What do you think?


চম্পা হাউজ ও অন্যান্য
মনে আছে সেই বাড়িটির কথা? যে বাড়িতে দিনের বেলাও জমে থাকে রাতের অন্ধকার? ওমা! এত জলদি ভুলে গেলেন? গত মাঘ মাসেই তো আপনি গেলেন সেই বাড়িতে।
জনশূন্য সেই বাড়ির চিলেকোঠায় ঢুকতেই অদ্ভুত এক ঘোরলাগা অনুভূতি সৃষ্টি হলো আপনার। বসে পড়লেন দেয়াল ঘেঁষে। একটা গা-ঘিনঘিনে বমি বমি ভাব হলো। প্রকাণ্ড স্থবিরতা গ্রাস করলো। আপনার মনে হচ্ছিলো- সারা পৃথিবীটা হয় ঘুমাচ্ছে, না হয় মরে গেছে। আপনি আর বসে থাকতে পারছিলেন না। শরীরে জোর ছিলো না। আস্তে করে শুয়ে পড়লেন মেঝেতে। চোখ বন্ধ করলেন।
তারপর কী হলো মনে আছে? গলার কাছে একটু উষ্ণ ছোঁয়া পেলেন আপনি। চোখ মেলে তাকাতেই হৃদপিণ্ড ঠান্ডা হয়ে এল ভয়ে। একটা বিরাট জন্তু ঝুঁকে এসে আপনার গলা চাটছে! আপনি ভয়ে আর নড়তে পারলেন না। চোখের পাতার ফাঁক দিয়ে দেখলেন এক দৈত্যাকার নেকড়ের জ্বল জ্বল করতে থাকা দুটো চোখ। খুলে রাখা মুখের মধ্যে চকচক করছে ধারালো সাদা দাঁত। গরম জান্তব ক্ষুরধার নিঃশ্বাস এসে পড়ছে আপনার উপর...
আচ্ছা, কী হয়েছিলো তারপর? বাকি গল্পটা বলুন না, প্লিজ!
সূচী:
চম্পা হাউজ: প্রারম্ভ
চম্পা হাউজ: দ্বিতীয় পর্ব
চম্পা হাউজ: শেষ পর্ব
ইন্টারভিউ
প্রথম শব্দ
আইসক্রিম
স্পাইডার
পুষ্টিকর নাস্তা
সিনডি
ফাঁদ
অস্বীকার
আপেল
হরর হাউজ
রাক্ষস
ধূর্ত শেয়াল বধ
লাশচোর
সারপ্রাইজ
বাঘমানবী
তুমি কি কেবলই ছবি?
ফেরা
বিভ্রম
মগজ
জনশূন্য সেই বাড়ির চিলেকোঠায় ঢুকতেই অদ্ভুত এক ঘোরলাগা অনুভূতি সৃষ্টি হলো আপনার। বসে পড়লেন দেয়াল ঘেঁষে। একটা গা-ঘিনঘিনে বমি বমি ভাব হলো। প্রকাণ্ড স্থবিরতা গ্রাস করলো। আপনার মনে হচ্ছিলো- সারা পৃথিবীটা হয় ঘুমাচ্ছে, না হয় মরে গেছে। আপনি আর বসে থাকতে পারছিলেন না। শরীরে জোর ছিলো না। আস্তে করে শুয়ে পড়লেন মেঝেতে। চোখ বন্ধ করলেন।
তারপর কী হলো মনে আছে? গলার কাছে একটু উষ্ণ ছোঁয়া পেলেন আপনি। চোখ মেলে তাকাতেই হৃদপিণ্ড ঠান্ডা হয়ে এল ভয়ে। একটা বিরাট জন্তু ঝুঁকে এসে আপনার গলা চাটছে! আপনি ভয়ে আর নড়তে পারলেন না। চোখের পাতার ফাঁক দিয়ে দেখলেন এক দৈত্যাকার নেকড়ের জ্বল জ্বল করতে থাকা দুটো চোখ। খুলে রাখা মুখের মধ্যে চকচক করছে ধারালো সাদা দাঁত। গরম জান্তব ক্ষুরধার নিঃশ্বাস এসে পড়ছে আপনার উপর...
আচ্ছা, কী হয়েছিলো তারপর? বাকি গল্পটা বলুন না, প্লিজ!
সূচী:
চম্পা হাউজ: প্রারম্ভ
চম্পা হাউজ: দ্বিতীয় পর্ব
চম্পা হাউজ: শেষ পর্ব
ইন্টারভিউ
প্রথম শব্দ
আইসক্রিম
স্পাইডার
পুষ্টিকর নাস্তা
সিনডি
ফাঁদ
অস্বীকার
আপেল
হরর হাউজ
রাক্ষস
ধূর্ত শেয়াল বধ
লাশচোর
সারপ্রাইজ
বাঘমানবী
তুমি কি কেবলই ছবি?
ফেরা
বিভ্রম
মগজ
176 pages, Hardcover
Published September 1, 2022
About the author
Nazim Ud Daula
27 books152 followersনাজিম উদ দৌলার জন্ম ১৯৯০ সালের ৪ নভেম্বর নানাবাড়ি কেরানীগঞ্জে। পৈত্রিক নিবাস যশোর জেলায় হলেও বেড়ে উঠেছেন ঢাকার আলো বাতাসের মাঝে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগ থেকে বিবিএ ও এমবিএ শেষ করে বেশ কয়েক বছর বিজ্ঞাপনী সংস্থায় চাকরি করেছেন।বর্তমানে দেশের প্রথম সারির প্রডাকশন হাউজ আলফা আই-এ ক্রিয়েটিভ ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছেন। লেখালেখির চর্চা অনেক দিনের। দীর্ঘসময় ধরে লিখছেন ব্লগ, ফেসবুক সহ বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফর্মে। ২০১২ সালে প্রথম গল্প “কবি” প্রকাশিত হয় কালান্তর সাহিত্য সাময়িকীতে। অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৫-তে প্রকাশিত হয় তার প্রথম থ্রিলার উপন্যাস “ইনকারনেশন”। একই বছর আগস্টে প্রকাশিত হিস্টোরিক্যাল থ্রিলার “ব্লাডস্টোন” তাকে এনে দেয় বিপুল পাঠকপ্রিয়তা। এ পর্যন্ত ৬টি থ্রিলার উপন্যাস ও ৩টি গল্পগ্রন্থ লিখেছেন তিনি। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি চলচ্চিত্রের স্ক্রিপ্ট লেখায় মনোনিবেশ করেছেন। সাম্প্রতিককালে তার চিত্রনাট্যে নির্মিত "সুড়ঙ্গ" সিনেমাটি ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। শান, অপারেশন সুন্দরবন, দামাল, বুকের মধ্যে আগুন, দ্যা সাইলেন্স, লটারি-এর মতো বেশি কিছু আলোচিত সিনেমা ও ওয়েব সিরিজের চিত্রনাট্য লিখেছেন তিনি। অবসর সময় কাটে বইপড়ে, মুভি দেখে আর বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে। সদালাপী, হাসি খুশি আর মিশুক স্বভাবের এই মানুষটি স্বপ্ন দেখেন একটি সুন্দর বাংলাদেশের, যেখানে প্রত্যেকটি এক হয়ে মানুষ দেশ গড়ার কাজে মন দেবে।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 16 of 16 reviews
September 30, 2022
নাজিম সাহেবের বই পড়ে সবসময়ই এক ধরনের শান্তি অনুভব করি। টুইস্টে ভরপুর প্রত্যেকটা গল্পই অবাক করে দেয় প্রত্যেকবার।কিন্তু গল্পগুলো বড্ড ছোট ছিল। যেগুলো বড় সাইজের ওগুলোই বেশি উপভোগ করেছি।
চম্পা হাউজের প্রথম পর্বটা যারা ইউটিউবে দেখেছেন, ২য় পর্বের জন্য আগ্রহ থাকবে তাদের ষোলোআনা। এবং হলফ করে বলতে পারি পরের দুটো পার্টই আপনাকে পূর্ণাঙ্গ তৃপ্তি দিবে। আর এ দিয়ে যদি নাটক তৈরি করা হয়, মাথা নষ্ট একটা ব্যাপার স্যাপার হবে।
চম্পা হাউজের প্রথম পর্বটা যারা ইউটিউবে দেখেছেন, ২য় পর্বের জন্য আগ্রহ থাকবে তাদের ষোলোআনা। এবং হলফ করে বলতে পারি পরের দুটো পার্টই আপনাকে পূর্ণাঙ্গ তৃপ্তি দিবে। আর এ দিয়ে যদি নাটক তৈরি করা হয়, মাথা নষ্ট একটা ব্যাপার স্যাপার হবে।
September 24, 2022
পড়ে ফেললাম চম্পা হাউজ।ভিকি জাহেদের নির্মানে প্রথম পার্ট এর উপর রচিত সেই নাটকটি দেখার পর পরবর্তী পার্টের জন্য আগ্রহ ছিল তুংগে।বলতে হবে হতাশ করে নি চম্পা হাউজের পরবর্তী দুই পার্ট এর গল্পটি আমাকে।শেষের দিকের টুইস্ট টাও ছিল এক কথায় দারুণ।
অন্যান্য গল্প গুলোর মধ্যে যে দুইটি গল্প সবচেয়ে ভাল লেগেছে সেটা হল "তুমি কি কেবলই ছবি?" এবং "সারপ্রাইজ" গল্পটি।অসাধারণ দুইটা গল্প।জাস্ট লাভ ইট। "হরর হাউজ" এবং "ইন্টারভিউ" এই দুইটা গল্পের কথাও স্পেশাল ভাবে বলতে হয়।
বিলো এভারেজ গল্পগুলোর মধ্যে ছিল "ধূর্ত শেয়াল বধ", " বিভ্রম"এবং "সিনডি"।
ওভারঅল খারাপ লাগে নি বইটি।চম্পা হাউজের ৩ পার্ট,ইন্টারভিউ, হরর হাউজ,সারপ্রাইজ,তুমি কি কেবল ই ছবি বেস্ট ৭টা গল্প।
অন্যান্য গল্প গুলোর মধ্যে যে দুইটি গল্প সবচেয়ে ভাল লেগেছে সেটা হল "তুমি কি কেবলই ছবি?" এবং "সারপ্রাইজ" গল্পটি।অসাধারণ দুইটা গল্প।জাস্ট লাভ ইট। "হরর হাউজ" এবং "ইন্টারভিউ" এই দুইটা গল্পের কথাও স্পেশাল ভাবে বলতে হয়।
বিলো এভারেজ গল্পগুলোর মধ্যে ছিল "ধূর্ত শেয়াল বধ", " বিভ্রম"এবং "সিনডি"।
ওভারঅল খারাপ লাগে নি বইটি।চম্পা হাউজের ৩ পার্ট,ইন্টারভিউ, হরর হাউজ,সারপ্রাইজ,তুমি কি কেবল ই ছবি বেস্ট ৭টা গল্প।
September 28, 2022
খুবই জেনেরিক ছোট গল্পের একটি সংকলন। গল্পগুলো প্রায় একই ঘরানার বিধায় কিছুক্ষণ পরেই ধরে ফেলা যাচ্ছিলো।
May 23, 2023
২২টা গল্পের মাঝে মাত্র ৪টা গল্পই ভালো ছিলো। বাকিগুলো মনে হচ্ছিলো নাটকের স্ক্রিপ্ট। যে গল্পের নামে বইটা সেটাই সবচেয়ে বাজে ছিলো।
September 8, 2024
"গা ছমছম, কি হয় কি হয়,
কখনো মজা, কখনোবা ভয়।"
হরর জনরার গল্পগুলোর পরিচিতি কিছুটা এভাবেই দেয়া থাকে।
আমার বইপাঠের ব্যপ্তিতে সবচেয়ে কম যেই জনরা পড়া হয়েছে তা হলো হরর। একটা সময় পর্যন্ত ভয় পাই বলে পড়তাম না, আর এখন ভয় পাইনা বলে পড়ি না। তবে গত বছর 'চম্পা হাউজ' নামের টেলিফিল্ম দেখার পর জেনেছিলাম এই গল্পের নাকি আরো দুটো ভাগ আছে বইতে। টেলিফিল্মটা এতই ভালো লেগেছিল যে বইটা লুফে নেয়ার সুযোগ হাতছাড়া করতে ইচ্ছে হয় নি। বইটা আমার কাছে পৌঁছেছে Books You Must Read এর মাধ্যমে।
এবার আসি বই প্রসঙ্গে। মোট বাইশটা ছোট ছোট ভৌতিক ঘরনার গল্প নিয়ে বইটা সাজানো। গল্পগুলোর প্রতিটাতেই প্রত্যক্ষ ভুতের উপস্থিতি না থাকলেও ভৌতিক একটা আবহ তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। তবে 'পাঠকের মেরুদণ্ড দিয়ে নেমে যাবে ভয়ের একটা শীতল শিহরণ' টাইপের অনুভূতি আসবে না।
গল্পগুলো ব্যক্তিগত ভাবে ভালো লাগেনি। কারণ হিসেবে বলবো সবগুলোই প্রায় কাছাকাছি ধরণের। এরমধ্যে 'ধূর্ত শেয়াল বধ' গল্পটাকে কোনোভাবেই আমার হরর জনরার বলে মনে হয়নি। তবে বইয়ের শেষ গল্প 'মগজ'টা তুলনামূলক ভালো ছিল।
কিছু গল্পে মনে হয়েছে লেখক অসাবধানতাবশত ভুল করেছেন। যেমন- 'চম্পা হাউজ' গল্পের প্রথম পর্বে বলেছেন আমজাদ আলী সালামের উত্তর নেয় নি, যেখানে আমজাদ আলীকে বলা হয়েছিল 'এক্সকিউজ মি'।
'ফেরা' গল্পের দেখা যায় নাহিদ একটা ম্যাগাজিন পড়ছিল। দু'লাইন বাদে সেই ম্যাগাজিন হয়ে গেল ফেসবুক। একই গল্পে নাহিদ-তিথি স্টেশনে বসে থাকাকালীন সময়েই ১০টা বেজে গেছে ঘড়িতে। কিন্তু পরে যখন বাস আসে, তখন বাজে ৯টা ৫৫। কীভাবে?
ব্যক্তিগত রেটিং : ২.৪/৫
কখনো মজা, কখনোবা ভয়।"
হরর জনরার গল্পগুলোর পরিচিতি কিছুটা এভাবেই দেয়া থাকে।
আমার বইপাঠের ব্যপ্তিতে সবচেয়ে কম যেই জনরা পড়া হয়েছে তা হলো হরর। একটা সময় পর্যন্ত ভয় পাই বলে পড়তাম না, আর এখন ভয় পাইনা বলে পড়ি না। তবে গত বছর 'চম্পা হাউজ' নামের টেলিফিল্ম দেখার পর জেনেছিলাম এই গল্পের নাকি আরো দুটো ভাগ আছে বইতে। টেলিফিল্মটা এতই ভালো লেগেছিল যে বইটা লুফে নেয়ার সুযোগ হাতছাড়া করতে ইচ্ছে হয় নি। বইটা আমার কাছে পৌঁছেছে Books You Must Read এর মাধ্যমে।
এবার আসি বই প্রসঙ্গে। মোট বাইশটা ছোট ছোট ভৌতিক ঘরনার গল্প নিয়ে বইটা সাজানো। গল্পগুলোর প্রতিটাতেই প্রত্যক্ষ ভুতের উপস্থিতি না থাকলেও ভৌতিক একটা আবহ তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। তবে 'পাঠকের মেরুদণ্ড দিয়ে নেমে যাবে ভয়ের একটা শীতল শিহরণ' টাইপের অনুভূতি আসবে না।
গল্পগুলো ব্যক্তিগত ভাবে ভালো লাগেনি। কারণ হিসেবে বলবো সবগুলোই প্রায় কাছাকাছি ধরণের। এরমধ্যে 'ধূর্ত শেয়াল বধ' গল্পটাকে কোনোভাবেই আমার হরর জনরার বলে মনে হয়নি। তবে বইয়ের শেষ গল্প 'মগজ'টা তুলনামূলক ভালো ছিল।
কিছু গল্পে মনে হয়েছে লেখক অসাবধানতাবশত ভুল করেছেন। যেমন- 'চম্পা হাউজ' গল্পের প্রথম পর্বে বলেছেন আমজাদ আলী সালামের উত্তর নেয় নি, যেখানে আমজাদ আলীকে বলা হয়েছিল 'এক্সকিউজ মি'।
'ফেরা' গল্পের দেখা যায় নাহিদ একটা ম্যাগাজিন পড়ছিল। দু'লাইন বাদে সেই ম্যাগাজিন হয়ে গেল ফেসবুক। একই গল্পে নাহিদ-তিথি স্টেশনে বসে থাকাকালীন সময়েই ১০টা বেজে গেছে ঘড়িতে। কিন্তু পরে যখন বাস আসে, তখন বাজে ৯টা ৫৫। কীভাবে?
ব্যক্তিগত রেটিং : ২.৪/৫
Read
March 21, 2026ভুত না মরা গল্পগুলা তেমন ভালো লাগে না আমার৷ মানুষ হিসেবে মন খারাপ লাগে।
This entire review has been hidden because of spoilers.
November 28, 2024
শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর
রাত ১:২০।
শেষ করে ফেললাম নাজিম-উদ-দৌলার লিখা বই "চম্পা হাউজ ও অন্যান্য"। বইটা ধরেছিলাম একদম বিনা আশায়। মনের মধ্যে সবসময় এটা ছিলো যে, বইটা ভালো হবে না। অখাদ্য হবে। ব্লা ব্লা ব্লা..
এর পিছনেও অবশ্য কারণ আছে। আমার এক বন্ধু বইটা পড়েছিলো। আর, বলেছিলো, এই বইয়ের বেশ কয়েকটা গল্প সে পড়েছে। তবে, একটাও তার মনের মতো হয়নি। যার ফলে বইটা শত চেষ্টা করেও শেষ করতে পারেনি। তার ভাষ্যমতে, ইহা নিরেট অখাদ্য।
যার ফলে মনের মধ্যে সবসময় এই কথাটা ট্রিগার করছিলো। যাইহোক, বইয়ে আসি এবার। নাজিম সাহেবের বই এর আগে কখনো পড়িনি আমি। এইটাই প্রথম। শুরু করার পরে সত্যি বলতে বেশ আশাহতই হচ্ছিলাম। বিশেষ ভালো লাগছিলো না গল্পগুলা। হ্যাঁ, চম্পা হাউজ ঠিকঠাক ছিলো। তবে, তারপর থেকে বেশ কয়েকটা গল্প এভারেজ লাগছিলো। তাই অনেকদিন ফেলেই রেখেছিলাম বইটা। হয়তো মগজে গেঁথেই গেছিলো যে এই বইয়ে ভালো লাগার মতো আসলেই কিছু নাই। সেজন্য স্পেশাল কিছু মনে হচ্ছিলো না।
তবে, নাজিম সাহেব খেলা দেখালেন শেষের দিকে। শেষের গল্পগুলা পড়ে খুবই যে অবাক হয়েছি তা বলবো না। তবে, হ্যাঁ, ভালো লেগেছে। এইটা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নাই। আমার মতে শেষের গল্পগুলা যদি প্রথমদিকে দিতো, তবে পাঠকদের আরো ভালো লাগতো। ধরে রাখতো পাঠকদের। শেষের গল্পগুলা বেশ গুছানো ছিলো প্লাস প্লটগুলাও ওভারঅল সুন্দর ছিলো।
এই বই থেকে যদি আমার পছন্দের গল্প বাছতে বলা হয়, তবে আমি বাছবো 'মগজ' গল্পটাকে। দারূণ লেগেছে আমার কাছে। একদম খাপে খাপ। আমি কিছুই বলবো না গল্পটা সম্পর্কে। কারণ ছোট গল্পে স্পয়লার দেয়া মোটেও উচিত হবে না। তবে, এতোটুকুই বলবো, যে, নাজিম সাহেব নিজের মুন্সীয়ানা দেখিয়েছেন একদম শেষ গল্পে। এছাড়া, 'ধূর্ত শেয়ালের গল্পটা'-ও বেশ ভালো লেগেছে। একটা স্কুইড গেমের ভাইব ছিলো গল্পটাতে। বাকিগুলাও গড়ে ভালোই ছিলো। হ্যাঁ, এটা ঠিক যে কয়েকটা একদমই গুবলেট ধরনের ছিলো। তবে, বেশিরভাগই পড়া যাবে। একদমই অখাদ্য বলে উড়িয়ে দেয়ার কোনো সুযোগ নাই।
সবমিলিয়ে, আপনি যদি আমার মতো, হরর লাভার হন, তবে পড়ে ফেলেন। মাঝে একটু বিরক্ত লাগলেও শেষের দিকটা যে আপনাকে পুষিয়ে দিবে এটার নিশ্চয়তা আমি আপনাকে দিচ্ছি। এবার কথা শেষ করি। রাত হয়েছে অনেক। শুভরাত্রি!
রাত ১:২০।
শেষ করে ফেললাম নাজিম-উদ-দৌলার লিখা বই "চম্পা হাউজ ও অন্যান্য"। বইটা ধরেছিলাম একদম বিনা আশায়। মনের মধ্যে সবসময় এটা ছিলো যে, বইটা ভালো হবে না। অখাদ্য হবে। ব্লা ব্লা ব্লা..
এর পিছনেও অবশ্য কারণ আছে। আমার এক বন্ধু বইটা পড়েছিলো। আর, বলেছিলো, এই বইয়ের বেশ কয়েকটা গল্প সে পড়েছে। তবে, একটাও তার মনের মতো হয়নি। যার ফলে বইটা শত চেষ্টা করেও শেষ করতে পারেনি। তার ভাষ্যমতে, ইহা নিরেট অখাদ্য।
যার ফলে মনের মধ্যে সবসময় এই কথাটা ট্রিগার করছিলো। যাইহোক, বইয়ে আসি এবার। নাজিম সাহেবের বই এর আগে কখনো পড়িনি আমি। এইটাই প্রথম। শুরু করার পরে সত্যি বলতে বেশ আশাহতই হচ্ছিলাম। বিশেষ ভালো লাগছিলো না গল্পগুলা। হ্যাঁ, চম্পা হাউজ ঠিকঠাক ছিলো। তবে, তারপর থেকে বেশ কয়েকটা গল্প এভারেজ লাগছিলো। তাই অনেকদিন ফেলেই রেখেছিলাম বইটা। হয়তো মগজে গেঁথেই গেছিলো যে এই বইয়ে ভালো লাগার মতো আসলেই কিছু নাই। সেজন্য স্পেশাল কিছু মনে হচ্ছিলো না।
তবে, নাজিম সাহেব খেলা দেখালেন শেষের দিকে। শেষের গল্পগুলা পড়ে খুবই যে অবাক হয়েছি তা বলবো না। তবে, হ্যাঁ, ভালো লেগেছে। এইটা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নাই। আমার মতে শেষের গল্পগুলা যদি প্রথমদিকে দিতো, তবে পাঠকদের আরো ভালো লাগতো। ধরে রাখতো পাঠকদের। শেষের গল্পগুলা বেশ গুছানো ছিলো প্লাস প্লটগুলাও ওভারঅল সুন্দর ছিলো।
এই বই থেকে যদি আমার পছন্দের গল্প বাছতে বলা হয়, তবে আমি বাছবো 'মগজ' গল্পটাকে। দারূণ লেগেছে আমার কাছে। একদম খাপে খাপ। আমি কিছুই বলবো না গল্পটা সম্পর্কে। কারণ ছোট গল্পে স্পয়লার দেয়া মোটেও উচিত হবে না। তবে, এতোটুকুই বলবো, যে, নাজিম সাহেব নিজের মুন্সীয়ানা দেখিয়েছেন একদম শেষ গল্পে। এছাড়া, 'ধূর্ত শেয়ালের গল্পটা'-ও বেশ ভালো লেগেছে। একটা স্কুইড গেমের ভাইব ছিলো গল্পটাতে। বাকিগুলাও গড়ে ভালোই ছিলো। হ্যাঁ, এটা ঠিক যে কয়েকটা একদমই গুবলেট ধরনের ছিলো। তবে, বেশিরভাগই পড়া যাবে। একদমই অখাদ্য বলে উড়িয়ে দেয়ার কোনো সুযোগ নাই।
সবমিলিয়ে, আপনি যদি আমার মতো, হরর লাভার হন, তবে পড়ে ফেলেন। মাঝে একটু বিরক্ত লাগলেও শেষের দিকটা যে আপনাকে পুষিয়ে দিবে এটার নিশ্চয়তা আমি আপনাকে দিচ্ছি। এবার কথা শেষ করি। রাত হয়েছে অনেক। শুভরাত্রি!
September 25, 2022
ভালো লেগেছে, তবে উপন্যাস বা ছোট গল্প হিসেবে না। Short film/ telefilm হলে দারুণ লাগবে।
October 18, 2022
Just amazing! This is my this year’s one of the best reading..
October 15, 2024
মানবমনের হাজারটা অনুভূতির মধ্যে অন্যতম এক অনুভূতি হলো ভয়। ভয় আছে বলেই আমরা রোমাঞ্চ জিনিসটা উপভোগ করতে পারি। আর সেই ভয়কে ঘিরে যদি থাকে “ভৌতিক” কোনোকিছু! তাহলে তো কথাই নেই!
নাজিম উদ দৌলার লেখা “চম্পা হাউজ ও অন্যান্য” হলো একটা ভৌতিক গল্প সংকলন গ্রন্থ।বইটিতে মোট রয়েছে ২০টি গল্প। প্রথম গল্প “চম্পা হাউজ” এরই তিনটে পর্ব রয়েছে। ৩-৪ টা গল্প ছিল একটু বড় আকারের এবং বাকি সবগুলো ছোট ছোট গল্প।
এই বই নিয়ে খুব একটা বেশি লেখার ইচ্ছে করছে না। এমনিতেও গল্পগ্রন্থের রিভিউ লিখে আমি অভ্যস্ত নই। বইটা পড়ার পর রীতিমতো আমি বইটা নিয়ে অনেকের মতামত বের করে পড়েছি এবং বেশিরভাগ পাঠকের কাছেই বইটা ভালো লাগেনি কিংবা আংশিক ভালো লেগেছে। এর কারণগুলো আমিও প্রত্যক্ষ করেছি।
প্রথম কারণ হলো, হরর বই বলে প্রচার করা হলেও বেশীরভাগ গল্পে “ভূত বা ভৌতিক” জিনিসটার উপস্থিতি খুবই কম। কিছু কিছু গল্প পড়লে মনে হবে অন্য জনরার গল্প পড়ছেন। কখনও মনে হবে রোমান্টিক, কখনও মনে হবে সামাজিক, আবার কখনও অন্যকিছু। কিন্তু গল্পের একদম শেষের দিকে, যখন গল্প শেষ হব হব ভাব, তখন একটা টুইস্ট আসে। টুইস্টে সামান্য যে ভৌতিক জিনিসটা আছে, তা মানতে হবে। কিন্তু এই সামান্য ভুতুড়ে ব্যাপার পাঠকের জন্য যথেষ্ট নয়।
দ্বিতীয় কারণ হলো, বেশিরভাগ গল্পই খুব ছোট ছোট। একটা গল্প তো এক পৃষ্ঠাতেই শেষ হয়ে গিয়েছে! বড় যে দুয়েকটা গল্প ছিল সেগুলো ভালো লেগেছে। ছোট গল্পগুলোর আকার দীর্ঘ করা হলে হয়তো ভালো লাগত। অথবা সেসব বাদ দিয়ে বড় গল্পগুলো দিয়েই যদি একটা সংকলন বের করত, তাহলেও খারাপ হত না।
তৃতীয় কারণ হলো, সব গল্পগুলো একই ধাঁচের। প্রত্যেকটা গল্প শেষ করে দেখবেন যে মূল বিষয়টা অন্য কোনো গল্পের সাথে মিলে গেছে। এজন্য পূর্বে থেকেই ধারণা করা যাচ্ছিল যে কী ঘটতে চলেছে।
এছাড়াও কিছু কারণ রয়েছে। যেমন সম্পাদনার কাজটি শতভাগ সম্পূর্ণ হয়নি। অনেক জায়গায় বানান ভুল আছে। এছাড়া তথ্যগত ভুল আছে। যেমন : ফেরা গল্পে একজায়গায় লেখা আছে যে নাহিদ এখন ম্যাগাজিন পড়ছে। কিন্তু পরের প্যারাতেই আবার নাহিদ ফেসবুক স্ক্রল করছে! আবার বাস ছাড়ার কথা নয়টায়, তখন বাজে দশটা কিন্তু বাস এখনও আসেনি। কিছুক্ষণ পর যখন বাস আসে তখন বাজে ৯টা ৫৫! এই বিষয়গুলোতে খেয়াল রাখা উচিত ছিল।
বলে রাখা ভালো যে লেখক প্রথমেই বলেছে, ভৌতিক গল্প মানেই যে সব গল্পে “ভূত, প্রেত বা ভ্যাম্পায়ার” এর উপস্থিতি থাকবে এমনটা নয়। গল্পের শেষে হুটহাট একটা টুইস্ট ঢুকিয়ে সেটাতে ভয় লাগলে, সেটাও ভৌতিক। মানলাম লেখক ঠিক বলছে কিন্তু পাঠক এটা বুঝবে না। কারণ পাঠক “ভৌতিক” শব্দ শুনেছে মানেই সেখানে ভূতূড়ে ব্যাপার স্যাপার থাকতে হবে। গল্পের পারিপার্শ্বিক অবস্থা হতে হবে ভয় লাগানো। তো এই জায়গায় লেখকের কথায় পাঠক স্যাটিসফাইড না। যদিও লেখক নিজের জায়গা থেকে ঠিকই আছেন।
আমার ব্যক্তিগতভাবে বইটা একদম খারাপ লাগেনি। অন্যদের থেকে আমার একটু বেশিই ভালো লেগেছে। কারণ আমি পড়ছি শুধু আনন্দের জন্য। ভৌতিক শব্দটা মাথায় নিয়ে পড়লে হয়তো আমার কাছেও খুব একটা ভালো লাগত না। আরেকটা কারণ হতে পারে, সেটা হলো এই জনরার বই আমি একদমই পড়িনি। তো প্রথমবার এই জনরা পড়েছি বলে হয়তো এক্সপেকটেশন বেশি ছিল না। তাই একরকম ভালোই লেগেছে। আপনারা চাইলে পড়তে পারেন। তবে হ্যা, “হাড় হীম করা ভয়” এর মতো এক্সপেকটেশন থাকলে আপনি পুরোপুরি এই বই এড়িয়ে যাবেন।
ব্যক্তিগত রেটিং : ৩.৫/৫
বই : চম্পা হাউজ ও অন্যান্য
লেখক : নাজিম উদ দৌলা
প্রকাশনী : উৎসাহ
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১৭৪
নাজিম উদ দৌলার লেখা “চম্পা হাউজ ও অন্যান্য” হলো একটা ভৌতিক গল্প সংকলন গ্রন্থ।বইটিতে মোট রয়েছে ২০টি গল্প। প্রথম গল্প “চম্পা হাউজ” এরই তিনটে পর্ব রয়েছে। ৩-৪ টা গল্প ছিল একটু বড় আকারের এবং বাকি সবগুলো ছোট ছোট গল্প।
এই বই নিয়ে খুব একটা বেশি লেখার ইচ্ছে করছে না। এমনিতেও গল্পগ্রন্থের রিভিউ লিখে আমি অভ্যস্ত নই। বইটা পড়ার পর রীতিমতো আমি বইটা নিয়ে অনেকের মতামত বের করে পড়েছি এবং বেশিরভাগ পাঠকের কাছেই বইটা ভালো লাগেনি কিংবা আংশিক ভালো লেগেছে। এর কারণগুলো আমিও প্রত্যক্ষ করেছি।
প্রথম কারণ হলো, হরর বই বলে প্রচার করা হলেও বেশীরভাগ গল্পে “ভূত বা ভৌতিক” জিনিসটার উপস্থিতি খুবই কম। কিছু কিছু গল্প পড়লে মনে হবে অন্য জনরার গল্প পড়ছেন। কখনও মনে হবে রোমান্টিক, কখনও মনে হবে সামাজিক, আবার কখনও অন্যকিছু। কিন্তু গল্পের একদম শেষের দিকে, যখন গল্প শেষ হব হব ভাব, তখন একটা টুইস্ট আসে। টুইস্টে সামান্য যে ভৌতিক জিনিসটা আছে, তা মানতে হবে। কিন্তু এই সামান্য ভুতুড়ে ব্যাপার পাঠকের জন্য যথেষ্ট নয়।
দ্বিতীয় কারণ হলো, বেশিরভাগ গল্পই খুব ছোট ছোট। একটা গল্প তো এক পৃষ্ঠাতেই শেষ হয়ে গিয়েছে! বড় যে দুয়েকটা গল্প ছিল সেগুলো ভালো লেগেছে। ছোট গল্পগুলোর আকার দীর্ঘ করা হলে হয়তো ভালো লাগত। অথবা সেসব বাদ দিয়ে বড় গল্পগুলো দিয়েই যদি একটা সংকলন বের করত, তাহলেও খারাপ হত না।
তৃতীয় কারণ হলো, সব গল্পগুলো একই ধাঁচের। প্রত্যেকটা গল্প শেষ করে দেখবেন যে মূল বিষয়টা অন্য কোনো গল্পের সাথে মিলে গেছে। এজন্য পূর্বে থেকেই ধারণা করা যাচ্ছিল যে কী ঘটতে চলেছে।
এছাড়াও কিছু কারণ রয়েছে। যেমন সম্পাদনার কাজটি শতভাগ সম্পূর্ণ হয়নি। অনেক জায়গায় বানান ভুল আছে। এছাড়া তথ্যগত ভুল আছে। যেমন : ফেরা গল্পে একজায়গায় লেখা আছে যে নাহিদ এখন ম্যাগাজিন পড়ছে। কিন্তু পরের প্যারাতেই আবার নাহিদ ফেসবুক স্ক্রল করছে! আবার বাস ছাড়ার কথা নয়টায়, তখন বাজে দশটা কিন্তু বাস এখনও আসেনি। কিছুক্ষণ পর যখন বাস আসে তখন বাজে ৯টা ৫৫! এই বিষয়গুলোতে খেয়াল রাখা উচিত ছিল।
বলে রাখা ভালো যে লেখক প্রথমেই বলেছে, ভৌতিক গল্প মানেই যে সব গল্পে “ভূত, প্রেত বা ভ্যাম্পায়ার” এর উপস্থিতি থাকবে এমনটা নয়। গল্পের শেষে হুটহাট একটা টুইস্ট ঢুকিয়ে সেটাতে ভয় লাগলে, সেটাও ভৌতিক। মানলাম লেখক ঠিক বলছে কিন্তু পাঠক এটা বুঝবে না। কারণ পাঠক “ভৌতিক” শব্দ শুনেছে মানেই সেখানে ভূতূড়ে ব্যাপার স্যাপার থাকতে হবে। গল্পের পারিপার্শ্বিক অবস্থা হতে হবে ভয় লাগানো। তো এই জায়গায় লেখকের কথায় পাঠক স্যাটিসফাইড না। যদিও লেখক নিজের জায়গা থেকে ঠিকই আছেন।
আমার ব্যক্তিগতভাবে বইটা একদম খারাপ লাগেনি। অন্যদের থেকে আমার একটু বেশিই ভালো লেগেছে। কারণ আমি পড়ছি শুধু আনন্দের জন্য। ভৌতিক শব্দটা মাথায় নিয়ে পড়লে হয়তো আমার কাছেও খুব একটা ভালো লাগত না। আরেকটা কারণ হতে পারে, সেটা হলো এই জনরার বই আমি একদমই পড়িনি। তো প্রথমবার এই জনরা পড়েছি বলে হয়তো এক্সপেকটেশন বেশি ছিল না। তাই একরকম ভালোই লেগেছে। আপনারা চাইলে পড়তে পারেন। তবে হ্যা, “হাড় হীম করা ভয়” এর মতো এক্সপেকটেশন থাকলে আপনি পুরোপুরি এই বই এড়িয়ে যাবেন।
ব্যক্তিগত রেটিং : ৩.৫/৫
বই : চম্পা হাউজ ও অন্যান্য
লেখক : নাজিম উদ দৌলা
প্রকাশনী : উৎসাহ
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১৭৪
December 7, 2022
হরর-থ্রিলার জনরার কম্বিনেশনে এমন বই খুব কম আছে।গল্পসংকলন টা মুটামুটি ভাল লাগলেও প্রকাশনীর কাজ একদম বাজে মনে হইসে।বইয়ের প্রোডাকশন কোয়ালিটি ভাল লাগেনি।
তবে বইয়ের বেশিরভাগ গল্পই মনে ধরেছে।
তবে বইয়ের বেশিরভাগ গল্পই মনে ধরেছে।
June 11, 2024
৪টা গল্প ভালো লেগেছে
*চম্পা হাউজ সিরিজ
*ইন্টারভিউ
*প্রথম শব্দ
*ফেরা
#বাকি গুলো প্রায় সেম সেম!
*চম্পা হাউজ সিরিজ
*ইন্টারভিউ
*প্রথম শব্দ
*ফেরা
#বাকি গুলো প্রায় সেম সেম!
August 16, 2024
কয়েকটা গল্প সুন্দর, বেশিরভাগ গল্পই স্বামী স্ত্রীর সেগুলাই ভালো লাগে নাই তেমন।
November 21, 2024
অধিকাংশ গল্পের কোয়ালিটি up-to-the-mark নয়।
November 28, 2025
দারুণ লেগেছে। হরর গল্পসংকলন অনেকদিন পর পড়ে ভালো লেগেছে। যদিও প্রথমে ভূমিকায় লেখা ২২টা গল্প আছে কিন্তু সূচীপত্রতে দেয়া ১৮টা গল্প। তবে যাই হোক,,এক বসাতে পড়ে ফেলার মত গল্পগুলো দারুণ থ্রিল দিয়েছে।
March 19, 2025
খুবই মিড লেভেল লেখা। এগুলো সচরাচর পাওয়াই যায়। খুবই প্র্ডিক্টাবল। কিছু কিছু জায়গায় বিরক্ত ও লেগেছে। যেমন "হরর হাউজ" বইটাতে মমতা নামের একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে ধর্ষণ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন মূল চরিত্র। ব্যাপারটা যে শুধু বিরক্তিকর তাইনা বরং লজ্জাজনক যে এমন লেখা মানুষ লিখছে এবং ছাপানোও হচ্ছে। আর বেশি কিছু বলবো না। মূল গল্পটা ও এমন কোনো আহামরি কিছু না। পড়ে সময় নষ্ট হয়েছে শুধু।
Displaying 1 - 16 of 16 reviews
















