Bankim Chandra Chattopadhyay (Bengali: বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়) ('Chattopadhyay' in the original Bengali; 'Chatterjee' as spelt by the British) was a Bengali poet, novelist, essayist and journalist, most famous as the author of Vande Mataram or Bande Mataram, that inspired the freedom fighters of India, and was later declared the National Song of India.
Complete works of Bankim Chandra Chattopadhyay (বঙ্কিম রচনাবলী) is now available in this third party website (in Bengali): https://bankim-rachanabali.nltr.org/
Chatterjee is considered as a key figure in literary renaissance of Bengal as well as India. Some of his writings, including novels, essays and commentaries, were a breakaway from traditional verse-oriented Indian writings, and provided an inspiration for authors across India.
‘ইন্দিরা’ একটি নিটোল সমৃদ্ধ পারিবারিক আখ্যান। গল্পের কাহিনী খুব বেশি ভালো লাগেনি তবে লেখনি, সংলাপ ছিল অসাধারণ। ইন্দিরাই এ বইয়ের কেন্দ্রীয় চরিত্র।এবং তার জবানীতেই কাহিনীটি লিখিত হয়েছে। তৎকালীন প্রথা অনুযায়ী ইন্দিরার বাল্যবিবাহ হয়েছিল। স্বামী উপেন্দ্র উপার্জনক্ষম হওয়ার পর, ইন্দিরা ঊনিশ বয়সে শ্বশুরালযে যাত্রা করেছিল পালকি যোগে। পথে, ডাকাতের হাতে, তার মূল্যবান দ্রব্য সকল অপহৃত হল। সে জঙ্গলে প্রতিষ্ঠিত এক মন্দিরের পুরোহিতের গৃহে আশ্রয় পেল। সেখান থেকে তাঁদেরই এক আত্মীয়া সুভাষিণীর গৃহে রন্ধনকারিণী হিসবে নিযুক্ত হল।
সেখানে সুভাষিণী, ইন্দিরার স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির গ্রামের নাম জানতে পারে, জিজ্ঞাসার মধ্য দিয়ে। সুভাষিণীর স্বামী বুঝেছিল, ইন্দিরার স্বামী উপেন্দ্র তার পূর্বপরিচিত। সে উপেন্দ্রকে তার গৃহে নিমন্ত্রণ করে এনেছিল। পরে নানা ঘটনাচক্রে, উপেন্দ্র জেনেছিল যে এই গৃহের রন্ধনকারিণীই তার স্ত্রী ইন্দিরা। স্বামী–স্ত্রীর শুধুমাত্র একবার বহুবছর আগে, বিবাহের সময় ছাড়া সাক্ষাৎই হয়নি।
ইন্দিরা এবার দ্বিতীয়বার শ্বশুরালয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করল। প্রথমবারের যাত্রায়, সে ছিল একাকিনী। দ্বিতীয়বার তা’র সঙ্গী ছিল স্বামী উপেন্দ্র।
শ্বশুরালয়ে যাত্রাপথ — স্বাভাবিক ভাবেই যা আরোহী–আরোহিণীকে গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দেয়। ইন্দিরার সেই প্রথমবার শ্বশুরালয়ে যাত্রা ছিল অপ্রত্যাশিত ঘটনার অভিঘাত ও নানা এ্যাডভেঞ্চারে পরিপূর্ণ। ইন্দিরা সেই এ্যাডভেঞ্চারের বিপদস্কুল পরিবেশ থেকে সসম্মানে, সগৌরবে উত্তীর্ণ হয়েছিল। তা’র সহিষ্ণুতা, দৃঢ়চেতা মনোভাব, পরিহাস–প্রিয়তা, রন্ধনকুশলতা তাকে স্বাভাবিক পরিবেশে উত্তরণের পথে সহযোগিতা করেছিল।
A funny play of destiny and wit. How destiny plays games taking you far from the one you love and then when it seems impossible, turns around the world to bring you back to where it all started giving you another chance to a new life. A bride begins her journey to her husband’s house but destiny throws her on a different route with no return. But everything and everybody in the world plots and plans for them to unite. As they say in filmi style.. “Agar kisi cheez ko dil se chaaho to puri kayanat usey tumse milane ki koshish mein lag jaati hai.”
Out of all the stories of Bankim that I have read, this was most advanced of its times and women take the lead in the entire plot. On one occasion before the wedding, all the neighbouring women and relatives gather around to tease the groom – their playful banter is loud and vulgar but at the same time endearing and fun. The two women protagonists are witty and their dialogues remind you of bantering between two close friends – rife with abuses but full of love. Two close friends sharing notes on how to entice their husbands and then going further to the practical of kissing. Although the author maintains decency depicting their flirting and physicality in a subtle playful tone.
Although it doesn’t have a solid,strong storyline, i liked the narrative of the story which is full of wit & comedy. Overall It's a good read. And better than freaking Kapalkundala.
একটি প্রেম, একটি ন্যায়-অন্যায়ের দ্বন্দ্ব, আর এক নারী—যার নাম ‘ইন্দিরা’।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় যখন "ইন্দিরা" লেখেন, তখন তিনি কেবল সাহিত্যিক নন, বরং এক নৈতিক দার্শনিকের মতো চরিত্রগুলোর নৈতিক ও সামাজিক দ্বন্দ্বকে তুলে ধরেছেন অসাধারণ দক্ষতায়। "ইন্দিরা" উপন্যাসটি মূলত নারী পরিচয়, সম্মান, আত্মত্যাগ এবং ভালোবাসার গাঢ় রূপ নিয়ে এক অনন্য কাহিনি। একদিকে পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার চাপ, অন্যদিকে প্রেম এবং আত্মসম্মানের সঙ্গমে দাঁড়িয়ে আছে ইন্দিরা।
“ভালোবাসা যখন মরণে ঠেকায়, তখন সে আর কেবল আবেগ থাকে না—সে হয়ে ওঠে এক ধরনের নীরব আত্মঘাত।”
ইন্দিরা চরিত্রটি সাহসী, আত্মসম্মানী এবং ভীষণভাবে মানবিক। সে ভালবাসে, কিন্তু ভালবাসার নামে নিজেকে হারাতে রাজি নয়। এই আত্মরক্ষার আর্তি-ভরা প্রতিরোধেই তার গৌরব।
এই উপন্যাসের ভাষা পুরনো দিনের হলেও, তার ভাবনা এখনো আধুনিক, বিশেষত যখন আমরা নারীর নিজের চেতনা ও মর্যাদার কথা বলি।
উপন্যাসের নাম: ইন্দিরা লেখক: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ধরন: সামাজিক ও রোমান্টিক উপন্যাস প্রথম প্রকাশ : ১৮৭৩ মোট পৃষ্ঠাসংখ্যা : ৬২
জীবন যে শুধু চড়াই উৎরাইয়ের সংমিশ্রণ তা নয়, এতে রয়েছে বেশকিছু অবিমিশ্র নাটকীয়তার ধাক্কাও। তেমনই ধাক্কা সামলাতে হয়েছিলো "ইন্দিরা" উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র ইন্দিরাকেও।
ইন্দিরার নিজ জবানীতে বয়ানকৃত উপন্যাসটি শুরুই হয়েছে ইন্দিরার বিয়ের কিছু অভিজ্ঞতা দিয়ে। মহেশপুরের বনেদী দত্ত পরিবারের মেয়ে ইন্দিরাকে তৎকালীন সমাজের নিয়ম মেনেই বাল্যকালে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয়। এবং অবশেষে জীবনের ১৯ টি বসন্ত পার করে আসার পরই স্বামীগৃহে যাওয়ার আজ্ঞা পায় ইন্দিরা। যেই কথা সেই কাজ! বধূসাজে পালকিতে চড়ে বসলো সে; গন্তব্য- শ্বশুরবাড়ি মনোহরপুর, স্বামী উপেন্দ্রের বাড়ি। কিন্তু বিধিবাম! পথিমধ্যেই কালাদীঘির দস্যু ডাকাতের কবলে পড়লো ইন্দিরার পালকিখানা।
ডাকাতরা গহনা কেড়ে নিয়ে ইন্দিরাকে মুক্তি দিলো বটে, কিন্তু জাতচ্যুতি ও শ্বশুরঘর না করতে পারার গ্লানি থেকে কি মুক্তি পেল ইন্দিরা? যাইহোক! সে হিসেবে পরে আসছি।
এবার শুরু হলো কাহিনীর মোড় ঘুরবার পালা। অসহায় ইন্দিরা এখানে সেখানে আশ্রয় খুঁজতে খুঁজতে অবশেষে ঠাই পেলো কলকাতার রমণবাবুর বাড়িতে। মাথা গোঁজার একটি আশ্রয় পেল ইন্দিরা, এবং ভাগ্য তার প্রতি সদয় হয়েছিলো তার রন্ধনশৈলী এবং সাবলীল আচরণের গুণে।
রমণবাবুর স্ত্রী সুভাষিণী, যাকে ইন্দিরার পরম হিতৈষী বললেও বোধহয় কম বলা হবে। ইন্দিরার সকল সুখ দুঃখের সাথী সুভাষিণীর সহায়তায়ই একমাত্র হয়ত ইন্দিরা পেতে পারতো তার স্বামীর খোঁজ, পুনরায় দেখা হতে পারতো তাদের।
কিন্তু ইন্দিরার এই আশা কি পূর্ণ হয়েছিলো? সে কি আবারো গর্বিতচিত্তে পা বাড়াতে পেরেছিলো তার শ্বশুরবাড়িতে? নাকি তৎকালীন সমাজের জাতচ্যুতি, সম্মানহানি ও আত্মসম্মানশীলতার অভাব তাকে বঞ্চিত করেছিলো সংসারধর্ম থেকে?
আচ্ছা, উপন্যাসের কাহিনীবিন্যাসে আসি। ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে বঙ্কিমবাবুর অন্যান্য উপন্যাসের (বিষবৃক্ষ, কপালকুণ্ডলা ইত্যাদি) তুলনায় ইন্দিরার প্লট বেশ সাধারণ এবং দুর্বল মনে হয়েছে। দুর্বল এই অর্থে যে, উপন্যাসে চরিত্রের ঘাত প্রতিঘাত, চড়াই উৎরাইয়ের ভিত্তিগুলো ঠিক পাকাপোক্ত ছিলোনা। ইন্দিরার মনস্তাত্ত্বিক চিন্তাধারার পরিচয় আমরা পেলেও তার মানসিক টানাপোড়েনের সুস্পষ্ট পরিচয় দিতে ব্যর্থ হয়েছেন ঔপন্যাসিক।
এখন, মনস্তাত্ত্বিক চিন্তাধারা আর টানাপোড়েন কিন্তু এক ব্যাপার নয়। ইন্দিরা যদি আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন একজন নারী হতেন, তাহলে তার জীবনের ঘাত প্রতিঘাতগুলোকে হয়ত লেখক আরো মানসম্পন্ন রূপে তুলে আনতে পারতেন। তবে তৎকালীন সমাজব্যবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে এবং কাহিনির স্বার্থে ইন্দিরার চরিত্রের এরূপ দিকগুলো তুলে আনা দরকারই ছিল বৈকি।
তবে হ্যাঁ, ইন্দিরার এত সমালোচনা করছি বলে বঙ্কিমবাবুর ভক্তরা আবার রেগে যাবেননা যেন। একজন নারী হিসেবে তার আত্মসম্মান হয়ত একটু কমই হতে পারে, কিন্তু তার সহিষ্ণুতা, দৃঢ়চেতা ও সাহসী মনোভাব এবং সর্বোপরি উপস্থিত বুদ্ধিমত্তা ও রসবোধ আমাকে মুগ্ধ করেছে। অনেক দুশ্চিন্তা এবং আত্মপরাজয়ের গ্লানির মাঝে থেকেও ইন্দিরা লোক লৌকতা এবং সামাজিকতার প্রতি ছিলো ঔদার্য; আর তা প্রমাণ পেয়েছে তার আতিথেয়তা এবং রন্ধনপটুতার মাধ্যমে। এমনকি মানুষের সাথে সহজে মিশে যেতে এবং রস রসিকতায় মাতিয়ে রাখতে ইন্দিরার কোন জবাব ছিলোনা।
বলাই বাহুল্য, ইন্দিরার রসিকতাবোধ গোটা উপন্যাসে আলাদাই হাস্যরসাত্মক আমেজ যোগ করেছে। তবে উপন্যাসে নাটকীয়তা, সাসপেন্স এবং টুইস্টও ছিলো বেশ। গোটা উপন্যাস পড়ে তৎকালীন প্রাচীন বাংলা সমাজে ক্ষেত্রবিশেষে নারীদের অবজ্ঞা এবং নিরাপত্তাহীনতা, এবং একইসাথে জাতপ্রথা ও কুলরক্ষার নিষ্পেষণে নারীদের আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে পড়ার ব্যাপারটি সম্পর্কে সুষ্পষ্ট ধারণা পাবেন পাঠকেরা।
পরিশেষে এটুকইই বলব যে, কাহিনীর বুনন অত মনপসন্দ না হলেও, বইটির পাতায় পাতায় সময় না কাটানোর মতো যে অন্তত নয়, তা বলতে পারি!
উপন্যাসটির প্লট দুর্বল। ইন্দিরা নামের এক মেয়ে শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার পথে ডাকাতির শিকার হয়। ঘটনাক্রমে অনেক বছর পর কলকাতার এক সহৃদয় দম্পতির সাহায্যে স্বামীর সংসারে ফেরত যায়। শুধু মাত্র লেখনীর সৌন্দর্যের জন্য পড়া। পুরানো দিনকাল, রীতিনীতি ও হালকাপাতলা এসেছে। নারী শিক্ষা, বিধবা বিবাহ, বা পরিণত বয়সে বিয়ে নিয়ে কটাক্ষ পূর্ণ ডায়লগ যোগ করে নিজের চিন্তাধারা প্রকাশ করতেও ভুলেন নি লেখক। বঙ্কিমের একটা বাজে লেখা "ইন্দিরা"।
Not a great story by the author... Lots of misogynistic ideas, typical of Bankim chandra. But The channel narration was heavenly, that's the Only thing great about this. The narration was out of This world.
উপন্যাস: ইন্দিরা লেখক: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ধরন: রোমান্টিক, সামাজিক উপন্যাস
🔰গল্প সংক্ষেপ: তৎকালীন প্রথা অনুযায়ী ইন্দিরার বাল্যবিবাহ হয়েছিল। স্বামী উপেন্দ্র উপার্জনক্ষম না হওয়ায় ইন্দিরার বাবা তাকে নিজের কাছে রেখে দেন। এরপর স্বামী উপার্জন শুরু করলে, ঊনিশ বয়সে শ্বশুড়বাড়ি যাত্রা করে পালকি যোগে। পথে ডাকাতের হাতে পড়লে ইন্দিরা সবকিছু হারিয়ে একাই যাত্রা শুরু করে। পথে বিভিন্ন মানুষের সাথে তার পরিচয় হয়। সর্বশেষে সুভাষিণী নামক এক নারীর গৃহে রাঁধুনি কাজে নিযুক্ত হল। ইন্দিরা কি তার স্বামীকে খুঁজে পাবে? এই নিয়ে গল্প!
🔰মন্তব্য: ইন্দিরা মূলত ভাগ্যের পরিহাসের গল্প। আমার পড়া সেরা উপন্যাসগুলোর অন্যতম। ইন্দিরার মতো সতীলক্ষ্মী আর সুভাষিণীর মতো বন্ধু বড় বিরল। ক্যাসিক/চিরায়ত উপন্যাসের সবচেয়ে ভালো বিষয় হলো আজ থেকে ১০০-১৫০ বছর আগের মানুষের জীবনধারা, প্রেম, বন্ধনকে খুব ভালোভাবে কল্পনা করা যায়।
🔰প্রধান চরিত্র : ইন্দিরা ও উপেন্দ্র 🔰প্রিয় চরিত্র : সুভাষিণী ও রমণবাবু
যে সময়ে বসবাস করছি আমি ও আমরা, সেখানে অবস্থান করে এই বইয়ের কতটুকু রস আস্বাদন করা গেছে আমি জানিনা। তবুও, বাংলার প্রাচীন সমাজ ব্যবস্থা সম্পর্কে একটা পরিস্কার ধারণা আমি পেয়েছি। ধর্ম ও জাতপ্রথা কত দিক দিয়ে আষ্টেপৃষ্ঠে বেধে রেখেছিল বাংলার নারীকে, তা এই বই না পড়লে উপলদ্ধি করা যেত না। ভাষা বড় খটমটে ঠেকেছে বহুবার।