Jump to ratings and reviews
Rate this book

সিন্ধু সভ্যতা #3

সিন্ধু সভ্যতায় বৈদিক উপাদান ও সিন্ধু লিপির পাঠ

Rate this book
পুস্তকের দুটি অংশ। সিন্ধু সভ্যতায় প্রাপ্ত বৈদিক উপাদান এবং সিন্ধু লিপির পাঠোদ্ধার। ঋগ্বেদ পাঠ করলে যে দুই বিবাদমান গোষ্ঠীর বিবাদের চিত্র আমাদের সামনে উঠে আসে তাদের প্রত্নতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিকভাবে চিহ্নিত করার প্রয়াস করা হয়েছে প্রথম পর্বে। বেদোক্ত আর্য কারা এবং অসুর বলে কাদের বোঝানো হয়েছে তারও বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
আর্য সংস্কৃতি বলতে যজ্ঞ, অগ্নিবেদি, অশ্ব ও অন্যান্য যে সকল উদাহরণকে আমরা চিহ্নিত করে থাকি তা সিন্ধু সভ্যতায় কোথায় কোথায় পাওয়া গিয়েছে তার বর্ণনাও এই পুস্তকে তুলে ধরা হয়েছে। গঙ্গা - যমুনা দোয়াব অঞ্চলের সেদিনের কৃষিনির্ভর গ্রামীন সভ্যতার সঙ্গে এক তুলনামূলক আলোচনাও করা হয়েছে।
জিনগতভাবে R1a ( Y chromosome haplogroup) দিয়ে যে আর্য মানুষদের চিহ্নিত করা যাচ্ছে না সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। দেশে বিদেশে প্রকাশিত 30 টি গবেষণাপত্র এই অধ্যায়ে তুল্যমূল্য বিচার করা হয়েছে।
দ্বিতীয় পর্ব হল সিন্ধু লিপির পাঠোদ্ধার। সিন্ধু লিপির চিহ্নগুলি হল ব্রাহ্মীলিপির পূর্বসূরি। ভারতের বাইরে পৃথিবীর অন্যত্র কোথায় কোথায় এসব চিহ্নের ব্যবহার হয়েছে এবং ভারতে সিন্ধু সভ্যতার কালের পরেও কোথায় কোথায় এ চিহ্ন পাওয়া গেছে তার বিস্তারিত বর্ণনা এই পর্বে রয়েছে।
আধুনিক প্রত্নবিদ কেনোয়ার প্রমাণ করেছেন বাণিজ্যিক কারণে সিন্ধু লিপির চিহ্নগুলির উদ্ভব হয়েছিল। মূলত পণ্যের পরিমাপ ও পরিমান নির্ধারণে এসব চিহ্নের ব্যবহার শুরু হয়। পরবর্তীকালে Acrophony/ Acrology পদ্ধতিতে নানা বর্ণ বা letter এর জন্ম হয়। ক্রমে ব্যক্তির নাম ও পণ্যের পরিমাপ সিল, মৃৎপাত্রাদিতে পাওয়া গেছে। সেভাবেই লিপির পাঠোদ্ধার করে অনেক টেক্সট এর পাঠ তুলে ধরা হয়েছে এই পর্বে।

195 pages, Hardcover

Published November 1, 2019

Loading...
Loading...

About the author

Rajat Pal

22 books7 followers

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
5 (71%)
4 stars
0 (0%)
3 stars
2 (28%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 45 books1,934 followers
January 2, 2022
"No Bronze Age can be traced in India."
"The Indo-Aryan movement must have continued for a long time. The guesses of some of the best European scholars place it somewhere between 2400 and 1500 B.C., but they are only guesses, and no near approach to accuracy is possible. Perhaps 2000 B.C. may be taken as a mean date. It is a strange fact that the Vedic Indo-Aryans, the earliest known swarm of immigrants, have stamped an indelible mark on the whole country from the Himalaya to Cape Comorin. Modern Hinduism, however much it may differ from the creed and social usages of the ancient Rishis, undoubtedly has its roots in the institutions and literature of the Vedic Indo-Aryans. Plenty of other strangers have come in since, but none of them, not even the Muslims, have produced effects comparable in magnitude with those resulting from the Indo-Aryan settlements made three or four thousand years ago."
(Ancient and Hindu India, being Part I; Oxford at the Clarendon Press, 1920)
ভিনসেন্ট স্মিথের লেখা এই ইতিহাস ছিল সেই সময়ে ভারতের অতীত জানার ক্ষেত্রে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ছাত্রপাঠ্য টেক্সট। এর দু'বছরের মধ্যে কয়েকটি আবিষ্কার এই অধ্যায়গুলোকে তামাদি করে দেয়। ক্রমে স্মিথের সাম্রাজ্যবাদী মানসিকতা-প্রসূত লেখার স্থান হয় আবর্জনার পাত্রে। কিন্তু...
ভদ্রলোককে যতই গালি দিন, ভারতের অতীত ইতিহাসের সবচেয়ে রহস্যময় দুটো জিনিসকে তিনি এইটুকুর মধ্যেই ধরে ফেলেছিলেন।
হরপ্পা ও মহেঞ্জোদরো তথা সিন্ধু-সরস্বতী সভ্যতা আবিষ্কৃত হওয়ার পর ভারতে ব্রোঞ্জ যুগের সাংঘাতিক সব নিদর্শন পাওয়া তো গেলই। তারই সঙ্গে তিনটি প্রশ্ন প্রবল হয়ে উঠল। সেগুলো হল,
১) এই সভ্যতা কি ভারতীয় ছিল? তাই হয়ে থাকলে তারা কোনোরকম চিহ্ন না রেখে একেবারে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল কীভাবে?
২) (তথাকথিত) হানাদার বা অভিবাসীদের সংস্কৃতি ভারতীয় জীবন ও চর্যাকে এতটাই প্রভাবিত করল; অথচ তাদের পূর্বসূরিরা কোনো প্রভাবই ফেলল না! এটা কীভাবে সম্ভব?
৩) যদি পরবর্তী অভিবাসীরা এসে এদের ঝাড়েবংশে শেষ না করলেও প্রতিস্থাপিত করে থাকে, তাহলে তাদের নিজস্ব ধর্মীয় বা আচরণগত জিনিসপত্রের আকরে তাদের নিজস্ব দেশের কথা না থেকে শুধু এদেশের কথাই কেন?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর হিসেবে স্কুল-কলেজের তোতাকাহিনি দীর্ঘদিন ধরে আমাদের একটি জিনিস শিখিয়ে এসেছিল। গত তিন দশকে সেগুলোকে প্রবলভাবে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। যে-সব গবেষণার ভিত্তিতে সেই ধ্যান-ধারণাগুলোকে নড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, তারই ভিত্তিতে রচিত হয়েছে এই সুমুদ্রিত, নানা অলংকরণ ও স্কেচে সমৃদ্ধ বইটি।
'গৌরচন্দ্রিকা' ও 'ভূমিকা' অংশের মাধ্যমে লেখক এই বইয়ের প্রেক্ষাপট তথা উদ্দেশ্যটি স্পষ্ট করেছেন। তারপর শুরু হয়েছে মূল আলোচনা। তাতে থেকেছে~
প্রথম পর্ব: সভ্যতা
১. হিমযুগের পরে এক আশ্চর্য সভ্যতার গল্প
২. আর্য কে? সিন্ধু সভ্যতার মানুষেরা কি আর্য?
৩. সিন্ধু সভ্যতায় বৈদিক উপাদান ও ভারতীয় প্রত্নতথ্য
৪. গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, বেদের সাক্ষ্য ও প্রত্নপ্রমাণ
৫. নৃতাত্ত্বিক আলোচনা ও জিনতত্ত্ব
৬. ধর্মীয় আলোচনা
৭. ঋত ও মায়া
৮. যজ্ঞ এবং যজ্ঞবিরোধী— দুই সংস্কৃতি মিলিয়ে সিন্ধু সভ্যতা
দ্বিতীয় পর্ব: সিন্ধু লিপি ও পাঠ
১) 'উলট পুরাণ— সিন্ধু সভ্যতা আবিষ্কারের আগে সিন্ধুলিপির হদিস'
২) মেলুহা দেশের কথা
৩) ম্লেচ্ছ দেশ ও ম্লেচ্ছ ভাষা
৪) সিন্ধুলিপি সব ভারতীয় লিপির পূর্বপুরুষ
৫) পণি তথা বণিক
৬) ওজন ও পরিমাপক ব্যবস্থা
৭) সিন্ধুলিপির উদ্ভব ও কার্যকারিতা
৮) লিপির পাঠ
শেষে থেকেছে সহায়ক পুস্তক-তালিকা।
সহজ ভাষায় বললে, লেখকের প্রতিপাদ্য হল~
প্রথমত, বেদ রচয়িতা তথা অনুসারী সম্প্রদায় আধুনিক আব্রাহামীয় ধর্মের মতো কোনো একটিই বিশেষ আচার বা প্রথা পালন করত না। বরং চিরন্তন ভারতীয় প্রথায় সেই সমাজেও ছিল বহু প্রথা, আচার ও সংস্কার। তারই একাংশ হরপ্পা সভ্যতার আদিপর্বের শহরগুলো প্রতিষ্ঠা করেছিল। পরবর্তীকালে এই সভ্যতার কর্তৃত্ব চলে যায় অন্য এক গোষ্ঠীর হাতে। তাদেরই উদ্যোগে ধ্বংস হয় বিভিন্ন নদীবাঁধ। এর ফলে একদিকে যেমন অববাহিকার দক্ষিণাংশের শহরগুলো বারংবার প্লাবিত হয়, তেমনই পরবর্তীকালে উপনদীর গতিপথ বদলালে জলাভাবে শুষ্ক হয়ে যায় বিস্তীর্ণ প্রান্তর।
দ্বিতীয়ত, এই বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর একটি অংশই বাণিজ্যিক যোগাযোগ বজায় রাখার জন্য পশ্চিম এশিয়ায় তথা মধ্যপ্রাচ্যে নিজস্ব কিছু আচার নিয়ে যায়— যাদের উলটো অভিমুখে দেখিয়ে ভারতে আগত হানাদারদের তত্ত্বটিকে এতদিন সার ও জল দেওয়া হয়েছিল।
তৃতীয়ত, পশ্চিম এশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের সূত্রেই অ্যাক্রোলজি (চিহ্ন দিয়ে বোঝানো বস্তুটির নামের প্রথম ধ্বনিটি কালক্রমে সেই চিহ্নের সমার্থক হয়ে ওঠা) প্রয়োগ করে সিন্ধুলিপির একটি সম্ভাব্য পাঠ-নির্দেশিকা দাঁড় করানো যায়।
ঠিক কীভাবে এই বইটি নিজের বক্তব্যকে প্রতিষ্ঠা করতে এগিয়েছে?
এতে চার ধরনের উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে~
(১) বৈদিক সাহিত্যের পাঠ ও ব্যাখ্যা;
(২) এর সমান্তরালে ব্যবহৃত হয়েছে সিন্ধু সভ্যতায় প্রত্নতাত্ত্বিক খননের ফলে পাওয়া নানা জিনিস;
(৩) সাম্প্রতিকতম জিনগত গবেষণা এবং তার বিশ্লেষণ করে পাওয়া তথ্য;
(৪) পশ্চিম এশিয়ার এবং ভারতের নানা সময়ের বিভিন্ন লিখিত উপাদানের নমুনা।
শেষে প্রশ্ন ওঠে, লেখকের এই অনন্য গবেষণা (যা শুরু হয়েছিল 'আর্য দিগন্তে সিন্ধু সভ্যতা' নামক বৈপ্লবিক কাজটির মাধ্যমে) কি আমাদের কাছে ইতিহাসের কণ্টকময় প্রশ্নগুলোর কোনো মসৃণ উত্তর দিতে পারল?
খোলা মনে বইটা পড়ুন। চাড্ডি বনাম মাকুর তত্ত্ব সরিয়ে নিজেই যুক্তি আর তর্ক দিয়ে গল্পগুলো বিচার করুন। তারপর সিদ্ধান্ত নিন, লেখকের দাবি সমর্থনযোগ্য কি না।
আমার নিজের লেখকের কাজটি অত্যন্ত সৎ ও সূচিমুখ লেগেছে। শেষ বিচারে তিনি নানা সম্ভাবনারই সন্ধান দিয়েছেন মাত্র। সেই সম্ভাবনার বিচার করতে-করতেই হয়তো একদিন আমরা সত্যিকারের ইতিহাসের সন্ধান পাব— যা থেকে তৈরি হয়েছিল এইসব গল্প, পুরাকথা, আর বিশ্বাস। আর একবার তার নাগাল পেলে?
"যতকামাস্তে জুহুমস্তন্নো অস্তু বয়ং সয়াম পতয়োরয়ীণাম্‌।।"
(যা চেয়ে আমাদের এই প্রার্থনা, তা যেন আমরা পাই; আমরা যেন বহু সম্পদের অধিকারী হই)
সত্য নামক হিরণ্যগর্ভের সন্ধানে আমাদের এই অন্বেষণ চলতে থাকুক। ইতিমধ্যে এই চমৎকার বইটি উৎসুক পাঠকের আনুকূল্য লাভ করুক— এই শুভেচ্ছা জানাই।
Profile Image for Soumyabrata Sarkar.
239 reviews40 followers
July 20, 2020
পৃথিবীর কমবেশি সব আবিষ্কৃত প্রাচীন সভ্যতার মধ্যে, সিন্ধু সভ্যতা ঘিরে আবর্তিত ধোঁয়াশা হয়ত বা সবচেয়ে বেশী। ১৭৯৯ সালে যখন মিশরে "রোসেট্টা শিলালিপি" বিশ্বব্যাপী হুলুস্থুল ফেলে দিয়েছে, তখনও ভারত পশ্চিমাদের মতে পিছিয়ে থাকা কুসংস্কারাচ্ছন্ন, অথচ উপনিবেশযোগ্য বৃহৎ এক উপমহাদেশ। জেমস প্রিন্সেপ তখনও এদেশের ছড়িয়ে থাকে অসংখ্য ব্রাহ্মী অনুশাসন পাঠোদ্ধার করে "দেবনমপিয় অশোক"-কে আবিষ্কার করেন নি। বুদ্ধদেব তখনও কুহেলিছায়ায় ঘেরা বিষ্ণুর আরেক অবতার মাত্র, জিশু খ্রিস্ট ও হজরত মুহম্মদ তুল্য ঐতিহাসিক চরিত্র নন। 'সিন্ধু' শুধুমাত্র যাযাবরগোষ্ঠী সন্নিবিষ্ট উত্তরভারতের এক নদ।

.

কিন্তু মাত্র একশো বছরে, একে একে আবিষ্কৃত হতে থাকা পুঁথি ও প্রত্নতথ্য- কুজ্ঝটিকা-বিস্তৃত প্রাচীন এক ভারতবর্ষকে তুলে আনল কালকূপ থেকে।

বিপাকে পড়তে হল আপাত ঊর্ধ্বতন বণিকরুপী ইউরোপীয় মনিবদের। নিজেদের প্রাচীনত্ত্ব বজায় রাখতে, নিজেদের সভ্যতার মানদণ্ডের শ্রেষ্ঠত্ত্ব আরোপ করতে, নিজেদের কতৃত্ব কায়েম রাখতে উদ্ভাবিত হল ঔপনিবেশিক ষড়যন্ত্রের : "আর্য আক্রমণ তত্ত্ব"। যা কিছু প্রাচীন বা বৈদিক হিসেবে চিহ্নিত, সবই নাকি সুভ্রাংশ অশ্ববিজড়িত ককেশীয়দের দান। কালের স্রোতে, "ভারতের যা কিছু সভ্য, সবই বহিরাগত", এই হাস্যস্পদ মতবাদ খণ্ডাতে উপস্থিত হল সিন্ধুনদ পাড়ের এক প্রত্নক্ষেত্র। বলা বাহুল্য, মাছ ঢাকতে শাক আনা হল- 'সিন্ধু সভ্যতা প্রাচীন হলেও, আর্যদের দ্বারা পরাজিত, দ্রাবিড় জাতিরই পুর্বপুরুষ' ইত্যাদি ইত্যাদি।

.

এই বইয়ের 'গৌরচন্দ্রিকা' থেকে শুরু করে, দুই পর্বে সম্মিলিত আট-দুগুনে ষোলোটি রত্নাকর অধ্যায়ে প্রায় প্রতিটি পর্যায়ে লেখক নানাবিধ গবেষণাধৃত উদাহরণ, প্রমাণ ও যুক্তিযুক্ত আলোচনা দ্বারা পাঠকের পাতে তুলে দিয়েছেন বর্তমানের অন্যতম বিতর্কিত বিষয়টি। বইটির সুচিপত্রেই এই বিবিধ বিষয়ের পদার্পণ করেছেন তিনি - ভাষাতত্ব, সংস্কৃতি, জীন ও জাতিতত্ত্ব, নৃবিদ্যা(Anthropology), ধর্মীয়-লৌকিক-শাস্ত্রীয়, প্রত্নতাত্বিক ও ঐতিহাসিক চর্চার teaser পেয়ে যাবেন পাঠক।

দ্বিতীয় পর্বের "সিন্ধু লিপি ও পাঠ" রীতিমত এক revelation.

বইটির প্রতিটি অধ্যায়ের আলোচনা সুসংবদ্ধ ভাবে টীকায়িত, ও কয়েক স্থানে অলংকৃত হয়েছে স্পষ্ট মানচিত্র, প্রত্ন ও লিপিচিত্র দ্বারা । প্রসারিত তথ্য প্রচুর পরিমাণে থাকায় পাঠ অনুধাবন করতে আপনাকে বিরতি নিতেই হবে। এইরকম প্রবন্ধসুলভ পাঠে, সঠিক infodumping কিরূপ কার্যকারী, তা পাঠক নিজেই প্রতি অধ্যায়েশেষে মেপে নিতে পারবেন।

.

"যুগে যুগে মানুষ পরিযায়ী। এদেশে 'শক, হুন, পাঠান, মোঙ্গল' অনেকেই এসেছে। ১৪০০ খ্রি. পূ. নাগাদ একদল লোক আসতেই পারে। তারা কিছু এলাকা দখল করতেই পারে। তবে তারা শকদের মতো বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করে ভারতীয় হয়ে উঠেছিল, নাকি পাঠানি-মোগলদের মতন নতুন ধর্ম-সংস্কৃতি এদেশে চালু করেছিল, সেকথা বুঝব কি করে?"

.

বুঝতে চাইলে পড়তে পারেন লেখকের ট্রিলজির এই শেষ খন্ডটি। নির্দিষ্ট জায়গায়, আগের দুই খন্ডের সুচিন্তিত পুনরুল্লেখ আপনাকে বইটির স্বয়ংসম্পূর্ণপাঠে বিঘ্নপ্রাপ্ত করবে না।

বলার অপেক্ষা রাখে না, আপনি যদি উপরের বিষয়গুলিতে কিছুমাত্র কৌতূহলী, তাহলে আপনার জন্যে কিরূপ অবশ্যপাঠ্য এই বইটি। উল্লেখযোগ্য, আলোচিত অনেক বিষয়ের উপরেই গবেষণা, আলোচনা ও উদ্ধারকার্য এখনও হয়ে চলেছে। জিগস-পাজেল সমাধান হতে এখনও বাকি। কিন্তু জ্ঞানলোকের এই দৌড়ে, আপনাকে অনেক এগিয়ে দিতে পারে এই বইটি।

লেখক, খড়ি প্রকাশনী ও এই বইয়ের সাথে থাকা জড়িত সব সুধীজনদের ধন্যবাদ।
Displaying 1 - 2 of 2 reviews