযোদ্ধা হয়ে।

তোমাদের বিদায় জানাতে মন চায় না, তবু বলতেই হচ্ছে। ধন্যবাদ, ব্যোমকেশ, তোমার প্রজ্ঞা আর বুদ্ধিমত্তার জন্য; ধন্যবাদ, অজিত, তোমার সেই আন্তরিকতার জন্য যা প্রতিটি গল্পে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেছে। আজ এই শেষ পৃষ্ঠাটা বন্ধ করছি, কিন্তু তোমাদের রেখে যাচ্ছি সেই চিরন্তন কলকাতার অলিগলিতে, যেখানে আজও রহস্য লুকিয়ে আছে প্রতিটি ছায়ায়। বিদায়, ব্যোমকেশ আর অজিত। তোমাদের এই পথচলা হয়তো শেষ, কিন্তু তোমাদের গল্প থেকে যাবে চিরকাল।
Profile Image for Pritom Datta.
23 reviews1 follower
June 27, 2023
নারায়ণ স্যান্যালের লেখা বাকি অংশটুকুও পড়লাম।
কি হতো, যদি শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় শেষ করে যেতেন? লেখা অসমাপ্ত রেখে হয়তো পাঠকের মনের মধ্যে একটা অতৃপ্ত আকাঙ্ক্ষা রেখে গেলেন। এভাবেই শরদিন্দু বেঁচে থাকবেন এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে, পাঠকের হৃদয়ে।
নারায়ণ স্যান্যালের লেখা শেষের প্যারা, কোন যেন পড়তে নিয়ে চোখের জল বাঁধ মানলো না। হয়তো কোনো কারণ নেই, আবার অনেক কারণই আছে। না হয় থাক, এত কিছু জানা।

মানুষ কেন এমন ফাঁকি দিয়ে পালায়?
Profile Image for Masfiq Reza.
137 reviews3 followers
March 30, 2020
ব্যোমকেশের শেষ গল্প এবং অসমাপ্ত। ব্যোমকেশের শেষের গল্পগুলো দেখলে দেখা যায় এইগুলো তৃতীয় ব্যক্তির ভাষায় লেখা যেখানে বোমকেশের বেশিরভাগ গল্পই অজিতের জবানিতে লেখা। খুনের রহস্য দিয়ে কাহিনি চমৎকার ভাবে শুরু হলেও তার সমাপ্তি জানা হল না এই দুঃখ।
Profile Image for আহসানুল শোভন.
Author 39 books93 followers
January 2, 2022
গল্পটার শুরু দারুণ জমজমাট এক রহস্যের ইঙ্গিত দিচ্ছিলো। প্রতুল্বাবুর সঙ্গে থিয়েটার দেখতে গিয়ে ব্যোমকেশদের চোখের সামনেই খুন হলেন নাটকের মূল চরিত্র। আফসোস, শরদিন্দু বাবুর প্রয়াণে গল্পটি অসমাপ্ত রয়ে গেলো। বিদায় ব্যোমকেশ।
Profile Image for Afrin Sultana  Moutusi .
83 reviews10 followers
July 18, 2023
ব্যোমকেশ বক্সীর শেষ গল্পটা অসমাপ্ত রেখেই সত্যজিৎ রায় চলে গেলেন! যদিও নারায়ন সান্যাল এর উপসংহার লিখেছেন তবুও তেমন আগ্রহ আর পাচ্ছি না পড়ার। গল্পের শেষ টা কেমন ভেবে রেখেছিলেন সত্যজিৎ তা আর জানা হলো না।
Profile Image for Rubaiyat Mimi.
12 reviews8 followers
November 17, 2019
শেষে অজিতকে এভাবে মেরে ফেলার ব্যাপারটা মানতে পারছি না!!
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Shaon Arafat.
131 reviews33 followers
April 29, 2020
অসমাপ্ত। শুরুটা পড়ে আন্দাজ করা যায় রহস্যটা খুব জমতো!
Profile Image for Amjad Hossain.
197 reviews1 follower
February 14, 2021
কাহিনী টা অসমাপ্ত..
কিন্তু যথাসম্ভব ভালো মনে হচ্ছিলো..
পড়তে পড়তে এক পর্যায়ে গিয়ে দেখি অসমাপ্ত রয়ে গেল..তখন কিঞ্চিৎ খারাপ লাগিলো।
ব্যোমকেশ এর ছুটি যে হয়ে গেলো!
Profile Image for Yeasmin Nargis.
304 reviews10 followers
December 10, 2025
অবশেষে শেষ হলো ব্যোমক্যাশ কাহিনী, বিদায় অজিত বাবু।
Profile Image for Mampy Chowdhury.
114 reviews2 followers
February 13, 2026
কি লিখবো বুঝতে পারছি না। প্রথমত, অজিতকে মিস করছিলাম। লাস্ট দিকের কিছু গল্পে তার অনুপস্থিতিটা ভালো লাগেনি। তার উপর এই গল্পটি অসমাপ্ত। আফসোস শেষে কি হলো তার আর কখনোই জানতে পারবো না।
Profile Image for Khurshida.
11 reviews10 followers
April 2, 2026
শুরুটা চমৎকার ছিল কিন্তু কাহিনী অসমাপ্ত এটা জানতাম না। একটা শূন্যতা থেকেই গেল! বিদায় ব্যোমকেশ! :(
Profile Image for Towkir Ahmmed Rigan.
109 reviews19 followers
July 11, 2016
শুধু আফসোস থেকে গেল যে এত সুন্দরভাবে শুরু হওয়া গল্পটা আর শেষ হতে পারলো না!!
Displaying 1 - 29 of 29 reviews