The Veeshvaidya, while investigating a strange box at Peshwar, is Kidnapped by Pakhtoon tribes people. The kidnapping bid turns into a nail biting adventure into a hidden Indus city still existing in the North Western boundary of the Subcontinent and also reveals a dreadful secret of alien origin of the Indus Valley civilization.
আনন্দমেলায় ধারাবাহিক প্রকাশের সময়ই এই উপন্যাসটা একেবারে গোগ্রাসে গিলেছিলাম। পরে বই আকারে প্রকাশিত হওয়ামাত্র বইটা কিনে ও পড়ে ফেলতে একটুও সময় লাগেনি। কী নিয়ে লেখা হয়েছে এ-বইটা? বিষবৈদ্য'র এই রুদ্ধশ্বাস অ্যাডভেঞ্চারে মিশে গেছে ইতিহাস, কিংবদন্তি, কল্পবিজ্ঞান, ভূগোল আর অ্যাডভেঞ্চারের একেবারে পার্ফেক্ট মিশেল। এ-গল্পের শুরু নিতান্তই ঘনাদার কোনো গুল্পের মতো করে। কিন্তু সিন্ধু সভ্যতার লিপির পাঠোদ্ধারের প্রসঙ্গ থেকে কথাটা ক্রমেই পিছিয়ে গেল— প্রথমে বিংশ শতাব্দীর তিনের দশকের কলকাতা হয়ে পেশোয়ারে, তারপর আরও কয়েক হাজার বছর পেছনে, তারপর আবার সামনে... আর এই করতে-করতে কখন যেন এই উপন্যাস হয়ে দাঁড়াল আমাদের নতুন মিথ-ভাবনার এক ভিত্তিভূমি। আজও আমরা ইতিহাস আর পুরাণকে মিশিয়ে প্রোজেক্ট করে চলেছি অতীতে নানা সম্ভাবনার বিচার করতে। আর হ্যাঁ, সিন্ধুলিপি কিন্তু আজও রহস্যই রয়ে গেছে! তাই লেখক যা দাবি করেছেন তাকে নস্যাৎ করেও কিন্তু দেওয়া যাচ্ছে না। ইতিমধ্যে, বইটা যদি এখনও না পড়ে থাকেন, তাহলে অবিলম্বে পড়ুন।
বিষ বৈদ্য সিরিজের আরও একটি রোমাঞ্চকর বই সেরে ফেললাম। এর আগে পড়েছিলাম "তক্ষক।" 🐍🐍
যাই হোক আসি রিভিউতে। Sci-fi based অভিযান মূলক একটি গল্প দোর্দোবুরুর বাক্স। এক ভিনগ্রহীর বানানো একটি puzzle box যা আসলে তার কাছে পৌঁছানোর এক নক্সা। সেই নক্সা বুঝে অভিযান শেষ করা। পদে পদে বাধা, ভয়ঙ্কর সব বিপদ আর মগজাস্ত্র ব্যবহার করে সব সমস্যার সমাধান। গল্প এত তাড়াতাড়ি জমে যাবে আর আপনি তাতে আটকে পড়বেন যে "ধরতে পারবেন না।" 😂😂
✅বইটি শেষ করতে একদিনের বেশি লাগার কথা না। খুব সাবলীল ভাষা, প্রথম থেকে শেষ অব্দি গল্পের সব কিছু খুঁটিয়ে পড়ে মনে রাখতে হবে তবেই উপভোগ করা যাবে গোটা অ্যাডভেঞ্চারটাকে। বক্তা দুবার কিডন্যাপ হন কিন্তু তিনি বিষবৈদ্য, তাই সবাইকেই বশ করে ফেলেন আর তাদের সবার দলনেতা হয়ে যান।
❎খারাপ যেটা লেগেছে সেটা হল গল্পে অ্যাকশন একদম শেষের দুপাতায় বাকি গোটাটাই অভিযান আর অভিযান।😔😔
সব মিলিয়ে বলব যদি এই মহামারীর দুর্দিনে ঘরে বসেই হারিয়ে যেতে চান বিষবৈদ্য অভিযানের এক কাল্পনিক দুনিয়ায় তাহলে এই বইটি মিস করবেন না। ✈️✈️
লেখকের লেখা মূলত কিশোরদের জন্য হলেও পড়তে বেশ ভালোই লাগে । এই বইটির ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা একই । বইটির কলেবর খুব ছিমছাম, ফলে শুরু থেকেই লেখক আপনাকে নিয়ে ফেলবেন গল্পের একেবারে মাঝে... কোনো সময় নষ্ট নেই । তারপর গল্পের টানেই আপনি পৌঁছে যাবেন একেবারে শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত ।
এই বইটি আদতে একটি ‘Sci-fi’ কাহিনী, তবে একটু বেশী অভিযান-মূলক । গোটা বই জুড়েই অভিযান চলেছে, মাঝেমধ্যে একটু-আধটু থ্রিল আছে... তবে খুবই অল্প ।
ছোট্ট বই, একদিনেই পড়া হয়ে যাবে । একবার পড়ে দেখতেই পারেন ।
উত্তর ওয়াজিরিস্তান ছাড়িয়ে হিরিদায়ি পাহাড়শ্রেনী,সেই পাহাড়ের ভিতরে কোনো একটা জায়গায় আছে কালকঞ্জদের চিকাজাই শহর।সেই গোলকধাঁধার মধ্যে কারও সাধ্য নেই তাকে খুঁজে বের করে।শুধু কালকঞ্জরাই সেই পাহাড়ের পথ চেনে।এই কালকঞ্জদের হাতে এক মারণ অস্ত্র ছিল - বিষের ধোঁয়া,যা চামড়া দিয়ে ঢুকে মানুষ মেরে দেয়।এবার আসি বাক্সের প্রসঙ্গে ।দোর্দোবুরুর বাক্স, আকাশের অপদেবতা হল দোর্দোবুরু।কি সেই বাক্সের রহস্য ?
শেষটা খারাপ লাগেনি তবে গুহাপথের দিকে যাত্রার বিবরণ আমার ভালো লাগেনি,যেনো কোনো রোমাঞ্চ নাই। এর আগে পংখিলালের গুহা পড়েছিলাম বেশ ভালো লেগেছিলো, তাই এই বিষবৈদ্য সিরিজের প্রথম পার্টটা পড়তে শুরু করেছিলাম।
খারাপ না, তবু আমরা যাদের ছেলেবেলা কেটেছে ঘনাদা পড়ে সবসময়ই ঘনাদার সঙ্গে তুলনা করতে ইচ্ছে করছে,যেখানে প্রেমেন্দ্র মিত্রের একচ্ছত্রাধিপত্য। তাও কিশোর কাহিনী হিসেবে বিচার করলে মন্দ নয়, বরং ভালোই লেগেছে।
ঘনাদা, টেনিদা, ফেলুদা, শঙ্কু, কাকাবাবু, কর্নেল, অর্জুন, ........এইসব চরিত্রগুলো জুড়ে রয়েছে আমার কিশোরবেলা। তারপরে বেশ কিছু বছর চলে গেছে জীবন থেকে , এইসব "প্রাণাধিক" প্রিয় চরিত্রদের নমস্য স্রষ্টারাও অনেকেই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন, কেউ বা আর বিশেষ মন দিয়ে লেখালিখি করতে চান না, হয়তো.... নাকি করেন........আমিই খোঁজ রাখিনা....হতে পারে !
এই লকডাউন এর মরশুমে হঠাৎ ইচ্ছা করলো... দেখিতো এখনকার লেখালিখি কেমনতর !! আর তাই বহু ঘেটেঘুটে, আর কিছু খোঁজখবর নিয়ে জোগাড় করলাম প্রায় কুড়ি পঁচিশ খানা বই. তার মধ্যে এটি একটি।
কলকাতার বাসিন্দা এক বাঙালি প্রৌঢ়, যে কিনা আয়ুর্বেদ, জ্যোতির্বিজ্ঞান ও আরো নানান বিষয়ের সম্বন্ধে খোঁজখবর রাখা মানুষ, সেইই এই কাহিনীর যাকে বলে Protagonist. এনার স্মৃতি থেকে তুলে আনা এক এডভেঞ্চার যার পটভূমি হলো সুদূর পেশোয়ার, তাই বলা হয়েছে বেশ জমাটি আড্ডার ছলে। কাহিনী ক্রমশ মোড় নিতে নিতে রহস্য মিশেছে ইতিহাস এর সাথে, সঙ্গে যোগ হয়েছে লাগসই কল্পবিজ্ঞান। শ্রদ্ধেয় লেখকের পড়াশোনা যথেষ্ট এবং ভাষা কখনোই দুর্বোধ্য হয়ে পড়েনি বিষয়বস্তুর চাপে। রহস্যের সমাধানও হয়েছে যথাসম্ভব যুক্তিযুক্তভাবে।
যদিও কাহিনীর নায়কের পরিচয় বা character build-up এর দরকার ছিল আরও একটু। আশা করি এই series এর পরের বইগুলোতে তার সাধ মিটবে।
তিন তারা দিলাম ঠিকই, কিন্তু খুব ইচ্ছে রইলো বাকি বইগুলো পড়ে আরও বেশি তারকাখচিত করবার এই "বিষবৈদ্য" কে !
বিষ বৈদ্য সিরিজের প্রথম বইটা এতদিনে পড়া গেল। এর অন্য বই দুটি অবশ্য আগেই গলদ্ধকরণ করা হয়ে গেছে। যেমন বলেছি আগেই। ঘনাদার স্টাইলটাকে নিয়ে বৈঠকি মেজাজে লেখা হয়েছে এটাও। তবে শেষটা বোধয় আর একটু জমতো। কিছু প্রশ্নও থেকেই যায় শেষ পর্যন্ত। তবে সব মিলিয়ে বেশ সুন্দর উপস্থাপনা। চতুর্থ বই এর অপেক্ষায় রইলাম।