ঝড়বাদলের এক রাতে ট্যাক্সি থেকে নামার সময় গাড়িতে একটা মোবাইল ফোন পড়ে থাকতে দেখল সুমিত ও অরুণাভ। কার ফোন? সমস্যায় পড়ে গেল দুই বন্ধু। পরে জানা গেল ফোনটা বিকাশ তিওয়ারি নামে এক ব্যক্তির। সেই রাতেই ইস্টার্ন বাইপাসের ধারে খুন হয়ে গেল বিকাশ তিওয়ারি। কুড়িয়ে পাওয়া ফোনের সূত্রে আবার এক রহস্যের মধ্যে জড়িয়ে পড়ল সুমিত, অরুণাভ ও তাদের পুলিশ ইনস্পেকটর বন্ধু বিনায়ক। রাসেল স্ট্রিট থেকে সন্ধেবেলা গাড়িসমেত নিখোঁজ হয়ে গেল ট্যাক্সি ড্রাইভার আলাউদ্দিন। পরে অজ্ঞান অবস্থায় তাকে পাওয়া গেল ময়দানের এক শুকনো নালার মধ্যে। তবে তার গাড়ির কোনও খোঁজ পাওয়া গেলনা। সুন্দরবন বিশেষজ্ঞ জয়শঙ্কর চ্যাটার্জি থাকেন কঙ্কণদিঘিতে। তাঁর সঙ্গে দেখা করতে ছুটল সুমিত, অরুণাভ ও বিনায়ক। কিন্তু কেন? এই রহস্যের সঙ্গে জয়শঙ্কর চ্যাটার্জির কী সম্পর্ক? রাতের অন্ধকারে কী ঘটল কঙ্কণদিঘির চ্যাটার্জিবাড়িতে?
জন্ম ১৯৭৩ সালের ২৬ জানুয়ারি, উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। বাবা সরোজকুমার বসু। মায়ের নাম অনিমা বসু। স্কুলের পাঠ, বারাসত প্যারীচরণ সরকার রাষ্ট্রীয় উচ্চ বিদ্যালয়ে। তারপর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূতত্ত্ববিদ্যায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। নাটক রচনা দিয়ে লেখালেখি শুরু। প্রথম মৌলিক নাটক ‘রিয়েলিটি' প্রকাশিত হয় ২০১০ সালে। এই নাটকের জন্য জাতীয় স্তরে একটি একাঙ্ক নাটক প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ নাট্যকারের পুরস্কার পান। পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থা থেকে লেখকের অনেকগুলি কিশোর উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে।