What do you think?


পদিপিসীর বর্মিবাক্স
খোকা নামের এক স্কুলছাত্র, সে তার কাকার বাড়ীতে গিয়ে অল্পবয়স্কা বিধবা "পদি" পিসির গল্পকথা শোনে। সে একবার তার খুড়োর বাড়ি যায় তার সঙ্গে দেখা করতে। কিন্তু পথে এক দস্যু তাকে আক্রমণ করে। কিন্তু যখন খুড়ো একথা জানতে পারলো, সে তাকে তার লুটপাটের মূল্যবান জিনিস থেকে ঘুষ দিল, যাতে সে খবর যেন সকলে জানতে না পারে। পদি পিসি তখন খুড়োর বাড়িতেই সেসব একটা দামি বর্মিবাক্সে ভরে গোপনস্থানে লুকিয়ে রেখেছিল এবং এই ব্যাপারটি পদি পিসির মৃত্যুর আগে পর্যন্ত তার ছেলে গজা ছাড়া কেউ জানত না। পরিবারের সমস্ত সদস্য তন্ন তন্ন করে খুঁজেও হারানো বাক্সটিকে উদ্ধার করতে পারলো না। এমনকি এক প্রাইভেট গোয়েন্দা নিযুক্ত হলেও, সেও কুল কিনারা করতে ব্যর্থ হয়। শেষে কীভাবে তা উদ্ধার করা হয় তা নিয়েই রহস্যঘন গল্পের উপস্থাপনা।
—Wikipedia
—Wikipedia
83 pages, Hardcover
Published June 1, 2007
About the author
Leela Majumdar
113 books111 followersLeela Majumdar (Bengali: লীলা মজুমদার Lila Mojumdar) was a Bengali writer. Her first story, Lakkhi chhele, was published in Sandesh in 1922. It was also illustrated by her. The children's magazine in Bengali was founded by her uncle, Upendrakishore Ray Chaudhuri in 1913 and was later edited by her cousin Sukumar Ray for sometime after the death of Upendrakishore in 1915. Together with her nephew Satyajit Ray and her cousin Nalini Das, she edited and wrote for Sandesh throughout her active writing life. Until 1994 she played an active role in the publication of the magazine.
Creative efforts :
An incomplete bibliography lists 125 books including a collection of short stories, five books under joint authorship, 9 translated books and 19 edited books.
Her first published book was Boddi Nather Bari (1939) but her second compilation Din Dupure (1948) brought her considerable fame From the 1950s, her incomparable children's classics followed. Although humour was her forte, she also wrote detective stories, ghost stories and fantasies.
Her autobiographical sketch 'Pakdandi' provides an insight into her childhood days in Shillong and also her early years at Santiniketan and with All India Radio.
Apart from her glittering array of children's literature, she wrote a cookbook, novels for adults (Sreemoti, Cheena Lanthan), and a biography of Rabindranath Tagore. She lectured on Abanindranath Tagore and translated his writings on art into English. She translated Jonathan Swift's Gulliver's Travels and Ernest Hemingway's The Old Man and the Sea into Bengali.
Satyajit Ray had thought of filming Podi Pishir Bormi Baksho. Arundhati Devi made it into a film in 1972. Chhaya Devi played the role of the young hero, Khoka's famed aunt Podipishi.
Awards :
Holde Pakhir Palok won the state award for children's literature, Bak Badh Pala the Sangeet Natak Akademi Award, Aar Konokhane Rabindra Puraskar. She had also won the Suresh Smriti Puraskar, Vidyasagar Puraskar, Bhubaneswari Medal for lifetime achievement, and Ananda Puraskar.
She has been awarded the Deshikottama by Visva Bharati, and honorary D.Litt. by Burdwan, North Bengal and Calcutta Universities.
Creative efforts :
An incomplete bibliography lists 125 books including a collection of short stories, five books under joint authorship, 9 translated books and 19 edited books.
Her first published book was Boddi Nather Bari (1939) but her second compilation Din Dupure (1948) brought her considerable fame From the 1950s, her incomparable children's classics followed. Although humour was her forte, she also wrote detective stories, ghost stories and fantasies.
Her autobiographical sketch 'Pakdandi' provides an insight into her childhood days in Shillong and also her early years at Santiniketan and with All India Radio.
Apart from her glittering array of children's literature, she wrote a cookbook, novels for adults (Sreemoti, Cheena Lanthan), and a biography of Rabindranath Tagore. She lectured on Abanindranath Tagore and translated his writings on art into English. She translated Jonathan Swift's Gulliver's Travels and Ernest Hemingway's The Old Man and the Sea into Bengali.
Satyajit Ray had thought of filming Podi Pishir Bormi Baksho. Arundhati Devi made it into a film in 1972. Chhaya Devi played the role of the young hero, Khoka's famed aunt Podipishi.
Awards :
Holde Pakhir Palok won the state award for children's literature, Bak Badh Pala the Sangeet Natak Akademi Award, Aar Konokhane Rabindra Puraskar. She had also won the Suresh Smriti Puraskar, Vidyasagar Puraskar, Bhubaneswari Medal for lifetime achievement, and Ananda Puraskar.
She has been awarded the Deshikottama by Visva Bharati, and honorary D.Litt. by Burdwan, North Bengal and Calcutta Universities.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 30 of 53 reviews
October 12, 2021
“পদিপিসির ইয়া ছাতি ছিল, ইয়া পাঞ্জা ছিল। রোজ সকালে উঠে আধ সের দুধের সঙ্গে এক পোয়া ছোলা ভিজে খেতেন। কী তেজ ছিল তাঁর! সত্যি-মিথ্যে জানি না, শুনেছি একবার একটা শামলা গোরু হাম্বা হাম্বা ডেকে ওঁর দুপুরের ঘুমের ব্যাঘাত করেছিল বলে উনি একবার তার দিকে এমনি করে তাকালেন যে সে তিনদিন ধরে দুধের বদলে দই দিতে লাগল। পদিপিসি একবার শীতকালে গোরুর গাড়ি চেপে কাউকে কিছু না বলে রমাকান্ত নামে একটিমাত্র সঙ্গী নিয়ে কোথায় জানি চলে গেলেন। ফিরে এলেন দুপুর রাত্রে। এসেই মহা হইচই লাগালেন, কী একটা নাকি বর্মিবাক্স হারিয়েছে। সবাই মিলে নাকি দেড় বছর ধরে ওই বাক্স খুঁজেছিল..."
লীলা মজুমদারের লেখা 'পদিপিসির বর্মিবাক্সের' মূল চরিত্র পদিপিসির বর্ণণা দেখেই বিষম খেতে হয়। বেঁটেখাটো মানুষ, গলায় রুদ্রাক্ষের মালা আর মনে জিলিপির প্যাঁচ। এক মাঘীপূর্ণিমার রাতে গরুর গাড়ি চেপে বত্রিশবিঘার ঘন শালবন পেরিয়ে পিসি রওয়ানা হয়েছিলেন নিমাই খুড়োর বাড়ির উদ্দেশ্যে। ডাকাতদলের আক্রমণের শিকার হয়েও আবিষ্কার করেছিলেন এক গোপন রহস্য। তারপর ঘটনাচক্রে খুড়োর কাছ থেকে বাগিয়ে নিয়েছিলেন মহামূল্যবান রত্নে ভরা নকশা আঁকা লাল রঙের বর্মিবাক্স। তবে বাক্স নিয়ে বাড়ি ফিরেই সেটা হারিয়ে ফেলেন পদিপিসি। বাড়িসুদ্ধ সবাই তন্নতন্ন করে খুঁজেও সেই বাক্সের সন্ধান পায়নি। বহুবছর পর অবশ্য মৃত্যুর ঠিক আগের মুহূর্তে পদিপিসির মনে পড়েছিল বাক্সটি ঠিক কোথায় রাখা হয়েছিল। কিন্তু মুখ ফুটে কিছু বলার আগেই অক্কা পান তিনি। বাক্স রহস্যেরও আর সমাধান হয় না।
'পদিপিসির বর্মিবাক্স' গল্পের কথক ছুটির মৌসুমে পাঁচু মামার সাথে মামাবাড়ি বেড়াতে যায়। লিকলিকে পাঁচু মামার শরীরটা নাকি ছোটবেলায় বাদশাহি জোলাপ খাওয়ার ফলেই এমন শুকিয়ে গিয়েছিল। তবে বুকে তার সিংহের মতন সাহস। ভাগ্নের কাছে জোর গলায় দাবী করেন তিনি:
"একশো বছর পর পদিপিসির বর্মিবাক্স আমি আবিষ্কার করব। জানিস, তাতে এক একটা পান্না আছে এক-একটা মোরগের ডিমের মতন, চুনি আছে এক-একটা পায়রার ডিমের মতন, মুক্তো আছে হাঁসের ডিমের মতন! মুঠো মুঠো হিরে আছে, গোছা গোছা মোহর আছে। তার জন্য শত শত লোক মারা গেছে, রক্তের সালওয়েন নদী বয়ে গেছে, পাপের উপর পাপ চেপে পর্বত তৈরি হয়েছে— সব আমি একা উদ্ধার করব!”
শুরু হয় বাক্সের সন্ধান। সেই বাক্স খুঁজে আদৌ পাওয়া গেল কি না, রত্নগুলোরই বা কী গতি হলো - হাস্যরস আর উত্তেজনায় ভরা ছোট্ট এই বইটিতে পাঠক সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাবেন। শীর্ষেন্দুর অদ্ভুতুড়ে সিরিজ পড়তে যারা ভালোবাসেন, তাদের মুখে আরও বড় হাসি ফোটাবে এই ক্লাসিক চাইল্ড লিটারেচার।
পদিপিসির বর্মিবাক্স লীলা মজুমদারের বেশিরভাগ বইয়ের মতোই সুপাঠ্য। স্বল্প কলেবরের গল্পে একই সাথে হাস্যরস, গুপ্তধন, ডিটেকটিভ, ছুটিতে মামাবাড়ি ঘুরতে যাবার আনন্দ- সবকিছুই ফুটে উঠেছে সাবলীলভাবে। শিশুতোষ বই হিসেবে অতুলনীয়, ঠিক তেমনিভাবে পরিণত বয়স্ক পাঠককে শৈশবে ফিরিয়ে নিয়ে যেতেও পদিপিসির বর্মিবাক্স টাইম মেশিনের ভূমিকা পালন করবে।
গল্পের পিসির বাক্সের বর্ণণা অনুযায়ী একটি লাল মখমল জড়ানো অলঙ্কারের বাক্সের ভেতর পাওয়া যায় লালমাটি প্রকাশনীর এই বইটি। লীলা মজুমদার সম্পর্কে সত্যজিৎ রায়ের পিসি হতেন। পিসির লেখা "পদিপিসির বর্মিবাক্সের' জন্য অভিনব একটা প্রচ্ছদ এঁকেছিলেন সত্যজিৎ। অহিভূষণ মৌলিকের চমৎকার অলংকরণে বইয়ের সৌন্দর্য আরও কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে।
লীলা মজুমদারের লেখা 'পদিপিসির বর্মিবাক্সের' মূল চরিত্র পদিপিসির বর্ণণা দেখেই বিষম খেতে হয়। বেঁটেখাটো মানুষ, গলায় রুদ্রাক্ষের মালা আর মনে জিলিপির প্যাঁচ। এক মাঘীপূর্ণিমার রাতে গরুর গাড়ি চেপে বত্রিশবিঘার ঘন শালবন পেরিয়ে পিসি রওয়ানা হয়েছিলেন নিমাই খুড়োর বাড়ির উদ্দেশ্যে। ডাকাতদলের আক্রমণের শিকার হয়েও আবিষ্কার করেছিলেন এক গোপন রহস্য। তারপর ঘটনাচক্রে খুড়োর কাছ থেকে বাগিয়ে নিয়েছিলেন মহামূল্যবান রত্নে ভরা নকশা আঁকা লাল রঙের বর্মিবাক্স। তবে বাক্স নিয়ে বাড়ি ফিরেই সেটা হারিয়ে ফেলেন পদিপিসি। বাড়িসুদ্ধ সবাই তন্নতন্ন করে খুঁজেও সেই বাক্সের সন্ধান পায়নি। বহুবছর পর অবশ্য মৃত্যুর ঠিক আগের মুহূর্তে পদিপিসির মনে পড়েছিল বাক্সটি ঠিক কোথায় রাখা হয়েছিল। কিন্তু মুখ ফুটে কিছু বলার আগেই অক্কা পান তিনি। বাক্স রহস্যেরও আর সমাধান হয় না।
'পদিপিসির বর্মিবাক্স' গল্পের কথক ছুটির মৌসুমে পাঁচু মামার সাথে মামাবাড়ি বেড়াতে যায়। লিকলিকে পাঁচু মামার শরীরটা নাকি ছোটবেলায় বাদশাহি জোলাপ খাওয়ার ফলেই এমন শুকিয়ে গিয়েছিল। তবে বুকে তার সিংহের মতন সাহস। ভাগ্নের কাছে জোর গলায় দাবী করেন তিনি:
"একশো বছর পর পদিপিসির বর্মিবাক্স আমি আবিষ্কার করব। জানিস, তাতে এক একটা পান্না আছে এক-একটা মোরগের ডিমের মতন, চুনি আছে এক-একটা পায়রার ডিমের মতন, মুক্তো আছে হাঁসের ডিমের মতন! মুঠো মুঠো হিরে আছে, গোছা গোছা মোহর আছে। তার জন্য শত শত লোক মারা গেছে, রক্তের সালওয়েন নদী বয়ে গেছে, পাপের উপর পাপ চেপে পর্বত তৈরি হয়েছে— সব আমি একা উদ্ধার করব!”
শুরু হয় বাক্সের সন্ধান। সেই বাক্স খুঁজে আদৌ পাওয়া গেল কি না, রত্নগুলোরই বা কী গতি হলো - হাস্যরস আর উত্তেজনায় ভরা ছোট্ট এই বইটিতে পাঠক সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাবেন। শীর্ষেন্দুর অদ্ভুতুড়ে সিরিজ পড়তে যারা ভালোবাসেন, তাদের মুখে আরও বড় হাসি ফোটাবে এই ক্লাসিক চাইল্ড লিটারেচার।
পদিপিসির বর্মিবাক্স লীলা মজুমদারের বেশিরভাগ বইয়ের মতোই সুপাঠ্য। স্বল্প কলেবরের গল্পে একই সাথে হাস্যরস, গুপ্তধন, ডিটেকটিভ, ছুটিতে মামাবাড়ি ঘুরতে যাবার আনন্দ- সবকিছুই ফুটে উঠেছে সাবলীলভাবে। শিশুতোষ বই হিসেবে অতুলনীয়, ঠিক তেমনিভাবে পরিণত বয়স্ক পাঠককে শৈশবে ফিরিয়ে নিয়ে যেতেও পদিপিসির বর্মিবাক্স টাইম মেশিনের ভূমিকা পালন করবে।
গল্পের পিসির বাক্সের বর্ণণা অনুযায়ী একটি লাল মখমল জড়ানো অলঙ্কারের বাক্সের ভেতর পাওয়া যায় লালমাটি প্রকাশনীর এই বইটি। লীলা মজুমদার সম্পর্কে সত্যজিৎ রায়ের পিসি হতেন। পিসির লেখা "পদিপিসির বর্মিবাক্সের' জন্য অভিনব একটা প্রচ্ছদ এঁকেছিলেন সত্যজিৎ। অহিভূষণ মৌলিকের চমৎকার অলংকরণে বইয়ের সৌন্দর্য আরও কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে।
September 4, 2020
গল্পটা পড়া ছিলো আগেই। আজ আবার পড়লাম। এরকম গল্প একবার কেন, বার বার পড়া যায়।
ইয়া ছাতিওয়ালা আর ইয়াব্বড় পাঞ্জার অধিকারী পদিপিসী। দুপুরে ভাতঘুম নষ্ট করার অপরাধে এক গরুর (গাভী আর কি) 😂 দিকে এমনি করে তাকিয়েছিলেন যে ওই বেচারি তিন দিন দুধের বদলে দই দিয়েছিল। এমনি ধারার পদিপিসীর কি না বর্মীবাক্সটা হারিয়ে গেলো? হারিয়ে গেলো নাকি কেউ হাতিয়ে নিলো? পিসীর বাক্স হজম করা কী যা তা কথা। খোঁজ! খোঁজ! খোঁজ!
তারপর?
গল্পটা পড়েই না হয় জেনে নিন 😛
ইয়া ছাতিওয়ালা আর ইয়াব্বড় পাঞ্জার অধিকারী পদিপিসী। দুপুরে ভাতঘুম নষ্ট করার অপরাধে এক গরুর (গাভী আর কি) 😂 দিকে এমনি করে তাকিয়েছিলেন যে ওই বেচারি তিন দিন দুধের বদলে দই দিয়েছিল। এমনি ধারার পদিপিসীর কি না বর্মীবাক্সটা হারিয়ে গেলো? হারিয়ে গেলো নাকি কেউ হাতিয়ে নিলো? পিসীর বাক্স হজম করা কী যা তা কথা। খোঁজ! খোঁজ! খোঁজ!
তারপর?
গল্পটা পড়েই না হয় জেনে নিন 😛
July 23, 2021
লীলা মজুমদার সম্পর্কে সত্যজিৎ রায়ের পিসি হন। সন্দেশেও দীর্ঘদিন কাজ করেছেন তিনি।
পদিপিসির বর্মীবাক্স লীলা মজুমদারের দারুণ একটা লেখা। অনেকটা কিশোর গোয়েন্দা গল্প ঘরনার। দীর্ঘদিন আগে মূল্যবান রত্ন রাখা একটা বাক্স রেখে ভুলে গিয়েছিলেন পদিপিসি। মৃত্যুর আগে মনে পড়লেও বলে যেতে পারেননি। এই বাক্সটা খোঁজা নিয়েই কাহিনী। বেশ হাস্যরসের মধ্যেই লেখা হয়েছে গল্পটা। এনজয়েবল।
পদিপিসির বর্মীবাক্স লীলা মজুমদারের দারুণ একটা লেখা। অনেকটা কিশোর গোয়েন্দা গল্প ঘরনার। দীর্ঘদিন আগে মূল্যবান রত্ন রাখা একটা বাক্স রেখে ভুলে গিয়েছিলেন পদিপিসি। মৃত্যুর আগে মনে পড়লেও বলে যেতে পারেননি। এই বাক্সটা খোঁজা নিয়েই কাহিনী। বেশ হাস্যরসের মধ্যেই লেখা হয়েছে গল্পটা। এনজয়েবল।
July 18, 2021
আধাসের দুধের সাথে এক পোয়া ছোলা
কি ভাবছেন কোনো পালোয়ান বা পাড়ার কোনো মস্তবড় কুস্তিগীরের গ্ৰাসের গল্প করছি?
উঁহু মোটেও নয়!
এতো আমাদের ছাঁটা চুলের বেটে খাটো বুদ্ধিতে বিরাট মাহাতো ইয়া বড় পাঞ্জাওয়ালা পদিপিসীর প্রথম প্রহরের আহারের অল্প করে সল্প নমুনা মাত্র।
এই পিসীরই সেই বিখ্যাত বর্মিবাক্স নিয়ে তুর্কি নাচন নাচতে থাকা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়া আবিষ্কারের নেশার কাছে নসি্য তো আর সব ইম্পর্টেন্ট মুখপাত্র।
চিমড়ে মুখের টিকটিকি বা পাঁচু মামুর মতো গিরগিটি কিংবা সেজদাদামশায়ের মতো সাজসাজ রবের মুখে ঝামা ঘষে শেষে কিনা ঐ এক রত্তি ছেলের হাতেই.....
না থাক ,কার হাতে কি পড়ছে তাতে আমার কি কম্ম বলার।এত কিছু বলে দিলে ধম্মেও সইবে না!?
তারচেয়ে বরং সত্যজিৎ এর রংতুলিতে লীলাপিসীর লেখনীতে বয়স ভুলে আয়েশ করে বাক্স নিয়ে বইটা নিয়ে পড়তে বসে যান।
রেটিং:⭐🌟🌠💥
18/07/21.
কি ভাবছেন কোনো পালোয়ান বা পাড়ার কোনো মস্তবড় কুস্তিগীরের গ্ৰাসের গল্প করছি?
উঁহু মোটেও নয়!
এতো আমাদের ছাঁটা চুলের বেটে খাটো বুদ্ধিতে বিরাট মাহাতো ইয়া বড় পাঞ্জাওয়ালা পদিপিসীর প্রথম প্রহরের আহারের অল্প করে সল্প নমুনা মাত্র।
এই পিসীরই সেই বিখ্যাত বর্মিবাক্স নিয়ে তুর্কি নাচন নাচতে থাকা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়া আবিষ্কারের নেশার কাছে নসি্য তো আর সব ইম্পর্টেন্ট মুখপাত্র।
চিমড়ে মুখের টিকটিকি বা পাঁচু মামুর মতো গিরগিটি কিংবা সেজদাদামশায়ের মতো সাজসাজ রবের মুখে ঝামা ঘষে শেষে কিনা ঐ এক রত্তি ছেলের হাতেই.....
না থাক ,কার হাতে কি পড়ছে তাতে আমার কি কম্ম বলার।এত কিছু বলে দিলে ধম্মেও সইবে না!?
তারচেয়ে বরং সত্যজিৎ এর রংতুলিতে লীলাপিসীর লেখনীতে বয়স ভুলে আয়েশ করে বাক্স নিয়ে বইটা নিয়ে পড়তে বসে যান।
রেটিং:⭐🌟🌠💥
18/07/21.
January 21, 2016
"পদিপিসীর ইয়া ছাতি আর ইয়া বড় পাঞ্জা ছিল। রোজ সকালে উঠে আধাসের দুধের সঙ্গে এক পোয়া ছোলা ভিজে খেতেন।"
- শক্তির বর্ণনাটা নেহাত অপরিচিত নয়। কিন্তু পিসীগোত্রীয় কারও সাথে? এই যুগলবন্দী অনন্য।
সেই পদিপিসীর হারিয়ে যাওয়া মণিমুক্তা ভরা বর্মিবাক্স! তাকে নিয়েই যত কাহিনী। সত্যজিতের কভারটা ঠিক কাঠের একটা বর্মিবাক্সের ঢাকনার মতই। মনে হয় আস্ত বইটাই একটা বর্মিবাক্স। অহিভূষন মল্লিকের ভিতকার আঁকাঝোকাও বেশ মজার।
- শক্তির বর্ণনাটা নেহাত অপরিচিত নয়। কিন্তু পিসীগোত্রীয় কারও সাথে? এই যুগলবন্দী অনন্য।
সেই পদিপিসীর হারিয়ে যাওয়া মণিমুক্তা ভরা বর্মিবাক্স! তাকে নিয়েই যত কাহিনী। সত্যজিতের কভারটা ঠিক কাঠের একটা বর্মিবাক্সের ঢাকনার মতই। মনে হয় আস্ত বইটাই একটা বর্মিবাক্স। অহিভূষন মল্লিকের ভিতকার আঁকাঝোকাও বেশ মজার।
December 14, 2020
ছোটবেলায় পড়া উচিত ছিল। তাহলে অতশত না ভেবে পাঁচে পাঁচই দিয়ে দিতাম।
October 8, 2020
হাহাহা... এই বুড়োধারি বয়েসে এসেও গল্পটা পড়ে কিযে মজা পেয়েছি! বলার মত না। বাচ্চাদের জন্য মাস্ট রিড।
September 5, 2020
এখনকার বাচ্চাকাচ্চারা কি এইসব বই পড়ে? পড়লেও কি আমাদের মত বিশ্বাস করে? যদি না করে, তাহলে এদের শৈশবের আনন্দটা আসে কোথা থেকে?
November 12, 2024
এই রকম বই বারবার পড়া যায়।
December 8, 2021
কেন জানিনা মনে ধরলো না! হয়তো ছোট বেলায় পড়লে বেশি মনে ধরতো।
April 20, 2025
এটিকে একটি গোটা বই বলা কতটা যুক্তিসম্মত জানি না। মেরেকেটে একটা ছোটগল্পের থেকে সামান্য বড়।
কিন্তু কাহিনিটি সরেস। পদিপিসি পরিবারের ডাকাবুকো নারী চরিত্র। তার ইয়াব্বড় ছাতি, ইয়াব্বড় পাঞ্জা। এহেন পদিপিসি কীভাবে এক ধনরত্ন ভরতি বর্মিবাক্স পেলেন, কীভাবেই বা সেটা হারালেন, আবার কীভাবেই বা বহু পরে তা পুনরুদ্ধার করার ফন্দিফিকির চলতে লাগল -- তা নিয়েই কাহিনি।
খুবই মজার, শেষটাও সুন্দর। কোনোরকমের ফিলোজফির অবতারণা করে এবরাপ্ট এন্ডিং হয়নি এই বাঁচোয়া।
তবে ওই একটাই - ইয়ে তো শুরু হোনে সে পহেলে হি খতম হো গেয়া।
কিন্তু কাহিনিটি সরেস। পদিপিসি পরিবারের ডাকাবুকো নারী চরিত্র। তার ইয়াব্বড় ছাতি, ইয়াব্বড় পাঞ্জা। এহেন পদিপিসি কীভাবে এক ধনরত্ন ভরতি বর্মিবাক্স পেলেন, কীভাবেই বা সেটা হারালেন, আবার কীভাবেই বা বহু পরে তা পুনরুদ্ধার করার ফন্দিফিকির চলতে লাগল -- তা নিয়েই কাহিনি।
খুবই মজার, শেষটাও সুন্দর। কোনোরকমের ফিলোজফির অবতারণা করে এবরাপ্ট এন্ডিং হয়নি এই বাঁচোয়া।
তবে ওই একটাই - ইয়ে তো শুরু হোনে সে পহেলে হি খতম হো গেয়া।
December 22, 2012
This jewel of Bengali literature has been given a fitting look by the publishers in this edition, which looks like a jewel-box containing the slim paperback volume bearing Satyajit Ray's original cover-illustration. As far as the story is concerned, there is hardly anything to be added to the universal praise that the book has been gathering since its first publication. Highly Recommended.
April 25, 2016
অনেকটা অদ্ভুতুড়ে সিরিজের ছোঁয়া পেলাম যেন আর সেটা ঐ সিরিজ আগে পড়া থাকার কারণেই। শিশু-কিশোরদের জন্য লেখা বই আমার চিরদিনের প্রিয়। তাই ৪.৫★।
December 7, 2024
দুর্দান্ত...
শিশু-কিশোর সাহিত্যের একটা খুব মজার ব্যাপার হল - যদি আপনি ঐ বয়সে পড়েন তাহলে সবচেয়ে বেশি উপভোগ করতে পারবেন, আর যদি বড়ো বয়সে পড়েন তাহলে সেটি 'টাইম মেশিন'-এর কাজ করবে ।
এই বইটিও ঠিক তাইই, একটা আস্ত 'টাইম মেশিন' । ছুটিতে মামার বাড়ি যাওয়া, দিদিমার কাছে শুয়ে গল্প শোনা, গুপ্তধনের সন্ধান... এক ধাক্কায় সেই ছেলেবেলার নির্মল আনন্দের দিনগুলিতে ফিরে গেলাম ।
শিশু-কিশোর সাহিত্যের একটা খুব মজার ব্যাপার হল - যদি আপনি ঐ বয়সে পড়েন তাহলে সবচেয়ে বেশি উপভোগ করতে পারবেন, আর যদি বড়ো বয়সে পড়েন তাহলে সেটি 'টাইম মেশিন'-এর কাজ করবে ।
এই বইটিও ঠিক তাইই, একটা আস্ত 'টাইম মেশিন' । ছুটিতে মামার বাড়ি যাওয়া, দিদিমার কাছে শুয়ে গল্প শোনা, গুপ্তধনের সন্ধান... এক ধাক্কায় সেই ছেলেবেলার নির্মল আনন্দের দিনগুলিতে ফিরে গেলাম ।
July 15, 2025
Diving into this felt like rediscovering a forgotten, valuable antique. Every page, a clue; every chapter, a delightful twist.
July 20, 2022
পদিপিসি,বেঁটে খাটো এক বিধবা মহিলা। যার গলায় রুদ্রাক্ষের মালা ছিল আর ছিল সিংহের মত তেজ। তাকে সবাই মান্য করত। এই পদিপিসি একদিন হারিয়ে বসলেন,তার মূল্যবান বর্মিবাক্স। এই বাক্সে ছিল দামী দামী সব হীরা পান্না। এই বর্মিবাক্স খুঁজে পাওয়ার আগেই দেহ রাখলেন। কিন্তু তার আত্মীয়রা এই বাক্সটা খোঁজা বন্ধ করলেন না। কেমনে করবেন,তাতে যে রয়েছে মূল্যবান রত্ন। এবার সেই খোঁজার দলে নতুন নাম লেখালেন পাঁচুমামা আর তার ভাগনে। তবে তারা কি এবার সুরাহা করবেন বর্মিবাক্সের....!
লীলা মজুমদারের লেখা আমার বরাবর প্রিয়। তাই পদিপিসির বর্মিবাক্স হাতে পেয়েই পড়ে ফেললাম। মামা ভাগনের কান্ড পড়ে হাসতে হাসতে শেষ।
লীলা মজুমদারের লেখা আমার বরাবর প্রিয়। তাই পদিপিসির বর্মিবাক্স হাতে পেয়েই পড়ে ফেললাম। মামা ভাগনের কান্ড পড়ে হাসতে হাসতে শেষ।
April 26, 2022
মাঝে মাঝে টুকটাক কাজের মাঝে অডিও বই শুনতে ভালোবাসি। বেশ অনেকদিন ধরেই "পদিপিসির বর্মিবাক্স" পড়বো পড়বো করেও পড়া হয়ে উঠছিল না। তাই ভাবলাম অডিও বইই শোনা হোক তাহলে। শুনছিলাম "পদিপিসির বর্মিবাক্স" পরিবেশনায় "গপ্পো tea খাসা"।
গল্প কথক আর তার পাঁচু মামা একশো বছরের পুরোনো পদিপিসির বর্মিবাক্সের খোঁজে মামা বাড়ি গিয়ে কতো সব কাণ্ডের সাক্ষী হয়। কিন্তু কোথায় সেই বর্মিবাক্স? কোথায়?
গল্প কথক আর তার পাঁচু মামা একশো বছরের পুরোনো পদিপিসির বর্মিবাক্সের খোঁজে মামা বাড়ি গিয়ে কতো সব কাণ্ডের সাক্ষী হয়। কিন্তু কোথায় সেই বর্মিবাক্স? কোথায়?
November 23, 2024
গল্পটা দারুণ। মনে হচ্ছে আরেকজন প্রিয় লেখক, উঁহু, লেখিকা পেয়ে গেলাম
December 24, 2025
বেশ মজার কাহিনি।
March 3, 2023
মজার ছোটদের বই - ছোটবেলা পড়লে আরো ভালো লাগতো নিশ্চয়ই। গল্পটা যদিও বড্ড ছোট - শুরু হতে না হতেই যেন শেষ হয়ে গেল। আরেকটু সব চরিত্রগুলো নিয়ে ঘাটাঘাটি করলে ঘোটটা ভালোই পাঁকত্। :D
এই ঘরানার লেখকদের মধ্যে আমার প্রিয় যদিও শীর্ষেন্দুবাবু৷ লীলা মজুমদারের লেখা আমি খুব বেশি পড়িনি তাই ওনার সম্বন্ধে এখনই কিছু বলা যায় না। মোটামুটি খারাপ লাগে না ওনার লেখা, আর এই বইটাও মোটের ওপর ভালোই। :)
এই ঘরানার লেখকদের মধ্যে আমার প্রিয় যদিও শীর্ষেন্দুবাবু৷ লীলা মজুমদারের লেখা আমি খুব বেশি পড়িনি তাই ওনার সম্বন্ধে এখনই কিছু বলা যায় না। মোটামুটি খারাপ লাগে না ওনার লেখা, আর এই বইটাও মোটের ওপর ভালোই। :)
September 2, 2023
কিছু বই আছে না, যখনি পড়বেন, মনটা ফুরুৎ করে ভালো হয়ে যাবে? এটা ওরকম একটা বই। বাকসো টা কি সুন্দর লাল মখমলের। তার ভেতরে পাতায় পাতায় সত্যজিত রায়ের আঁকা ছবি। আর সে কি কাহিনী।
লীলা মজুমদার এক কথায় অনবদ্য একটা গল্প ফেঁদেছেন। বইটা কোথাও খুঁজে পাচ্ছিলাম না। শেষমেষ বাতিঘরে অর্ডার করে ভারত থেকে আনিয়ে নিলাম তিন মাস অপেক্ষা করে। অপেক্ষা সার্থক।
লীলা মজুমদার এক কথায় অনবদ্য একটা গল্প ফেঁদেছেন। বইটা কোথাও খুঁজে পাচ্ছিলাম না। শেষমেষ বাতিঘরে অর্ডার করে ভারত থেকে আনিয়ে নিলাম তিন মাস অপেক্ষা করে। অপেক্ষা সার্থক।
May 24, 2020
কী চমৎকার একটা বাঙলা বই, যদি ধর হঠাত নিজেকে এগারো কী বারো বলে মনে হয় আর মামাবাড়ি - শৈশব - গুপ্তধন এইসব নিয়ে বই পড়তে ইচ্ছে করে, তাহলে এটা পড়া যেতে পারে !
:)
:)
November 29, 2024
শুরুটা ভালোই, মাঝেও ভালো, কিন্তু ফুড়ুৎ করে হঠাৎ শেষ হয়ে গেল। তখন মনে হলো এ বোধহয় ম্যাগাজিনের জন্য লেখা তাই যায়গার সংকুলান না হওয়ায় থামিয়ে দিতে হয়েছে। গল্পটা আরও কিছুক্ষণ চললে ভালো হতো।
October 2, 2025
আমি যখন ক্লাস ৪ এ পড়ি, তখন আমাদের কলেজে(খুলনা পাবলিক কলেজ) নিয়ম ছিল সপ্তাহে একটা ক্লাস থাকবে লাইব্রেরিতে। ক্লাস বললে হয়ত ভুল হবে, এটা মূলত লাইব্রেরিতে সারিবদ্ধ ভাবে গিয়ে, বেঞ্চে বসে চুপচাপ বই পড়ার একটা কার্যক্রম ছিল। আমাদের লাইব্রেরিটা ছিল বিশাল বড় আর প্রতি মঙ্গলবার তৃতীয় পিরিয়ডে লাইব্রেরিতে গিয়ে বই পড়া, কিংবা বন্ধুদের সাথে দুষ্টুমি করে লাইব্রেরিয়ান স্যারের বকুনি শোনার মাঝেও একটা অন্যরকম মজা ছিল।
ওই সময় প্রচুর বই পড়েছি। ঠাকুমার ঝুলি, গোপাল ভাড়, নাসিরুদ্দিনের গল্প, ভূতের গল্প, বিজ্ঞানের গল্প এছাড়া আরো আরো বহু বই ছিল।
এই সকল বইয়ের মাঝে, সবসময় প্রতিযোগিতা লেগে থাকত। কে আগে ঠেলাঠেলি করে লাইব্রেরিতে এসে বই দখল করতে পারবে, সেই পড়তে পারবে। আমি ছোট থেকেই খুব শান্তি প্রিয় ভদ্র ছেলে হওয়ায় এই প্রতিযোগিতায় কখনো জয়ী হতে পারতাম না। এরফলে অন্য যেসকল বই পেতাম তাই পড়তাম।
তো ২০১২ সালের কোন এক মঙ্গলবার, বই দখল যুদ্ধে পরাজিত হয়ে, টেবিলে পড়ে থাকা একটা বই হাতে নিয়ে পড়তে বসে যাই। আর মজার বিষয় হচ্ছে বইটা ছিল লীলা মজুমদারের শিশুতোষ গল্প মালা (এমন কিছু) নামের একটি বই। যার প্রথম গল্পটাই ছিল পদিপিসির বর্মিবাক্স। ৪৫মিঃ এর ক্লাসে পড়ে শেষ নামানো হইছিল না। শেষ কয়েক পৃষ্ঠা রেখে বের হয়ে আসি, আর কখনো পড়া হয় নাই বইটা। পরের সপ্তাহে নতুন কোন বই পড়া শুরু করেছিলাম, এটার কথা পুরাপুরি ভুলে গেছিলাম।
গতকাল, প্রায় ১৪ বছর পর, পিসিতে গেম খেলতেছি কিন্তু বোরিং লাগছে। তাই ভাবলাম একটা অডিওবুক শুনলে তো মন্দ হয় না। আর যদি কখনো খেয়াল আসে অডিওবুকের, সেখানে মিরচি বাংলার চেয়ে দারুণ করে অডিওবুক আর কেই বা উপস্থাপন করতে পারে! স্ক্রল করতে করতে পেয়ে যাই এই গল্পটা। শুরুতে কাহিনি কেমন যেন চেনা চেনা ঠেকলেও কোনভাবেই পুরাটা মনে পড়ছিল না। আমি আনমনে অডিওবুক শুনে যাচ্ছি আর পাশাপাশি একটা ছবি এডিট করে যাচ্ছি। একটা সময় গিয়ে হুট করে মনে পড়ল, আরেহ এটা তো আমার পড়া গল্প... এরপর মনে পড়তে শুরু করল লাইব্রেরীতে পড়া সেই দিনটার কথা। ভিষণ মন খারাপ লাগছিল, ওই সময়টায় আমি কতই না ভাল ছিলাম, মানসিক ভাবে সুখী ছিলাম। কিন্তু সবসময়ই বড় হওয়ার তীব্র বাসনা আমার জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিয়ে গেছে। এখন শুধু বেঁচে থাকতে হয় তাই বেঁচে আছি এমন।
গল্পটা শেষ করে মন চাচ্ছিল কিছু সময় কাঁদতে পারলে ভাল হইত। কিন্তু সে আর হয়ে উঠে নাই। এত মজার একটা গল্প পড়ে কেউ কী কাঁদে?
পহেলা অক্টোবর ২০২৫
ছোট বয়রা, খুলনা
ওই সময় প্রচুর বই পড়েছি। ঠাকুমার ঝুলি, গোপাল ভাড়, নাসিরুদ্দিনের গল্প, ভূতের গল্প, বিজ্ঞানের গল্প এছাড়া আরো আরো বহু বই ছিল।
এই সকল বইয়ের মাঝে, সবসময় প্রতিযোগিতা লেগে থাকত। কে আগে ঠেলাঠেলি করে লাইব্রেরিতে এসে বই দখল করতে পারবে, সেই পড়তে পারবে। আমি ছোট থেকেই খুব শান্তি প্রিয় ভদ্র ছেলে হওয়ায় এই প্রতিযোগিতায় কখনো জয়ী হতে পারতাম না। এরফলে অন্য যেসকল বই পেতাম তাই পড়তাম।
তো ২০১২ সালের কোন এক মঙ্গলবার, বই দখল যুদ্ধে পরাজিত হয়ে, টেবিলে পড়ে থাকা একটা বই হাতে নিয়ে পড়তে বসে যাই। আর মজার বিষয় হচ্ছে বইটা ছিল লীলা মজুমদারের শিশুতোষ গল্প মালা (এমন কিছু) নামের একটি বই। যার প্রথম গল্পটাই ছিল পদিপিসির বর্মিবাক্স। ৪৫মিঃ এর ক্লাসে পড়ে শেষ নামানো হইছিল না। শেষ কয়েক পৃষ্ঠা রেখে বের হয়ে আসি, আর কখনো পড়া হয় নাই বইটা। পরের সপ্তাহে নতুন কোন বই পড়া শুরু করেছিলাম, এটার কথা পুরাপুরি ভুলে গেছিলাম।
গতকাল, প্রায় ১৪ বছর পর, পিসিতে গেম খেলতেছি কিন্তু বোরিং লাগছে। তাই ভাবলাম একটা অডিওবুক শুনলে তো মন্দ হয় না। আর যদি কখনো খেয়াল আসে অডিওবুকের, সেখানে মিরচি বাংলার চেয়ে দারুণ করে অডিওবুক আর কেই বা উপস্থাপন করতে পারে! স্ক্রল করতে করতে পেয়ে যাই এই গল্পটা। শুরুতে কাহিনি কেমন যেন চেনা চেনা ঠেকলেও কোনভাবেই পুরাটা মনে পড়ছিল না। আমি আনমনে অডিওবুক শুনে যাচ্ছি আর পাশাপাশি একটা ছবি এডিট করে যাচ্ছি। একটা সময় গিয়ে হুট করে মনে পড়ল, আরেহ এটা তো আমার পড়া গল্প... এরপর মনে পড়তে শুরু করল লাইব্রেরীতে পড়া সেই দিনটার কথা। ভিষণ মন খারাপ লাগছিল, ওই সময়টায় আমি কতই না ভাল ছিলাম, মানসিক ভাবে সুখী ছিলাম। কিন্তু সবসময়ই বড় হওয়ার তীব্র বাসনা আমার জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিয়ে গেছে। এখন শুধু বেঁচে থাকতে হয় তাই বেঁচে আছি এমন।
গল্পটা শেষ করে মন চাচ্ছিল কিছু সময় কাঁদতে পারলে ভাল হইত। কিন্তু সে আর হয়ে উঠে নাই। এত মজার একটা গল্প পড়ে কেউ কী কাঁদে?
পহেলা অক্টোবর ২০২৫
ছোট বয়রা, খুলনা
March 18, 2021
নাম: পদি পিসির বর্মি বাক্স
লেখক: লীলা মজুমদার
প্রকাশনা: লালমাটি প্রকাশন
মুদ্রিত মূল্য: ২০০/-
বই কথা: পিসিমা বললেই চোখের সামনে নাদুস নুদুস কড়া গলার গৃহকর্ত্রীর ছবি ভেসে ওঠে। তা পদিপিসিও তার অন্যথা নন- "বেঁটেখাটো বিধবা মানুষ, গলায় রুদ্রাক্ষের মালা, আর মনে জিলিপির প্যাঁচ। সিংহের মতন তেজও ছিল তার..."। এই গল্পের মূল নায়িকা ওরফে পদিপিসির আরও খানিক বিবরণ না দিলেই নয়! "পদিপিসির ইয়া ছাতি ছিল, ইয়া পাঞ্জা ছিল। রোজ সকালে উঠে আধ সের দুধের সঙ্গে এক পোয়া ছোলা ভিজে খেতেন।" মানে পালোয়ানী ব্যাপার আরকি! ছোটবেলায় বই খানা পড়লে নির্ঘাত চোখ ছানাবড়া করে তাঁকে কল্পনা করতুম। এখনকার ইলাস্ট্রেসনের যুগে, দিব্যি গাঁট্টাগোট্টা একজন পিসিমার ছবি ছাপা রয়েছে বইতে। বলতে গেলে শিল্পী অহিভূষন মল্লিকের ছবিগুলোর গুণে লেখিকার কল্পনা আর বর্ণনা হয়ে উঠেছে আরও জীবন্ত।
যা হোক এবার আসি ধনরত্ন ঠাসা "হাঙরের নকশা-আঁকা লাল বর্মি বাক্স"তে। লালমাটি প্রকাশনের উদ্যোগে, সত্যজিৎ রায়ের আঁকা প্রচ্ছদপট সহ যে বর্মি বাক্স হাতে পাওয়া যাচ্ছে তার ভিতরকার সামগ্রীর মূল্য হীরে জহরতের থেকে কম কিছু নয়। বেশিরভাগ মানুষই বই কেনেন বাহ্যিক রূপ দেখে, সে যতই বলুন না কেন "Don't judge a book by its cover", শেষে এসে "আগে দর্শনধারী, তারপর গুণবিচারী" নীতিরই প্রাধান্য। তাই এই আকর্ষণীয় বাক্সের খাতিরে এই বই এর মূল্য বেড়েছে কিছুটা হলেও।
লীলা মজুমদারের লেখনী নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। শৈশব, মামাবাড়ি, গুপ্তধন, ডাকাত- ফিরে যাওয়া সেই ১০-১২ বছরের সময়টাতে। পদিপিসি যে কিরকম তেজস্বিনী ছিলেন তার বর্ণনায় লেখিকা লিখছেন, "...শুনেছি একবার একটা শ্যামলা গোরু হাম্বা-হাম্বা ডেকে ওর দুপুরের ঘুমের ব্যাঘাত করেছিল বলে উনি একবার তার দিকে এমনি করে তাকালেন যে সে তিনদিন দুধের বদলে দই দিতে লাগল।" এমন সরেস মন্তব্যে আট থেকে আশি সকলেই হাসতে বাধ্য!
তা এহেন পদিপিসির বর্মিবাক্স কিনা গেল হারিয়ে! হারিয়েছে নাকি চুরি হয়ে গেছে? নাকি সে বর্মি বাক্স ছিলই না কোনদিন? কল্পনা? যা হোক না কেন, পদিপিসির উৎপীড়নে শুরু হল খোঁজাখুঁজি। খোঁজ! খোঁজ! খোঁজ! তারপর? পাওয়া গেল শেষমেশ? গল্পটা প্রায় সকলেরই পড়া। আর না পড়ে থাকলে পড়ে ফেলুন ঝটপট, সঙ্গে ছোটদের পড়তে বলুন অবশ্যই। ওদের সাথে আমরাও ফিরে যাব শৈশবের সকালে।
(মতামত একান্ত ব্যক্তিগত)
লেখক: লীলা মজুমদার
প্রকাশনা: লালমাটি প্রকাশন
মুদ্রিত মূল্য: ২০০/-
বই কথা: পিসিমা বললেই চোখের সামনে নাদুস নুদুস কড়া গলার গৃহকর্ত্রীর ছবি ভেসে ওঠে। তা পদিপিসিও তার অন্যথা নন- "বেঁটেখাটো বিধবা মানুষ, গলায় রুদ্রাক্ষের মালা, আর মনে জিলিপির প্যাঁচ। সিংহের মতন তেজও ছিল তার..."। এই গল্পের মূল নায়িকা ওরফে পদিপিসির আরও খানিক বিবরণ না দিলেই নয়! "পদিপিসির ইয়া ছাতি ছিল, ইয়া পাঞ্জা ছিল। রোজ সকালে উঠে আধ সের দুধের সঙ্গে এক পোয়া ছোলা ভিজে খেতেন।" মানে পালোয়ানী ব্যাপার আরকি! ছোটবেলায় বই খানা পড়লে নির্ঘাত চোখ ছানাবড়া করে তাঁকে কল্পনা করতুম। এখনকার ইলাস্ট্রেসনের যুগে, দিব্যি গাঁট্টাগোট্টা একজন পিসিমার ছবি ছাপা রয়েছে বইতে। বলতে গেলে শিল্পী অহিভূষন মল্লিকের ছবিগুলোর গুণে লেখিকার কল্পনা আর বর্ণনা হয়ে উঠেছে আরও জীবন্ত।
যা হোক এবার আসি ধনরত্ন ঠাসা "হাঙরের নকশা-আঁকা লাল বর্মি বাক্স"তে। লালমাটি প্রকাশনের উদ্যোগে, সত্যজিৎ রায়ের আঁকা প্রচ্ছদপট সহ যে বর্মি বাক্স হাতে পাওয়া যাচ্ছে তার ভিতরকার সামগ্রীর মূল্য হীরে জহরতের থেকে কম কিছু নয়। বেশিরভাগ মানুষই বই কেনেন বাহ্যিক রূপ দেখে, সে যতই বলুন না কেন "Don't judge a book by its cover", শেষে এসে "আগে দর্শনধারী, তারপর গুণবিচারী" নীতিরই প্রাধান্য। তাই এই আকর্ষণীয় বাক্সের খাতিরে এই বই এর মূল্য বেড়েছে কিছুটা হলেও।
লীলা মজুমদারের লেখনী নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। শৈশব, মামাবাড়ি, গুপ্তধন, ডাকাত- ফিরে যাওয়া সেই ১০-১২ বছরের সময়টাতে। পদিপিসি যে কিরকম তেজস্বিনী ছিলেন তার বর্ণনায় লেখিকা লিখছেন, "...শুনেছি একবার একটা শ্যামলা গোরু হাম্বা-হাম্বা ডেকে ওর দুপুরের ঘুমের ব্যাঘাত করেছিল বলে উনি একবার তার দিকে এমনি করে তাকালেন যে সে তিনদিন দুধের বদলে দই দিতে লাগল।" এমন সরেস মন্তব্যে আট থেকে আশি সকলেই হাসতে বাধ্য!
তা এহেন পদিপিসির বর্মিবাক্স কিনা গেল হারিয়ে! হারিয়েছে নাকি চুরি হয়ে গেছে? নাকি সে বর্মি বাক্স ছিলই না কোনদিন? কল্পনা? যা হোক না কেন, পদিপিসির উৎপীড়নে শুরু হল খোঁজাখুঁজি। খোঁজ! খোঁজ! খোঁজ! তারপর? পাওয়া গেল শেষমেশ? গল্পটা প্রায় সকলেরই পড়া। আর না পড়ে থাকলে পড়ে ফেলুন ঝটপট, সঙ্গে ছোটদের পড়তে বলুন অবশ্যই। ওদের সাথে আমরাও ফিরে যাব শৈশবের সকালে।
(মতামত একান্ত ব্যক্তিগত)
June 29, 2023
আচ্ছা আপনি কি বই গয়নার বাক্সের ভিতরে রাখতে দেখেছেন নাকি রেখেছেন?
নাহ আগে গল্পের বিষয়টি বলি,তাহলে গল্পের একটি অন্যতম চরিত্র ছিল পদিপিসি,যার একটি বর্মিবাক্স ছিল।যেটি ছিল মণিমাণিক্যে ভরা। এই বর্মিবাক্সকে কেন্দ্র করেই গল্পের পটভূমি রচিত হয়েছে। এই বর্মিবাক্স গল্পের স্রোতে হারিয়ে যাবে। অনেকদিন ধরে তার খোঁজখবর কেউ না নিলেও হঠাৎই এই বর্মিবাক্সের খোঁজ করা শুরু হবে। কে করবে এই খোঁজ? বর্মিবাক্স কী সত্যি শেষপর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যাবে? গেলেও তা কী করে সম্ভব হবে? জানতে হলে পড়তে হবে 'পদিপিসির বর্মিবাক্স' বইটি।
এরপর আসি কীভাবে কিনলাম বইটি,লীলা মজুমদারের লেখা এই প্রথম পড়লাম,আগে কখনও পড়িনি ফলত বইয়ের প্রচ্ছদ এবং বইয়ের উপস্থাপনা দেখে বইটি সংগ্রহ করেছি। কত সুন্দর একটা গয়নার বাক্সের মধ্যে করে এই বইটি বিক্রয় করা হচ্ছে।হ্যাঁ,ঠিকই পড়লেন,লাল গয়নার বাক্স করেই বইটি আমি লোকাল দোকান থেকে সংগ্রহ করেছি। প্রচ্ছদের কথা কী বলবো,যখন স্বয়ং সত্যজিৎ রায় বইয়ের প্রচ্ছদ করেছেন। আর যেটা ভালো লেগেছে প্রচুর অলংকরণ সমৃদ্ধ এই বই। তাই ছবির সঙ্গে মিলিয়ে মিলিয়ে পড়তে বেশ লাগছিল। এক নিশ্বাসে পড়ে ফেলেছি। ছোটদের জন্য এই বই আদর্শ হলেও বড়োরা পড়েও নিরাশ হবেন না। খুবই সহজ সরল গল্পের ধরন,পড়তে ভালো লাগবে।
বই- পদিপিসির বর্মিবাক্স
লেখিকা- লীলা মজুমদার
প্রকাশক- লালমাটি
মূল্য- ২৫০ টাকা
।।পাঠ প্রতিক্রিয়া।।
______________________
নাহ আগে গল্পের বিষয়টি বলি,তাহলে গল্পের একটি অন্যতম চরিত্র ছিল পদিপিসি,যার একটি বর্মিবাক্স ছিল।যেটি ছিল মণিমাণিক্যে ভরা। এই বর্মিবাক্সকে কেন্দ্র করেই গল্পের পটভূমি রচিত হয়েছে। এই বর্মিবাক্স গল্পের স্রোতে হারিয়ে যাবে। অনেকদিন ধরে তার খোঁজখবর কেউ না নিলেও হঠাৎই এই বর্মিবাক্সের খোঁজ করা শুরু হবে। কে করবে এই খোঁজ? বর্মিবাক্স কী সত্যি শেষপর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যাবে? গেলেও তা কী করে সম্ভব হবে? জানতে হলে পড়তে হবে 'পদিপিসির বর্মিবাক্স' বইটি।
এরপর আসি কীভাবে কিনলাম বইটি,লীলা মজুমদারের লেখা এই প্রথম পড়লাম,আগে কখনও পড়িনি ফলত বইয়ের প্রচ্ছদ এবং বইয়ের উপস্থাপনা দেখে বইটি সংগ্রহ করেছি। কত সুন্দর একটা গয়নার বাক্সের মধ্যে করে এই বইটি বিক্রয় করা হচ্ছে।হ্যাঁ,ঠিকই পড়লেন,লাল গয়নার বাক্স করেই বইটি আমি লোকাল দোকান থেকে সংগ্রহ করেছি। প্রচ্ছদের কথা কী বলবো,যখন স্বয়ং সত্যজিৎ রায় বইয়ের প্রচ্ছদ করেছেন। আর যেটা ভালো লেগেছে প্রচুর অলংকরণ সমৃদ্ধ এই বই। তাই ছবির সঙ্গে মিলিয়ে মিলিয়ে পড়তে বেশ লাগছিল। এক নিশ্বাসে পড়ে ফেলেছি। ছোটদের জন্য এই বই আদর্শ হলেও বড়োরা পড়েও নিরাশ হবেন না। খুবই সহজ সরল গল্পের ধরন,পড়তে ভালো লাগবে।
বই- পদিপিসির বর্মিবাক্স
লেখিকা- লীলা মজুমদার
প্রকাশক- লালমাটি
মূল্য- ২৫০ টাকা
।।পাঠ প্রতিক্রিয়া।।
______________________
June 21, 2021
বই: পদি পিসির বর্মি বাক্স
লেখক: লীলা মজুমদার
প্রকাশক: লালমাটি
মূল্য: ২০০/-
আলোচক: দীপাঞ্জন দাস
গল্পে অনেকগুলি চরিত্র রয়েছে। তবে, শুরু থেকে শেষ অবধি যে চরিত্রটিকে কেন্দ্র করে গল্পটি আবর্তিত হয়েছে তিনি হলেন পদি পিসি। তার কাছে ছিল একটি রহস্যজনক বাক্স। যার মধ্যে হরেক রকমের রত্ন সম্ভার থাকলেও সেটিকে বাড়ি নিয়ে আসার সময় থেকেই নিখোঁজ। নিমাই খুড়োর কাছ থেকে সেই বাক্সটি বাঘাতে পারলেও শেষ মুহূর্তে অবধি তার খোঁজ পাননি পদি পিসি। মৃত্যুর ঠিক আগের মুহূর্তে তার মনে পড়ে যায় বাক্সটিকে রাখার কথা। কিন্তু মুখ খোলার আগেই প্রাণপাখি উড়ে যায়। অগত্যা রহস্য থেকে যায় রহস্যেই। কথক ও তার পাঁচু মামা এই বাক্সের খোঁজেই শুরু করে সন্ধান। সেই বাক্স খুঁজে আদৌ পাওয়া গেল কি না, গেলেও সেই রত্নেগুলিরই বা কী হল, তার বর্ণনা পাবেন এই বইটিতে। লীলা মজুমদারের অন্যান্য গল্পের মতো এটিও সুপাঠ্য একটি লেখনি যা, পাঠককে অবশ্যই আনন্দ দেবে। প্রকাশক একটি বাক্সের মধ্যে বইটিকে রেখে তার বাহ্যিক সৌন্দর্য অনেকটাই বাড়ানোর প্রচেষ্টা করেছেন। বইয়ের ভিতরে থাকা বিভিন্ন ছবিগুলি অত্যন্ত মানানসই হয়েছে। কিন্তু, বইটির দাম অত্যন্ত বেশি মনে হয়েছে। তুলনামূলক বড় ফন্টের সাথে বাড়তি মার্জিন দিয়ে ৫*৭ সাইজের ৮৩ পাতার বইয়ের দাম ২০০/- টাকা বড্ড বেশি মনে হয়েছে। তবে অভিনবত্বের দিক থেকে ভাবলে এই বই কিনে পড়তেই পারেন...
লেখক: লীলা মজুমদার
প্রকাশক: লালমাটি
মূল্য: ২০০/-
আলোচক: দীপাঞ্জন দাস
গল্পে অনেকগুলি চরিত্র রয়েছে। তবে, শুরু থেকে শেষ অবধি যে চরিত্রটিকে কেন্দ্র করে গল্পটি আবর্তিত হয়েছে তিনি হলেন পদি পিসি। তার কাছে ছিল একটি রহস্যজনক বাক্স। যার মধ্যে হরেক রকমের রত্ন সম্ভার থাকলেও সেটিকে বাড়ি নিয়ে আসার সময় থেকেই নিখোঁজ। নিমাই খুড়োর কাছ থেকে সেই বাক্সটি বাঘাতে পারলেও শেষ মুহূর্তে অবধি তার খোঁজ পাননি পদি পিসি। মৃত্যুর ঠিক আগের মুহূর্তে তার মনে পড়ে যায় বাক্সটিকে রাখার কথা। কিন্তু মুখ খোলার আগেই প্রাণপাখি উড়ে যায়। অগত্যা রহস্য থেকে যায় রহস্যেই। কথক ও তার পাঁচু মামা এই বাক্সের খোঁজেই শুরু করে সন্ধান। সেই বাক্স খুঁজে আদৌ পাওয়া গেল কি না, গেলেও সেই রত্নেগুলিরই বা কী হল, তার বর্ণনা পাবেন এই বইটিতে। লীলা মজুমদারের অন্যান্য গল্পের মতো এটিও সুপাঠ্য একটি লেখনি যা, পাঠককে অবশ্যই আনন্দ দেবে। প্রকাশক একটি বাক্সের মধ্যে বইটিকে রেখে তার বাহ্যিক সৌন্দর্য অনেকটাই বাড়ানোর প্রচেষ্টা করেছেন। বইয়ের ভিতরে থাকা বিভিন্ন ছবিগুলি অত্যন্ত মানানসই হয়েছে। কিন্তু, বইটির দাম অত্যন্ত বেশি মনে হয়েছে। তুলনামূলক বড় ফন্টের সাথে বাড়তি মার্জিন দিয়ে ৫*৭ সাইজের ৮৩ পাতার বইয়ের দাম ২০০/- টাকা বড্ড বেশি মনে হয়েছে। তবে অভিনবত্বের দিক থেকে ভাবলে এই বই কিনে পড়তেই পারেন...
August 18, 2024
"পদিপিসীর বর্মিবাক্স" - লীলা মজুমদার
পাঁচুমামা ঠিক করলেন তিনি একশো বছরের পুরনো পদিপিসীর বর্মিবাক্স আবিষ্কার করবেন, সেই বাক্স নাকি পান্না চুনি মুক্তো হিরে মোহরে ভরা। রন্ধন পটিয়সী বিধবা পদিপিসী একবার নিমাইখুড়োর বাড়িতে যাবার সময় ডাকাত দলের সম্মুখীন হন, তিনি ডাকাত সর্দার নিমাইখুড়োর বাড়িতে যাবেন শুনে ডাকাতরা তাকে সসম্মানে ছেড়ে দেন। পদিপিসী নিমাইখুড়োর বাড়িতে গিয়ে নিমাইখুড়োর লুন্ঠিত ধনসম্পদের কিছুটা একটি বর্মিবাক্সে ভরে বাড়ি নিয়ে আসেন। কিন্তু বাড়িতে আসার পর সেই রত্নভরা বর্মিবাক্স আর খুঁজে পাওয়া যায় না। দেড় বছর ধরে খুঁজেও সেই বাক্স পাওয়া গেলনা। ইতিমধ্যে পদিপিসী মারা গেছেন। পাঁচুমামার সাথে মামাবাড়িতে যান সেই বাক্স খুঁজতে। শেষপর্যন্ত কি সেই বর্মিবাক্স খুঁজে পাওয়া গেল? সাহিত্যিক লীলা মজুমদারের অনন্য সৃষ্টি এই গল্পটি।
পাঁচুমামা ঠিক করলেন তিনি একশো বছরের পুরনো পদিপিসীর বর্মিবাক্স আবিষ্কার করবেন, সেই বাক্স নাকি পান্না চুনি মুক্তো হিরে মোহরে ভরা। রন্ধন পটিয়সী বিধবা পদিপিসী একবার নিমাইখুড়োর বাড়িতে যাবার সময় ডাকাত দলের সম্মুখীন হন, তিনি ডাকাত সর্দার নিমাইখুড়োর বাড়িতে যাবেন শুনে ডাকাতরা তাকে সসম্মানে ছেড়ে দেন। পদিপিসী নিমাইখুড়োর বাড়িতে গিয়ে নিমাইখুড়োর লুন্ঠিত ধনসম্পদের কিছুটা একটি বর্মিবাক্সে ভরে বাড়ি নিয়ে আসেন। কিন্তু বাড়িতে আসার পর সেই রত্নভরা বর্মিবাক্স আর খুঁজে পাওয়া যায় না। দেড় বছর ধরে খুঁজেও সেই বাক্স পাওয়া গেলনা। ইতিমধ্যে পদিপিসী মারা গেছেন। পাঁচুমামার সাথে মামাবাড়িতে যান সেই বাক্স খুঁজতে। শেষপর্যন্ত কি সেই বর্মিবাক্স খুঁজে পাওয়া গেল? সাহিত্যিক লীলা মজুমদারের অনন্য সৃষ্টি এই গল্পটি।
May 21, 2024
"ভালো লোকের কখনো ভালো হয় না। যতসব জগতের বদমায়েশ আছে সবাই সুখে জীবন কাটিয়ে যায়।"
প্রায় একশোত বছর আগে পদিপিসি কোন এক ঘটনাক্রমে একটি বর্মিবাক্স (গয়নার বাক্স) বগলদাবা করেন। যেখানে নাকি সোনা, হিরা, পান্না, মণিমুক্তা সহ দামী গহনা ছিলো।
কিন্তু এই বাক্স পদিপিসি কোথায় রেখেছেন তা মনে করতে পারেন না। এক দের বছর ধরে খোঁজাখুঁজি করেও এর হদিস পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর আগে মনে করতে পারলেও পদিপিসি অর্ধেক কথা বলেই পটল তোলেন। তার বংশধররা গত একশ বছর ধরে এই বর্মিবাক্স খুঁজে যাচ্ছে।
আর এই নিয়েই ছোট গল্পের বই পদিপিসির বর্মিবাক্স। হাস্যরসাত্মকভাবে রহস্য উন্মোচন করার ঘটনা পড়তে মজাই লেগেছে। ছোট একটা বই। তাই পড়তে বেগ পেতে হয়নি।
প্রায় একশোত বছর আগে পদিপিসি কোন এক ঘটনাক্রমে একটি বর্মিবাক্স (গয়নার বাক্স) বগলদাবা করেন। যেখানে নাকি সোনা, হিরা, পান্না, মণিমুক্তা সহ দামী গহনা ছিলো।
কিন্তু এই বাক্স পদিপিসি কোথায় রেখেছেন তা মনে করতে পারেন না। এক দের বছর ধরে খোঁজাখুঁজি করেও এর হদিস পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর আগে মনে করতে পারলেও পদিপিসি অর্ধেক কথা বলেই পটল তোলেন। তার বংশধররা গত একশ বছর ধরে এই বর্মিবাক্স খুঁজে যাচ্ছে।
আর এই নিয়েই ছোট গল্পের বই পদিপিসির বর্মিবাক্স। হাস্যরসাত্মকভাবে রহস্য উন্মোচন করার ঘটনা পড়তে মজাই লেগেছে। ছোট একটা বই। তাই পড়তে বেগ পেতে হয়নি।
December 5, 2024
আমার নিজের একটাই মাসি ছিলেন, তাঁকে আমি দেখিনি, আমার জন্মের আগেই তিনি পরলোক গমন করেন। তবে আমার দাদা দিদিদের কাছে মাসির ব্যপারে শুনতাম। ওঁদের কে মাসি অনেক অনেক ভালো ভালো গল্প বলতেন মামার বাড়ি গেলেই। আমার আফসোস হতো, গল্প শুনতে আমিও ভালোবাসতাম, কিন্তু আমাকে গল্প বলার কেউ ছিল না। এরপর একদিন ইস্কুলের লাইব্রেরিতে এই বইটা পেলাম। সত্যি বলতে কী বইটার প্রথম লাইনটা পড়েই কেন জানিনা বইটাকে ভালোবেসে ফেলেছিলাম, এবং বইটা শেষ হতে হতে লীলা মজুমদারকে আমার সেই মাসির জায়গাটা দিয়ে ফেললাম যাকে আমি খুব মিস করতাম। আমার গল্প বলিয়ে মাসি তোমার জন্য পাঁচটা তারা অনেক কম! তোমার মত প্রতিভা বাংলা সাহিত্যে খুব কম এসেছে, তোমার দাদা, তোমার ভাইপোর চেয়েও তোমাকে এগিয়ে রাখি আমি। যেখানেই থেকো ভালো থেকো! ❤️❤️❤️
Displaying 1 - 30 of 53 reviews





























