Mandakranta Sen Born on 15 September 1972 in Tollygunge, Kolkata, she studied Medicine in Nilratan Sirkar Medical College during 1991-1997, but quit amidst the final MBBS Examinations. Having begun writing at an early age, she has left her mark in all genres - poetry, novel, short story, verse, drama, articles and essays. Her published works are: Hriday Abadhya Meye (1999), Balo Anya Bhabe (2000), Chhadma Puran, Utsarito Alo (2001), Esabe-I Rater Chinha, kashbhara Bandhutara (2002), Barshaphalake Gantha Har, Kavya Sangraha (2004 all poetry including one verse drama), Jhanpatal (2000), Dalchhut (2002), Sahabasthan (2003), Rituchakra, Andhakar Samudrer Niche (2004 all novels) and Galper Boi (2001, a collection of short stories). Andhi Chhalang has been translated and published in Hindi. She also translates poetry from English and Hindi. Her works have been translated into English and Hindi. She is winner of the prestigious Ananda Puraskar (1999), Akash Bangla Barsha Samman (2002) and Krittibas Puraskar (2003).
The angst of a woman is the most dominant theme of the poetry of Mandakranta Sen. Her poems are quite frank in tone and tenor and the reader can very well decipher the anger that inevitably seeps in at the poet's realization of and identification with historically marginalized gender. The opening lines of her poem 'Offering', underline this characteristic of her poetry quite effectively: Not even a grain of salt, you only have your wish/ Cook with your tears, girl, tear is also saltish/ Make a full course of menu, a full course of suffering/Sour dream, sweet envy, oh please don't miss a thing! For Sen, the continuing marginalization of women in one form or the other in the onsumerist society is a concern that permeates her poetry.
আহা কি চমৎকার উপন্যাস। সত্যিই আজ মনটা ভরে গেল। সার্থক আমার বাংলায় জন্ম। গোটা উপন্যাসে যেন একজন চরিত্র হয়েই প্রত্যেক চরিত্রের পাশে পাশে দিন কয়েক কাটালাম, তাদের মনন বুঝতে পারলাম, তাদের অনুধাবন করলাম। খুব নেশা লাগার মত ভালো লেখা।
উপন্যাসটা পড়ার সময় মনেই হয়নি আমি কোন পাঠক আদৌ। কত দুঃখ, আনন্দ, অভিমান আস্বাদন করলাম। শ্রীতমার সাথে শৈশবের কত কল্পনায় হারিয়ে গেলাম। শ্রীরূপের মতন বিকেল হলেই খেলতে যাওয়ার উড়ুক্কু মন ফিরে এলো। যশোধরার সাথে মায়ের, পারমিতাদির সাথে ক্লাস ফাইভের টিউশন ম্যামের কত মিল পেলাম। চরিত্রগুলো বড্ড জীবন্ত। খুব কাছের। উপন্যাসটা শেষ হয়ে যেতেই মনে হল এবার তাহলে কি নিয়ে বাঁচবো আবার?
'আজ শ্রীতমা ক্লাসে ঢুকল অত্যন্ত খুশি খুশি মনে। গতকাল মহিন্দর অমরনাথ টেস্টে সেঞ্চুরি করেছে। অনেকদিন পর। লোকটা খুব একটা সেঞ্চুরি-টেঞ্চুরি করেনা গাভাসকার-বেংসারকারের মত অত মুড়িমুড়কির মত রানও নেই। স্ট্যাটিসটিক্স আহামরি নয়। কিন্তু তাতে শ্রীতমার কিছু যায় আসেনা। সে তো আর রানের উইকেটের হিসেবকে ভালোবাসছে না। সে একটা লোককে ভালোবাসছে। কেন কে জানে, ওর মধ্যে সে পেলটা কি!'
এই উপন্যাস বা বলা ভালো এই ঘোরের থেকে বেরোতে বেশ কিছুটা সময় লাগবে। Must read একটা উপন্যাসই বটে। উপন্যাসটা কেবল পড়ার জন্য পড়া নয়, পড়া দরকার আবার নতুন করে বাঁচার জন্য, আবার নতুন উদ্যমে বসবাসের প্রয়াসে।
'পারমিতা চোখে অন্ধকার দেখল। লোকে বলে মা বাবা কারোও চিরদিন থাকে না। ও একটা কথার কথা। যার যায়, সে-ই বোঝে থাকা না থাকার ফারাকটা। এ এক নিজস্ব হাহাকার। যতই ভাগ করে নিতে চাও, সে একটা বিরাট বোঝা হয়েই রয়ে যায়। এ-ও সংসারের নিয়ম। মা-বাবা কারও চিরদিন থাকে না, এই কথার কথাটাও আস্তে আস্তে বুঝে নিতে হয়। নইলে জীবন তো মৃত্যুর কাছে হেরে যাবে। সেটা হতে দেওয়া যায়না। যদিও, আদপে, জীবন মানেই অবশ্যম্ভাবী মৃত্যু।'
🍁বই:- বসবাস 🍁 লেখিকা:- মন্দাক্রান্তা সেন 🍁 প্রকাশক:- পত্রভারতী 🍁 মুদ্রিত মূল্য:- ৫৯৯ টাকা
"খেলাঘর বাঁধতে লেগেছি আমার মনের ভিতরে। কত রাত তাই তো জেগেছি বলব কী তোরে॥ প্রভাতে পথিক ডেকে যায়, অবসর পাই নে আমি হায়-- বাহিরের খেলায় ডাকে সে, যাব কী ক'রে॥"
সংসারে একজন গৃহবধূর গুরুত্ব ঠিক কতখানি?সে সংসারের সবার মুখে মুখে নিজের রান্না করা সুস্বাদু খাবার চারবেলা তুলে দেয়, তাদের মন তথা শরীর যত্নে রাখার দায়িত্ব নেয়, সন্তান মানুষের দায়িত্ব নেয়, কর্মজগতে পরিশ্রান্ত স্বামী, অভিমানী শ্বশুর, মুখরা শাশুড়ি সবার প্রতি দায়িত্ব পালন করে। তাই নিত্যদিনের সংসারে সে বড়োই প্রয়োজনীয়। হয়ত অনেক গৃহবধূকেই তার শ্বশুরবাড়ির লোক বেশ গদগদ স্বরে বলে, তুমিই এই সংসারের হোতা, তুমিই তো সংসার সামলাও, তুমি না থাকলে এই সংসার অচল। ব্যস? একটা সংসারে তার কি এটুকুই গুরুত্ব? যে পরিবারের সকলের সুখ স্বাচ্ছন্দ্যের খবর রাখে, তার শরীর তথা মনের খবর রাখার গুরুত্ব বোধ হয় সেরকম নেই বাঙালি পরিবারে। আমরা হয়তো ধরেই নিই, সব কাজকর্ম ঠিকঠাক করছে যখন, তখন নিশ্চয়ই ভালো আছে। আর এই মানসিকতার জন্যই বাঙালি পরিবারের অনেক গৃহবধূরই পরিণতি হয় যশোধারার মত।
আমার কাছে, যশোধারাই এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র। তাঁর দৈনন্দিন জীবন, তাঁর ছেলেমেয়ে, শ্বশুর, শাশুড়ি, দেওর, তাঁর বাপের বাড়ির লোকজন ও তাদের জীবনযাপন এই সবকিছুর সাথেই পাঠকের পরিচয় হয় যশোধারার সূত্রেই। উপন্যাসের প্রেক্ষাপট সেই সময় যখন লোকের বাড়ি বাড়ি টিভি, ফোন আসেনি। তখনও বজায় আছে পাড়া কালচার। তখনও তথাকথিত আধুনিক হয়ে উঠতে পারেনি জনসমাজ। তাই মা হিসেবে যশোধারা প্রবল ধাক্কা খায় যখন সে জানতে পারে তাঁর ছেলে শ্রীরুপ বিয়ে করতে চায় তার চেয়ে বয়সে বড় শিক্ষিকাকে। যশোধারার সংস্কারী মন ভেঙে গুড়িয়ে যায় যখন সে দেখে তার আদরের মেয়ে শ্রীতমা ভালোবেসেছে এক মুসলিম যুবককে। উপন্যাস জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বহু চরিত্র ও সম্পর্কের সমীকরণ এই উপন্যাসের চুম্বক। শেষ পর্যন্ত কি পরিণতি নিয়ে পাঠকদের জন্য অপেক্ষা করে বসবাস? সারাজীবন ধরে গৃহবধূরা যে ভাবে, আমি না থাকলে এদের কি হবে সেই দুশ্চিন্তা বাস্তবে ঠিক কতটা প্রাসঙ্গিক? সবমিলিয়ে এই উপন্যাসের মাধ্যমে বাস্তবের নিষ্ঠুর সত্য পাঠকের দরবারে উপস্থাপন করেছেন লেখিকা।
লেখিকার অন্য একটি বই এবছর বইমেলা থেকে সংগ্রহ করেছি আমি। সেটা এখনও পড়া হয়নি। তার আগেই নববর্ষ উপলক্ষে হাতে আসা এই বইটি পড়ে ফেললাম আর বেশ উপভোগও করলাম। ৪৪৮ পাতা দীর্ঘ এই উপন্যাস কোথাও এতটুকু বোর করেনি আমাকে। কী সুন্দর ঝরঝরে ভাষার ব্যবহার আর লেখনী লেখিকার! পড়তে পড়তে মুগ্ধ হচ্ছিলাম বারবার আর ভাবছিলাম বইমেলা থেকে কেনা বইটা কেন এতদিন ফেলে রেখেছি। এই অন্যায়ের শাস্তি একটাই - বইটা খুব শীঘ্রই পড়তে হবে। আর পত্রভারতীর বইয়ের কোয়ালিটি সন্বন্ধে নতুন করে আর কি বলবো? হাতে নিলেই একটা ভালোলাগা ঘিরে ধরে আমায়। যাই হোক, যারা সামাজিক উপন্যাস পড়তে ভালোবাসেন, তারা একবার পড়ে দেখতেই পারেন। আশা করছি, ভালো লাগবে।
A modern slice of Bengali life. It creates a wave of nostalgia living away from home and reading these stories. Characters are powerful, not afraid of going to the gray area of mind. Overall I liked it.