বইটির প্রতিটি গল্পই সে সময়ের পত্রিকায় বের হয়েছে, একক ভাবে কোন বই ছাপা হয়নি! মোট বিশটি গল্প আছে এতে। শুরুর ও শেষের গল্পগুলো বেশ দারুন আর বিমল করের কথা কি বলব, প্রায় সব গল্পের শেষদিকে একটা চমক কিংবা উদ্ভট কিছু থাকা চাই! প্রায় ১৫টি গল্পের রিভিউ লিখেছি আলাদা ভাবে তবুও সেগুলো নাহ দিয়ে ছোট করে রেটিং দিয়ে দিচ্ছি!
৫ তারা- ইঁদুর, পার্ক রোডের সেই বাড়ি, আঙ্গুরলতা, শুন্য, আমরা তিন প্রেমিক ও ভুবন।
৪ তারা- বরফসাহেবের মেয়ে, কাচঘর, জোনাকি, পলাশ, জননী।
৩ তারা- মানপুত্র, আত্মজা, সুধাময়, গগনের অসুখ, ত্রিলোচন নন্দীর নামে ছড়া।
২ তারা- পিঙ্গলার প্রেম, যযাতি, নিষাদ, অপেক্ষা, সোপান।
সবথেকে ভালো লেগেছে আঙ্গুরলতা, শুন্য, আমরা তিন প্রেমিক ও ভুবন।
আত্মজা পড়ে গা ঘিন ঘিন করে উঠেছে, যারা ভ্লাদিমির নাবোকভের ললিতা পড়েছেন তারা অনেকটা রিলেট করতে পারবেন! তবে ললিতার প্রায় দেড় বছর আগে এটি লেখা হয়!
শুধুমাত্র শুন্যর রিভিউ ও কিছু লাইন তুলে শেষ করছি :')
শূণ্য - যাকে আমরা ভুলার জন্য তীব্র আকুল হয়ে প্রাণপণে চেষ্টা করি, তারাই মনের ভিতর আরো গভীরভাবে বাসা বাধে। মৃতকে তাও ভোলা সহজ, কিন্তু জীবিতদের স্মৃতি জিবন্ত। মানুষের অঙ্গ কেটে ফেলা যায় কিন্তু স্মৃতি নয়।
"ভবিষৎটা সবসময় বর্তমানের উপর নির্ভর করে, আর বর্তমান অতীতের উপর, এরা বিচ্ছিন্ন নয়, বিচ্ছিন্ন হতেই পারে না। তোমাকে আমি রিটেনটিভনেসের কথা বলছি। জীবনের একটা আদিসত্য। অতীতের অনেক জিনিস তুমি বর্তমান পর্যন্ত টেনে আনো। বর্তমানে এসে এই আতীত নষ্ট হয়ে যায় না, বর্তমানে রূপান্তর নেয়। তেমনি অতীতও এই বর্তমানেরই রুপান্তর। একটা নদীর সাথে তুলনা করতে পারো। একএক জায়গায় এক এক নাম কিন্তু সেই একই জলস্রোত।"