শাফায়েত। জেনেটিক্সের ছাত্র। ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হয়েছে কিছুদিন আগে। এমন সময় তার সামনে এলো অনাকাঙ্ক্ষিত এক সুযোগ। কিন্তু সে কি ধারণা করেছিলো সুযোগটার সাথে জড়িয়ে থাকবে তার জীবনের ভয়াবহ এক অধ্যায়?
ড. নাওয়াজ রহমান। বিশ্বখ্যাত জীববিজ্ঞানী। খ্যাতি আর প্রতিপত্তির নেশায় প্রতিনিয়ত কি তিনি করে চলছেন ভয়াবহ কিছু? তার মতো একজন সম্মানীত বিজ্ঞানী শয়তানের উপাসনা করছেন কিসের আশায়?
মোহাম্মদপুরের এক কবরস্থানের কাছ থেকে অপহৃত হলো এক পথশিশু। কিন্তু কেন? কিই বা পরিণতি তার?
গভীর রাতে গোরস্থানে সদ্যমৃত কুমারী কিশোরির লাশ তুলতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়লো ‘খুচরা আফসার’। পুলিশ তার কাছে যা শুনলো, তা শুনে যারপরণাই বিস্মিত। কি করবে তারা এখন?
সাবের বুকের ভেতরে বয়ে বেড়ায় বিষণ্ণতার সমুদ্র। এই বিষণ্ণতা কি তাকে তাড়িত করছে অনাকাঙ্ক্ষিত কোন পরিস্থিতির দিকে?
ঘটনাক্রমে শাফায়েত পড়ে যায় জীবন-মরণ সংকটে। কি করে এ যাত্রায় পরিত্রাণ মিলবে ওর?
প্রজাপতি বসে আছে মাত্রায়-এর পর তানজিরুল ইসলাম এবার হাজির হয়েছেন টানটান উত্তেজনায় ভরপুর এক সায়েন্স-ফ্যান্টাসি উপন্যাসিকা নিয়ে।
তানজিরুল ইসলামের জন্ম লালমনিরহাটে। এসএসসি রংপুর জিলা স্কুল থেকে আর এইচএসসি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, রংপুরে। স্নাতক শেষ করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগ থেকে। বর্তমানে স্বনামধন্য একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। শৈশব থেকেই লেখালেখির প্রতি আগ্রহ। সায়েন্স ফিকশন, ফ্যান্টাসি ও থৃলার সাহিত্যের প্রতি রয়েছে তার প্রবল ঝোঁক। ‘অনুভূতিহীন’ নামক তার একটি সাইয়েন্স ফিকশন গল্প প্রথম প্রকাশিত হয় কলেজ-ম্যাগাজিনে। এরপরে লিখেছেন বেশ কয়েকটি পাঠক-প্রিয় গল্প ও উপন্যাস, যা তাকে অন্যতম সম্ভাবনাময় লেখক হিসেবে চিহ্নিত করেছে। মার্কিন থৃলার লেখক হারলান কোবেনের ‘টেল নো ওয়ান’ তার প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ। ‘প্রজাপতি বসে আছে মাত্রায়’ তার প্রথম মৌলিক সায়েন্স ফিকশন উপন্যাস।
ছোটখাটো ছিমছাম একটা বই । প্রচ্ছদসহ বাইন্ডিই নজরকাড়া । দামেও কম। তাছাড়া তানজিরুল ইসলামের লেখার মান ও যথেষ্ট ভালো। বইটা কেনার জন্য আর কোন কারণের প্রয়োজন আমার ছিল না।
তবে গল্পটা খুবই সাধারণ। প্লট এবং টুইস্ট সহজেই প্রেডিক্টেবল। এই প্লটের বেশ কিছু গল্প ইতোমধ্যেই পড়েছি। লেখক নিজেই ভূমিকাতে বলেছেন এটা তার প্রথম লেখা। তাই ঠিক ঐ ফিলটা পাবেন না যেটা তার অন্যান্য লেখাগুলো পড়ে পাবেন।
তাই আমি বলব, এটা পড়ে লেখককে জাজ না করতে। জাস্ট সময় কাটানোর জন্য পড়ে দেখতে পারেন। ঘন্টাদেড়েক সময় লাগবে। খুব বেশি খারাপ লাগবে না।
লেখকের প্রথম লেখার জন্য একটা তাঁরা বাড়িয়ে দিলাম।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম করা শিক্ষক উচ্চ বেতনে সহকারী হিসেবে নিয়োগ দিলো তার সাবেক ছাত্রকে। বেশ কয়েকদিন পর ছাত্র টের পেল ল্যাবরেটরির মধ্যে অদ্ভুত একটা বন্ধ দরজা। কি চলে দরজার ওপাশে?
বিশেষ লক্ষ্যে শয়তান লুসিফারের উপাসনায় মেতে উঠেছে একদল উন্মাদ। কি লক্ষ্য তাদের? কারা এই উন্মাদ?
মানুষের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও হিংস্র জানোয়ারের দেহ সমন্বয়ে গঠিত অদ্ভুত প্রাণীগুলোর অস্তিত্ব টের পাওয়া যাচ্ছে। কিভাবে আর কি উদ্দেশ্যেই বা সৃষ্টি করা হয়েছে এগুলোকে? এসবের উত্তর রয়েছে তানজিরুল ইসলামের ফ্যান্টাসি সায়েন্স ফিকশন নভেলা অমানব-এ
সায়েন্স ফিকশন লেখক তানজিরুল ইসলামের দ্বিতীয় মৌলিক রচনা অমানব। আকারে ছোটখাট কিন্তু বেশ কার্যকরী একটা নভেলা অমানব। এতটুকু বইয়ের মধ্যে সায়েন্স ফিকশন, থ্রিলার ও সামান্য ফ্যান্টাসি আর কাল্ট-এর সুন্দর সমন্বয় ঘটিয়েছেন লেখক। কল্পনায় সৃষ্টি করেছেন অদ্ভুত কিন্তু ভয়ানক কিছু প্রাণী। যারা এই নভেলার মূল প্রতিপাদ্য। ছোট হলেও বেশ থ্রিলিং নভেলা অমানব। খুবই সামান্য শয়তান পূজারীদের গুপ্তসঙ্ঘের বর্ণনা দেয়া হয়েছে, সেটাও ইফেক্টিভ। হালকা একটা টুইস্ট রেখেছেন শেষে লেখক। শেষে দারুণভাবে মিলিয়ে কাহিনীর সমাপ্তি টানা হয়েছে। কোনো মিথলজিক্যাল এলিমেন্টস ছিল না, তবে বিজ্ঞাননির্ভর বিষয়বস্তুর উপস্থিতি ছিল। যেটা নভেলাটাকে সায়েন্স ফ্যান্টাসি থ্রিলারে পরিণত করেছে। রহস্য বা হরর এলিমেন্টসও খুব একটা বেশি ছিল না। তবে মূলত ফ্যান্টাসি হলেও ক্রাইম থ্রিলারের একটা স্বাদ পাওয়া গেছে। ছোট বই, বেশ কুইক রিড দেয়া যায়। এক বসাতেই শেষ করার মত, সেইসাথে উপভোগ্য। লেখকের লেখনী অসাধারণ। গল্প বলার ধরণ ভালো লেগেছে। ভিলেন মোটামোটি ছিল। মনে হয়েছে ভিলেনের ক্যারেক্টার চাইলেই আরও ডেভেলপ করা যেত। তবে নভেলা হিসেবে ঠিক আছে। কম সময়ে সায়েন্স, ফ্যান্টাসি, গুপ্তসঙ্ঘ ও থ্রিল পেতে চাইলে পড়তে পারেন অমানব।
অমানব তানজিরুল ইসলাম বাতিঘর প্রকাশনী পৃষ্টা: ৮০ প্রচ্ছদ: ডিলান
রাতে এক বসায় ই শেষ করেছি। খুব ছোট ক্যালিবরের বই, পড়তে ১ ঘন্টার বেশি লাগার কথা নয়। এত ছোট বইয়ে খুব বেশি এক্সপেক্ট করা বোকামি, তবে সবমিলিয়ে খারাপ লাগে নি৷ থ্রিলটা শুরু হতেই একটু পরে গল্প ফুরিয়ে যায়। নভেলা হিসেবে ঠিক আছে। তবে গল্পের ছোটখাটো টুইস্টগুলো এবং সমাপ্তি সহজেই অনুমেয়।
বইয়ের বেশিরভাগ অংশ উত্তম পুরুষে বর্ণিত৷ কথক বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেধাবী এক ছাত্র। তবে কথকের নাম প্রকাশ করা হয় নি। কথকের মাঝে ছেলেমানুষীর পরিমাণ অনেক বেশি মনে হয়েছে।
যদি আপনার সামনে হঠাৎ করে একটা অবয়ব হাজির হয় যেটা চার পায়ে হাঁটছে। পুরো দেহ কালো কালো লোমে ঢাকা। কোমর থেকে নিচ পর্যন্ত একটা কুকুরের মতো। আর ওপরটা...এমন কিছু জীবনেও চোখে পড়েনি কারো! ওপরটায় দুটো মানুষের দেহ!
তাহলে কেমন লাগতো আপনার???
এইখানেই শেষ না! এটা মাত্র শুরু এই কাহিনির। চমক এখনো বাকি!
কবরস্থানের কাছ থেকে অপহৃ হলো তেরো বছর বয়সের এক পথ শিশু। আবার কবরস্থান হতে এক কুমারী মেয়ের লাশ চুরির সময় পুলিশের হাতে ধরা পড়লো এক চোর।
বিশ্বনন্দিত বিজ্ঞানী ড. নাওয়াজ রহমানের ল্যাব সহকারী হিসেবে চাকরী নেয় তারই ছাত্র শাফায়েত। তারপরে ঘটতে থাকে অদ্ভুত সব ঘটনা যা কেউ দুঃস্বপ্নেও ভাবেনি শাফায়েত কোন দিন।
দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে চলে কাহিনি। সাধারনত কোনো বইয়ের পৃষ্ঠা বেশি হলে মনে হয় শেষ হয় না কেনো!!! এই বই শেষ হওয়ার পরে মনে হলো “আহা! শেষ হয়ে গেলো এত দ্রুত”
থ্রিলার এবং কল্পবিজ্ঞানের আলোকে লেখা দারুন একটা বই।
বেশ ছোট হয়ে গেছে। পড়তে ভালোই লাগছিলো তবে এটা উপন্যাসিকা না হয়ে উপন্যাস হলে মনে হয় আরো ভালো লাগতো। আর প্রচ্ছদটা যে ভাইব দিচ্ছিলো বই মোটেও সেরকম নয়। আর লেখক যেখানে ইতি টেনেছেন আমার মনে হচ্ছে সেখান থেকে লেখক চাইলে একটা সিক্যুয়েল আনতে পারেন। ফাইনালি মাস্ট রিড বলবো না তবে হাতে খানিকটা সময় থাকলে পড়তে পারেন।
তানজিরুল ইসলামের উপন্যাসিকা “অমানব”, একটি সায়েন্স-ফ্যান্টাসি উপন্যাস। সেজন্য এখানকার বৈজ্ঞানিক অংশের সাথে কাল্পনিক অংশগুলোর যেমন ভারসাম্য থাকা প্রয়োজন, তেমনই আছে। এটি একটি সার্থক সায়েন্স ফ্যান্টাসি উপন্যাস। একজন বিজ্ঞানী মানুষ ও অন্যান্য প্রাণী নিয়ে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। তার এক ছাত্রকে নিয়ে নেন গবেষণা সহকারী হিসেবে। ছাত্রটি আবিষ্কার করে এই বিজ্ঞানী কতটা বীভৎস, অনৈতিক সব এক্সপেরিমেন্ট করে যাচ্ছেন! এরপর কি হবে সেটাই হলো প্রশ্ন। ছাত্রটি কি সব মেনে নিয়ে কাজ করে যাবে? নাকি প্রতিবাদ করবে? থামাবে বিজ্ঞানীকে? বিজ্ঞানীর এই সব এক্সপেরিমেন্টের ফলে ভয়াবহ একটা কিছু হতে যাচ্ছে শহরে, সেটা কী? গল্পের প্লট বেশ সাধারণ। যতটুকু বলেছি এতটুকু এক্সপেকটেশন নিয়ে পড়লেই ভাল লাগবে। শেষে গিয়ে মাথা ঘুরিয়ে দেওয়া টুইস্ট কিংবা একদমই অপ্রত্যাশিত কিছু পাওয়া যাবে না। জটিল কোন প্লটের বুনন এখানে নেই। এই ধরনের গল্প যে লেখকই প্রথম বলছেন তা নয়। হিউম্যান সেন্টিপেড নামক ডাচ হরর সিনেমাতেও এই ধরনের এক্সপেরিমেন্ট করতে দেখা যায়। মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীকে এক করে তৈরি করা অর্ধমানবের গল্প নিয়ে সায়েন্স ফিকশনের একটা আলাদা সাব জনরাই বোধহয় করা যায়। খুব দূরে যাবারও প্রয়োজন নেই, অনেক পুরনো ও বিখ্যাত সায়েন্স ফিকশন, মেরি শেলির ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন গল্পটাও কিন্তু এই রকম। “অমানব” বইটাতে নতুনত্ব খুঁজতে গেলে কেউ খুব একটা আশাবাদী হবে, এমনটা দাবী করতে পারছি না। কিন্তু তাই বলে কিন্তু বইটি ফেলে দেবার মতো নয়। বেশ ভাল একটি বই। যেটা ভাল লেগেছে সবচেয়ে বেশি, তা হলো অমানবদের বর্ণনা ও কার্যকলাপ। গা শিউরে উঠবে কোথাও কোথাও। ভয়ের অনুভূতি নাকি মানুষের আদিমতম অনুভূতি। বিজ্ঞান ও ফ্যান্টাসির সাথে হররের মিশেল যে কোন পাঠকের ভাল লাগবে। যে বিষয়টির ঘাটতি অনুভব করেছি, তা হলো সাবলীল লেখনী। সহজাত লেখনী বলে একটা ব্যাপার আছে। লেখা পড়ে মনে হবে লেখক খুব সাবলীল ভাবে গল্পটি বলছেন। গল্পটি লেখকের সত্ত্বা থেকে উঠে এসেছে। লেখক নয়, এমন মানুষ যদি লিখতে বসে, তখন তার লেখায় একটা প্রয়াসের ছাপ থাকে; সে যেন সচেতন ভাবে লিখে যাচ্ছে! আমি যদি খুব ভুল না হই, আমার নিজের অভিজ্ঞতা বলে- লেখকরা সচেতনভাবে লেখেন না। লেখা শুরুর করার পর লেখায় ডুবে যান। এরপর পাতার পর পাতা কিভাবে বেরিয়ে যায় কলম/কিবোর্ড দিয়ে কে জানে! লেখক ঢুকে যান গল্পে। তিনি তার কাল্পনিক ঘটনা ও প্রেক্ষাপটে ডুবে যান। হারিয়ে যান নিজের কল্পনায় ঘটা ঘটনাপ্রবাহতে। তানজিরুল ইসলামের লেখায় এ বিষয়টা মিস করেছি। অনুবাদ করার সময় লেখকরা যেমন সচেতন ভাবে অনুবাদ করেন, অনুবাদের সাবলীলতা সত্ত্বেও সেই সচেতনতার ছাপ চোখে পড়ে, তেমন একটা ছাপ পেয়েছি আমি লেখায়। হয়তো লেখক লিখতে লিখতে, আরও বেশি বাংলা বই পড়তে পড়তে, সামনে আরও ভাল করবেন। এমনও হতে পারে এটি আমার নিতান্ত ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ। লেখকের মাথায় দারুণ সব প্লট আছে আমি নিশ্চিত। তিনি বিজ্ঞান জানেন। কল্পনাশক্তিও খারাপ না তার। লেখার ধৈর্য ও আত্মবিশ্বাস আছে। তিনি লিখে যাবেন এবং ভালো করবেন। আমি আশাবাদী। বইটি ছোট পরিসরের নভেলা। তাই খুব বেশি ভালোলাগা বা মন্দ লাগা তৈরি করতে পারেনি। আমি এটার আলাদা আলাদা অংশে রেটিং দেই- থ্রিলার অংশঃ ৩/৫ হরর অংশঃ ৪/৫ সায়েন্স অংশঃ ৩/৫ ফ্যান্টাসি অংশঃ ৩.৫/৫ বর্ণনাভঙ্গীঃ ২.৫/৫ সুতরাং এভারেজ রেটিং- ৩.২
লেখক শুরুতেই ফুল মেটাল এলক্যামিস্ট মাংগার প্রভাবের কথা স্বীকার করেছেন তার বই এর ভূমিকায়। বই এর পুরো কাহিনীই বলা যায় ফুল মেটাল এলক্যামিসেটের একটা চরিত্র 'নিনা ট্রাকার" এর সাথে ঘটা কাহিনীর মূল থিমকে ফলো করেছে। খুবই ছোট একটা বই আর ফন্ট বড় করে স্পেসিং বাড়ানোর জন্য একটু বড় লেগেছে আর কি। কাহিনী অনেকটা এক লাইনে এগিয়েছে এবং প্রচুর লুজ এন্ড ছিল কাহিনীর শেষে যেগুলো ধরে এগোলেও কাহিনী হয়ত কিছুটা বড় হত এবং কেউ মাইন্ড করত না।
কিছুদিন বিরতির পর নতুন বই।সাবলীল নিজস্ব ঢংয়ে লেখা,সুখপাঠ্য। একটানা পড়ে শেষ করে ফেললাম (কৃতিত্বটা লেখকের)। থ্রিলের পরিমানটা আমার জন্য এক্টু কম হয়ে গেছে 🤗।
খুব একটা ভালো লাগেনি আসলে। পরিচিত গল্প। লেখক নিজেই বলেছেন এক্সপেরিমেন্টাল লেখা। যদিও খুবই ফাস্ট বই। পড়তে এক ফোটাও সময় লাগেনি। সহজ লেখার জন্য ২.৫ স্টার!