অর্থমূল্য আছে এমন সহায়-সম্পদের সুরক্ষায় আমরা সচেতনভাবে কেউই চেষ্টার ত্রুটি করি না। জগৎ-সংসারে কষ্টের ধর খোয়া গেলে তা আবারও ফির পাওয়ার অসংখ্য উদাহরণ আছে। ব্যতিক্রম শুধু মানব সন্তানের বেড়ে ওঠায়। আমরা কখনো কি ভেবেছি, শিশুর যথাযথ ‘মানুষ জওয় উঠা’ না হলে শুধু একটি পরিবারই ক্ষতিগ্রস্থ হয় না, একটি সম্ভাবনারও অকাল পরিসমাপ্তি ঘটে? মা-বাবা হিসেবে আমরা কি আমাদের দায় এড়াতে পারি? প্যারেন্টিং অভিযাত্রায় আমরা কি আমাদের কর্তব্য পালনে সত্যনিষ্ঠ? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে আপনাকেই।
প্যারেন্টিং নিয়ে আমার পড়া প্রথম বই এটি। ছোট বাচ্চাকাচ্চার বিষয়ে না জানা অদ্ভুত সব সিক্রেট সাইকোলোজি নিয়ে যে এই বই লেখা, তা নয়। আমাদের জানা-শোনার মধ্য থেকেই পিতা-মাতাদের আরেকবার সবকিছু স্মরণ করিয়ে দেওয়া - ইসলামের আলোকে। বিশেষ করে প্যারেন্টিংয়ের নাম করে এই বইয়ে সকলকে ইসলামের আলোকে সুষ্ঠু জীবনযাপনের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। তবে বইটি পড়তে ধর্ম কর্ম কম মানেন, এমন লোকেরও খারাপ লাগবে না। বরং লেখক এখানে কোনো গোঁড়ামি দেখায় নি। বইটি পড়তে গিয়ে সামাজিকভাবে নিজেকে আরও সোশ্যাল, অন্যের প্রতি সহানুভুতিশীল, বিনয়ী, ন্যায়পরায়ন এবং যতটা পারা যায় ধর্ম-কর্ম মানাই যে আমাদের জন্য মুক্তি এমনটা মনে হয়েছে। বইটি পড়তে হলে যে ছোট বাচ্চা-কাচ্চা থাকতেই হবে, এমনটা নয়। সবাই রিলেট করতে পারবেন বলে আমার মনে হয়।
২০২৪ সালের প্রথম সমাপ্ত কৃত বই । নিজের সন্তানকে মানুষ করতে হলে মানুষের মতো করতে হলে ইসলামিক শিক্ষা নৈতিকতা এবং আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস এর গুরুত্ব এবং বাস্তবতার সাথে সম্পর্কিত বিষয়গুলি জানানো এসব সবগুলো চ্যাপ্টারেরই তিনি উল্লেখ করেছেন ।