What do you think?


জাদুকরী ভ্রম
ময়ূখ, অরবিন্দ দুই বন্ধু। তাদের বিচিত্র অভিযান আর অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে যুদ্ধংদেহী, মিস্টিক বাংলার আশ্চর্য জগতে নিয়ে যাবে পাঠকদের।
280 pages, Hardcover
Published February 1, 2020
About the author
হামিম কামাল
19 books11 followersহামিম কামালের জন্ম ৯ আগস্ট, ১৯৮৭, ঢাকায়। আহসানুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তড়িৎ প্রকৌশলে স্নাতক। পেশায় তিনি সাংবাদিক।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 9 of 9 reviews
November 18, 2021
"জাদুকরী ভ্রম" উপন্যাস হিসেবে জলবৎ তরলং নয়। পড়তে যেয়ে কয়েকবার থামতে বাধ্য হয়েছি।কিন্তু একবার গল্পের ভেতর ঢুকে যাওয়ার পর অবিরল মুগ্ধতা কাজ করেছে। গল্পটা খুব সহজে শাসক ও শোষিতের চিরাচরিত দ্বন্দ্বের গৎবাঁধা ফাঁদে পড়তে পারতো (যেমনটা আমি আশংকা করেছিলাম), অনেক বেশি নাটকীয়তা গল্পের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করে দিতে পারতো। কিন্তু সুলেখক হামিম কামাল গল্পের পরতে পরতে অনেক বিস্ময় ও ভ্রম লুকিয়ে রেখেছিলেন; যে কারণে চেনা গল্পও অচেনা ও নতুন হয়ে ওঠে।মার্কেজীয় জাদুবাস্তবতাকে পরিহার করে লেখক "প্রাচ্যের মাটিঘেঁষা মিথ" ও নারীশক্তি জাগরণের অসাধারণ মিশেল ঘটিয়ে যে জাদুকরী জগৎ তৈরি করেছেন, সেখানে প্রবেশ করলে পাঠক মুগ্ধ হবে,তার চিন্তাভাবনার পরিধি প্রসারিত হবে। বইটি লেখকের অন্যান্য রচনা সম্পর্কেও পাঠকদের আগ্রহী করে তুলবে।
"জাদুকরী ভ্রম" অনেক পাঠকের কাছে পৌঁছে যাক, এই শুভকামনা রইলো।
(১৯ নভেম্বর, ২০২১)
"জাদুকরী ভ্রম" অনেক পাঠকের কাছে পৌঁছে যাক, এই শুভকামনা রইলো।
(১৯ নভেম্বর, ২০২১)
May 6, 2021
জাদুকরী ভ্রম

কিছু কিছু লেখা পড়ার সময় পারিপার্শ্বিকতা থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলাটা জরুরি হয়ে পড়ে। এটি সেরকমই এক উপন্যাস। কিছুটা দর্শন, কিছুটা মিথ আর একটুখানি বিষণ্ণতাকে সঙ্গী করে লেখক বলে যান মহানিয়মের এক গল্প, জাদুকরী ভ্রম থেকে নিয়ে যান আশ্চর্য এক জাদুকরী ভ্রমণে; আর অনেকখানি মুগ্ধতা নিয়ে আমিও লেখার সাথে একপ্রকার সন্ধিস্থাপন করে এমন বুঁদ হয়ে পড়তে থাকি যে কখন দুশো আশি পৃষ্ঠা শেষ হয়ে যায় টেরও পাই না।
এ বছর যে ক'জন চমৎকার লেখকের সন্ধান পেলাম, হামিম কামাল তাঁদের মধ্যে অন্যতম হয়ে রইলেন। তাঁর আরো দু'খানা বই সংগ্রহে আছে, দ্রুত পাঠের ইচ্ছা রাখি।
আপাতত পাঁচে সাড়ে চার।

আবহ ঈশ্বরী, আর উপকরণগুলো তার পূজারি। উপকরণরা প্রায়ই নিজেদের মধ্যে আলাপ করে। বলে-
আবহ যার আহ্বানে সাড়া দেন, সময়ে তার জন্য উত্তম আবহ তৈরি করেন। তবে সেই উত্তমের ভার অনেক মানুষ কাঁধে নিতে পারে না।
তখন ওরা কী করে?
তখন ওরা বোঝা মনে করে আবহকে দুষতে থাকে।
আবহ তখন কী করে?
বিষণ্ণ হয়, আর মহানিয়মকে ডাকে।
মহানিয়ম তখন কী করে?
মহানিয়ম বলে- যা দিয়ে তুমি আবহ তৈরি, তা দিয়েই তৈরি আমি মহানিয়ম। কিন্তু তোমার আমার পার্থক্য হলো আমি নির্লিপ্ত, তুমি বিচলিত... আবহ তখন জানা কথাটাই জেনে শান্ত হয়।
কিছু কিছু লেখা পড়ার সময় পারিপার্শ্বিকতা থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলাটা জরুরি হয়ে পড়ে। এটি সেরকমই এক উপন্যাস। কিছুটা দর্শন, কিছুটা মিথ আর একটুখানি বিষণ্ণতাকে সঙ্গী করে লেখক বলে যান মহানিয়মের এক গল্প, জাদুকরী ভ্রম থেকে নিয়ে যান আশ্চর্য এক জাদুকরী ভ্রমণে; আর অনেকখানি মুগ্ধতা নিয়ে আমিও লেখার সাথে একপ্রকার সন্ধিস্থাপন করে এমন বুঁদ হয়ে পড়তে থাকি যে কখন দুশো আশি পৃষ্ঠা শেষ হয়ে যায় টেরও পাই না।
এ বছর যে ক'জন চমৎকার লেখকের সন্ধান পেলাম, হামিম কামাল তাঁদের মধ্যে অন্যতম হয়ে রইলেন। তাঁর আরো দু'খানা বই সংগ্রহে আছে, দ্রুত পাঠের ইচ্ছা রাখি।
আপাতত পাঁচে সাড়ে চার।
August 5, 2023
'জাদুকরী ভ্রম' সত্যি সত্যি জাদুর পরশ বুলিয়ে দিয়ে যায় প্রতি পাতায় পাতায়। যেখানে গ্রামীণ লোককথা, জাদু পরাবাস্তবতা আর গল্প সব মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছে। গল্প থেকে গল্পান্তরে ছুটে বেড়িয়েছেন লেখক। মাঝে মাঝে এনে দিয়েছে একটা সংশয়, যে সংশয়ের বসে মাঝে মাঝে মনে হয়েছে এই উপন্যাসের সমাপ্তি কী তৃপ্তির হবে? নাকি রয়ে যাবে 'শেষ হইয়াও হইল না শেষ' এর মতো অতৃপ্তি। এই তাড়না শেষার্ধে বেশি তাড়ালেও, সুন্দর একটা সমাপ্তি আসে। ঢেকে দিয়ে যায় একটা পরম আবেশে, যার রেশ পড়ার পরেও পাঠককে মুড়ে দেয় গভীর স্নিগ্ধ এক অনুভূতিতে।
চারপাশে ভ্রমের যে জগৎ তৈরি করে তুলেছেন লেখক সেই ভ্রমের ভিতর দিয়ে পাঠককেও চলে যেতে হয় অন্য রাজ্যে। সবকিছু অলীক, কিন্তু কতদিনের চেনা! অরিন্দম ও ময়ূখ গল্পের সারথি হলেও তাদের হাত ধরে গল্পেরা ডালপালা মেলে ছড়িয়ে গিয়েছে আরো গভীরে। যেখানে গল্পের ভেতর প্রোথিত হয়েছে গল্পের শিখড়। জাদু পরাবাস্তবতার ছোঁয়ায় লেখা হয়ে ওঠেছে আরো অনিন্দ্য। লেখক গল্পের পাঠককে বিমর্ষতায় মোড়াতে দেন না একটুও। বরং পড়তে পড়তে অন্য ধরনের ভালো লাগা কাজ করে। চারপাশকে ঘিরে যে জগৎ তার ভিতরে দৃষ্টি দিয়ে অন্য এক জগতের কথা বলে যান লেখক। আমাদেরই সমান্তরালে সেই জগৎ, তবুও আমাদের কাছে অচেনা ঠেকে। এই ভ্রম, এই মায়া সবই জাদুকরী ভ্রমের অংশ। পাঠকের মগজে কল্পনায় তৈরি করে দেন নলদমন্তী, পিয়াই কিংবা রুপোসনগর…
চারপাশে ভ্রমের যে জগৎ তৈরি করে তুলেছেন লেখক সেই ভ্রমের ভিতর দিয়ে পাঠককেও চলে যেতে হয় অন্য রাজ্যে। সবকিছু অলীক, কিন্তু কতদিনের চেনা! অরিন্দম ও ময়ূখ গল্পের সারথি হলেও তাদের হাত ধরে গল্পেরা ডালপালা মেলে ছড়িয়ে গিয়েছে আরো গভীরে। যেখানে গল্পের ভেতর প্রোথিত হয়েছে গল্পের শিখড়। জাদু পরাবাস্তবতার ছোঁয়ায় লেখা হয়ে ওঠেছে আরো অনিন্দ্য। লেখক গল্পের পাঠককে বিমর্ষতায় মোড়াতে দেন না একটুও। বরং পড়তে পড়তে অন্য ধরনের ভালো লাগা কাজ করে। চারপাশকে ঘিরে যে জগৎ তার ভিতরে দৃষ্টি দিয়ে অন্য এক জগতের কথা বলে যান লেখক। আমাদেরই সমান্তরালে সেই জগৎ, তবুও আমাদের কাছে অচেনা ঠেকে। এই ভ্রম, এই মায়া সবই জাদুকরী ভ্রমের অংশ। পাঠকের মগজে কল্পনায় তৈরি করে দেন নলদমন্তী, পিয়াই কিংবা রুপোসনগর…
June 7, 2022
৪.৫/৫
হামিম কামালের 'জাদুকরী ভ্রম' পাঠের অনুভূতি আক্ষরিক অর্থেই জাদুকরী ছিলো। উনার ভাষাশৈলী বিশেষ প্রশংসার দাবীদার। আমাদের নিজস্ব ম্যাজিক-রিয়েলিস্টিক বাস্তবতায় গল্পটি(গল্পগুলো?) ছিলো সবমিলিয়ে এক মিস্টিক জার্নি। নদী এই বইয়ে বিশেষ অনুষঙ্গ হিসেবে ছিলো।পাঠের শুরু থেকে মাঝখানে যাওয়ার পর ভেবেছিলাম গল্পের আবিষ্টতা হয়তো শেষে খেই হারিয়ে ফেলবে। কিন্তু হিমালয়ের জলধারা ভূমির নানা বাক পেরিয়ে একসময় যেমন সমুদ্রে মেশে তেমনি উপন্যাসের শেষটাতে ও তেমন কিছু হওয়াতে বিশেষ আনন্দ পেয়েছি। জাদুকরী ভ্রমে ভ্রমণ ছিলো মুগ্ধকর এবং অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা।
হামিম কামালের 'জাদুকরী ভ্রম' পাঠের অনুভূতি আক্ষরিক অর্থেই জাদুকরী ছিলো। উনার ভাষাশৈলী বিশেষ প্রশংসার দাবীদার। আমাদের নিজস্ব ম্যাজিক-রিয়েলিস্টিক বাস্তবতায় গল্পটি(গল্পগুলো?) ছিলো সবমিলিয়ে এক মিস্টিক জার্নি। নদী এই বইয়ে বিশেষ অনুষঙ্গ হিসেবে ছিলো।পাঠের শুরু থেকে মাঝখানে যাওয়ার পর ভেবেছিলাম গল্পের আবিষ্টতা হয়তো শেষে খেই হারিয়ে ফেলবে। কিন্তু হিমালয়ের জলধারা ভূমির নানা বাক পেরিয়ে একসময় যেমন সমুদ্রে মেশে তেমনি উপন্যাসের শেষটাতে ও তেমন কিছু হওয়াতে বিশেষ আনন্দ পেয়েছি। জাদুকরী ভ্রমে ভ্রমণ ছিলো মুগ্ধকর এবং অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা।
November 5, 2024
" জাদুকরী ভ্রম " পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল কৃষক বিদ্রোহ নিয়ে লেখা। খুশি মনেই পড়ছিলাম,কারণ " তেভাগা আন্দোলন আর ইলা মিত্র " নিয়ে জানার জন্য বই খুঁজে চলেছি অনেকদিন। অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে পাওয়া এই বই আমার সে চাহিদা মেটাচ্ছে, খুশি হওয়ার ই কথা। চেনা পথ,জানা ঘটনা। পথ চলতে ভালোই লাগছিলো। হঠাৎ মোচড়! গল্প ঘুরে গেল চেনা গলি ছেড়ে। চলে লাগলো সম্পূর্ণ অন্য এক পথে। ভিন্ন ধারায়। এবং এখানেই ❝ জাদুকরী ভ্রম ❞ অন্য উপন্যাস থেকে নিজেকে আলাদা করেছে,পরিচয় দিয়েছে নিজের অনন্য উচ্চতার।
সমসাময়িক লেখকদের লেখা খুব কম পড়া হয়। বেশ কয়েকদিন ধরে হামিম কামালের লেখা পড়তে খুব ইচ্ছে জাগছিলো। এমন কাকতাল,বইটাও খুঁজতে না খুঁজতে পেয়ে গেলাম। মণিকাঞ্চন যোগ যখন হলো,তবে আর দেরি কেন! সাথে সাথে পড়া শুরু।
হামিম কামালের লেখনী অপূর্ব। শব্দ প্রয়োগ দেখার মত। পড়তে এত আরাম লাগে। এমন মোলায়েম শব্দে গাথা অপূর্ব আখ্যান বহুদিন পর পড়লাম। "জাদুকরী ভ্রম" আমাকে নিয়ে গেল অদ্ভুত এক ভ্রমের জগতে,যেখানে ন্যায় প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম-ই শেষ কথা...
সমসাময়িক লেখকদের লেখা খুব কম পড়া হয়। বেশ কয়েকদিন ধরে হামিম কামালের লেখা পড়তে খুব ইচ্ছে জাগছিলো। এমন কাকতাল,বইটাও খুঁজতে না খুঁজতে পেয়ে গেলাম। মণিকাঞ্চন যোগ যখন হলো,তবে আর দেরি কেন! সাথে সাথে পড়া শুরু।
হামিম কামালের লেখনী অপূর্ব। শব্দ প্রয়োগ দেখার মত। পড়তে এত আরাম লাগে। এমন মোলায়েম শব্দে গাথা অপূর্ব আখ্যান বহুদিন পর পড়লাম। "জাদুকরী ভ্রম" আমাকে নিয়ে গেল অদ্ভুত এক ভ্রমের জগতে,যেখানে ন্যায় প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম-ই শেষ কথা...
September 14, 2020
কিছু কিছু লেখা পড়তে উপযুক্ত নির্জনতা খুঁজে নিতে হয়। এই নির্জনতা স্রেফ শব্দহীন একাকীত্ব নয়। চিত্তবিক্ষেপহীনতা কিংবা তেমন কিছুর কথা বলছি। আরো ভালো করে বলতে গেলেঃ বাস্তবতা বলে যেটাকে ভাবি আর যা চাই জীবনে নেমে আসুক - তাদের স্বরের অনৈক্য থেকে জন্ম নেওয়া ক্যাকোফোনি থেকে মুক্তি। আবার কিছু কিছু লেখা পড়তে গিয়ে হঠাৎ যেন সেই মুক্তি নিজে এসে ধরা দেয়। পাঠক হিসেবে চমকে উঠি, চমৎকৃত হই। যেমন এক্ষেত্রে জাদুকরী ভ্রম একরকম জাদুকরী ভ্রমণ হয়ে ওঠে।
বস্তুজগতে নানাবিধ ঠোকাঠুকির ফলে মানুষের ইতিহাস তৈরি হয়। সেই ইতিহাসকে দেখতে মমতা নিয়ে তাকালে বুঝি চোখে পড়ে কিংবা বোধে আসি আসি করে গুপ্ত সব মহানিয়ম। হামিম কামালের উপন্যাসে ঘটনা পরম্পরা কিংবা গল্প যেন শুধু সেই মহানিয়মের ইশারা ইঙ্গিত প্রকাশের নিমিত্ত হয়ে ওঠে। মনে হয় ভ্রমটাই কি শুধু সত্যি নয়? কিংবা প্রবল বস্তুবাদী মানুষ হিসেবে যা কিছু সত্যি বলে জানি সেসকলই কি মায়া নয়? জগতটা বর্ণনার অতীত বিস্ময়ের হয়ে ওঠে এই ভাবনায়!
ওদিকে গল্প আর দর্শনের ডামাডোলের মধ্যে যেতে যেতে স্নিগ্ধ ভাষার গুণে যে মানুষগুলোর কথা বলা হয় তাদের জন্য মনে জন্ম নেয় ভালোবাসা। একারণেই হয়ত শেষের আগে খানিকটা এন্টি ক্লাইম্যাক্স এসে হতাশ করে। তবু পাঁচে সাড়ে চার।
বস্তুজগতে নানাবিধ ঠোকাঠুকির ফলে মানুষের ইতিহাস তৈরি হয়। সেই ইতিহাসকে দেখতে মমতা নিয়ে তাকালে বুঝি চোখে পড়ে কিংবা বোধে আসি আসি করে গুপ্ত সব মহানিয়ম। হামিম কামালের উপন্যাসে ঘটনা পরম্পরা কিংবা গল্প যেন শুধু সেই মহানিয়মের ইশারা ইঙ্গিত প্রকাশের নিমিত্ত হয়ে ওঠে। মনে হয় ভ্রমটাই কি শুধু সত্যি নয়? কিংবা প্রবল বস্তুবাদী মানুষ হিসেবে যা কিছু সত্যি বলে জানি সেসকলই কি মায়া নয়? জগতটা বর্ণনার অতীত বিস্ময়ের হয়ে ওঠে এই ভাবনায়!
ওদিকে গল্প আর দর্শনের ডামাডোলের মধ্যে যেতে যেতে স্নিগ্ধ ভাষার গুণে যে মানুষগুলোর কথা বলা হয় তাদের জন্য মনে জন্ম নেয় ভালোবাসা। একারণেই হয়ত শেষের আগে খানিকটা এন্টি ক্লাইম্যাক্স এসে হতাশ করে। তবু পাঁচে সাড়ে চার।
May 12, 2020
উপন্যাস। এক টানে পড়ে ফেলা গেলো।
একটা অচেনা অথচ চেনা জগতের, আমাদের বিস্মৃতির মধ্যে প্রতিনিয়ত আছে যে জগত তার দেখা দিয়ে যান লেখক। সময়কাল, সেটাও নাকি সরল রৈখিক নয়, হকিং বলেছেন, হামিম কামাল সেটাকে অমান্য করেন নি।
প্রত্যেকটি পাথর নাকি হাজার বা লক্ষ বছরের পুরোনো। প্রতিটি ইট, বন পুড়িয়ে, প্রতিটি মানুষ, তার জন্ম আরো আরো জন্ম মৃত্যুর পর।
অথচ মানুষ বিমূর্ত সব গোষ্ঠী প্রতিষ্ঠান বানিয়ে সেগুলি নিয়ে খেলা করছে, খেলতে খেলতে ভুলে গেছে খেলারকথা।
এই যে কথা গুলি লিখছি, এগুলিই পাঠ প্রতিক্রিয়া। আরো আরো লেখা যেত। সেগুলি আমার সীমাবদ্ধতা।
একটা অচেনা অথচ চেনা জগতের, আমাদের বিস্মৃতির মধ্যে প্রতিনিয়ত আছে যে জগত তার দেখা দিয়ে যান লেখক। সময়কাল, সেটাও নাকি সরল রৈখিক নয়, হকিং বলেছেন, হামিম কামাল সেটাকে অমান্য করেন নি।
প্রত্যেকটি পাথর নাকি হাজার বা লক্ষ বছরের পুরোনো। প্রতিটি ইট, বন পুড়িয়ে, প্রতিটি মানুষ, তার জন্ম আরো আরো জন্ম মৃত্যুর পর।
অথচ মানুষ বিমূর্ত সব গোষ্ঠী প্রতিষ্ঠান বানিয়ে সেগুলি নিয়ে খেলা করছে, খেলতে খেলতে ভুলে গেছে খেলারকথা।
এই যে কথা গুলি লিখছি, এগুলিই পাঠ প্রতিক্রিয়া। আরো আরো লেখা যেত। সেগুলি আমার সীমাবদ্ধতা।
September 12, 2020
গল্পটা মহানিয়মের। পরিবর্তনই মহানিয়ম, মহানিয়মই ঈশ্বর। মহানিয়মের এই দুটো নীতি- চক্র এবং ভারসাম্য। তাই মানুষের মনে সৌভাগ্য, দুর্ভাগ্য, শাস্তি, প্রায়শ্চিত্ত এ সমস্ত ভ্রম জন্ম দিয়ে থাকে যেন একটা সময় পর একটা চক্র সম্পন্ন হয়ে প্রকৃতি তার ভারসাম্য বজায় রাখে। এর মাঝেই মানুষের সুবোধ-অবোধের দ্বন্দ্ব।
এই মহানিয়মের গল্পটা ময়ূখ ও অরবিন্দের। যাদের গল্পে জড়িয়ে আছে কোনো এক হাতিশুঁড় জেলার নলদমন্তী গ্রামের। সেই গ্রামের আদিম ত্রিভুজ গল্পগুলো মিলেছে নদীর মতো এঁকেবেঁকে। শাখা প্রশাখাগুলো মতো গল্পগুলো মিলে এক মহানিয়মের চক্র সম্পন্ন করেছে। বিংশ শতকের গ্রাম-বাংলার মাটিঘেঁষা মানুষ নিয়ে একটা আবহে কাহের সৌদ থেকে মজনুনের গল্প-উপগল্পে খানিক পরপর দর্শন; দর্শন থেকে ছায়া; ছায়া থেকে মৃত্যু; মৃত্যু থেকে ভ্রমে নিয়ে যাবে। আপনি কোন ভ্রম দেখবেন কোন ভ্রম গ্রহণ করবেন তা আপনার উপর অর্পিত হলো।
৪.৫/৫
এই মহানিয়মের গল্পটা ময়ূখ ও অরবিন্দের। যাদের গল্পে জড়িয়ে আছে কোনো এক হাতিশুঁড় জেলার নলদমন্তী গ্রামের। সেই গ্রামের আদিম ত্রিভুজ গল্পগুলো মিলেছে নদীর মতো এঁকেবেঁকে। শাখা প্রশাখাগুলো মতো গল্পগুলো মিলে এক মহানিয়মের চক্র সম্পন্ন করেছে। বিংশ শতকের গ্রাম-বাংলার মাটিঘেঁষা মানুষ নিয়ে একটা আবহে কাহের সৌদ থেকে মজনুনের গল্প-উপগল্পে খানিক পরপর দর্শন; দর্শন থেকে ছায়া; ছায়া থেকে মৃত্যু; মৃত্যু থেকে ভ্রমে নিয়ে যাবে। আপনি কোন ভ্রম দেখবেন কোন ভ্রম গ্রহণ করবেন তা আপনার উপর অর্পিত হলো।
৪.৫/৫
March 29, 2023
নামের সঙ্গে বইয়ের খুব সুন্দর মিল আছে। ভ্রমের মধ্য দিয়ে গল্প আগায় আর ভ্রমের মধ্যে দিয়েই শেষ হয়। কিন্তু সেই ভ্রমের মধ্যে আছে ইতিহাসের একটা পর্ব। একটা ইভেন্ট ধরে লেখক গল্পটা লিখেছেন কিন্তু সেখানে ছড়িয়েছেন জাদু কিংবা জাদুবাস্তবতার ছোঁয়া।
হামিম কামালের গস্য দারুণ। এই ধরনের একটা গল্পের জন্য পারফেক্ট। তার মধ্যে যেভাবে তিনি কৃষক, তেভাগা, জোতদারের অত্যাচারের গল্পটা এনেছেন, সেটা এককথায় দারুণ। কিছু জায়গায় কনটেক্সট থেকে বের হয়ে যেতে হয়। তা ছাড়া গল্প আর লেখা টেনে নিয়ে যায়।
হামিম কামালের গস্য দারুণ। এই ধরনের একটা গল্পের জন্য পারফেক্ট। তার মধ্যে যেভাবে তিনি কৃষক, তেভাগা, জোতদারের অত্যাচারের গল্পটা এনেছেন, সেটা এককথায় দারুণ। কিছু জায়গায় কনটেক্সট থেকে বের হয়ে যেতে হয়। তা ছাড়া গল্প আর লেখা টেনে নিয়ে যায়।
Displaying 1 - 9 of 9 reviews










