What do you think?


যে পথে যেতে হবে
কলকাতা এখন এক বৃহৎ বৃদ্ধাবাস। ভারতবর্ষের ১০০ মিলিয়ন প্রবীণ নাগরিকের ১৫ শতাংশের বাস এই শহরে। এইসব বয়স্ক মানুষদের পকেটে আর আঁচলের খুঁটে অনেক টাকা। প্রবীণ পরিষেবা কেন্দ্র 'অশেষ' এই বাজার ধরার কাজ শুরু করেছে।
বয়স্ক রোগ বিশেষজ্ঞ বা জেরিয়াট্রিশিয়ান হিসেবে অশেষ-এ যোগ দিয়েছে ডাক্তার শালুক চক্রবর্তী। সে হোম ভিজিট শুরু করার পরেই একের পর এক সিনিয়র সিটিজেনের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটতে থাকে। মৃত্যুমিছিলের তদন্তের ভার এসে পড়ে তরুণ পুলিশ অফিসার কৃত্তিবাস মিত্রের উপরে। শালুক আর কৃত্তিবাসের সম্পর্ক গড়ে উঠতে থাকে মৃত্যুর পটভূমিকায়।
কী সেই সম্পর্ক? চিরাচরিত প্রেমের? না কি ঘাতক আর গোয়েন্দার? এই মেডিকেল থ্রিলেরের পরতে পরতে সেই রহস্য-উন্মোচন।
বয়স্ক রোগ বিশেষজ্ঞ বা জেরিয়াট্রিশিয়ান হিসেবে অশেষ-এ যোগ দিয়েছে ডাক্তার শালুক চক্রবর্তী। সে হোম ভিজিট শুরু করার পরেই একের পর এক সিনিয়র সিটিজেনের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটতে থাকে। মৃত্যুমিছিলের তদন্তের ভার এসে পড়ে তরুণ পুলিশ অফিসার কৃত্তিবাস মিত্রের উপরে। শালুক আর কৃত্তিবাসের সম্পর্ক গড়ে উঠতে থাকে মৃত্যুর পটভূমিকায়।
কী সেই সম্পর্ক? চিরাচরিত প্রেমের? না কি ঘাতক আর গোয়েন্দার? এই মেডিকেল থ্রিলেরের পরতে পরতে সেই রহস্য-উন্মোচন।
160 pages, Hardcover
First published January 1, 2018
About the author
Indranil Sanyal
37 books57 followersইন্দ্রনীল সান্যালের জন্ম হাওড়ার বালিতে, ১৯৬৬ সালে। নীলরতন সরকার মেডিকেল কলেজ থেকে এম বি বি এস। প্যাথলজিতে এম ডি, পিজি হাসপাতাল থেকে।সরকারি চাকরির সূত্রে কাজ করেছেন সুন্দরবনের প্রত্যন্ত প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে মহাকরণের ডিসপেনসারিতে, লালবাজার সেন্ট্রাল লকআপ থেকে গঙ্গাসাগর মেলার হেল্থ ক্যাম্পে।বর্তমানে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত।প্রথম প্রকাশিত গল্প ২০০৪ সালে ‘উনিশকুড়ি’ পত্রিকায়।শখ: বই পড়া, ফেসবুকে ফার্মভিল এবং হ্যাপি অ্যাকোয়ারিয়াম খেলা, সুদোকু সমাধান।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 13 of 13 reviews
February 27, 2021
একাডেমিকের চাপে পিষ্ট আমি, আমি ক্লান্ত প্রাণ এক, চারিদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন,
আমারে দু-দণ্ড শান্তি দিয়েছিলো এই বইটি।
২০২১ এ পড়া প্রথম বই। রাত ১০টায় শুরু করে এই একটা বাজলো শেষ করতে।
আমি থ্রিলার তেমন পড়ি না তবে রোমান্টিক যেকোন কিছু গোগ্রাসে গিলি। এমন মোটামাথা বুদ্ধিভর্তি প্রেমিক থাকলে জীবনে আর কি লাগে...!
আমারে দু-দণ্ড শান্তি দিয়েছিলো এই বইটি।
২০২১ এ পড়া প্রথম বই। রাত ১০টায় শুরু করে এই একটা বাজলো শেষ করতে।
আমি থ্রিলার তেমন পড়ি না তবে রোমান্টিক যেকোন কিছু গোগ্রাসে গিলি। এমন মোটামাথা বুদ্ধিভর্তি প্রেমিক থাকলে জীবনে আর কি লাগে...!
February 1, 2021
.... আপনি কোনো বিশেষ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাই ঠিক করেছেন গল্পের বই পড়া কমিয়ে দেবেন... ঐ ঘুমানোর আগে এক-আধটা চ্যাপ্টার । এই ভেবেই পড়তে শুরু করলেন একটা মেডিক্যাল থ্রিলার । পড়তে পড়তে বেশ থ্রিল অনুভব করছেন... আপনার মধ্যে ‘গল্পের বই’এর পোকা যে সত্ত্বাটি আছে সে মনকে বোঝাচ্ছে - ‘ওয়ান মোর চ্যাপ্টার, প্লিজ । এত থ্রিলিং জায়গায় রেখে দেওয়া যায় নাকি !’ কিন্তু এদিকে মনের মধ্যে রুটিন মেনে চলা সত্ত্বাটি ক্রমাগত বাধা দিচ্ছে - ‘ব্যাস, আজকের মতো এইটুকুই । বাকিটা আবার আগামীকাল ।’
তারপর যা হয় এক্ষেত্রেও তাই হলো । ঠিক রাত্রি দেড়টা-দুটো নাগাদ বইয়ের শেষ পৃষ্ঠা অবধি চেঁটেপুটে গিলে নিয়ে তবে আপনার ‘বইপোকা’ সত্ত্বা ক্ষান্ত হলো... আর আপনিও পরীক্ষা-টরীক্ষা বেমালুম ভুলে গিয়ে দারুণ একটা থ্রিলার পড়ার তৃপ্তি নিয়ে ঘুমিয়ে গেলেন ।
🍂 যারা ইন্দ্রনীল সান্যালের লেখার সাথে পরিচিত তারা জানেন... বিভিন্ন ‘চিকিৎসা-বিজ্ঞান’ সম্পর্কিত প্লটের ওপর ভিত্তি করে কি দুর্দান্ত সব থ্রিলার উপন্যাস লেখক আমাদের উপহার দিয়ে থাকেন । শুরু থেকে শেষ অবধি টানটান, নির্মেদ রহস্য... যা পাঠককে একদম আবিষ্ট করে রাখে উপন্যাসের শেষ পৃষ্ঠা অবধি ।
এক্ষেত্রেও গল্পের প্লট একেবারেই অভিনব । পরতে পরতে রহস্য জাল বিস্তার করে গেছে প্রতি অধ্যায়ের সাথে সাথে । পাশাপাশি সমান্তরাল ভাবে চলেছে একটি প্রেমের গল্প । কিন্তু বিষয়দুটি এত সঠিক অনুপাতে মেশানো যে কখনো একবারও মনে হয়নি উপন্যাসের থ্রিল নষ্ট হয়েছে... লেখক সূচারু ভাবে গল্পের রাশ টেনে রেখেছেন নিজের হাতে ।
🍂 উপন্যাসটি পড়ে বেশ কিছু তথ্য জানা যায়, বিশেষত জেরিয়াট্রিশিয়ান দের সম্পর্কে... এই ব্যাপারটি আমার কাছে নতুন । তথ্যের বাহুল্য এবং জ্ঞানের কচকচানি এড়িয়ে সাধারণ কথপােকথনের মাধ্যমে বিষয়টি সুন্দরভাবে বুঝিয়েছেন লেখক । এছাড়াও, উপন্যাসটিতে লেখক বর্তমান সমাজে একলা থাকা বয়স্ক বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের জীবনের সমস্যার কিছু ছবি তুলে ধরেছেন । উপন্যাসটি পড়লে পাঠক জানতে পারবে এই সব বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের কাছে একাকিত্ব একটা বড় সমস্যা... এর ফলে বহু বৃদ্ধ-বৃদ্ধা মানসিক ভাবে হতাশাগ্রস্ত, এছাড়া তাদের একলা থাকার সুযােগ নিয়ে কিছু মানুষ তাদের ভুল বুঝিয়ে তাদের ক্ষতিও করছে । বর্তমান সমাজের এই দিকটি নিয়ে আলোকপাত করার জন্য লেখককে ধন্যবাদ ।
তারপর যা হয় এক্ষেত্রেও তাই হলো । ঠিক রাত্রি দেড়টা-দুটো নাগাদ বইয়ের শেষ পৃষ্ঠা অবধি চেঁটেপুটে গিলে নিয়ে তবে আপনার ‘বইপোকা’ সত্ত্বা ক্ষান্ত হলো... আর আপনিও পরীক্ষা-টরীক্ষা বেমালুম ভুলে গিয়ে দারুণ একটা থ্রিলার পড়ার তৃপ্তি নিয়ে ঘুমিয়ে গেলেন ।
🍂 যারা ইন্দ্রনীল সান্যালের লেখার সাথে পরিচিত তারা জানেন... বিভিন্ন ‘চিকিৎসা-বিজ্ঞান’ সম্পর্কিত প্লটের ওপর ভিত্তি করে কি দুর্দান্ত সব থ্রিলার উপন্যাস লেখক আমাদের উপহার দিয়ে থাকেন । শুরু থেকে শেষ অবধি টানটান, নির্মেদ রহস্য... যা পাঠককে একদম আবিষ্ট করে রাখে উপন্যাসের শেষ পৃষ্ঠা অবধি ।
এক্ষেত্রেও গল্পের প্লট একেবারেই অভিনব । পরতে পরতে রহস্য জাল বিস্তার করে গেছে প্রতি অধ্যায়ের সাথে সাথে । পাশাপাশি সমান্তরাল ভাবে চলেছে একটি প্রেমের গল্প । কিন্তু বিষয়দুটি এত সঠিক অনুপাতে মেশানো যে কখনো একবারও মনে হয়নি উপন্যাসের থ্রিল নষ্ট হয়েছে... লেখক সূচারু ভাবে গল্পের রাশ টেনে রেখেছেন নিজের হাতে ।
🍂 উপন্যাসটি পড়ে বেশ কিছু তথ্য জানা যায়, বিশেষত জেরিয়াট্রিশিয়ান দের সম্পর্কে... এই ব্যাপারটি আমার কাছে নতুন । তথ্যের বাহুল্য এবং জ্ঞানের কচকচানি এড়িয়ে সাধারণ কথপােকথনের মাধ্যমে বিষয়টি সুন্দরভাবে বুঝিয়েছেন লেখক । এছাড়াও, উপন্যাসটিতে লেখক বর্তমান সমাজে একলা থাকা বয়স্ক বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের জীবনের সমস্যার কিছু ছবি তুলে ধরেছেন । উপন্যাসটি পড়লে পাঠক জানতে পারবে এই সব বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের কাছে একাকিত্ব একটা বড় সমস্যা... এর ফলে বহু বৃদ্ধ-বৃদ্ধা মানসিক ভাবে হতাশাগ্রস্ত, এছাড়া তাদের একলা থাকার সুযােগ নিয়ে কিছু মানুষ তাদের ভুল বুঝিয়ে তাদের ক্ষতিও করছে । বর্তমান সমাজের এই দিকটি নিয়ে আলোকপাত করার জন্য লেখককে ধন্যবাদ ।
April 2, 2020
আবারও একবার একদম মজে গেছিলাম লেখক ইন্দ্রনীল সান্যালের মেডিক্যাল থ্রিলারে। হেঁয়ালি না করে সোজা রিভিউ শুরু করি। 😁
বইএর শুরুতে কিছু বিভৎস ডার্ক সিন দিয়ে শুরু হয় গল্প।
বইটি মনস্তত্ত্বের ওপর বেশি আধারিত। মানসিক বিকৃতি কি পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে তার এত সুন্দর আন্দাজ কিভাবে লেখক এনেছেন আমার বোঝার বাইরে। 🤯🤯
লেখক একদম "কলম না তুলে" লিখে যাওয়া বলতে যা বোঝায় তাই করেছেন। ফলত পড়তে পড়তেও বই থেকে মাথা তোলা যায়নি। মাঝে উঠে কোথাও গেলেও মাথায় চলেছে গল্প কি চলছে সেটা সাজিয়ে নেওয়া। মোদ্দাকথা একদম সেঁটে যাবেন বইএর সাথে। 🤔
সিরিয়াল কিলিং আর পুলিশ আর এক ডাক্তারের তা নিয়ে গোয়েন্দাগিরি। এই গল্পেরই ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে একটা মিষ্টি প্রেমের গল্প। তাও লেখক একদম সাবলীল ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। কোনো নেকামো নেই। আদিখ্যেতা নেই। একদম প্র্যাকটিক্যাল বুদ্ধিমানদের প্রেম। 🧐🧐
মানে লেখক যাতেই হাত দিচ্ছেন একদম প্ল্যাটিনাম। কোন খুঁত ধরতে পারার জো নেই। মগজের ব্যায়াম এবং ফাঁকা সময় কাটানোর ব্রহ্মাস্ত্র এই বই। 🥰🥰
বইএর শুরুতে কিছু বিভৎস ডার্ক সিন দিয়ে শুরু হয় গল্প।
বইটি মনস্তত্ত্বের ওপর বেশি আধারিত। মানসিক বিকৃতি কি পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে তার এত সুন্দর আন্দাজ কিভাবে লেখক এনেছেন আমার বোঝার বাইরে। 🤯🤯
লেখক একদম "কলম না তুলে" লিখে যাওয়া বলতে যা বোঝায় তাই করেছেন। ফলত পড়তে পড়তেও বই থেকে মাথা তোলা যায়নি। মাঝে উঠে কোথাও গেলেও মাথায় চলেছে গল্প কি চলছে সেটা সাজিয়ে নেওয়া। মোদ্দাকথা একদম সেঁটে যাবেন বইএর সাথে। 🤔
সিরিয়াল কিলিং আর পুলিশ আর এক ডাক্তারের তা নিয়ে গোয়েন্দাগিরি। এই গল্পেরই ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে একটা মিষ্টি প্রেমের গল্প। তাও লেখক একদম সাবলীল ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। কোনো নেকামো নেই। আদিখ্যেতা নেই। একদম প্র্যাকটিক্যাল বুদ্ধিমানদের প্রেম। 🧐🧐
মানে লেখক যাতেই হাত দিচ্ছেন একদম প্ল্যাটিনাম। কোন খুঁত ধরতে পারার জো নেই। মগজের ব্যায়াম এবং ফাঁকা সময় কাটানোর ব্রহ্মাস্ত্র এই বই। 🥰🥰
September 15, 2017
যে পথে যেতে হবে সে পথে তুমি একা-
নয়নে আঁধার রবে, ধেয়ানে আলোকরেখা।
শারদীয় আনন্দলোক'১৪২৪ সংখ্যায় পড়লাম। আরেকটি অসাধারন মেডিকেল থ্রিলার।
নয়নে আঁধার রবে, ধেয়ানে আলোকরেখা।
শারদীয় আনন্দলোক'১৪২৪ সংখ্যায় পড়লাম। আরেকটি অসাধারন মেডিকেল থ্রিলার।
November 28, 2021
পাঠ প্রতিক্রিয়া
বই - স্নেহজাল
"অন্ন আলো অন্ন জ্যোতি সর্বধর্মসার
অন্ন আদি অন্ন অন্ত অন্নই ওঁকার ।
সে অন্নে যে বিষ দেয় কিংবা তাকে কাড়ে
ধ্বংস করো, ধ্বংস করো, ধ্বংস করো তারে। "
- লক ডাউনে শেষ করেছি Indranil Sanyal মহাশয়ের লেখা এই অনবদ্য রহস্য উপন্যাসটি।
কাহিনীর প্রাককথন শুরু হয় ভারতবর্ষের রাজধানী দিল্লীতে ১৯৮৮ সালে ।
এরপর প্রথম অধ্যায়ের প্রেক্ষাপট ২০১৮ এর কলকাতা । যেখানে এক অজ্ঞাত আততায়ী একটি স্লিমিং সেন্টারের মালকিনকে তার অফিসের মধ্যে নৃশংসভাবে হত্যা করে । জীবিত অবস্থায় কিচেন নাইফে পেট কেটে তার ক্ষতস্থানে আততায়ী ঢেলে দেয় ফুটন্ত তেল । ভিতরের মাংস তথা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ডিপ ফ্রাই হয়ে মারা যায় ভিক্টিম। এইভাবেই ঘটতে থাকে একের পর এক খুন ।
তদন্তে নামে কলকাতা পুলিশের লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের হোমিসাইডিয়াল অফিসার চিনার মিত্র ।
খুনির মোডাস অপারেন্ডি খুবই ভয়াবহ , তাই খুনির মনস্তত্ত্ব বোঝার জন্য চিনার ডেকে পাঠায় ফরেনসিক সাইকায়াট্রিস্ট মোহর চ্যাটার্জীকে । যিনি আগে দিল্লী পুলিশকে সাহায্য করেছেন ।
কাহিনীর চরিত্রগুলি অসাধারনভাবে নির্মাণ করেছেন লেখক । অতন্ত্য সাবলীল ভাষা , এই উপন্যাসে দেখতে পাই শারীরিক পরিকাঠামো বজায় রাখার জন্য কিংবা ফিল্মের খাতিরে শিল্পীরা নিজেদের কতটা কাঁটা ছেঁড়া করেন । আর সেখানে সুযোগ বুঝে ব্যাবসা ফেঁদে বসে কিছু অসাধু মুষ্টিমেয় , লেখক নিজে একজন চিকিৎসক হয়েও এই বইতেও মেডিকেল লাইনের ভয়াবহ কিছু দিক আবারও তুলেছেন । অনেক গোয়েন্দা কাহিনী পড়লেও ফরেনসিক সাইকায়াট্রিস্ট এর সাথে আমার গোয়েন্দা কাহিনীতে প্রথম পরিচয় এই বইতেই । তারা কিভাবে কাজকর্ম করে সেই বিষয়েও লেখক ভালো বুঝিয়েছেন । ফরেনসিক সার্জন ও ফরেনসিক সাইকায়াট্রিস্ট পুরোই আলাদা । দুজনই চিকিৎসক কিন্তু একজন কাজ করে ভিক্টিমের দেহ নিয়ে , অন্যজন চর্চা করে আততায়ীর মনস্তত্ত্ব নিয়ে ।
হত্যাকারী মরিয়া ,পরপর খুন করে চলেছে শহর জুড়ে, আর এদিকে মহানগরময় সন্দেহভাজনদের পিছনে ধাওয়া করে ছুটোছুটি করে বেরাচ্ছে কলকাতার কিছু থানার অফিসার ও তাদের সাথে মোহর , চিনার ও তার টিম ।
তারা কি পারবে ?? এই হত্যালীলা থামাতে ??? পারবে প্রকৃত অপরাধীকে ধরতে ??
জানতে হলে পড়তে হবে এই অনবদ্য উপন্যাসটি ।
স্নেহজাল শুধু স্নেহের বা অপরাধের কাহিনী নয় , এই কাহিনী দুঃসময়ের ,দুঃসময়ে পাশে থাকা একটি মানুষের (শ্রীনুর), এই কাহিনী এই কলকাতা শহরের , এই কাহিনী দিল্লীর , এই কাহিনী ধ্বংসের ,তার সাথে চোরাস্রোতে বহমান একটা মিষ্টি প্রেমেরও কাহিনী এটি ।
উপন্যাসের শেষ অধ্যায় উত্তরকথনের প্রেক্ষাপট কলকাতা , প্রথম প্রাককথন দিল্লী থেকে শুরু , কলকাতায় অন্ত । কিন্তু উত্তরকথনের শেষ চমকের জন্য আমি একেবারেই প্রস্তুত ছিলাম না । সেই চমকটির জন্যই উপন্যাসের নামটি স্বার্থক হয়েছে । লেখককে কুর্নিশ এইভাবে এত সুন্দর প্লটে একটি রহস্য উপন্যাস উপহার দেবার জন্য ।
স্নেহজাল - ডাঃ ইন্দ্রনীল সান্যাল
ঘরানা - রহস্য উপন্যাস (উপ ঘরানা - মেডিকাল থ্রিলার)
দে'জ পাবলিশিং
বই - স্নেহজাল
"অন্ন আলো অন্ন জ্যোতি সর্বধর্মসার
অন্ন আদি অন্ন অন্ত অন্নই ওঁকার ।
সে অন্নে যে বিষ দেয় কিংবা তাকে কাড়ে
ধ্বংস করো, ধ্বংস করো, ধ্বংস করো তারে। "
- লক ডাউনে শেষ করেছি Indranil Sanyal মহাশয়ের লেখা এই অনবদ্য রহস্য উপন্যাসটি।
কাহিনীর প্রাককথন শুরু হয় ভারতবর্ষের রাজধানী দিল্লীতে ১৯৮৮ সালে ।
এরপর প্রথম অধ্যায়ের প্রেক্ষাপট ২০১৮ এর কলকাতা । যেখানে এক অজ্ঞাত আততায়ী একটি স্লিমিং সেন্টারের মালকিনকে তার অফিসের মধ্যে নৃশংসভাবে হত্যা করে । জীবিত অবস্থায় কিচেন নাইফে পেট কেটে তার ক্ষতস্থানে আততায়ী ঢেলে দেয় ফুটন্ত তেল । ভিতরের মাংস তথা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ডিপ ফ্রাই হয়ে মারা যায় ভিক্টিম। এইভাবেই ঘটতে থাকে একের পর এক খুন ।
তদন্তে নামে কলকাতা পুলিশের লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের হোমিসাইডিয়াল অফিসার চিনার মিত্র ।
খুনির মোডাস অপারেন্ডি খুবই ভয়াবহ , তাই খুনির মনস্তত্ত্ব বোঝার জন্য চিনার ডেকে পাঠায় ফরেনসিক সাইকায়াট্রিস্ট মোহর চ্যাটার্জীকে । যিনি আগে দিল্লী পুলিশকে সাহায্য করেছেন ।
কাহিনীর চরিত্রগুলি অসাধারনভাবে নির্মাণ করেছেন লেখক । অতন্ত্য সাবলীল ভাষা , এই উপন্যাসে দেখতে পাই শারীরিক পরিকাঠামো বজায় রাখার জন্য কিংবা ফিল্মের খাতিরে শিল্পীরা নিজেদের কতটা কাঁটা ছেঁড়া করেন । আর সেখানে সুযোগ বুঝে ব্যাবসা ফেঁদে বসে কিছু অসাধু মুষ্টিমেয় , লেখক নিজে একজন চিকিৎসক হয়েও এই বইতেও মেডিকেল লাইনের ভয়াবহ কিছু দিক আবারও তুলেছেন । অনেক গোয়েন্দা কাহিনী পড়লেও ফরেনসিক সাইকায়াট্রিস্ট এর সাথে আমার গোয়েন্দা কাহিনীতে প্রথম পরিচয় এই বইতেই । তারা কিভাবে কাজকর্ম করে সেই বিষয়েও লেখক ভালো বুঝিয়েছেন । ফরেনসিক সার্জন ও ফরেনসিক সাইকায়াট্রিস্ট পুরোই আলাদা । দুজনই চিকিৎসক কিন্তু একজন কাজ করে ভিক্টিমের দেহ নিয়ে , অন্যজন চর্চা করে আততায়ীর মনস্তত্ত্ব নিয়ে ।
হত্যাকারী মরিয়া ,পরপর খুন করে চলেছে শহর জুড়ে, আর এদিকে মহানগরময় সন্দেহভাজনদের পিছনে ধাওয়া করে ছুটোছুটি করে বেরাচ্ছে কলকাতার কিছু থানার অফিসার ও তাদের সাথে মোহর , চিনার ও তার টিম ।
তারা কি পারবে ?? এই হত্যালীলা থামাতে ??? পারবে প্রকৃত অপরাধীকে ধরতে ??
জানতে হলে পড়তে হবে এই অনবদ্য উপন্যাসটি ।
স্নেহজাল শুধু স্নেহের বা অপরাধের কাহিনী নয় , এই কাহিনী দুঃসময়ের ,দুঃসময়ে পাশে থাকা একটি মানুষের (শ্রীনুর), এই কাহিনী এই কলকাতা শহরের , এই কাহিনী দিল্লীর , এই কাহিনী ধ্বংসের ,তার সাথে চোরাস্রোতে বহমান একটা মিষ্টি প্রেমেরও কাহিনী এটি ।
উপন্যাসের শেষ অধ্যায় উত্তরকথনের প্রেক্ষাপট কলকাতা , প্রথম প্রাককথন দিল্লী থেকে শুরু , কলকাতায় অন্ত । কিন্তু উত্তরকথনের শেষ চমকের জন্য আমি একেবারেই প্রস্তুত ছিলাম না । সেই চমকটির জন্যই উপন্যাসের নামটি স্বার্থক হয়েছে । লেখককে কুর্নিশ এইভাবে এত সুন্দর প্লটে একটি রহস্য উপন্যাস উপহার দেবার জন্য ।
স্নেহজাল - ডাঃ ইন্দ্রনীল সান্যাল
ঘরানা - রহস্য উপন্যাস (উপ ঘরানা - মেডিকাল থ্রিলার)
দে'জ পাবলিশিং
December 14, 2021
An organised serial killing of geriatric population age group (more than 64 year age) started in city. Police officer Krittibas and caregiver Shaluk accidently involved in the investigation and found a clue as these age group people had donated all their property to different charity!
Killers intention was to target rich old single people to find a weakness spot through a hired nurse. Once the weakness explored; hired nurse would connect to that NGO to donate the property. Killer also hired an advocate to handle legal issues to deal with their children. Kind of a perfect plan!
When a mother or father became alone without their child killer took that opportunity of that emotion and loneliness in the light of trust.
A decent love story as well at the last while fighting side by side but doubt whether a medical thriller. The initial two skirmish dark chapters leading as killer would be psycho or mental sick but exuded quite opposite!
Killers intention was to target rich old single people to find a weakness spot through a hired nurse. Once the weakness explored; hired nurse would connect to that NGO to donate the property. Killer also hired an advocate to handle legal issues to deal with their children. Kind of a perfect plan!
When a mother or father became alone without their child killer took that opportunity of that emotion and loneliness in the light of trust.
A decent love story as well at the last while fighting side by side but doubt whether a medical thriller. The initial two skirmish dark chapters leading as killer would be psycho or mental sick but exuded quite opposite!
December 12, 2021
উপন্যাসটি শুরু থেকেই খুব সুন্দর করে গোছানো। প্রাক কথনের পর থেকে যত গল্প এগোবে, “এরপর কী হলো?” মনোভাবটা গল্পের শেষ পাতা অবধি তাড়িয়ে নিয়ে বেরোবে। আমার তো রীতিমতো ভয়-ই করছিল গল্পের নায়িকা ‘শালুক’-কে নিয়ে। লেখক ‘কৃত্তিবাস' আর ‘শালুক' চরিত্র দুটিকে ভীষন বিশ্বাসযোগ্য করে গড়ে তুলেছেন।
সম্পূর্ণ টানটান উত্তেজনা ভরপুর উপন্যাসটি। একবার শুরু করলে না শেষ করা অব্দি ছাড়তে মন চাইবে না, যেটা ফেলুদার ভাষায় বলতে হয়, “আনপুটডাউনেবল”। পারফেক্ট থ্রিলার।
উপন্যাসটির আরেকটি জিনিস আমার নজরে পড়েছে, লেখক খুব সুন্দর করে অপরাধী মন, অপরাধপ্রবণতার স্পষ্ট ছবি তুলে ধরেছেন। সেটা কথাটি না বললেই নয়!
এককথায়, অসাধারণ একটি উপন্যাস।
সম্পূর্ণ টানটান উত্তেজনা ভরপুর উপন্যাসটি। একবার শুরু করলে না শেষ করা অব্দি ছাড়তে মন চাইবে না, যেটা ফেলুদার ভাষায় বলতে হয়, “আনপুটডাউনেবল”। পারফেক্ট থ্রিলার।
উপন্যাসটির আরেকটি জিনিস আমার নজরে পড়েছে, লেখক খুব সুন্দর করে অপরাধী মন, অপরাধপ্রবণতার স্পষ্ট ছবি তুলে ধরেছেন। সেটা কথাটি না বললেই নয়!
এককথায়, অসাধারণ একটি উপন্যাস।
June 26, 2022
শেষ পর্যন্ত কি হতে চলেছে তা বুঝে যাওয়ার পরও আপন বুদ্ধিমত্তা, নিখুঁত বর্ণন, পরিস্থিতির যথাযথ প্রয়োগ, সর্বোপরি সম্পর্কগত বিভ্রান্তির এক সহজ সাধারণ সমাধান এই সবকটি উপাদানের আঁচড়ে যিনি পাঠককে বইয়ের শেষ পৃষ্ঠায় উপনীত হতে বাধ্য করেন তিনি ইন্দ্রনীল সান্যাল। বাংলা সাহিত্যের থ্রিলার ঘরানায় চিকিৎসাবিজ্ঞানের বহু অজানা বিষয় উদঘাটিত হচ্ছে লেখকের বিষয় নির্বাচন ও প্লট নির্মাণের দক্ষতায়। যারা 'ভোরাসিয়াস রিডার' রূপে নিজেদের এলিট সেকশনে রেখেছেন তাদের কাছে এই লেখাগুলো হয়তো পুনরাবৃত্তি বলে মনে হতে পারে। তবুও বলব, মানুষের মনের গহীনে লুকিয়ে থাকা অন্ধকার জগতকে নিয়ে এক টানটান বাস্তবিক গল্প ফাঁদার কৌশল লেখক জানেন। শুধু এটুকুর জন্যই ওঁর সব লেখা পড়ে ফেলা যায়। সব মিলিয়ে চারটি তারা অবশ্য প্রাপ্য।
October 30, 2020
The thriller had that fast pace and required suspense at first, however, as the story progresses the author could not able to maintain that. Especially at the middle, all the mysteries were suddenly halted. The ending was also somewhat predictable (if you read a lot of thrillers - only then).
Apart from the shortcomings, the author used appropriate "medical terms" to build the environment. Though, sometime it felt that he forced some terms on places and explained to show his knowledgebase.
In one word - disappointed.
Apart from the shortcomings, the author used appropriate "medical terms" to build the environment. Though, sometime it felt that he forced some terms on places and explained to show his knowledgebase.
In one word - disappointed.
February 10, 2022
Just osdharon
April 24, 2023
সময়টা নষ্ট জাস্ট ফাউল লেখাটা পড়ে
January 11, 2022
উপন্যাসের নাম - যে পথে যেতে হবে
লেখক - ইন্দ্রনীল সান্যাল
প্রকাশক - আনন্দ পাবলিশার্স
পৃষ্ঠা সংখ্যা - ১৬০
কলকাতা এখন এক বৃহৎ বৃদ্ধাবাস । ভারতবর্ষের ১০০ মিলিয়ন প্রবীণ নাগরিকের ১৫ শতাংশের বাস এই শহরে । এইসব বয়স্ক মানুষদের পকেটে আর আঁচলের খুঁটে অনেক টাকা । প্রবীণ পরিষেবা কেন্দ্র ‘ অশেষ ’ এই বাজার ধরার কাজ শুরু করেছে।বয়স্ক রোগ বিশেষজ্ঞ বা জেরিয়াট্রিশিয়ান হিসেবে অশেষ - এ যোগ দিয়েছে ডাক্তার শালুক চক্রবর্তী । সে হোম ভিজিট শুরু করার পরেই একের পর এক সিনিয়র সিটিজেনের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটতে থাকে । মৃত্যুমিছিলের তদন্তের ভার এসে পড়ে তরুণ পুলিশ অফিসার কৃত্তিবাস মিত্রের উপরে । শালুক আর কৃত্তিবাসের সম্পর্ক গড়ে উঠতে থাকে মৃত্যুর পটভূমিকায়।কী সেই সম্পর্ক ? চিরাচরিত প্রেমের ? না কি ঘাতক ও গোয়েন্দার ? এই মেডিক্যাল থ্রিলারের পরতে পরতে সেই রহস্য - উন্মোচন ।
লেখক - ইন্দ্রনীল সান্যাল
প্রকাশক - আনন্দ পাবলিশার্স
পৃষ্ঠা সংখ্যা - ১৬০
কলকাতা এখন এক বৃহৎ বৃদ্ধাবাস । ভারতবর্ষের ১০০ মিলিয়ন প্রবীণ নাগরিকের ১৫ শতাংশের বাস এই শহরে । এইসব বয়স্ক মানুষদের পকেটে আর আঁচলের খুঁটে অনেক টাকা । প্রবীণ পরিষেবা কেন্দ্র ‘ অশেষ ’ এই বাজার ধরার কাজ শুরু করেছে।বয়স্ক রোগ বিশেষজ্ঞ বা জেরিয়াট্রিশিয়ান হিসেবে অশেষ - এ যোগ দিয়েছে ডাক্তার শালুক চক্রবর্তী । সে হোম ভিজিট শুরু করার পরেই একের পর এক সিনিয়র সিটিজেনের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটতে থাকে । মৃত্যুমিছিলের তদন্তের ভার এসে পড়ে তরুণ পুলিশ অফিসার কৃত্তিবাস মিত্রের উপরে । শালুক আর কৃত্তিবাসের সম্পর্ক গড়ে উঠতে থাকে মৃত্যুর পটভূমিকায়।কী সেই সম্পর্ক ? চিরাচরিত প্রেমের ? না কি ঘাতক ও গোয়েন্দার ? এই মেডিক্যাল থ্রিলারের পরতে পরতে সেই রহস্য - উন্মোচন ।
Displaying 1 - 13 of 13 reviews












