Premendra Mitra (Bangla: প্রেমেন্দ্র মিত্র) was a renowned Bengali poet, novelist, short story writer and film director. He was also an author of Bengali science fiction and thrillers.
His short stories were well-structured and innovative, and encompassed the diverse to the divergent in urban Indian society. The themes of poverty, degradation, caste, the intermittent conflict between religion and rationality and themes of the rural-urban divide are a thematically occurring refrain in much of his work. He experimented with the stylistic nuances of Bengali prose and tried to offer alternative linguistic parameters to the high-class elite prosaic Bengali language. It was basically an effort to make the Bengali literature free from softness, excessive romance and use of old style of writing which were prevalent in older writings.
আসলেই অসাধারণ ছিল প্রত্যেকটা গল্প। ঘনাদা ইজ সামথিং এলস! আর প্রেমেন্দ্র মিত্র আসলেই একজন জিনিয়াস অ্যাপার্ট।
গল্পের ভৌগলিক, ঐতিহাসিক, আর সাংস্ক্রিতিক ইনফরমেশনগুলা অবশ্যই খুবই অ্যাকিউরেট আর মেজমারাইজিং থাকে, সব গুলার। আর যেটা আরও বেশি চমৎকার লাগে সেটা হইলো গল্পের একচুয়াল কোয়ালিটি - এর বিল্ড-আপ, সাসপেন্স, ক্লাইম্যাক্স - আর বিশেষ ভাবে ইন্টারনাল কন্সিস্টেস্নসি (ঘনাদার আসল ক্যারেক্টার আর তার কল্পনাশক্তির অ্যাপ্রোপ্রিএট ব্যবহারের ধরন) খুবই, খুবই ভালো। এগুলা একেকটা অলমোস্ট পারফেক্ট লিটল স্টোরিজ।
ভালো লাগে নাই বিভিন্ন (এক্সোটিক?) যায়গার নেটিভদের পোরট্রেয়াল, তাদের যেভাবে কন্সট্রাক্ট করা হইসে আর যেই রোলে এমপ্লয় করা হইসে -বেশ ওরিয়েন্টালিস্ট। তিব্বতে শেরপাদের, ল্যাব্রাডরে ট্র্যাপারদের (ইনুইট?) - আর আফ্রিকায় - "জংলি"দের :( :( । বিভুতিভূষনের চাঁদের পাহাড়ের থেকে অনেক, অনেক ভালো। এমনিতে এই গল্প গুলায় কিছু রেসিয়াল পলিটিক্স আসে - যেভাবে ঘনাদাকে অনেক সাদা লোক কালাভূত বা এগুলা বলে অ্যাবিউজ করে। আর ঘনাদা নেটিভদেরকে অ্যাবিউজ করে না, আর আনকাইন্ডলিও ট্রিট করে বলে মনে পড়ে না। কিন্তু জাস্ট তাদের মেকিংটা ওরিয়েন্টালিস্ট - এমন অনেক বেশিও না হয়তো -বিশেষ করে সেই সময়কার স্ট্যান্ডার্ডে -- তাও আরেকটু ভালো ভাবে এই দিকগুলাকে অ্যাড্রেস করা হইলে ভালো হইতো - একদম পারফেক্ট হইতো।
মশাঃ খুবই ভালো!
পোকাঃ এটার শেষটা মনে হয় খুব কনভিন্সিং ছিলো না। না, ছিলো না। হয়তো এই কালেকশনের মধ্যে সব থেকে দুর্বল গল্প। কিন্তু তাও যথেষ্ট ভালো সব মিলায়ে। বিশেষ করে গল্প শুরু করার সেট আপ টা -ঘনাদাযে রাতের বেলা পোকা দেখে ভয়ে দিশাহারা হয়ে গেসিলো।
নুড়িঃ খুব ভালো। কিছু ইনকন্সিস্টেসি - বা ল্যাক অফ এক্সপ্লেনেশন আসে - ঐ ফ্রেঞ্চ লোক টা ওই হ্রদের নিচে কি করতে চাইতিসিলো - মানে তার নিজের আল্টিমেট গোল কি ছিল - হীরা কালেক্টা না করা হয়ে থাকলে কি -এটা বলা হয় নাই। যদি এমন হয় সায়েন্টিফিক কিউরিওসিটি ই আল্টিমেট গোল ছিলো (স্যাটিস্ফাই করা), তাহলে তার ক্যারেক্টার যে ভাবে দেখানো হইসে, ভায়োলেন্ট, তার সাথে ইনকন্সিস্টেন্ট হবে কিছুটা। কিন্তু এটা অনেক ভালো গল্প।
কাঁচঃ ঘনাদা খাটের নিচে গিয়ে লুকায় থাকে যে বক্সিং ম্যাচ রেফারি না করার জন্য, এই সেট আপটা অতি চমৎকার ছিলো। গল্পটাও ভালো ছিলো সব দিক দিয়ে, শেষের ক্লাইম্যাক্সটাও চমৎকার। কল ব্যাক গুলা মিলায়ে।
মাছঃ এটাও ভালো। পর পর দুইটা আফ্রিকায়, আফ্রিকার নেটিভদের নিয়ে। নাৎসি ফ্যানাটিকরাও খুবই খুবই ইন্টারেস্টিং ছিল - বিশেষ করে কতো কন্টেম্পোরারি ছিল যখন লেখা হইসে এটা দেখলে। এখানেই মনে হয় খালি জংলি বলতে থাকে। আর ফিটজকারাল্ডোর প্রব্লেমেটিক অ্যাস্পেক্ট গুলা নিয়েও ভাবাতে থাকে আমাকে। আর ইউরেনিয়াম এনরিচমেন্ট - জাপানে বোম্ব না পরে কিভাবে আরেকটু হইলেই ইংল্যান্ডে পোড়তো, নাৎসিরা মারতো - এই টা - এই ব্যাপারটা - এখন পড়তে - এইটা জেনে যে তখনই লেখা হইসিলো -যুদ্ধের পর পরই -খুবই অদ্ভুত রকম ইন্টারেস্টিং লাগে।
টুপিঃ খুব ভালো ছিলো, ইয়েতি, প্রাচীন তিব্বতি পুঁথি, রাস্তা খুঁজে বার করা - ঐ শিকড়ের ব্যবহার গল্পের ক্ষেত্রে, আর এভারেস্ট সব কিছু মিলায়ে। কি আজব লাগে এখন এটা পড়তে, যখন এটা লেখা হইসিলো অ্যাকচুয়ালিই কোনো মানুষ এভারেস্ট সামিট করে নাই! খুবই ইন্টারেস্টিং।
ছড়িঃ এটাও অনেক ভালো। একটু বেশি ফ্যান্টাস্টিকাল, কিন্তু খারাপ না। সব থেকে ভালো গল্প না হইলেও যথেষ্ট ভালো।
লাট্টুঃ এটা পড়তে এতো মডার্ন আর সমসাময়িক একটা সায়েন্স ফিকশনের গল্পের মতো মনে হয়! এলিয়েন অ্যাবডাকশন, প্রোবিং,চাকতির মত স্পেস শিপ/সসার! আর গল্পের সব এলিমেন্ট -পেসিং, সাসপেন্স সবই অনেক ভালো। ঐ এস্পিওনাজ অংশগুলা - এগুলাও খুবই কন্সিস্টেন্সি অ্যাড করে। সব মিলায়ে ভালো কোয়ালিটির গল্প। কিন্তু ঘনাদার স্পেসশিপে গিয়ে ওইটা উড়ানোর চেষ্টা করা - আর বাকি রা মারা যাওয়া - যাদের মৃত্যুর জন্য তাইলে সেই দায়ী - এইটা বাদ দিলেও উড়ানোর ব্যাপারটাই বেশ প্রচন্ড রকম ফারফেচড পাগলামী।
আমার কাসে যে বইটা আসে - এইটা 'বাংলাদেশ সংস্করণ' নওরোজ কিতাবিস্তান এর- আর বাংলাদেশের বই - বানান ভুলে কানায় কানায় ভরা (মাঝখানের ২ টা গল্পে তুলনামূলক কম থেকে থাকতে পারে) - সব মিলায়েই পড়া অনেক ডিফিকাল্ট করে। গল্পর কোয়ালিটি এতো ভালো না হইলে হয়তো পড়াই যাইতো না।
এতো আগে - ১৯৪৫ সালে -কন্টেম্পোরারি এতো ঘটনাকে নিয়ে -এতো, এতো, ভালো গল্প এগুলা - সত্যিই অসাধারণ - আর বলার ভাষাই হারায় ফেলার মতো এতো ভালো ওভারঅল!