Jump to ratings and reviews
Rate this book

বাংলার রেনেসাঁস

Rate this book

116 pages, Hardcover

Published January 1, 1984

2 people are currently reading
50 people want to read

About the author

Annada Shankar Ray

45 books23 followers
Annada Shankar Ray was a Bengali poet and essayist.

He was born in 1904 at Dhenkanal, Orissa. He graduated in English from Ravenshaw College. His father had shifted base from their ancestral village of Rameswarpur near Dhamnagar in Bhadrak of Orissa, following a family feud. His family roots go back to the 'Ghosh Mahashayas' who migrated to Rameswarpur from Kotarang near Howrah as a part of Todarmal's contingent during Akbar's reign.
He topped the list of Indian Civil Service examinees in 1927. He had failed to make the mark in the previous year being cut-off by one rank. It is said that he promised to his family and friends that if only one person was to be selected for ICS the next year, it would be himself, and he proved it. Incidentally he was the first ICS officer from the territory later forming the state of Orissa.
After serving in various administrative posts, he sought voluntary retirement in 1951 to devote himself to literary pursuits. Ray was a Gandhian in politics and Rabindranath Tagore inspired his literature.
A Bengali rendering of a short story by Tolstoy and an appraisal of Sarat Chandra Chattopadhyay’s essay Narir Mulya marked his debut on the literary scene at the age of 16.
His first published book was Tarunya (1928), which gave him a footing as an essayist. His first two novels were Asamapika and Agun Niye Khela. As an essayist, he was urbane and sophisticated and combined in his craft two different styles of prose, represented by Tagore and Pramatha Choudhury.
A significant breakthrough in his literary career came with the publication of Pathe Prabase, a brilliant diary of his Europe trip, in 1931.
Ray also established himself as a short-story writer. His collections include Prakritir Parihas (1934), Man Pavan (1946), Kamini Kanchan (1954) and Katha.
He received the Vidyasagar Smriti Award from the state government and the Padma Bhushan. He was made a fellow of the Sahitya Akademi in 1989. The Visva Bharati conferred on him the Desikottama and an honorary D.Litt. He also received the Rabindra Puraskar, the Ananda Puraskar twice and the prestigious Zaibunnisa Award of Bangladesh
He was a bitter opponent of the partition of 1947 and wrote several Bengali poems criticising it. Most notable is "Teler shishi bhaanglo bole khukur pare raag karo". Among his many essays, the book "Banglar Reneissance" has an analytical history of the cultural and social revolution in Bengal. His married Leela Ray, an Indianized American lady with literary talent. Annada Shankar's most famous work is "Pathe Prabaase" - a diary of his Europe trip in 1931.
From amongst his other great works in Oriya, the poetry "Sabita" finds place in higher studies of the language at College level, making him one of the rare poets to have the distinction of getting such acclaim from two different language speaking states of India.
He died in Kolkata on 28 October 2002. He married an American pianist called Alice Virginia Orndorf. After marriage Alice Virginia took the name Leela Roy.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
9 (42%)
4 stars
10 (47%)
3 stars
1 (4%)
2 stars
0 (0%)
1 star
1 (4%)
Displaying 1 - 6 of 6 reviews
Profile Image for সারস্বত .
237 reviews136 followers
August 24, 2022
১৪৫৩ সালে তুর্কি সুলতান দ্বিতীয় মুহাম্মদের হাতে বাইজেনন্টাইন সম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপল শহরের পতনের সাথে মানব ইতিহাসের সবথেকে প্রভাবশালী যুগ রেনেসাঁস সূচনা হবার এক গভীর যোগসূত্র আছে।

কনস্টান্টিনোপল পতনের সাথে সাথে গ্রীক এবং অগ্রীক বুদ্ধিজীবীরা ইউরোপে পালিয়ে যান। বেশিরভাগ গ্রীকরা আসেন ইতালীতে। আর এই গ্রীকদের হাত ধরে শেষ হয় মধ্য যুগ (কিছু ঐতিহাসিকদের মতে), শুরু হয় রেনেসাঁস।

অন্নদাশঙ্কর রায় ওনার বই বাংলার রেনেসাঁসে ইউরোপের বুদ্ধিবৃত্তিক উত্থানকে চারটি ভাগে ভাগ করেছেন।

১. রেনেসাঁস (পঞ্চদশ শতক)
২. রিফর্মেশন (ষষ্ঠদশ শতক)
৩. এনলাইটমেন্ট এবং (সপ্তদশ শতক)
৪. ফরাসি বিপ্লব (অষ্টাদশ শতক)

লেখক ইউরোপের এই চার শরকের উত্থানগুলোকে বাংলার রেনেসাঁসের উৎস হিসাবে ধারণা দিয়েছেন। আর অন্য অনেকের মতই উনিও মত রামমোহন রায়কে বাংলা রেনেসাঁসের প্রথম পুরুষ হিসাবে স্বীকার করতে দ্বিধা করেননি।

ইতালীর রেনেসাঁস ধর্ম থেকে, ঈশ্বর থেকে মানুষের ব্যক্তিগত জীবনকে পৃথক করেছে। আগে শিল্প, সাহিত্য, দর্শন ধর্মকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়ে এলেও রেনেসাঁস এসে মানুষকে পৃথক আসনে বসিয়েছে। মানুষ মানুষের জন্য ছবি আঁকতে শুরু করেছে, সাহিত্য রচনা শুরু করেছে, প্রযুক্তির পথে উৎকর্ষতা অর্জন করেছে। ঈশ্বর, চার্চ, দেবতা এখানে অনুপস্থিত।

ইউরোপের এই চারটি যুগ একসাথে হাত ধরাধরি করে আসে ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা। রাজা রামমোহন রায় সর্বপ্রথম এই পরিবর্তনকে স্বাগত জানান। কিন্তু পরাধীন বাংলার রেনেসাঁসের নিয়ামক উনি ব্রিটিশ দ্বীপ থেকে গ্রহণ করলেও পরিবর্তনের অনুপ্রেরণা হিসাবে প্রাচীন ভারতে বাতিল করতে পারেননি।

ভারতে যদিও বা রেনেসাঁস এসেছিল কিন্তু রিফর্মমেশন আসেনি। অন্নদাশঙ্করের মতে রিফর্মেশনের বদলে এদেশে এসেছে রিভাইভেল। এই রিভাইভেল কোন ধর্মীয় সংস্কার না করে, বদলে গোটা যুগের দাবীকে অস্বীকার করা আর কোনভাবে প্রাচীন ভারতের চেহারা নতুন ভারতের মুখে এঁটে দেয়া। লেখক রেনেসাঁস নিয়ে যতটা উচ্ছ্বাস দেখিয়েছেন, রিভাইভাল নিয়ে তাঁর যেন ততটাই অভিযোগ। লেখকের ভাষ্য,

"রেনেসাঁস এসেছিল মানুষকে সর্বদেশে সর্বপ্রকাশ মুক্ত করতে। শাস্ত্রের হাত থেকে, দেবতার হাত থেকে, গুরুর হাত থেকে, পুরোহিতের হাত থেকে, রাজার হাত থেকে, সামন্তের হাত থেকে। কুসংস্কারের হাত থেকে, কুপ্রথার হাত থেকে, অসাম্যের হাত থেকে। এক দিনে বা এক শতাব্দীতে নয়। ধাপে ধাপে। সা বিদ্যা যা বিমুক্তয়ে। সেই হচ্ছে বিদ্যা যা মুক্তি দেয়। রেনেসাঁস এসেছিল তেমন বিদ্যা নিয়ে।"

লেখক রিভাইভেলকে রেনেসাঁসের প্রতিদ্বন্দীরূপে দাঁড় করিয়েছেন।

"রিভাইভালের সাথে রেনেসাঁসের তফাতটা হচ্ছে ভক্তির সাথে যুক্তির, বিশ্বাসের সঙ্গে বিচারের, পূর্বপুরুষ পূজার সাথে আত্ম-স্বাধীনতার।"

ভারতের স্বাধীনতা পূর্ব জাগরণগুলিকে লেখক তিনটিভাগে ভাগ করেছেন।

১. রেনেসাঁস
২. রিভাইভেল এবং
৩. জনজাগরণ

এরপরে ভারতে এসেছে প্যানইসলামিজম। ভারতীয় হিন্দুদের প্রাচীন ঋষিপ্রধান ভারতে ফিরে যাওয়ার স্পৃহা থেকে এসেছে রিভাইভাল আর মুসলিমদের ইসলামের আদিপর্বে, খোলাফায়ে রাশেদীনে শাসন ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার চিন্তাধারা হলো প্যানইসলামিজম।

যদিও ভারতবর্ষ বলতে শুধু প্রাচীন হিন্দু ভারত কিংবা মধ্যযুগীয় মুসলিম ভারত বোঝায় না। ভারতবর্ষের ইতিহাস হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, মুসলিম, ব্রিটিশ ইতিহাসের বহুমুখী ধারায় এসে মিশে যাওয়া অভিন্ন এক নদী। যা রিভাইভালিজম তীব্রভাবে অস্বীকার করে কিন্তু অনিবার্যতা রোধ করতে পারেনা।

আসলে বইটা বেশ ছোট। মাত্র ৭২ পেজ। কিন্তু ইতিহাসের অনেক খুঁটিনাটি ছড়িয়ে আছে পাতায় পাতায়। দ্রুত পড়া যায় না। অনেক কিছু চোখ ছাড়া হয়ে যায়। তবুও লেখকর বাংলার রেনেসাঁস নিয়ে কিছুটা এলোমেলো কথামালা যেন বিষয়ভিত্তিক একটা গোছালো ধারণা দিয়ে যায়। রেনেসাঁস নিয়ে বইটি আমাকে গভীর আগ্রহী করে তুলেছে।
Profile Image for Shotabdi.
821 reviews197 followers
April 15, 2021
বাংলায় কি আদৌ রেনেসাঁস এসেছিল? পরাধীন দেশে কি রেনেসাঁস সম্ভব?
এমনই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হয়েছে বইটিতে। মূলত ৪টি প্রবন্ধের সংকলন ছোট্ট বইটি বিষয়বস্তুতে এক সমুদ্র জ্ঞানের সমান বললেও অত্যুক্তি হয় না। কারণ, প্রতিটি লাইনে লাইনেই আছে ভাবনার দ্যুতি। অন্নদাশঙ্কর রায়ের প্রাঞ্জল ভাষায় জ্ঞানগর্ভ বিষয়বস্তু হলেও অত্যন্ত সুখপাঠ্য এই বইটিতে বার বার উঠে এসেছে কয়েকটি প্রসঙ্গ, যার আলোকেই এগিয়ে চলেছে আলোচনা।
রেনেসাঁস, কাউন্টার রেনেসাঁস এবং রিভাইভাল। তিনটা টার্ম একটু বুঝে নেয়া দরকার। অনেকেরই মতে, রেনেসাঁস এবং রিভাইভাল এক।
কিন্তু, আদপে কি তাই? অন্নদাশঙ্কর এর মতে, উনবিংশ শতাব্দীতে ইংরেজ আগমনের পরে ইউরোপীয় রেনেসাঁস প্রভাবিত জ্ঞান বিজ্ঞানে যে নতুন যুগের সূচনা ঘটে, তাই হচ্ছে রেনেসাঁস। ডিরোজিও-রামমোহন-বিদ্যাসাগরের হাত ধরে প্রবলভাবেই বাংলাতেও বিদ্যমান ছিল তা। অপরদিকে, রিভাইভাল হচ্ছে মধ্যযুগ বাদ দিয়ে প্রাচীনযুগে গিয়ে সেখানকার নির্যাস নিয়ে পুনরায় ভাবনা এবং জাগরণ। সেক্ষেত্রে গ্রীক পুরাণ, রোমান পুরাণ কিংবা আমাদের পুরাণ-মহাভারত-রামায়ণ, বাইবেল-কোরানের থাকে বিরাট ভূমিকা। দুইটি সমসাময়িক হলেও সমপ্রবল নয়।আর ইংরেজ শাসনের সাথে সাথে তাদের দেয়া সকল জ্ঞানকে অস্বীকার করে, একই সাথে সকল পরিবর্তনকে অস্বীকার করে অতীতকে আঁকড়ে থেকে যাওয়াকে অনেকটা কাউন্টার-রেনেসাঁস বলা যেতে পারে৷
রেনেসাঁস কি এখনো আছে? নাকি শেষ হয়ে গেছে? প্রশ্নটা তাৎপর্যপূর্ণ। চতুর্দশ শতাব্দীতে যেভাবে ব্যাপকভাবে ইউরোপে নবজাগরণ এসেছিল, ঠিক সেভাবে বাংলার সব অঞ্চলে বা সব জাতিগোষ্ঠীতে রেনেসাঁস পরিলক্ষিত হয় নি। কিন্তু, নতুন জ্ঞান, পুরাতনকে আঁকড়ে না ধরার প্রবণতা, যুক্তি-তর্ক ছাড়াই কোন কিছু বিশ্বাস না করে নেয়ার ধারণা সমাজের বিভিন্ন মনীষী এর মধ্যে বিচরণের মাধ্যমে এখনো অনেকটাই বিদ্যমান। তাই প্রবলভাবে অনুভূত না হলেও রেনেসাঁস শেষ হয়ে গেছে, তা বলা যায় না।
লেখক আরেকটি চমৎকার উদাহরণ এর মাধ্যমে সমকালীনতা এবং আধুনিকতার তফাৎ বুঝিয়ে দিয়েছেন। নিশিবিহার, মাদক সেবন এসব সমকালীনতা কিন্তু চিরন্তন নয়। যুগ-দেশ-হাওয়া বদলের সাথে সাথে বদলে যায়। কিন্তু আধুনিকতা অনেক গভীরের ব্যাপার, চিরন্তন। যে কারণে এই আধুনিক যুগেও প্রাচীনমনস্ক মানুষ যেমন দেখা যায়, তেমনি প্রাচীন-মধ্যযুগেও আধুনিক মানুষেরা তাঁদের নিজস্ব জ্যোতি নিয়ে ছিলেন ভাস্বর।
অনবদ্য এই বইটিতে বাংলার রেনেসাঁস এর আলোচনার সুবিধার্থে স্বল্প পরিসরে আলোচিত হয়েছে ফরাসি, ইংরেজ, রোমান, রুশ, চৈনিক, জার্মান রেনেসাঁস৷
বাণীশিল্প প্রকাশিত ৭০ পৃষ্ঠার বইটি প্রথম প্রকাশিত ১৩৮১ বঙ্গাব্দে হলেও আজ ১৪২৮ এ এসেও সমান প্রাসঙ্গিক।
Profile Image for Ahmed Aziz.
385 reviews68 followers
May 25, 2025
বইটা রেঁনেসাঁস নিয়ে চিন্তা করার অনেকগুলো দৃষ্টিকোণ দিয়েছে। চীন নিয়ে ৫০ বছর আগে করা লেখকের এনালাইসিস যে ভূল ছিল সেটা এখন পরিষ্কার। বরং আরো ৫০ বছর কেটে যাওয়ার পরে বাংলার রেঁনেসাঁস নিয়ে সন্দেহ বেড়েছে, এখন আরো বেশি সন্দেহ হয় ঊনবিংশ শতাব্দীতে আসলেই কি রেঁনেসাঁস হয়েছিল। রেঁনেসাঁস, রিভাইভাল, রিফরমেশন, এনালাইটমেন্ট আর রিভোলুশনের মধ্যে সম্পর্ক আর পার্থক্য, নায়ক - প্রতিনায়ক, সময়কাল, জাতীয়তাবাদ, আধুনিকতা এগুলো নিয়ে চমৎকার আলোচনা।
May 13, 2020
মূলত বাংলার রেঁনেসা নিয়ে লেখকের তিনটি বক্তৃতার প্রবন্ধরূপের সংকলন 'বাংলার রেঁনেসাস'। উনবিংশ শতাব্দীতে ডিরোজিও, ইয়ং বেঙ্গলস আর রামমোহন-বিদ্যাসাগরদের হাত ধরে বাংলার যে পুনর্জন্ম বা রেঁনেসাস, এ গ্রন্থে ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙিতে তার বিশ্লেষণের প্রয়াস পেয়েছেন লেখক। ইউরোপে রেঁনেসাস, রিফর্মেশন আর এনলাইটেনমেন্ট এসেছে কয়েকশ বছর ব্যবধীতে, বাংলায় যে তিনটি প্রায় সমসাময়িক। লেখক দেখিয়েছেন বাংলার তথা ভারতীয় যে রেঁনেসা জাতীয়তাবাদের উত্থান ঘটিয়েছিল তাই পরে হিন্দুত্ববাদী রিফর্মেশনকে ধারণ করেছে। আবার এই জাতীয়তাবাদই পরে ঐক্যভঙ্গের দোহাই দিয়ে বাঁধা হয়ে দাড়িয়েছে রেঁনেসার গতিপথে।
ইউরোপীয় ও আমাদের রেঁনেসার পার্থক্য আর সাযুজ্য আলোচনা করে যুগবিচারে ভারতীয় রেঁনেসার বর্তমান অবস্থান নির্নয় করে এর সংকট এবং উত্তোরণের সম্ভাব্য গতিপথ আলোচিত হয়েছে। চিন্তাশীলদের চিন্তার খোরাক জোগাবে।
Profile Image for Sourav Atik.
46 reviews3 followers
November 22, 2024
উনিশ শতকের সামাজিক জাগরণ কে রেনেসাঁস বলে প্রচার করতে নারাজ অন্নদাশঙ্কর রায়। আর তাতে আমারও মত আছে। শুধু অন্নদাশঙ্কর নয়, আবুল কাশেম ফজলুল হকও একই মত দিয়েছেন। আমাদের দেশে কোন অন্ধকার যুগ আসেনি যে এই জাগরণ রেনেসাঁস। এখানে জ্ঞান চর্চা, সংস্কৃতি চর্চা বরাবরই ছিল। টিমটিমে আলো সবসময় জ্বলেছিল। ইউরোপের মত একদম নিভেনি।
Profile Image for Mithun Samarder.
156 reviews2 followers
April 11, 2022
আমার কাছে বইটা খুব ভাল লেগেছে। রেনেসাস রিভাইভালিজম, রিফর্মেশন, প্যানইসলামবাদ, ইসলামি জাতীয়তাবাদ এইসব ব্যাপার গুলো জানতাম না ভাল মত। লেখক অন্নদাশঙ্কর রায় খুব দারুণভাবে আমাদের বুঝিয়েছেন। রেনেসাস হল যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলা। পৃথিবীতে আরো শান্তিতে আরামে থাকার জন্য পৃথিবীটাকেই স্বর্গ বানানোর মত ব্যাপার হল রেনেসাঁস। এটার সাথে ধর্ম বিশ্বাস পরকালে বিশ্বাসে ব্যাপার গুলো জড়িত নয়। অন্য দিকে রিভাইভালিজম হল পৌরাণিক কাহিনি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশকে সেইদিকে চালিত করা। বাংলা সাহিত্যে বঙ্কিমচন্দ্রের মধ্যে রেনেসাঁস এবং রিভাইভালিজম দুটোই ছিল।
Displaying 1 - 6 of 6 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.