Jump to ratings and reviews
Rate this book

হিফজ-যাত্রা

Rate this book
ম্যানচেস্টারে বেড়ে ওঠা এক কিশোর। কোনো মাদরাসায় পড়েননি৷ কোনো হিফ্‌জ-কোর্সেও ঢোকেননি৷ কিন্তু প্রায় সম্পূর্ণ একক প্রচেষ্টায় হাফিজ হয়েছেন। বইটিতে থাকছে তার সেই দুর্গম মরু পারি দেবার অনবদ্য গল্প।যারা কখনো মাদরাসা বা হিফ্‌জ-কোর্সে অংশ নেননি, কিন্তু হাফিজ হবার স্বপ্ন লালন করেন তারা বইটি থেকে জানতে পারবেন নিজ উদ্যোগে হাফিজ হবার পথ ও পদ্ধতি।কিংবা স্রেফ একজন হাফিজের আত্মস্মৃতি হিসেবেও পড়া যাবে বইটি।

160 pages, Unknown Binding

Published January 1, 2020

8 people are currently reading
37 people want to read

About the author

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
1 (8%)
4 stars
7 (58%)
3 stars
3 (25%)
2 stars
1 (8%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 3 of 3 reviews
Profile Image for Shahariar Ahammed.
93 reviews5 followers
February 23, 2021
কারী মুবাশশির আনওয়ারের হিফজ করার গল্প। হিফয একটা যাত্রা। সবার জন্যই স্বপ্নযাত্রা। কেউ কেউ পারি দিতে পারে এ পথ। কেউ বা হয় ব্যর্থ।

একটা কথা প্রচলিত আছে, সফলদের চেয়ে ব্যর্থদের গল্প সফল হতে বেশি কাজে দেয়। কথাটা ঠিক। তবে, মাঝে মাঝে সফলদের গল্পও পড়তে হয়। যে পথে তিনি হেঁটেছেন সে পথে হেঁটে সফল হওয়ার জন্য।

কারি মুবাশশির ছিলেন ম্যানচেস্টারের বাসিন্দা। হিফযের জন্য খুব একটা অনুকূল জায়গা না। যেখানে অন্যরা ক্লাসের পর বিভিন্ন ক্লাব-কালচারাল ফাংশনে যুক্ত থাকত, সেখানে কারি মুবাশশির থাকতেন মসজিদে।

প্রতিদিন নিয়ম করে হিফয করতেন। গাড়িতে তিলাওয়াত শুনতেন, বাড়িতে শুনতেন, শুনতেন ঘুমানোর আগেও। মোটকথা, নিজেকে উজাড় করে দিয়েছিলেন।

তবে, নিয়মিত বিরতিতে উস্তাদদের পরিবর্তন তার জন্য সুখকর ছিল না। নতুন উস্তাদ, নতুন নিয়ম। এভাবে হিফয করতে করতে মুবাশশির একসময় হাঁপিয়ে ওঠেন। আশেপাশের মানুষের মাঝে কানাঘুষাও চলছিল "মুবাশশিরকে দিয়ে হিফয হবে না।"

কলেজ পাশ করার পর মুবাশশির একটা শেষ চেষ্টা করতে চাইলেন। হয় এখন, নয়তো কখনো না! কিন্তু, ম্যানচেস্টারে আর না। বাবাও ছেলেকে নিয়ে আশাহত হননি। পাঠিয়ে দিলেন মিশরে। কিন্তু, সময় যে মাত্র ১ বছর!

আক্রমণাত্মকভাবে খেলতে হলে অবশ্যই রক্ষণব্যবস্থা ভালো হতে হবে। হিফযের বিষয়টাও একই রকম। ঠিকমতো ঝালাই না হলে, বেশিদূর আগানো যাবে না।

তাই, মুবাশশির ১ বছরের ৬ মাস রাখলেন হিফযের জন্য আর বাকি ৬ মাস ঝালাইয়ের জন্য। এজন্যই, তিনি ৬ মাসে হাফিজ হওয়ার কথা বলেছেন। তবে, তাড়াহুড়ো নিষেধ।

আরেকটা বিষয় নিয়ে মুবাশশির আলোকপাত করেছেন তা হলো এক (না) চলা।

❝ দ্রুত যেতে চাইলে একা যান। দূরে এগোতে চাইলে সবাইকে নিয়ে যান।❞
- আফ্রিকান প্রবাদ

মিশরে গিয়ে মুবশশির বিপাকে পড়লেন ভাষা নিয়ে। এখানের মানুষের মুখের ভাষা হলো আরবী। তাও আঞ্চলিক। এক শিক্ষককে ধরে কোনো মতে চলার মতো আরবী শিখে নিলেন।

কিন্তু, এখানে এসেই প্রথম দেখলেন তার তাজবীদে সমস্যা। যারা হিফয করতে চান সেইসব ভাইদের উদ্দেশ্যে পরামর্শ থাকবে, হিফযের আগে তাজবীদ ঠিক করুন। অন্যথায়, পরবর্তীতে ঝামেলায় পড়তে হবে।

নিজের রান্না, খাওয়া, উস্তাদদের বাসায় যাওয়া মোটামুটি খুব টাইট রুটিন ছিল তার। তবুও হাল ছাড়েননি। কঠিন দিন এসেছে আবার চলেও গিয়েছে। শুধু দরকার ছিল দাঁতে দাঁত চেপে বসে থাকা। আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া। শয়তানের কাছে হার না মানা। হার মানেননি মুবাশশির, তাই তো তিনি আজ হাফেজ মুবাশশির আনওয়ার।

হিফজ-যাত্রা বইটা আত্মজীবনী না আবার পুরোপুরি গাইড লাইনের মতো বইও না। দুটোর সংমিশ্রণ বলা যায়। আমার কাছে থাকা নুসখাটা যেহেতু প্রথম সংস্করণ তাই বেশ কিছু বানান ভুল চোখে পড়েছে। আশা করি, পরবর্তী সংস্করণে এগুলো সংশোধন করা হবে।

যারা হিফয করতে চান, করছেন বা ইতিমধ্যেই করে ফেলেছেন সবার জন্যই কার্যকরী হবে বইটি ইনশাআল্লাহ। অন্তত একজন কারি মুবাশশিরকে জানার জন্যই বইটি পড়া যেতেই পারে। বইটির সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আল্লাহ জাযায়ে খায়ের দান করুন, আমিন।
Displaying 1 - 3 of 3 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.