Jump to ratings and reviews

অক্টোবর #১

অক্টোবর রেইন

শেষ গ্রীষ্মের এক তরল আলাের সন্ধ্যেবেলায় হরিণডাঙ্গার রাজকন্যা প্রথম চরণস্থাপন করল মার্কিন মুলুকে। তখন পশ্চিমাকাশে আলতা রঙ ছড়িয়ে দিয়ে অস্তাচলে যাচ্ছেন সূর্যদেব। কদিন বাদেই আসন্ন শীতের ঘ্রাণ বুকে নিয়ে সােনাবরণ পােশাক পরে ধরণীতে অবতরণ করবে অক্টোবর। রাজকন্যা তখনও জানেনা যে এবারের অক্টোবর তার জীবন স্রোতের গতিপথ পাল্টে দেবে। পরিবার,প্রেম, বন্ধুত্ব এবং প্রাকৃতিক নিসর্গকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এই স্নিগ্ধ কাব্যিক উপন্যাস। গল্প সাধারণ কিন্তু অসাধারণ এর প্রকাশ। পাঠক পড়বেন এক নিমেষে কিন্তু রেশ লেগে থাকবে প্রতিটি নিশ্বাসে! প্রিয় পাঠক, হরিণডাঙ্গার রাজ্যে আপনাকে স্বাগতম! এবার আপনিও ভিজবেন, অক্টোবরের বৃষ্টিতে!

446 pages, Hardcover

Published January 1, 2020

Loading...
Loading...

About the author

Ratings & Reviews

What do you think?

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
81 (51%)
4 stars
35 (22%)
3 stars
23 (14%)
2 stars
9 (5%)
1 star
9 (5%)
Displaying 1 - 30 of 32 reviews
Profile Image for Rakib Hasan.
511 reviews89 followers
October 5, 2022
বইটা নিয়ে বেশ আলোচনা দেখে হুট করেই পড়া হয়ে গেল, সমকালীন যদিও খুব কম পড়া হয় কিন্তু এই জনরাটা বেশ ভালো লাগে। এই বইটাও ভালো লাগলো।
Profile Image for Ahana's  Reading  Stories .
55 reviews23 followers
June 10, 2020
" সে স্বগতোক্তি করলো,বলো পৃথিবী! কার অক্টোবর বেশি সুন্দর? তোমার নাকি আমার? "

★সারসংক্ষেপঃ
----------------------
আমাদের সকলেরই জীবনের একটা সময় অনেক রঙিন আর অবাস্তব স্বপ্নে ভরা থাকে। আর সেই সাথে থাকে একটি অবাস্তব রাজ্য। যে রাজ্যের সব কিছু শুধু আমাদের একেবারে নিজস্ব থাকে। যে রাজ্যে আমি একাই রাজকুমারী, সাথে সাথে অসংখ্য প্রজা যারা সবসময় আমাদের কথা মান্য করবে, থাকে কিছু বান্ধবী সুলভ মানুষ যাদের কাছে যখন তখন মন টা খুলে দিয়ে দেওয়া যাবে আর থাকে অপেক্ষা। হ্যাঁ একজন রাজকুমারের অপেক্ষা। যখন তখন একাকীত্বের সময় আমরা ঐ রাজ্যের রাজকুমারী হয়ে যাই। একে ওকে হুকুম করে বেড়াই। এমন টা ই জীবনের কোনো না কোনো সময় সবাই কল্পনা করে থাকে। অনেক টা রূপকথা । তবে তা অন্য কারো গল্পের মতো হবে না। তা হবে সম্পূর্ণ আমার নিজের। যাতে থাকবে আমার নিজের মতো একজন রাজকুমারী, কিছু লক্ষ্মী প্রজা আর আমার রাজকুমার। যার স্বপ্ন শুধু আমি দেখেছি। অন্য কেউ নয়।।

অক্টোবর রেইন ও এমনী এক স্বপ্নকুমারীর গল্প। হ্যাঁ স্বপ্নকুমারী ই বটে। তবে তার স্বপ্ন গুলো খোলাচোখে দেখা হয়। উপন্যাসটিতে আছে হরিণডাঙ্গার রাজকুমারী সকাল। যে একা হলেই চলে যায় তার রাজ্যের কাছে। যেখানে শেহজাদী সকাল সব কথা মন খুলে বলতে পারবে। আর সবাই তার কথা মন খুলে শুনবে। হ্যাঁ তার কাল্পনিক জগৎ হরিণডাঙ্গা। আর আছে আরশান। একটু নাকউঁচু, অন্যরকম স্বভাব এর এবং অসাধারণ ব্যক্তিত্বের মানুষ। যার মা সম্পর্কে খারাপ অতীত থাকার কারণে মেয়েদের কখনও বিশ্বাস করতে চাইত না। ভালোবাসতে ভয় পেতো। আর এদিকে শেহজাদী সকাল হলো ভালোবাসায় ভরা একজন স্বপ্নকুমারী।

উপন্যাসটি শুরু হয় যখন শেহজাদী সকাল নিজের প্রাণপ্রিয় শহর ঢাকা ছেড়ে সাত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ভীর জমায় ভার্জিনিয়ায়। তার বাবা প্রিয় বন্ধুর ছেলে ফাহাদকে দেখতে আসা। যদিও তার এই দিকে আগ্রহ কম ছিল। কিন্তু এজন্য তার বিদেশ ভ্রমণের ইচ্ছা কিভাবে ছেড়ে দেয়? যেহেতু শেহজাদী সকালের প্রথম বিদেশ ভ্রমণ, সেহেতু তার মন টা অনেক ফুরফুরে ছিলো। আর ও বেশ লাগছিলো ভার্জিনিয়ার ছিমছাম প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখে।

ভার্জিনিয়াতে পৌঁছে সে চাচার বাসায় প্রথম দেখল আরশানকে। হ্যাঁ ঐ নাক উঁচু অসাধারণ ব্যক্তিত্বের মানুষটিকে। যাকে দেখার পর সকালে অন্যরকম অনুভুতি হতে শুরু করল। যা তার দীর্ঘ ২৫ বছরের জীবনে কখনও হয় নি। তবে সকাল অনেক করে ঐ অনুভূতি টা পেতে চেয়েছিলো বহু বছর ধরে। আচ্ছা আরশানও কি তার প্রতি একদম এ রকম অনুভব করে? নাকি আরশান সকালকে অন্য দশটা নরমাল মেয়ের মতো দেখে? কীভাবে সকালে ভার্জিনিয়া ভ্রমণ সম্পন্ন হয় তা জানার জন্য অবশ্যই এই বই পড়তে হবে।

★পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ
-------------------------
উপন্যাস পড়ার সময় আমার নিজেকে টিনেজ বয়সের অহনা মনে হচ্ছিল। বারংবারই আমার রূপকথার গল্প পছন্দ। এখন ও সুযোগ পেলে আমি রূপকথার গল্প নিয়ে ভাবি। আঁকি। লিখতে চাই। ঠিক যেনো কল্পনায় আমার অনেক সময়ের স্বপ্ন পূরণ করার মতো।

"অক্টোবর রেইন" পড়ার সময় বারবার আমি নিজের সাজানো রূপকথায় ডুব দিচ্ছিলাম। অনেকটা স্মৃতিকাতর ও হচ্ছিলাম। আমি ওয়াসিকা নুযহাত আপুর লিখা পড়ি আর মুগ্ধ হই। এতো রিলেট খুব কম করি অন্য কারো লেখার সাথে। আপুর বই পড়ার সময় মনে হয় আমি আমার স্মতিকাতর সময় গুলো চোখের সামনে দেখছি। আমি সবসময় বলি যে, পাঠক যদি লেখকের লেখা পড়ার সময় প্রতিটা চিত্র চোখের সামনে কল্পনা করতে পারে। এবং তার লিখা অনুভব করতে পারে তাহলে লেখক এর লিখা সার্থক। সে হিসেবে ওয়াসিকা আপুর লিখা ও সার্থক। আমার খুব কম লেখকদের লেখা এতো বেশি ফিল হয়৷ আপুর লিখার একটা বিশেষ্যত্ব হলো আমি অনেক ক্ষুদ্র অনুভূতি গুলোকে এতো সুন্দর করে বর্ণনা করে যে তা আর কোনো দিক দিয়ে ক্ষুদ্র মনে হয় না। সে সাথে আছে আপুর প্রকৃতি সম্পর্কে বর্ণনা। প্রকৃতি সম্পর্কে বর্ণনা গুলো এতো বেশি নিখুঁত হয় যেনো পাঠক ঘরে বসে ঐ দূরের জায়গার সৌন্দর্য অনুভব করতে পারে। এছাড়াও আপু লিখা থেকে হরেক রকমের পশু পাখির নাম জানা যায়। মূল কথা আপু প্রতিটা বই পুরা একটা প্যাকেজ এর মতো। সব ধরনের অনুভূতি বিদ্যমান এতে। আমি আপুর লিখার অনেক বড় ভক্ত হয়ে যাচ্ছি। ❤

অক্টোবর রেইন কেনা নিয়ে দামের কারণে অনেক সংকোচ হয়েছিল। কিন্তু পড়ার পর সেই সংকোচ টা কেটে গেছে। তবে এখন একটা ই দাবী আরশান সকালের বাংলাদেশ ভ্রমণ পড়তে চাই।

•ভালো লাগা কিছু লাইনঃ
★অপেক্ষা জিনিসটা আরশানের পছন্দ নয়।সে চায় না তার জন্য কেউ অপেক্ষা করুক। সে নিজেও কারো জন্য অপেক্ষা করতে চায় না।অপেক্ষার ফলাফল কখনো সুমিষ্ট হয় না।
★বাবা না থাকলে তার জীবনে আর কোনো পিছুটান থাকবে না। তখন কি হবে? কি নিয়ে এবং কেনই বা বেঁচে থাকবে সে? শুধুমাত্র নিজের জন্য কি বাঁচা থাকা যায়?
★এসব বোকা মানুষদের রাগিয়ে দেয়ার একটা আলাদা মজা আছে। চালাক মানুষেরা সহজে রাগে না। কিংবা রাগলেও রাগ প্রকাশ করে না। কিন্তু বোকারা সাথে সাথে রাগ প্রকাশ করে ফেলে।
★প্রতিটা শহর আসলে এর বাসিন্দাদের কোনা না কোনা গল্প বলতে চায়। কিছু গোপন সুখ দুঃখ ভাগ করে নিতে চায়।
★বস্তুত,তার মনে হয় মানুষে মানুষে সম্পর্ক রচনার চাইতে ও বেশি জরুরি এবং দামি হলো পৃথিবীর সাথে সম্পর্ক রচনা করা। মানুষ আসে,মানুষ যায়। নিজের প্রয়োজন এ কাছে আসে, নিজেরই প্রয়োজনে দূরে চলে যায়। কিন্তু এ পৃথিবী মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কোথাও যাবে না। শুধু মৃত্যু ছাড়া অন্য কোনো অরি বা দুশমন তাকে এ পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না।
★পিছুটান,বন্ধন,সম্পর্ক এসব মানবিক দিকগুলো প্রকৃত অর্থে মানুষকে দুর্বল করে ফেলা ছাড়া অন্য কিছুই করে না। একবার এই মায়ার ফাঁদে পা দিলে পস্তাতে হবে সারাজীবন।
★পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর ঘটনাটি হলো একজন মানুষের অন্য একজন মানুষের জন্য ভালেবাসার অশ্রুজল বিসর্জন দেওয়া।
★মনের উপর নিয়ন্ত্রণ না থাকলে শরীর হয়ে যায় পর।আগে বশে আনতে হবে মনটাকে তারপর দেহ।
★মানুষের জীবনের সবচেয়ে কঠিন সত্য হলো সময় তার কাছ থেকে মূল্যবান কিছু বস্তু বিনা অনুমতিতে ছিনিয়ে নেয়। ছিনিয়ে নিতে নিতে এক সময় গোটা মনটাকে পরিবর্তন করে দেয়।মানুষ ভুলে যায় অনেকদিন আগে তার একদম অন্যরকম একটা মন ছিল।
★Will you love me like you loved me in the October rain....?
★আমি আপনাকে ভালোবাসার চাইতেও বেশি ভালোবেসে ফেলেছি।

রেটিংঃ ⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐⭐............
(অতো ভালো রিভিউ করতে পারি নি। কিন্তু বইটা আসলেই অনেক সুন্দর)

happy reading ❤
Profile Image for Nafisa Tarannum.
78 reviews24 followers
January 10, 2023
বেশ অনেকদিন খটমটে বই পড়ে এখন একটু হালকা সামাজিক উপন্যাসের দিকে ঝুঁকিয়াছি। সেই হিসেবে অক্টোবর রেইন এই ট্রেন্ডে শীতল বাতাসের আরাম হাওয়া দিয়ে গেছে।
গল্পটা সকালের, যে কিনা মনের মাঝে এক রাজ্যে থাকে যেইখানে সে হিরণডাঙ্গার রাজকন্যা। জলের গানের লাইন
"আমার জামাই ধান বায়
হরিণডাঙার মাঠে"
গুনগুন করে বেজে উঠে মাথায়। Intrusive thoughts যে এইভাবে লেখা যায় সেইটা লেখিকার ক্রেডিট পুরাই৷ টিনেজ বয়সের প্রেমের একটা পরশ আছে লেখায়। খারাপ না। বেশ মেলোড্রামাটিক।

আরেকটা মজার বিষয় হলো, এই বইটা পড়ার সময় মাথায় Big Theief এর Mary গানটা বাজছিলো। গানটা মূলত একটা লালাবাই এর এডাপ্টেশন। পড়তে পড়তেই হঠাৎ দেখি লেখিকা ঠিক এই লালাবাইটাই ব্যবহার করেছেন। খালি জানুয়ারির বদলে ব্যবহার করেছেন অক্টোবর। অক্টোবর আমার জন্মমাস বলেই হয়তো এই মাসের প্রতি আমার আলাদা পক্ষপাতিত্ব আছে। এইজন্যও এই বইটির প্রতিও পক্ষপাতিত্ব চলে আসছে।
Profile Image for SH Sanowar.
126 reviews38 followers
May 21, 2024
গল্প, গল্পের আবহ, লেখনশৈলী সব মিলিয়ে দারুণ কিছু একটা হতে পারতো, কিন্তু পারলো না। অতি নাটুকেপনা তা হতে দিল না। বিরক্ত হলাম পড়ে।
Profile Image for Prottasha♡︎.
214 reviews36 followers
October 16, 2023
“অক্টোবর রেইন”
বইটা কারো কাছে খুবই সুন্দর কারো কাছে মোটেও ভালো না। আফসোস কেউ নেগেটিভ রিভিউ দেয় নি নাহলে এত টাকা বানে ভাসিয়ে দিতাম তবুও এই বইয়ের পিছনে খরচ করতাম না। টাকার হিসাবে বইটা যা তা। আমার জন্য এই বই কিনা একটা অনেক বড় অনুশোচনা।

"Will you love me Like you loved me in October Rain" এই লাইন টা দেখে যারা নাচা নাচি করছিল তাদের জন্য বলি এই লাইনটা ইংলিশ গানের শুধু অক্টোবর এর জায়গায় জানুয়ারি হবে, LMAO

রিভিউ ডিপেন্ড করে তিনটা বিষয়ে:
লিখনী, প্লট, চরিত্র
১) লেখকের লিখনী: লেখক প্রথমে কত বর্ণনা দিলো আর শেষে তাড়াহুড়া করলো। স্লোবার্ন রোমান্স তেমনটা ফুটে উঠেনি মানে পূর্ণতা পায় নি। তবে বলব তার লিখা Okay-ish — আহামরি কিছু না।

২) প্লট মোটামুটি, তবে যারা ইংরেজি উপন্যাস চর্চা করে আসছেন তাদের জন্য ডালভাত লাগতে পারে। আমি বলবো তাদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে চাইলে বরং তাদের বই ই পড়ুন। তবে প্রকৃতির বর্ণনা ঠিক ঠাক ছিল।

৩)চরিত্র: উপন্যাসের ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট উপন্যাসকে আরো সুন্দর করে তোলে। পারফেক্ট চরিত্র বলতে কিছু হয় না কিন্তু তাই বলে যা তা তো আর মানা যাবে না।

• সকাল: খুবই ডিস্টার্বিং একটা ক্যারেক্টার। তার কল্পনা জগৎ এতটা খারাপ লাগেনি কিন্তু তার চরিত্রের ডিমোশন দেখে আমি হতাশ। প্রথম দিকে তাকে ভালো লাগলেও ধীরে ধীরে যেন তার মাঝে তার ছেড়া মানে ক্লুলেস একটা আচরণ দেখি। এরপর সে হুট করে প্রেমে পড়ে কাত হয়ে আতসম্মানহীন হয়ে পরে। তার কথা বার্তায় আমার মনে হয়েছে সে খুবই গা'ধা টাইপের মেয়ে। আরশান তার প্রতি অনীহা আর তার বেস্টফ্রেন্ড ওরফে নট সো ফ্রেন্ড আদ্রিয়ানার সাথে বিশেষ মুহূর্ত দেখায় খারাপ ঠিকই লেগেছিল কিন্তু তার মাঝে বিশেষ পরিবর্তন দেখিনি। অনেক সময় কেমন বেহায়ার মতো পিছনে পড়েছিল। অথচ সেই নিজেকে মনে করে তার প্রবল আত্মসম্মান। (আত্মসম্মান না ছাই 🥴)

• আরশান: সে নারী বিদ্বেষী, মা ছাড়া বড় হয়েছে। তাকে নিয়ে কি বলি। ভালো লাগেনি, খারাপও লাগেনি তবে একটা জায়গায় তার প্রতি চরম বিরক্ত হয়েছি। সে আদ্রিয়ানার কাছে I need you বলে ছুটে ছিল যার অর্থ কারো অজানা নয়। (দ্বিমত পোষণ করলে তাদের ওয়েস্টার্ন সংস্কৃতির বই পড়ে দেখুন।) সে ছয় বছর বাংলাদেশে ছিল তাই বাংলা বলতে পারে তবে সে তার আমেরিকান জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত। কিন্তু এইখানে লেখক গন্ডগোল বাধিয়েছেন। সে তাদের মত লি'প'কি'স আর Ñudīty কে সাভাবিক নেয়। ইভেন তার কমিটমেন্ট ইস্যু আছে তাই রিলেশনশিপে জরায় নি কিন্তু ভেবেছিল আদ্রিয়ানাকে হয়তো কোন সময় ভালবাসবে। যাক গে, কিন্তু সে রাতে আদ্রিয়ানার কাছ থেকে থাপ্পড় খাওয়ার পর সকাল বেহায়ার মত তার কাছে আসে আর তারপর back to forth কাহিনী দাড়ায় যে আরশান বলে সকাল কে বিয়ে করবে.....
এক্সকিউজ মী? — হ্যালো? তারা বছরের পর বছর রিলেশনশিপের পর বিয়ে করে, হুট করে বিয়ে করার প্রশ্নই আসে না। আরশান অন্তত সময় নিলেই হতো। তার কিছু কথা বার্তা মুখ বুঝে সহ্য করেছি আর তার অনুভূতি পুরো ৩২০~ পেজ থেকে পেলাম এর আগে তার ফিলিং নেহাতই কম ছিল সকলের প্রতি। স্লোবার্ন রোম্যান্স এ আরশানে হুট করে এমন অনুভূতির পরিবর্তন বেমানান।
তার ভালবাসা অনেক ঘাটতি ছিল, সে কখনো আগ বাড়িয়ে সকালের কাছে যায়নি। কখনো না। শেষেও না।
(এখন বলবে সে ইন্সিকিউর হেন তেন তার মানে এটা না যে সকাল কে এতটা হেলা ফেলা করবে।)

• ফাহাদ: প্রথম দিকে তাকে আমার অত আহামরি কিছু লাগেনি কিন্তু সে সকালের কাছে রিজেক্ট পাওয়ার পর কিছুটা খারাপ লাগে। কিন্তু সে সময় নাবিলা তাকে সামলায়, আর নাবিলার প্রেমে পড়ে যেতেও সময় নিলোনা। তার ভলোবাসা খুবই সুন্দর ছিল আর আমার পছন্দের হয়ে উঠেছিল। মায়ের বাধ্য হয়েও মায়ের করা একটা নিকৃষ্ট কাজে কখনোই সাই দেইনি বরং নাবিলার প্রতি তার সম্মান দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি। আর মায়ের কাছেও ক্ষমা চেয়েছে তার জীবনের মা খারাপ হলেও সম্মানীয় ব্যক্তি ছিলেন।

নাবিলা: সাধারণ এর মধ্যে অসাধারণ চরিত্র তবে খুবই বুঝদার একটা মেয়ে। তার কথাবার্তা খুবই ভালো লেগেছে এমন কি তার বাবার মা নিয়ে কথা বলাও সে প্রতিবাদ করেছে। কোনভাবে নিজের সম্পর্কে কটু কথা মেনে নেয়নি। এই মেয়েটা আত্ম সম্মানবোধের কারণে আমার কাছে প্রিয় হয়ে উঠেছে।

রেটিং: ২.৭৫/৫
(আমি হতাশ হয়েছি)
Profile Image for Alvi Rahman Shovon.
532 reviews21 followers
May 23, 2021
পুরো উপন্যাস জুড়েই মুগ্ধতা আর আচ্ছন্ন করে রাখা কিছু অসাধারণ কথামালার আবেশ। 😌

পছন্দের কিছু উক্তিঃ

১) কখনো কখনো মন খারাপের নির্দিষ্ট কোন কারণ লাগে না। মানুষের সত্যিকারের মন থাকলে সেই মন হঠাৎ কারণে অকারণে খারাপ হবে আবার ভালো হবে এটাই স্বাভাবিক।

২) চোখে লাগা আর মনে লাগার মাঝে তফাৎ আছে। চোখে লাগাটা স্থায়ী হয় না কিন্তু মনে লাগাটা স্থায়ী হয়।

৩) কিছু জিনিস কত সহজেই না বোঝা যায়! মুখে বলতে হয় না, আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে হয় না, কলম দিয়ে লিখেও দিতে হয় না। শুধু চোখ চেয়ে চাইলেই এক মন থেকে অন্য মনে কথা গুলো নিজ থেকে উড়ে উড়ে চলে যায়।

৪) কাকে কার কি রকম লাগবে এই অনুভুতিগুলো আসলে আপেক্ষিক। জগতের প্রতিটি বস্তুরই খারাপ এবং ভালো দুটি দিক আছে। নির্ভর করে কার চোখে কি রকম ভাবে দেখতে চাইছে তার উপর। দেখার জিনিসগুলো একই থাকে, বদলে যায় শুধু মানুষের দৃষ্টিভঙ্গী।

৫) বোকা মানুষদের রাগিয়ে দেওয়ার আলাদা একটা মজা আছে। চালাক মানুষেরা সহজে রাগে না। কিংবা রাগলেও রাগ প্রকাশ করে না। কিন্তু বোকারা সাথে সাথে রাগ প্রকাশ করে ফেলে।
3 reviews2 followers
Read
May 2, 2020
বইয়ের নামঃ অক্টোবর রেইন
লেখিকাঃ ওয়াসিকা নুযহাত
প্রকাশনীঃ বইবাজার প্রকাশনী
প্রকাশকঃ সৈয়দ রবিউজ্জামান
প্রচ্ছদঃ মাহামুদুল হাসান আসিফ
প্রথম প্রকাশঃ ২০২০
মুদ্রিত মূল্যঃ ৬৫০ টাকা।

নামকরণঃ অক্টোবর নামটা শোনার সাথে সাথেই আমাদের চোখে ভেসে উঠে একটা সুন্দর মাসের চিত্র। অক্টোবর মাসের পুরোটা সময় জুড়ে চলে প্রকৃতির অদলবদল, চারিদিকে শুকনো পাতার উড়াউড়ি, এই সময়টা প্রকৃতি প্রেমিদের জন্য খুব মোহনীয়। এই সময়ে তারা নতুন করে প্রকৃতির প্রেমে পড়ে। নতুনভাবে প্রকৃতিকে দেখে নতুন রূপে। আর অক্টোবরের বৃষ্টিতে প্রকৃত প্রকৃতি প্রেমিদের মনে জেগে উঠে নতুন ভালোবাসা। বইটির বিষয়বস্তুর সাথে এই উপন্যাসের নামকরণ একদম স্বার্থক।

প্রচ্ছদঃ বইটির প্রচ্ছদে অক্টোবরের পাতার উড়াউড়ি, ভায়োলিন, সবুজ গাছের পাতা আর ছোট্ট একটা কুটির সবকিছু যেনো হরিণডাঙা আর তার শেহজাদা-শেহজাদির প্রতিচ্ছবি। বইটির প্রচ্ছদের দিকে তাঁকালেই মনে হয় আরে এই তো সেই হরিণডাঙা। প্রচ্ছদ দেখলেই বই পড়ার তৃষ্ণা দ্বিগুণ হয়ে যায়। অমন সুন্দর প্রচ্ছদের একখানা বই নিজের সংগ্রহে থাকবে এইটাই যেনো একটা অন্যরকম তৃপ্তি দেয়। প্রচ্ছদটি সত্যিই ভীষণ সুন্দর আর আকর্ষণীয়।

উৎসর্গঃ লেখিকা নিজের জীবনের অক্টোবরকে তার লেখা এই বইটি উৎসর্গ করেছেন।

বইকথনঃ "অক্টোবর রেইন" উপন্যাসটি ওয়াসিকা নুযহাত আপুর লেখা পঞ্চম উপন্যাস। উপন্যাসটির কাহিনী শুরু হয়েছে বাংলাদেশ থেকে বহু দূরে, প্রাকৃতিক সোন্দর্যের লীলাভূমি যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায়।

অক্টোবর রেইন উপন্যাসটি একটি প্রেমের উপন্যাস। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র দুইটি, সকাল এবং আরশান। স্নিগ্ধ, সুন্দর, মিষ্টি আর সরলতায় ঘেরা একটা মেয়ে সকাল। অপরদিকে নাকউঁচু, হামবড়া হাসি আর আকর্ষণীয় ব্যাক্তিত্বের চরিত্র আরশান।

সকালের প্রথম বিদেশ ভ্রমণ দিয়েই কাহিনীর সুত্রপাত। সকালের বাবার বন্ধু রহমান সাহেব বহুদিন পর দেশে এসে বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে আসেন, সেখানেই উনার স্ত্রী সকালকে পছন্দ করেন নিজের ছেলের পুত্রবধূ হিসেবে। কিন্তু উনার ছেলে যেহেতু ভার্জিনিয়ায় থাকে সেহেতু ওদের দুজনার পরিচিতির জন্য তিনি সকালকে আমন্ত্রণ জানান ভার্জিনিয়ায়। সকাল বিষয়টিকে এক ঢিলে দুই পাখি মারার মতো মনে করে, যাতে ছেলেটাকে জানাও হলো এবং বিদেশ ভ্রমণ করাও হলো। ভার্জিনিয়ায় পৌঁছে সকালের দেখা হয় আরশানের সাথে।
আরশান! নাকউঁচু, হামবড়া হাসির এমন একটা মানুষ যাকে দেখার পর সকালের মনের ভেতর ডংকা বেজে উঠে। যে ডংকা বাজার জন্য সকাল বছরের পর বছর অপেক্ষা করেছে, আর তারপর ভেবে নিয়েছে তার জীবনে এই ডংকা কখনোই বাজবে না। অপ্রত্যাশিতভাবে আরশানকে দেখার পর তার মনের ভেতর ডংকা বেজে উঠে।

এদিকে যার সাথে দেখা করবে বলে সকাল ভার্জিনিয়া এসেছে সেই ফাহাদ আবার আরশানের পরমাত্মীয়। নিজের মনের ভেতরকার খবর যখন সকাল টের পায় তখন প্রথমে সে ভোগে পরম অস্বস্তিতে, এরপর ধীরে ধীরে তা রূপ নেয় অনিশ্চয়তায়। নিজের মনের এই দোদুল্যমান অবস্থায় সে আবিষ্কার করে আরশান নামক মানুষটিকে ছাড়া সে বাঁচার মতোন বেঁচে থাকতে পারবে না।
অপরদিকে আরশান, যার জীবনে রয়েছে এক অতীত, যে অতীত তাকে মেয়েদের বিশ্বাস করতে দেয় না। যার কাছে বিশ্বাস, ভালোবাসা, বন্ধনের কোনো মূল্য নেই। যার মা, বাবা, ভাই, বোন সবাই মিলে সুন্দর একটা পরিবার রয়েছে কিন্তু তারপরও তার কাছে কিছুই নেই। সে চলে তার নিজের মতো, পরিবারে সবার প্রতিই তার ভালোবাসা রয়েছে কিন্তু তারপরও সে একা। হঠাৎ তার জীবনে আসে সকাল নামক এক বিস্ময় বালিকা। যার স্নিগ্ধতায়, সরলতায় তার মনের ভেতর মেয়েদের প্রতি গড়া অবিশ্বাসের দেয়াল খসে পড়ে। একটু বোকাসোকা এই মেয়েটা আরশানের অজান্তেই তার মনের ঘরে জায়গা তৈরী করে ফেলে।

জীবনে যখন প্রথমবারের মতো আরশান কাওকে ভালোবেসে ভরসা করতে চায় ঠিক তখনই তার জীবনে পর পর ঘটে যায় কিছু চমকপ্রদ ঘটনা। তার আজীবনের জানা বিষয়গুলো তার কাছে মিথ্যা হয়ে যায়, জানতে পারে জীবনে যেই মানুষটাকে সে সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করেছে সেই মানুষটাই তার সাথে সবচেয়ে বেশি বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। যাকে নিয়ে সে নতুন করে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছে সেই মানুষটিও আরশানকে কাছে পাবার জন্য কিছু বিষয় তার কাছে লুকিয়ে গেছে। তার জীবনের সবচেয়ে বড় সত্য যখন তার সামনে মিথ্যা হয়ে যায় এরপর কি সে ঘুরে দাঁড়াতে পারে? সে কি নতুনভাবে তার জীবন শুরু করে নাকি নিজের একলা জগতে সে হারিয়ে যায়? আর সকাল, সে কি তার হরিণডাঙার শেহজাদাকে জয় করতে পারে নাকি শুন্য হাতেই তাকে ফিরে যেতে হয় নিজের দেশে জানতে হলে পড়তে হবে অক্টোবর রেইন বইটি।

পাঠ-প্রতিক্রিয়াঃ পাঠ প্রতিক্রিয়ায় প্রথমেই বলতে হয় লেখিকার লেখনশৈলী নিয়ে। প্রকৃতি নিয়ে এতো সহজ ভাষায় এতো বিস্তৃত বর্ণনা সত্যিই মনোমুগ্ধকর। উপন্যাসের মূল কাহিনীর সবটুকুই অক্টোবরের শুরু থেকে শেষের মধ্যে ঘটে যায়, আর সেই ঘটনাগুলোর সাথে তিনি অক্টোবরের প্রকৃতির এমন বর্ণনা করেছেন যা যেকোনো পাঠককে প্রকৃতির প্রেমে পড়তে বাধ্য করবে।

প্রথমেই বলেছি অক্টোবর রেইন আগাগোড়া প্রেমের উপন্যাস, তবে সেই প্রেম শুধু দুজন মানব মানবীর মধ্যকার প্রেম নয়। পুরো উপন্যাসটিতে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের প্রতি প্রেম রয়েছে, রয়েছে বন্ধুত্ব, পিতার প্রতি পুত্রের প্রেম, ভাইয়ের প্রতি ভাইয়ের ভালোবাসা, সন্তানের প্রতি মায়ের স্নেহ। অক্টোবর রেইন উপন্যাসটিতে ফুটে উঠেছে আগাগোড়া একটি পরিবারের গল্প, আমাদের জীবনের বিভিন্ন বাঁকের কথা। জীবনে চলতে গেলে অনেকসময় আমরা নানান ভুল সিদ্ধান্ত নেই যা চাইলেই অনেক সময় শোধরানোর সুযোগ থাকে না। তবে আমরা চাইলেই ভুলগুলোর প্রায়শ্চিত্ত করে জীবনটাকে নতুন করে সাজাতে পারি, লেখিকা এই বিষয়টিই গল্পের মাধ্যমে পাঠকদের বুঝাতে চেয়েছেন। যারা বইটি মনোযোগ দিয়ে পড়বে তারা এই বিষয়টি খুব সহজেই বুঝতে পারবে।

এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র সকালের একটি কল্পিত রাজ্য রয়েছে, যেই রাজ্যের নাম হরিণডাঙা আর সকাল সেই হরিণডাঙার শেহজাদি। শেহজাদির বিশ্বস্ত সহচরী বিন্দুবাসিনী পুরো উপন্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্বচরিত্র। সকালের প্রতিটা একাকিত্বের সময় যে পাশে থেকে সকালকে ভরসা যুগিয়েছে। উপন্যাসটি শেষ করার পর সকালের কল্পিত এই চরিত্রটির প্রতি আমার খুব লোভ জেগেছে, মনে হয়েছে ইশ আমার কেনো এমন একটা বিন্দুবাসিনী নেই! পুরো উপন্যাসটিতে সকালের কল্পিত এই রাজ্য আর বিন্দুবাসিনী প্রকটভাবে প্রভাব ফেলেছে, এমনকি একটা সময় বাড়ির ব্যাকইয়ার্ডে ঘন জংগলের ভেতর আরশানের তৈরি করা নিজের সাম্রাজ্যটাতেই সকালের হরিণডাঙার প্রতিফলন ঘটেছে। গল্পটা পড়তে গিয়ে কখনও মনে হয়েছে আসলেই আমি হরিণডাঙায় চলে এসেছি।

লেখিকা এই গল্পটাতে বিদেশে পড়তে যাওয়া একটি মেয়ের কথা লিখেছেন। আমাদের দেশের মেয়েরা বাহিরে পড়তে গিয়ে কি কি সমস্যার সম্মুখীন হয় তার একটা হালকা ধারণা দিয়েছেন। নাবিলা নামের এই চরিত্রটি তার নিজের জায়গায় সফল।

দীর্ঘ কলেবরের এই উপন্যাসে লেখিকা প্রধান দুইটি চরিত্র ছাড়াও আরও অনেক চরিত্রের বিশ্লেষণ করেছেন। রহমান সাহেব, চাচী, সকালের বাবা-মা, ফাহাদ, নাবিলা, টিলি, অনিক, এন্ড্রিয়ানা, এমনকি আরশানের এরিক প্রতিটি চরিত্রই নিজেদের জায়গায় স্বার্থক। খুব ক্ষুদ্র বিষয়গুলোকেও লেখিকা সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন, এতোগুলো চরিত্র নিয়ে তৈরি এই উপন্যাসটি পড়তে গিয়ে কখনোই মনে হয় নি যে অযথা টেনে উপন্যাসকে লম্বা করা হচ্ছে। যেখানে যার যতোটুকু প্রয়োজন ঠিক ততোটুকুই উপস্থাপন করা হয়েছে। লেখিকা খুব ভালো করেই জানতেন কোথায় থেমে যেতে হবে, তিনি সেজন্য উপন্যাসটিকে একদম সঠিক জায়গায় শেষ করে দিয়েছেন। বইয়ের লাস্ট লাইন পড়ার পর এজন্যই পাঠক একটা ঘোরের মধ্যে চলে যাবেন নিশ্চিত। অক্টোবর রেইন শেষ করার পর আমার মনের ভেতর কেমন একটা সুখ সুখ অনুভূতি হয়েছে, আমি আমার চারপাশে আতরের খুশবু পাচ্ছিলাম, কোথাও যেনো ভায়োলিনের মধুর সুর ভেসে উঠেছিলো।

লেখিকা বানানের প্রতি খুবই যত্নশীল ছিলেন, এতো বড় বইয়ে দু একটা প্রিন্টিং মিস্টেক ছাড়া কোনো বানান ভুল চোখে পরে নাই। সহজ ভাষায়, নির্ভুল বানানে এই বইটি খুবই সুখপাঠ্য ছিলো। বইয়ের পৃষ্টাসংখ্যা ও লেখনীর জন্য একটু বেশি দাম দিয়ে কিনলেও পাঠক হতাশ হবেন না।

প্রিয় লাইনঃ অক্টোবর রেইন এমন একটি উপন্যাস যার প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি লাইন আমার প্রিয়। এই উপন্যাসটি পড়তে গেলেই আমি কেমন ঘোরের মধ্যে চলে যাই, এজন্য বইটির আলাদা করে কোনো প্রিয় লাইন নেই। পুরো বইটাই আমার খুব প্রিয়।

অক্টোবর রেইনকে রেটিং দিতে হলে চোখ বন্ধ করে আমি ১০০ তে ১০০ দিবো।
3 reviews
June 27, 2026
আমার পছন্দের একটা উপন্যাস আমি ৩ বার পড়েছি। এই বইটা পড়ে অক্টোবর এর মানে উপলব্ধি করতে পেরেছিলাম। ওরা সবাই এতো জীবন্ত যে যতবারই রিরিড দেই না কেন আমার খারাপ লাগে না। বরং বছরে একবার পড়া এখন অভ্যাস হয়ে গেছে। দেশে থেকেও আমেরিকা ঘুরে এসেছি বইটি পড়ে মনে হয়। পরিবার,প্রেম, বন্ধুত্ব এবং প্রাকৃতিক নিসর্গকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এই স্নিগ্ধ উপন্যাস। উপন্যাসটা সাধারণ কিন্তু সাধারণের মাঝেও অসাধারণ অনুভব করা টাইপ। এইটা পড়ে সময় টাকা সবই যেনো উসুল হয়েছে🫶
Profile Image for A F R I N.
3 reviews
June 27, 2026
অক্টোবর রেইন পছন্দের একটা বই। হরিণডাঙার বর্ণনা শুনে সেখানে যেতে ইচ্ছা করে। আরশান জোশ একটা চরিত্র।
Profile Image for নাঈম ইসলাম.
124 reviews6 followers
October 5, 2022
"বছরের সবচেয়ে বিশুদ্ধ ও সুন্দরতম মাস হলো অক্টোবর সূর্যকে প্রদক্ষিন করার পুরো সময়টার মধ্যে একমাত্র অক্টোবরে এসেই পৃথিবী সবচেয়ে বেশি রুপবতী হয়ে ওঠে।

তাই হয়তো আরশান সকালকে বলেছিলো, আপনার হাসিটা.... আপনার হাসিটা অক্টোবর এর মতো!

"বলো পৃথিবী? কার অক্টোবর বেশি সুন্দর তোমার নাকি

আমার,?

মাত্র শেষ করলাম ওয়াসিকা নুযহাতের অক্টোবর রেইন,
বইটা পড়ে মনে বার বার মনে হচ্ছিলো
আমার একটা অক্টোবর থাকলে বেশ হতো,

প্রিয় লাইন

"মানুষের জীবনের সবচেয়ে কঠিন সত্য হল সময় তার কাছ থেকে মূল্যবান কিছু বস্তু বিনা অনুমতিতেই ছিনিয়ে নেয়। ছিনিয়ে নিতে নিতে একসময় গোটা মনটাকেই পরিবর্তন করে ফেলে। মানুষ ভুলে যায় অনেক দিন আগে তার একদম অন্যরকম আরেকটা মন ছিল।"

রেটিং ৪.৫
Profile Image for অলকানন্দা .
13 reviews2 followers
June 10, 2026
সমকালীন বই পড়িনা আমি তবে এই বই টা কেন জানি পড়েছিলাম। সমকালীন বই হিসেবে এটা নিয়ে ওত হাইপ নেই মনে হয় তবে বই টা অনেক সুন্দর। সমকালীন বই নিয়ে এত এত সমালোচনার ভিড়ে এখন এসব বই পড়তে ভয়ই লাগে তবে এই বই এক্সপেকটেশন এর থেকে সুন্দর ছিলো। ভেবেছিলাম ভালো হবেনা।

বই টা পড়ার পর মনে হয়েছে আমার নিজের ও ত একখানা হরিণডাঙা রয়েছে এবং আমি সেই হরিণডাঙার রাজকন্যা 🦌
1 review1 follower
September 30, 2021
বুক রিভিউ
বই- অক্টোবর রেইন
লেখিকা- ওয়াসিকা নুযহাত
প্রকাশন -বইবাজার
পৃষ্ঠা সংখ্যা -৪৪৬

নামকরণ : একটা উপন্যাসের জন্য তার নামকরণ টা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ঐ হিসেবে অক্টোবর রেইন নামকরণ টা যেন পরিপূর্ণ সার্থক। নামটার মধ্যে আলাদা একটা রেশ আছে। আর সত্যি কথা হলো নামটা শুনেই আমি বইটি কিনার জন্য পাগল হয়ে যাই। অনেক সময় নিয়ে ঝামেলা করে বইটি কিনেছি।থাক সেই কাহিনী বলবো না😊। নামটা গল্পের প্রতিটি চরিত্রকে পরিপূর্ণ ও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। এবং গল্পের সমস্ত টাকে পূর্ণ রূপে ধারণ করেছে। 🥰🥰

প্লট : খুবই সুন্দর ও অসাধারণ এক প্লট নিয়ে সাজানো হয়েছে গল্পটা। আরশান নামের এক খামখেয়ালি ছেলে ও হরিণডাঙার রাজকন্যা সকাল এর সামান্য কিন্তু অসাধারণ এক ভালোবাসার গল্প। যা পাঠকের মন ছুয়ে যাবে। তবে শুধু প্রেমের বা রোমান্টিক উপন্যাস মনে করে কেউ যদি এটাকে এড়িয়ে যায় তাহলে সত্যি বলছি সে অনেক কিছু মিস করবে। কারণ এখানে জড়িয়ে আছে প্রেম, ভালোবাসা,বন্ধুত্ব, পরিবার,সমাজ,প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এর নিখুঁত বর্ননা। এক কথায় সবকিছু। 🥰🥰

ভালোলাগা: আলাদা ভাবে সত্যি কিছু বলার নাই। কারণ ৪৪৬ পৃষ্ঠা এর মাঝে কোনো একটি পৃষ্ঠাও আমার কাছে খারাপ লাগে নি। পুরো বইটা আমি উপভোগ করেছি এবং বিগত চারদিন একটা ঘোরের মাঝে ছিলাম। উপন্যাসের সমস্ত প্রিন্সিপাল এখানে পূর্ণ রূপে পাওয়া গিয়েছে। আর লেখিকা যা লিখেছেন তা অসাধারণ। এককথায় কোন রকমের অতিরিক্ত কথা, ফালতু আবেগ, খুব বেশি ইমোশনাল কথাবার্তা এর কোনো কিছুই চোখে পরেনি আমার। আর ওয়াসিকা আপুর ভাষা শৈলী নিয়ে আগেও বলেছি তাই নতুন করে কিছু বলার নেই। এমনভাবে একেকটা বর্ননা তিনি দিয়েছেন যে একসময় মনে হয় তিনি নিজের ঘটনা বা তার নিজের দেখা কোন ঘটনা বলছেন। একবার মনে হচ্ছে এমন হলে ভালো হতো, আরেকবার মনে হচ্ছে না হলেও সমস্যা নেই। আর সবচেয়ে বড় কথা আমার কাছে মনে হয়েছে পুরো ঘটনা টা আসলে এমনই হওয়ার কথা ছিলো যেমনটা হয়েছে । তাই আমার দৃষ্টিতে এটি ছিলো একটি সার্থক উপন্যাস 🥰🥰।

চরিত্র : সব চরিত্রকেই দারুণ ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সবচেয়ে সুন্দর চরিত্র আমার কাছে মনে হয়েছে আরশান আর সকাল🥰। অসম্ভব সুন্দর এক কেমিস্ট্রি 😍

সমালোচনা : দুঃখিত যে আসলে সমালোচনার কিছুই পাইনি। এটা আমার নিজের অভিমত। অন্য কেউ পেতেও পারেন সেটা একান্ত আপনার অভিমত।

অনুভূতি : এটা মনে হলো কিছুটা জানানো উচিৎ যে আমি কেমন অনুভব করেছি। আমি উপন্যাস টা খুবই আগ্রহ নিয়ে, ভালোবাসা নিয়ে পড়েছি। একেকটা সংলাপ, একেকটা বর্ননা,একেকটা উপমা খুব গভীরভাবে উপলব্ধি করেছি। কিন্তু আমার নিজেরই বিশ্বাস হচ্ছিলো না যে আমি এতোটা আবেগি হয়ে পরেছি। মাঝে মাঝে উপন্যাস পড়ার সময় এমন হয় যে আমরা ভাবি তারপর কি! তারপর কি! কিন্তু আমার এই উপন্যাস টা পড়ার সময় আলাদা অনুভূতি হয়েছে। আমার খালি মনে হয়েছে শেষ পৃষ্ঠা পড়ে ফেলি। এভাবে আর পারা যায় না, কিন্তু অনেক কষ্টে নিজেকে আটকিয়েছি।😅

এন্ডিং : এন্ডিং নিয়ে আলাদা বলার কারণ হলো বইটির অন্য একটি সৌন্দর্য এর এন্ডিং টা। যা পাঠককে উত্তেজিত করে তুলবে এবং সবকিছু ভুলে বইটি নিয়ে ভাবাতে বাধ্য করবে। যেমনটা শুনেছিলাম যে লেখক যদি সব লিখে দেয় পাঠক চিন্তার খোরাক কোথায় পাবে! আর কিছু বলবো না বললে স্পয়লার হয়ে যাবে।

উপসংহার: এখানে ওয়াসিকা আপু একটু আলাদা প্রশংসার দাবি রাখে বলে আমি মনে করি। অপূর্ব ভাষা শৈলী এবং অতি সুন্দর সাহিত্যিকতার ছোয়া রেখেছেন তিনি পুরো বইটি জুড়ে। এককথায় মন ছুঁয়ে গেছে। 🥰
যারা পড়তে চান অবশ্যই পড়বেন। আমি নিশ্চয়তা দিতে পারি বইটি কোনোভাবে আপনাকে নিরাশ করবে না। পরিশেষে এতটুকুই বলবো যে-
যদি বইটি পড়েন আপনি মনের দৃষ্টিতে, 😍😍
আপনিও ভিজবেন অক্টোবরের বৃষ্টিতে।😍😍(ধন্যবাদ)
Profile Image for Maisha Farzana.
3 reviews
January 25, 2023
বেশ অনেকগুলো রিভিউ দেখেই এই বই শুরু করা। পৃষ্ঠার সংখ্যা দেখে ভালো কিছুর আশা করেছিলাম। আদতে তেমন কিছু নেই। সাধারণের কাহিনী, উপস্থাপনে পাই নি কোনো অসাধারণ লেখনী। একটি ভালো দিক বলবো, মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্যের বর্ণনা। নিজেকে বেশ ক'বার সেখানে কল্পনা করেছি। তবে পারিবারিক কলহ -বিবাদ এই জিনিসগুলো সবসময় সিনেমা নাটকে যেভাবে দেখানো হয়, তা-ই হয়েছে, ব্যতিক্রম নেই কোথাও। হয়তো আমার পছন্দের সঙ্গে এই বই খাপ খায় না!
Profile Image for Samia Rashid.
346 reviews19 followers
October 22, 2021
বইটি পড়তে পড়তে একরাশ মুগ্ধতায় ডুবে গিয়েছিলাম। মনে হচ্ছিলো আমিই বোধহয় ভার্জিনিয়ার পথে ঘুড়ে বেড়াচ্ছি! পাতার পর পাতা উল্টাচ্ছিলাম। এত সুন্দর করে প্রকৃতির কথা বলা হয়েছে, মনে হয়েছে চোখের সামনেই সব দেখছি। সকাল-আরশানের অনুভূতিগুলো মন থেকে অনুভব করেছি।

বইটির মলাট যখন প্রথম দেখি তখনই মলাটের প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম! বইটি পড়ে পুরো বইয়ের প্রেমে পড়ে গেলাম। লেখিকার লেখা এটাই আমার পড়া প্রথম বই।
Profile Image for Shahriar  Fahmid.
117 reviews15 followers
November 4, 2022
বছরের সবচেয়ে বিশুদ্ধ সুন্দরতম মাস হলো অক্টোবর। সূর্যকে প্রদক্ষিন করার পুরো সময়টার মধ্যে একমাত্র অক্টোবরে এসেই পৃথিবী সবচেয়ে বেশি রুপবতী হয়ে ওঠে।

আপনার হাসিটা.... আপনার হাসিটা অক্টোবর এর মতো!

"বলো পৃথিবী? কার অক্টোবর বেশি সুন্দর তোমার নাকি আমার।" 🖤

বিস্তারিত বাতচিতঃ বইটা রোমান্টিক জনরার উপন্যাস।সুদূর মার্কিন মুলুকের ভার্জিনিয়ার বাস্তবচিত্র চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছিলাম বইটি পড়ার সময়।লেখক ভার্জিনিয়ার সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে কোনো কার্পন্য করেননি।এত সুন্দর করে হয়তো আর কেউ ভার্জিনিয়াকে কলমের নিভে ফুটিয়ে তুলতে সম্ভব হবে না।উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র একটি মেয়ে, যার নাম সকাল।তাকে বাংলাদেশ থেকে তার শশুর-শাশুড়ি নিয়ে গেছেন তার হবু স্বামীর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য।সেখানেই সকালের জীবনটা একদম উলোট পালট হয়ে গেল।পুরো ২৫ বছরের জীবনে যেই অনুভূতি তাকে গ্রাস করতে পারেনি সেই অপার্থিব অনুভূতি সকাল ভায়োলিনের করুণ সুরে আবিষ্কার করলো তার জীবনে।
সকাল হরিণডাঙ্গার রাজকন্যা। যেই হরিণডাঙ্গা তার কল্পনায় ভেসে বেড়ায় সেই হরিণডাঙ্গার রাজ্য ভার্জিনিয়ার বুকে রঙ-তুলিতে এঁকে রেখে তার জন্য কিন্তু কে সে? এটুকু অস্পয়লার হয়ে থাক।

উপন্যাসে পারিবারিক বন্ধন যেমন দেখানো হয়েছে ঠিক তেমনি একাকিত্বের ভয়াবহ রূপও ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক আরশান চরিত্রের মাধ্যমে। বইটা পড়তে পড়তে যখন শেষের দিকে পাঠক পৌছাবেন তখন একটা টুইস্ট আপনাকে বড়সর ধাক্কা দিবে।চোখে হালকা জলের আভাসও পেতে পারেন কথাগুলো পড়ে।তবে হাউমাউ করে কান্না করার কিছু নাই।
পরিশেষে সকাল আর আরশানের জীবনে কি হলো তা জানতে পড়তে হবে অক্টোবর রেইন বইটি।উপন্যাসে আরো দুটি চরিত্র হলো আরশানের ভাই আর সকালের কলেজ ফ্রেন্ড নাবিলা।আরশানের ভাইয়ের নামটা এখন মনে আসছে না। কেউ এ বই পড়ে থাকলে অবশ্যই নামটা কমেন্টে লিখে যাবেন।বইটা এখন হাতের কাছে নেই।

উপন্যাসের খারাপ দিক হলো এটা সামান্য ১৮+।আমার কাছে সামান্যই।আহামরি কিছু না তবে আমাকে ফলো করে এমন অনেকে এই সামান্য টুকুর সাথেও পরিচিত নয়।তাই বলে রাখলুম এটুকু।আর আমারও মনে হয়েছে লেখিকা এভাবে উপস্থাপন না করলেও পারতেন তবে ওয়েস্টার্ন ঢঙে যেহেতু উপন্যাসটা লেখা সেদিক থেকে দোষও বলা যায় না।

৪ নভেম্বর, ২০২২
Profile Image for প্রিয়াংকা ঘোষ.
7 reviews2 followers
January 16, 2022
.
আমার পড়া লেখিকার প্রথম বই হিসেবে বইটা পড়ার অনুভূতি ছিলো,
আনন্দম! আনন্দম! আনন্দম!
দীর্ঘদিনের রির্ডাসবক্ল কাটাতে বইটা অনেক হেল্পফুল ছিলো। অনেকদিন পর একটা ভালো মানের উপন্যাস পড়া হলো।
বছরের শুরুটা একটা ভালো বই দিয়ে হলো।

"অক্টোবর রেইন" আর তার প্রতিটা চরিত্র মনে দাগ কাটার মতো,একবার দেখতে ইচ্ছা হওয়ার মতো।
প্রতিটা চরত্রের বর্ননা লেখিকা এতো সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যে বইটাকে শুধুমাত্র বিশুদ্ধ প্রেমের উপন্যাস বললে ভুল হবে। এখানে ছিলো, বাবা-মায়ের সম্পর্কের টানাপোড়ন, দায়িত্ববোধ, ভাইয়ের প্রতি ভাইয়ের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ, শ্রদ্ধা, বিশ্বাসঘাতকতা, দেশপ্রেম, প্রকৃতির এক অপূর্ব সুন্দর রূপের বর্ননা।
আমার মতো কল্পনাপ্রবন মানুষের জন্যে বইটা টনিকের মতো কাজ করবে।
কল্পনাবিলাসী,নিজেকে হরিণডাংগা রাজ্যের শাহজাদী মনে করা সকাল ঠিকই একদিন হয়ে উঠে আরশানের সামরাজ্যের শাহজাদী।
পাঠক মাত্রই ইচ্ছে হবে,গালে ঠোল পরা আরশানের মতে 'পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর মেয়েটার' হাসি দেখার জন্যে, আরশানের নাক উঁচু করা হাসি আর ওর চোখগুলো দেখার জন্যে,নাবিলার মতো একটা বান্ধবী, ফাহাদের মতো একটা ভাই থাকার জন্যে। আরশানের সেই পাতালঘর দেখার জন্যে, ভায়োলিয়ের সুর শোনার জন্যে, ভার্জিনিয়ার সৌন্দর্য্য উপভোগ করার জন্যে।

বইয়ের ভালো লাগার দিক অনেকগুলো।
অপ্রাসঙ্গিক তেমন কিছুই ছিলো না।

তবে একটা অভিযোগ হলো, শেষের দিকে বই শেষ করার তাড়নায় হোক আর যাই হোক আর মনে হইছে লেখিকা ব্যাপারটাকে একটু বেশিই ফিল্মি বানিয়ে তাড়াতাড়ি শেষ করে দিছেন। আর একটু দীর্ঘায়িত করলে মন্দ হতো না।
যাই হোক, সব মিলিয়ে বইটা আর আরশান আমার ফেভারিট লিস্টে থাকলো।
.
.
আচ্ছা, বলো পৃথিবী! কার অক্টোবর বেশি সুন্দর? তোমার নাকি আমার?🤔

হ্যাপি রিডিং!
4 reviews
June 27, 2026
প্রথমতঃ প্রকৃতিকে লেখিকা খুব সুন্দর করে তুলে ধরেছেন। অক্টোবরে যে প্রকৃতি এক ভিন্ন অনন্য রূপ ধারণ করে তা এই বই পড়ার আগে তেমন অনুভব করিনি। লেখিকার প্রতিটা বর্ননা এতটা নিখুঁত যে মনে হয় বই পড়ছি না বরং দৃশ্যটা দেখতে পাচ্ছি। উনার শব্দচয়নের ক্ষেত্রেও দক্ষতার পরিচয় পাওয়া যায়। তারপর আসা যাক গল্পে। সকাল সাধারণ পরিবারের একটি মেয়ে। আর আরশান বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান সাধারণ একটি ছেলে। যে প্রকৃতিপ্রেমিক। অক্টোবরের প্রতি রয়েছে অবাধ্য টান। প্রতিবছর অক্টোবর এলে সকল কাজ থেকে ছুটি নিয়ে যায় প্রকৃতির কাছে। ঘটনাচক্রে আরসান, সকাল একে অপরকে ভালবেসে ফেলে। এই নিয়ে এগিয়ে যায় গল্প।

বইটা আমার কাছে প্রাকৃতিক বর্ণনা আর সুন্দর সাবলীল গল্পের জন্য খুবই প্রিয়।
Profile Image for Sagar Islam.
33 reviews
November 6, 2023
সত্যি বলতে বইটার অনেক দাম, দাম হিসেবে আমি বলবো বইটার সাথে কাহিনি যায় নি। এত দাম দিয়ে একটা বই কিনলে আপনি আরও বেশি কিছু আশা করবেন সেটাই স্বাভাবিক, তাই অনেক এ এত দাম দিয়ে এই বইটি কিনে হতাশ হতে পারেন কারণ এই দামে বাজারে ২/৩ ভালো বই হয়তো আসতে পারতো চাইলে।
আর উপন্যাস সম্পর্কে বলবো, একটানা পড়ে যাওয়ার মতো একটি সমকালীন আমেরিকান উপন্যাস।
Profile Image for Saimon.
10 reviews
Read
November 7, 2024
প্রেম কাহিনী টাইপ গল্প। তবে মজার বিষয় হচ্ছে ছোট কাহিনীকে অনেক বড় করে ফেলছে লেখিকা। মূলক সকাল আমেরিকা আসছে। তার সাথে ফাহাদের বিয়ে হওয়ার কথা। যদি তাদের মধ্যে মিল হয়ে যায় তাহলে বিয়ে হবে। কিন্তু সকাল ফাহাদকে ওভাবে পছন্দ করে নি। সে আরশান যে ফাহাদের বড় ভাই তাকে পছন্দ করেছে। বিভিন্ন ভাবে তার কাছে গিয়েছে। আর ফাহাদ সকালের বান্ধুবী নাবিলা কে পছন্দ করেছে। শেষে তাদের পরিবার তাদের মেনে নেয়।
Profile Image for Salma Awal.
28 reviews1 follower
May 18, 2021
প্রকৃতি প্রেম ও দুটি মানব মানবীর প্রেম- ভালোবাসার এক অসামান্য বিবরণে ভরা এই অক্টোবর রেইন। অক্টোবরের রূপলীলা, হরিণডাঙ্গার সৌন্দর্য, প্রকৃতির ছোঁয়া গুলো মনকে ছুঁয়ে গেছে।

তবে উপন্যাসটা মাঝে মাঝে বোরিং লেগেছে। এই বই এতো বড় না হয়েও পারতো। আবার এতো বড় হয়েছে বলেই কাহিনী পূর্ণতা পেয়েছে।
Profile Image for Mariya.
6 reviews
June 28, 2026
আমার পড়া অন্যতম প্রিয় একটি বই। আরশান - সকাল প্রিয় চরিত্র। অক্টোবর রেইন পড়েই ভার্জিনিয়া দেখার স্বপ্ন দেখতাম। হরিণডাঙ্গায় যাবার স্বপ্ন দেখতাম, বিন্দুবাসিনীর মতোন একটা সহচরীর সঙ্গ দারুন লাগতো। সবমিলিয়ে প্রিয় একটা বই। পাঠক হতাশ হবেন না ইনশাআল্লাহ। ❤️
7 reviews1 follower
August 24, 2021
শব্দচয়ন, কাহিনী, বর্ণনা সবই মনে গেঁথে থাকার মত। ভবিষ্যতে লেখক এর আরও বই পড়ার ইচ্ছা আছে।
1 review
Want to Read
March 15, 2023
কিভাবে গল্প টা পড়ব, এখানে? কেউ হেল্প করবেন প্লিস
Profile Image for Sumaiya.
307 reviews4 followers
October 8, 2024
২.৫/৫ ?

বইটা হয়তো ভালো কিন্তু আধুনিক বাংলা প্রেমের গল্প আমাকে ঠিক টানে না !

তবু কিনেছি এত টাকা দিয়ে সাথে মাসটাও অক্টোবর তাই সেই বিবেচনা থেকে পড়লাম!

সেদিন অক্টোবর ও আছে সংগ্রহে!!!
3 reviews
December 20, 2024
Shob boitei just so called love, breakup ei type kono story lekha thake, but ei boita ekdom different. Ei boi niye jai lekbo kom hoye jabe. Lekhar moto ksu nei..jei porbe sei bolbe bestt!!
Profile Image for Shariar Hossain.
26 reviews
April 30, 2026
আমি সাধারণত এইসব জনরার বই পড়ি না তবে বইটা ভালোই ছিল
Profile Image for Felur Delacur.
10 reviews1 follower
July 22, 2026
আমাকে আমার এক বান্ধবী খুব শখ করে তার এই পছন্দের বইটি পড়তে দিয়েছিল। তাই আমি বইটা পড়ার পরে ওর মুখের ওপর আর বলতে পারিনি "ছিঃ এইসব কি অখাদ্য! "। তাই এখানে এসে বললাম।

wattpad এর কাহিনিগুলোর চরিত্রেও এর চেয়ে বেশি গভীরতা থাকে। আর মূল চরিত্র গাধা টাইপের হলে আমার কাহিনি থেকে এমনিতেই মন উঠে যায়। আর এই মেয়ে তো এমন এমন কান্ড করে বেরাচ্ছিল যে আমার বই পড়ার মাঝখানে একটু পর পর বিরতি নেওয়া লাগছিল সেকেন্ড হ্যান্ড ইমবেরেসমেন্ট এর কারনে।

শেষে আমি এইটাই বলব যদি আপনি English literature, সতজিৎ,রবিন্দ্র এমনকি হুমায়ুন আহমেদ এর ও বই পড়ে অভ্যস্ত থাকেন, তাহলে এই বই পরলে আপনার সময় নষ্ট হওয়া ছাড়া আর কিছুই হবে না। আর যদি টাকা দিয়ে বইটি কিনে টাকাও নষ্ট করে থাকেন তবে আপনার প্রতি আমার বুক ভরা সমবেদনা।
Displaying 1 - 30 of 32 reviews