আসল সংবিধানটাই পড়লাম।
চমৎকার সংবিধান। সব মানুষের কল্যাণ যেন হয়, তেমন কথাই লেখা আছে।
কিছু পরস্পরবিরোধিতা যদিও আছে, সংশোধনীতে কাটাছেঁড়া তো কম হয়নি।
সংবিধানের কথা বলছি না, এমনিতেই খেয়াল করি, আইন ব্যবসায় জড়িত লোকজন সহজ ভাষায় কিছু লিখতে পারেন না। আমি জানিনা তাদের এই অযোগ্যতার কারণ কি, হয়তো ব্রিটিশদের অন্ধ অনুকরণ করার দাসসুলভ মনোভাব।
বাক্যে ডাবল নেগেটিভ ব্যবহার করা- এটা তো আইনজীবীদের ভাষার খুব পরিচিত একটা বৈশিষ্ট্য, "কেন বৈধ?" না বলে "কেন অবৈধ নয়?" বলেন তারা।
আপিল বিভাগের ক্ষমতা অনুচ্ছেদের পয়েন্টগুলো পড়ে ভাবছিলাম এইসব ক্ষেত্রে আপিল করা যাবে, শেষে জানিয়ে দিল ঔ ক্ষেত্রগুলোতে আপিল করা যাবে না। চমৎকার! সংবিধান পড়তে এসে ডিটেকটিভ পাঠকের মত ব্লাফ খেয়ে গেলাম! খুব উচ্চমার্গের জটিলতাপূর্ণ লেখনী মানতেই হবে।
সংবিধানের বৈচিত্র্যও তারিফ করবার মত।
অনুচ্ছেদ-৩৯(২) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হইল।
আবার অনুচ্ছেদ-৭০, নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিলে সংসদ সদস্যপদ বাতিল।
সংবিধান বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন। এর সাথে কোন দ্বিমত করার দরকার নেই।
আমি পাঁচতারাই দিতাম। কিন্তু মধ্যমপন্থী হিসেবে ১ আর ৫ এর মাঝামাঝি ৩ তারা দিলাম।