What do you think?


শরবতে বাজিমাত
#পাঠকের কাছে অনুরোধ • করোনার এই দুঃসময়ে আমরা অনেক পরিশ্রম করে আপনাদের জন্য ইবুক তৈরি করছি। বিগত ৩ মাস প্রতিষ্ঠানের আয় বন্ধ। বাংলাদেশের প্রকাশনা সেক্টরের কী নাজুক অবস্থা আপনারা অনেকেই জানেন। তাই কিন্ডল আনলিমিটেড সাবস্ক্রাইবারদের প্রতি অনুরোধ আপনার সামর্থ্য থাকলে বইটি কিনে পড়ুন। • এটি প্রিন্ট রেপ্লিকা ভার্সন। যাদের ডিভাইসে এই ভার্সনটি সাপোর্ট করে না তারা এই আপডেট ভার্সনটি দেখতে পারেন: ------------- বই সম্পর্কে ------------- নতুন কিছু করার জন্য সবসময় উদ্যোক্তার ওপর একটা চাপ থাকে। বলা হয়ে থাকে নতুন কিছু করতে পারলেই সাফল্য ধরা দেবে। তবে, কেবল নতুন কিছু নয়— প্রচলিত ব্যবসাকে ভিন্নভাবে করে গড়ে তোলা যায় সফল উদ্যোগ। যেমনটা করেছিলেন, ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক তিন বন্ধু রি&
- GenresBusiness
42 pages, Kindle Edition
First published February 1, 2018
About the author
Munir Hasan
24 books76 followersজন্ম চট্টগ্রামে। হাইস্কুলের পড়ালেখাও সেখানেই— সেন্ট মেরিজ, মুসলিম এডুকেশন সোসাইটি ও মুসলিম হাইস্কুল। পরে চট্টগ্রাম কলেজ হয়ে ঢাকার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে।
দৈনিক সংবাদের সাপ্তাহিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ফিচার পাতায় লেখালেখির মাধ্যমে সাহচর্য পেয়েছেন বিজ্ঞান লেখক ও বিজ্ঞান কর্মী আ. মু. জহুরুল হক, আবদুল্লাহ আল-মুতী, শরফুদ্দিন কিংবা এ আর খানের। তাদের অনুপ্রেরণায় নিজেকে বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণের কর্মী হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করেছেন।
১৯৯৫ সাল থেকে ভোরের কাগজে এবং ১৯৯৮ সাল থেকে দৈনিক প্রথম আলোয় বিজ্ঞানবিষয়ক সাপ্তাহিক ফিচার পাতার সম্পাদনা করেছেন।
২০০৩ সালে অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদের সঙ্গে থেকে অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীর নেতৃত্বে গড়ে তোলেন বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি। বর্তমানে তিনি কমিটির সাধারণ সম্পাদক।
গণিতের পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রোগ্রামিং প্রসারের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর ‘চাকরি খুঁজব না, চাকরি দেবো’ নামের প্ল্যাটফর্মটা তরুণদের উদ্যোক্তা হতে উৎসাহিত করছে।
গণিত আর বিজ্ঞান নিয়ে লেখার পাশাপাশি যুক্ত রয়েছেন ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির পাঠ্যপুস্তক রচনা ও সম্পাদনায়।
বর্তমানে দৈনিক প্রথম আলোয় যুব কর্মসূচি সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন।
দৈনিক সংবাদের সাপ্তাহিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ফিচার পাতায় লেখালেখির মাধ্যমে সাহচর্য পেয়েছেন বিজ্ঞান লেখক ও বিজ্ঞান কর্মী আ. মু. জহুরুল হক, আবদুল্লাহ আল-মুতী, শরফুদ্দিন কিংবা এ আর খানের। তাদের অনুপ্রেরণায় নিজেকে বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণের কর্মী হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করেছেন।
১৯৯৫ সাল থেকে ভোরের কাগজে এবং ১৯৯৮ সাল থেকে দৈনিক প্রথম আলোয় বিজ্ঞানবিষয়ক সাপ্তাহিক ফিচার পাতার সম্পাদনা করেছেন।
২০০৩ সালে অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদের সঙ্গে থেকে অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীর নেতৃত্বে গড়ে তোলেন বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি। বর্তমানে তিনি কমিটির সাধারণ সম্পাদক।
গণিতের পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রোগ্রামিং প্রসারের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর ‘চাকরি খুঁজব না, চাকরি দেবো’ নামের প্ল্যাটফর্মটা তরুণদের উদ্যোক্তা হতে উৎসাহিত করছে।
গণিত আর বিজ্ঞান নিয়ে লেখার পাশাপাশি যুক্ত রয়েছেন ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির পাঠ্যপুস্তক রচনা ও সম্পাদনায়।
বর্তমানে দৈনিক প্রথম আলোয় যুব কর্মসূচি সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 28 of 28 reviews
April 12, 2018
পাঠক হিসেবে আমি মোটামুটি সর্বভুক হলেও মার্কেটিং কিংবা বিজনেস জনরার বই আগে কখনও পড়িনি। আমার ধারণা ছিল এডুকেশনাল ব্যাকগ্রাউন্ড বিজনেস স্টাডিজ না হলে মার্কেটিং সংক্রান্ত উচ্চমার্গীয় বিষয় পুরোপুরি মাথার উপর দিয়ে যাবে!
তো বেশ ভয়ে ভয়ে শরবতে বাজিমাত বইটা হাতে নিয়েছিলাম। বইয়ের নামটা কিছুটা আনইউজ্যুয়াল। তাই নাম নিয়ে আগে কিছু কথা বলে নেই। রিচার্ড রীড, এডাম বেলন আর জন রাইট নামধারী তিন বন্ধু প্রায় শূন্য থেকে শুরু করে "ইনোসেন্ট" নামের এক ফ্রুট স্মুদি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছিল যা এখন ইউরোপের ১৩টি দেশে বিক্রয় হয়, আর কোম্পানির বাজার দর ১০ কোটি পাউন্ড! স্মুদির সহজ বাংলা অনুবাদ শরবত ধরে নিয়ে বইয়ের নামকরণ করা হয়েছে " শরবতে বাজিমাত"। (বইটি পড়ার পর ইনোসেন্ট ফ্রুট স্মুদির প্যাকেজিং বোতল দেখলাম। কি সুন্দর! দেখলেই টেস্ট করার ইচ্ছে জাগে!!)
খুব সহজ ভাষায় তিন বন্ধুর উদ্যোক্তা হওয়ার আদ্যোপান্ত বলা হয়েছে এই বইয়ে। সব কাজের ক্ষেত্রেই সফলতার মূলমন্ত্র হলো লেগে থাকা। নতুন কোনো আইডিয়া নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রেও তাই। রীড, বেলন আর রাইট ঠিক এই কাজটি করেছে। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে তিন বন্ধু প্রত্যেকেই ভাল ভাল প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার সু্যোগ পেয়েছিল। কিন্তু বাঁধাধরা চাকরি তাদের ভালো লাগেনি। তাই সাহস করে লোভনীয় চাকরি ছেড়ে দিয়ে নেমে পড়েছিল নিজেদের একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার লক্ষ্যে। শুরুতে প্রতি পদেপদে হতাশ হতে হলেও তারা হাল ছেড়ে না দিয়ে স্বপ্নের পেছনে লেগে ছিল। সবচেয়ে দারুণ ব্যাপারটা হলো প্রতি মুহূর্তের ব্যর্থতা থেকে তারা নতুন কিছু শিখেছে! এই ব্যাপারটা সবকাজের ক্ষেত্রেই সত্যি। লেগে থাকতে হবে এবং ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিতে হবে।
তিন বন্ধুর গল্প বলার ছলে যারা উদ্যোক্তা হতে চায় তাদের জন্য অসংখ্য টিপস দেয়া আছে এই বইয়ে। বাঁধাধরা চাকুরী জীবন যাদের অপছন্দ তারা একটু সাহস করলেই নিজের একটা ব্যবসা দাঁড় করিয়ে ফেলতে পারে! আর এই বইটি হবে তাদের গাইড!
বইয়ের পৃষ্ঠা সংখ্যা মাত্র ৮০। এই অল্প পরিসীমার মধ্যেই মোটামোটা গুছিয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার সব ধরণের মন্ত্র বলে দেয়া হয়েছে। তবে আরেকটু বিষদ পরিসরে লিখলে ভালো হতো।
গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে চাকরি করতে হবে এই ধ্যানধারণা থেকে বের হয়ে এসে ইদানীং অনেকেই নতুন কিছু করছে। অনলাইন বিজনেস থেকে শুরু করে নানা ধরণের এপসের মাধ্যমে ব্যস্ত জীবনকে কিভাবে আরেকটু সহজ করা যায় সেসব নিয়ে অনেকেই ইতোমধ্যে নানা উদ্যোগ নিয়ে সফলও হয়েছে। এই বইটি নিশ্চিতভাবে তাদের স্বপ্নের পরিধিকে বাড়াতে সাহায্য করবে!
রেটিং- ৩.৫।।
তো বেশ ভয়ে ভয়ে শরবতে বাজিমাত বইটা হাতে নিয়েছিলাম। বইয়ের নামটা কিছুটা আনইউজ্যুয়াল। তাই নাম নিয়ে আগে কিছু কথা বলে নেই। রিচার্ড রীড, এডাম বেলন আর জন রাইট নামধারী তিন বন্ধু প্রায় শূন্য থেকে শুরু করে "ইনোসেন্ট" নামের এক ফ্রুট স্মুদি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছিল যা এখন ইউরোপের ১৩টি দেশে বিক্রয় হয়, আর কোম্পানির বাজার দর ১০ কোটি পাউন্ড! স্মুদির সহজ বাংলা অনুবাদ শরবত ধরে নিয়ে বইয়ের নামকরণ করা হয়েছে " শরবতে বাজিমাত"। (বইটি পড়ার পর ইনোসেন্ট ফ্রুট স্মুদির প্যাকেজিং বোতল দেখলাম। কি সুন্দর! দেখলেই টেস্ট করার ইচ্ছে জাগে!!)
খুব সহজ ভাষায় তিন বন্ধুর উদ্যোক্তা হওয়ার আদ্যোপান্ত বলা হয়েছে এই বইয়ে। সব কাজের ক্ষেত্রেই সফলতার মূলমন্ত্র হলো লেগে থাকা। নতুন কোনো আইডিয়া নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রেও তাই। রীড, বেলন আর রাইট ঠিক এই কাজটি করেছে। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে তিন বন্ধু প্রত্যেকেই ভাল ভাল প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার সু্যোগ পেয়েছিল। কিন্তু বাঁধাধরা চাকরি তাদের ভালো লাগেনি। তাই সাহস করে লোভনীয় চাকরি ছেড়ে দিয়ে নেমে পড়েছিল নিজেদের একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার লক্ষ্যে। শুরুতে প্রতি পদেপদে হতাশ হতে হলেও তারা হাল ছেড়ে না দিয়ে স্বপ্নের পেছনে লেগে ছিল। সবচেয়ে দারুণ ব্যাপারটা হলো প্রতি মুহূর্তের ব্যর্থতা থেকে তারা নতুন কিছু শিখেছে! এই ব্যাপারটা সবকাজের ক্ষেত্রেই সত্যি। লেগে থাকতে হবে এবং ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিতে হবে।
তিন বন্ধুর গল্প বলার ছলে যারা উদ্যোক্তা হতে চায় তাদের জন্য অসংখ্য টিপস দেয়া আছে এই বইয়ে। বাঁধাধরা চাকুরী জীবন যাদের অপছন্দ তারা একটু সাহস করলেই নিজের একটা ব্যবসা দাঁড় করিয়ে ফেলতে পারে! আর এই বইটি হবে তাদের গাইড!
বইয়ের পৃষ্ঠা সংখ্যা মাত্র ৮০। এই অল্প পরিসীমার মধ্যেই মোটামোটা গুছিয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার সব ধরণের মন্ত্র বলে দেয়া হয়েছে। তবে আরেকটু বিষদ পরিসরে লিখলে ভালো হতো।
গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে চাকরি করতে হবে এই ধ্যানধারণা থেকে বের হয়ে এসে ইদানীং অনেকেই নতুন কিছু করছে। অনলাইন বিজনেস থেকে শুরু করে নানা ধরণের এপসের মাধ্যমে ব্যস্ত জীবনকে কিভাবে আরেকটু সহজ করা যায় সেসব নিয়ে অনেকেই ইতোমধ্যে নানা উদ্যোগ নিয়ে সফলও হয়েছে। এই বইটি নিশ্চিতভাবে তাদের স্বপ্নের পরিধিকে বাড়াতে সাহায্য করবে!
রেটিং- ৩.৫।।
May 8, 2020
Book: শরবতে বাজিমাত
Author: মুনির হাসান
হ্যাঁ শুধু বইয়ের নামই শরবত নিয়ে নয়। বইয়ের বিষয়বস্তুও শরবত নিয়ে!
বর্তমানে স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা হওয়ার এর ব্যাপক প্রচলন দেখা যাচ্ছে। সারা পৃথিবীর দিকে লক্ষ্য করলেই দেখতে পাওয়া যায়। আমাদের দেশে এ নিয়ে তেমন কোন বই নেই। লেখক মুনির হাসান স্যার এটি নিয়ে একটি বই লিখে ফেলেন। যার নাম শরবত নিয়ে কারণ বইটির উদাহরণ বা কেন্দ্রীয় চরিত্ররা এই শরবতেরই ব্যবসা করেন। তাদের নাম ‘এডাম’, ‘রিচারড’ ও ‘জন’। তাদের কোম্পানি “ইনোসেন্ট”কে এখানে লেখক মডেল হিসেবে নিয়েছেন।
বইয়ের অন্যতম সেরা অংশ আমার মনে হয় “দাদিমার টেস্ট”। এর মূল বিষয়বস্তু হল এমন ধারণা যা এত সহজ যে দাদিমাকেও বুঝানো যায়। আমেরিকায় এর নাম “এলিভেটর পিচ”।
ঐ তিনজনের নানা প্ল্যান নিয়ে বইটি সাজানো হয়েছে। তাদের প্রথম দিকের একটি প্ল্যান ছিল অসাধারণ যাতে তাদের প্ল্যান ছিল, তারা দুটি ঝুড়ি রাখবে একটিতে তাদের গ্রাহক যাদের শরবতটি খারাপ লেগেছিল তারা বোতল রাখবে, আর অন্য ঝুরিতে যাদের ভালো লেগেছিল তারা। যা থেকে তারা সিদ্ধান্ত নিবে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার।
বইটিতে আরেকটি বিষয় ছিল “চাখতে দাও”, সেটিও অসাধারণ ছিল।
উদ্যোক্তাদের জন্য রিচারডরা যে পরামর্শ দিয়েছেন তা নিচে তুলে ধরা হল,
১। প্রতিশ্রুতির তালিকা বানান এবং তা রক্ষা করুন।
২। সঠিক নামটি খুঁজে নিন।
৩। আপনার পন্য/সেবাটি উপস্থাপনের ক্ষেত্রে সৌন্দর্যের দিকে খেয়াল রাখুন।
৪। সঠিক জায়গায় নিজেকে দেখান।
৫। পত্রিকায় নিজেকে আনুন।
৬। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে দিন।
৭। ডিজিটাল হোন।
৮। এবং বিজ্ঞাপন দিন।
ইনোসেন্ট কোম্পানির ওয়েবসাইটে কেউ ঘুরে আসতে চাইলে তার লিঙ্কঃ https://www.innocentdrinks.co.uk/
My rating: 9/10
Author: মুনির হাসান
হ্যাঁ শুধু বইয়ের নামই শরবত নিয়ে নয়। বইয়ের বিষয়বস্তুও শরবত নিয়ে!
বর্তমানে স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা হওয়ার এর ব্যাপক প্রচলন দেখা যাচ্ছে। সারা পৃথিবীর দিকে লক্ষ্য করলেই দেখতে পাওয়া যায়। আমাদের দেশে এ নিয়ে তেমন কোন বই নেই। লেখক মুনির হাসান স্যার এটি নিয়ে একটি বই লিখে ফেলেন। যার নাম শরবত নিয়ে কারণ বইটির উদাহরণ বা কেন্দ্রীয় চরিত্ররা এই শরবতেরই ব্যবসা করেন। তাদের নাম ‘এডাম’, ‘রিচারড’ ও ‘জন’। তাদের কোম্পানি “ইনোসেন্ট”কে এখানে লেখক মডেল হিসেবে নিয়েছেন।
বইয়ের অন্যতম সেরা অংশ আমার মনে হয় “দাদিমার টেস্ট”। এর মূল বিষয়বস্তু হল এমন ধারণা যা এত সহজ যে দাদিমাকেও বুঝানো যায়। আমেরিকায় এর নাম “এলিভেটর পিচ”।
ঐ তিনজনের নানা প্ল্যান নিয়ে বইটি সাজানো হয়েছে। তাদের প্রথম দিকের একটি প্ল্যান ছিল অসাধারণ যাতে তাদের প্ল্যান ছিল, তারা দুটি ঝুড়ি রাখবে একটিতে তাদের গ্রাহক যাদের শরবতটি খারাপ লেগেছিল তারা বোতল রাখবে, আর অন্য ঝুরিতে যাদের ভালো লেগেছিল তারা। যা থেকে তারা সিদ্ধান্ত নিবে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার।
বইটিতে আরেকটি বিষয় ছিল “চাখতে দাও”, সেটিও অসাধারণ ছিল।
উদ্যোক্তাদের জন্য রিচারডরা যে পরামর্শ দিয়েছেন তা নিচে তুলে ধরা হল,
১। প্রতিশ্রুতির তালিকা বানান এবং তা রক্ষা করুন।
২। সঠিক নামটি খুঁজে নিন।
৩। আপনার পন্য/সেবাটি উপস্থাপনের ক্ষেত্রে সৌন্দর্যের দিকে খেয়াল রাখুন।
৪। সঠিক জায়গায় নিজেকে দেখান।
৫। পত্রিকায় নিজেকে আনুন।
৬। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে দিন।
৭। ডিজিটাল হোন।
৮। এবং বিজ্ঞাপন দিন।
ইনোসেন্ট কোম্পানির ওয়েবসাইটে কেউ ঘুরে আসতে চাইলে তার লিঙ্কঃ https://www.innocentdrinks.co.uk/
My rating: 9/10
September 29, 2021
শরবতে বাজিমাত
লেখক: মুনির হাসান
প্রকাশক: আদর্শ
ISBN-10: 9789849266297
লেখক পরিচিতি:
লেখক মুনির হাসানের জন্ম ২৯ জুলাই, ১৯৬ সালে চট্টগ্রামে। হাইস্কুলের পড়ালেখাও সেখানেই— সেন্ট মেরিজ, মুসলিম এডুকেশন সোসাইটি ও মুসলিম হাইস্কুল। পরে চট্টগ্রাম কলেজ হয়ে ঢাকার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্বিদ্যালয়ে। দৈনিক সংবাদের সাপ্তাহিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ফিচার পাতায় লেখালেখির মাধ্যমে।
পাঠ প্রতিক্রিয়া:
বইটিতে কিভাবে ছোট কিছু দিয়ে ব্যবসাহ শুরু করতে হবে, শুধু কথায় পটু না হয়ে মেধা কিভাবে কাজে লাগাতে হবে, মার্কেট সম্পর্কে ধারনা, মার্কেটিং এর টুকিটাকি, যাচাই বাছাই করা, কাজে লেগে থাকা, হাল ছেড়ে না দেওয়া সহ বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
বেশ কাজের কিছু টপিক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লেখকের লেখনি খুবই স্পষ্ট। সহজ ভাষায় বইটি লেখা হয়েছে। উদাহরণ এর কারনে বুঝতে সহজ হয়।
উদ্যোক্তা কিন্বা মার্কেটিং নিয়ে যারা কাজ করে তাদের ভালো লাগবে এবং কাজে লাগবে। নতুনদের জন্য অনুপ্রেরণা মূলক বই। আর সাইজে খুব ছোট বই, সহজেই পড়া শেষ হয়ে যাবে।
প্রোডাকশন কোয়ালিটি:
বইটি হার্ডবাইন্ডিং এর। মোটা কাগজ ব্যবহার করা হয়েছে। প্রচ্ছদটি বেশ চমৎকার। বুকমার্কিং রিবন দিলে ভালো হতো।
কন্টেন্ট, প্রোডাকশন সব মিলিয়ে বইটা আমার ভালো লেগেছে। পড়তে পারেন, খারাপ লাগবে না, বেশ কিছু জিনিস শিখতেও পারবেন।
লেখক: মুনির হাসান
প্রকাশক: আদর্শ
ISBN-10: 9789849266297
লেখক পরিচিতি:
লেখক মুনির হাসানের জন্ম ২৯ জুলাই, ১৯৬ সালে চট্টগ্রামে। হাইস্কুলের পড়ালেখাও সেখানেই— সেন্ট মেরিজ, মুসলিম এডুকেশন সোসাইটি ও মুসলিম হাইস্কুল। পরে চট্টগ্রাম কলেজ হয়ে ঢাকার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্বিদ্যালয়ে। দৈনিক সংবাদের সাপ্তাহিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ফিচার পাতায় লেখালেখির মাধ্যমে।
পাঠ প্রতিক্রিয়া:
বইটিতে কিভাবে ছোট কিছু দিয়ে ব্যবসাহ শুরু করতে হবে, শুধু কথায় পটু না হয়ে মেধা কিভাবে কাজে লাগাতে হবে, মার্কেট সম্পর্কে ধারনা, মার্কেটিং এর টুকিটাকি, যাচাই বাছাই করা, কাজে লেগে থাকা, হাল ছেড়ে না দেওয়া সহ বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
বেশ কাজের কিছু টপিক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লেখকের লেখনি খুবই স্পষ্ট। সহজ ভাষায় বইটি লেখা হয়েছে। উদাহরণ এর কারনে বুঝতে সহজ হয়।
উদ্যোক্তা কিন্বা মার্কেটিং নিয়ে যারা কাজ করে তাদের ভালো লাগবে এবং কাজে লাগবে। নতুনদের জন্য অনুপ্রেরণা মূলক বই। আর সাইজে খুব ছোট বই, সহজেই পড়া শেষ হয়ে যাবে।
প্রোডাকশন কোয়ালিটি:
বইটি হার্ডবাইন্ডিং এর। মোটা কাগজ ব্যবহার করা হয়েছে। প্রচ্ছদটি বেশ চমৎকার। বুকমার্কিং রিবন দিলে ভালো হতো।
কন্টেন্ট, প্রোডাকশন সব মিলিয়ে বইটা আমার ভালো লেগেছে। পড়তে পারেন, খারাপ লাগবে না, বেশ কিছু জিনিস শিখতেও পারবেন।
February 26, 2018
শরবতে বাজিমাত আসলে বাজিতে জিতে যাওয়ার গল্প। ইনোসেন্টের অনুবাদ না হয়েই মনে হয় ভালো হয়েছে। কিন্তু, সবচে বড়ো অভিযোগের বিষয় মনে হয়েছে, কলেবর একটু বেশিই ছোট মনে হয়েছে। লেখক যেহেতু নিজের মতো করে লিখেছেন, চাইলে উনি উনার অভিজ্ঞতার আলোকে কিছুটা বিস্তৃত আকারে লিখতে পারতেন। তবে, আমার কাছে এক কথায় বেশ ভালো লেগেছে। একাগ্রতার প্রয়োজন সবকিছুতেই। সেই সাথে চেষ্টা। লেখকের এই পয়েন্টগুলোতে গুরুত্ব দেয়ার বিষয়টি এবং কিছু অধ্যায়ের শেষে করণীয় লিস্ট রাখার বিষয়টি কার্যকর অনুষঙ্গ বলে মনে হয়েছে।
June 12, 2019
বইয়ের লেখক সুন্দরভাবে ইনোসেন্টের গল্প তুলে ধরেন। যারা উদ্যোক্তা হতে চান, তারা এই বইটি পড়তে পারেন।
April 3, 2018
প্রচলিত ৯-৫ চাকুরি যাদের পছন্দ না তাদের অনেকেই নিজ উদ্দ্যেগ থেকে কিছু একটা করতে চায়। গড়ে তুলতে চায় নিজের স্বাধীন ব্যবসা। কিন্তু কিভাবে কি করবে এই ধারণাটা অনেক ভিতরই থাকে না। তার উপর ত রয়েছেই নানান জায়গা থেকে হাজারো না না। বইটিতে তিন বন্ধুর জীবনের গল্প। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক করা এই তিন যুবক এর ভিতর নতুন কিছু করার চেষ্টা সব সময়ই ছিল। কিন্তু একদম নতুন কিছু না করে, প্রচলিত জিনিস থেকেই যে নতুন কিছু করা সম্ভব তার একটা দৃষ্টান্ত হচ্ছে এই তিন বন্ধুর শরবত বিক্রি। শুধুমাত্র শরবত বিক্রি করেই তাঁরা প্রশান্ত মহাসাগরে ব্যক্তিগত দ্বীপের মালিক।
কি করে সেই তিন বন্ধু গড়ে তুলল তাদের সেই কম্পানি, কি করে তাঁরা অতিক্রম করল তাদের সমস্ত বাঁধা, কি ছিল তাদের চিন্তাধারা এবং কৌশল। তাদেরই জবানীতে লেখা “এবাউট ইনোসেন্ট” বইটি লেখক নিজের মত করে, এ দেশের প্রেক্ষাপট ও অভিজ্ঞতা থেকে লিখেছেন।
কি করে সেই তিন বন্ধু গড়ে তুলল তাদের সেই কম্পানি, কি করে তাঁরা অতিক্রম করল তাদের সমস্ত বাঁধা, কি ছিল তাদের চিন্তাধারা এবং কৌশল। তাদেরই জবানীতে লেখা “এবাউট ইনোসেন্ট” বইটি লেখক নিজের মত করে, এ দেশের প্রেক্ষাপট ও অভিজ্ঞতা থেকে লিখেছেন।
March 4, 2019
বইয়ের কনসেপ্ট ভালো। তবে লেখাটা আরেকটু সহজ আশা করেছিলাম। পড়তে অনেকটা অঙ্কুরের হ্যারি পটার অনুবাদের মতো লাগে। বাক্যে অপ্রয়োজনীয় ইংরেজি শব্দ আর ইংরেজি শব্দের বাংলা না দিলেও চলতো। বইটার বর্ণনা একটু অন্যরকম হলে ভালো হতো।
May 2, 2020
উদ্দ্যোক্তা হওয়ার গল্প নিয়ে ইংরেজি বইয়ের কোন অভাব নেই বাজারে, কিন্তু বাংলায় যেকোনো ধাঁচেরই ভালো নন-ফিকশন বইয়ের খুব ঘাটতি। আদর্শ প্রকাশনী সম্প্রতি বাংলাতেই অনেকগুলো দারুণ মানের নন-ফিকশন বই বের করছে, মুনির হাসান স্যারের 'শরবতে বাজিমাত'ও সেরকমই বাংলাতে লেখা অসাধারণ একটা বই যারা উদ্দ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখেন তাদের জন্য। একেবারে শুন্য থেকে ব্যবসা শুরু করে সফল হওয়ার অসংখ্য গল্প থেকে ইচ্ছা করেই স্যার বেছে নিয়েছেন ইংল্যান্ডের তিন তরুণের 'শরবত'(স্মুদি) ব্যবসা দিয়ে বাজিমাত করার এই গল্পটা। বাজারের বেশিরভাগ বইয়েই আমেরিকার সিলিকন ভ্যালির আইটি উদ্দ্যোক্তাদের সফল হওয়ার খুঁটিনাটি থাকে, যেগুলোর শিক্ষা আমাদের ঢাকা শহরে একটা ব্যবসা শুরু করার ক্ষেত্রে কাজে লাগানোর সুযোগ খুব কম। তারচেয়ে লন্ডনের প্রচণ্ড গরমে শরবত বেচার আইডিয়াটাই বরং অনেক বেশি 'রিলেটেবল'।
বইটা মূলত ইনোসেন্ট ড্রিংকস এর তিন প্রতিষ্ঠাতার বই 'A Book about Innocent' এর ভাবানুবাদ। গল্পের মূল বিষয় ঠিক রেখে স্যার শুধু সেটা রূপান্তর করে দিয়েছেন আমাদের দেশের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে। ছোট্ট ছোট্ট ১২টা চ্যাপ্টারে ইনোসেন্ট গ্রুপের সূচনা থেকে যাত্রার পদক্ষেপগুলি এবং প্রতিটি পদক্ষেপে তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাগুলি তুলে ধরা হয়েছে।
বইটির অসংখ্য ব্যবসায়িক আইডিয়াগুলোর মধ্যে বিশেষভাবে যে আইডিয়াগুলি মনে ধরেছে - সেগুলোর কথা একটু উল্লেখ করছি। প্রথমত, প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেরাই নিজেদের বেঁধে ফেলার একটা ব্যাপার ছিল, যেখানে কেবলমাত্র প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা বা সবক্ষেত্রে উদার হওয়ার মত ইনোসেন্টের যে মূল্যবোধগুলি ছিল সেগুলো মুনাফার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত না হলেও সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতিতেও তা মেনে চলা নিয়ে তাদের বাড়াবাড়ি। এর ফলে তাদের ব্রান্ডের যে নিজস্ব একটা পরিচয় দাঁড়িয়ে গেছে যেকোন ব্যবসা দাঁড় করানোর ক্ষেত্রে তা অমূল্য হতে পারে। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটা খুবই কাজের একটা ধারণা - ইনোসেন্ট-ত্রয়ী একটি 'দাদিমা টেস্ট' সম্বন্ধে বলেছেন, যেটার বক্তব্য হচ্ছে ব্যবসা সফল হতে হলে একটা ধারণাকে এতোটাই সহজ এবং পরিষ্কার হতে হবে যেন আমাদের দাদি-নানিকেও তা বুঝানো যায়। আমাদের অনেক তরুণই অভিযোগ করেন তাদের পরিবারকে তারা বুঝাতে পারছেন না তাদের চাকরি বাদ দিয়ে ব্যবসা করাটা কেন জরুরি, তাদের জন্য মুনির স্যারের বক্তব্য খুব পরিষ্কার - নিজের প্রিয়জনকেই বুঝাতে না পারলে সম্পূর্ণ অপরিচিত বিনিয়োগকারীদের কিছুতেই আপনার ব্যবসায়িক আইডিয়া বুঝাতে পারার কথা নয়। তৃতীয় যে ধারণাটা আমার ভালো লেগেছে সেটিও একটি টেস্ট - 'ভ্যান টেস্ট', যেটার ব্যাপারটা হল যেকোন প্রোজেক্টে কাউকে নিজের টিম মেম্বার বানানোর আগে তার সাথে অবশ্যই একটা ভ্যান ট্রিপে যাওয়া, কারণ যাত্রাপথের দীর্ঘ একঘেয়ে মুহুর্তগুলি যার সঙ্গ সহনীয় করতে পারবে, পথের নানা খুঁটিনাটি সমস্যা যার সাথে মিলে সমাধান করতে আপনার মন্দ লাগবে না, তার সাথেই কেবল বড় কোন প্রজেক্টে নামা যেতে পারে।
বইটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লেসনটি সম্ভবত ছিল এটাই - আগে শুরু তো করো, এগুনোর উপায় ঠিকই বের হয়ে যাবে। আমাদের চারপাশের মানুষের সাথে কথা বললে দেখা যাবে, তাদের অধিকাংশেরই কোন না কোন যুগান্তকারী ব্যবসার আইডিয়া আছে, কিন্তু তা নিয়ে এগিয়ে আসার সাহস খুব কম জনেরই থাকে। নিজেদের ডর্ম থেকে শরবত বেচা শুরু করে সেই তিন বন্ধুর প্রত্যেকে এখন প্রশান্ত মহাসাগরে ব্যক্তিগত দ্বীপের মালিক, আর আমাদের সামনে তারা তুলে ধরেছেন তাদের রূপকথার মত এই যাত্রার সব খুঁটিনাটি।
বইটা মূলত ইনোসেন্ট ড্রিংকস এর তিন প্রতিষ্ঠাতার বই 'A Book about Innocent' এর ভাবানুবাদ। গল্পের মূল বিষয় ঠিক রেখে স্যার শুধু সেটা রূপান্তর করে দিয়েছেন আমাদের দেশের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে। ছোট্ট ছোট্ট ১২টা চ্যাপ্টারে ইনোসেন্ট গ্রুপের সূচনা থেকে যাত্রার পদক্ষেপগুলি এবং প্রতিটি পদক্ষেপে তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাগুলি তুলে ধরা হয়েছে।
বইটির অসংখ্য ব্যবসায়িক আইডিয়াগুলোর মধ্যে বিশেষভাবে যে আইডিয়াগুলি মনে ধরেছে - সেগুলোর কথা একটু উল্লেখ করছি। প্রথমত, প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেরাই নিজেদের বেঁধে ফেলার একটা ব্যাপার ছিল, যেখানে কেবলমাত্র প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা বা সবক্ষেত্রে উদার হওয়ার মত ইনোসেন্টের যে মূল্যবোধগুলি ছিল সেগুলো মুনাফার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত না হলেও সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতিতেও তা মেনে চলা নিয়ে তাদের বাড়াবাড়ি। এর ফলে তাদের ব্রান্ডের যে নিজস্ব একটা পরিচয় দাঁড়িয়ে গেছে যেকোন ব্যবসা দাঁড় করানোর ক্ষেত্রে তা অমূল্য হতে পারে। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটা খুবই কাজের একটা ধারণা - ইনোসেন্ট-ত্রয়ী একটি 'দাদিমা টেস্ট' সম্বন্ধে বলেছেন, যেটার বক্তব্য হচ্ছে ব্যবসা সফল হতে হলে একটা ধারণাকে এতোটাই সহজ এবং পরিষ্কার হতে হবে যেন আমাদের দাদি-নানিকেও তা বুঝানো যায়। আমাদের অনেক তরুণই অভিযোগ করেন তাদের পরিবারকে তারা বুঝাতে পারছেন না তাদের চাকরি বাদ দিয়ে ব্যবসা করাটা কেন জরুরি, তাদের জন্য মুনির স্যারের বক্তব্য খুব পরিষ্কার - নিজের প্রিয়জনকেই বুঝাতে না পারলে সম্পূর্ণ অপরিচিত বিনিয়োগকারীদের কিছুতেই আপনার ব্যবসায়িক আইডিয়া বুঝাতে পারার কথা নয়। তৃতীয় যে ধারণাটা আমার ভালো লেগেছে সেটিও একটি টেস্ট - 'ভ্যান টেস্ট', যেটার ব্যাপারটা হল যেকোন প্রোজেক্টে কাউকে নিজের টিম মেম্বার বানানোর আগে তার সাথে অবশ্যই একটা ভ্যান ট্রিপে যাওয়া, কারণ যাত্রাপথের দীর্ঘ একঘেয়ে মুহুর্তগুলি যার সঙ্গ সহনীয় করতে পারবে, পথের নানা খুঁটিনাটি সমস্যা যার সাথে মিলে সমাধান করতে আপনার মন্দ লাগবে না, তার সাথেই কেবল বড় কোন প্রজেক্টে নামা যেতে পারে।
বইটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লেসনটি সম্ভবত ছিল এটাই - আগে শুরু তো করো, এগুনোর উপায় ঠিকই বের হয়ে যাবে। আমাদের চারপাশের মানুষের সাথে কথা বললে দেখা যাবে, তাদের অধিকাংশেরই কোন না কোন যুগান্তকারী ব্যবসার আইডিয়া আছে, কিন্তু তা নিয়ে এগিয়ে আসার সাহস খুব কম জনেরই থাকে। নিজেদের ডর্ম থেকে শরবত বেচা শুরু করে সেই তিন বন্ধুর প্রত্যেকে এখন প্রশান্ত মহাসাগরে ব্যক্তিগত দ্বীপের মালিক, আর আমাদের সামনে তারা তুলে ধরেছেন তাদের রূপকথার মত এই যাত্রার সব খুঁটিনাটি।
July 5, 2026
আপনারা সবাই “মাথায় পোকা ওঠা” ব্যাপারটার সাথে পরিচিত আছেন না?এই ধরুন, হুট করে আপনার মাথায় কোনোকিছু চেপে বসলো। এখন ঐ জিনিসটা না করা পর্যন্ত আপনি আর কিছুতেই শান্তি পাবেন না। হ্যা, এইটাকেই আমি বলতেছি “মাথায় পোকা ওঠা” আর এই ব্যাপারটা আমার সাথে প্রায়শই ঘটে।
একরাতের কথা, হঠাৎ মাথায় পোকা উঠলো, আমার কোনো একটা বিজনেস করা উচিত। হোক ছোট পরিসরে, কিন্তু করব। এই পোকা অবশ্য আপনাদেরও ওঠা উচিত, যখন প্রতিবছর দেশের গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে ৫৫% আনএমপ্লয়মেন্টের মধ্যেই থেকে যাচ্ছে। যাইহোক, দুধের সাধ ঘোলে মিটাইতে চিন্তা করলাম তাইলে বিজনেস নিয়ে পড়াশোনা করা যাক একটু। এরপর শুরু করলাম বিজনেস রিলেটেড বইয়ের খোঁজ। জানলাম, এই রিলেটেড ভালো বই পড়তে হইলে বাইরের লেখকের বই ছাড়া উপায় নাই। তাও বহু খোঁজাখুঁজির পর “মুনির হাসান” নামক এক দেশী লেখকের খোঁজ পাইলাম।
“শরবতে বাজিমাত” হইলো তিন বন্ধুর গল্প। যারা একইসাথে কেমব্রিজ থেকে পাশ করছে। কিন্তু তাদের মাথায়ও পোকা ছিল বিজনেস করার। তাই একটা আইডিয়া পেতেই পরদিন তিনজনই নিজেদের চাকরি ছেড়ে এই বিজনেস নিয়ে বসলেন। ভাবতেসেন, কেমব্রিজ থেকে পাশ করা যেহেতু, তাইলে মনে হয় বড় কোনো ব্যবসাতেই চাকরি গুটিয়ে নামতেছে। কিন্তু না, ঘটনা অন্য। তাদের আইডিয়া হলো, তারা ফল থেকে ডিরেক্ট শরবত বানাবেন। এই ফল থেকে শরবত বানানোর মধ্যে কোনো কিচ্ছুটি নাই। ফল, তা থেকে ডিরেক্ট শরবত। এইটা বোতলে করে বিক্রি। শতভাগ প্রাকৃতিক এবং খাঁটি। তারা এর নাম দিয়েছিলেন “ইনোসেন্ট।”
তখন বাজারে জুসের প্রচলন ছিল না ভেবে ভুল করবেন না। তখন অনেক অনেক বড় বড় জুস বা এই টাইপের কোম্পানি ছিল। তবে তাদের থেকে “ইনোসেন্ট” ছিল সামান্য আলাদা। তাদের চিন্তা ছিল আলাদা। আইডিয়া ছিল আলাদা। এই ইনোসেন্টের আইডিয়া থেকে শুরু করে, তিন বন্ধুর চাকরি ছেড়ে দেওয়া, ব্যবসায় নামা, স্ট্রাগল, তাদের অভিজ্ঞতা, তাদের ব্যর্থতা, সফলতা, শিক্ষা, মার্কেটিং— সবকিছুই এই বইয়ের মধ্যে আছে। তবে এই বই শুধু ইনোসেন্টের গল্প না, এই বই আপনাকে বিজনেস সম্বন্ধে অনেক বেসিক জিনিসপাতি শেখাবে, ফাউন্ডেশনগুলা জানাবে, একটা বিজনেসে কোন জায়গাগুলোতে নজর দিতে হবে, কোন কাজগুলো কীভাবে করা যাইতে পারে— এরকম বিষয়গুলো সব উঠে এসেছে।
কাজেই, ইনোসেন্টের গল্প পড়তে, অনুপ্রেরণা পাইতে কিংবা ব্যবসা সম্বন্ধে টুকটাক জানার জন্য “শরবতে বাজিমাত।”
◻️ বই : শরবতে বাজিমাত
◻️ লেখক : মুনির হাসান
একরাতের কথা, হঠাৎ মাথায় পোকা উঠলো, আমার কোনো একটা বিজনেস করা উচিত। হোক ছোট পরিসরে, কিন্তু করব। এই পোকা অবশ্য আপনাদেরও ওঠা উচিত, যখন প্রতিবছর দেশের গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে ৫৫% আনএমপ্লয়মেন্টের মধ্যেই থেকে যাচ্ছে। যাইহোক, দুধের সাধ ঘোলে মিটাইতে চিন্তা করলাম তাইলে বিজনেস নিয়ে পড়াশোনা করা যাক একটু। এরপর শুরু করলাম বিজনেস রিলেটেড বইয়ের খোঁজ। জানলাম, এই রিলেটেড ভালো বই পড়তে হইলে বাইরের লেখকের বই ছাড়া উপায় নাই। তাও বহু খোঁজাখুঁজির পর “মুনির হাসান” নামক এক দেশী লেখকের খোঁজ পাইলাম।
“শরবতে বাজিমাত” হইলো তিন বন্ধুর গল্প। যারা একইসাথে কেমব্রিজ থেকে পাশ করছে। কিন্তু তাদের মাথায়ও পোকা ছিল বিজনেস করার। তাই একটা আইডিয়া পেতেই পরদিন তিনজনই নিজেদের চাকরি ছেড়ে এই বিজনেস নিয়ে বসলেন। ভাবতেসেন, কেমব্রিজ থেকে পাশ করা যেহেতু, তাইলে মনে হয় বড় কোনো ব্যবসাতেই চাকরি গুটিয়ে নামতেছে। কিন্তু না, ঘটনা অন্য। তাদের আইডিয়া হলো, তারা ফল থেকে ডিরেক্ট শরবত বানাবেন। এই ফল থেকে শরবত বানানোর মধ্যে কোনো কিচ্ছুটি নাই। ফল, তা থেকে ডিরেক্ট শরবত। এইটা বোতলে করে বিক্রি। শতভাগ প্রাকৃতিক এবং খাঁটি। তারা এর নাম দিয়েছিলেন “ইনোসেন্ট।”
তখন বাজারে জুসের প্রচলন ছিল না ভেবে ভুল করবেন না। তখন অনেক অনেক বড় বড় জুস বা এই টাইপের কোম্পানি ছিল। তবে তাদের থেকে “ইনোসেন্ট” ছিল সামান্য আলাদা। তাদের চিন্তা ছিল আলাদা। আইডিয়া ছিল আলাদা। এই ইনোসেন্টের আইডিয়া থেকে শুরু করে, তিন বন্ধুর চাকরি ছেড়ে দেওয়া, ব্যবসায় নামা, স্ট্রাগল, তাদের অভিজ্ঞতা, তাদের ব্যর্থতা, সফলতা, শিক্ষা, মার্কেটিং— সবকিছুই এই বইয়ের মধ্যে আছে। তবে এই বই শুধু ইনোসেন্টের গল্প না, এই বই আপনাকে বিজনেস সম্বন্ধে অনেক বেসিক জিনিসপাতি শেখাবে, ফাউন্ডেশনগুলা জানাবে, একটা বিজনেসে কোন জায়গাগুলোতে নজর দিতে হবে, কোন কাজগুলো কীভাবে করা যাইতে পারে— এরকম বিষয়গুলো সব উঠে এসেছে।
কাজেই, ইনোসেন্টের গল্প পড়তে, অনুপ্রেরণা পাইতে কিংবা ব্যবসা সম্বন্ধে টুকটাক জানার জন্য “শরবতে বাজিমাত।”
◻️ বই : শরবতে বাজিমাত
◻️ লেখক : মুনির হাসান
April 11, 2021
আমার মার্কেটিং কিংবা বিজনেস জনরার পড়া প্রথম বই। আপনি যেকোনো ব্যাকগ্রাউন্ডেরই হোন না কেন এই বইটি আপনার কাজে আসবে যদি আপনি উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখেন বা হতে চান। বইয়ে লেখক সুন্দরভাবে ইনোসেন্টের(শরবত কোম্পানি) গল্প তুলে ধরেন। যারা উদ্যোক্তা হতে চান, তারা এই বইটি পড়তে পারেন।
উদ্যোক্তাদের জন্য চমৎকার একটা বই। একজন উদ্যোক্তার কীভাবে ভাবা উচিৎ, কীভাবে আগানো উচিৎ, কীভাবে প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবেলা করা উচিৎ তার বেশ কিছু অনুষঙ্গ লেখক এ বইতে তুলে ধরেছেন একটা শরবত(স্মুদি) কোম্পানির অগ্রযাত্রার আলোকে।
ইনোসেন্ট নামের একটি স্মুদি মানে, এক প্রকার শরবতের কোম্পানি খুলে বসল তিন বন্ধু, রিচার্ড, এডম আর জন। আর ধীরে ধীরে হয়ে হলে উঠল ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বিশাল কোম্পানি। তাদের উদ্যোক্তা হওয়ার গল্পটা যেমন ছিল তা নিয়ে তারা লিখেছে একটি বই 'A Book About Innocent'।
লেখক মুনির হাসান বইটি প্রথমে অনুবাদ করবেন ভাবলেও পরে সেটি করেননি। কারণ তার মনে হয়েছে অনুবাদের মাধ্যমে তিন বন্ধুর উদ্যোক্তা হিসেবে যাত্রাটা বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা পুরাপুরি কাজে লাগাতে পারবে না।
তাই রিচার্ড, এডম আর জনের ব্যবসা জীবনের উত্থান - পতনের কাহিনীর মাঝে তুলে ধরেছেন, ব্যবসা খুঁজে বের করা, লেগে থাকা, ধৈর্য ধরা, নীতি মেনে কাজ করা, কর্মচারী বাছাই থেকে শুরু করে তাদের ধরে রাখার নানা কৌশলসহ আরো নানারকম মজার ব্যাপার। আর সেই সাথে বাংলাদেশের পরিবেশ উপযোগী নানা বিজনেস রিলেটেড টিপস তো আছেই।
শরবতে বাজিমাত আসলে বাজিতে জিতে যাওয়ার গল্প। ইনোসেন্টের অনুবাদ না হয়েই মনে হয় ভালো হয়েছে। কিন্তু, সবচে বড়ো অভিযোগের বিষয় মনে হয়েছে, কলেবর একটু বেশিই ছোট মনে হয়েছে। লেখক যেহেতু নিজের মতো করে লিখেছেন, চাইলে উনি উনার অভিজ্ঞতার আলোকে কিছুটা বিস্তৃত আকারে লিখতে পারতেন। তবে, আমার কাছে এক কথায় বেশ ভালো লেগেছে। একাগ্রতার প্রয়োজন সবকিছুতেই। সেই সাথে চেষ্টা। লেখকের এই পয়েন্টগুলোতে গুরুত্ব দেয়ার বিষয়টি এবং কিছু অধ্যায়ের শেষে করণীয় লিস্ট রাখার বিষয়টি কার্যকর অনুষঙ্গ বলে মনে হয়েছে।
ব্যবসার অনেক গুলো নতুন দিক নিয়ে ভিন্ন চিন্তায় লিখা এ বইটা বেশ তথ্যবহুল এবং মনে হল, এগুলো মেনে চললে ব্যবসা শুরু বা পরিচালনার অনেক সমস্যার সমাধান করে ফেলতে পারবেন উদ্যোক্তারা।
উদ্যোক্তাদের জন্য চমৎকার একটা বই। একজন উদ্যোক্তার কীভাবে ভাবা উচিৎ, কীভাবে আগানো উচিৎ, কীভাবে প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবেলা করা উচিৎ তার বেশ কিছু অনুষঙ্গ লেখক এ বইতে তুলে ধরেছেন একটা শরবত(স্মুদি) কোম্পানির অগ্রযাত্রার আলোকে।
ইনোসেন্ট নামের একটি স্মুদি মানে, এক প্রকার শরবতের কোম্পানি খুলে বসল তিন বন্ধু, রিচার্ড, এডম আর জন। আর ধীরে ধীরে হয়ে হলে উঠল ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বিশাল কোম্পানি। তাদের উদ্যোক্তা হওয়ার গল্পটা যেমন ছিল তা নিয়ে তারা লিখেছে একটি বই 'A Book About Innocent'।
লেখক মুনির হাসান বইটি প্রথমে অনুবাদ করবেন ভাবলেও পরে সেটি করেননি। কারণ তার মনে হয়েছে অনুবাদের মাধ্যমে তিন বন্ধুর উদ্যোক্তা হিসেবে যাত্রাটা বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা পুরাপুরি কাজে লাগাতে পারবে না।
তাই রিচার্ড, এডম আর জনের ব্যবসা জীবনের উত্থান - পতনের কাহিনীর মাঝে তুলে ধরেছেন, ব্যবসা খুঁজে বের করা, লেগে থাকা, ধৈর্য ধরা, নীতি মেনে কাজ করা, কর্মচারী বাছাই থেকে শুরু করে তাদের ধরে রাখার নানা কৌশলসহ আরো নানারকম মজার ব্যাপার। আর সেই সাথে বাংলাদেশের পরিবেশ উপযোগী নানা বিজনেস রিলেটেড টিপস তো আছেই।
শরবতে বাজিমাত আসলে বাজিতে জিতে যাওয়ার গল্প। ইনোসেন্টের অনুবাদ না হয়েই মনে হয় ভালো হয়েছে। কিন্তু, সবচে বড়ো অভিযোগের বিষয় মনে হয়েছে, কলেবর একটু বেশিই ছোট মনে হয়েছে। লেখক যেহেতু নিজের মতো করে লিখেছেন, চাইলে উনি উনার অভিজ্ঞতার আলোকে কিছুটা বিস্তৃত আকারে লিখতে পারতেন। তবে, আমার কাছে এক কথায় বেশ ভালো লেগেছে। একাগ্রতার প্রয়োজন সবকিছুতেই। সেই সাথে চেষ্টা। লেখকের এই পয়েন্টগুলোতে গুরুত্ব দেয়ার বিষয়টি এবং কিছু অধ্যায়ের শেষে করণীয় লিস্ট রাখার বিষয়টি কার্যকর অনুষঙ্গ বলে মনে হয়েছে।
ব্যবসার অনেক গুলো নতুন দিক নিয়ে ভিন্ন চিন্তায় লিখা এ বইটা বেশ তথ্যবহুল এবং মনে হল, এগুলো মেনে চললে ব্যবসা শুরু বা পরিচালনার অনেক সমস্যার সমাধান করে ফেলতে পারবেন উদ্যোক্তারা।
July 8, 2020
আপনার মাথায় কি সবসময় বিজনেস আইডিয়া উঁকিঝুকি দিয়ে বেড়ায়?
আপনি কি রাতে ঘুমানোর আগে ভাবেন নিজের আইডিয়া কাজে লাগিয়ে কীভাবে বিজনেস শুরু করা যায়? কিংবা গৎবাঁধা চাকরির জগতে না গিয়ে কীভাবে নিজে উদ্যোক্তা হতে পারবেন?
অথবা, আপনার ছোট কোন উদ্যোগ আছে যেটা একদিন বড় হবে এমন স্বপ্ন দেখেন প্রতিনিয়ত...
তাহলে 'শরবতে বাজিমাত ' বইটা আপনার জন্য।
ব্যবসা করার ইচ্ছা রাখে এমন পরিশ্রমী ও সাহসী তিন বন্ধুর উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্পই বলা আছে বইটিতে। যাদের পূর্বের বিজনেস অভিজ্ঞতা বলতে টাকার বিনিময়ে ক্লাসমেটদের হোমওয়ার্ক করে দেয়া, সিগারেটের লাইটার বেচা আর সিজনাল স্টিকার ব্যবসা। সেই তিন বন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরুর দিনগুলো থেকে নিজেদের মাঝের এই উদ্যোক্তাসুলভ দিকগুলোর মিল খুঁজে পান এবং নতুন নতুন বিজনেস প্ল্যানিং করতে থাকেন। ফলাফল স্বরূপ ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় গ্র্যাজুয়েট তিন বন্ধু মাত্র ৫০০ পাউন্ডকে পুঁজি করে ইনোসেন্ট নামের ফলের স্মুদির ব্যবসা দিয়ে বসেন। তারপর কী হয়েছিলো তিন বন্ধুর শরবতের? সেই শরবত বাজিমাত করেছিলো। ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠা করে ইনোসেন্ট এখন ইউরোপের ১৩ টি দেশের টপ সেলিং স্মুদি। কোম্পানির বাজার দর ১০ কোটি পাউন্ড! (এক হাজার কোটি টাকার উপরে) আর সেই তিন বন্ধুর প্রত্যেকেই এখন প্রশান্ত মহাসাগরে ব্যক্তিগত দ্বীপের মালিক। কীভাবে তারা শুরু করেছিলো তাদের কোম্পানি?
চলার পথ কি আসলেই তাদের স্মুদির মত অতোটা স্মুদ ছিল?
কীভাবে কঠিন সময়ে তারা ডিসিশন নিয়েছিল? এসব কিছুই সংক্ষিপ্তভাবে বইটিতে তুলে ধরেছেন লেখক মুনির হাসান স্যার। ইনোসেন্টের তিন উদ্যোক্তার তাদের উদ্যোক্তা জীবনের গল্প নিয়ে লেখা 'A book about Innocent' বইটিকে নিজের মত করে সংক্ষেপে লেখা হয়েছে শরবতে বাজিমাত বইটিতে। চাইলে বইটির বেশিরভাগ লেখাই স্যারের ওয়েবসাইট (www.munirhasan.com) থেকে বিনামূল্যে পড়ে নিতে পারবেন।
আপনি কি রাতে ঘুমানোর আগে ভাবেন নিজের আইডিয়া কাজে লাগিয়ে কীভাবে বিজনেস শুরু করা যায়? কিংবা গৎবাঁধা চাকরির জগতে না গিয়ে কীভাবে নিজে উদ্যোক্তা হতে পারবেন?
অথবা, আপনার ছোট কোন উদ্যোগ আছে যেটা একদিন বড় হবে এমন স্বপ্ন দেখেন প্রতিনিয়ত...
তাহলে 'শরবতে বাজিমাত ' বইটা আপনার জন্য।
ব্যবসা করার ইচ্ছা রাখে এমন পরিশ্রমী ও সাহসী তিন বন্ধুর উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্পই বলা আছে বইটিতে। যাদের পূর্বের বিজনেস অভিজ্ঞতা বলতে টাকার বিনিময়ে ক্লাসমেটদের হোমওয়ার্ক করে দেয়া, সিগারেটের লাইটার বেচা আর সিজনাল স্টিকার ব্যবসা। সেই তিন বন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরুর দিনগুলো থেকে নিজেদের মাঝের এই উদ্যোক্তাসুলভ দিকগুলোর মিল খুঁজে পান এবং নতুন নতুন বিজনেস প্ল্যানিং করতে থাকেন। ফলাফল স্বরূপ ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় গ্র্যাজুয়েট তিন বন্ধু মাত্র ৫০০ পাউন্ডকে পুঁজি করে ইনোসেন্ট নামের ফলের স্মুদির ব্যবসা দিয়ে বসেন। তারপর কী হয়েছিলো তিন বন্ধুর শরবতের? সেই শরবত বাজিমাত করেছিলো। ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠা করে ইনোসেন্ট এখন ইউরোপের ১৩ টি দেশের টপ সেলিং স্মুদি। কোম্পানির বাজার দর ১০ কোটি পাউন্ড! (এক হাজার কোটি টাকার উপরে) আর সেই তিন বন্ধুর প্রত্যেকেই এখন প্রশান্ত মহাসাগরে ব্যক্তিগত দ্বীপের মালিক। কীভাবে তারা শুরু করেছিলো তাদের কোম্পানি?
চলার পথ কি আসলেই তাদের স্মুদির মত অতোটা স্মুদ ছিল?
কীভাবে কঠিন সময়ে তারা ডিসিশন নিয়েছিল? এসব কিছুই সংক্ষিপ্তভাবে বইটিতে তুলে ধরেছেন লেখক মুনির হাসান স্যার। ইনোসেন্টের তিন উদ্যোক্তার তাদের উদ্যোক্তা জীবনের গল্প নিয়ে লেখা 'A book about Innocent' বইটিকে নিজের মত করে সংক্ষেপে লেখা হয়েছে শরবতে বাজিমাত বইটিতে। চাইলে বইটির বেশিরভাগ লেখাই স্যারের ওয়েবসাইট (www.munirhasan.com) থেকে বিনামূল্যে পড়ে নিতে পারবেন।
March 4, 2021
ইনোসেন্ট নামের একটি স্মুদি মানে, এক প্রকার শরবতের কোম্পানি খুলে বসল তিন বন্ধু, রিচার্ড, এডম আর জন। আর ধীরে ধীরে হয়ে হলে উঠল ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বিশাল কোম্পানি। তাদের উদ্যোক্তা হওয়ার গল্পটা যেমন ছিল তা নিয়ে তারা লিখেছে একটি বই 'A Book About Innocent'।
লেখক মুনির হাসান বইটি প্রথমে অনুবাদ করবেন ভাবলেও পরে সেটি করেননি। কারণ তার মনে হয়েছে অনুবাদের মাধ্যমে তিন বন্ধুর উদ্যোক্তা হিসেবে যাত্রাটা বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা পুরাপুরি কাজে লাগাতে পারবে না।
তাই রিচার্ড, এডম আর জনের ব্যবসা জীবনের উত্থান - পতনের কাহিনীর মাঝে তুলে ধরেছেন ব্যবসা খুঁজে বের করা, লেগে থাকা, ধৈর্য ধরা, নীতি মেনে কাজ করা, কর্মচারী বাছাই থেকে শুরু করে তাদের ধরে রাখার নানা কৌশলসহ আরো নানারকম মজার ব্যাপার। আর সেই সাথে বাংলাদেশের পরিবেশ উপযোগী নানা বিজনেস রিলেটেড টিপস তো আছেই।
ব্যবসার অনেক গুলো নতুন দিক নিয়ে ভিন্ন চিন্তায় লিখা এ বইটা বেশ তথ্যবহুল এবং মনে হল, এগুলো মেনে চললে ব্যবসা শুরু বা পরিচালনার অনেক সমস্যার সমাধান করে ফেলতে পারবেন উদ্যোক্তারা।
লেখক মুনির হাসান বইটি প্রথমে অনুবাদ করবেন ভাবলেও পরে সেটি করেননি। কারণ তার মনে হয়েছে অনুবাদের মাধ্যমে তিন বন্ধুর উদ্যোক্তা হিসেবে যাত্রাটা বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা পুরাপুরি কাজে লাগাতে পারবে না।
তাই রিচার্ড, এডম আর জনের ব্যবসা জীবনের উত্থান - পতনের কাহিনীর মাঝে তুলে ধরেছেন ব্যবসা খুঁজে বের করা, লেগে থাকা, ধৈর্য ধরা, নীতি মেনে কাজ করা, কর্মচারী বাছাই থেকে শুরু করে তাদের ধরে রাখার নানা কৌশলসহ আরো নানারকম মজার ব্যাপার। আর সেই সাথে বাংলাদেশের পরিবেশ উপযোগী নানা বিজনেস রিলেটেড টিপস তো আছেই।
ব্যবসার অনেক গুলো নতুন দিক নিয়ে ভিন্ন চিন্তায় লিখা এ বইটা বেশ তথ্যবহুল এবং মনে হল, এগুলো মেনে চললে ব্যবসা শুরু বা পরিচালনার অনেক সমস্যার সমাধান করে ফেলতে পারবেন উদ্যোক্তারা।
June 23, 2020
উদ্যোক্তাদের জন্য চমৎকার একটা বই। একজন উদ্যোক্তার কীভাবে ভাবা উচিৎ, কীভাবে আগানো উচিৎ, কীভাবে প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবেলা করা উচিৎ তার বেশ কিছু অনুষঙ্গ লেখক এ বইতে তুলে ধরেছেন একটা শরবত(স্মুদি) কোম্পানির অগ্রযাত্রার আলোকে। লেখার সার্থকতা এখানেই যে লেখক তার লেখার ভঙ্গি বজায় রেখেছেন সব সময়ের মতই; মানে তিনি
যে বইটিতে অনুপ্রাণিত হয়ে এবং উপজীব্য করে এই বই লিখেছেন, তাতে মূল অনুবাদকে নিজের মত করে বর্ণনা করার পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের জন্য কিছু শিক্ষণীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।
প্রাণবন্ত লেখার কারণে পড়তে গিয়ে কোথাও বিরক্তির সম্মুখীন হইনি, বরং লেখাটা আরও বড় হলেই বরং বেশি ভালো লাগতো। কোথাও কোন অত্যুক্তি নেই, নেই অতিশায়নও। যেটা যেভাবে বলা দরকার ঠিক সেভাবেই বলা হয়েছে। এরকম বিষয়বস্তুর লেখনী আসলে এমনই হওয়া উচিৎ। কিছুটা ছেদ নিয়ে পড়েছি যাতে করে উল্লেখযোগ্য অংশগুলো মাথায় থেকে যায়। শেষ করার পরেও মনে হয়েছে আরেকবার পড়ে ফেলা যায়।
যে বইটিতে অনুপ্রাণিত হয়ে এবং উপজীব্য করে এই বই লিখেছেন, তাতে মূল অনুবাদকে নিজের মত করে বর্ণনা করার পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের জন্য কিছু শিক্ষণীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।
প্রাণবন্ত লেখার কারণে পড়তে গিয়ে কোথাও বিরক্তির সম্মুখীন হইনি, বরং লেখাটা আরও বড় হলেই বরং বেশি ভালো লাগতো। কোথাও কোন অত্যুক্তি নেই, নেই অতিশায়নও। যেটা যেভাবে বলা দরকার ঠিক সেভাবেই বলা হয়েছে। এরকম বিষয়বস্তুর লেখনী আসলে এমনই হওয়া উচিৎ। কিছুটা ছেদ নিয়ে পড়েছি যাতে করে উল্লেখযোগ্য অংশগুলো মাথায় থেকে যায়। শেষ করার পরেও মনে হয়েছে আরেকবার পড়ে ফেলা যায়।
June 14, 2020
এটি একটি উদ্যোক্তা তৈরীর বই। ইনোসেন্স নামে একটি কোম্পানি কে নিয়ে গড়ে উঠেছে গল্পটি। তিন বন্ধু থাকে যারা চাকরি না করে সিদ্ধান্ত নেয় যে একটি ফলের জুসের দোকান দিবে এবং সেখান থেকেই কিভাবে multi-million ডলার কোম্পানি হয়ে যায় তার গল্প এখানে সুন্দরভাবে মুনির হাসান স্যার তুলে ধরেছেন।
এখানে ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে লেখা তাই ব্যবসায়ের শিক্ষার্থীদের অনেক উপকারে এসেছে।
এছাড়া অন্যরাও পড়তে পারে যারা একটু গল্প কে ভালোবাসে বা কোন নতুন কিছু জানতে চায় তাদের জন্য।
এখানে ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে লেখা তাই ব্যবসায়ের শিক্ষার্থীদের অনেক উপকারে এসেছে।
এছাড়া অন্যরাও পড়তে পারে যারা একটু গল্প কে ভালোবাসে বা কোন নতুন কিছু জানতে চায় তাদের জন্য।
April 3, 2021
বেশ ইন্টারেস্টিং গল্প, ৩ বন্ধুর শরবতের বিজনেস শুরু করার আইডিয়া থেকে বিভিন্ন স্ট্রাগলের মধ্যে দিয়ে গিয়ে এক্সেকিউশন করা। অনেক দারুণ দারুণ লেসন আছে এই গল্প থেকে যা শুধু উদ্যোক্তা না, জীবনের যেকোন অবস্থায় থাকা মানুষের কাজে লাগবে। ছোট একটি বই। ২ দিন লাগবে পড়ে শেষ করতে। তবে শেষের দিকে কেমন যেনো নিজেকে ধাক্কা দিতে হয়েছে শেষ করার জন্য। সময় পেলে এই রিভিউ তে লেসন গুলো এড করে রেখে দিব।
December 28, 2025
ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে তিন বন্ধু তাদের ফুল টাইম চাকরি ছেড়ে শরবতের (স্মুদি) বিজনেস শুরু করে এবং পরবর্তীতে সেটা কীভাবে মিলিয়ন ডলার বিজনেসে রূপান্তরিত হয় সেই গল্প নিয়ে বই, বিজনেস নিয়ে আগ্রহীদের জন্য মাস্ট রিড তবে মূল গল্পটা সব পাঠকদের কাছেই ভালো লাগবে) তবে পুরো বইটা পড়ার পর প্রাপ্তির জায়গায় একটু ঘাটতি থেকে যাবে, হয়তো আইডিয়া টা অন্য বই থেকে নেয়ার কারনেও এমন টা হতে পারে।
This entire review has been hidden because of spoilers.
November 14, 2018
Pretty good for a book that introduces marketing with some explendid emaples.
February 24, 2020
নতুন উদ্যগতাদের কাজে উৎসাহিত করার জন্য খুবই গোছালো একটি বই। লেখক ইনোসেন্ট কোম্পানির বইটিকে নিজের ভাষায় উপাস্থাপন করেছেন যার ফলে বাংলা ভাষাভাষি পাঠকদের জন্য বইটি হয়ে উঠেছে সহজবোধ্য এবং উপভোগ্য ।
July 29, 2020
Ami বই টা কিভাবে পড়ব?
March 18, 2021
Here they share us an entrepreneur journey
January 3, 2019
বইটি অনেক ভালো লেগেছে! ব্যাবসা নিয়ে বাংলায় অসাধারণ বই। বইটির মূল কানিহী টি Innocent drinks এর startup story. এবং লেখকের নিজের কিছু সুজ্জেশন।
April 14, 2018
স্যারের ভাষ্যমতে এটি আগেই তিনি খণ্ড খণ্ড করে লিখেছেন, এটা তার সবগুলো এক করে একটু সংস্কার।
এইখানেই আমি একটু বলবো, বইটা অসাধারণ...
তবে স্যার যেহেতু সব একসাথে করে একটু পরিমার্জন করেছেন, পাঠক হিসেবে আমি চাইতে পারি আর একটু যুক্ত করলে মজা হতো।
নিজের কিছু কথা বেশি করে যুক্ত যদি করতেন স্যার তাহলে তো আরো অসাধারণ।
তবে অনেক সুন্দর বইটি। 😃 ইনোসেন্টদের অনুবাদ না করাটাই ভাল্প হয়েছে অবশ্য। 😜
ধন্যবাদ স্যারকে সুন্দর একটি ব্যবসা বিষয়ক বইয়ের জন্য। কতজন যে অনুপ্রাণিত হয়ে গেছে, কে জানে বৈকি!
এইখানেই আমি একটু বলবো, বইটা অসাধারণ...
তবে স্যার যেহেতু সব একসাথে করে একটু পরিমার্জন করেছেন, পাঠক হিসেবে আমি চাইতে পারি আর একটু যুক্ত করলে মজা হতো।
নিজের কিছু কথা বেশি করে যুক্ত যদি করতেন স্যার তাহলে তো আরো অসাধারণ।
তবে অনেক সুন্দর বইটি। 😃 ইনোসেন্টদের অনুবাদ না করাটাই ভাল্প হয়েছে অবশ্য। 😜
ধন্যবাদ স্যারকে সুন্দর একটি ব্যবসা বিষয়ক বইয়ের জন্য। কতজন যে অনুপ্রাণিত হয়ে গেছে, কে জানে বৈকি!
March 7, 2018
গল্পটি তিন জন যুবকের,, যারা কিনা চাকরি ছেড়ে দিয়ে ব্যবসাহ শুরু করেছিল,,, শরবতের ব্যবসাহ।
তারা বিভিন্ন বাধা প্রতিকূলতা পেড়িয়ে তাদের ব্যবসাহ দাড় করিয়েছেন শীর্ষে।বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় আর মার্কেটিং এ কিভাবে টিকে থাকতে হয় তার বিস্তর বর্ননা রয়েছে,,,।
বুঝাই যাচ্ছে বইটি নতুন উদ্দোক্তা দের জন্য মোটিভেশনাল বই,,,।।।
তারা বিভিন্ন বাধা প্রতিকূলতা পেড়িয়ে তাদের ব্যবসাহ দাড় করিয়েছেন শীর্ষে।বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় আর মার্কেটিং এ কিভাবে টিকে থাকতে হয় তার বিস্তর বর্ননা রয়েছে,,,।
বুঝাই যাচ্ছে বইটি নতুন উদ্দোক্তা দের জন্য মোটিভেশনাল বই,,,।।।
April 7, 2018
সবার মনেই ইচ্ছে থাকে নতুন কিছু করার। কিন্তু সঠিক গাইডলাইন কিংবা সঠিক পন্য বা মার্কেটিং এর অভাবে অনেক উদ্দোগ্যই আশার আলো দেখে না।
কই থেকে কিভাবে শুরু করতে হবে, পথের বাধা কিভাবে অতিক্রম করতে হবে তার ক্ষুদ্র কিছু ধারণা পাওয়া যাবে বইটি পরে।
কই থেকে কিভাবে শুরু করতে হবে, পথের বাধা কিভাবে অতিক্রম করতে হবে তার ক্ষুদ্র কিছু ধারণা পাওয়া যাবে বইটি পরে।
March 15, 2018
পড়ে ভালো লেগেছে। তবে লেখকের নিজের অভিজ্ঞতাও লিখতে পারতেন। কিছু ক্ষেত্র বিশেষে ভাগ্য বলে মনে হয়েছে !! নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বেশ ভালোই মনে হচ্ছে। ব্যবসা করার জন্য কিছুটা সাহস পেয়েছি এই বই পড়ে।
September 23, 2019
বইটা ভাল। শুরু থেকে একটা ব্যবসা দাঁড় করানোর বাঁধা ও কিভাবে তাড়া সেগুলো সমাধান করেছিল তার সুন্দর বর্ণনা দেয়া হয়েছে বইটাতে।
Displaying 1 - 28 of 28 reviews

























