বিংশ শতাব্দীতে পদার্থবিজ্ঞানে বড় ধরনের দুটি বিপ্লব ঘটে গেছে যার একটি কোয়ান্টাম তত্ত্ব এবং অপরটি আপেক্ষিকতার তত্ত্ব। তত্ত্ব দুটির কারণে পদার্থবিজ্ঞানে সম্পূর্ণ নতুন এক যুগের সূচনা হয়। আপেক্ষিকতার তত্ত্ব ছিল সময়ের দাবী। পক্ষান্তরে কোয়ান্টাম যুগের সূচনাটাকে একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বলা চলে। শতাব্দীর একেবারে শুরুতে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক এবং আইনস্টাইনের হাত ধরে কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল ধারণা প্রকাশ পাওয়ার পর ক্রমেই তত্ত্বটি হয়ে ওঠে পারমাণবিক জগতকে ব্যাখ্যা করার একমাত্র হাতিয়ার। পরবর্তীতে একের পর এক পদার্থবিজ্ঞানীর কাজের মধ্য দিয়ে তত্ত্বটি একটি পূর্ণাঙ্গ শাখায় রূপ লাভ করে। এটি এখন আর একক কোনো বিজ্ঞানীর একক কোনো কাজের ফসল নয়। বহু প্রতিভাবান বিজ্ঞানীর মেধা আর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল আজকের এই কোয়ান্টাম বলবিদ্যা। কোয়ান্টাম তত্ত্বের মৌলিক আলোচনা, পর্যায়ক্রমিক ইতিহাস, যৌক্তিক বিতর্ক ও প্রায়োগিক দিকসহ কণা পদার্থবিদ্যার খুঁটিনাটি সকল কিছু এই বইয়ের আলোচ্য বিষয়। লেখকের মতে, কোয়ান্টাম জগতে উঁকি দেয়ার প্রথম মাধ্যম হতে পারে এই বই।