ছোট্ট এক মফস্বল শহর নিশ্চিন্তপুর। যে শহরে অপরাধ হয় না বললেই চলে। কিন্তু হলো একদিন। চুরি হলো এক প্রাক্তন ওয়ার্ড কাউন্সিলরের শখের সাইকেল। ব্যস, শহরে মুখরোচক গল্পে পরিণত হলো ঘটনাটা! ভাবছেন, একটা সামান্য সাইকেল চুরির ঘটনায় এত মাতামাতি করার কি আছে? একই কথা ভেবেছিল নিশ্চিন্তপুরের সাহিত্যমনা একদল তরুণ-তরুণী। তারা বুঝল, মানুষ সত্যিকার বিনোদন পায় অপরাধের গল্প শুনে। কোথাও অপরাধ হলে মানুষ যতই মুখে মুখে ‘হায় হায়’ করুক না কেন, তাদের মনের একটা অংশ আনন্দ পায়। এই বিষয়টা উপলব্ধি করে তারা একটি বিনোদনমূলক পত্রিকা বের করল। নাম দিল ‘গল্প হলেও সত্যি’। কাল্পনিক কিন্তু গায়ে কাঁটা দেওয়া সব অপরাধের গল্প ছাপা হলো সেখানে। অপরাধ-বিহীন শহরে এমন একটি পত্রিকা বিক্রি হতে লাগল হট কেকের মতো। এরপর হঠাৎ কী এমন হলো, কোপেনহেগেন থেকে খ্যাতিমান বাঙালি সাইকোলজিস্ট জিব্রান আহমেদ ছুটে এলো নিশ্চিন্তপুরে? কী এমন ঘটল যে নিশ্চিন্তপুর থানার ওসি রুদ্র তালুকদার তার শান্ত শিষ্ট স্বভাব ছেড়ে রুদ্রমূর্তি ধারণ করল? একটা বিনোদনমূলক পত্রিকা কি করে নিশ্চিন্তপুরকে বদলে দিল চিরদিনের জন্যে? ছোট এই মফস্বলে ধীরে ধীরে উন্মোচিত হতে লাগল অকল্পনীয়, অচিন্তনীয় সব রহস্য! মোহাইমিনুল ইসলাম বাপ্পীর প্রথম উপন্যাস এটি। কিন্তু বেশ পরিপক্ক এবং সুখপাঠ্য। গল্পটি পাঠককে রোমাঞ্চিত করবে।
Mohammad Mohaiminul Islam, known as Mohaiminul Islam Bappy is a Bangladeshi thriller and SciFi writer. Born in Barisal. Grew up in Chittagong. Currently Living in Dhaka. He completed B. Sc. (Hon's) and M. Sc. (Thesis) from the University of Chittagong. His first novel "Je Shohore Golpo Lekha Baron" (The Town is Forbidden for Storytellers) was published by the renowned Bangladeshi publisher- Batighar Prokashoni in 2020.
কিছু বই আছে শুধু লেখার টানেই পড়ে ফেলা যায়, উপস্থাপনও বড় একটা বিষয়। সাধারণ প্লটের একটা গল্প কেবলমাত্র উপস্থাপন এবং লেখনীর কারণেই হয়ে ওঠে অনন্য। তবে যে শহরে গল্প লেখা বারণে সমাবেশ ঘটেছে তিনটি বৈশিষ্ট্যেরই। প্লট, লেখনী, উপস্থাপন- তিন দিক বিবেচনাতেই লেটার মার্ক পাবেন লেখক। চরিত্রায়ন এবং ডিটেইলিংয়ে আরেকটু সময় খরচ যেত বোধহয়। তবে যে কলেবরের উপন্যাস, তাতে চরিত্রায়নের সুযোগটাও কম। লেখকের প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস হলেও আমি নিশ্চিত, বেশ আগেই লেখালেখিতে হাতেখড়ি হয়েছে তার। পরিণতবোধের ছোঁয়া ছিল সবজায়গায়। যারা মেদহীন, ঝরঝরে, গতানুগতিকতার বাইরে একটা থ্রিলার পড়তে চান, তাদের জন্যে রিকমেন্ডেড থাকবে।
খুনের প্রধান মোটিভ সম্পর্কে এক্সপ্লেইন করতে গিয়ে মেটাফোর হিসেবে আগাথা ক্রিস্টির 'মার্ডার অন দ্য ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেস' এর খুনের মোটিভ স্পয়লার আকারে বলে দেয়া কতটুকু যৌক্তিক? আমি নাহলে ছোটোকালেই পড়সি, জনির মুভিটাও দেখেছি, লেখক কি মনে করেছেন সবার এই বই পড়া আছে? যদি এমন হয় কারো রিড লিস্টে ছিলো, সে পড়ে স্পয়লার খেয়ে গেলো তার দায় কার তা ভাবনার বিষয়।
এটা হতে পারতো একটা বৃহৎ কলেরবের উপন্যাস। এখন লেখক এয়ারপোর্ট নভেলার মতো শুভঙ্করের ফাকি দেখালে আমার আসলে কিছু বলার আর থাকে না। পুরো বই জুড়ে লেখক প্রমাণ দিয়েছেন তার ধারালো লেখনশৈলীর। যা ছিলো সুখপাঠ্য। কিন্তু এন্টাগোনিস্ট, প্রোটাগোনিস্ট ক্যারেক্টার গুলোর বিল্ডাপ এর অভাব অনুভব করেছি। রোলার কোস্টার রাইডের মতো হটাৎ একদিন ঘটনা শুরু হয়ে শেষ হয়ে গেলো। প্লট বিল্ডাপ তাও মোটামুটি থাকলে শুরুতে মফস্বল শহরটির যে মানুষগুলোকে ঘিড়ে উপন্যাস আবর্তিত, তাদের আরেকটু ব্যাকগ্রাউন্ড, বিল্ডাপ দরকার মনে হয়েছে। তবে এসবের জন্য সরাসরি দোষ দিবো না। আমার অভ্যেস ঢাউস সাইজ পড়ে। সব পাঠক ঢাউস সাইজ ও নিতে পারে না। আই গেট ইট। উল্লেখ করলাম এই কারনে, ফ্ল্যাপে উল্লিখিত শেষ লাইনের সাথে দ্বিমত পোষণ করছি। উপন্যাস টি যথেষ্ট সুখপাঠ্য হলেও পরিপক্ক্ব নয়। অপরিক্ক্ব। খুনের মোটিভ এ হাল্কা গোলমেলে। সুক্ষ্ম শুভঙ্করের ফাকি আছে উপস্থাপিত যুক্তিগুলোর মধ্যে। বার বার মনে হয়েছে খুব তাড়াহুরো করেছেন। গল্পের কাহিনী স্পীডি ছিলোনা। মনে হইসে কোনো তাড়াহুরো আছে অল্প কথায় বা ঘটনায় শেষ করতে পারলে ভালো - এরকম। সারাউন্ডিং ডিটেইলিং এও সমস্যা লেগেছে।
যা বলেছিলাম, ভালো দিক হলো লেখকের অমায়িক স্টোরিটেলিং পাওয়ার। সহল সাবলীল আরামদায়ক স্টোরিটেলিং। এক লাইন থেকে পরের লাইনে মনোযোগ ধরে রাখতে পারে। যেহেতু প্রথম উপন্যাস এমন টা অস্বাভাবিক নয়। লেখার মাঝে অনেক সম্ভাবনা দেখেছি। শুভ কামনা থাকলো পরবর্তী উপন্যাসের জন্য।
প্রথমেই স্বীকার করে নিচ্ছি, বইটা ৪তারার একটু বেশি ডিজার্ভ করে। যখন আমি রেটিং দিচ্ছি - গুডরিডসে বইটার এভারেজ রেটিং দেখাচ্ছে 4.29. যা বইটিকে পারফেক্টলি রিপ্রেজেন্ট করে বলে আমি মনে করি।
বইয়ের পিছনে ফ্ল্যাপের লেখা প্রথমেই আকর্ষণ করে। যে কারণেই নবীন লেখকের বইটি নেওয়া। "যে শহরে গল্প লেখা বারণ" - লেখকের প্রথম বই।
সিরিয়াল কিলিং এর উপর বেশ আকর্ষণীয় প্লটে ১৪৪পেজের বই। এক বসায় পড়ে শেষ করার মত।
বইয়ের বেস্ট পার্ট হলো শুরুতেই বিশাল ভূমিকা নেই। সরাসরি মূল গল্পে প্রবেশ। শেষ না করে, বই হাত থেকে নামিয়ে রাখার সুযোগ খুব বেশি পাবে না পাঠক।
আজকাল গল্পের প্লট বা আইডিয়া আমাকে খুব বেশি আকৃষ্ট করে। সেদিক থেকে বেশ ইউনিক এই বইটি।
লেখকের প্রথম বই, নতুনত্বের ছাপও বেশ ভালোভাবেই বোঝা যায়। লেখনী বা গল্প বলার কৌশল হয়ত লেখকের পরবর্তী বইগুলোতে আরো উন্নত হবে।
বাতিঘরের ২০২০সালে প্রকাশিত বইগুলোতে মুদ্রণ বিভ্রাটের পরিমানটা একটু বেশিই। এই বইয়েই বরং তুলনামূলক কম। একদিকে বইগুলোর কাগজের মান বেড়েছে, অন্যদিকে বাইন্ডিং কোয়ালিটি কমেছে।
অপরাধ নাকি বিনোদনের আরেকটা উৎস। অপরাধ নাকি জনগোষ্ঠীকে আলাদা উদ্দীপনা যোগায়। নিশ্চিন্তপুর এমন এক জায়গা যেখানে বলার মত কোনো অপরাধ নেই। শান্তি বিরাজ করে সবসময়। একদিন একটি সাইকেল চুরির প্রেক্ষাপটে সংস্কৃতিমনা সুমনের ইচ্ছে হল এমন একটা পত্রিকা বানানোর যেখানে বিভিন্ন অপরাধের কাল্পনিক গল্প থাকবে। লক্ষ্য এলাকাবাসীকে অপরাধের সংবাদের মাধ্যমে বিনোদন দেয়া। কিন্তু হায়! কোনো এক ফ্যানাটিক ঐ কাল্পনিক খবরগুলোর ওপর ভিত্তি করে একই উপায়ে নিশ্চিন্তপুর এ একের পর এক খুন করে বেড়াচ্ছে। কে এই খুনি? ওসি রুদ্র পারবে খুনিকে ধরতে?
যে শহরে গল্প লেখা বারণ মোহাইমিনুল ইসলাম বাপ্পীর প্রথম মৌলিক উপন্যাস। এর আগে বিভিন্ন সংকলন ও থ্রিলার জার্নালে উনার লেখা প্রকাশিত হয়েছে। সেই সূত্রে উনার লেখনীর সাথে আমি পূর্ব পরিচিত। যে শহরে গল্প বলা বারণ ভিন্নধর্মী একটা থ্রিলার। কনসেপ্টটাও দারুণ। কাল্পনিক অপরাধ প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিনোদন সৃষ্টি পরবর্তীতে সেখান থেকেই অপরাধীর অপরাধ ঘটানো। অপরদিকে উপন্যাসটা সিরিয়াল কিলিং নিয়েও। খুনী প্যাটার্ন মেনে একের পর এক খুন করে। খুনীকে বেশ বুদ্ধিদীপ্ত মনে হয়েছে। খুনের ধরনগুলোও আলাদা। লেখক সুন্দর বৈজ্ঞানিক উপায়ে মনস্তাত্বিক ব্যাপার স্যাপার আলাপ করেছেন। ভালো লেগেছে। শেষে টুইস্ট আছে। অপরাধ কিভাবে সংঘটিত হয়েছে সেটা ধরা পাঠকের পক্ষে সম্ভব না। আমিও ধরতে পারিনি। ব্যাপারটা চমকপ্রদ ছিল। তবে মেইন কালপ্রিট কে সেটা মাঝখানেই ধরে ফেলেছি। ওসি রুদ্রকে প্রধান চরিত্র হিসেবে খুব একটা ভালো লাগেনি আমার। খুনির হাতে নাকানিচুবানি খেলেও একটু বেশি বীরোচিত আর প্রেডিক্টেবল মনে হয়েছে। লেখকের লেখনী বা গল্প বলার ধরণ সুন্দর, সরল। তবে এই উপন্যাসে আমার মনে হয়েছে উনি একটু তাড়াহুড়ো করেছেন। এক্সপেক্টেশন আরেকটু বেশি ছিল। বেশ কয়েক জায়গায় বানান ভুল ও প্রিন্টিং মিসটেক রয়েছে। আশা করি পরবর্তী এডিশনে ঠিক করা হবে। লেখকের ভিন্নধারায় থ্রিলার লেখার প্রচেষ্টাকে বাহবা দিতে হবেই। কারণ কনসেপ্টটা আর দশটা থ্রিলারের থেকে কিছুটা আলাদা।
যে শহরে গল্প লেখা বারণ মোহাইমিনুল ইসলাম বাপ্পী বাতিঘর প্রকাশনী পৃষ্টা: ১৪১
পাক্কা কয়েক ঘন্টা বইটার ভেতর দুচোখ ডুবে ছিল। যদিও লেখক আগে বিভিন্ন জায়গায় লেখালেখি করেছেন তবু লেখকের প্রথম বই এটি, আর বোঝার একটুও জোঁ নেই এটা প্রথম বই। এত্ত দারুন একটা প্লট। সিরিয়াল কিলার আর রুদ্র এর মস্তিষ্কের লড়াই বেশ ভালো লেগেছিল। এ ধরনের কিছু পড়ার জন্য বেশ উৎসুক ছিলেম। আর এই দুটো চরিত্র কেন, প্রতিটা চরিত্রই একটি আর একটির উপর ভারী পড়ছিল, সের কে উপর সওয়াসের! প��রতিদ্বন্ধীর বুদ্ধির কথা না বললেই নয়। মূলত তাকেই দুর্দান্ত লেগেছে। মাথায় জট পাকিয়ে গেল এক্কেবারে! শেষের দিকে একটু তাড়াহুড়োই সমা���্তি লাগলো কিন্তু রিকমেন্ডেট!
কি বলে শুরু করা যায় তাই ভাবছি। বইটা পড়ার পর ঝিম ধরে বসে আছি। অনেকদিন পর এমন একটা বই পড়ে তৃপ্তিদায়ক এক অনুভূতি হচ্ছে। একটা খাঁটি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার পড়ে শেষ করলাম। ১৪৪ পৃষ্ঠার এই বইটি দারুণ উপভোগ্য ছিল। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি এটা লেখকের প্রথম বই। বইটা অত্যন্ত ভালো লেগেছে। আর কিছু বলার ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। লেখকের জন্য টুপিখোলা শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রইল <3
“It strikes me profoundly that the world is more often than not a bad and cruel place.” ― Bret Easton Ellis, American Psycho - যে শহরে গল্প লেখা বারণ - নিশ্চিন্তপুর, ছোট ছিমছাম শহর, ভয়াবহ কোন অপরাধ হয় না বলেই চলে এ শহরে। সেখানে হঠাৎ এক ছোট অপরাধ সংগঠিত হয়। সে ঘটনার জেড়ে শহরের কয়েকজন সাহিত্যমনা লোক "গল্প হলেও সত্যি" নামক এক কাল্পনিক পাক্ষিক অপরাধের ম্যাগাজিন বের করে। - কিন্তু সমস্যা শুরু হয় যখন সেই ম্যাগাজিনের কাল্পনিক ঘটনা গুলো বাস্তবে ঘটতে শুরু করে। ভয়াবহ এক সিরিয়াল কিলার পুরো শহরের রূপ পাল্টে দেয়। ঘাঘু পুলিশ অফিসার রুদ্র তালুকদার দলবল নিয়ে শুরু করে এ ঘটনার ইনভিস্টিগেশন। - কিন্তু কোন কিছু করেই আর এই অপরাধীর কুল - কিনারা পাওয়া যায় না। উল্টো দিন দিন বাড়তে থাকে তার অপরাধের পরিমান। উপায়ন্তর না দেখে রুদ্র তালুকদার তার বন্ধু বিখ্যাত সাইকোলজিস্ট ড. জিব্রান আহমেদকে ডেকে আনেন নিশ্চিন্তপুরে। - এখন ছোট্ট ছিমছাম শহর কিভাবে এরকম ভয়ের শহর হয়ে উঠলো? শহরে কে এরকম সিরিয়াল কিলিং ঘটাচ্ছে? জিব্রান আর রুদ্র কি পারবে এই সিরিয়াল কিলারকে থামাতে? তা জানতে হলে পড়তে হবে লেখক মোহাইমিনুল ইসলাম বাপ্পী এর "যে শহরে গল্প লেখা বারণ"। - "যে শহরে গল্প লেখা বারণ" গল্পের প্লট বেশ ইউনিক কনসেপ্টের বলা যায়, ঠিক এই ধরনের গল্প পড়তে আমার বেশ ভালো লাগে, তবে গল্পের শুরুটা বেশ ধীরগতির। রহস্য জাল বুনতে ৪০-৫০ পেইজ সময় নেয় এবং সে থেকে শেষ পেইজ পর্যন্ত তা বজায় থাকে। গল্পের মাঝ থেকে শেষের কয়েক পেইজ আগ পর্যন্ত একেবারেই দুর্দান্ত, কিন্তু একদম শেষের টুইস্ট টা খাপছাড়া লেগেছে। - লেখকের প্রথম লেখা হিসেবে "যে শহরে গল্প লেখা বারণ" এর লেখনী বেশ আকর্ষণীয় এবং টানটান। গল্পের চরিত্রগুলোর ভিতরে সবচেয়ে ভালো ফুটে উঠেছে ওসি রুদ্র তালুকদার চরিত্রটিকে।ড.জিব্রান আহমেদকে সেদিক থেকে ক্যামিও টাইপ ক্যারেক্টার মনে হয়েছে। বাকি চরিত্রগুলোও ভালো ছিল, তবে শেষ টুইস্টের জন্য কয়েকটি চরিত্রের ব্যপারে কিছু খটকা লেগে গেছে। গল্প বলার সময় চরিত্রগুলো বেশ কিছু সময় কথায় কথায় বেশ কিছু বাক্যে বাংলা ও ইংরেজি মিশিয়ে কথা বলছিল, যেটা বারবার পড়ে ভালো লাগেনি। ড.জিব্রান আহমেদ বিদেশ যাওয়া আসা করে বলে তার স্বভাবে এটা মানা যায়, কিন্তু অনেকগুলি চরিত্রে এই একই বৈশিষ্ট্য থাকলে জিনিষটা স্বকীয়তা হারায় বলে মনে হয়েছে। সামনে লেখক এ ব্যপারে আরো খেয়াল রাখবেন, এই আশা করি। - ওভারঅল, "যে শহরে গল্প লেখা বারণ" এর প্রডাকশন ইজ নট আপ টু দ্য মার্ক। বইতে বানান ভুল এবং প্রিন্টিং মিসটেকের ছড়াছড়ি, বইয়ের মেক আপও ভালো হয়নি। এক জায়গায় রুদ্র এবং জিব্রান ওলটপালট হয়ে গিয়েছিল। প্রচ্ছদও গতানুগতিক, আরো ভালো কিছু করা যেতে পারতো গল্পের কাহিনী অনুসারে। এদিকগুলোতে প্রকাশনীর আরো ভালোভাবে নজর দেয়া উচিত। - এক কথায়, প্রথম লেখা হিসেবে মোহাইমিনুল ইসলাম বাপ্পীর "যে শহরে গল্প লেখা বারণ" মোটাদাগে ভালোই। যাদের সিরিয়াল কিলিং এবং মার্ডার মিস্ট্রি নিয়ে গল্প পড়তে আগ্রহ আছে তারা বইটি পড়ে দেখতে পারেন। সামনে লেখকের কাছ থেকে আরো ভালোমানের গল্প আশা করছি।
পখুব ভালো একটা বই। নতুন লেখক হিসেবে গল্প বলার ধরন এবং লেখক শৈলী খুবই দুর্দান্ত, মনে হয়না লেখকের প্রথম বই। অনেক সাবলীল লেখা এবং পেজ টার্নার বলা যায়। সাইকোলজিক্যাল বিষয়গুলোও খুব ভালো লেগেছে। মফস্বল এর বর্ণনা সহ, গল্প বলার ধরন সব মিলিয়ে ছোট পরিসরে বেশ ভালো একটা বই। গল্পের প্লটটাও দুর্দান্ত। নামটাও বেশ ইন্টারেস্টিং।
এবার আসি ছোটখাটো কিছু বিষয়ে যেগুলো ব্যক্তিগতভাবে আমার ভালো লাগেনি। প্রথমত, মনে হয়েছে যে আসলে কালপ্রিট লেখক তাকে জোর করে সন্দেহের বাইরে রাখতে চেয়েছেন। মানে পাঠকদের থেকে জোর করে সন্দেহের বাইরে রাখতে চেয়েছেন। আমি কিছুদুর পড়েই বুঝে ফেলেছিলাম কে খুনি। ক্যারেক্টর ডেভেলপমেন্ট ভালো লাগেনি। যেসব চরিত্রকে স্ট্রং দেখানো উচিৎ সেগুলো যথেষ্ট দূর্বল লেগেছে আমার কাছে।
[কিঞ্চিৎ স্পয়লারঃ আমাদের দেশে মনে হয় কেউ যদি সন্দেহের আওতায় থাকে পুলিশ আগে তাকে ধরে থানায় নিয়ে আসে, এরপর অ্যালিবাই আছে কিনা চেক করে। কিন্তু গল্পতে খুনিকে পুলিশ গিয়ে বলে যে আপনার অ্যালিবাই আছে, থানায় আসতে হবেনা, আপনি সন্দেহের বাইরে এই টাইপের কথা আমার কাছে মনে হয়েছে জোর করে সন্দেহের বাইরে রাখা বুঝাতে করা হয়েছে। যেহেতু পত্রিকাটি যাদের ছিল, এবং অ্যালিবাই বলতে নিজেরা নিজেদের অ্যালিবাই দিয়েছে, শুধু তাদের মুখের কথায় বিশ্বাস না করে সবকিছু খতিয়ে দেখা উচিৎ ছিল কিন্তু তা না করে জানিয়ে দেয়া হয় তারা সন্দেহের তালিকায় নেই। এসব বিষয়গুলোর কারনে মনে হয়েছে লেখক জোর করে খুনিকে পাঠকদের সন্দেহের বাইরে রাখার জন্য এভাবে লিখেছেন যেন শেষে সবাই টুইস্ট পায় একটা। আর পুলিশ অফিসার রুদ্রকে গল্পে কয়েকবার বুদ্ধিমান বুঝানো হলেও কাজ কর্মে তার বিপরীতটা দেখানো হয়েছে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে নির্বোধ কিসিমের লেগেছে এবং এই চরিত্রটা অনেক বেশি দূর্বল লেগেছে। পুরো বইয়েই রুদ্রকে যেরকম বুঝানো হয়েছে বর্ণনার সময়, কাজে কর্মে ঠিক তার বিপরীত কিছুই প্রকাশ পেয়েছে। আমার কাছে মনে হয়েছে লেখক খুনিকে জোর করে পাঠকদের সন্দেহের বাইরে রাখার চেষ্টা করেছেন এই কারনেই বুঝে গিয়েছিলাম কে খুনি, জোর করে সন্দেহের বাইরে রাখার কারনে। আমাদের দেশে পুলিশ কখনো সন্দেহভাজনকে বলেনা আপনার অ্যালিবাই আছে, আপনি সন্দেহের বাইরে, থানায় যাওয়ার দরকার নাই। আমাদের দেশে সন্দেহভাজন হলেই আগে থানায় নিয়ে যায়।]
কুইন অব ক্রাইম খ্যাত আগাথা ক্রিস্টির বিখ্যাত উপন্যাস Murder on the oriented express এর স্পয়লার দেয়াটা আমার কাছে একদমই ভালো লাগেনি,অনেকেই আছেন যারা বইটি পড়েননি, তারা স্পয়লার খেয়ে যাবেন।😒
যাইহোক, সবমিলিয়ে বইটা মোটামুটি ভালো লেগেছে৷ লেখকের লেখার হাত দারুণ। কিছু কিছু জিনিস স্কিপ করলে ভালো একটা বই,লেখকের প্রথম বই হিসেবে আসলেই ভালো। আর সাইকোলজিক্যাল বিষয়গুলো আমার বেশ ভাল লেগেছে।আশা করি আরো অনেক ভালো ভালো লেখা পাব লেখকের থেকে।
খুব বেশি ভালো রিভিউয়ের বইগুলো ধরার পর না জমলে খুব বিরক্ত লাগে। শুরুটা ভালো, গল্পে ঢুকে গিয়েছিলাম। কিন্তু মাঝ পেরুবার পর সময়ের সাথে সাথে গল্প থেকে বের হয়ে যাচ্ছিলাম। আ���ফরচুনেটলি কাহিনি কি হতে যাচ্ছে সেটা অনুমান করেই বসে ছিলাম। এই ধরণের জনরায় এটা মোটেও বড় কোনো সমস্যা না, যে জিনিসটা দেখতে হয় সেটা হলো কিভাবে কি হচ্ছে। এই বইয়ের ফিনিশিং যেটা সেটা আমার কাছে মোটেও ভালো লাগেনি। থিমটা ভালোই, তবে কেন জানি গল্প থেকে ছিটকে গেছি।
দায়া, ইয়ে মামলা কাফি দিলচাপস হ্যায়! — পইড়ে মজা পাইসি ভাই৷ বইয়ের ভাষায় মানুষ অপরাধের গল্প শুনেই সত্যিকারের বিনোদন পায়৷ কথা সইত্য৷ আমি বইখান পড়ে বিনোদিত! ম্যালাদিন বাদ এমন পেজ টার্নার জিনিস পড়লাম৷ শুরুর থেইকা শেষ পাতার তিনটা ডট পর্যন্ত লেখক এই নগণ্য পাঠকের এটেনশান ধরে রাখতে কামিয়াব৷ প্রথম বই হিসাবে অত্যাইন্ত ভালো কাজ৷ তবে সংলাপ, চরিত্র আর ফিলোসফিকাল কথাবার্তায় (যদি সামনের বইয়ে ব্যবহার করেন আর কি) আরেকটু হাত পাকাইতে হবে৷ (বইটা কি ক্রাইম-থ্রিলার নাকি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার? — কনফিউজড উংগা পাংগা)
(মোটিভটা আরো স্ট্রং হতে পারত! তবে বইয়ের ভাষ্যর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ)
বইটার সাইজ ছোট হলেও এর মধ্যে লেখক বেশ ভালো থ্রিলার- সাসপেন্স মেটেরিয়াল দেখিয়েছেন।টুইস্ট এর কোনো কমতি ছিলো বড় এর শেষ এ বেশ বড়সড় একটা টুইস্ট আছে যা পাঠক কে সম্পূর্ন কাহিনী নিয়ে আবার চিন্তা করতে বাধ্য করবে । শুরুতে মনে হয়ে ছিল কোনো টিপিক্যাল সিরিয়াল কিলিং টাইপ থ্রিলার পড়ছি কিন্তু কাহিনী যত এগিয়েছে প্লট তত ইন্টারেস্টিং হয়েছে । আর খারাপ দিক বলতে বইয়ে কিলার কে পুলিশ এর তুলনায় অত্যধিক চালাক দেখানো হয়েছে.. পুলিশ একটু বেশি ই বোকা বোকা মনে হয়েছে । তাই সব মিলিয়ে ... 4 ⭐
"যে শহরে গল্প লেখা বারণ" এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে বইটার একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিরেট গল্প; একেবারে টানটান উত্তেজণাপূর্ণ, মাথায় ঘুরপাক খাওয়ার মতো একটা গল্প।
একটা মফস্বল শহরে বিনোদনের জন্য মেকি ক্রাইম নিউজ তৈরি হচ্ছে; সেই নিছক বিনোদনের উৎসকে অবলম্বন করেই শুরু হয় সত্যিকারের সিরিয়াল কিলিং। পেছন থেকে কলকাঠি নাড়তে থাকে এক বা একাধিক মাস্টারপ্ল্যানার। ছোট কলেবরে এমন একটা গল্প পাঠককে মোহাবিষ্ট করে ফেলতে বাধ্য।
তবে বাস্তবের সাথে সামঞ্জস্য খুঁজতে গেলে অতি নাটকীয় মনে হতে পারে। আবার সবক্ষেত্রে ফিকশনে বাস্তবতার সুতো মেলাতে যাওয়া বারণ। সাইকোলজিকাল থ্রিলার ধাচের এই ক্রাইম ফিকশন নি:সন্দেহে উপভোগ্য।
অসাধারণ শ্বাসরুদ্ধকর একটি বই। ভীষণ সুন্দর চোখ ধাঁধানো কালো মোড়কে মোড়া বইটা কেনার পর আর বেশিদিন অপেক্ষা করতে পারলাম না, পড়ে হালাল করে ফেলার জন্য। পড়তে পড়তে এত রহস্য, এত রহস্য যে, বিশেষ করে অধ্যায়-৭ থেকে প্রায় শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত মনে হলো যেনো এক শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থার মধ্যে ছিলাম। কোনো কোনো পর্যায়ে শিউরে উঠছিলাম বার বার। আশ্চর্য হলাম খুব, এক্সপেক্টেশন যেখানে শেষ, সেখান থেকেই যেনো আবার নতুন করে কাহিনীর শুরু। থ্রিলার প্রেমীদের সংগ্রহে রাখার মত একটা বই "যে শহরে গল্প লিখা বারণ"।
ভীষণভাবে এক্সপ্লেইনড্, মস্তিষ্কের নিউরনে আলোরণ জাগানো, খুব সুন্দর ভাবে কপ্লিটেড একটি স্বার্থক উপন্যাস এটি, আমার মতে। গল্পের প্লট, কিছুক্ষণ পর পর গল্পের নতুন গতিপথ, নতুন করে ভাবতে বাধ্য করানো, সবমিলিয়ে এক কথায় আমারও মনে হচ্ছিল, গল্প নয় যেন্ কোনো সত্যিকারের ঘটে যাওয়া কাহিনীর-ই বর্ণনা পড়ছি আদতে। ভালোলাগার একটা বই।
বইখানা একদম ইউনিক প্লটের। বড় পরিসর এবং ঘটনার ঘনঘটায় প্লটের বৈশিষ্ট্যগুলো চট করে চোখে পড়ে না হয়ত। তবে উপন্যাসটি বেশ উপভোগ্য, সুখপাঠ্য এবং এক বসায় শেষ করার মত... থ্রিলার পাঠক হিসেবে অনেকগুলো টনিক ছিল বইতে। ফেলুদা, শার্লক, ব্যোমকেশ, হ্যানিবাল থেকে জোডিয়াক কিলার, বাটারফ্লাই এফেক্ট অনেক কিছু ছিল। টুইস্টটা অনুমান করা যায়নি....... সব মিলিয়ে সফল একটা রহস্য উপন্যাস, সঙ্গে উপরি পাওনা হিসেবে সাইকোলজিক্যাল কিছু জিনিসের ব্যাখ্��া। লেখকের অন্যান্য লেখার মতো মাস্টারপিস না হলেও বেশ ভাল একটা বই।
একেবারে ভিন্ন মাত্রার একটি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার। লেখার সাবলীল স্টাইলের সাথে অসাধারণ বুদ্ধিমত্তা যুক্ত করে গল্পটিকে অনন্য মাত্রায় নিয়ে গেছেন লেখক।
প্রতি মূহুর্তে গল্পের বাক পরিবর্তন, প্রোটাগনিস্ট ও এন্টাগোনিস্টের ইদুর বিড়াল খেলা, শেষের টুইস্ট সবমিলিয়ে দারুন একটা অভিজ্ঞতা হয়েছে বইটি পড়ে৷ অনেকদিন পর আক্ষরিক অর্থেই একবসায় একটা উপন্যাস পড়লাম।
থ্রিলার লাভারদের জন্যে হাইলি রেকোমেন্ডেড। লেখকের কাছ থেকে ভবিষ্যতে আরও ভালো ভালো থ্রিলার প্রত্যাশা করছি।
আমি মুগ্ধ! ২০২০ এ পড়া ১০০ টা বইয়ের লিস্টে একদম উপরের দিকে আর থ্রিলারের লিস্টে অবশ্যই টপে রাখব!
প্রথমত, পড়তে গিয়ে মনে হচ্ছিল, লেখক খুব সুনির্দিষ্ট ভাবে জানতেন উনি কি লিখতে চাচ্ছেন, আর ঠিক সেই জিনিসটাই লিখেছেন। গল্পকে গল্পের নিয়মে আগাতে দেননি। পুরো সময়টা কন্ট্রোল তার নিজের হাতে ছিল।
দ্বিতীয়ত, গল্পকে অযথা টেনেটুনে ইনফর্মেটিভ করে বড় করা হয়নি৷ এখনকার অধিকাংশ বইতেই যেটা করা হয়। ছোট্ট পরিসরের একটা বইতে প্রত্যেকটা লাইনই মনে হচ্ছিল পারফেক্ট ইউজ হয়েছে৷
তৃতীয়ত, একদম ছোটবেলা থেকে পড়ুয়া হওয়ায় বই পড়তে পড়তে প্রায়ই সময়ের অনেক আগে অনুমান করে ফেলি কি হতে যাচ্ছে৷ এ গল্পে যেটা একদমই হয়নি। টুইস্ট একদম পারফেক্ট ছিল।
চতুর্থত, প্রচুর পড়ার অভ্যাসের কারনে যে কোন বই পড়তে গেলেই মাথায় অনেক কোশ্চেন আসে৷ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই লেখায় এই প্রশ্নগুলোর উত্তর/ব্যাখ্যা পাই না। এই বইটা পড়ার সময় মাথায় আসা প্রতিটা প্রশ্নের উত্তরই প্রায় সাথে সাথেই পেয়েছি। একদম খুঁটিনাটি ব্যাপারেও৷
পঞ্চমত, পুরো বইটাতে ভাষা এত সাবলীল ছিল, একবারও খটকা লাগেনি, একবারও থামতে হয়নি। পুরোটা স্মুদলি এক টানে শেষ করেছি। দুই একটা যায়গায় নামের গন্ডগোল ছিল৷ এছাড়া কোন ইনফরমেশন গোলমাল থাকলে তা আমার জ্ঞানের বাইরে৷ তাই সমস্যা হয়নি।
দারুণ! আমি মুগ্ধ। এবং সেই সাথে এই বই পড়ার পর মোহাইমিনুল ইসলাম বাপ্পীর লেখার ফ্যান হয়ে গেলাম।
সহজ সাবলীল লেখার দূর্দান্ত প্লটের এই বইটি পড়লে কোনভাবেই মনে হয় না এটা লেখকের প্রথম বই। এতটাই সুন্দর করে লিখেছেন তিনি। এক স্টার কাটার একমাত্র কারণ আমি শুরুতে ধারণা করতে পেরেছিলাম খুনি কে হতে পারে। কিন্তু লেখক খানিকটা জোর করেই খুনির দিক থেকে পাঠকের নজর সরিয়ে রাখতে চেয়েছেন। এটা আমার কাছে বায়াসড মনে হয়েছে।
থ্রিলার পাঠক, দারুণ প্লটের মাইন্ড বেন্ডিং এই উপন্যাসিকাটি আপনার পড়া হয়ে না থাকলে যত দ্রুত সম্ভব পড়ে ফেলুন। আশা করি বেশ ভালো সময় কাটবে।
লেখকের প্রথম বই হিসেবে এককথায় দারুণ লেগেছে। কথায় আছে না, "ছোট মরিচের জাল বেশি"। এই বইটাও তেমন।
প্লটটা যথেষ্ট ইন্টারেস্টিং ছিলো আর গল্প বলার ধরনটাও অসাধারণ। কিন্তু খুনি কে হতে পারে সেটা আগেই অনুমান করতে পেরেছিলাম এবং অনুমান সঠিকও হয়েছে। এদিক থেকে এন্ডিংটা এক্সপেক্টেড মনে হয়েছে। সবমিলিয়ে, খুবই ভালো সময় কেটেছে বইটা পড়ে।
প্লটটা খুবই চমকপ্রদ লেগেছিল। লেখনীও সাবলীল। অথচ চরিত্রের চিন্তাভাবনা তেমন শক্তিশালী৷ এত বিশাল কর্মযজ্ঞের পেছনে তাদের যুতসই সংলাপ পাই নি। সাথে বারবার রুদ্র আর জিসানের প্রশংসা, তারা এই, তারা সেই৷ অনেকটা আরোপিত লেগেছে। শুরু থেকেই বোঝা যায় আসল কালপ্রিট কে৷ মাঝের ব্যপারগুলা অনেকটা অবাস্তব মনে হয়েছে৷ বাস্তবরুপ দিতে আরও অনেক বিস্তারিত সাইকোলজিক্যাল ব্যখ্যা মনে হ দরকার ছিল।