লুচি-আলুর দম খাওয়া হয়ে গেছে। সবে সন্দেশে একটা কামড় বসিয়েছি। বাবা বললেন, 'তোর জানতে ইচ্ছে করে না গাব্লু, খাবারগুলো পেটে গিয়ে কী ভাবে হজম হয়?'
বলতে বলতে বাবা বইয়ের তাক থেকে একটা বড়সড় বই নামালেন। বইটাতে দারুণ মজার মজার সব ছবি আঁকা।
আমাদের খাওয়া খাবারগুলো কেমন করে হজম হয়, কেমন করে চেহারা বদল করে, কেমন করে আমরা শুনি, দেখি, কথা বলি, এইসব নানা কথা বইটাতে খুব সহজ করে বুঝিয়ে দেওয়া আছে।
আমি বইটা দেখে আমার ডায়েরিতে লিখলাম, ছবিও এঁকে রাখলাম।
বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী-র জন্ম ১৩ অগ্রহায়ণ ১৩৫৪ (২৯ নভেম্বর ১৯৪৭) অধুনা বাংলাদেশের অন্তর্গত কুমিল্লায়। মা সুহাসিনী দেবী, বাবা অশ্বিনীকান্ত চক্রবর্তী। বিশুদ্ধ পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে পড়েছেন। কর্মসূত্রে যুক্ত থেকেছেন বরাহনগর নরেন্দ্রনাথ বিদ্যামন্দির, ইউনাইটেড ব্যাংক অব ইন্ডিয়ায়। রেডিয়ো-টেলিভিশনে ধর্ম এবং বিজ্ঞান বিষয়ে অনুষ্ঠান করে থাকেন। প্রকাশিত নানা গ্রন্থের কয়েকটি- ‘রামায়ণ’, ‘মহাভারত’, ‘গাবলুর বিজ্ঞান ডায়েরি’, ‘আয় বুদ্ধি ঝেঁপে’। ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে ‘রামায়ণ’, ‘মহাভারত’-সহ কয়েকটি গ্রন্থ। পুরস্কার: জাতীয় পুরস্কার (NCERT) (১৯৯৬), ‘গাবলুর বিজ্ঞান ডায়েরি’। গ্রন্থের প্রথম খণ্ড ‘মহাকাশের কথা’-র জন্য ১৯৯৬-এ পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কার (NCERT)।
ছোটবেলায় পড়া বই, স্মৃতি এখনো সজীব৷ যারা শিশুদের অল্প বয়স থেকেই মানবদেহের চমৎকার সব অর্গান সিস্টেম সম্পর্কে ধারণা দিতে চান, তারা অবশ্যই উপহার দেবেন এই বইটি।