Jump to ratings and reviews
Rate this book

He Purna Tabo Charaner Kache

Rate this book

Unknown Binding

6 people are currently reading
91 people want to read

About the author

Nabaneeta Dev Sen

92 books82 followers
Nabaneeta Dev Sen is an award-winning Indian poet, novelist and academic. Sen has published more than 80 books in Bengali: poetry, novels, short stories, plays, literary criticism, personal essays, travelogues, humour writing, translations and children’s literature. Her short stories and travelogues are a rare combination of fine humour, deep human concern, and high intellect, which has made her a unique figure in the Bangla literary scene.

She is a well-known children's author in Bengali for her fairy tales and adventure stories, with girls as protagonist. She has also written prize-winning one-act plays.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
25 (54%)
4 stars
14 (30%)
3 stars
7 (15%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 12 of 12 reviews
Profile Image for Harun Ahmed.
1,673 reviews441 followers
May 7, 2024
নবনীতা  ভ্রমণগদ্য যা-ই লেখেন পড়তে ভালো লাগে। তার  "কোনো কিছুতে কোনো অবস্থাতেই পিছপা হবো না, আমার যা করার আমি করবোই" মনোভাবটা অনুপ্রেরণাদায়ী। এই উপাখ্যানে নবনীতা যমুনেত্রী, বদ্রীনাথ, কেদারনাথ ভ্রমণের গল্প শুনিয়েছেন আমাদের। সঙ্গে ভাই আর মেয়ে। এজন্যই বোধহয় ঠিক নিজের মতো ঘুরতে পারেননি পুরোপুরি। কিছু জায়গায় তার মনোভাবের স্ববিরোধ দেখে কিঞ্চিৎ হতাশ হতে হয়েছে। তবে লেখাটা যেহেতু নবনীতার, ভালো লাগার আছে অনেককিছু। শীত, প্রচণ্ড শীত, দুর্গম পাহাড়ি রাস্তা, ওঠানামার কষ্ট; খাওয়া, স্নান আর বিশ্রামের সুবন্দোবস্ত না থাকা, পাহাড়ের দরিদ্র ও সরল মানুষের দল, বিস্ময়কর সাধু - সবকিছু ছাপিয়ে নবনীতার অদম্য স্পৃহার কথা মনে থাকবে পাঠকের।
Profile Image for Anjuman  Layla Nawshin.
86 reviews147 followers
February 3, 2023
সেই আশির দশকের মাঝামাঝিতে। যেন কোন এক পরম থেকে পাওয়া বরে নবনীতা দেবসেনের সুযোগ আসে উত্তরাখণ্ড, কেদারনাথ, বদ্রিনাথ ভ্রমণের। সাথে নিজের কন্যা আর ছোট ভাই। "হে পূর্ণ তব চরণের কাছে" বইটি যেন আশীর্বাদপুষ্ট সেই যাত্রার নির্মল প্রতিচ্ছবি।

মধ্য রজনীতে কেদারনাথে পূর্ণিমার চাঁদের আভা নিজের মনের মধ্যে যে একাকীত্বকে জাগিয়ে তুলেছিল সেই অনুভূতি অকপটে ব্যক্ত করেছেন নবনীতা। অনুভব করেছেন হিমালয়ের অপার্থিব রূপসুধা। লিখেছেন, কেদার-বদ্রিনাথের মত দেবলোকের এই অনন্য সৌন্দর্য উপভোগের যে অনুভূতি তা কারও সাথে ভাগাভাগি করে নেয়ার জন্য নয়। ভাগ করে নেয়া যায় না। ভাগ করে নেয়ার মত কেউ নাই পৃথিবীতে। না মা, না স্বামী, না সন্তান। সব শুধু নিজের জন্য। তাই তো ভাই আর সন্তানকে নিয়ে কেদারনাথে আসায় আফসোস হয় তার। এ আসা যেন আসা নয়। আবার আসতে হবে। অনেকদিনের জন্য। একা। ঠিক সন্ন্যাসীরা যেমন আসে তেমন।

মহাতীর্থের শেষ যাত্রী পড়ে কৈলাস আর মানস সরোবরের পথে ঠিক সন্ন্যাসী হয়ে নেমে যাবার যে ইচ্ছেটি হয়েছিল সেই ইচ্ছেকে আরও উসকে দিলেন নবনীতা। কেদার-বদ্রিনাথের সেই পথ আর গঙ্গোত্রী-যমুনোত্রীর প্রবাহ ধরে হেঁটে যেতে চাই।

#happyreading
Profile Image for Onu Tareq.
29 reviews216 followers
June 29, 2022

‘আর জানালায় খাড়া পাহাড় হিমালয়। হিমালয়ের সেই সূর্য-ওঠা দেখবার জন্য আমি রোজ সূর্যের আগেভাগে উঠে পড়তুম। অনেকক্ষণ ধরেই অভিষেকের বন্দোবস্ত চলত। আকাশ নীল থেকে বেগুনী, বেগুনী থেকে গোলাপি, গোলাপি থেকে লাল হলুদ, লাল হলুদ থেকে তীব্র উজ্জল চোখধাঁধানো সোনার তৈরি হয়ে যেত। আর মহান হিমালয়ের যে নামহীন শিখর দুটি আমার জানলার সামনে, নিশ্চয় তারা নেপালের মৎস্যপুচ্ছ, আন্দেস-এর মাচ্চুপিচ্চুও হয়, কিন্তু তেমনিই দেখতে – তারা আস্তে আস্তে কালো পাথরের সিংহাসনের মতন গুরুগম্ভীর চেহারা করে ফেলত। তারপর হঠাৎ একসময়ে টুকুস করে একলাগে সুয্যিদেব উঠে আসতেন পৃথিবীর ওপার থেকে এপারে। লাল টুকটুকে আপেলের মত চেহারা।‘

হিমালয়ের কেদার-ব্দ্রী-নানা প্রয়াগ নিয়ে নবনীতা দেব সেনের ভ্রমণ কাহিনী “হে পূর্ণ তবে চরণের কাছে” পড়ে ফেললাম আগের দুই মাষ্টারপিস ভ্রমণ কাহিনী পড়ে ফেলার পর, আরও দারুণ কিছু লোভে। কিন্তু এখানে একটা মুশকিল হয়ে গেছে, অরুনাচল এবং কুম্ভমেলার ভ্রমণে তিনি ছিলেন একা, একেবারেই ধুম করে যাওয়া, এবং একা থাকায়, কোন প্রস্তুতি না থাকায় পথের মানুষের সাথে একের পর এক যোগাযোগে অপূর্ব সব ঘটনা ঘটত আর আমরা উঁকি দিতে পারতাম এক অসাধারণ অদেখা জগতে।

কিন্তু এবার নবনীতা দেব সেন গিয়েছিলেন দুই কন্যাকে সাথে করে, এবং হয়েছিলেন কিছুটা রাষ্ট্রীয় অতিথি ফলে গাড়ি এবং হোটেল প্রায় সবসময়ই ঠিক করা ছিল, ফলে পথের বাঁধাবিঘ্ন ছিল না এবং স্বভাবসিদ্ধ নবনীতাকে এই বইতে খুঁজে পেলাম না, যেটা তিনি নিজেও অকপটে একাধিকবার স্বীকার করেছেন যে হিমালয়ে তাঁর একা আসা দরকার ছিল, উনি আবার আসবেন। এবার মা হয়ে এসে, বন্ধু হয়ে এসে অন্যদের যত্ন করতে যেয়ে উনি যেন নিজেকেই খুঁজে পাচ্ছিলেন না। আর পরিবারের নানা সুবিধা-অসুবিধা দেখতে যেয়েই পথের সময় কেটে যাচ্ছে। যদিও সন্তান নিয়ে যারা ভ্রমণ করতে চান, বিশেষ করে একলা মায়েরা, তাদের জন্য এই বইটি বেশ আদর্শ হতে পারে।

বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৮৫ সালে। এবং সত্যি বলতে এটা পড়ে অনেক দিন ধরে পরিকল্পনা করে রাখা, রুদ্রপ্রয়াগ-কালাধুঙ্গি-করবেট ন্যাশনাল পার্ক ঘিরে যে জিম করবেট ট্রিপ দেবার কথা, আর দেবপ্রয়াগ ধরে, অবশ্যই গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে শুরু করে অলকানন্দা-মন্দাকিনী নদী ধরে সব মর্ত্যস্বর্গ দেখে ঘুরে ঘুরে ফেরার প্ল্যানটাও ডাকছে।
Profile Image for Dev D..
171 reviews28 followers
November 9, 2019
নবনীতা দেবসেন এর ভ্রমণকাহিনীর একটা আলাদা মজা আছে, যেন মাসি-পিসি গোছের কারও কাছে বসে তার বেড়ানোর গল্প শুনছি। কোন গুরুগম্ভীর বর্ণনা নেই, আমাদের আটপৌড়ে জীবনের কাহিনীর মতোই একটা কিছু, যেন পরিবারের কেউ বেড়াতে গিয়েছিলো কোথাও, ফিরে এসে তারই গল্প বলছে। শুধু ভ্রমণস্থানের বর্ণনাই না, পারিবারিক কথাবার্তাও তাই বারবার চলে এসেছে, তবে গিয়েছিলেন তো পরিবার নিয়েই, বড় মেয়ে পিকোলো, ভাই রঞ্জন (আপন না হলেও আপনের মতোই) আর নবনীতা দেবসেন স্বয়ং। অনেকবার যাই যাই করেও তার উত্তরাখন্ড বেড়ানোটা হয়ে উঠছিলো না, হ্যা বেড়ানোই, তীর্থযাত্রা হলেও পুজো দেবার বা পূণ্য অর্জনের আশায় নয়, বরং বেড়ানোটাই মূল উদ্দেশ্য ছিলো। এর আগে হরিদ্বার ঘুরে এসেছেন একবার, কিন্তু চারধাম মানে যমুনোত্রী, গঙ্গোত্রী, কেদার, বদ্রী যাওয়ার ইচ্ছে তার বরাবর ছিলো, স্রেফ হয়ে উঠছিলো না। কিভাবে কোন যাদুমন্ত্রবলে বিনা পরিশ্রমে এবং প্রায় নিখরচায় তা হয়ে গেলো তাই বরং আশ্চর্যের বিষয়। তীর্থ টীর্থ যদি নিজে থেকে না ডাকেন তাহলে নাকি হয়ে ওঠে না, আর ডাক দিলে যেমন তেমন করে হোক হবেই। আশির দশকের উত্তরাখন্ড, তখনও যা ছিলো উত্তরপ্রদেশ, যোগাযোগ সেসময় পর্যন্ত ছিলো অনেক অনুন্নত, শুধু যোগাযোগ না, থাকা খাওয়ার ব্যবস্থাও। বিশেষ করে যমুনোত্রী যাওয়া ছিলো প্রাণ হাতে করে যাওয়া। প্রতিদিনই যেখানে দুএকটা দূর্ঘটনা ঘটতোই, তাছাড়া পথের দূর্গমতায়, চিকিৎসার অভাবে দুচারজন তীর্থ যাত্রী প্রতিদিনই মৃত্যুবরণ করতেন, তবে উত্তরাখন্ডে মৃত্যু মানে নাকি ডাইরেক্ট স্বর্গ ! তাই দূর্গম তীর্থযাত্রায় যাত্রীর অভাব নয় আধিক্যই ছিলো। তাছাড়া বছরের ছয়মাস সে অঞ্চলে মানুষের প্রবেশ নিষেধ, আবহাওয়া অনুকূলে নয় তাই। আমাদের নবনীতা মাসী, তার মেয়ে পিকোলো আর রঞ্জন মামা তবু বেশ ঘুরেই এলেন, সাথে বিভিন্ন মানুষ তো ছিলেনই। নিজের থলি হারিয়ে যমুনোত্রীর পথে বৃদ্ধা পাঞ্জাবী মহিলাটির হাহাকার-“মেরা থলিয়া”, যে বৃদ্ধা জানতো না কয়েক ঘন্টা পড়েই পার্থিব সব মায়া কাটিয়ে তাকে ওপারে পাড়ি দিতে হবে, কিংবা দরিদ্র বয়স্ক কর্মচারীর উদ্দেশ্যে পয��সাওলা উদ্ধত বালক সহিসটির উচ্চারণ “নৌকর হ্যা”, যেন ছায়াছবির মতোই দেখতে পেলাম। এযেন পৃথিবীর তাবৎ দরিদ্রদের প্রতি তাবৎ বিত্তবানদের ঘৃণার প্রকাশ। শিবখৃষ্টস্বামী নামে সরল সাদা চামড়ার সন্ন্যাসীটিও তো মন কেড়ে নেবার মতোই। বাঙালি মেসোমশাইটি, দেওঘরের বাবাজী এদের যেন নিজের চোখে দেখতে পেলাম, পাহাড়ী ফুল, ফল, তুলসী, ঝরণা, সবই যেন কল্পনায় ফুটে উঠলো। কেদার বদ্রী কখনো যাওয়া হবে কিনা কে জানে,তবে তীর্থ নিজে থেকে না ডাকলে তো আবার হয় না! দেখা যাক। সবকিছুর পরও বইয়ের ঐ লাইনটা কখনো বোধহয় ভুলতে পারবো না, “নৌকর হ্যা”।
Profile Image for Kazi.
159 reviews20 followers
November 16, 2020
আশির দশকে উত্তরাখণ্ডের চার ধাম- যমুনোত্রী, গঙ্গোত্রী, বদ্রীনাথ আর কেদারনাথ ভ্রমণের গল্প। মেয়ে, ভাই সমেত লেখিকার বেড়ানোর বর্ণনাগুলো বেশ মজার আর আন্তরিক। দুর্গম পথ আর বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে পুণ্যস্থান দর্শনের আশায় মানুষের যাত্রার বর্ণনা পড়ে একদিকে রাগ হয় ধর্মবিশ্বাসের উপর যা এমন ঝুঁকির পথে ঠেলে দিচ্ছে, আবার আপনা থেকেই একটা সম্মান চলে আসে।

ভবিষ্যতে কখনও উত্তরাখণ্ড ভ্রমণের সুযোগ হলে এই বইটা নিয়ে যাব অবশ্যই।
Profile Image for Shotabdi.
826 reviews205 followers
August 3, 2020
প্রকৃতির বিশাল সৃষ্টিগুলোর কাছাকাছি গেলে মানুষের নিজেকে ভীষণ তুচ্ছ মনে হয়। প্রতিটা অসাধারণ ভ্রমণকাহিনীতেই আমি এই বিষয়টা খেয়াল করেছি। ভ্রমণকারীরা সেটা তাঁদের অপূর্ব গদ্যে এমনভাবে তুলে ধরেছেন যে, যে বইটি পড়ছে তার ও অনুভূতিতে দোলা না লেগে পারে না।
প্রথম পরিচয়ের আগে সবসময়ই এক ধরনের দ্বিধাবোধ আর অনিশ্চয়তা কাজ করে। নবনীতা দেবসেনের নাম এবং তাঁর বিখ্যাত কিছু বইয়ের নামের সাথে বিলক্ষণ পরিচিত ছিলাম। কিন্তু এই প্রথম তাঁর লেখার সাথে পরিচয় এবং এই পরিচয়টি আমি নিঃসন্দেহে সারাজীবন মনে রাখবো এবং সেটাকে আমি আরো পাকাপোক্ত করে তুলবো শীঘ্রই।
ভ্রমণকাহিনী আমার এমনিতেই ভীষণ প্রিয়, তার মধ্যে তীর্থক্ষেত্রে ভ্রমণকাহিনীগুলো আমার মনে সৃষ্টি করে এক আলাদা ব্যঞ্জনা। অসাধারণ কিছু তীর্থক্ষেত্র ভ্রমণকাহিনীই (মরুতীর্থ হিংলাজ, অমৃতকুম্ভের সন্ধানে, মহাপ্রস্থানের পথে) এর পেছনে কারণ৷ সেই তালিকায় এই নামটিও যুক্ত হয়ে গেলো।
লেখার কথা বলার আগে বইটির প্রচ্ছদের প্রশংসা না করে পারছি না। যতবার হাতে নিচ্ছিলাম, হাত বুলাচ্ছিলাম, দেখছিলাম এবং এক অনির্বচনীয় আনন্দে বইখানা বুকে জড়িয়ে ধরছিলাম।
পূর্ণেন্দু রায়ের পরিকল্পনা এবং অঙ্কনে আমার প্রচ্ছদটি খুব সুন্দর লেগেছে।
নবনীতা দেবসেনের লেখার সাথে আমি আমার অসম্ভব দুইজন প্রিয় লেখকের কিছু সাদৃশ্য পেয়েছি। একজন সৈয়দ মুজতবা আলী, অন্যজন লীলা মজুমদার।
এই তিনজনের লেখার মধ্যেই আছে তীক্ষ্ণবুদ্ধির রসবোধ, আছে নিজের চাইতে লেখার বিষয় এবং প্রকৃতিকে বড় করে তোলার প্রবণতা এবং একটা ঘরোয়া ব্যাপার।
এত ভালো উইট আমি অনেকদিন পর কোন লেখিকার লেখায় পেলাম।
ছোট ছোট অধ্যায়ে তিনি বর্ণনা করেছেন তাঁর যমুনেত্রী, বদ্রীনাথ, কেদারনাথ ইত্যাদি ভ্রমণ এর ছোট ছোট ঘটনা, নাম রেখেছেন প্রতিটি অধ্যায়ের মিষ্টি মিষ্টি।
ভ্রমণসঙ্গী হিসেবে ছিলেন পিকোলো (লেখিকার কন্যা, সম্ভবত বড় কন্যা) এবং ভাই রঞ্জন।
শুরুতে ভেবেছিলেন কেদারনাথ দেখবেন না, কিন্তু যাত্রাপথে এক ক্রিশ্চান সাধুর কথা এবং দর্শনে মুগ্ধ হয়ে কেদারনাথও দর্শন করেন।
এই ধরনের ভ্রমণে নানা ধরনের মানুষের সাথে হয় পরিচয়, প্রকৃতির মোহনীয় সৌন্দর্য অনুভবের সাথে সাথে মানুষকেও আবিষ্কার করা যায় নতুনভাবে। কত অল্পে মানুষ খুশি হয়, কত সাধারণ মানুষ কেবল পরিবেশের গুণে অসাধারণ কাজ করে বসেন তার অভিজ্ঞতাগুলো তুলনারহিত।
বর্ষণমুখর দিনে হিমালয়ের কোলে একটি ঘরে থাকার যে কাহিনীর বর্ণনা, সেটি একইসাথে মনোমুগ্ধকর এবং রোমাঞ্চকর।
কেবল যাত্রাপথ এবং মানুষের বর্ণনা ছাড়াও লেখিকার দর্শন উঠে এসেছে সহজভাবে। তিনি বলেছেন তাঁর অনুভূতির কথা, ভেবেছেন আবার একা ফিরে যাবেন হিমালয়ের কোলে। অন্যান্য রীতিনীতির সাথে ভারতীয় সংস্কৃতির তুলনা এঁকেছেন, দেখিয়েছেন নিজেদের সংস্কৃতিকে ভুলে যাওয়ার প্রবণতা কেমন সর্বগ্রাসী হয়ে উঠছে দিনকে দিন।
উপরিপাওনা হিসেবে ভ্রমণপথে কবি কবিতা সিংহের পরিবারের সাথে দেখা, তাঁদের নাম ভাড়িয়ে রেস্ট হাউসে উঠে থাকা এমনি আরো টুকরো টুকরো মজার কাহিনীও আছে ফাঁকে ফাঁকে।
১২৮ পৃষ্ঠা হলেও প্রথম পৃষ্ঠা থেকে শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত ঠাসা বুননে মনে হবেনা বইটা ছোট, অনেকটুকুই যেন আঁটিয়ে দেয়া হয়েছে অল্প পরিসরে৷
অনেক দিন পর একটা বই শেষ করে কেন শেষ হয়ে গেলো এই অনুভূতিটা হচ্ছে।
হে পূর্ণ তব চরণের কাছে,
একদিন না একদিন আমিও আসব নিশ্চয়ই।
Profile Image for Sushanto Kumar Saha.
93 reviews9 followers
April 16, 2020
যমুনোত্রী - গঙ্গোত্রী - বদ্রীনাথ - কেদারনাথ
উত্তরকাশী - রুদ্রপ্রয়াগ - কর্ণপ্রয়াগ - নন্দপ্রয়াগ - গৌরীকুন্ড - যোশীমঠ - হৃষীকেশ - শোনপ্রয়াগ প্রভৃতি প্রায় পুরো উত্তরাখন্ডের ভ্রমণোপাখ্যান। মূলত তীর্থযাত্রাকে কেন্দ্র করে লেখা জন্য তীর্থের সামগ্রিক অবস্থা, ব্যবস্থাপনা-অব্যবস্থাপনা সবকিছু উঠে এসেছে লেখিকার কলমে। সাথে উত্তরাখন্ডের ভয়ংকর সৌন্দর্য্যের আখ্যান।

বইটি ১৯৮৫ সালে লেখা, তখনকার অবস্থা সম্পর্কে এক সম্যক ধারণা হয়ে গেলো। ২০২০ এ এরকম একটা লেখা পড়তে পারলে বর্তমান অবস্থা সম্পর্কেও জানতে পারতাম।

নবনীতা দেবসেনের সেন্স অব হিউমার যে অনেক ভালো, সেগুলা তার বই পড়লে অনেক ভালো চোখে পড়ে। এজন্যই হয়ত আবারো পড়তে ইচ্ছা করে ওনার অন্য কোন লেখা!
Profile Image for Nipu.
65 reviews3 followers
September 6, 2023
ভিন্ন স্বাদের ভ্রমণ কাহিনি! একদম সহজ ভাষায় পরিপূর্ণ বিবরণ। দিল্লি থেকে লেখিকার কেদারনাথ যাত্রার সুলেখিত বর্ণনা আছে এই ছোট্ট বইটিতে। এই যাত্রায় সাথে ছিলেন লেখিকার মেয়ে আর তার ভাই। আমার অসাধারণ লেগেছে।
Profile Image for Joynab Rimu.
76 reviews115 followers
November 30, 2019
প্রিয় ট্রাভেলগের তালিকায় একে ও যোগ করে নিলাম 💛
7 reviews4 followers
Read
June 18, 2022
It was a quick read.Interesting as well. 5/5
Displaying 1 - 12 of 12 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.