Jump to ratings and reviews
Rate this book

সুকান্ত ভট্টাচার্যের পত্রগুচ্ছ

Rate this book

39 pages, Hardcover

First published December 16, 1993

Loading...
Loading...

About the author

Sukanta Bhattacharya

42 books49 followers
Sukanta Bhattacharya (bn: সুকান্ত ভট্টাচার্য) was one of the most honored poets of Bangla literature. He was called 'Young Nazrul' and 'Kishore Bidrohi Kobi', a reference to the great rebel poet Kazi Nazrul Islam for Sukanto's similar rebellious stance against the tyranny of the British Raj and the oppression by the social elites through the work of his poetry. He died of tuberculosis at the Jadavpur T. B. Hospital (later, K. S. Roy T. B. Hospital) in Kolkata at a very young age of 20.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
1 (20%)
4 stars
1 (20%)
3 stars
3 (60%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
Profile Image for Akash.
457 reviews168 followers
December 3, 2022
কবিবন্ধু অরুণাচল বসুর সঙ্গে অর্থহীন অথচ বেশ ভারী ভারী শব্দ বানানোর খেলা চলছিল সুকান্তর। সুকান্তর মৃত্যুতে সেই খেলা থেমে গেল চিরতরে। আর বাংলা সাহিত্য হারালো তার অমূল্য রত্ন।

প্রিয় অরুণ,
তোর একাকীত্ব ভাল লাগে না এবং ভাল লাগে না আমারও এই প্রাণস্পর্শহীন আত্মমগ্নতা। তবে একাকীত্ব অনুকূল নিজের সত্তাকে উপলদ্ধি করার পক্ষে। একাকী মানুষ যা চিন্তা করে সেটাই তার নিজের চিন্তা। নিঃসঙ্গ মানুষ নিজের প্রকৃতিকে পায়। সে জন্যেই একাকীত্বের একটা উপকারিতা আছে বলে আমার মনে হয়। তা দীর্ঘ হলেও ক্ষতি নেই।
.............................................................................................................................................।
আমার একজন কবিবন্ধু প্রয়োজন। কেউ হতে চাইলে জানাবেন। মনের কথা লেখা হবে শুধু চিঠিতে।



Profile Image for হাসান নাহিয়ান নোবেল.
105 reviews174 followers
April 1, 2020
বইটা আমার প্রায়োরিটি লিস্টের কোথাওই থাকার কথা না, তবু মীমের কল্যাণে পড়া শুরু এবং সুকান্তের কল্যাণে শেষ হয়ে গেল।

এবং আশ্চর্য এই যে, সুকান্তের চিঠি এই দিনগুলিতেও relatable. প্রতিনিয়ত অরুণকে কেমন করুণ, তবু ভালোবাসায় ভরা একেকটা কথা লিখে যাচ্ছেন। যুদ্ধের কলকাতায় কখনো দৌড়ে বোমাবর্ষণ থেকে আশ্রয় নিচ্ছেন, আবার উপক্রমণিকার চোখের দিকে তাকিয়ে যে বুকের মধ্যে নড়েচড়ে গেল—সেটাও ভেবে মরছেন। বস্তুত, দুটাই সমান গুরুত্বপূর্ণ বটে!

ফলে কী অবলীলায় অরুণের মাকে সুকান্ত লিখছেন,

“আপনার ছেলে কি পাবনায় গেছে? তাকে একটা চিঠি দিলাম। সে যদি না গিয়ে থাকে, তবে সেখানা দেবেন এই বলে যে, ‘এ-খানাই তোমার প্রতি সুকান্তের শেষ চিঠি।’”

যেকোনো মারীর সময়েই কি মানুষের এমন অনুভূতি কাজ করে?
Displaying 1 - 2 of 2 reviews