আমি বইটা শেষ করেছি,।তবে বেশ কিছু প্রশ্ন মাথা দিয়ে ঘুরছে,।প্রথমে আসি শেষ টা নিয়ে,আমার কাছে শেষ টা ছোট গল্পের মত লাগছে,যেন শেষ হয়েও হলো না শেষ।
স্মিতা আংটিটা পাবার পরে কি প্রতিশোধ পুরা করতে পেরেছিল?সেরকমটা উল্লেখ নেই,।
রুক্সিনী যে দাবি করেছিল আংটিটা তার সম্পদ,সে তো পালিয়ে গিয়েছিল,তার কি হলো? তার পরিনতি টা দেখানো দরকার ছিল, মুল খল চরিত্র সে!
যখন গ্রামের সবাই আগুন নিয়ে আসছিল বাড়িটা কে পুরিয়ে দেবার জন্য, এই অভিশাপ থেকে বাচার জন্য। তাদের এই কর্ম কান্ড কি জমিদার কন্যার প্রতিশোধ থামিয়ে দিল,নাকি তার অশরিরী আত্মাকে মুক্তি দিল,?
আর হ্যা উপকার এর উপহার হিসাবে স্মিতা তার হাতে একটা কিছু গুজে দিয়ে ছিল,কি গুজেদিয়েছিল,পাঠক হিসাবে জানার লোভ সামলাতে পারি নি😷।
আরেক টা রহস্য সমাধান করে নি লেখক,সেটা হলো,নীলা সাগর গ্রামে মেয়েরা, হারায় যায়, কেন হারায় তা ব্যাখ্যা করে নি।
রুক্সিনী তো হাড়ের ব্যাবসা করতো, তার কারবার ছিল ময়লা ভিটা লম্বা ভিটার কবর থেকে হার নিয়ে আসা।জীবিত মেয়েদের নিখোজ হওয়ার সাথে এর কোন কানেকশন পাইনি।
আরেক টা ব্যাপার খটকা লাগছে,মনা পাগলার মৃত্যু, যে কিনা,যুদ্ধের পর থেকে সব পরিচয় ছাড়া লাশ দাফন করছে,তার মৃত্যুতে জমিদার কন্যা বলছে তার পাপের শাস্তি পাইছে। কি সে পাপ??
প্রথমে ভেবেছিলাম হয়তো হার ব্যাবসায়ীদের সাথে এর যোগ আছে,পরে ১০৮ পেইজে ভুল ভাংলো যে মনার মারা যাবার কারন রুক্সিনীর সহযোগীরা।
তবে সে কোন পাপের শাস্তি পেল????
আরেক টা রহস্যের জট খুলে নি,সেটা হল ট্রেন এক্সিডেন্ট এর পরে,গল্প কথক যখন বাসায় আসলো সেখানে অদ্ভুত ঘটনা ঘটে তার পোষা বিড়াল এর সাথে,আর তার মা মাছ কাটার পরে,দেখে মাছ নাই,মাছের আঁশ ছড়ানো,।সুস্মিতা বলেছে সে করেনি,তবে কে করলো এটা?
আমি এইগুলা নিয়ে চিন্তা করার সময়,২ টা জিনিষ মাথায় আসছে,।প্রথম টা পার্ট ২ আসবে।২য় টা হলো সাবীহা লেখকের ভাগনি,যে লেখার সময় তার পাতা ছিড়ে ফেলেছিল,আর ল্যাপটপে কিছু অধ্যায় মুছে দিয়েছিল,তা নতুন করে লেখক লিখেছিল।।