শাইখ আব্দুল মালিক আল কাসিমের এক বিস্ময়কর সৃষ্টি—“হাল মিন মুশাম্মির’। দ্বীনের পথে এক অনন্য সাধারণ মোটিভেশন। অনবদ্য সব দাওয়াহ-প্রকল্প, কল্যাণের পথে উঠে আসার অভিনব সব আইডিয়া, আখিরাতের পাথেয় সংগ্রহের রকমারি কর্মসূচি আর শাইখের অপূর্ব ভাষাশৈলীর ঝঙ্কার—সব মিলিয়ে পাঠক বন্ধুদের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী এক উপহার।বইটি পড়তে পড়তে শাইখের অপূর্ব ভাষাশৈলী আপনাকে মোহিত করবে। একটি পুলকিত বিস্ময়বোধ তাড়া করে ফিরবে আপনাকে। আপনি অনুভব করবেন কল্যাণের বারিধারায় স্নাত হতে ব্যাকুল হয়ে উঠেছে আপনার হৃদয়। অনেকগুলো কল্যাণ-প্রকল্পের একটি না একটি আপনার ভালো লেগে যাবেই।সাতাশটি অভিযাত্রায় ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য প্রকল্প আপনার চিন্তার নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। একই আদলে নিজের পরিবার, সমাজ, পরিবেশ ও সামর্থ্যরে আলোকে বাস্তবক্ষেত্রে আপনিও খুঁজে পাবেন আরও অনেক প্রকল্প। দ্বীনি দায়িত্ববোধ ও লেখকের উৎসাহ আপনাকে পথ প্রদর্শন করবে নিত্য নতুন কর্মক্ষেত্রের সন্ধানে।
যে সকল দ্বিনী ভাই-বোনদের আলসেমি পেয়ে বসে আছে বা যারা কেবল নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত, কোনো কল্যাণমূলক কাজের ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কেন যেন পাঁ বাড়াতে পারছেন না, বইটি তাদের সকলের জন্য অবশ্যপাঠ্য। বইটিতে অনেক ধরনের বাস্তবমুখী ও কল্যাণমূলক পদক্ষেপের সুন্দর সুন্দর আলোচনা এসেছে। সেখান থেকে আমরা যার যতটুকু সম্ভব অনুসরণ করার চেষ্টা করতে পারি। অন্তত একটা দিয়ে শুরু করতে পারি।
আল্লাহ'র ইচ্ছায় এই একটি পদক্ষেপই আমাদের জন্য মাগফিরাতের কারণ হতে পারে। মুসলমান কোনো সময় বেকার,নিষ্ক্রিয় হয়ে নিজের মূল্যবান সময় নষ্ট করে না। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরামের জীবনী পাঠ করে দেখতে পারেন। বা তারপরেও যেসকল নেককার এসেছেন তাঁদের জীবনীও দেখতে পারেন কোনো ব্যতিক্রম পাবেন না। তারা সর্বদা ছুঁটে চলেছেন নেক আমল, সওয়াব আর আল্লাহর মাগফিরাতের দিকে।
আমার কাছে বইটি অত্যন্ত উপকারী মনে হয়েছে। অসাধারণ একটি বই। শুধু তথ্য বিশ্লেষণের জগৎ থেকে বের করে কার্যত বাস্তব জগতে কিছু করার ও অবদান রাখার ক্ষেত্রে বইটি অনেক উৎসাহ দেবে ও সাথে সাথে সহজ ও সুন্দর অনেক দিকনির্দেশনা দিয়েও সহায়তা করবে ইন শা আল্লাহ!! বইয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আল্লাহ কবুল করুন। বিশেষ করে শায়েখ আব্দুল মালিক আল কাসিম হা.কে। আমীন।
"যে ব্যক্তিই আল্লাহকে রব বলে বিশ্বাস করে, ইসলামকে সত্য দ্বীন হিসেবে মেনে নেয় এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে রাসূল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, নিঃসন্দেহে সে একজন দায়ী; সর্বত্র ও সর্বদা সে দাওয়াতের কর্মী। পরিবার,সমাজ ও জাতির প্রতি যে দাওয়াতের ঋণ, তা অবশ্যই তাকে শোধ করতে হবে।" -আছে কোনো অভিযাত্রী? - পৃষ্ঠা-৩৬
সকল প্রশংসা এই বিশ্বজাহানের একক স্রষ্টা ও প্রতিপালক আল্লাহর!!