ইমদাদুল হক মিলনের সবচাইতে জনপ্রিয় উপন্যাস ‘ভালোসার সুখ দুঃখ’। ১৯৯৩ এর বইমেলায় প্রকাশিত। সে বছরই বাংলা একাডেমীর কর্তৃপক্ষ মেলার প্রতি সপ্তাহে কোন বই বেস্ট সেলার তা ঘোষণা করতে শুরু করে। প্রথম সপ্তাহে বেস্ট সেলার হয় ‘ভালোবাসার সুখ দুঃখ’। তারপর শুরু হয় এই বই নিয়ে তুলকালাম কাণ্ড। পুলিশ পাহারায় লাইন ধরে বিক্রি হয় ‘ভালোবাসার সুখ দুঃখ’। এক মাসের মেলায় বিক্রি হয়ে যায় চল্লিশ পঁয়তাল্লিশ হাজার কপি। সারা বছরে বিক্রি হয় প্রায় সত্তর হাজার কপি। বিক্রির দিক দিয়ে সম্ভবত ‘ভালোবাসার সুখ দুঃখ’ এখনও সর্বশীর্ষে। আশ্চর্য ঘটনা মাত্র চারদিনে উপন্যাসটি লিখেছিলেন ইমদাদুল হক মিলন। এই বই এখনও খুঁজে বেড়ায় পাঠক। বিশেষ করে প্রেমিক প্রেমিকারা। নতুন আঙ্গিকে তাদের জন্য আবার প্রকাশিত হলো ‘ভালোবাসার সুখ দুঃখ’।
ইমদাদুল হক মিলন-এর জন্ম ৮ সেপ্টেম্বর ১৯৫৫, ঢাকা জেলার বিক্রমপুরে। পৈতৃক গ্রাম— লৌহজং থানার ‘পয়শা’। ঢাকার গেন্ডারিয়া হাইস্কুল থেকে এস এস সি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে অনার্সসহ অর্থনীতিতে স্নাতক।প্রথম রচনা, ছোটদের গল্প ‘বন্ধু’, ১৯৭৩ সালে। প্রথম উপন্যাস যাবজ্জীবন। ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় ১৯৭৬ সালে। প্রথম গ্রন্থ ভালবাসার গল্প (১৯৭৭) থেকেই তিনি বিপুলভাবে সংবর্ধিত, পাঠকপ্রিয়। ১৯৯২ সালে বাংলা একাডেমী পুরস্কার। এ ছাড়া পেয়েছেন বিশ্ব জ্যোতিষ সমিতি পুরস্কার(১৯৮৬), ইকো সাহিত্য পুরস্কার(১৯৮৭), হুমায়ূন কাদির সাহিত্য পুরস্কার(১৯৯২), নাট্যসভা পুরস্কার(১৯৯৩), পূরবী পদক(১৯৯৩), বিজয় পদক(১৯৯৪), মনু থিয়েটার পদক(১৯৯৫), যায় যায় দিন পত্রিকা পুরস্কার (১৯৯৫)। ২০১১ সালে ‘নূরজাহান’ উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন আই আই পি এম সুরমা চৌধুরী স্মৃতি আন্তর্জাতিক সাহিত্য পুরস্কার।
পুরনো দিনের বাংলা সিনেমার কাহিনী 🤦♂️। তবে পড়তে ভালো লেগেছে। বাড়ি যাওয়ার সময় কোনো বই নেই নি সাথে৷ আম্মুর আলমারির ড্রয়ার খুলে বইটা পেলাম। আগেও হুমায়ূন আহমেদ, শীর্ষেন্দুর বই পেয়েছিলাম৷ যাইহোক সময় কেটেছে ভালো বইটি পড়তে পড়তে।
"এটাই জগতের নিয়ম, দুজনের মধ্যে একজন হাসে আর অন্যজন পায় দুঃখ"
ভালবাসার সুখ দুঃখ - রোমান্টিক উপন্যাস লেখক - ইমদাদুল হক মিলন
An awesome small piece of great romance. The story is only 80 pages long but it was able to grab attention from the very beginning. It is a mixture of a complete love story which is triangle one. Jewel, the hero runs away from Dhaka to his friend's native home. Because he married his lover Tanya and Tanya's brothers hired some goons for Jewel. Meanwhile Jewel's friend's sister fell for Jewel also. A perfect combination and many perspective was shown in the story. How Jewel was so anxious, how Tanya struggled, how their friends helped them, what was the perspective of Tanya's brothers and how a young village typical girl feel a great deal of love was beautifully picturized in the novel. I must say this novel touched my heart. One notable dialougue of the novel : "এটাই জগতের নিয়ম, দুজনের মধ্যে একজন হাসে আর অন্যজন পায় দুঃখ"