Jump to ratings and reviews
Rate this book

তিউনিসিয়ার ইতিহাস

Rate this book
ড. রাগিব সারজানি এ-বইতে তিউনিসিয়ার প্রাথমিক ইতিহাস থেকে শুরু করে ২০১১ সালের অভ্যুত্থানের বর্ণনা দিয়েছেন। তিউনিসিয়া ইসলামের ঘাঁটিতে পরিনত হয়েছিল। একসময় উসমানি সাম্রাজ্যের অধীনতায় চলে যায়। তারপর দেশটিতে ফ্রান্সের দখলদারত্ব শুরু হয়। দখলদারদের শাসনামলে দেশ থেকে ইসলামকে বিলুপ্ত করার জন্য জোর প্রচেষ্টা চালানো হয়। বিশেষ করে শিক্ষাব্যাবস্থা ও ইসলাসি নিদর্শনগুলের ওপর আঘাত হানা হয়। ফরাসি দখলদারত্বের সমাপ্তি ঘটলে প্রজাতন্তের ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপর ২০১১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ পঞ্চাশ বছরে মাত্র দুইজন ব্যাক্তি প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। তাঁরা ইসলামের বিরুদ্ধে নিরবচ্ছিন্ন যুদ্ধ চালিয়ে যান। অবশেষে ২০১১ সালের অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। লেখক এ-বইতে এসব ঘটনার চমকপ্রদ বর্ণনা দিয়েছেন।

144 pages, Hardcover

Published November 1, 2018

1 person is currently reading
28 people want to read

About the author

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
1 (16%)
4 stars
5 (83%)
3 stars
0 (0%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 3 of 3 reviews
Profile Image for Huzaifa Aman.
167 reviews7 followers
January 17, 2026
তিউনিসিয়া একসময় ইসলাম ধর্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। তারপর উসমানি শাসন থেকে শুরু করে ফরাসি উপনিবেশবাদের বিস্তার লাভ করে। ফরাসি দখলদারিত্বের সময় ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতির ওপর আঘাত হান হানা হয়। প্রতিটি ঘটনা ও অধ্যায় ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষণ করেছেন লেখক।
শোষণ-নিপীড়ন মাধ্যমে আধুনিক তিউনিসিয়ার জন্ম কীভাবে হয়েছে সেটা নিয়েই বইটি, অনুবাদ বেশ সাবলীল ছিল।
Profile Image for Fahad Ahammed.
387 reviews45 followers
February 23, 2020
তিউনিসিয়ায় পঞ্চাশ বছর ধরে মাত্র দু জন প্রেসিডেন্ট শাসন করার নামে শোষণ করেছে। জনগণের নিজিস্ব সত্ত্বাকে ধ্বংস করতে, জনগণের ধর্ম, তাদের শিক্ষা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে নিরবচ্ছিন্ন যুদ্ধ চালিয়েছেন।
অবশেষে ২০১১ সালের অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। লেখক এ বইতে এসব ঘটনার চমকপ্রদ এবং লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন।

এতোই করুণ সময় পার করছে জাতিটা যে, মাঝেমধ্যে প্রায় চোখে পানি আসার উপক্রম হয়েছিল।

তারপরও বলতে হবে মুসলমান রা তাদের বিপ্লবের ফসল ঘরে তুলতে পারে নি।
Profile Image for Rasel Khan.
170 reviews8 followers
May 12, 2020
তিউনিসিয়ার ইতিহাস
ড. রাগিব সারজানি
অনুবাদকঃ আবদুস সাত্তার আইনী
প্রকাশনীঃ মাকতাবুল হাসান
দামঃ ১৮০

তিউনিসিয়া আফ্রিকার একটি দেশ যা হাজার বছর আগে ছিলো রোম সাম্রাজ্যেরই অংশ। উসমান রা. এর খেলাফত কালে  মিসরের গভর্নর আব্দুল্লাহ বিন আবু সারহকের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয় সেখানে। কিছু এলাকায় জয়ী হবার পর খলিফার মৃত্যুতে ছড়িয়ে পরা ফেতনার জন্য অভিযান বন্ধ রাখা হয়। এরপর নানা অভিযান, যুদ্ধ, ক্ষমতার পালাবদলে স্পেন হয়ে ক্ষমতা চলে আসে উসমানী সাম্রাজ্যের অধীনে৷

১৮৮৫ সালে আবার ফ্রান্সের অধীনে চলে যায় দেশটি। শুরু হয় নতুন করে সংস্কার, দখলদারিত্ব, অন্যায়, অত্যাচার। ধর্মীয় সব কিছুতেই আগাত হানে ফরাসিরা। পাল্টে দেয়া হয় শিক্ষা ব্যবস্থা।    ১৯৫৫ সালে হাবিব বুরগিবা নামক আইনজীবীর গঠন করা রাজনৈতিক দলের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের ফলে মুক্ত হয় তিউনিসিয়া।  কিন্তু তার শাসনামলেও ভালো ছিলো না দেশটি৷ একের পর এক ইসলাম বিরোধী আইন, কার্যকলাপ, কুরাআন-হাদিস নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন তিনি। মদশালা, বেশ্যালয় চালু করেন নতুন করে। হিজাব নিষিদ্ধ করে কামাল পাশার অনুসারী হন৷ এক কথায় তার প্রতিটি কাজ ছিলো স্পষ্ট ইসলাম বিরোধী। যেন ইসলামের হাত থেকে দেশকে বাঁচাতে তিনি উঠে পড়ে লেগেছিলেন।

বয়সের কারণে তার স্বাস্থ্যের অবস্থা অবনতি হলে তাকে সরিয়ে ক্ষমতা গ্রহণ করেন যাইনুদ্দিন বিন আলী। ১৯৮৭ সালে ক্ষমতায় এসে মিথ্যা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে সেই আগের কায়দাতেই চালাতে থাকে শাসন কাজ। ধর্মের বিরুদ্ধে চলে আসা যুদ্ধে তিনি যেনো ঘি ঢেলে দেন। হিজাব,  নামাজসহ ইসলামের প্রতিটি বিষয়ে তিনি আগের চেয়ে চরম বিরুদ্ধাচরন করেন৷ এভাবেই চলতে থাকে তার শাসনামল।

চরম বেকারত্বে এক শিক্ষিত যুবক ফল বিক্রি করা শুরু করেন। একদিন এক মহিলা পুলিশ অফিসার তাকে থাপ্পর মেরে তার ফলের গাড়ি ভেঙ্গে দেয়। ফলে সে যুবক বিচার চাইতে গভর্নর এর সাথে দেখা করতে চেয়ে অনুমতি না পেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এতদিন ধরে চলে আসা অত্যাচারে এই ঘটনাটি ছিলো একটি উছিলা মাত্র। এই ঘটনা থেকে শুরু হওয়া বিপ্লবেই পতন ঘটে যাইনুদ্দিন বিল আলীর৷ পলায়ন করেন সৌদি আরবে। ২০১১ সালে শেষ হয় এই অত্যাচারীর শাসন।

যদিও ইসলামের বিরুদ্ধে করা অত্যাচার ও যুবকের আত্মহত্যাকেই আন্দোলনের প্রধান কারণ ধরা হয় তবুও লেখক মনে করেন এগুলো তেমন বড় কোনো কারণ ছিলো কিনা তা ভাবনার বিষয়৷ কারণ আলীর বয়স হয়ে এসেছিলো অনেক। ফ্রান্স ও আমেরিকার স্বার্থ রক্ষার্থে হয়ত প্রয়োজন হয়েছিলো নতুন নেতৃত্বের। তাই তিউনিসিয়ার জনগনকে লেখক সাবধানে থাকতে চেয়েছেন। আন্দোলনের উদ্দেশ্যে অটল থাকতে বলেছেন যেন স্বাধীনতার ফল অন্য কেউ ভোগ না করে ফেলে।
Displaying 1 - 3 of 3 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.