Jump to ratings and reviews
Rate this book

জিম করবেট সমগ্র

Rate this book

968 pages, Hardcover

Published January 1, 1996

13 people want to read

About the author

Jim Corbett

107 books292 followers
Edward James "Jim" Corbett was a British hunter, turned conservationist, author and naturalist, famous for hunting a large number of man-eaters in India.

Corbett held the rank of colonel in the British Indian Army and was frequently called upon by the government of the United Provinces, now the Indian states of Uttar Pradesh and Uttarakhand, to kill man-eating tigers and leopards that were harassing people in the nearby villages of the Garhwal and Kumaon region. His hunting successes earned him a long-held respect and fame amongst the people residing in the villages of Kumaon. Some even claim that he was considered to be a sadhu (saint) by the locals.

Corbett was an avid photographer and after his retirement, authored the Man-Eaters of Kumaon, Jungle Lore, and other books recounting his hunts and experiences, which enjoyed much critical acclaim and commercial success. Later on in life, Corbett spoke out for the need to protect India's wildlife from extermination and played a key role in creating a national reserve for the endangered Bengal tiger by using his influence to persuade the provincial government to establish it. The national park was renamed Jim Corbett National Park in his honour in 1957 after his death in 1955.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
6 (66%)
4 stars
3 (33%)
3 stars
0 (0%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
Profile Image for Dev D..
171 reviews27 followers
July 27, 2022
জিম করবেটের নাম জানি বহু আগে থেকেই। এমনকি তার রুদ্রপ্রয়াগের চিতা বাঘ বইটা বহুদিন ধরেই ছিল সংগ্রহে তবু পড়া হয়নি। শিকার কাহিনী আগেও পড়েছি, শিকারের চেয়ে যেটা বেশি ভালো লাগে সেটা জঙ্গলের বর্ণনা। শিকার বরং নৃশংস লাগে সবসময়ই। জিম করবেটের এই বই শুধু শিকার কাহিনী নিয়ে নয়, সেই সাথে জঙ্গলের মানুষের আর পশুপাখির বর্ণনা, প্রকৃতি বন্দনা তো আছেই। আছে বর্তমান বিহারের মোকামাঘাটে কর্মসূত্রে থাকাকালীন দীর্ঘ সময়ে দেখা সাধারণ সরল মানুষগুলোর বর্ণনাও।

জঙ্গল লোর, ম্যান ইটিং লেপার্ড অব রুদ্রপ্রয়াগ,মাই ইন্ডিয়া, ম্যান ইটারস অব কূমায়ূন,টেম্পল টাইগারস এই রচনা বা বইগুলোর সংকলন এই বইটি জানিনা এর বাইরে তার আর কোন লেখা আছে কিনা। সবচেয়ে ভালো লেগেছে মাই ইন্ডিয়া বইটি যেখানে তিনি লিখেছেন মোকামাঘাটে তার জীবনের কথা, সেখানে পাওয়া সরল, দরিদ্র কিন্তু সৎ এবং পরিশ্রমী মানুষগুলোর কথা সেই সাথে উত্তরাখন্ডের যেখানে করবেট জন্মগ্রহণ করেছিলেন,বড় হয়েছেন যেখানে তার পরিবার থাকতো সেখানকার মানুষের কথাও।

করবেট এর মধ্যেই অংশ নিয়েছেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধে, গিয়েছেন বার্মা এবং আফ্রিকায় আবার ফিরে এসেছেন ভারতবর্ষে। ভারতের ভূমিপুত্র না হন এদেশে জন্ম নিয়ে এবং এদেশেই প্রায় পুরো জীবন কাটিয়ে তিনি নিজেকেও একজন ভারতবাসী হিসেবেই বর্ণনা করেছেন বারবার। জানিনা অকৃতদার এই মানুষটি ভারতে ইংরেজ শাসনের অবসানের পর তবু কেনিয়ায় চলে গেলেন কেন স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য। সেখানেই ১৯৫৫ সালে মৃত্যু হয় ১৮৭৫ সালে জন্ম নেয়া এই মানুষটির। হিমালয়ের উত্তরাখন্ডের নৈনিতালে ছিল করবেট পরিবারের বসবাস, সেখানেই তার জন্ম। শীতের সময় তারা নেমে আসতেন নৈনিতালের কাছে পাহাড়ের পাদদেশে কালাধুঙ্গিতে যেখানে তার পরিবারের ছিল ছোট এক জমিদারী। পাহাড়ি পরিবেশে আরণ্যক জীবনেই বড় হয়েছেন তিনি। সেখানেই একেবারে বাল্যেই তার শিকার শেখা। শুরুতে খেয়াল খুশিমতো শিকার যে করেন নি তিনি তা নয় তবে বড় হওয়ার পর খাদ্যের প্রয়োজন কিংবা মানুষখেকো বা দরিদ্র মানুষের গবাদিপশুর অনিষ্টকারী হিংস্র মাংসাশীদেরই মূলত শিকার করেছেন। অযথা জঙ্গলের প্রাণিহত্যা বা খাদ্যশৃঙ্খলা ভেঙ্গে দেবার ঘোর বিরোধী ছিলেন তিনি।

দরিদ্র মানুষের তিনি ছিলেন সমব্যাথী, তাদের উপকারই করে গেছেন আজীবন। তার লেখায় ফুটে উঠেছে নিজেও কতটা সৎ এবং নির্লোভ ছিলেন তিনি। স্থানীয় মানুষ তাকে ডাকতো সাদা সাধু। যুক্তিবাদী মানুষ ছিলেন, জঙ্গলে বারবার নিজের অনুভূতি বা সিক্সথ সেন্সের মাধ্যমে সম্ভাব্য বিপদ টের পেয়ে বহুবার নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে যাওয়াকে বর্ণনা করেছেন নিজের জঙ্গল অনুভূতি হিসেবে,বহুকাল জঙ্গলে কাটিয়ে যা তার তৈরি হয়েছিল বলে ব্যাখ্যাও করেছেন। যুক্তিপূর্ণ ব্যাখ্যা দিয়েছেন চুড়েল বা পেত্নী বলে পাহাড়ে পরিচিত যা সেটা যে একধরনের বিরল প্রজাতির পাখি তারও। তবু তার লেখায়ও কিছু অতিপ্রাকৃত ঘটনার বর্ণনা আছে যা তিনি অবিশ্বাস করেন নি। নেপালের প্রধানমন্ত্রীর সেক্রেটারীর হারানো জিনিস খুঁজে পাবার ঘটনা, মন্দির বা পীঠস্থানের বাঘ কোন শিকারী দ্বারা নিহত না হওয়া কিংবা হিমালয়ের পাহাড়ে দেখা অদ্ভুত তিনটি স্থির আলোর কথা যা কেবল তারাই দেখতে পায় যাদের ওপর দেবীর কৃপা আছে। সন্দেহ নেই করবেট মানুষ হিসেবে ছিলেন অসাধারণ, মানুষের প্রতি ভালোবাসাও তার ছিল অনন্য। মানুষখেকো বাঘ বা চিতাকে মারতে দিনের পর দিন নিজের জীবন বিপন্ন করে কঠোর পরিশ্রম করেছেন বিনা স্বার্থে শুধু মানুষের উপকারের জন্য। শুধু রুদ্রপ্রয়াগের বিখ্যাত মানুষখেকো চিতাকেই তিনি শিকার করেননি, তার চেয়েও ভয়ংকর অনেক মানুষখেকোদের হাত থেকে মানুষকে মুক্ত করেছেন তিনি। মধ্যভারতে শিকারের সামান্য বর্ণনা ছাড়া করবেটের লেখা শিকারের সব কাহিনীগুলোই হিমালয়ের জঙ্গলের যেখানে ছিল তার আপন ঠিকানা, যা ছিল তার সবচেয়ে নিজস্ব জায়গা। প্রকৃতির প্রতি তার অকৃত্রিম ভালোবাসা, সৌন্দর্য বোধ এবং উদার চেতনা তার লেখায় বারবার পাওয়া যায় যেমন পাওয়া যায় মানুষের প্রতি তার ভালোবাসা এবং সহমর্মিতা। এই বই একটি রত্ন বিশেষ এটুকুই কেবল বলতে পারি। মন ছুঁয়ে যাওয়া এক মানুষের মন ছুঁয়ে যাওয়া বই।
Profile Image for Pritom Paul.
134 reviews1 follower
May 4, 2022
আমার পড়া প্রথম শিকার কাহিনি।
পুরো ২ বছর লাগলো বইটি পড়তে।

জিম করবেট 1920 এর দশকের শেষের দিকে তার প্রথম ক্যামেরা কিনেছিলেন এবং - তার বন্ধু ফ্রেডরিক ওয়াল্টার চ্যাম্পিয়নের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে - সিনে ফিল্মে বাঘ রেকর্ড করতে শুরু করেছিলেন। যদিও জঙ্গল সম্পর্কে তার অন্তরঙ্গ জ্ঞান ছিল, তবে প্রাণীগুলি অত্যন্ত লাজুক ছিল বলে ভাল ছবি তোলা ছিল একটি দাবিপূর্ণ কাজ।

জিম করবেট তার বোন ম্যাগি করবেটের সাথে নৈনিতালের গার্নি হাউসে থাকতেন, যেখানে তাদের মা তাদের বাবার মৃত্যুর পর ১৮৮১ সালে চলে যান। ১৯৪৭ সালের নভেম্বরে কেনিয়া যাওয়ার আগে তারা বাড়িটি শ্রীমতি কালবতী ভার্মার কাছে বিক্রি করে দেয়। বাড়িটি এখন একটি ব্যক্তিগত বাসভবন, যা একটি জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়েছে এবং এটি জিম করবেট মিউজিয়াম নামে পরিচিত।
জিম ছোটি হালদওয়ানিতেও অল্প সময় কাটিয়েছিলেন, একটি গ্রাম যা তিনি দত্তক নিয়েছিলেন এবং যেটি করবেটস গ্রাম নামে পরিচিত হয়েছিল। করবেট এবং গ্রামবাসীরা ১৯২৫ সালে গ্রামের চারপাশে একটি প্রাচীর তৈরি করেছিলেন যাতে বন্য প্রাণীদের চত্বর থেকে দূরে রাখা যায়। ২০১৮ সাল পর্যন্ত প্রাচীরটি এখনও দাঁড়িয়ে আছে, এবং গ্রামবাসীদের মতে এটি নির্মিত হওয়ার পর থেকে গ্রামবাসীদের উপর বন্য প্রাণীর আক্রমণ প্রতিরোধ করেছে।
Displaying 1 - 2 of 2 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.