Book: Hitler and Stalin: Parallel Lives
Author: Alan Bullock
Publisher: Vintage; Reprint edition (2 November 1993)
Language: English
Paperback: 1152 pages
Item Weight: 1 kg 30 g
Dimensions: 13 x 5.87 x 20.24 cm
Price: 2000/-
ইতিহাস নিয়ে বই রিভিউ করতে ইট্টু ইট্টু নজ্জা লাগে আজকাল।
আর বিশেষ করে স্তালিনের নাম যে যে বইয়ে রয়েছে তা নিয়ে করতে গেলে তো বিশেষ করে শিশ্ন চুলবুল করে ওঠে।
না জানি আবার কোন ঐতিহাসিক এসে শক্ত শক্ত কোষ্টেন জিজ্ঞেস করে পুঁটকি জ্যাম করে দেন।
এই বইটা আবার হিটলার কাকা ও মহান স্তালিনের তুল্যমূল্য বিচার। বুঝুন কান্ড !!
আমরা ব্রুক্ষু মানুষ। নিতম্বে চাড্ডি ছাপ লেগে গিয়েছে। আনস্মার্ট , uncouth, বিসি বোম্বাইহারা গণেশের দল। আমরা ইতিহাঁস জানি নাকি অতটা ?
এটুকু শুনিচি যে ২৭ এপ্রিলের মধ্যে লাল ফৌজ পৌঁছে যায় বার্লিনে। তীব্র নাৎসি প্রতিরোধ ভেঙে ২ মে রাইখস্ট্যাগের চূড়ায় উড়িয়ে দেয় লাল নিশান। ফ্যাসিবাদের বিপদ থেকে মুক্ত হয় গোটা দুনিয়ার মানুষ।
৮ মে জার্মান সেনা অফিসাররা সোভিয়েট, আমেরিকা ও ব্রিটেনের সেনাধ্যক্ষদের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।
সেই লাল নিশান আজ অবধি আলিমুদ্দিন ও পিডিজি ভবনে পৎ পৎ করে উড়ছে।
মহান স্তালিন। তাঁর জন্যই বিপন্মুক্ত বিশ্ব।
আসলে বাস্তবিকই এই যুদ্ধ ছিল ‘মাস ওয়র’, জানেন তো? এইটাই ছিল 'জনগণের যুদ্ধ'।
মহান স্তালিনের আহ্বানে উদ্বুদ্ধ সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েট ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ সেই যুদ্ধের ভয়ানক ভারের প্রধান অংশটাই নিজেদের নিতম্ব পেতে বহন করেছেন।
আরেকটা কথা, ইউরোপের অন্য দেশগুলি বিধ্বস্ত হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু এই ভয়ঙ্কর যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল কোন দেশ ? সোভিয়েট ইউনিয়ন !!
সবচেয়ে বেশি সংখ্যক সেনামৃত্যুই শুধু নয়, প্রায় তিন কোটি সোভিয়েট নাগরিক মারা গিয়েছিলেন সেই বিধ্বংসী যুদ্ধে।
নিজেদের জীবন অকাতরে বলি দিয়ে মানবসভ্যতাকে হিটলারের ফ্যাসিবাদের হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন তাঁরা।
এই বইয়ের ভাষ্যে আরও দু'পিস্ পুরুষ্টু চরিত্র রয়েছে। প্রথমজন লেলিন। দ্বিতীয়জন হিটু বাবু। হিটলার।
লেলিন সাংঘাতিক ভালোবাসতেন জননায়ক স্তালিনকে।
১৯২৩ সালের ৪ জানুয়ারি লেখা তাঁর নিজের ১৯২২-এর ডিসেম্বরের চিঠির সংযোজনীতে স্তালিনকে শুধুমাত্র রূঢ় বলেই লেলিন ক্ষান্ত হননি।
তিনি আরও যোগ করেন একটি অংশ। বলেন: “সেই জন্য আমি কমরেডদের কাছে প্রস্তাব করছি এ পদ থেকে স্তালিনকে সরাবার একটা উপায়ের কথা ভাবুন ও অন্য এমন এক জনকে সে পদে নিয়োগ করুন, সমস্ত ব্যাপারে কমরেড স্তালিনের চেয়ে যার শুধু একটা গুণ বেশি— যথা, বেশি সহনশীল, বেশি অনুগত, বেশি ভদ্র, কমরেডদের প্রতি বেশি মনোযোগী, কম খামখেয়ালি ইত্যাদি।”
স্পষ্টতই, দলের ও অন্যান্য কমরেডদের প্রতি স্তালিনের আনুগত্য লেলিনের কাছে প্রশ্নাতীত ছিল না।
নিজের সক্রিয় রাজনৈতিক জীবনের শেষ কয়েক মাসে লেলিন বহু বিষয়ে স্তালিনের সঙ্গে বাদানুবাদে লিপ্ত হয়েছেন। বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের একচেটিয়া অধিকার রক্ষা, রাশিয়ার সমস্ত জাতিসত্তাগুলির সমানাধিকারের ভিত্তিতে সোভিয়েট ইউনিয়ন গঠন ইত্যাদি প্রশ্নে স্তালিনের সঙ্গে লেনিনের বিরোধ হয়।
সোভিয়েট ইউনিয়ন গঠনের ক্ষেত্রে অন্যান্য জাতিগুলির ওপরে স্তালিন বড়-রুশী আধিপত্যবাদ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছিলেন, সেই পরিপ্রেক্ষিতে ৩১ ডিসেম্বর ১৯২২-এর এক নোটে লেলিন স্তালিনকে (এক ‘জর্জিয়ান’ বলে উল্লেখ করে) এক খাঁটি জাতীয়তাবাদী-সমাজতন্ত্রী ও এক জন ইতর বড়-রুশী উৎপীড়ক বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন এ ক্ষেত্রে প্রলেতারীয় শ্রেণি-সংহতির স্বার্থ স্তালিন দ্বারা লঙ্ঘিত হচ্ছে।
‘বুঝতে হবে’ চিঠিতে লেখা হয়েছে, স্তালিন এই চিঠিকে চেপে দেননি এবং ত্রয়োদশ কংগ্রেসে এই নিয়ে আলোচনা হয়।
তাই?
বাস্তব হল: ২২ মে ১৯২৪ কেন্দ্রীয় কমিটির মিটিঙে ক্রুপস্কায়া আসন্ন ত্রয়োদশ কংগ্রেসে সকল প্রতিনিধির সামনে এটি পাঠ করার প্রস্তাব দিলেও, স্তালিন, জ়িনোভিয়েভ ও কামেনেভের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ এ প্রস্তাব খারিজ করে দেয়।
সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিটি আঞ্চলিক প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বকে চিঠিটি আলাদা ভাবে পড়ে শোনানো হবে। কিন্তু কোনও প্রতিনিধি এই বিষয়ে নোট রাখতে পারবেন না এবং কংগ্রেসের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে লেনিনের চিঠি পাঠ করা হবে না।
পার্টির বিরোধী পক্ষের চাপে লেলিনের চিঠির অংশবিশেষ প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে পার্টির পঞ্চদশ কংগ্রেসের একটি বুলেটিনে (স্তালিনকে সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অপসারণ করার প্রস্তাবটি ছাপা হয়নি)।
লেলিনের সম্পূর্ণ চিঠিটি রাশিয়াতে প্রথম প্রকাশিত হয় স্তালিনের মৃত্যুর পরে ১৯৫৬ সালে।
আমরা জানি যে লেলিনের ন্যাচারাল উত্তরাধিকারী ট্রটস্কিকে কৌশলে সরিয়ে দিয়ে ক্ষমতাসীন হওয়া ‘সুযোগ্য উত্তরসূরি’ স্তালিন, ফ্যাসিস্ট হিটলারের সঙ্গে এক মৈত্রী চুক্তি করেন, রুশ-জার্মান অনাক্রমণ চুক্তি বা মলোটভ-রিবেনট্রপ চুক্তি।
১৯৩৯ সালের ২৩ অগস্ট মস্কোতে স্তালিনের উপস্থিতিতে সে চুক্তির সঙ্গে একটি গোপন চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয় বাল্টিক দেশগুলি সম্পর্কে, সে দেশগুলির অজ্ঞাতসারে।
এই চুক্তির বলেই হিটলারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে স্তালিনের রাশিয়া, যৌথ আক্রমণে ভাগাভাগি করে নেয় পোল্যান্ড। আর বিশ্বযুদ্ধ আরম্ভের আগেই স্তালিনের রাশিয়া গায়ের জোরে দখল করে নেয় লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া।
আর বেয়াড়া ফিনল্যান্ডকে শায়েস্তা করতে ১৯৩৯-এর ৩০ নভেম্বর জল ও বিমানপথে সোভিয়েট ‘মুক্তিফৌজ’ ঝাঁপিয়ে পড়ে, ছোট্ট সে দেশের সেনাবাহিনী সন্ধি করতে বাধ্য হয় প্রায় সাড়ে তিন মাস লড়াই চালানোর পর।
হিটু বাবুর সম্পর্কে আর কীই বা বলি !!
এটুকুই বলা যায় যে হিটুকে তুলনামুলক ভাবে গণতান্ত্রিক পথেই উঠতে হয়েছে। সুতরাং বক্তৃতা এবং লেখাই ছিল হিটলারের হাতিয়ার।
স্তালিন সেই অর্থে ছিল 'স্ট্রীট ম্যানেজার'। তার বক্তৃতা হিটুর তুলনায় এক্কেবারে সাদামাঠা।
কিন্ত অর্গানাইজার হিসাবে স্তালিন অনেক বেশী সফল। নাজি পার্টীতে হিটুর মূল কাজ ছিল স্রেফ বক্তৃতা দেওয়া ও স্ট্র্যাটেজি প্রণয়ন করা। পার্টি গঠনের কাজ করতো গোয়েবলস। নাজি পার্টিতে হিটুর কর্তৃত্ব কখনোই চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয় নি।
তাদের সোর্স নিয়ে বলতে গিয়ে এই বইয়ের লেখক বলছেন নিম্নলিখিত পয়েন্টগুলি :
১) They were born ten years apart, Stalin on December 21, 1879, at Gori in Georgia, Hitler on April 20, 1889, at Braunau on the River Inn. This gap in age is a fact never to be forgotten in any comparison of the different stages of their careers; it grew even wider at the end, Hitler dying in 1945 at the age of fifty-six, Stalin outliving him to die, in 1953, at the age of seventy-three.
২) Fifteen-hundred miles separated Georgia, on the borderlands of Europe and Asia, between the Black Sea and the Caucasus, and Upper Austria, in the heart of Central Europe, between the Danube and the Alps. An even greater distance separated their historical and social development. Yet there were features in common in the backgrounds of the two men.
৩) Neither belonged to the traditional ruling class and it is difficult to imagine either coming to power in the world into which they were born.
৪) Their careers were possible only in the new world created by the breakdown of the old order in Europe, as a result of the First World War—of the defeat first of tsarist Russia, then of the Central Powers, and of the revolutions that followed.
৫) Yet their ideas and beliefs were formed and remained set in the mold of the world in which they grew up. Stalin’s Marxism, Hitler’s combination of Social Darwinism and racism were nineteenth-century systems that reached the peak of their influence in Europe at the turn of the century, in the last decade of the nineteenth, the first of the twentieth century.
৬) The same was true of their tastes in art, architecture, literature, and music, subjects on which they claimed to lay down the law and in which neither showed the least sympathy...
তাহলে কী বুঝলেন পাঠক ? দুটোরই গোডাউন মোটামুটি এক। সুতরাং শোরুমেরও ফারাক নেই বিলকুল।
আউশউইৎসের গল্প আলাদা ভাবে বলা নিষ্প্রয়োজন।
আলোচনার সুতো গোটানোর সময় এসে গিয়েছে।
কৌটিল্য তাঁর অর্থশাস্ত্রে বলেছিলেন, রাজা সেই সিদ্ধান্ত নেবেন যাতে প্রজার কল্যাণ হবে। প্রজারাও মনে করবেন তাতে প্রজাদের কল্যাণ। রাজা মনে করছেন কল্যাণ হবে, অথচ প্রজারা মনে করছেন এমন সিদ্ধান্ত নিলে চলবে না।
এ কথা সত্য যে সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে দেশ শাসনের জন্য। কিন্তু প্রতি দিন সরকারকে এক অদৃশ্য মতৈক্য রচনার প্রক্রিয়া গ্রহণ করেই চলতে হয়।
প্লেটোর রাষ্ট্র ভাবনায় সরকার-সমাজ-ব্যক্তি নাগরিক এই ধারণাগুলির ভিন্নতা ছিল না। দার্শনিক ভাবে এ সবই রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত ছিল। যে মানুষটাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক বলা হয় সেই অ্যারিস্টটলও কিন্তু কার্যত গুরুর ভাবনাকেই চ্যালেঞ্জ করে বুঝিয়েছিলেন, সরকার ও নাগরিক সমাজের সঙ্গেও রাষ্ট্রের আকারগত পার্থক্যরেখা আছে।
পৃথিবীর ইতিহাসে কখনও স্তালিন, কখনও হিটলার এক অখণ্ড জাতীয়তাবাদের জিগির তুলে সেই বিভাজনরেখাকে অবলুপ্ত করতে চেয়েছেন। কিন্তু বাস্তবে তা দীর্ঘস্থায়ী সফলতা অর্জন করেনি।
হিটলার এবং স্তালিন দু’জনেই মতাদর্শগত ভাবে দুই ভিন্ন মেরুর বাসিন্দা হলেও, দু’জনেই কিন্তু জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠনের কথা বলেন। ভুলে যাওয়া যায় না হিটলারের দলটির নামও ছিল, জাতীয় সমাজতন্ত্রী দল।
আমরা আজকের দিনে বুঝতে পারি যে স্তালিনের প্রচেষ্টা ছিল, অন্য রাষ্ট্রের উপর দাদাগিরি করে নিজের তাঁবে রাখা।
স্তালিনের মত ছিল, রাশিয়ার স্বার্থে অন্য যে কোনও দেশের মুক্তিকামী নিপীড়িত জনসাধারণের আকাঙ্ক্ষা বলি দেওয়া যেতেই পারে। পূর্ব ইউরোপের দেশগুলি এর ভুক্তভোগী।
হিরোশিমা-নাগাসাকিতে আমেরিকা পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করার পর, সবাই যখন স্তম্ভিত, সারা বিশ্ব বিস্ময় ও বেদনায় লক্ষ করেছিল, মিত্রশক্তির আর এক দোসর স্তালিনের সমাজতান্ত্রিক রাশিয়াও সুযোগ বুঝে অনাক্রমণ চুক্তি ভঙ্গ করে ঝাঁপিয়ে পড়ল মৃতপ্রায় জাপানের উপর।
ইতিহাস এও বলে, ১৯৪৫-এর ফেব্রুয়ারিতে, ইয়াল্টা সম্মেলনে রুজ়ভেল্ট-চার্চিলের সঙ্গে স্তালিনও দুনিয়াটা ভাগ-বাঁটোয়ারা করার সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছিলেন।
একটি ঘটনার উল্লেখ করতে বড় লোভ হচ্ছে নবীর কসম।
বিপ্লবের মহাভারে লেলিন তখন অথর্ব।
ম্যাক্সিম গোর্কির বাগান বাড়িতে তখন লেলিন, স্তালিনের মাধ্যমেই পার্টির সব নির্দেশ পাঠাতেন। ট্রটস্কি তখনও রেড আর্মির সর্বাধিনায়ক।
যুদ্ধ সংক্রান্ত ব্যাপারে ট্রটস্কির সাথে সরাসরি যোগাযোগ রাখতেন লেলিন। এবং এখানেই স্তালিনের সঙ্গে লেলিনের সর্বশেষ গন্ডগোল বাধল।
ট্রটস্কির সাথে যোগাযোগ রাখার কাজ করতেন লেনিনের স্ত্রী নাডেজা ক্রুপস্কা। স্তালিন জানতেনই না, ক্রুপস্কা এই কাজ করছেন লেলিনেরই নির্দেশে। ফলে ক্রপস্কার সাথে একদিন স্তালিনের বাধল বেদম বাওয়াল। র্টি বহির্ভুত কাজের জন্যে ক্রুপস্কাকে স্তালিন “সিফিলিটিক হোর” অর্থাৎ “যৌনরোগ বাধানো বেশ্যা” বলে গালাগাল দিলেন।
আদতে মেয়েদের বেশ্যা বলে গালাগাল দেওয়া স্তালিনের পুরানো অভ্যেস। ক্রুপস্কা তখন চটে চল্লিশ হয়ে গিয়েছেন। মহান লেলিন নিজেও পুরো ঘটনা জেনে অগ্নিশর্মা।
স্তালিন কিন্তু বলশেভিক দলের গঠনতন্ত্র মেনে কিছুই ভুল করেননি। সত্যিই তো !! তাকেই তো পার্টির জেনারেল সেক্রেটারী করা হয়েছে। রেড আর্মির সব নির্দেশ তার হাত দিয়েই ট্রটস্কির হাতে যাওয়ার কথা।
তার দোষ নেই একটুও। আর মেয়েদের বেশ্যা বলে গালাগাল দেওয়াটা তার জর্জিয়ান অভ্যেস!
পিতৃতান্ত্রিক সমাজের অভ্যেস কি আর কম্যুনিজম দিয়ে ধোয়া যায়?
স্তালিন আমলে রাশিয়ায় যে সমাজব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল, সেটা মার্ক্স-লেনিনের সমাজতন্ত্র নয়, নিছকই একটা রাষ্ট্রীয় পুঁজিবাদী ব্যবস্থা। একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়েও স্তালিনকে স্বৈরাচারী না বললে, লেলিনের আত্মা মার্ক্সলোকে রক্ত আমাশায় ভুগবে।
হিটু আর স্তালিনের ফারাক উনিশ বিশ। ঐতিহাসিক ক্যালকুলেশনে স্তালিন আরেকটু পলিশড মাতৃসঙ্গমী। লেখক দুজনেরই জাঙ্গিয়ায় বুড়িমার চকোলেট বোমা ঢুকিয়ে ব্লাস্ট করিয়ে দিয়েছেন।
১১৫২ পাতার ব্যাপক বই মাইরি। লেখকের পদবিও Bullock -- এইসব ষাঁড়-মোষ-গরুদের দিয়ে ইতিহাস লেখা হয় ?
পাক্কা সাড়ে তিন দিন লেগেছে পড়ে বুঝে উঠতে। ব্রুক্ষু চাড্ডি হলে যা হয় ইনশাআল্লাহ।
অলমিতি।