মৃত্যুগুহায় বন্দিঃ কারা যেন ধরে নিয়ে গেছে বিখ্যাত নায়ক রিচার্ড কিংকে ! পুলিশ কোন কুলকিনারা করতে পারছে না এ-রহস্যের। তদন্তে নামল তিন গোয়েন্দা। শুরুতেই জড়িয়ে পড়ল ওরা বিপদে। হোটেলের দরজা খুলতেই দেখতে পেল ঝুলন্ত লাশ । তারপর? তারপর চোখ টিপল গলায় তলোয়ার বেধা মেকআপ ম্যান শর্টি ম্যাডিলের মৃতদেহ। এক ভয়াল দানবকে অনুসরণ করে । পরিত্যক্ত খনিতে ঢুকল ওরা । হলো মৃত্যুগুহায় বন্দি।
বিষাক্ত ছোবলঃ কিশোর ও মুসাকে চিড়িয়াখানা দেখাতে নিয়ে গেল তাদের বন্ধু জোসেফ হাওয়ার্ড । শোনা গেল বিপদ সংকেতঃ খাঁচা থেকে পালিয়েছে বিষাক্ত সাপ । আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল শহরে। ফাঁসিয়ে দেয়া হলো বেচারা জোসেফকে । সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল তিন গোয়েন্দা।
শুঁটকি রাজকুমারঃ কিশোরদের স্কুল অংশ নেবে রকি বীচের শারদীয় প্রদর্শনীতে। সেজন্যে মিসেস মিলফোর্ড যত্ন করে সেলাই করেছেন রাজকুমারের পোশাক। লটারিতে যে ছেলে জিতবে সে পরবে সেই পোশাক। কিন্তু হারিয়ে গেল ওটা। কিশোরের কাছে সাহায্য চাইল শুটকি টেরি । ওকে ফিরাতে পারল না কিশোর । ফলে, খেপে গেল দুই বন্ধু মুসা ও রবিন । কথা বলা বন্ধ করে দিল । শেষে শুটকিকে সাহায্য করতে গিয়ে কি প্রিয় বন্ধুদেরকে হারাল কিশোর?
রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।