অনাবৃত এমন একটি ডিটেকটিভ উপন্যাস, যার ভেতর আছে প্রেম, ঈর্ষা, ক্রোধ। আছে বন্ধুত্ব, সম্পর্ক, জীবনবোধ। সর্বোপরি অনাবৃত উপন্যাসের অনেকটা অংশ জুড়ে আছে বিখ্যাত শিল্পী রেনোয়ার ছবি।
বাংলা ডিটেকটিভ উপন্যাসের ধারায় অনাবৃত একটি ব্যতিক্রমী সংযোজন।
Prachet Gupta(alternative spelling Procheto Gupta or Prachet Gupta or Procheta Gupta; Bengali: প্রচেত গুপ্ত, porocheto gupto) born 14 October 1962) is a Bengali writer and journalist. In 2007, his work Chander Bari has been adapted into a Bengali film by director Tarun Majumdar. In 2011, director Sekhar Das made film on Gupta's story Chor-er bou ("Wife of a thief"), the film was named Necklace. One of the front runners in contemporary Begali literature, few of his stories have been translated into Hindi, Oriya and Marathi language. He is a key writer of the magazine Unish-Kuri, Sananda, Desh.
Early Life: Gupta spent his childhood in Bangur Avenue and studied in Bangur Boys school. He started writing from his childhood. His first story was published in Anandamela when he was only 12 years old. Later his literary works were published in many more magazines. He completed his graduation from Scottish Church College, Kolkata.
Awards: Bangla Academy's Sutapa Roychowdhury Smarak Puraskar (2007) Shailajananda Smarak Samman (2009) Sera Sahityik Puraskar by Akash Bangla(2209) Ashapurna Devi Birth Centinary Literature Award (2009) Gajendra Kumar Mitra O Sumathanath Ghosh Smarak Samman (2010) Barna Parichay Sharad Sahitya Samman(2010) Most Promising Writer Award By Publishers and Bookseller's Guild (Kolkata Book Fair)-2011
অত্যন্ত দূর্বল প্লট। যদি প্রচ্ছদের ওপরে "একটি ডিটেকটিভ উপন্যাস" লেখা না থাকতো, তাহলে আরো এক-আধ তারা বাড়িয়ে দেয়া যেত৷ কিছু জায়গায় শিল্প-সংক্রান্ত কচকচানি রীতিমতো বিরক্তির উদ্রেক ঘটিয়েছে৷ কলকাতার ডিটেকটিভ ফিকশন আগে থেকেই সমৃদ্ধ। এখনকার যুগে এরকম প্লটের বইকে তাই "ডিটেকটিভ ফিকশন" তকমা দেয়ার আগে ভাবা উচিৎ বৈকি৷
✨📖উপন্যাসের নাম - অনাবৃত📖✨ ✍️লেখক - প্রচেত গুপ্ত 🖨প্রকাশক - অভিযান পাবলিশার্স 📖পৃষ্ঠা সংখ্যা - 142
💫📚বসন্ত সাহা নিচু গলায় খানিকটা আপনমনেই বললেন , ' আসামি নিজেই বলবে । সব বলবে । বলেছিলাম না , এই রহস্য সমাধানের পথটা উলটো হবে । এখন তার সঙ্গে আর - একটু অন্যরকমও মনে হচ্ছে সাগ্নিক মনে হচ্ছে , এই গোটা রহস্যটা একটা গোলকধাঁধার মতো । সেই যে ছোটোবেলায় আমরা খেলতাম না ? অনেক জড়ানো পথ আঁকা থাকত । ঢোকবার পথটা দেখতে পাচ্ছি , শেষের মুখটাও । কিন্তু মাঝের পথটুকু কীভাবে পাড়ি দেব বুঝতে পারছি না , গুলিয়ে যাচ্ছে । পেনসিল ধরে ধরে দাগ কেটে এগোতাম । মনে পড়ছে ? এখানেও যেন তাই । মাঝখানটাই সমস্যা । মনে হচ্ছে সেই সমস্যা কেটে গেছে ।📚💫
💫📚অনাবৃত এমন একটি ডিটেকটিভ উপন্যাস , যার ভেতর আছে প্রেম , ঈর্ষা , ক্রোধ । আছে বন্ধুত্ব , সম্পর্ক , জীবনবোধ । সর্বোপরি অনাবৃত উপন্যাসের অনেকটা অংশ জুড়ে আছে বিখ্যাত শিল্পী রেনোয়ার ছবি । বাংলা ডিটেকটিভ উপন্যাসের ধারায় অনাবৃত একটি ব্যতিক্রমী সংযোজন ।📚💫
আমার জানা নেই, এই উপন্যাস সম্ভবত গোয়েন্দা কাহিনীতে প্রচেতবাবুর প্রথম প্রয়াস। বেশ ব্যতিক্রমী প্রয়াস, মানতেই হবে৷ একটা ভালো উপন্যাস লিখতে গেলে লেখককে অনেক পড়াশোনা করতে হয়। সেই পড়ার ভাগ সাথে সাথে পাঠকও পান। এই উপন্যাসের ছত্রে ছত্রে আমরা পাই ইম্প্রেশনিস্ট পেইন্টিং, বিশেষ করে সবচেয়ে বিখ্যাত ইম্প্রেশনিস্ট পিয়ের অগাস্ত রেনোয়ার জীবন ও কাজ নিয়ে মনোজ্ঞ আলোচনা। উপন্যাসের নাম যেমন 'অনাবৃত' তেমনই ঠিক যে কাজের জন্য রেনোয়ার খ্যাতি সেই ন্যুড স্টাডি নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ আর অনেক না জানা তথ্য তুলে ধরেছেন লেখক। কিন্তু লেখনীর জাদুতে পড়তে গিয়ে কখনো তথ্যে ভারাক্রান্ত লাগেনা।
এক অভিনব জন্মদিনের পার্টির সূত্রেই ঘটে যায় জোড়া খুন! নিমন্ত্রিতদের মধ্যেই ছিলেন গোয়েন্দা পুলিশ বসন্ত সাহা, যিনি আবার একাধারে গানেরও সমঝদার, আবার ছবিরও। তিনিই স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে শুরু করেন তদন্ত। ধীরে ধীরে সম্ভাব্য অপরাধীর লিস্ট ছোট হতে হতে কাহিনী ক্লাইম্যাক্সে পৌছয়।
উপন্যাসটিকে ব্যতিক্রমী বললাম একাধিক কারণে। প্রথমদিকে পড়তে গিয়ে বুঝতেই পারছিলাম না মুখ্য চরিত্র কোনটি। গোয়েন্দাকাহিনীর প্রধান চরিত্র গোয়েন্দাই হবেন জানাই কথা, কিন্তু এ উপন্যাসে সেই গোয়েন্দার আবির্ভাব একটু দেরীতেই আর বেশ অনাড়ম্বরভাবে। কাহিনীর গতিপ্রকৃতি ধরতে ধৈর্য ধরে বেশ খানিকটা এগোতে হয়। তবে গান, ছবি, ছুরি নিয়ে নানান তথ্যবহুল আলোচনায় এই অংশটা পড়তে ভালোই লাগে৷ বেশ কিছু ইন্টারেস্টিং চরিত্রের সমাবেশও লক্ষনীয়।
তবে ডিটেকটিভ উপন্যাস হিসেবে কাহিনীর ডিটেকশনের ভাগ আমার বড়ই দুর্বল লাগলো। উপন্যাস শেষ হওয়ার দু'পাতা আগে অবধি যেখানে খুনীর আইডেন্টিটি নিয়ে ধোঁয়াশা ছিলো সেখানে শেষের দু'পাতায় সব সমাধান হয়ে যাওয়াটা ঠিক মনঃ পুত হলো না।
একটা ডিটেকটিভ উপন্যাস নিয়ে এর বেশি লেখা আমার মনে হয় একদমই উচিৎ নয়, তাই লেখকের কথাই তুলে দিলাম, "গোয়েন্দা গল্প পড়তে গিয়ে বুঝেছি, সত্যিকারের গোয়েন্দা গল্প আসলে বুদ্ধি আর জীবনবোধের মিশ্রণ। শুধু অপরাধ আর অপরাধী নয়, জীবনের গভীর সত্য, অনুভূতি আর জটিলতাকে সে স্পর্শ। সেখানে লোভ, প্রতিহিংসা যেমন থাকে, তেমন ভালোবাসা, বিরহের অসহায়তাও থাকে। ভালো গোয়েন্দা কাহিনী যখন অস্ত্রের থেকেও বেশি মন নিয়ে ব্যস্ত থাকে তখনই সে সাহিত্য হয়ে উঠতে পারে।" তাই এই কাহিনী একদিকে যেমন খুনীকে ধরার, তেমনই সাথে সাথে প্রেমের, ঈর্ষার, ক্রোধের, বন্ধুত্বের, সম্পর্কেরও।