What do you think?


একজোড়া চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে
এক রাতে ব্রিগুদার জুডিথ ডারহাম অদ্ভুত এক স্বপ্ন দেখে। প্রথম প্রথম কেউ পাত্তা দেয়নি। স্বপ্ন তো অনেকেই দেখে, অত পাত্তা দেয়ার কী আছে! কিন্তু ব্রিগুদার সবাই ঐ একই স্বপ্ন দেখা শুরু করলে সবার টনক নড়ে। তারপর এক ভয়াল রাতে ব্রিগুদা গ্রামটি তছনছ হয়ে যায়। পড়ে থাকে স্রেফ ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন কিছু দেহ। গ্রামের একমাত্র গির্জায় কে জানি এক জোড়া চোখের ছবি এঁকে রেখেছে। নিচে লেখা--পীংক্রী রীট্রিক্রা ক্রেয়ীৎ স্পাক্রা লিক্রিৎ...
মফস্বলের বস্তিতে গা ঢাকা দেয়া লেখক মোহাম্মদ আসগর আলী চায়ের দোকানে অদ্ভুত এক গল্প শোনেন। সেই গল্পের সুলুক-সন্ধানে মোটর-পার্টস দোকানি সাচ্চুকে নিয়ে পরাবাস্তব এক অভিযানে নেমে পড়েন তিনি। তার অভিযাত্রায় আরো সঙ্গি হন ইউনিভার্সিটি’র লেকচারার রেহমান সিদ্দিক ও তার রগচটা বোন ফারহানা। তারা কী পারবে অদ্ভুত এ গল্পের সফল যবনিকা টানতে? পরাবাস্তবতা কী বাস্তবে এসে মিশবে? নাকি ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে সব?
এ কাহিনী জনপ্রিয় লেখক মোহাম্মদ আসগর আলীর, এ কাহিনী বনশ্রী’র মক্ষীরাণী অ্যালিসের, এ কাহিনী সাইবেরিয়ার ললনা নাতাশা’র, এ কাহিনী খোঁড়া ক্রিমিনোলজিস্ট রেহমান সিদ্দিকের--সর্বোপরি এ কাহিনী ত্রীতের!
ত্রীৎ! যারা ছিল, যারা আছে, যারা থাকবে..
মফস্বলের বস্তিতে গা ঢাকা দেয়া লেখক মোহাম্মদ আসগর আলী চায়ের দোকানে অদ্ভুত এক গল্প শোনেন। সেই গল্পের সুলুক-সন্ধানে মোটর-পার্টস দোকানি সাচ্চুকে নিয়ে পরাবাস্তব এক অভিযানে নেমে পড়েন তিনি। তার অভিযাত্রায় আরো সঙ্গি হন ইউনিভার্সিটি’র লেকচারার রেহমান সিদ্দিক ও তার রগচটা বোন ফারহানা। তারা কী পারবে অদ্ভুত এ গল্পের সফল যবনিকা টানতে? পরাবাস্তবতা কী বাস্তবে এসে মিশবে? নাকি ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে সব?
এ কাহিনী জনপ্রিয় লেখক মোহাম্মদ আসগর আলীর, এ কাহিনী বনশ্রী’র মক্ষীরাণী অ্যালিসের, এ কাহিনী সাইবেরিয়ার ললনা নাতাশা’র, এ কাহিনী খোঁড়া ক্রিমিনোলজিস্ট রেহমান সিদ্দিকের--সর্বোপরি এ কাহিনী ত্রীতের!
ত্রীৎ! যারা ছিল, যারা আছে, যারা থাকবে..
96 pages, Hardcover
First published February 1, 2018
About the author
জাহিদ হোসেন
24 books492 followersজাহিদ হোসেনের জন্ম সিলেটে, বেড়ে উঠা ঢাকায়। পড়াশোনা করেছেন নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। পেশায় ব্যাংকার হলেও বইপড়ার প্রতি অসম্ভব ঝোঁক থেকেই লেখালেখিতে আগ্রহ। শুরু অনুবাদ দিয়ে। পরপর দু’টি অনুবাদ প্রকাশিত হয় তার - অ্যাম্বার রুম ও ম্যাক্সিমাম রাইডঃ দ্য অ্যাঞ্জেল এক্সপেরিমেন্ট। তারপর তিনি প্রবেশ করেন মৌলিক লেখালেখির জগতে। মৌলিক থ্রিলার হিসেবে তার প্রথম প্রয়াস ঈশ্বরের মুখোশ যা ২০১৫ সালের একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছিল। তারপর একে একে বের হয় ফিনিক্স, কাদ্যুসেয়াস, একজোড়া চোখ খোঁজে আরেকজোড়া চোখকে, দুধ চা খেয়ে তোকে গুলি করে দেব, গিলগামেশ, নৈর্ঋত, পরশুরামের কঠোর কুঠার, ইথাকা ও স্বর্গরাজ্য। লেখালেখিতে স্বকীয় বৈশিষ্ট্যের জন্য তিনি আলাদা পরিচিতি লাভ করেছেন।
তার প্রকাশিত বই ওপার বাংলাতেও ব্যাপক সমাদৃত ও প্রশংসিত। কলকাতার অভিযান পাবলিশার্স ও বুকিকার্ট থেকে ইতিমধ্যে তার কয়েকটি বইয়ের ভারতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়ে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
তার প্রকাশিত বই ওপার বাংলাতেও ব্যাপক সমাদৃত ও প্রশংসিত। কলকাতার অভিযান পাবলিশার্স ও বুকিকার্ট থেকে ইতিমধ্যে তার কয়েকটি বইয়ের ভারতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়ে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 30 of 113 reviews
May 28, 2018
একটা লেখা পড়া, আর সেটা রিভিউ করার মধ্যে বেশ কিছুটা ফাঁক রাখতে বলেন মহাজনেরা। তাতে নাকি লেখার নিরপেক্ষ মূল্যায়ন সহজতর হয়।
কিন্তু এমন লেখাও আছে, যাদের নিয়ে মনে জমে ওঠা কথাগুলো তক্ষুনি লিখে না ফেললে প্রবল অস্বস্তি হয়। মনে হয়, এত ভালো জিনিসের খবর অন্যরা পাবে না? তা কীভাবে মেনে নেওয়া যায়?
আলোচ্য বইটি ঠিক তেমন ধরনের।
বাংলাদেশে রহস্যরোমাঞ্চ ঘরানা, যাকে থৃলার বলে চিহ্নিত করা হয়, জাহিদ হোসেন পরিচিত নাম। কিন্তু এই বইটি নিয়ে লিখতে বসে যে তাঁরও কিঞ্চিৎ বুক দুরদুর করেছিল, এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত।
কেন জানেন?
কারণ অদ্রীশ বর্ধনের "মোমের মিউজিয়াম", বা 'আশ্চর্য!' পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন সাহিত্যিক ছাড়া বাংলায় লাভক্র্যাফটিয়ান হরর নিয়ে কেউ লেখেননি।
এবং, শুনলে অনেকেই আমার মুণ্ডপাত করবেন জেনেও বলতে হচ্ছে, লাভক্র্যাফটের আসল ভয়, অর্থাৎ 'বডি হরর', যা ভূয়োদর্শীদের টেন্ট্যাকল পর্নের রাস্তা দেখিয়েছে, সেই শরীর বেহাত হওয়ার ব্যাপারটা বাংলা সাহিত্যে কেউ ধরতে পারেননি...
এখনও পর্যন্ত।
চলে আসুন আলোচ্য বইটিতে।
নামকরা লেখক আসগরসাহেব অবস্থার ফেরে আশ্রয় নিলেন শহরতলীর এক ঝুপড়িতে। আপাতভাবে সব স্বাভাবিক, এমনকি লেখালেখিও শুরু হয়েছে টুকটাক।
কিন্তু কয়েকটা ব্যাপারে ছন্দপতন হল।
বস্তি এলাকার হাজামজা খালের শেষে একটা গুহা আছে। তাতে নাকি অদ্ভুতদর্শন জীবেরা আসে প্রতি অমাবস্যায়। উদ্ভট সুরে তারা কী যেন মন্ত্রের মতো করে বলে।
তারা কারা? সত্যিই কি তারা অপহরণ করেছিল ল্যাংড়া সাচ্চুর সঙ্গী কবিরকে?
পাশের ঝুপড়ির বাসিন্দা রাহেলার প্রতি যে আকর্ষণ অনুভব করেন আসগর, তা কি শুধুই শারীরিক?
গবেষক রেহমান সিদ্দিক কী খুঁজছেন?
আসগরের বহু পুরোনো কবিতা হঠাৎ করে কেন ফিরে আসছে হাজার বছর পুরোনো জিনিসের আলোচনায়?
সংক্ষিপ্ত ভূমিকায় লেখক বলেছেন, এই বইটি "... কতটুকু লাভক্র্যাফটিয়ান হরর হয়েছে কিংবা আদৌ এটা হরর হয়েছে কিনা সে ব্যাপারে আমি নিশ্চিত নই।"
আমার মতে এটি অত্যুৎকৃষ্ট লাভক্র্যাফটিয়ান হরর, কারণ এতে বডি হরর এবং ক্রূর মহাবিশ্বে ক্ষুদ্র মানুষের অসহায়তা অসামান্য চেহারায় ফুটেছে। এবং এই পুরো উপন্যাসে থুলু মিথোজ বা অন্য কোনো প্রাচীন দেবতাকে নিয়ে টানাটানি না করে একটি নতুন ধারণার সাহায্য নেওয়া হয়েছে।
হ্যাঁ, অত্যন্ত দ্রুতগামী এই কাহিনিতে বেশ কিছু বর্ণনা সিরিয়াসলি ভয়োৎপাদক, এবং কাহিনির শেষে পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নালাটাও যদি বিপজ্জনক ঠেকে, তাহলে পাঠককে দোষ দেওয়া যায় না। কিন্তু এই কাহিনি প্রেমেরও। এই কাহিনি একাকিত্বের। এই কাহিনি শূন্য একজোড়া চোখ নিয়ে আরেক জোড়া চোখ খোঁজার।
বইটাকে অ্যালান মুর-এর নিওনমিকনের পাশেই রাখব। হ্যাঁ, ওই সম্মানটুকু বইটার প্রাপ্য।
যদি কল্পবিজ্ঞান, হরর, বা প্রাপ্তমনস্ক পাঠকের জন্য লেখা বই পড়তে আগ্রহী হন, তাহলে এই বইটি আপনার অবশ্যপাঠ্য।
পড়ে ফেলুন।
কিন্তু এমন লেখাও আছে, যাদের নিয়ে মনে জমে ওঠা কথাগুলো তক্ষুনি লিখে না ফেললে প্রবল অস্বস্তি হয়। মনে হয়, এত ভালো জিনিসের খবর অন্যরা পাবে না? তা কীভাবে মেনে নেওয়া যায়?
আলোচ্য বইটি ঠিক তেমন ধরনের।
বাংলাদেশে রহস্যরোমাঞ্চ ঘরানা, যাকে থৃলার বলে চিহ্নিত করা হয়, জাহিদ হোসেন পরিচিত নাম। কিন্তু এই বইটি নিয়ে লিখতে বসে যে তাঁরও কিঞ্চিৎ বুক দুরদুর করেছিল, এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত।
কেন জানেন?
কারণ অদ্রীশ বর্ধনের "মোমের মিউজিয়াম", বা 'আশ্চর্য!' পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন সাহিত্যিক ছাড়া বাংলায় লাভক্র্যাফটিয়ান হরর নিয়ে কেউ লেখেননি।
এবং, শুনলে অনেকেই আমার মুণ্ডপাত করবেন জেনেও বলতে হচ্ছে, লাভক্র্যাফটের আসল ভয়, অর্থাৎ 'বডি হরর', যা ভূয়োদর্শীদের টেন্ট্যাকল পর্নের রাস্তা দেখিয়েছে, সেই শরীর বেহাত হওয়ার ব্যাপারটা বাংলা সাহিত্যে কেউ ধরতে পারেননি...
এখনও পর্যন্ত।
চলে আসুন আলোচ্য বইটিতে।
নামকরা লেখক আসগরসাহেব অবস্থার ফেরে আশ্রয় নিলেন শহরতলীর এক ঝুপড়িতে। আপাতভাবে সব স্বাভাবিক, এমনকি লেখালেখিও শুরু হয়েছে টুকটাক।
কিন্তু কয়েকটা ব্যাপারে ছন্দপতন হল।
বস্তি এলাকার হাজামজা খালের শেষে একটা গুহা আছে। তাতে নাকি অদ্ভুতদর্শন জীবেরা আসে প্রতি অমাবস্যায়। উদ্ভট সুরে তারা কী যেন মন্ত্রের মতো করে বলে।
তারা কারা? সত্যিই কি তারা অপহরণ করেছিল ল্যাংড়া সাচ্চুর সঙ্গী কবিরকে?
পাশের ঝুপড়ির বাসিন্দা রাহেলার প্রতি যে আকর্ষণ অনুভব করেন আসগর, তা কি শুধুই শারীরিক?
গবেষক রেহমান সিদ্দিক কী খুঁজছেন?
আসগরের বহু পুরোনো কবিতা হঠাৎ করে কেন ফিরে আসছে হাজার বছর পুরোনো জিনিসের আলোচনায়?
সংক্ষিপ্ত ভূমিকায় লেখক বলেছেন, এই বইটি "... কতটুকু লাভক্র্যাফটিয়ান হরর হয়েছে কিংবা আদৌ এটা হরর হয়েছে কিনা সে ব্যাপারে আমি নিশ্চিত নই।"
আমার মতে এটি অত্যুৎকৃষ্ট লাভক্র্যাফটিয়ান হরর, কারণ এতে বডি হরর এবং ক্রূর মহাবিশ্বে ক্ষুদ্র মানুষের অসহায়তা অসামান্য চেহারায় ফুটেছে। এবং এই পুরো উপন্যাসে থুলু মিথোজ বা অন্য কোনো প্রাচীন দেবতাকে নিয়ে টানাটানি না করে একটি নতুন ধারণার সাহায্য নেওয়া হয়েছে।
হ্যাঁ, অত্যন্ত দ্রুতগামী এই কাহিনিতে বেশ কিছু বর্ণনা সিরিয়াসলি ভয়োৎপাদক, এবং কাহিনির শেষে পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নালাটাও যদি বিপজ্জনক ঠেকে, তাহলে পাঠককে দোষ দেওয়া যায় না। কিন্তু এই কাহিনি প্রেমেরও। এই কাহিনি একাকিত্বের। এই কাহিনি শূন্য একজোড়া চোখ নিয়ে আরেক জোড়া চোখ খোঁজার।
বইটাকে অ্যালান মুর-এর নিওনমিকনের পাশেই রাখব। হ্যাঁ, ওই সম্মানটুকু বইটার প্রাপ্য।
যদি কল্পবিজ্ঞান, হরর, বা প্রাপ্তমনস্ক পাঠকের জন্য লেখা বই পড়তে আগ্রহী হন, তাহলে এই বইটি আপনার অবশ্যপাঠ্য।
পড়ে ফেলুন।
January 23, 2018
লাভক্র্যাফটিয়ান হরর ঘরানায় নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের প্রথম কাজ :)
প্রথমে বড় গল্প হিসেবে লেখা হলেও, পরবর্তীতে উপন্যাসিকায় রূপ দেয়া হয়। লেখক এবং আমি (এবং আমাদের আরো কয়েকজন বন্ধু) এইচ পি লাভক্র্যাফটের প্রথম সারির ভক্ত হওয়ায়, শুরু থেকেই বেশ উত্তেজিত ছিলাম সবাই। তারই ফলশ্রুতিতে পাণ্ডুলিপি শেষ হওয়ার পর, যথেষ্ট আগ্রহ সহকারে বইটা পড়ে ফেলেছিলাম আমরা। তাও প্রায় চার মাস আগের কথা! (তেল মেরে নেয়া না, লেখক তার বন্ধুদেরকে নিজেই পড়তে দিয়েছিলেন :P)
অনেকগুলো কারণে বইটা ভালো লেগেছিল। এর পেছনে দক্ষ লেখনভঙ্গি, নিরীক্ষাধর্মী কাজসহ আরও কিছু ব্যাপার আছে। পরিচিত এবং বন্ধুশ্রেণির লেখকদের মাঝে নিজেদের পাণ্ডুলিপি বিষয়ক আলোচনা অথবা প্রকাশের আগেই একজন আরেকজনের লেখা পড়ে ফেলাটা, নতুন কিছু নয়। বইয়ের ঘোষণা আসার অপেক্ষায় ছিলাম, গুডরিডসে সংযুক্ত হওয়া মাত্র প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য হাত নিশপিশ করছিল। আর তাই দেরি না করে...
অপ্রাসঙ্গিক অথবা প্রাসঙ্গিক-যেদিক থেকেই বলিঃ সমাজে একদল মানুষ আছে, যারা অন্যের কর্মকান্ডের মাঝে নিজের ছায়া দেখতে পায়। রাস্তায় যখন কেউ অন্য কারও পেছন পেছন হেঁটে যায়, সেই দৃশ্যটা পকেটমারের চোখে পড়লে সে ভাবে - আরে, পেছনের ব্যাটা বুঝি আমার মতই পকেট্মার। ভদ্র ভাষায় বললাম, অসংখ্য উদাহরণ চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে :)
তাই "তৈলশিল্পিরা" যে সাধারণ ব্যাপারকেও নিজের কাতারে ফেলে বিচার বিশ্লেষণে যাবে, সেটাই স্বাভাবিক!
চৈনিক দার্শনিক সিওয়া ফিং রা'র একটি উক্তি উল্লেখ করতে হয় -
"গুড়াকৃমির স্বভাব জেনে রেখো, মানব সন্তান। তারা মানুষের গুহ্যদ্বারে কিলবিল করে পুষ্টি আস্বাদন করে থাকে। ডিম থেকে জন্ম নেয়ার পর, তাদের পরিচিত পরিবেশ অথবা বাসস্থান বলতে শুধু সেই দুর্গন্ধময় নোংরা বিষ্ঠা সম্বলিত ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদান্ত্র, মলাশয়।
অত:পর, সুশোভন অথবা সুন্দর কোন কিছুকে এই গুড়াকৃমি সম্প্রদায় সহ্য করতে পারে না। তাদের চোখে-মুখে-মনে লেগে থাকা "বিষ্ঠা" কে চারপাশে ছড়িয়ে, কিলবিল করে এগিয়ে চলার প্রবণতাও তাই সৃষ্টির আদিকাল থেকে প্রবাহমান।
তবে মনোরম স্থানে বিরাজ করার সুপ্ত বাসনাও সংগোপনে তাদের মনের আড়ালে লুকিয়ে থাকে। পথ খুঁজে না পাওয়ায় একসময় তারা নিম্মোল্লিখিত শ্লোগানে বিশ্বাসী হয়ে ওঠে-
"বিষ্ঠা খাব, বিষ্ঠা ছোঁব, করিব কিলবিল,
সুপ্ত আশা লুপ্ত হলে মৌচাকেতে ঢিল!
চুলকে চুষে সামনে এগোই, বেশ তো কাটে দিন-
গুহ্যদ্বারেই মৃত্যু হবে, রইবে না আর ঋণ।"
- সিওয়া ফিং রা ; চৈনিক দার্শনিক (খ্রিস্টপূর্ব ৬৮৩-৫৪০ অব্দ)
প্রথমে বড় গল্প হিসেবে লেখা হলেও, পরবর্তীতে উপন্যাসিকায় রূপ দেয়া হয়। লেখক এবং আমি (এবং আমাদের আরো কয়েকজন বন্ধু) এইচ পি লাভক্র্যাফটের প্রথম সারির ভক্ত হওয়ায়, শুরু থেকেই বেশ উত্তেজিত ছিলাম সবাই। তারই ফলশ্রুতিতে পাণ্ডুলিপি শেষ হওয়ার পর, যথেষ্ট আগ্রহ সহকারে বইটা পড়ে ফেলেছিলাম আমরা। তাও প্রায় চার মাস আগের কথা! (তেল মেরে নেয়া না, লেখক তার বন্ধুদেরকে নিজেই পড়তে দিয়েছিলেন :P)
অনেকগুলো কারণে বইটা ভালো লেগেছিল। এর পেছনে দক্ষ লেখনভঙ্গি, নিরীক্ষাধর্মী কাজসহ আরও কিছু ব্যাপার আছে। পরিচিত এবং বন্ধুশ্রেণির লেখকদের মাঝে নিজেদের পাণ্ডুলিপি বিষয়ক আলোচনা অথবা প্রকাশের আগেই একজন আরেকজনের লেখা পড়ে ফেলাটা, নতুন কিছু নয়। বইয়ের ঘোষণা আসার অপেক্ষায় ছিলাম, গুডরিডসে সংযুক্ত হওয়া মাত্র প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য হাত নিশপিশ করছিল। আর তাই দেরি না করে...
অপ্রাসঙ্গিক অথবা প্রাসঙ্গিক-যেদিক থেকেই বলিঃ সমাজে একদল মানুষ আছে, যারা অন্যের কর্মকান্ডের মাঝে নিজের ছায়া দেখতে পায়। রাস্তায় যখন কেউ অন্য কারও পেছন পেছন হেঁটে যায়, সেই দৃশ্যটা পকেটমারের চোখে পড়লে সে ভাবে - আরে, পেছনের ব্যাটা বুঝি আমার মতই পকেট্মার। ভদ্র ভাষায় বললাম, অসংখ্য উদাহরণ চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে :)
তাই "তৈলশিল্পিরা" যে সাধারণ ব্যাপারকেও নিজের কাতারে ফেলে বিচার বিশ্লেষণে যাবে, সেটাই স্বাভাবিক!
চৈনিক দার্শনিক সিওয়া ফিং রা'র একটি উক্তি উল্লেখ করতে হয় -
"গুড়াকৃমির স্বভাব জেনে রেখো, মানব সন্তান। তারা মানুষের গুহ্যদ্বারে কিলবিল করে পুষ্টি আস্বাদন করে থাকে। ডিম থেকে জন্ম নেয়ার পর, তাদের পরিচিত পরিবেশ অথবা বাসস্থান বলতে শুধু সেই দুর্গন্ধময় নোংরা বিষ্ঠা সম্বলিত ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদান্ত্র, মলাশয়।
অত:পর, সুশোভন অথবা সুন্দর কোন কিছুকে এই গুড়াকৃমি সম্প্রদায় সহ্য করতে পারে না। তাদের চোখে-মুখে-মনে লেগে থাকা "বিষ্ঠা" কে চারপাশে ছড়িয়ে, কিলবিল করে এগিয়ে চলার প্রবণতাও তাই সৃষ্টির আদিকাল থেকে প্রবাহমান।
তবে মনোরম স্থানে বিরাজ করার সুপ্ত বাসনাও সংগোপনে তাদের মনের আড়ালে লুকিয়ে থাকে। পথ খুঁজে না পাওয়ায় একসময় তারা নিম্মোল্লিখিত শ্লোগানে বিশ্বাসী হয়ে ওঠে-
"বিষ্ঠা খাব, বিষ্ঠা ছোঁব, করিব কিলবিল,
সুপ্ত আশা লুপ্ত হলে মৌচাকেতে ঢিল!
চুলকে চুষে সামনে এগোই, বেশ তো কাটে দিন-
গুহ্যদ্বারেই মৃত্যু হবে, রইবে না আর ঋণ।"
- সিওয়া ফিং রা ; চৈনিক দার্শনিক (খ্রিস্টপূর্ব ৬৮৩-৫৪০ অব্দ)
February 18, 2018
শুরুতেই কিছু এলার্ট দিয়ে রাখি এই বইয়ের ভাবী-পাঠকদের –
১। বইয়ের প্রথম ৩০ পৃষ্ঠা পর্যন্ত যে সমস্তই তুচ্ছ ঘটনা/ বর্ননা/ দৃশ্য/ সেক্সুয়াল দৃশ্য যাইই এসেছে প্রথমে সেসব যদি মনে হয় “১০০ পৃষ্ঠার বইতে এতো অপ্রয়োজনীয় দৃশ্য কেন?” তাহলে বলবো চিন্তা করবেন না। প্রতিটি ছোট খাটো ইস্যুই প্লটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
২। প্রথমে বর্ননা পড়ে যদি মনে হয় লেখক এটেনশন সিকিং এর জন্য অশ্লীল কথা/ শব্দ/ অশ্লীল প্রি-দৃশ্য ব্যবহার করেছেন – তাহলে আবার বলবো, স্টোরি পুরোটা পড়লে বোঝা যাবে প্লটের কাজেই এসেছে।
৩। এলিসের গল্পে প্রথম দু/তিন পেইজ পড়ে যদি মনে হয় – লেখক কি ছ্যাঁকা খেয়েছে, এই কাহিনীর কি দরকার ছিলো মাঝখানে (আমার মনে হয়েছিলো) কিন্তু সে চ্যাপ্টার পুরোটা পড়ার পর আবারো বুঝলাম এটাও প্লটের দরকারে এসেছে।
৪। একই কথা ঐ দ্বীপের কাহিনীর ক্ষেত্রেও বলা যায়।
এবার আমার পাঠ প্রতিক্রিয়া + রিভিউতে আসি –
১। নভেলাটি শুধু হরর না। বইয়ের ভূমিকায় অবশ্য লাভক্রাফটিয়ান হরর বলা আছে। যেটার এলিয়েন-হররই বোঝায়।
২। এই প্রথম বর্ননা নির্ভর থ্রিলার-হরর পড়লাম অথচ ঘুম চলে আসলো না; শুরুর দিকের পরিবেশের বর্ননা একদম ক্লাসিক যুগের দক্ষ সমকালীন লেখকদের মতো। অলস পরিস্থিতি আর বস্তির বর্ননা আমার চোখে ভেসেছে বলা উচিৎ। ইদানিংকার পড়া বইগুলো ফাস্ট-রিড করা হচ্ছিলো। বিশেষ করে প্রথম দিকের পৃষ্ঠাগুলো ফাস্ট রিড করতে বাধ্য হতাম। কিন্তু এটার ক্ষেত্রে উলটো ঘটেছে। সমকালীন উপন্যাসের মতো বর্ননা বস্তি আর প্রধান একটি চরিত্রের – যেটা শুরুতে কিছুতেই মাথায় আসে না একটা হরর স্টোরিতে এসবের কি দরকার; অথচ এই গভীর রাতের দু’তিন ঘন্টায় আমার ফাস্ট রিড করা লাগলো না, ঘুম চলে আসলো না – তাতেই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আজ রাতেই রিভিউ লিখবো, অনুভূতি থাকতে থাকতে। পরিবেশ বর্ননাকে জীবন্ত করে তুলতে বাস্তব জগতকে প্রগাঢ় পর্যবেক্ষণ নিয়ে দেখতে জানতে হয়; যার ছাপ খুব কম লেখকের মাঝেই দেখেছি।
৩। এলার্ট প্যারার দুই নাম্বার পয়েন্ট নিয়ে আমার ১০% দ্বিধা আছে।
৪। এলিস আর ঐ দ্বীপের কাহিনীটা হুট করে এসে আবার হুট করে শেষ – তাই ছন্দে একটু বাধা পেলাম মনে হলো। কয়েকটা চ্যপ্টার পরপর কাহিনীগুলো আসলে ভালো হতো কিনা মনে হয়েছিলো; পরে ভাবনা নাকচ করে দিলাম। কারণ কয়েকটা ভাগে ওদের কাহিনীগুলো বললে, অর্থাৎ মাঝেপথে থামালে আসলেই পাঠকের কাছে “ইউজলেস” টপিক ভেবে বিরক্ত লাগতে পারত। পুরো গল্প বলাটা একটু অন্যরকম ছিলো। আমার মনে হয় এটা লেখকের নিজস্ব এক্সপেরিমেন্ট। যেটা খারাপ হয়নি। তবে এটা ঠিক শেষার্ধে ডায়ালগের অভাব অনুভূত হয়েছে। বর্ননামূলক ব্যাপারটা প্রকট হয়ে গিয়েছে। যদিও সাপেন্স এবং শেষ করার ইচ্ছেটা কমেনি মোটেও।
৫। বই আমার পছন্দ হয়েছে। কভারও। আজকালকার বইতে শুধু হিজিবিজি ফোটোশপড, পঁচা ম্যাশআপের কভার থাকে, ভেতরের সাথে কোন মিলও থাকে না। কিন্তু এটার কভার ক্লিন, মিনিংফুল এবং ভেতরের সাথে শতভাগ মিল আছে। ৮০ পেইজ পড়ার পর লেখকের জন্মদিন চেক করতে (রাশি অনুমান করেছিলাম; ভুল হয়েছে :/ ) ফেবু খুঁজে দেখি লেখক আমার ফ্রেন্ড লিস্টেই আছেন! :O
১। বইয়ের প্রথম ৩০ পৃষ্ঠা পর্যন্ত যে সমস্তই তুচ্ছ ঘটনা/ বর্ননা/ দৃশ্য/ সেক্সুয়াল দৃশ্য যাইই এসেছে প্রথমে সেসব যদি মনে হয় “১০০ পৃষ্ঠার বইতে এতো অপ্রয়োজনীয় দৃশ্য কেন?” তাহলে বলবো চিন্তা করবেন না। প্রতিটি ছোট খাটো ইস্যুই প্লটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
২। প্রথমে বর্ননা পড়ে যদি মনে হয় লেখক এটেনশন সিকিং এর জন্য অশ্লীল কথা/ শব্দ/ অশ্লীল প্রি-দৃশ্য ব্যবহার করেছেন – তাহলে আবার বলবো, স্টোরি পুরোটা পড়লে বোঝা যাবে প্লটের কাজেই এসেছে।
৩। এলিসের গল্পে প্রথম দু/তিন পেইজ পড়ে যদি মনে হয় – লেখক কি ছ্যাঁকা খেয়েছে, এই কাহিনীর কি দরকার ছিলো মাঝখানে (আমার মনে হয়েছিলো) কিন্তু সে চ্যাপ্টার পুরোটা পড়ার পর আবারো বুঝলাম এটাও প্লটের দরকারে এসেছে।
৪। একই কথা ঐ দ্বীপের কাহিনীর ক্ষেত্রেও বলা যায়।
এবার আমার পাঠ প্রতিক্রিয়া + রিভিউতে আসি –
১। নভেলাটি শুধু হরর না। বইয়ের ভূমিকায় অবশ্য লাভক্রাফটিয়ান হরর বলা আছে। যেটার এলিয়েন-হররই বোঝায়।
২। এই প্রথম বর্ননা নির্ভর থ্রিলার-হরর পড়লাম অথচ ঘুম চলে আসলো না; শুরুর দিকের পরিবেশের বর্ননা একদম ক্লাসিক যুগের দক্ষ সমকালীন লেখকদের মতো। অলস পরিস্থিতি আর বস্তির বর্ননা আমার চোখে ভেসেছে বলা উচিৎ। ইদানিংকার পড়া বইগুলো ফাস্ট-রিড করা হচ্ছিলো। বিশেষ করে প্রথম দিকের পৃষ্ঠাগুলো ফাস্ট রিড করতে বাধ্য হতাম। কিন্তু এটার ক্ষেত্রে উলটো ঘটেছে। সমকালীন উপন্যাসের মতো বর্ননা বস্তি আর প্রধান একটি চরিত্রের – যেটা শুরুতে কিছুতেই মাথায় আসে না একটা হরর স্টোরিতে এসবের কি দরকার; অথচ এই গভীর রাতের দু’তিন ঘন্টায় আমার ফাস্ট রিড করা লাগলো না, ঘুম চলে আসলো না – তাতেই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আজ রাতেই রিভিউ লিখবো, অনুভূতি থাকতে থাকতে। পরিবেশ বর্ননাকে জীবন্ত করে তুলতে বাস্তব জগতকে প্রগাঢ় পর্যবেক্ষণ নিয়ে দেখতে জানতে হয়; যার ছাপ খুব কম লেখকের মাঝেই দেখেছি।
৩। এলার্ট প্যারার দুই নাম্বার পয়েন্ট নিয়ে আমার ১০% দ্বিধা আছে।
৪। এলিস আর ঐ দ্বীপের কাহিনীটা হুট করে এসে আবার হুট করে শেষ – তাই ছন্দে একটু বাধা পেলাম মনে হলো। কয়েকটা চ্যপ্টার পরপর কাহিনীগুলো আসলে ভালো হতো কিনা মনে হয়েছিলো; পরে ভাবনা নাকচ করে দিলাম। কারণ কয়েকটা ভাগে ওদের কাহিনীগুলো বললে, অর্থাৎ মাঝেপথে থামালে আসলেই পাঠকের কাছে “ইউজলেস” টপিক ভেবে বিরক্ত লাগতে পারত। পুরো গল্প বলাটা একটু অন্যরকম ছিলো। আমার মনে হয় এটা লেখকের নিজস্ব এক্সপেরিমেন্ট। যেটা খারাপ হয়নি। তবে এটা ঠিক শেষার্ধে ডায়ালগের অভাব অনুভূত হয়েছে। বর্ননামূলক ব্যাপারটা প্রকট হয়ে গিয়েছে। যদিও সাপেন্স এবং শেষ করার ইচ্ছেটা কমেনি মোটেও।
৫। বই আমার পছন্দ হয়েছে। কভারও। আজকালকার বইতে শুধু হিজিবিজি ফোটোশপড, পঁচা ম্যাশআপের কভার থাকে, ভেতরের সাথে কোন মিলও থাকে না। কিন্তু এটার কভার ক্লিন, মিনিংফুল এবং ভেতরের সাথে শতভাগ মিল আছে। ৮০ পেইজ পড়ার পর লেখকের জন্মদিন চেক করতে (রাশি অনুমান করেছিলাম; ভুল হয়েছে :/ ) ফেবু খুঁজে দেখি লেখক আমার ফ্রেন্ড লিস্টেই আছেন! :O
January 29, 2018
ত্রীৎ, ত্রীৎ, ত্রীৎ.....
বাংলাদেশি সাহিত্যে লাভক্র্যাফটিয়ান হররের প্রথম নিদর্শন(হয়তো)। এবং প্রথমেই বাজিমাৎ। গৎবাঁধা হররের বাইরের দুনিয়া থেকে ঘুরে আসতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন 'তাদের' জগত থেকে, যেখানে একজোড়া চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে। :)
বাংলাদেশি সাহিত্যে লাভক্র্যাফটিয়ান হররের প্রথম নিদর্শন(হয়তো)। এবং প্রথমেই বাজিমাৎ। গৎবাঁধা হররের বাইরের দুনিয়া থেকে ঘুরে আসতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন 'তাদের' জগত থেকে, যেখানে একজোড়া চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে। :)
February 21, 2018
ইদানিং অনেক বইয়ের ক্ষেত্রে যে সমস্যাটা লক্ষ্য করছি, লেখকরা (অনেকে) গল্পের narration আর dialogue এর ভিতর কেমন যেন পার্থক্য করতে পারেন না। যেটা দেখা যায় গল্পের narration-এ যেসব শব্দ বা যেমন বাক্য বহার করছেন ডায়লগেও একই ধরনের শব্দ বা বাক্য ব্যবহার করছেন যা খুবই dissatisfying লাগে শুনতে বা পড়তে। আররেক্টা ব্যাপার হল যেশিরভাগ চরিত্রই তারা তৈরি করছেন খুবই one dimensional ভাবে। মানে যে ভালো সে ভালোই, যা খারাপ তার সব খারাপ। I believe human mind is anything but one dimensional. এসব কারণে অনেক ভালো ভালো প্লটের বই-ই একদম uninteresting হয়ে যাচ্ছে। লেখক হয়ত অনেক কষ্ট করে অসাধারণ একটা প্লট ঠিকই দাড় করাচ্ছেন, কিন্তু execution হয়ে যাচ্ছে খুবই দুর্বল। এসব কথা এখানে বলার একমাত্র কারণ হল, আমি সকল নতুন লেখকদের অনুরোধ করব এ বইটা পড়ে দেখতে। This could a fine example of how you perfectly execute a plot.
January 24, 2018
একজন লেখকের একটা নির্দিষ্ট লেখার প্যাটার্ন থাকে। কোন লেখকই এই প্যাটার্নের উর্ধ্বে নয়। তবে মাঝে মাঝে অনেকে সেই প্যাটার্নের বাইরে গিয়ে হালকা এক্সপেরিমেন্ট করে থাকেন। আমার মতে জাহিদ হোসেন এই বইয়ে তা-ই করেছেন। এক কথায় বলতে গেলে তিনি পুরোপুরি সফল। বাংলাদেশে এর আগে লাভক্র্যাফ্টিয়ান হরর নিয়ে এতো চমৎকার কোন কাজ হয়েছে নাকি আমার জানা নেই। দীর্ঘদিন পর একটানে এই নভেলা শেষ করেছি আমি।
আমার মতে ফিনিক্সের পর এইটাই জাহিদ হোসেনের শ্রেষ্ঠ বই। শুভকামনা থাকলো।
আমার মতে ফিনিক্সের পর এইটাই জাহিদ হোসেনের শ্রেষ্ঠ বই। শুভকামনা থাকলো।
July 4, 2024
লাভক্রাফটিয়ান হরর আমার পছন্দের জনরা না। তাই খুব বেশি উপভোগও করি না। পড়িও খুব কম। তবে জাহিদ হোসেন আমার বেশ পছন্দের লেখক। আর বইটির প্রসংশা শুনে শুনে মনে হলো একবার ট্রাই করা উচিত। ছোট্ট বই। এক সিটিংয়েই মামলা শেষ। পরিশেষে একদম হতাশ হইনি। ভালোই লেগেছে।
January 18, 2022
লাভক্রাফটিয়ান হরর এই প্রথম পড়া। খুব যে বেশি ভালো লেগেছে তাও না আবার যে খুব খারাপ লাগলো তাও না। মোটামুটি লেগেছে আরকি।
তবে বাংলায় প্রথম মৌলিক লাভক্রাফটিয়ান হিসেবে যথেষ্ট প্রসংশার যোগ্য।
গল্পটা আরেকটু ডালপালা মেললে হয়ত আরো উপভোগ্য হতো।
তবে বাংলায় প্রথম মৌলিক লাভক্রাফটিয়ান হিসেবে যথেষ্ট প্রসংশার যোগ্য।
গল্পটা আরেকটু ডালপালা মেললে হয়ত আরো উপভোগ্য হতো।
February 13, 2018
ত্রীৎ.. যারা ছিলো.. যারা আছে.. যারা থাকবে..
একবসায় টানা শেষ করে ফেলার মতো বই। গতানুগতিক হরর না, কিংবদন্তী লেখক এইচ পি লাভক্র্যাফটের সৃষ্ট কসমিক হরর/ লাভক্র্যাফটিয়ান হররের প্রতি ট্রিবিউট করে লেখা নভেলা। লাভক্রাফট জনরার মতোই ডিসটার্বিং, উদ্ভট আর ব্যাখ্যাতিত। ভিন্নস্বাদের ঝরঝরে লেখা, গল্পের গাঁথুনিও ভালো। সবমিলিয়ে ৫ এ ৩.৮।
পুনশ্চ- এটা পড়ে লাভক্র্যাফটের প্রতি আবার আগ্রহ জন্মালো। দুই একটা গল্প ছাড়া তেমন কিছু পড়া হয়নাই, এইবেলা দেরী না করে একটানা পড়ে ফেলা লাগবে।
একবসায় টানা শেষ করে ফেলার মতো বই। গতানুগতিক হরর না, কিংবদন্তী লেখক এইচ পি লাভক্র্যাফটের সৃষ্ট কসমিক হরর/ লাভক্র্যাফটিয়ান হররের প্রতি ট্রিবিউট করে লেখা নভেলা। লাভক্রাফট জনরার মতোই ডিসটার্বিং, উদ্ভট আর ব্যাখ্যাতিত। ভিন্নস্বাদের ঝরঝরে লেখা, গল্পের গাঁথুনিও ভালো। সবমিলিয়ে ৫ এ ৩.৮।
পুনশ্চ- এটা পড়ে লাভক্র্যাফটের প্রতি আবার আগ্রহ জন্মালো। দুই একটা গল্প ছাড়া তেমন কিছু পড়া হয়নাই, এইবেলা দেরী না করে একটানা পড়ে ফেলা লাগবে।
August 27, 2023
অদ্ভুত প্লট, অদ্ভুত স্টোরি টেলিং, ক্রিপি। লাভক্র্যাফটিয়ান হরর বলে কথা! অস্থির ভালো লেগেছে।
May 16, 2021
Illusion, hesitation, emasculation. Overall a perfect HPL horror. May be this is the first HPL horror book in Bangladesh. It's terrifying. Reading this reminded me of reading HPL as a kid. The chills they were palpable. Perhaps this is best described as HPL stylings layered over Absalom Absalom. The darkness, the despair reaches out of the primeval swamp and sucks you in. Unlike some classic horror, you actually get physical manifestations of the terror lurking in the shadows. This is no mere ghost story. This is a fucking monster "ত্রীৎ". Yes, it's veiled, it's mysterious, but it's coming for you and it will have you.
April 8, 2022
ভাল্লাগছে বইটা। এক টানে পড়ে ফেলেছি।
January 29, 2018
জোরে শোরে বই পড়া হয় না অনেকদিন ।মাঝে মাঝে ঝিমিয়ে ঝিমিয়ে দুই একটা পড়া হয় । কিন্তু রাতে বাসায় এসে এতই টায়ার্ড থাকি যে সেগুলো নিয়ে দুটি কথা বলার মত আর এনার্জিও পাই না । কিন্তু "একজোড়া চোখ খোঁজে আরেকজোড়া চোখকে" বইটি আমাকে বাধ্য করেছে বইটি নিয়ে দুটি কথা লিখতে।
দুপুরে হাতে পেলাম বই । অবশ্য হাতে পাওইয়ার আগেই বইটা নিয়ে বেশ আগ্রহ ছিল । এর কারণ অবশ্য গুডরিডসের রিভিউ এবং বেশ কয়েকজনের মুখে মুহমুহ প্রশংসা। কিন্তু অফিসে বসে তো পড়া যায় না । তাই সারাদিন লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়েই সারা । অফিস ছুটি হতেই সবার আগে বের হয়ে বাসে চড়লাম। উদ্দেশ্য বাসে বসেই খেল খতম করে দেওয়ার । প্রতিদিনকার মত জ্যাম থাকলে অবশ্য জ্যামেই শেষ করে দিতাম । তবে শেষ না করতে পারলেও এগিয়ে রেখেছিলাম । আর এখন বাসায় এসে আয়েশ করে কফি খেতে খেতে শেষ করলাম ।
এটা যে লাভক্রাফটিয়ান হরর জনরার বই লেখক আগেই তা বলে নিয়েছেন। বাংলায় এই জনরার বই আগে লিখা হয়েছে বলে মনে হয় না। ।মাত্র ৯৫ পেইজের বই । অথচ সারা দুনিয়া ঘুরিয়ে আনলো এরমধ্যেই । দারুণ লাগলো । তাথাকথিত হরর থেকে ভিন্ন স্বাদের বই।
কাহিনী শুরু হয় মহাভারতের এক গুরুতবপূর্ণ চরিত্র দ্রোণের মাধ্যমে। দ্রোণের সাথে এই বইয়ের কি সম্পর্ক সেটা আপনি জানিবেন শেষ পাতায় । আপাতত এগিয়ে যেতে থাকেন। পরক্ষনেই দৃশ্য পরবর্তন।এ পর্যায়ে আমরা দেখা পাই বিখ্যাত লেখক আসগর সাহেবের । যিনি কিনা মারাত্নক প্যাচে পড়ে নিতান্তই বাধ্য হয়ে এক অজপাড়াগায়ের বস্তিতে উঠেন। এখানেই তিনি দেখা পান ল্যাংড়া সাচ্চুর। আজব এক কাহিনী শুনায় তাকে সাচ্চু । যেই কাহিনীর সাথে মিল পাওয়া যাচ্ছে সারা পৃথিবী জুড়ে চলা অসংখ্য কাহিনীর। যার রহস্য আজ পর্যন্ত কেউ ভেদ করতে পারেনি ।
সব কাহিনীর সাথেই একটা মিল পাওয়া যায় । যা হল "ত্রীৎ"
কে এই ত্রীৎ । কি চায় "তেনারা" । যারা আছে,ছিল,থাকবে...........................
অন্য রকম হররে আপনাকে স্বাগতম । কারণ আপনার সঙ্গী "তেনারা"
দুপুরে হাতে পেলাম বই । অবশ্য হাতে পাওইয়ার আগেই বইটা নিয়ে বেশ আগ্রহ ছিল । এর কারণ অবশ্য গুডরিডসের রিভিউ এবং বেশ কয়েকজনের মুখে মুহমুহ প্রশংসা। কিন্তু অফিসে বসে তো পড়া যায় না । তাই সারাদিন লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়েই সারা । অফিস ছুটি হতেই সবার আগে বের হয়ে বাসে চড়লাম। উদ্দেশ্য বাসে বসেই খেল খতম করে দেওয়ার । প্রতিদিনকার মত জ্যাম থাকলে অবশ্য জ্যামেই শেষ করে দিতাম । তবে শেষ না করতে পারলেও এগিয়ে রেখেছিলাম । আর এখন বাসায় এসে আয়েশ করে কফি খেতে খেতে শেষ করলাম ।
এটা যে লাভক্রাফটিয়ান হরর জনরার বই লেখক আগেই তা বলে নিয়েছেন। বাংলায় এই জনরার বই আগে লিখা হয়েছে বলে মনে হয় না। ।মাত্র ৯৫ পেইজের বই । অথচ সারা দুনিয়া ঘুরিয়ে আনলো এরমধ্যেই । দারুণ লাগলো । তাথাকথিত হরর থেকে ভিন্ন স্বাদের বই।
কাহিনী শুরু হয় মহাভারতের এক গুরুতবপূর্ণ চরিত্র দ্রোণের মাধ্যমে। দ্রোণের সাথে এই বইয়ের কি সম্পর্ক সেটা আপনি জানিবেন শেষ পাতায় । আপাতত এগিয়ে যেতে থাকেন। পরক্ষনেই দৃশ্য পরবর্তন।এ পর্যায়ে আমরা দেখা পাই বিখ্যাত লেখক আসগর সাহেবের । যিনি কিনা মারাত্নক প্যাচে পড়ে নিতান্তই বাধ্য হয়ে এক অজপাড়াগায়ের বস্তিতে উঠেন। এখানেই তিনি দেখা পান ল্যাংড়া সাচ্চুর। আজব এক কাহিনী শুনায় তাকে সাচ্চু । যেই কাহিনীর সাথে মিল পাওয়া যাচ্ছে সারা পৃথিবী জুড়ে চলা অসংখ্য কাহিনীর। যার রহস্য আজ পর্যন্ত কেউ ভেদ করতে পারেনি ।
সব কাহিনীর সাথেই একটা মিল পাওয়া যায় । যা হল "ত্রীৎ"
কে এই ত্রীৎ । কি চায় "তেনারা" । যারা আছে,ছিল,থাকবে...........................
অন্য রকম হররে আপনাকে স্বাগতম । কারণ আপনার সঙ্গী "তেনারা"
February 19, 2018
মানব জাতির অন্তিমকাল চলে এসেছে। না আমেরিকা-রাশিয়ার পারমানবিক যুদ্ধ শুরু হয়নি, না কোন প্রযুক্তি ব্যাকফায়ার করেছে, না জলবায়ুর পরিবর্তনে সমুদ্রের পানি এসে ভাসিয়েছে সব।
যারা এসেছে তারা মানব জাতির পুর্বে রাজত্ব করতো পৃথিবীতে। এতদিন ছিল লুকিয়ে লোকচক্ষুর অন্তরালে। কিন্তু এখন সময় প্রায় হয়ে এসেছে। তারা আবার দখল নেবে পৃথিবীর।
“ত্রিৎ ছিল, ত্রীৎ আছে, ত্রীৎ থাকবে।“
বহু বছর আগে একরাতের মধ্যেই ত্রীৎরা সাবড়ে দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার পুরো একটি গ্রাম। একজনও বাঁচেনি। ত্রীৎরা ফিরতে শুরু করেছে। এবার দেখা পাওয়া গেছে বাংলাদেশে। ঘটনাচক্রে তারা চোখে পরে যায় মোটর পার্টসের দোকানী সাচ্চুর। রাতের দেখা মাছের আশে গা মুড়ানো, মাথায় শুড় লাগানো আশটে গন্ধের ত্রীৎদের কথা অন্যদের বলতে গেলে সবাই ভাবে পাগল। একঘটনার প্রেক্ষিতে বিশিষ্ট লেখক আসগর সাহেব থাকতে যান ঐ বস্তিতে। সাচ্চুর কথায় তিনি নামেন ত্রীৎ দেখার রাতের অভিযানে, ইচ্ছা লেখার নতুন প্লট আবিষ্কার।
সেই অদ্ভূত রাতে পরিচয় ঘটে বহু বছর ধরে ত্রীৎ-এর পেছনে ছুটা গবেষক রেহমান সিদ্দীক আর তার বোনের সাথে।
এগিয়ে আসছে লড়াই। ত্রীৎরা অপেক্ষা করছে শুধু একজনের জন্য। তার আগমন অবসম্ভাবি। হে মানবজাতি সাবধান হও! ত্রীৎ আসছে তাদের সর্বশক্তি নিয়ে।
এবইয়ের প্রতি একটাই অভিযোগ এত তাড়াতাড়ি কেন শেষ হয়ে গেলো! লেখকের হাত ভালো, পড়া শুরু করলেই বইয়ের কাহিনীতে ঢুকে যাবেন পাঠক।
যারা এসেছে তারা মানব জাতির পুর্বে রাজত্ব করতো পৃথিবীতে। এতদিন ছিল লুকিয়ে লোকচক্ষুর অন্তরালে। কিন্তু এখন সময় প্রায় হয়ে এসেছে। তারা আবার দখল নেবে পৃথিবীর।
“ত্রিৎ ছিল, ত্রীৎ আছে, ত্রীৎ থাকবে।“
বহু বছর আগে একরাতের মধ্যেই ত্রীৎরা সাবড়ে দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার পুরো একটি গ্রাম। একজনও বাঁচেনি। ত্রীৎরা ফিরতে শুরু করেছে। এবার দেখা পাওয়া গেছে বাংলাদেশে। ঘটনাচক্রে তারা চোখে পরে যায় মোটর পার্টসের দোকানী সাচ্চুর। রাতের দেখা মাছের আশে গা মুড়ানো, মাথায় শুড় লাগানো আশটে গন্ধের ত্রীৎদের কথা অন্যদের বলতে গেলে সবাই ভাবে পাগল। একঘটনার প্রেক্ষিতে বিশিষ্ট লেখক আসগর সাহেব থাকতে যান ঐ বস্তিতে। সাচ্চুর কথায় তিনি নামেন ত্রীৎ দেখার রাতের অভিযানে, ইচ্ছা লেখার নতুন প্লট আবিষ্কার।
সেই অদ্ভূত রাতে পরিচয় ঘটে বহু বছর ধরে ত্রীৎ-এর পেছনে ছুটা গবেষক রেহমান সিদ্দীক আর তার বোনের সাথে।
এগিয়ে আসছে লড়াই। ত্রীৎরা অপেক্ষা করছে শুধু একজনের জন্য। তার আগমন অবসম্ভাবি। হে মানবজাতি সাবধান হও! ত্রীৎ আসছে তাদের সর্বশক্তি নিয়ে।
এবইয়ের প্রতি একটাই অভিযোগ এত তাড়াতাড়ি কেন শেষ হয়ে গেলো! লেখকের হাত ভালো, পড়া শুরু করলেই বইয়ের কাহিনীতে ঢুকে যাবেন পাঠক।
February 22, 2019
জাহিদ হোসেন ভাই বাতিঘরের সবচাইতে পছন্দের লেখক আমার কাছে। তার বই মানেই অন্য রকম একটা কিছু। সেই অন্যরকম ব্যাপারটা 'একজোড়া চোখ খোঁজে আরেকজোড়া চোখকে' বইতেও পেয়েছি।
যা ভালো লেগেছেঃ
১. চমৎকার প্লট। কেন যেন মনে হয়েছে এই প্লটটা নিয়ে সেই রকম একটা মুভি হতে পারে।
২. বর্ণনাভঙ্গী। এটা নিয়ে আসলে আলাদা করে বলার কিছু নেই। তার প্রতিটা লেখার মাঝে যে প্রচন্ড হিউমারটা থাকে সেটা এই বইটাতেও পেয়েছি।
যা ভালো লাগেনিঃ
একটা জিনিসই ভালো লাগেনি। সেটা হলো বইটাকে নভেলা আকারে প্রকাশ। এই প্লটে আমার ধারণা অনায়াসেই একটা উপন্যাস লিখে ফেলা যেত। গতকাল (২২-০২-২০১৯) রাতে আটটার সময় বইমেলা থেকে বইটা কিনে বাসে উঠে পড়তে শুরু করলাম। বাস মিরপুরে আসার আগেই বই শেষ। এইটা কিছু হইলো?
যা ভালো লেগেছেঃ
১. চমৎকার প্লট। কেন যেন মনে হয়েছে এই প্লটটা নিয়ে সেই রকম একটা মুভি হতে পারে।
২. বর্ণনাভঙ্গী। এটা নিয়ে আসলে আলাদা করে বলার কিছু নেই। তার প্রতিটা লেখার মাঝে যে প্রচন্ড হিউমারটা থাকে সেটা এই বইটাতেও পেয়েছি।
যা ভালো লাগেনিঃ
একটা জিনিসই ভালো লাগেনি। সেটা হলো বইটাকে নভেলা আকারে প্রকাশ। এই প্লটে আমার ধারণা অনায়াসেই একটা উপন্যাস লিখে ফেলা যেত। গতকাল (২২-০২-২০১৯) রাতে আটটার সময় বইমেলা থেকে বইটা কিনে বাসে উঠে পড়তে শুরু করলাম। বাস মিরপুরে আসার আগেই বই শেষ। এইটা কিছু হইলো?
February 2, 2018
সদ্য বইমেলা থেকে কিনে নিয়ে আসলাম। লেখক বইয়ের ফ্ল্যাপে নিজেই প্রশ্ন করেছেন নভেলাটি আদৌ হরর হয়েছে কিনা। হরর হয়েছে কিনা তা বলতে পারবো না, তবে লাভক্র্যাফটায়িন হরর যে হয়েছে তা নিশ্চিন্তে বলতে পারি। লেখক দেশীয় প্রেক্ষাপটে উদ্ভট ঘটনাবলীকে সুন্দরভাবে সাজিয়েছেন। বিদেশে ঘটা অদ্ভুত ঘটনাগুলো শক্তিশালী সমর্থন দিয়েছে ঘটে যাওয়া সেই ঘটনাগুলোর উদ্ভটতা বাড়াতে। অপার্থিব 'ত্রীৎ' ভাষার পুনঃপুন ব্যবহার গায়ের রোম খাঁড়া করে দিয়েছে। ঘটনার ব্যাখ্যা ভালমত খুঁজে না পাওয়াই লাভক্র্যাফটায়িন হররের বড় শর্ত আর সেই শর্ত লেখক পুরোপুরি পালন করেছেন। বইয়ের শেষে আধো সম্ভাবনা আর আশু বিপদের আধো সংকেত দিয়ে টেনশন আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন লেখক। সব মিলিয়ে অত্যন্ত সুপাঠ্য আর ছমছমে একটা বই। এক ঘন্টায় শেষ করে অদ্ভুত একটা অনুভূতি হচ্ছে।
April 5, 2021
লাভক্রফট খুব প্রিয় বলা ঠিক হবে না, সব পড়াও হয়নি, কিন্তু কিছু গল্প অবশ্যই ইন্টারেস্টিং, মনে দাগ কাটার মতো। লাভক্রফটিয়ান জিনিসে "নতুন" আইডিয়া পাওয়া মুশকিল, তবু এই বইটা নিয়ে আশা ছিলো, পূরণ হয় নাই৷ আমার ব্যক্তিগত পাঠকসত্ত্বার অনুভব - চলবে টাইপ গল্প, চলবে টাইপ লেখনি। আইডিয়া, লেখনি কিছুতেই নতুনত্ব বা আকর্ষণ ছিলো না আমার জন্যে।
যারা এরকম কিছু একদমই পড়েনি আগে, কিন্তু হরর ভালবাসে তাদের কিন্তু বইটা বেশ ভালো লাগার কথা বাই দ্য ওয়ে, কাজেই এই রিভিউ শুধুমাত্র আমার মতো পাঠকের তরফ থেকে, বইটা বা লেখককে খারিজ করার উদ্দেশ্যে না।
যারা এরকম কিছু একদমই পড়েনি আগে, কিন্তু হরর ভালবাসে তাদের কিন্তু বইটা বেশ ভালো লাগার কথা বাই দ্য ওয়ে, কাজেই এই রিভিউ শুধুমাত্র আমার মতো পাঠকের তরফ থেকে, বইটা বা লেখককে খারিজ করার উদ্দেশ্যে না।
April 9, 2018
লাভক্রাফট ব্যপারটার সাথে আগে পরিচয় নাই, "একজোড়া চোখ খোঁজে আরেকজোড়া চোখকে" নভেলা পড়ে বেশ আগ্রহ জেগেছে এই ব্যপারে। বইটা পড়ে খুব ভালো লেগেছে। ছোট পরিসরে গোছানো একটা গল্প। কোণ অজাচিত ইনফরমেসন নেই। কাহিনী আগাতে যতটুকু দরকার ততটুকুই আছে। বেশ থ্রিল আছে প্রতি পাতায়। পরবর্তীতে কি হচ্ছে তা জানার ইচ্ছে হয়। আমি ঠিক এটাকে হরর বলব না কিন্তু এটা দারুণ থ্রিলার। আমার বেশ ভালো লেগেছে এই নতুন ধারার থ্রিলার, আশা করি আপনাদেরও লাগবে। :)
Read
February 23, 2018দ্যাট মোমেন্ট যখন রিডিং এ এড করে পড়তে বসার ৩০-৪০ মিনিটের মাথায় বইই শেষ হয়ে যায়!
বাংলায় এই জনরার বই আগে কখনো পড়া হয়নি। বেশ ইউনিক। আর ছোটগল্পের মত সাইজ হওয়ায় কাহিনীর আরো কিছুদূর না যাওয়ার আক্ষেপটা থেকেই গেলো। আশা করবো লেখক যাতে এটা কন্টিনিউ করেন, সামনে এই স্টোরিলাইনে আরেকটা বইয়ের দেখা পেলে মন্দ হবে না ব্যাপারটা।
বাংলায় এই জনরার বই আগে কখনো পড়া হয়নি। বেশ ইউনিক। আর ছোটগল্পের মত সাইজ হওয়ায় কাহিনীর আরো কিছুদূর না যাওয়ার আক্ষেপটা থেকেই গেলো। আশা করবো লেখক যাতে এটা কন্টিনিউ করেন, সামনে এই স্টোরিলাইনে আরেকটা বইয়ের দেখা পেলে মন্দ হবে না ব্যাপারটা।
February 20, 2022
বরাবরের মতনই দারুন। লাভক্রাফটিয়ান জনরার ডিসটার্বং আবহ ছিল গল্পজুড়ে, সাথে ছিল কিছু ডার্ক সাইডের দৃষ্টিভঙ্গি (যেগুলোকে এডাল্ট বলা চলে)। জাহিদ হোসেনের ডার্ক, মিথ, অজানার আতঙ্ক ব্যাখার সিগনেচার স্টাইলটা যারপরনাই সন্তুষ্ট করে প্রতিবার।
September 27, 2025
এতো দ্রুত শেষ হয়ে গেল কেন? দারুণ! ^-^
August 19, 2023
লাভক্র্যাফটের গল্পগুলোর সাথে পরিচিত না বলে হয়তো কিছু একটা মিস করে গেছি। কোথায় যেন কিছু একটা পেলাম না - এমন মনে হচ্ছে বারবার। জাহিদ হোসেনের গল্প বলার স্টাইল বরাবরের মতোই দারুণ! চেনা-পরিচিত উপাদানগুলোকে লেখক অচেনা মোড়কে ঢেকে দিতে পারেন।
"ত্রীৎ জিন্দা হ্যায়"
"ত্রীৎ জিন্দা হ্যায়"
July 6, 2020
Gripping 🙂
August 7, 2023
নামটা শুনতে যদিও রোমান্টিক উপন্যাস লাগছে কিন্তু এটা তার ঠিক উলটো।
এটি মূলত লাভক্রাফটিয়ান হরর থ্রিলার । এই জনরাতে প্রচলিত ভুত প্রেত জিন টাইপ ভৌতিক ব্যাপার বাদ দিয়ে অপার্থিব জীব দিয়ে পাঠককে আতংকিত করা হয়। প্লটটা দারুন। তবে থ্রিলারের যে টান টান সাসপেন্স তা কিছু জায়গায় ঢিলে হয়েছে, বিশেষ করে শেষ দিকটা প্রেডিক্টেবল লেগেছে।
৩/৫
এটি মূলত লাভক্রাফটিয়ান হরর থ্রিলার । এই জনরাতে প্রচলিত ভুত প্রেত জিন টাইপ ভৌতিক ব্যাপার বাদ দিয়ে অপার্থিব জীব দিয়ে পাঠককে আতংকিত করা হয়। প্লটটা দারুন। তবে থ্রিলারের যে টান টান সাসপেন্স তা কিছু জায়গায় ঢিলে হয়েছে, বিশেষ করে শেষ দিকটা প্রেডিক্টেবল লেগেছে।
৩/৫
January 8, 2022
লাভক্র্যাফটিয়ান হরর জনরার সাথে পরিচয় হলো বইটার মধ্য দিয়ে। তো পরিচয়পর্বটা কেমন হলো? মোটামুটি বলবো।
কাহিনীটা একটু খাপছাড়া মনে হলো। স্থান-কালের বেশি পরিবর্তনের জন্য গতি স্লো হয়ে গেছে কিছুটা। আর হরর? তেমনটা মনে হলো না। ত্রিৎ বাবাজিকে ভয় পাই নাই একটুও!
লেখকের লেখনী পছন্দ হয়েছে। একটা কবিতা আছে, ভালো লেগেছে। অনেক জায়গায় ব্যবহার করা যাবে।
কাহিনীটা একটু খাপছাড়া মনে হলো। স্থান-কালের বেশি পরিবর্তনের জন্য গতি স্লো হয়ে গেছে কিছুটা। আর হরর? তেমনটা মনে হলো না। ত্রিৎ বাবাজিকে ভয় পাই নাই একটুও!
লেখকের লেখনী পছন্দ হয়েছে। একটা কবিতা আছে, ভালো লেগেছে। অনেক জায়গায় ব্যবহার করা যাবে।
February 27, 2018
লাভক্র্যাফটিয়ান হরর এই শব্দটার সাথেই পরিচিত ছিলাম না। কিছুদিন আগে মনে হয় এই জনরার একটা গল্পসমগ্র বের হয়েছিল। তখন নামটা প্রথম শুনি। যাই হোক জাহিদ ভাইয়ের বই দেখে সংগ্রহ করেছিলাম। ভেতরে কি আছে কিছুই জানতাম না। তাই মোটামুটি অন্ধকারে থেকেই শুরু করেছিলাম। তবে হতাশ হইনি বলা যায়।
প্রথম থেকেই গল্পটা একটু একটু করে এগুচ্ছিল। সাথে আমিও। ত্রিৎ ভাষার উদ্ভট শব্দগুলো উচ্চারণ করতে গিয়ে দাঁত ভাঙ্গার দশা প্রায়। থাক ওগুলো ত্রিতেরাই বলুক, ওগুলো আমার জন্য না। সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে বইটার নামটা- "একজোড়া চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে"। কি দারুন আবেগময় একটা লাইন, ঠিক ততটাই ভয়ংকর যদি অন্তর্বর্তী অর্থ খুঁজতে চাই তবে।
সবশেষে হরর আমার একদমই পছন্দের জনরা না। এমনকি মজা করা জন্যও না। তবুও এই নভেলাটা পড়তে ভালো লেগেছে। সম্ভবত সুন্দর সাবলিল ভাষা (গালাগালি বা স্ল্যাং যা ছিল তা আসলে বস্তির আর তথাকথিত ইয়াং জেনারেশনের চরিত্রের প্রয়োজনে এসেছে বলে আমার মনে হয়েছে।), কাহিনীর পরিপূর্নতা আর বিভিন্ন মিথ আর ঘটনাবলীর সামঞ্জস্যের জন্য হয়েছে। আশা করি ভালো লাগবে সবার যেমন আমার লেগেছে।
হ্যাপি রিডিং।।।
প্রথম থেকেই গল্পটা একটু একটু করে এগুচ্ছিল। সাথে আমিও। ত্রিৎ ভাষার উদ্ভট শব্দগুলো উচ্চারণ করতে গিয়ে দাঁত ভাঙ্গার দশা প্রায়। থাক ওগুলো ত্রিতেরাই বলুক, ওগুলো আমার জন্য না। সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে বইটার নামটা- "একজোড়া চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে"। কি দারুন আবেগময় একটা লাইন, ঠিক ততটাই ভয়ংকর যদি অন্তর্বর্তী অর্থ খুঁজতে চাই তবে।
সবশেষে হরর আমার একদমই পছন্দের জনরা না। এমনকি মজা করা জন্যও না। তবুও এই নভেলাটা পড়তে ভালো লেগেছে। সম্ভবত সুন্দর সাবলিল ভাষা (গালাগালি বা স্ল্যাং যা ছিল তা আসলে বস্তির আর তথাকথিত ইয়াং জেনারেশনের চরিত্রের প্রয়োজনে এসেছে বলে আমার মনে হয়েছে।), কাহিনীর পরিপূর্নতা আর বিভিন্ন মিথ আর ঘটনাবলীর সামঞ্জস্যের জন্য হয়েছে। আশা করি ভালো লাগবে সবার যেমন আমার লেগেছে।
হ্যাপি রিডিং।।।
March 8, 2020
এ এক অদ্ভুত সুন্দর বই। একই সঙ্গে ভয়ঙ্করও বটে। এরকম একটি বইয়েও জাহিদ হোসেন যেভাবে হিউমারের উপস্থিতি ঘটিয়েছেন, সেটা প্রশংসনীয়।
April 5, 2021
পার্ফেক্ট লভক্র্যাফটিয়ান নভেলা! বরাবরের মতো সেই "ফিয়ার অব আননোন" এর পার্ফেক্ট এক্সিকিউশন ছিল। এন্ডিং এ তাড়াহুড়ার ছাপ ছিল না। ট্র্যাডিশনাল সিথুলহু মিথোলজির বাইরে গিয়ে "হোমো-ত্রীৎ" এর উত্থান দুর্দান্ত লেগেছে।
February 3, 2018
“The oldest and strongest emotion of mankind is fear, and the oldest and strongest kind of fear is fear of the unknown” - H.P. Lovecraft
-
বাংলা ভাষায় হরর টাইপের গল্প উপন্যাস বেশ আগে থেকেই চলে আসছে।তবে বর্তমানের বেশিরভাগ হরর উপন্যাসই এক ধরনের নির্দিষ্ট ছকে বাধা থাকে।আর সেই গতানুগতিক ছক থেকে একদম অন্য ধরনের এক নভেলা লেখক জাহিদ হোসেনের "এক জোড়া চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে " .
-
" এক চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে " গল্পের মূল কাহিনী এক মফস্বলের বস্তিতে গা ঢাকা দিয়ে থাকা লেখক আসগর আলীকে ঘিরে। ঘটনাক্রমে বস্তির পাশের চায়ের দোকানে সাচ্চু নামের এক লোকের কাছে তিনি শোনেন অদ্ভুত এক গল্প। তারপর সেই গল্পের সত্যতা জানতে সাচ্চুকে নিয়ে বেরিয়ে পড়েন তিনি।
-
তার সেই অভিযানে যোগ হন রেহমান সিদ্দিক ও তার বোন ফারহানা। আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসতে থাকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দেশের নানা পরাবাস্তব ঘটনা যার প্রতিটার সাথে সংযোগ রয়েছে ত্রীৎ নামক এক প্রাণী। এখন এই পরাবাস্তব ঘটনাগুলোর কারণ কি ? সত্যিই কি এসব ঘটনার সাথে কোন প্রাণীর সম্পর্ক আছে আর তারা কি পারবে এ সকল ঘটনা বন্ধ করতে ? এ সব কিছু জানতে হলে পড়তে হবে "এক চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে " .
-
বাংলাদেশে নানা ধরণের হরর নিয়ে লেখা হলেও লাভক্র্যাফ্টিয়ান হরর নিয়ে এতো দারুন লেখা খুব একটা চোখে পড়েনি। সেদিক থেকে বলতে গেলে লেখক দারুন সফল হয়েছেন সেই ধরনের এক environment create করতে। গল্পের মূল থিমে misanthropy এর ভাব দারুণভাবে বোঝা গেছে যা লাভক্র্যাফ্টিয়ান হরর এর অন্যতম প্রধান উপাদান।
-
গল্প প্রথম থেকেই খুব ফাস্ট পেসড এবং এক বসায় শেষ করে দেয়ার মতো। চরিত্রগুলোও ঠিক ঠাক (প্রধান চরিত্র গুলো বলা চলে প্রত্যেকেই socially isolated অবস্থায় ছিল যেটাও এ ধরনের সাব - জনরায় অনেক পাওয়া যায় ) গল্পের নেরেটিং স্টাইল The Shadow over Innsmouth বা The Call of Cthulhu এর কথা মনে করিয়ে দেয়।
-
অযথা কাহিনী না বাড়িয়ে মাত্র ৯৬ পৃষ্ঠায় এদেশের প্রেক্ষাপটে লাভক্র্যাফ্টিয়ান হরর টাইপের এই দারুন লেখার জন্য লেখক বাহবা পেতেই পারেন। ব্যক্তিগতভাবে H.P. Lovecraft খুব পছন্দের লেখক হওয়ায় তার লেখার কিছু সিগনেচার এলিমেন্ট দেখতে পায়ে আরো ভালো লেগেছে।
-
এক কথায় , এদেশের গতানুগতিক হরর বইগুলোর চেয়ে একদম আলাদা ধরণের এক নভেলা "এক জোড়া চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে " যাদের একটু অন্য ধরনের রহস্য/হরর বই পড়তে ভালো লাগে তাদের জন্য পারফেক্ট বই "এক জোড়া চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে "।
-
বাংলা ভাষায় হরর টাইপের গল্প উপন্যাস বেশ আগে থেকেই চলে আসছে।তবে বর্তমানের বেশিরভাগ হরর উপন্যাসই এক ধরনের নির্দিষ্ট ছকে বাধা থাকে।আর সেই গতানুগতিক ছক থেকে একদম অন্য ধরনের এক নভেলা লেখক জাহিদ হোসেনের "এক জোড়া চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে " .
-
" এক চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে " গল্পের মূল কাহিনী এক মফস্বলের বস্তিতে গা ঢাকা দিয়ে থাকা লেখক আসগর আলীকে ঘিরে। ঘটনাক্রমে বস্তির পাশের চায়ের দোকানে সাচ্চু নামের এক লোকের কাছে তিনি শোনেন অদ্ভুত এক গল্প। তারপর সেই গল্পের সত্যতা জানতে সাচ্চুকে নিয়ে বেরিয়ে পড়েন তিনি।
-
তার সেই অভিযানে যোগ হন রেহমান সিদ্দিক ও তার বোন ফারহানা। আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসতে থাকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দেশের নানা পরাবাস্তব ঘটনা যার প্রতিটার সাথে সংযোগ রয়েছে ত্রীৎ নামক এক প্রাণী। এখন এই পরাবাস্তব ঘটনাগুলোর কারণ কি ? সত্যিই কি এসব ঘটনার সাথে কোন প্রাণীর সম্পর্ক আছে আর তারা কি পারবে এ সকল ঘটনা বন্ধ করতে ? এ সব কিছু জানতে হলে পড়তে হবে "এক চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে " .
-
বাংলাদেশে নানা ধরণের হরর নিয়ে লেখা হলেও লাভক্র্যাফ্টিয়ান হরর নিয়ে এতো দারুন লেখা খুব একটা চোখে পড়েনি। সেদিক থেকে বলতে গেলে লেখক দারুন সফল হয়েছেন সেই ধরনের এক environment create করতে। গল্পের মূল থিমে misanthropy এর ভাব দারুণভাবে বোঝা গেছে যা লাভক্র্যাফ্টিয়ান হরর এর অন্যতম প্রধান উপাদান।
-
গল্প প্রথম থেকেই খুব ফাস্ট পেসড এবং এক বসায় শেষ করে দেয়ার মতো। চরিত্রগুলোও ঠিক ঠাক (প্রধান চরিত্র গুলো বলা চলে প্রত্যেকেই socially isolated অবস্থায় ছিল যেটাও এ ধরনের সাব - জনরায় অনেক পাওয়া যায় ) গল্পের নেরেটিং স্টাইল The Shadow over Innsmouth বা The Call of Cthulhu এর কথা মনে করিয়ে দেয়।
-
অযথা কাহিনী না বাড়িয়ে মাত্র ৯৬ পৃষ্ঠায় এদেশের প্রেক্ষাপটে লাভক্র্যাফ্টিয়ান হরর টাইপের এই দারুন লেখার জন্য লেখক বাহবা পেতেই পারেন। ব্যক্তিগতভাবে H.P. Lovecraft খুব পছন্দের লেখক হওয়ায় তার লেখার কিছু সিগনেচার এলিমেন্ট দেখতে পায়ে আরো ভালো লেগেছে।
-
এক কথায় , এদেশের গতানুগতিক হরর বইগুলোর চেয়ে একদম আলাদা ধরণের এক নভেলা "এক জোড়া চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে " যাদের একটু অন্য ধরনের রহস্য/হরর বই পড়তে ভালো লাগে তাদের জন্য পারফেক্ট বই "এক জোড়া চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে "।
July 2, 2018
এক জোড়া চোখ খোজেঁ আরেক জোড়া চোখকে
জাহিদ হোসেন
লাভক্রাফট হরর
বাতিঘর প্রকাশনী
আসগর সাহেব, একজন লেখক। পরকীয়া করে ধরা খেয়ে জীবন বাঁচাতে মফস্বলের এক বস্তিতে লুকিয়েছেন। বস্তিতে লেখালেখির চেষ্টা, অশ্লীল ফ্যান্টাসি করে ভালোই দিন কাটছিলো তার। একদিন হঠাৎ করেই বস্তির সাচ্চু নামের একজনের কাছে ঐ এলাকাতে এক আজব ঘুহার সন্ধান পায় সে। সেখানে যেয়ে সে এক অদ্ভুদ শুড়ওয়ালা প্রাণী দেখতে পায়। অদ্ভূত ভাষায় কথা বলে প্রাণীগুলো।
রেহমান সাহেব প্রাইভেট ভার্সিটিতে পড়ান। বিভিন্ন বইপত্র পড়েন তিনি। তিনিও একই ধরনের প্রাণীর সন্ধান সেই গুহাতে। তার সাথে পরিচয় হয় আসগরের। তারা গবেষণায় মেতে ওঠেন ঐ অদ্ভুদ প্রানী নিয়ে।
অস্ট্রেলিয়ার ব্রিগুদা গ্রামের সবাই এক অদ্ভূত শুর ওয়ালা প্রাণীর স্বপ্ন দেখে। কিছুদিনের মধ্যে ঐ গ্রামের সবাই কিসেন যেন আক্রমনে মারা যায়। কি সম্পর্ক আসগর, রেহমান , অদ্ভুত প্রাণীর মধ্যে?? কি বা চাই তারা?
জাহিদ হোসেনের লেখা এই নভেলাটা বাংলাদেশে একেবারেই নতুন জনরা(সম্ভবত এখন পর্যন্ত একমাত্র)। ৯৫ পেজের বইটাই অনেক সুন্দরভাবে বিষয়টা ন্যারেট করা হয়েছে। প্রথম বিশ পেজে অনেকেরই অশ্লীল গল্প মনে হহতে পারে কিন্তু আসগর সাহেবের ক্যারেক্টার আর পরিবেশ বুঝাতে দরকার ছিলো ওটুকু। গল্পের প্রয়োজনে লেখক ব্রিটিশ আর রাশিয়ান উপকথা এনেছেন , ওই দুইটাও ইন্টারেস্টিং ছিলো। এছাড়াও কিছু জায়গায় ভালোই রসিকতা পাওয়া গেছে যেগুলো নভেলাটাতে অন্য মাত্রা যোগ করেছে। পরিশেষে, দেশে নতুন এ জনরার নভেলাটা বেশ উপভোগ্য মনে হয়েছে।
জাহিদ হোসেন
লাভক্রাফট হরর
বাতিঘর প্রকাশনী
আসগর সাহেব, একজন লেখক। পরকীয়া করে ধরা খেয়ে জীবন বাঁচাতে মফস্বলের এক বস্তিতে লুকিয়েছেন। বস্তিতে লেখালেখির চেষ্টা, অশ্লীল ফ্যান্টাসি করে ভালোই দিন কাটছিলো তার। একদিন হঠাৎ করেই বস্তির সাচ্চু নামের একজনের কাছে ঐ এলাকাতে এক আজব ঘুহার সন্ধান পায় সে। সেখানে যেয়ে সে এক অদ্ভুদ শুড়ওয়ালা প্রাণী দেখতে পায়। অদ্ভূত ভাষায় কথা বলে প্রাণীগুলো।
রেহমান সাহেব প্রাইভেট ভার্সিটিতে পড়ান। বিভিন্ন বইপত্র পড়েন তিনি। তিনিও একই ধরনের প্রাণীর সন্ধান সেই গুহাতে। তার সাথে পরিচয় হয় আসগরের। তারা গবেষণায় মেতে ওঠেন ঐ অদ্ভুদ প্রানী নিয়ে।
অস্ট্রেলিয়ার ব্রিগুদা গ্রামের সবাই এক অদ্ভূত শুর ওয়ালা প্রাণীর স্বপ্ন দেখে। কিছুদিনের মধ্যে ঐ গ্রামের সবাই কিসেন যেন আক্রমনে মারা যায়। কি সম্পর্ক আসগর, রেহমান , অদ্ভুত প্রাণীর মধ্যে?? কি বা চাই তারা?
জাহিদ হোসেনের লেখা এই নভেলাটা বাংলাদেশে একেবারেই নতুন জনরা(সম্ভবত এখন পর্যন্ত একমাত্র)। ৯৫ পেজের বইটাই অনেক সুন্দরভাবে বিষয়টা ন্যারেট করা হয়েছে। প্রথম বিশ পেজে অনেকেরই অশ্লীল গল্প মনে হহতে পারে কিন্তু আসগর সাহেবের ক্যারেক্টার আর পরিবেশ বুঝাতে দরকার ছিলো ওটুকু। গল্পের প্রয়োজনে লেখক ব্রিটিশ আর রাশিয়ান উপকথা এনেছেন , ওই দুইটাও ইন্টারেস্টিং ছিলো। এছাড়াও কিছু জায়গায় ভালোই রসিকতা পাওয়া গেছে যেগুলো নভেলাটাতে অন্য মাত্রা যোগ করেছে। পরিশেষে, দেশে নতুন এ জনরার নভেলাটা বেশ উপভোগ্য মনে হয়েছে।
Displaying 1 - 30 of 113 reviews






























