‘আমাদের আলাপটা ব্যাসিক্যালি শুরু হয় আর্টের ডিফিনেশন নিয়া…….’
রনি আহম্মেদের সাথে আমার প্রথম দেখা ২০১৫ সালে উনার সলো একজিবিশন 'গডস এন্ড বিস্ট' চলাকালীন সময়ে। তো, ওই একজিবিশনেই উনার কাজের ধরণে হিউজ চেঞ্জ দেখলাম আমরা। সূফী সাধনা ও আধ্যাত্মিকতার বিষয়টা তখন থেকেই উনার কাজে প্রমিনেন্ট হইতে থাকে। ফাইন আর্টসে মিস্টিসিজম একটা নোক্তা হইয়া থাকলো রনি আহম্মেদের কাজ আর উনার লাইফস্টাইলে।
আমাদের আলাপটা ব্যাসিক্যালি শুরু হয় আর্টের ডিফিনেশন নিয়া, ফেসবুক চ্যাট হিসাবেই। তো কতদূর যাওয়ার পর মনে হইল আলাপ তো আরো আগানো যায়। ফেমিনিজম থিকা শুরু কইরা লালন, রক মিউজিক, পোয়েট্রি, সুফিবাদ, দেহতত্ত্ব, মিথ একে একে আগাইতে থাকে। রনি আহম্মেদের বেড়ে উঠা নিয়াও বলেন উনি।
আলাপের একটা স্টেজে রনি আহম্মেদ রিয়ালিটিরে দোষারোপ করেন, মানে মানুষের সৌলের যে পিস সেইটার অন্তরায় বলতে গিয়া বলেন, 'রিয়েলিটি আপনার এনার্জি নিয়ে চলে যাবে,সেনসিটিভিটি নষ্ট করবে।' এমনে মানুষ এরকম একটা চক্রেই পড়ে একচুয়ালি। রিয়ালিটির সার্কেল বলা যায়। সবাই একটা সার্কেলে যে ঘুরতে থাকে এইটা ফিল করা যায়। ইন্টারেস্টিং বিষয় হইল, এই সার্কেলে থাইকাই মানুষ আবার বলে দেখো ওই আরেকটা সার্কেলে ওই লোকগুলা ঘুরতেছে।
২০১৫ সালের প্রথম দিক থেকেই রনি আহমেদের সাথে এই অনলাইন আলাপটি শুরু হয়। চলে প্রায় ইয়ার লং, মানে প্রায় লাস্ট অফ দি ফিফটিন। উনার সর্বশেষ সলো এক্সিবিশন “গডস এন্ড বিস্ট” ১২ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়ার আগে আগেই শেষ হয় এই আলাপ। রনি আহমেদের আর্ট নিয়ে আলাপ, উনার আর্ট চিন্তা নিয়ে আলাপ। দীর্ঘ ইন্টারভিউ বলা চলে।