Jump to ratings and reviews
Rate this book

রাজধানীতে তুলকালাম

Rate this book
প্যাস্টিশ লিখতে হলে, মূল লেখকের অরিজিনাল স্টাইলটি মেনে চলতেই হবে। তবে ফ্যান ফিকশন লিখতে গেলে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা থাকে না। একটি সফল প্যাস্টিশ লেখার জন্য গবেষণা করা অত্যন্ত জরুরী। পাঠক হয়ে যখন তরতর করে বইটি পড়ে চলেছেন তখন এক কথা, আর যখন লেখকের জুতোয় পা গলিয়ে তাঁকে যথাযথ ভাবে অনুকরণ করে লেখার চেষ্টা করছেন সে আরেক কথা। কাজটি বলতে গেলে অপরিসীম কঠিনও।
বাঙালি গোয়েন্দাদের মধ্যে অগ্রগণ্য হলেন ফেলুদা। ফেলুদাকে নিয়ে প্যাস্টিশ নেই, তবে ফ্যান ফিকশন আছে বেশ কিছু। ফেলুদার প্রথম গল্পের পঞ্চাশ বছরপূর্তি উপলক্ষে ‘টগবগ’ পত্রিকার উৎসব সংখ্যার (২০১৬) জন্য প্রবীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লিখেছিলেন ফেলুদা প্যাস্টিশ ‘রাজধানীতে তুলকালাম’। যা প্যাস্টিশ হিসেবে কলকাতার পাঠকদের মাঝে জনপ্রিয় হয়ে উঠে। কলকাতার পর এবার বাংলাদেশে পুঁথি পুরাণ হতে প্রকাশিত হচ্ছে প্রবীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ফেলুদা প্যাস্টিশ ‘রাজধানীতে তুলকালাম’। থাকছে অভীক কুমার মৈত্র-এর চমৎকার সব ইলাস্ট্রেশান !


৪। প্রতিযোগিতা চলবে আগামি ১০ নভেম্বর রাত ১১.৫৯ পর্যন্ত।
৫। পোস্টদাতাদের মধ্য থেকে দৈবচয়নে নির্বাচিত তিনজন সৌভাগ্যবান বিজয়ী পাবেন বইটির এক কপি উপহার।
৬। বিজয়ী ইতিমধ্যে কোনো বুকশপে বইটি প্রি অর্ডার করে থাকলে, সেক্ষেত্রে বইটির মূল্য রিফান্ড করে দেওয়া হবে।

তাহলে ঝটপট লিখে ফেলুন আপনার পোস্ট আর অংশগ্রহণ করুন #টিপিএ_পুঁথিপুরাণ_ফেলুদা_প্যাস্টিশ_গিভঅ্যাওয়ে তে।

65 pages, Unknown Binding

Published November 1, 2022

2 people are currently reading
21 people want to read

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
7 (12%)
4 stars
14 (25%)
3 stars
35 (62%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 10 of 10 reviews
Profile Image for Alvi Rahman Shovon.
474 reviews15 followers
March 29, 2024
প্যাস্টিশ হিসেবে অনেক ভালো ছিলো বইখানা। রহস্যের গভীরতা বেশ কম লেগেছে কিন্তু শেষে এসে জট খোলার পর বেশ ভালো লেগেছে।
Profile Image for Rehnuma.
449 reviews23 followers
Read
December 18, 2022
ফেলুদা ফিরে এসেছে। অনেক বছর বাদে সত্যজিৎ রায়ের স্বাদে ফেলুদা ফিরে এসেছে। আহ্ কী আনন্দ! কী আনন্দ!
লালমোহনবাবু গল্পের প্লট এবার কলকাতা ছাড়িয়ে নিয়ে যেতে চান রাজধানীতে, অর্থাৎ দিল্লীতে। দিল্লীর দূর্গা পূজোও দেখা হয়ে যাবে খন। সাথে বাঙালি সোসাইটির একটা নিমন্ত্রণে বক্তব্য রাখতে হবে জটায়ুকে। দিল্লী যাত্রায় তাই সঙ্গী অবশ্যই ফেলুদা এবং তোপসে।
কিন্তু ফেলুদা যেখানে রহস্য কী করে না থাকে সেখানে? এবার তাই যাত্রার আগেই রহস্য পেয়ে গেলেন হাতে। এবারের কেসের জোগানদাতা স্বয়ং সিধু জ্যাঠা। খুঁজতে হবে মিসিং ❛রুবি আইড প্যারোট❜। এর আবার রাজকীয় ইতিহাস আছে। তো ট্যা ট্যা ট্যাডে ট্যা.... রহস্য সমাধানের নতুন যাত্রা শুরু। সিধু জ্যাঠাকে নিরাশ করা একদম যাবেনা।
দিল্লীর পূজো দর্শন আর মিসিং টিয়া রহস্য সমাধানে ফেলুদা একের পর এক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। সাথে দেখা হচ্ছে নতুন মানুষের সাথে। এডি মধ্যে কে সাধু আর কে মুখোশধারী সেটা বুঝতেই মগজের শান হচ্ছে বেশ। ঘটনার পর ঘটনা, রহস্যের পর নতুন রহস্য আর একটা বইয়ের ২৩৫ পৃষ্ঠার চমকে দেয়া তথ্য মিলে একেবারে রাজধানীতে তুলকালাম অবস্থা। রহস্য সমাধানের দ্বারপ্রান্তে ফেলুদা। কে মুখ আর কে মুখোশ ক্রমশ প্রকাশ্য।

পাঠ প্রতিক্রিয়া:
বেশ কয়েকদিন ধরেই সংগ্রহে থাকা বেশ কয়েকটা ফেলুদা পড়েছি। সেই অনুভূতি তাজা থাকতে থাকতেই পড়ে ফেললাম ❛ফেলুদা প্যাস্টিশ❜ এর প্রথম গল্প ❛রাজধানীতে তুলকালাম❜। এক কথায় মত দিলে বলতে হবে ❛Old wine in new bottle❜। সেই সময়ের ফেলুদা ফিল পেয়েছি। প্যাস্টিশের ধরনই যেহেতু হুবহু মূল লেখকের ধাঁচে লেখা সেহেতু ঠিক সেই সময়ের ফিল পাওয়াটাই স্বাভাবিক।
রায় বাবুর ধাতে ফেলুদা লেখা যথেষ্ঠ কষ্টসাধ্য এবং সাহসী কাজ। সেক্ষেত্রে লেখক সফল। গল্পের প্লট বেশ ভালো। পড়তে একঘেঁয়ে লাগেনি মোটেও। রহস্যের জল বিছানো, তার সমাধানের জন্য মগজের খেল সবই দারুণ ছিল।
তবে বেশ কয়েক পেইজ এগিয়েই মূল রহস্য বা শেষ সমাধান কী, কেমন হতে পারে আন্দাজ করে ফেলেছিলাম। শেষটায় আমার মনে হয়েছে সমাধানের সময় কিংবা গল্পের ক্লাইম্যাক্স অংশটুকু আরেকটু লিখতে পারতেন বা একটু বিস্তর থাকতে পারতো। এতে উপভোগ্য লাগতো আরেকটু বেশি।
বইয়ের ভেতরে আর্টগুলো বেশ ভালো লেগেছে। সাথে বইয়ের প্রচ্ছদটাও সুন্দর। ক্রাউন সাইজের এক মলাটে দুই বইয়ের প্রোডাকশন কোয়ালিটিতে পুঁথি পুরাণ সফল। সাথের বুকমার্কগুলোও অনেক সুন্দর।

বই: রাজধানীতে তুলকালাম
লেখক: প্রবীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
প্রকাশনী: পুঁথি পুরাণ
Profile Image for সুমাইয়া সুমি.
248 reviews3 followers
December 19, 2023
এরম ছোট্ট কিউট একটা বই শীতের সকালে কম্বল মুড়িয়ে চায়ের কাপ হাতে পড়তে মন্দ না আসলে।
সেই কৈশোরে একটু করে ঘুরেফিরে আসাটা সবসময়ই আনন্দদায়ক।
বলবো না একেবারে ফাটাফাটি কিছু তবে ওই সেই ফেলুদার নতুন গল্প পড়ার অনুভূতিটা আবার পেলাম এটাই বা কম কিসে?
Profile Image for Progoti Paul.
80 reviews4 followers
January 12, 2023
বই: “রাজধানীতে তুলকালাম” এবং “টেরাকোটা টালমাটাল”
(এক মলাটে দুটি ফেলুদা প্যাস্টিশ, হার্ডকাভার)
লেখক: প্রবীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ইলাস্ট্রেশান: অভীক কুমার মৈত্র
প্রচ্ছদ: পরাগ ওয়াহিদ
জনরা: গোয়েন্দা কাহিনী
মুদ্রিত মূল্য: ৩৫০ টাকা



ভূমিকা: "ফ্যান ফিকশন" এবং "প্যাস্টিশ"-এর মধ্যে তফাৎ কী?

প্যাস্টিশ লিখতে হলে, মূল লেখকের অরিজিনাল স্টাইলটি মেনে চলতেই হবে। তবে ফ্যান ফিকশন লিখতে গেলে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা থাকে না। একটি সফল প্যাস্টিশ লেখার জন্য গবেষণা করা অত্যন্ত জরুরী।

পাঠক হয়ে যখন তরতর করে বইটি পড়ে চলেছেন তখন এক কথা, আর যখন লেখকের জুতোয় পা গলিয়ে তাঁকে যথাযথ ভাবে অনুকরণ করে লেখার চেষ্টা করছেন সে আরেক কথা। কাজটি বলতে গেলে অপরিসীম কঠিনও।
হয়তো সে কারণেই ‘ফ্যান ফিকশন’ শব্দটি একটু তাচ্ছিল্যের সঙ্গেই ব্যবহৃত হয়, ‘প্যাস্টিশ’ শব্দটি কিন্তু বনেদী ঘরানার। অবশ্য লেখক বা প্রকাশক নিজে বললেই তো হবে না, একটা ফ্যান ফিকশন প্যাস্টিশে উন্নীত হয়েছে কিনা তা বলবেন সংখ্যাগরিষ্ঠ পাঠকরাই। নতুন প্লটের সঙ্গে পুরনো স্টাইল মানিয়ে গেল কিনা, সে বিচারের দায়িত্বও নিতান্তই পাঠকের।

বাঙালি গোয়েন্দাদের মধ্যে অগ্রগণ্য হলেন ফেলুদা। ফেলুদাকে নিয়ে প্যাস্টিশ নেই, তবে ফ্যান ফিকশন আছে বেশ কিছু।
২০১৫-র অক্টোবরে অনলাইনে প্রকাশিত হয় বাংলাদেশি লেখক মাসুদ সরকার রানার ফ্যান ফিকশন ‘কুমিল্লায় ফেলুদা’, আর তারও চার বছর আগে কলকাতার সৌমিত্র ব্যানার্জী এবং মিঠু ঘোষাল যৌথ উদ্যোগে লিখেছিলেন ‘কেলুকা রিটার্নস’। এছাড়াও আরো একটি উল্লেখ্যযোগ্য ফেলুদা ফ্যান ফিকশন 'ঢাকায় ফেলুদা"।
এ লেখাগুলো অবশ্য ফ্যান ফিকশন, প্যাস্টিশ আর হয়ে উঠতে পারেনি। তার প্রধান কারণ সত্যজিৎ-এর লেখার স্টাইল বা এলিগ্যান্স এসব লেখায় বিন্দুমাত্রও ধরা পড়েনি বরং লেখক এগুলো নিজের মত করেই লিখে গেছেন।

ফেলুদার প্রথম গল্পের পঞ্চাশ বছপূর্তি উপলক্ষে ‘টগবগ’ পত্রিকার উৎসব সংখ্যার (২০১৬) জন্য প্রবীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন ফেলুদা প্যাস্টিশ ‘রাজধানীতে তুলকালাম’। যা পরবর্তীতে কলকাতার সৃষ্টিসুখ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয় এবং প্যাস্টিশ হিসেবে পাঠকদের মাঝে জনপ্রিয় হয়ে উঠে।



পাঠ প্রতিক্রিয়া: সত্যজিৎ রায় আমার প্রিয় লেখকদের মধ্যে অন্যতম একজন। উনার ই লেখার প্যার্টানে রচিত এই বইয়ের দুটি কাহিনী।


গল্পগুলির বিল্ডাপ , প্লট এবং বর্ণনা সবই দারুন ছিলো। মনে হবে, ছোটবেলার স্মৃতিতে ফিরে গিয়েছি কিন্তু কিছুক্ষেত্রে আমার অসামঞ্জস্য লেগেছে। যেমন : ' এ শর্মা থাকতে আপনি পয়সা খরচ করবেন তা কখনও হয়? ' 'বাবা জীবন' এই সংলাপগুলি সাধারণত বর্তমান সময়ের প্রচলিত... সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদা পড়ে পড়ে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়াতে আমার খাপছাড়া লেগেছে। বাকি ওভারঅল সব চমৎকার। সুন্দর সময় কাটে এই প্যাস্টিসের সাথে।



প্রচ্ছদ ও বাইন্ডিং: এই রকম কিউট ক্রাউন সাইজের বইগুলি আমার সবসময়ই পছন্দের। আর এইরকম এক মলাটে দুই বই এর সাথে আগে আমার পরিচিতি ঘটে নি। এইরকম নতুন জিনিস দেখতে পেয়ে ভালোই লেগেছে। বাইন্ডিং টা আমার ভালো লাগেনি। মনে হচ্ছিল পৃষ্ঠাগুলি খুলে যাবে। আস্তে আস্তে পৃষ্ঠা উল্টাতে হয়েছে। বইয়ের দুটো প্রচ্ছদই জোশ।
Profile Image for Susmita Dutta Puja.
10 reviews
February 17, 2023
"রাজধানীতে তুলকালাম"
লেখক: প্রবীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
প্রকাশক: পুঁথিপুরাণ

প্রথমেই বলি প্যাস্টিশ অর্থ যারা জানেন না। বই এ সম্পর্কে বলা আছে তাই আমি যা বুঝলাম, আমরা যখন কোনো বিখ্যাত লেখা(গল্প/উপন্যাস যেকোনো কিছু) পড়ি স্বাভাবিক ভাবেই ভক্তরা কাল্পনিক অনেক ফ্যান ফিকশন লিখে ফেলেন। দুটোর মধ্যে পার্থক্য যে, ফ্যান ফিকশন স্টাইল বা সবকিছু ফলো না করলেও চলে আপনার মনমতো। মূলত প্যাস্টিশ লিখতে হলে, মূল লেখকের অরিজিনাল স্টাইল মেনে চলতে হয়। এর জন্য অনেক গবেষণার প্রয়োজন।

ভূমিকা- এবারের পুজোর ছুটি কাটাতে লালমোহনবাবু পেয়ে গেলেন ইতিহাস বিখ্যাত রাজধানী থেকে সংবর্ধনার নিমন্ত্রণ। প্রদোষ মিত্র ও তপেশকে ছাড়া কি করে সেখানে লালমোহন বাবু একা যায়! তাদের বলতেই রাজি হয়ে গেল, এবারের ছুটি টা না হয় বাইরে ঘুরা হোক। কিন্তু এরমধ্যেও অপ্রত্যাশিত ভাবে একটা কেস এসে পড়ে ফেলুদার হাতে, একের ভিতর দুই হবে নাকি! শুধু কি নিমন্ত্রণের ডাকে সাড়া দিতে যাওয়া নাকি ফেলু মিত্তির যেখানে, রহস্য সেখানে এসে হাজির হবে? (নিজেই ভূমিকা লিখলে যা হয়, রিভিউ দেয়ার ব্যর্থ চেষ্টা)

সত্যি বলতে অনেকদিন পর যেনো আবছা করে হলেও ফেলুদা, তপেশ আর লালমোহন বাবুর দেখা পেলাম। লেখক সুন্দর করেই ডিটেইলস রেখেছে, মনে হচ্ছিলো না সত্যজিৎ এর ফেলুদা পড়ছি না। কিছু কিছু নতুন লাগছিল, তবে ভালো ছিল। বেশ থ্রিলিং না হলেও ভালো লেগেছে। গল্পে গভীরতা কম ছিল, কিন্তু রহস্য তৈরি হয়েছে, তথ্য এসেছে শেষ এ আস্তে করে জট ছেড়েছে যেমনটা ফেলুদাই করে। বলতেই হয় সত্যজিৎ এর ফেলুদা পড়ার ফিলটা যেনো টের পাচ্ছিলাম। আসল তো সেই থ্রিলেরই ব্যাপার স্যাপার মশাই! সম্ভবত এটাই লেখকের ফেলুদা প্যাস্টিশের প্রথম বই, সেই হিসেবে উপভোগ্য ছিল। একজন ফেলুদা ভক্ত হিসেবে প্যাস্টিশের মধ্যেও ফেলুদাকে দেখতে পেলে ক্ষতি কি!

আমার মনে আছে, যখন আমি অনেক বছর আগে প্রথম ফেলুদা সমগ্র পড়ে শেষ করি, আমি কেঁদেছিলাম। ফেলুদাকে আমি মনের গভীরে ধারণ করে ফেলাতে হয়তো খারাপ লেগেছিলো বেশি, শেষ হয়ে যাওয়ার আফসোসে আবেগাপ্লুত ছিলাম। ভেবেছি লেখক কেনো আর লিখে গেল না৷ অসমাপ্ত গল্প গুলো কেনো শেষ করে গেলো না। ফেলুদাকে আর নতুন করে কোথাও খুঁজে পাবো না, ভেবেই খারাপ লাগতো। খুঁজতে হলে পুরোনো লেখায় ঘুরেফিরে খোঁজা লাগবে। খুব কম বই তেমন রিপিট করে পড়ি নি, ফেলুদা যতবার রিপিট করে পড়তাম। যাইহোক, এখন আর সেই আবেগ নাই৷ কিন্তু তবুও অনেক দিন পরে একটা পরিচিত আনন্দ পেলাম, যেনো ফেলুদা এসে ঘুরে গেলো।
Profile Image for Sakkhar  Banerjee.
109 reviews6 followers
August 31, 2024
অ্যান্থনি হরোউইতজের শার্লক প্যাস্টিশ পড়েছিলাম, ফেলুদা প্যাস্টিশ এই প্রথম পড়লাম।
আমাদের মতো যাদের গোয়েন্দা গল্পে হাতেখড়ি ফেলুদার হাত ধরে, তাদের ভালো লাগবে।
লেখক তোপসে আর লালমোহনবাবুর (বিশেষ করে এনার) স্বাভাবিক ম্যানারিজমগুলো বেশ ভালো ফুটিয়ে তুলেছেন। আর অলংকরণেও সেই সত্যজিৎ ফিল!

স্বল্পদৈর্ঘ্য, কিন্তু গতিময় প্লট, সাথে উপরি পাওনা দিল্লীতে বাঙালি পুজোর আমেজ।
লেখক এবং প্রকাশককে ধন্যবাদ এই প্রয়াসের জন্য!

ডানদিকে সিঁথি দেখে খটকার ব্যাপারটা আমিও ধরতে পেরেছিলাম।
তবে ফেলুদার কপালে সেই বিখ্যাত ত্রিশূল চিহ্ন মিস করলাম, আশা করি পরের লেখায় দেখতে পাবো।
Profile Image for Chaity  Somadder.
63 reviews
April 24, 2023
ভালো লেগেছে ফেলুদার প্যাস্টিশ হিসেবে। ফেলুদার সেই ধরনটা সত্যজিৎ রায়ের ফিরে এসেছে ভালোমতোই। কাহিনি, গতি, সংলাপ, গোটাটাই ফুটে উঠেছে। সুন্দর প্রচেষ্টা, সুন্দর বাস্তবায়ন।
Profile Image for Tanvir Rahman.
19 reviews1 follower
December 31, 2023
অসাধারণ লেখনী। গল্পের মধ্যে ডুবে গিয়েছিলাম।
Displaying 1 - 10 of 10 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.