What do you think?


শহর ইয়ার
- GenresFiction
184 pages, Hardcover
Published May 1, 2015
About the author
Syed Mujtaba Ali
83 books466 followersSyed Mujtaba Ali (Bengali: সৈয়দ মুজতবা আলী) was a Bengali author, academician, scholar and linguist.
Syed Mujtaba Ali was born in Karimganj district (in present-day Assam, India). In 1919, he was inspired by Rabindranath Tagore and started writing to the poet. In 1921, Mujtaba joined the Indian freedom struggle and left his school in Sylhet. He went to Visva-Bharati University in Santiniketan and graduated in 1926. He was among the first graduates of the university. Later, he moved to Kabul to work in the education department (1927–1929). From 1929 to 1932 he studied at the universities in Berlin, London, Paris and Bonn. He earned Ph.D. degree from University of Bonn with a dissertation on comparative religious studies in Khojas in 1932.
In 1934-1935 he studied at the Al-Azhar University in Cairo. Subsequently, he taught at colleges in Baroda (1936–1944) and Bogra (1949). After a brief stint at Calcutta University (1950), Mujtaba Ali became Secretary of the Indian Council for Cultural Relations and editor of its Arabic journal Thaqafatul Hind. From 1952 to 1956 he worked for All India Radio at New Delhi, Cuttack and Patna. He then joined the faculty of Visva-Bharati University (1956–1964).
Syed Mujtaba Ali was born in Karimganj district (in present-day Assam, India). In 1919, he was inspired by Rabindranath Tagore and started writing to the poet. In 1921, Mujtaba joined the Indian freedom struggle and left his school in Sylhet. He went to Visva-Bharati University in Santiniketan and graduated in 1926. He was among the first graduates of the university. Later, he moved to Kabul to work in the education department (1927–1929). From 1929 to 1932 he studied at the universities in Berlin, London, Paris and Bonn. He earned Ph.D. degree from University of Bonn with a dissertation on comparative religious studies in Khojas in 1932.
In 1934-1935 he studied at the Al-Azhar University in Cairo. Subsequently, he taught at colleges in Baroda (1936–1944) and Bogra (1949). After a brief stint at Calcutta University (1950), Mujtaba Ali became Secretary of the Indian Council for Cultural Relations and editor of its Arabic journal Thaqafatul Hind. From 1952 to 1956 he worked for All India Radio at New Delhi, Cuttack and Patna. He then joined the faculty of Visva-Bharati University (1956–1964).
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 11 of 11 reviews
July 21, 2020
নামঃ শহর-ইয়ার
লেখকঃসৈয়দ মুজতবা আলী
প্রকাশনীঃ বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
পৃষ্ঠাঃ ১৬৮
সৈয়দ মুজতবা আলী একদা যাত্রা করছিলেন ট্রেনে। পথিমধ্যে তার কামরায় এক গুণমুগ্ধ ভক্তের আগমন। অকৃত্রিম উচ্ছাস এর সাথে সেই ভক্ত লেখককে বরণ করে নেন ঐ ট্রেন এর গতিশীল কামরায়, শবনম সম্পর্কে প্রশ্নবাণে জর্জরিত করে ফেলে লেখককে । এই ভক্তটির নাম ই শহর-ইয়ার। রক্ষণশীল মুসলিম পরিবারের গৃহিণী। ক্ষণিকের এই আলাপেই মমতার আাধার এই রমণীটি আপন করে নেয় লেখককে। শহর ইয়ার কে নিয়েই পুরো বইটি। কি এমন অনন্য ব্যক্তিত্ব এই নারীর যে লেখক তাকে নিয়ে একটি বই ই লিখে ফেললেন? বইটি পড়লে নিশ্চয়ই মুগ্ধ হবেন লেখকের রচনাশৈলীর উপর যা একজন সাধারন মুসলিম ঘরণীর চিন্তা চেতনা, পার্সপেক্টিভের সাথে আমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। বাহির থেকে দেখে ততকালীন বাঙালী মুসলমান নারীর মানসিকতার ধারনা নেয়াটা একদমই অনুচিত, তাতে যে কতটা ফাঁক রয়ে যায় তা একদম চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন লেখক। অবশ্য তার স্বভাবসিদ্ধ গূঢ় রম্যরস ও বিদ্রূপের কোনো ভাটা ছিলো না। শহর ইয়ার এর চরিত্র টি একইসাথে সাহিত্য অনুরাগী, আবেগী, রহস্যময়ী এবং অনন্য, যেন লেখকের সাহিত্য হৃদয়ঙ্গম করার উপযোগী ভক্ত, অন্যন্য ভক্তদের উত্তরসূরী।
একটু উদ্বৃতি দিলাম
"কুঠারমালাধারীকে দেখে সমস্ত গাছ যখন কম্পান্বিত তখন বৃদ্ধ একটি গাছ বলল, 'এখনই কিসের ভয়? এখনও আমাদের কোনও গাছ বা বৃক্ষাংশ ওর পিছনে এসে যোগ দেয় নি'। শহর ইয়ার লিখেছে 'বড় হক কথা। কামারের তৈরি কুড়োলের সুদ্দুমাত্র লোহার অংশটুকুন দিয়ে কাঠুরে আর কী করতে পারে, যতক্ষন না কাঠের টুকরো দিয়ে ওই লোহায় ঢুকিয়ে হ্যান্ডিল বানায়। পুরুষজাত ওই লোহা; সাহায্য পেল মেয়েদের সহযোগিতার কাঠের হ্যান্ডিল। তাই দিয়ে যে মেয়েরই একটু 'বাড়' হয় তাকে কাটে, আর যেগুলো নিতান্ত চারাগাছ বা যেসব বছর-বিয়ানীরা গন্ডায় গন্ডায় বাচ্চা বিইয়ে জীবন্মৃত তাদের রেহাই দেয়। এইসব অপকর্মে যুগ যুগ ধরে সাহায্য করেছে মেয়েরাই। শুনেছি, সতীদাহের পূণ্যসঞ্চয় করার জন্য বিধবাকে প্ররোচিত করেছে সমাজাগ্রগণ্যা নারীরাই। "
লেখকঃসৈয়দ মুজতবা আলী
প্রকাশনীঃ বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
পৃষ্ঠাঃ ১৬৮
সৈয়দ মুজতবা আলী একদা যাত্রা করছিলেন ট্রেনে। পথিমধ্যে তার কামরায় এক গুণমুগ্ধ ভক্তের আগমন। অকৃত্রিম উচ্ছাস এর সাথে সেই ভক্ত লেখককে বরণ করে নেন ঐ ট্রেন এর গতিশীল কামরায়, শবনম সম্পর্কে প্রশ্নবাণে জর্জরিত করে ফেলে লেখককে । এই ভক্তটির নাম ই শহর-ইয়ার। রক্ষণশীল মুসলিম পরিবারের গৃহিণী। ক্ষণিকের এই আলাপেই মমতার আাধার এই রমণীটি আপন করে নেয় লেখককে। শহর ইয়ার কে নিয়েই পুরো বইটি। কি এমন অনন্য ব্যক্তিত্ব এই নারীর যে লেখক তাকে নিয়ে একটি বই ই লিখে ফেললেন? বইটি পড়লে নিশ্চয়ই মুগ্ধ হবেন লেখকের রচনাশৈলীর উপর যা একজন সাধারন মুসলিম ঘরণীর চিন্তা চেতনা, পার্সপেক্টিভের সাথে আমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। বাহির থেকে দেখে ততকালীন বাঙালী মুসলমান নারীর মানসিকতার ধারনা নেয়াটা একদমই অনুচিত, তাতে যে কতটা ফাঁক রয়ে যায় তা একদম চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন লেখক। অবশ্য তার স্বভাবসিদ্ধ গূঢ় রম্যরস ও বিদ্রূপের কোনো ভাটা ছিলো না। শহর ইয়ার এর চরিত্র টি একইসাথে সাহিত্য অনুরাগী, আবেগী, রহস্যময়ী এবং অনন্য, যেন লেখকের সাহিত্য হৃদয়ঙ্গম করার উপযোগী ভক্ত, অন্যন্য ভক্তদের উত্তরসূরী।
একটু উদ্বৃতি দিলাম
"কুঠারমালাধারীকে দেখে সমস্ত গাছ যখন কম্পান্বিত তখন বৃদ্ধ একটি গাছ বলল, 'এখনই কিসের ভয়? এখনও আমাদের কোনও গাছ বা বৃক্ষাংশ ওর পিছনে এসে যোগ দেয় নি'। শহর ইয়ার লিখেছে 'বড় হক কথা। কামারের তৈরি কুড়োলের সুদ্দুমাত্র লোহার অংশটুকুন দিয়ে কাঠুরে আর কী করতে পারে, যতক্ষন না কাঠের টুকরো দিয়ে ওই লোহায় ঢুকিয়ে হ্যান্ডিল বানায়। পুরুষজাত ওই লোহা; সাহায্য পেল মেয়েদের সহযোগিতার কাঠের হ্যান্ডিল। তাই দিয়ে যে মেয়েরই একটু 'বাড়' হয় তাকে কাটে, আর যেগুলো নিতান্ত চারাগাছ বা যেসব বছর-বিয়ানীরা গন্ডায় গন্ডায় বাচ্চা বিইয়ে জীবন্মৃত তাদের রেহাই দেয়। এইসব অপকর্মে যুগ যুগ ধরে সাহায্য করেছে মেয়েরাই। শুনেছি, সতীদাহের পূণ্যসঞ্চয় করার জন্য বিধবাকে প্ররোচিত করেছে সমাজাগ্রগণ্যা নারীরাই। "
March 26, 2020
শেহেরজাদকে স্মরণ আছে নিশ্চয়ই। আরব্য রজনীর কেচ্ছার শেহেরজাদ। বাদশাহ শাহরিয়ারকে তুষ্ট করতে কেচ্ছার জাল বুনেছিল শেহেরজাদ। আমাদের শহর ইয়ারকে আপনি-আমি বে-হক শেহেরজাদ কইতে যাব না। কিন্তু মুর্শিদ সৈয়দ মুজতবা তাঁর খাজিস্তা বানুকে ওর্ফ শহর-ইয়ারকে খোদ শেহেরজাদ বলে ডেকেছেন! সেইসব বোলচাল তোলা রইল। শেহেরজাদ কেচ্ছার রানীই নন, শাহরিয়ারের সাথে বাতচিতও করেছিলেন। আমাদের শহর-ইয়ারও মুখ বন্ধ রাখেননি। ধর্ম থেকে ধন-দৌলত সবেতেই প্রাণ খুলে আলাপ জমিয়েছেন সৈয়দ সাহেবের সাথে। ভাবছেন এই শহর-ইয়ার কে? তার সঙ্গে সৈয়দ সাহেবের সম্বন্ধই কীরূপ? কৌতূহলের নিবৃত্তি খোদ সৈয়দ সাহেব করেছেন। শহর-ইয়ারকে নিয়ে তাঁর কলম লিখেছে,
সে আমার বোনের চেয়েও বড়। প্রিয়ার চাইতেও প্রিয়া।
সৈয়দ সাহেব রেলে করে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ এক ভক্তের খপ্পরে পড়ে গেলেন। সখ্যতা গড়ে উঠল। জড়িয়ে পড়লেন ভক্তের ভালো-মন্দের সাথে। এই ভক্তটিই শহর-ইয়ার!
সম্ভবত সৈয়দ সাহেবের কিঞ্চিত অনালোকিত লেখাগুলোর একটি শহর-ইয়ার। ইতোমধ্যে যা লিখেছিলেন তাতে এই উপন্যাস না লিখলেও ক্ষতি-বৃদ্ধি হতো না। হিন্দু-মুসলমান নারী সমাজ নিয়ে তুলনাত্মক আলোচনা আছে। সূফিইজম নিয়ে গভীর তত্ত্বতালাশ এবং জ্ঞানের, পাণ্ডিত্যের অপরাপর শাখায় ভ্রমণে সৈয়দ সাহেবের লেখাই একমেবাদ্বিতীয়ম।
সে আমার বোনের চেয়েও বড়। প্রিয়ার চাইতেও প্রিয়া।
সৈয়দ সাহেব রেলে করে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ এক ভক্তের খপ্পরে পড়ে গেলেন। সখ্যতা গড়ে উঠল। জড়িয়ে পড়লেন ভক্তের ভালো-মন্দের সাথে। এই ভক্তটিই শহর-ইয়ার!
সম্ভবত সৈয়দ সাহেবের কিঞ্চিত অনালোকিত লেখাগুলোর একটি শহর-ইয়ার। ইতোমধ্যে যা লিখেছিলেন তাতে এই উপন্যাস না লিখলেও ক্ষতি-বৃদ্ধি হতো না। হিন্দু-মুসলমান নারী সমাজ নিয়ে তুলনাত্মক আলোচনা আছে। সূফিইজম নিয়ে গভীর তত্ত্বতালাশ এবং জ্ঞানের, পাণ্ডিত্যের অপরাপর শাখায় ভ্রমণে সৈয়দ সাহেবের লেখাই একমেবাদ্বিতীয়ম।
August 18, 2024
শহর ইয়ারের মধ্যে কিছুটা শবনমকে খুঁজে পাওয়া যায়। দুজনেই আত্ম-মর্যাদাশীল, সপ্রতিভ এবং সাহিত্যপ্রেমী। সম্ভবত মুজতবা আলী নারীদের এই রূপে কল্পনা করতেই ভালোবাসতেন। কিন্তু বইয়ে উপমার ফুলঝুরি আর একটু কটমটে ভাষার ব্যবহার কিছুটা বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিলো।
July 4, 2018
সাধারণ একটা বই, কিন্তু "শহর ইয়ার" অসাধারণ.. সাদামাটা কাহিনী, অথচ পড়ার পর মনে দাগ কেটে যায়।
December 29, 2025
আমার একজন পরম উপকারী শত্রু আছেন। শব্নম্ পড়ে যখন হাহাকারে হৃদয় ভেঙ্গে যাচ্ছিলো, তখন সেই শত্রুমশাইকে তা জানিয়েছিলাম। শুনে তিনি শহ্র্-ইয়ার পড়ে ষোলকলা পূর্ণ করতে বললেন। তাই আজ যখন শহ্র্-ইয়ার পড়া শেষ হলো, তখন স্বভাবতই শব্নম্ এর সাথে তার তুলনা চলে আসলো।
শব্নম্ এর মতোই হৃদয় বিদীর্ণ করা দুঃখ পাবার জন্য প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু শহ্র্-ইয়ার আমাকে অতখানি ভাঙ্গতে পারলো না। এমনকি মুজতবা আলী’র ভক্তরা হয়তো আমায় গালই দিয়ে বসবেন, কিন্তু ভনিতা বা ছলচাতুরি না করে সত্যটাই বলছি-শহ্র্-ইয়ার আমার আহামরী ভালো লাগেনি! তবে গালাগালি করার আগে জেনে রাখবেন, স্বয়ং মুজতবা আলী ব্যক্তিগত পছন্দের তালিকায় রবিগুরুর গানের ওপরে কীর্তনকে স্থান দিয়েছেন। অতএব, একজন সাধারণ পাঠক হিসেবে আমার ভালো বা মন্দ লাগার কথা আমি নিশ্চয়ই নির্ভয়ে জানাবার হক রাখি?!
শব্নম্ প্রেমের উপন্যাস। সেদিক থেকে বিচার করতে গেলে শহ্র্-ইয়ার এর বিষয়বস্তু বেশ জটিল। বইটা জুড়ে কাহিনীর চেয়ে তত্ত্বই বেশি মনে হলো। আমি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছিলাম। আর প্রধানত যে বিষয়টার দিকে এখানে মনোযোগ আকর্ষণ করা হয়েছে, সে বিষয়টা আজকের যুগে এ্যাতো কমন আর এ্যাতো চর্চা হচ্ছে তা নিয়ে যে শহ্র্-ইয়ার খুব নতুন বা অভিনব কিছু হয়ে উঠতে পারলো না আমার কাছে। মুজতবা আলী শব্দচয়ন বরাবরই জটিল, কিন্তু এই বইতে তিনি কি সকল মাত্রা ছাড়ালেন? শব্নম্ পড়ার সময় কঠিন শব্দও বাধা হয়ে উঠতে পারেনি, ওর কাহিনী এ্যামনই ইন্দ্রজাল বিছিয়েছিলো যে পড়ার গতি রোধ করা যায়নি। শহ্র্-ইয়ার পড়তে গিয়ে হলাম বিরক্ত, একে তো ভাষাগত দুবোর্ধ্যতা, তায় আবার পদে পদে রেফারেন্স, উপরন্তু গল্পটিও খুব একটা জমাটি নয়। পুরো বইয়ে একমাত্র শেষ পাতাটি আমার বেশ ভালো লাগলো। বাকী সবটুকু মিলে গড়পড়তা।
শব্নম্ শব্নম্-ই। শব্নম্ এর সাথে শহ্র্-ইয়ার এর তুলনা হয় না!
শব্নম্ এর মতোই হৃদয় বিদীর্ণ করা দুঃখ পাবার জন্য প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু শহ্র্-ইয়ার আমাকে অতখানি ভাঙ্গতে পারলো না। এমনকি মুজতবা আলী’র ভক্তরা হয়তো আমায় গালই দিয়ে বসবেন, কিন্তু ভনিতা বা ছলচাতুরি না করে সত্যটাই বলছি-শহ্র্-ইয়ার আমার আহামরী ভালো লাগেনি! তবে গালাগালি করার আগে জেনে রাখবেন, স্বয়ং মুজতবা আলী ব্যক্তিগত পছন্দের তালিকায় রবিগুরুর গানের ওপরে কীর্তনকে স্থান দিয়েছেন। অতএব, একজন সাধারণ পাঠক হিসেবে আমার ভালো বা মন্দ লাগার কথা আমি নিশ্চয়ই নির্ভয়ে জানাবার হক রাখি?!
শব্নম্ প্রেমের উপন্যাস। সেদিক থেকে বিচার করতে গেলে শহ্র্-ইয়ার এর বিষয়বস্তু বেশ জটিল। বইটা জুড়ে কাহিনীর চেয়ে তত্ত্বই বেশি মনে হলো। আমি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছিলাম। আর প্রধানত যে বিষয়টার দিকে এখানে মনোযোগ আকর্ষণ করা হয়েছে, সে বিষয়টা আজকের যুগে এ্যাতো কমন আর এ্যাতো চর্চা হচ্ছে তা নিয়ে যে শহ্র্-ইয়ার খুব নতুন বা অভিনব কিছু হয়ে উঠতে পারলো না আমার কাছে। মুজতবা আলী শব্দচয়ন বরাবরই জটিল, কিন্তু এই বইতে তিনি কি সকল মাত্রা ছাড়ালেন? শব্নম্ পড়ার সময় কঠিন শব্দও বাধা হয়ে উঠতে পারেনি, ওর কাহিনী এ্যামনই ইন্দ্রজাল বিছিয়েছিলো যে পড়ার গতি রোধ করা যায়নি। শহ্র্-ইয়ার পড়তে গিয়ে হলাম বিরক্ত, একে তো ভাষাগত দুবোর্ধ্যতা, তায় আবার পদে পদে রেফারেন্স, উপরন্তু গল্পটিও খুব একটা জমাটি নয়। পুরো বইয়ে একমাত্র শেষ পাতাটি আমার বেশ ভালো লাগলো। বাকী সবটুকু মিলে গড়পড়তা।
শব্নম্ শব্নম্-ই। শব্নম্ এর সাথে শহ্র্-ইয়ার এর তুলনা হয় না!
March 23, 2026
আসলে হয়তো সাড়ে তিন, তবে চার হলেও ক্ষতি নেই। শহর ইয়ার সাহেবার নারীমুক্তি সম্পর্কিত যা যা বক্তব্য সেটি ষাটের দশকে (যখন বইটি লেখা হয়েছে) হয়তো চোখে লাগার মত প্রোগ্রেসিভ এবং চিন্তার খোরাকদায়ী ছিল। কিন্তু দুই হাজার ছাব্বিশে দাঁড়িয়ে একজন পাঠকের ততটা লাগবে না, আমার অন্ততঃ লাগেনি।
উপন্যাসের কাহিনী তেমন জটিল নয় এবং প্রায় পুরোটাই কথোপকথন ভিত্তিক। মুজতবা সাহেব বাংলা ভাষায় smartest এবং wittiest লেখকদের একজন; তাঁর শব্দচয়ন কঠিন হলেও তাঁর লেখা পড়ে আনন্দ পাইনি এমন কখনোই হয়নি।
এই বইয়ের কথোপকথন পড়েও আনন্দ পেয়েছি। তবে মুজতবা সাহেবের অন্যান্য বইয়ের থেকে এটি দুর্বল।
উপন্যাসের কাহিনী তেমন জটিল নয় এবং প্রায় পুরোটাই কথোপকথন ভিত্তিক। মুজতবা সাহেব বাংলা ভাষায় smartest এবং wittiest লেখকদের একজন; তাঁর শব্দচয়ন কঠিন হলেও তাঁর লেখা পড়ে আনন্দ পাইনি এমন কখনোই হয়নি।
এই বইয়ের কথোপকথন পড়েও আনন্দ পেয়েছি। তবে মুজতবা সাহেবের অন্যান্য বইয়ের থেকে এটি দুর্বল।
January 7, 2025
একজন লেখক এবং ভক্তর গভীর আলোচনা,সম্পর্ক, মতবাদ,চিন্তাধারার বহিঃপ্রকাশ। কত সুন্দর একটি বই।
I Do not want to see a descent scene, one step in enough for me.এই লাইনের মর্ম বুঝতে হলে বইটি অবশ্যই পড়তে হবে।
I Do not want to see a descent scene, one step in enough for me.এই লাইনের মর্ম বুঝতে হলে বইটি অবশ্যই পড়তে হবে।
November 29, 2025
সৈয়দ সাহেবের আরেকটি আন্ডাররেটেড ও আন্ডারএপ্রিশিয়েটেড মাস্টারস্ট্রোক। আমার একটাই আক্ষেপ ডাক্তার সাহেব ৪নাম্বারে কী বলতে চেয়েছিলেন তা জানতে পারবো না!
December 30, 2018
এক মেয়ে ভক্তের সাথে লেখকের হঠাৎ পরিচয় এবং তার সাথে হৃদ্যতা গড়ে ওঠা নিয়েই এই উপন্যাস। ভক্তের সাথে বিভিন্ন আলাপে উঠে আসে নানা প্রসঙ্গ, বাংলা কবিতা, তৎকালীন হিন্দু মুসলিম সমাজে নারীদের জীবন, ধর্ম বিষয়ে নানান আলোচনায় পরিপূর্ণ এই উপন্যাস। যেগুলো জ্ঞান গরিমার বিভিন্ন শাখা উপশাখায় চমৎকার এক ভ্রমণ বলা যায়। শিক্ষিত বাঙালি মুসলমান নারীকে ঘিরে এমন উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে আর আছে কীনা আমি জানি না।
মুজতবা আলীর কথা সাহিত্যের তুলনা হয় না।
মুজতবা আলীর কথা সাহিত্যের তুলনা হয় না।
September 15, 2018
আলী সাহেবের এই উপন্যাসটি একটি উত্তম কথাসাহিত্য। একজন ডাক্তার ও তার স্ত্রী 'শহর-ইয়ার' এর সাথে কিভাবে লেখকের সাক্ষাত হয়, এবং হৃদ্যতা বাড়ে তাই নিয়ে একটি সুন্দর ঘটনাক্রম। লেখার কোথাও কিছু ঘটনা, এবং কোথাও প্রাসঙ্গিক আলোচনায় এসে পড়া জ্ঞান গম্যির সাবলীল উপস্থাপন আপনাকে একটি সুন্দর আমেজ দেবে।
May 4, 2019
সৈয়দ মুজতবা আলীর ভ্রমণকাহিনী অসাধারণ। আমি এই বইটি দেখে প্রথমে ভেবেছিলাম এটি নিশ্চয় বিভিন্ন শহর নিয়ে লেখা একটি ভ্রমণকাহিনী হবে। কিন্তু একটু হতাশ হলাম যখন জানলাম এটি তার এক মেয়ে ভক্তের কাহিনী যার নাম শহর ইয়ার। প্রথমাংশে বেশ মজা লেগেছিলো কিন্তু পরে কাহিনী কিছুটা একঘেয়ে লেগেছে।
Displaying 1 - 11 of 11 reviews












