Marzuk Russell is a Bangladeshi lyricist, poet, model, and actor. He made acting debut in a self-titled role through the drama-film Bachelor in 2004 and got mainstream acclaim.
Since then he acted in many television drama and worked for numerous television commercials. He made his television debut by TV play Ayna Mohol was directed by Mostofa Sarwar Farooki.
অনেক বেশি ছোট বই, কিন্তু অনেক বেশি দাম। উল্টাপাল্টা দাম দিয়ে রেখেছে। এই বইয়ের কিছু কবিতা 'দেহবণ্টনবিষয়ক দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর' বইয়ের মধ্যেও খুঁজে পেয়েছি। একই সাথে দুইটা বই পড়েছিলাম, এমন মিল পেয়ে হতাশ।
সভ্যতা! সভ্যতার ক্রমবিকাশের শেষ হলে বিকশিত সভ্যতায় আমিও তোমাকে ‘দুঃখ’র বিপরীত শব্দ দেব, না দিয়ে উপায় থাকবে না। কাউকে হত্যার উদ্দেশ্যে ছুরি অথবা ছোরা হাতে নিলে ছুরি অথবা ছোরা হয়ে যাবে রজনীগন্ধার স্টিক অলৌকিক! অলৌকিক? পিস্তল হাতে নিলে শিউলি, গোলাপ, জুঁই... মারণাস্ত্রগুলো পুষ্পস্তবক— সভ্যতা বিকশিত হোক।
'চাঁদের বুড়ির বয়স যখন ষোল' মারজুক রাসেল রচিত ২০০৩ সালে প্রকাশিত কবিতার বই। গ্রন্থটি রচনাকালে তথা কবিতাগুলো রচনা করার সময় লেখক তাঁর জীবনের মধ্যগগণে অবস্থান করছিলেন। সমগ্র বই জুড়ে ৩৮ টি কবিতায় যেন সেই মধ্যজীবনের দোদুল্যমানতার ছায়াই প্রতীয়মান হয়। বইয়ের প্রথম কবিতা 'মঙ্গলগ্রহের একটি নাম-না-পাওয়া গাছের নিচে দাঁড়িয়ে' শুরু হয় নিম্নোক্ত দুটি লাইন দিয়ে, " পৃথিবীর কথা মনে পড়ে- যে পড়াচ্ছ তাকে ভালোবাসি। " একেক শ্রেণির পাঠকের কাছে উপরোক্ত লাইন দুইটি একেক ভাব প্রেরণ করবে। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জীবনানন্দ দাশের পাড়ভক্ত পাঠকের কাছে এবং পরিণত পাঠকের কাছে এই দু'টোকে নিছক অগভীর প্রেম নিবেদনসূচক লাইন মনে হবে। অপরদিকে ২০০০ এর পর জন্ম নেওয়া একশ্রেণির পাঠক যারা বাবা-মায়ের থেকে লুকিয়ে বাটন ফোনে প্রেম করত তাদের জন্য অসীম চিন্তার খোরাক যোগান দিতে পারে লাইন দুটো। কবি কীভাবে মঙ্গলগ্রহে গেলেন? কেনই বা গেলেন? মঙ্গলগ্রহের মেটাফোর দিয়ে কী বোঝাতে চাইলেন সে প্রশ্ন থেকেই যায়। বিংশ শতকের খ্যাতিমান কবিদের সাথে মারজুক রাসেল এর পার্থক্য এই যে তখনকার কবিতাগুলোতে আমরা গভীর জীবনবোধের ছোঁয়া পাই অপরদিকে মারজুক রাসেল এর কবিতা গুলো খুব সাবলীল ভাষায় গদ্যকবিতার আদলে সহজ ঢঙে লিখা যা সহজেই পাঠক হৃদয়কে স্পর্শ করে। ৩৮ টি কবিতায় ৩৮ টি ভিন্ন বিষয়ের রস আস্বাদন করা যায়। কবি তাঁর সহজ সাবলীল ভঙ্গিতে এগিয়েছেন, পাঠক কতটুকু নিজেকে সংযুক্ত করতে পারবেন তা পাঠকই নির্ণয় করবেন। বইটি শেষ হয় "কাঁধ ও ব্যাগের সম্পর্ক অযোগ্যতার" লাইনটি দিয়ে যা আমাদের আরেকটি অগভীর চিন্তার জগতে প্রবেশ করিয়ে দিয়ে যায়। ব্যক্তিগতভাবে বলতে চাই, মফস্বল কিংবা শহুরে বখে যাওয়া কিংবা নিজেকে বখে যাওয়া দাবি করা যুবকরা কবিতাগুলোতে নিজেকে খুঁজে পাবেন। একটি মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত সুন্দর কবিতাও আছে বইটিতে। বইটিতে আমার ব্যক্তিগত পছন্দের কবিতা 'মঙ্গলগ্রহের একটি নাম-না-পাওয়া গাছের নিচে দাঁড়িয়ে'।
This entire review has been hidden because of spoilers.
বেশিরভাগ কবিতা মাথার উপর দিয়ে গেছে। আসলে আমার মারজুক রাসেলকে পছন্দ খুউব তাই বইটা কিনা কিন্তু তার লেখা বেশিরভাগ সময় আমার মাথায় ডুকেনা। তিনি আসলে কাদের জন্য লিখেন পাঠকদের জন্য না নিজের জন্য ভেবে পায়না কারন বেশিরভাগ পাঠকই তার লেখার কুল কিনারা খুঁজে পায়না। যাইহোক দু-একটা কবিতা বোধগম্য হয়েছে এবং ভালোও লেগেছে তাই থ্রিস্টার দিলাম...
বইটিতে মোট ৩৮ টি কবিতা রয়েছে। বেশ ছোট ছোট কবিতা নিয়ে লেখা বইটি। কিছু কবিতা আবার গদ্যের আকারেও লেখা হয়েছে। কিছু কবিতা আমার ভালো লেগেছে আবার অনেকগুলো মাথার অনেক উপর দিয়ে গেছে।
কিছু কবিতার নাম যদিও কিছুটা ১৮+ বলা যায়। তবে আমি ১৮+ কোনো কবিতা পাইনি বইটিতে, লেখা থাকলেও হয়তো আমি বুঝতেই পারিনি। 🙄