Jump to ratings and reviews
Rate this book
Rate this book
এক নারকীয় প্রেতবস্তু আর দেড় হাজার বছর থেকে শুরু করে আজ অবধি ঘটে চলা তিনটি আপাতবিচ্ছিন্ন সময়স্রোতের সঙ্গে মিশে গেছে গুপ্তচরবৃত্তির হিংস্র ইতিহাস, বিশ্বাসঘাতকতার প্রায়শ্চিত্ত, বন্ধুত্বের অভেদ্য বন্ধন।

136 pages, Hardcover

First published April 1, 2020

Loading...
Loading...

About the author

Avik Sarkar

47 books190 followers
অভীক সরকারের জন্ম পয়লা জুন, উনিশশো উনআশি সালে। বেড়ে ওঠা প্রাচীন শহর হাওড়ার অলিগলিতে। বাবা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ছিলেন, মা স্কুল শিক্ষিকা। রয়েছে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। পেশায় সেলসম্যান, কর্মসূত্রে ঘুরেছেন পূর্ব-ভারতের প্রায় সব শহর ও গ্রাম। জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে বাসা বেঁধেছেন হায়দ্রাবাদ, পাটনা, মুম্বাই ইত্যাদি বিভিন্ন শহরে। শখের বই ব্যবসায়ী ও প্রকাশক। লেখালেখির শুরু আন্তর্জালে ও বিভিন্ন ব্লগে। প্রকাশিত বইগুলো হল মার্কেট ভিজিট, তিতিরপাখি ও প্রিন্সেস (সহলেখক অনুষ্টুপ শেঠ), এবং ইনকুইজিশন, খোঁড়া ভৈরবীর মাঠ, চক্রসম্বরের পুঁথি, ইত্যাদি। বিবাহিত। কন্যা সন্তানের পিতা। ভালোবাসেন ইলিশ, ইস্টবেঙ্গল, ইয়ারবন্ধু এবং ইতিহাস।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
30 (14%)
4 stars
48 (23%)
3 stars
76 (36%)
2 stars
36 (17%)
1 star
16 (7%)
Displaying 1 - 30 of 50 reviews
Profile Image for Supratim.
311 reviews467 followers
December 27, 2021
My second book by Avik Sarkar.

The story begins in ancient Tibet. A young man searching for his dear friend - his pet dog, stumbles upon a dark ritual wherein his dog has been sacrificed and turned into a terrible object of death and destruction. A monk would use his power to avert the evil. Then we moved ahead in time to when China would occupy Tibet and finally to the present age - to a location in north Bengal where people would start disappearing. I liked the character of Krishnananda Agambagish - I believe he also features in other stories.

The author has combined various themes such as ancient Hindu and Buddhist tantra, prophecies, sci-fi, espionage, conspiracy, love and friendship. And the author has managed to tell the story with 135 odd pages. The result is a very fast paced story ideal for a quick read or when the mind seeks come thrills and chills.

On the flip side, 135 pages are not sufficient for character development. Some readers might also feel that too many things are happening in the story.

Overall a satisfying read for supernatural thriller lovers.
Profile Image for জাহিদ হোসেন.
Author 24 books493 followers
May 24, 2021
বিজ্ঞান আর তন্ত্রের সমন্বয় ঠিক জমলো না। লেখকের 'এবং ইনকুইজিশন' বেশ ভালোই লেগেছিল, বিশেষ করে 'শোধ' নামের গল্পটা। সে তুলনায় এটা বেশ দুর্বল বলে মনে হলো।
Profile Image for Aishu Rehman.
1,148 reviews1,215 followers
March 17, 2021
মনে হলো এক নিঃশ্বাসে শেষ করলাম। তন্ত্র সাধনার সাথে বিজ্ঞানের মিশেল মানে সাইন্স ফিকশন, এ সত্যি অন্যরকম এক অভিজ্ঞতা। লেখক দুর্দান্ত লিখেছেন বটে।
Profile Image for Shadin Pranto.
1,527 reviews588 followers
September 5, 2022
গল্পটা একদম জট পাকিয়ে গিয়েছে এবং লেখকের সাধ্যি হয়নি তন্ত্রমন্ত্রের ফাঁদে পড়ে বিজ্ঞানের সহায়তায় সেই জট খোলার।
Profile Image for Bookishbong  Moumita.
474 reviews136 followers
September 25, 2020
3.5 /5
এর আগে খোঁড়া ভৈরবীর মাঠ পড়ে লেখকের লেখার সাথে আলাপ। আর এই বই টা নিয়ে তো চারিদিকে হইহই । তাই শখ করে কিনে ফেললাম।
বইটা খুব বেশি দৈর্ঘ্যর না। কিন্তু অনেক বেশি ঘটনা।
এত ঘটনায় বিজ্ঞানের সাথে তন্ত্র একটু যেন ঘেঁটে গেছে। তাই খুব বেশি ভালো লাগলো না
Profile Image for Gourab Mukherjee.
170 reviews26 followers
August 21, 2020
বেশ মন ভালো করে দেওয়া একটা বই পড়লাম। অভীক সরকারও আবারও বেশ তাক লাগিয়ে দিলেন পেতবত্থু দিয়ে। Sci-fi, তন্ত্রমন্ত্র এমনকি তার সাথে পুনর্জন্ম কে একসাথে মিশিয়ে বেশ জমাটি গল্প ফেঁদেছেন।

গল্পের কন্টেন্ট বেশ ভালো। " দেড় হাজার বছর আগে তৈরি এক পৈশাচিক ঝামেলা বর্তমান কালে এসে মিটে যাচ্ছে happy ending দিয়ে।" সারকথা এই। তার মাঝে জড়িয়ে যায় ওই লম্বা হাজার বছরের ইতিহাস, বন্ধুত্ব, বিশ্বাস ঘাতকতা, পূর্বপুরুষের ঋণশোধ ইত্যাদি।

কী ভালো লেগেছে :

✴️ একটা (আসলে অনেকগুলো) সম্পূর্ণ কাল্পনিক এবং একদমই অবাস্তব দৃশ্যের কিভাবে চিত্রানুগ বর্ণনা লিখতে হয় তা রীতিমত শেখার জিনিস লেখকের কাছে। একদম যেন চোখের সামনে হতে দেখছেন মনে হবে।

✴️ কিছু দৃশ্য মনে খুব জোড়ালো ধাক্কা দিয়েছে। নিজের কোন পোষ্য থেকে থাকলে সেই দৃশ্য গুলো পড়ার সময় কান্না আটকাতে পারবেন না। আরও আছে পরিবারের প্রতি ভালোবাসা, বন্ধুর প্রতি ভালোবাসা, আত্মত্যাগ। After all "ভালোবাসাই সব থেকে বড় জাদু, সব থেকে বড় তন্ত্র।" ভালোবাসা শুধু কয়েকটা বইয়ের কালো কালিতে লেখা শব্দ দিয়ে ব্যক্ত করা বেশ চাপের কাজ। তবে লেখক তাতে সিদ্ধহস্ত।


অপছন্দের বিষয় সমূহ :

🔸কল্পবিজ্ঞানের পার্ট গুলো একটু কাঁচা কাঁচা, তবে ক্ষমার অযোগ্য নয়। মানে Electro-gravitational dilation চলছে সেখানে বালি ঘড়ি কাজ করছে। এটাও মানতে হবে? 🤷🤷
তবে এটা গল্প, seriously নেওয়ার জন্য নয়; তাই চাপ নিলাম না।

🔸কৃষ্ণানন্দ আগম বাগীশ বেশ under-utilized এই গল্পে। এটা একটু খারাপ লেগেছে।🤦

🔸গল্পে কোনো নারী চরিত্র নেই।🤦

ব্যক্তিগত মতামত :

🔸তন্ত্র মন্ত্রের সাথে sci-fi কে জুড়ে দিলে আমার বেশ রাগ ধরে, but then again "magic is just science that we don't understand।"🙇
✴️ হয়ত লেখক পড়ে কোন গল্প লিখবেন যাতে কোনো advanced civilization থেকে আসা alien আমাদের পূর্বপুরুষ দের তন্ত্রমন্ত্র শিখিয়ে যাবে। Who knows!! 🧘🧘

----------------------------------------------------------------------------------

সব মিলিয়ে বলব বইটা খারাপ না। পড়লে আফসোস হবে না। বেশ ভালোই লাগবে। তবে লেখকের ট্র্যাক- রেকর্ড দেখে যদি একটা expectation তৈরি করে পড়া শুরু করেন তাহলে কপালে দুঃখ আছে। (Maybe খানিকটা, আমি বিশাল কিছু নিরাশ হইনি।)🤷🤷
5 reviews1 follower
September 3, 2020
বইটিতে লেখক তন্ত্র এবং বিজ্ঞানের মেলবন্ধন ঘটাতে চেয়েছেন অথচ কাহিনী নির্মাণের ত্রুটিতে লেখকের উদ্দেশ্য সফল হয়নি, কোথাও যেন খেই হারিয়ে গিয়েছে। সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক, উপন্যাসটি কৃষ্ণনন্দ আগমবাগীশ সিরিজের হলেও, উক্ত চরিত্রটিই কাহিনী প্রবাহে বলপূর্বক প্রবিষ্ট মনে হয়।
Profile Image for Shuk Pakhi.
550 reviews404 followers
November 9, 2022
তন্ত্রমন্ত্রের সাথে বিজ্ঞান না মেশালেই ভালো হতো।
Profile Image for Sayeed Shihab.
Author 11 books41 followers
December 16, 2020
কাহিনী ভাল। তবে শুরুর দিকে হিন্দি বাক্যের বাহুল্যে বুঝতে বেশ কষ্ট হয়েছে। এছাড়াও, প্রথম দিকের অনেকখানি পড়ে মনে হয়েছে শুধু মাত্র পৃষ্ঠা বাড়ানোর জন্য যুক্ত করা হয়েছে।
Profile Image for Ahmed Aziz.
418 reviews71 followers
October 20, 2021
রীতিমতো হতাশ বইটা পড়ে। অতিপ্রাকৃতিক হরর আর সায়েন্স ফিকশনের মিশেল একদমই জমেনি। যার নামে এই বই, সেই ভয়াবহ অশুভ শক্তি পেতবথুর দেখাই পাওয়া গেল না। কোনো চরিত্রই ভালোমত গড়ে ওঠেনি।
Profile Image for Farhan.
769 reviews12 followers
July 3, 2021
পশ্চিমবঙ্গের যে ক'জন লেখককে নিয়ে গত কয়েক বছর ধরে গুডরিডসে হাইপ চলছে, অভীক সরকার তার মাঝে একজন, এবং একমাত্র তার কিছু লেখাই, আমার মনে হয়েছে, সেই হাইপের কাছাকাছি যেতে পেরেছে। তবে এই বইটা নয়। এরচেয়ে খারাপ বই পড়িনি তা নয়, কিন্তু এই বইটা ছোট সাইজের হওয়ায় হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছি। অলৌকিকের সাথে সাই-ফাই যায় না, একেবারেই না। মনে হলো জলের ওপর কেরোসিন তেল ভেসে রয়েছে।
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 46 books1,951 followers
March 20, 2020
পূজাবার্ষিকীতে প্রকাশিত হওয়ার আগেই লেখাটা পড়ার সৌভাগ্য হয়েছিল। তন্ত্র ও বিজ্ঞানের এক ক্ষুরধার খেলা এই উপন্যাস। তবে এর হৃৎপিণ্ড হল এক পশুর জন্য এক মানুষের প্রেম - যা দেশ-কালের সীমা পেরিয়ে এক অদ্ভুত মায়ায় ভাসিয়ে দেয় প্রতিটি পাঠককে।
আমার পড়া অন্যতম সেরা লেখা। পিরিয়ড।
Profile Image for Sushanto Kumar Saha.
95 reviews7 followers
July 18, 2020
বিজ্ঞান আর তন্ত্রকে এক করতে গিয়ে একটা জগাখিচুড়ি সৃষ্টি হয়েছে। না বিজ্ঞানের দিকটা ঠিক আছে, না তন্ত্রের দিকটা। আরও অনেক খুঁটিনাটি ভুলত্রুটি ধরা যায়, যেগুলো না ধরাই ভালো।
Profile Image for Ayesha.
117 reviews42 followers
March 18, 2023
তন্ত্রসাধনা আর বিজ্ঞান, এই দুইয়ের সামঞ্জস্য ঘটাতে গিয়ে লেখক যে জট পাকালেন, তাতে তার একূল-ওকূল দু-কূল ই গেলো!
Profile Image for Tiyas.
487 reviews168 followers
April 12, 2021
এবং ইনকুইজিশনের চারটে গল্প ধরলে, প্রকাশকাল অনু্যায়ী প্রেতবত্থু হয় কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ সিরিজের পঞ্চম গল্প। (এর মাঝে লেখক অন্য কিছু লিখে থাকলেও আমার জানা নেই, এক্ষেত্রে আমি ভুল হতেও পারি)।

গল্প এগিয়ে চলে তিনটে ভিন্ন সময়কাল ধরে। পটভূমিকা যথাক্রমে দেড় হাজার বছর পূর্বের তিব্বত, ৫০-এর দশকের টালমাটাল দিল্লি, এবং বর্তমান সময়ে উত্তরবঙ্গের লাল ঝামেলা বস্তি। গল্পে আগমবাগীশ মশাইয়ের আগমন যথারীতি মাঝবরাবর। কিন্তু কোথাও গিয়ে যেন মনে হয় চরিত্রটি না থাকলেও গল্পে খুব একটা পরিবর্তন আসতো না। ত্রিকাল জ্ঞানী কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ তাই এই গল্পে বড়ই স্তিমিত। তবে লেখকের একাধিক টাইমলাইন নিয়ে সুনিপুণ ভাবে খেলার প্রচেষ্টা কে জানাই সাধুবাদ। অনেকই আজকাল এটা চেষ্টা করেন বটে, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সাবলীলতার অভাব লক্ষ্য করা যায়।

অভীক সরকারের লেখনি আমার বরাবরই ভীষন পছন্দের। এ গল্পেও সেটার কোনো পরিবর্তন নেই। শেষাংশে কেবল মাত্র বর্ণনা শক্তির দ্বারা থ্রিল জিইয়ে রাখার ক্ষমতা লেখক পুনরায় ব্যবহার করেছেন এ গল্পে। এবং এ ক্ষেত্রে ইনকুইজিশনের গল্প গুলোকেও মাঝে মধ্যেই ছাপিয়ে গিয়েছেন বলেই আমার মনে হয়। তবে মানতে হবে, শুরুতে হিন্দি সংলাপের অতিমারী, এক গুচ্ছ নতুন চরিত্রের ঘনঘটা পড়ে খানিকটা বিরক্তই হয়েছিলাম। লেখক সেটা শেষ পর্যায়ে এসে পুষিয়ে দিয়েছেন বলেই রক্ষে।

তবে কিনা গল্পের মূল বিষ়বস্তু হলো বইটির প্লাস পয়েন্ট এবং দুর্বলতা দুটোই। তন্ত্রের সাথে বিজ্ঞানের মেলবন্ধনের একটা সাহসী প্রচেষ্টা করেছেন লেখক। ফলাফল, উপন্যাসটি যতটাই তন্ত্রের উপাখ্যান, তারও বেশি সায়েন্স ফিকশন। এবারে বলে রাখা ভালো, বিজ্ঞানের ছাত্র বা চর্চিতা কোনটাই আমি নই। তাই কোয়ান্টাম বা পার্টিকল ফিজিক্স, ম্যাটার বা অ্যান্টি ম্যাটার, স্পেস এবং টাইম কন্টিন্যুয়াম। লেখকের চর্চিত কোনো তত্ত্বই আমি আমার এই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র মস্তিষ্কের জোরে ঠিক না ভুল বিচার করতে পারলাম না। ওসব আমার পক্ষে ধৃষ্টতা। তবে কিনা এটুকু বলতে পারি, যে অভীক সরকারের সাবলীল লেখনীর জোরে তন্ত্র, সাইন্স এবং সিউডো সাইন্সের এই জগাখিচুড়ী বেশ উপভোগ্য। পড়তে দারুন লাগে। তবে 'শোধ' বা 'ভোগ' পড়ে আসার পরে একটি তন্ত্র বর্ধিত ভয়াল উপন্যাসের খোজে যারা আসবেন তারা যারপরনাই হতাশ হবে। গল্পটিতে ভয় খুব একটা লাগে না বললেই চলে।

তন্ত্রের দিক থেকে প্রেতবত্থু লঘু হলেও, গল্পের হৃদয় বহাল তবিয়তে অক্ষত সেই কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশের কাছেই। হালফিলের অজস্র তন্ত্র হরারের অযাচিত বিভৎসতা, নৃশংস রগরগে যৌনতার আবেশ থেকে অভীক সরকার বরাবরই কিছুটা হলেও সতন্ত্র। কারন তার গল্পের মূলে যে নির্ভেজাল নিষ্কামনার জয়। শেষ অবধি অন্ধকার ভেদী আলো রুপি ভালোবাসার উত্থান। কারন ভালোবাসাই যে হল সবচেয়ে বড় তন্ত্র, সবচেয়ে বড় জাদু। তার লেখা গল্প পড়ে তাই কৃষ্ণানন্দের ভাষায় বলে উঠতে ইচ্ছে হয়, ভালো হোক, যারা ভালোবাসে তাদের ভালো হোক। ভালো হোক।
Profile Image for Zanika Mahmud.
207 reviews11 followers
June 7, 2021
অভিক সরকার এর ভক্ত হয়ে যাচ্ছি। ছোট অথচ ইন্টারেস্টিং।
Profile Image for Habib Rahman.
80 reviews1 follower
July 12, 2024
পেতবত্থু বা প্রেতবস্তু আসলে কী?

- যার ভিতরে কোনো প্রেতাত্মা লুকিয়ে রাখা হয়। যার জন্য এই প্রেতবস্তু বানানো হয়,তার সর্বনাশ ঘটে, সে সবংশে নিহত হয়।



দেড় হাজার বছর আগের প্রাচীন তিব্বত। থুবতেন নামক এক যুবকের এই জগতে কেউ নেই। আছে শিনজে নামক একমাত্র সংগী দ্রোক-খি। দ্রোক-খি হলো বিরাট তিব্বতি ম্যাস্টিফ কুকুর। এক রাতে থুবতেনের সামনে উন্মোচিত হয় তিব্বতের সম্রাট মে অগছোমের বিরুদ্ধে করা এক ভয়ানক ষড়যন্ত্র। যে ষড়যন্ত্র সফল করতে থুবতেনের শিনজেকে প্রেতসিদ্ধ করতে চায় ষড়যন্ত্রীরা। সর্বনাশ ঘটে যাবার আগেই থুবতেন সাহায্য চায় সর্বশ্রেষ্ঠ তান্ত্রিক পদ্মসম্ভব এর কাছে। কিন্তু ততক্ষণে যে পেতবত্থু জাগ্রত হয়ে গেছে!!!


১৯৫৯। চায়না দখলে নিয়েছে পবিত্রভূমি তিব্বত। দলাই লামা এবং তার বিশ্বস্ত সহযোগীরা পালিয়ে চলে এসেছেন ভারতে। তাদেরই একজন লোবসাং। তিব্বত থেকে পালিয়ে আসার সময় সামান্য যা কিছু নিয়ে সবাই পালিয়ে এসেছে তাদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো অমূল্য পঞ্চজ্ঞানমঞ্জুশ্রী। পঞ্চজ্ঞানমঞ্জুশ্রী হচ্ছে কদম্পা ধর্মমতের এমন পাঁচটি পবিত্রতম পুঁথি যা একমাত্র স্বয়ং দলাই লামা বা তাঁর মনোনীত ব্যক্তি ছাড়া আর কারও দেখার অধিকার নেই। তার থেকে একটি মঞ্জুশ্রী উধাও হয়ে যাওয়াতে ডাক পড়ে দলাই লামার আজ্ঞাধীন গোপনতম যোদ্ধাবাহিনী মহাকালচক্রের। অন্ধকারের গহীনতম শক্তি এই মহাকালচক্র। এরা পারে না হেন কোনো কাজ নেই। গুপ্তহত্যায় এদের সিদ্ধি প্রবাদপ্রতিম, আর মহাকালচক্রের হাতে মৃত্যু বড় ভয়ঙ্কর, বড় নৃশংস। মহাকালচক্রের হাত থেকে বাঁচতে লোবসাং আশ্রয় নেন ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা আই বি এর কাছে। কিন্তু সর্ষের মধ্যেই যদি ভূত লুকিয়ে থাকে তখন?


বর্তমান সময়। ডায়না নদীর তীরে অবস্থিত টেংমারি টি গার্ডেন আর লাল ঝামেলা বস্তি। এরই পাশে অতি গোপনীয় এক প্রজেক্ট চালু হবার পরপরই একের পর এক লোক গায়েব হয়ে যাচ্ছে। তাদের হদিস আর পাওয়া যাচ্ছে না। আসল ঘটনা কি জানতে মামার অনুরোধে টি গার্ডেনে আসে দুই বন্ধু দেবু আর সুজন। শুরুতে মামুলি ঘটনা ভাবলেও শীগ্রই সবকিছু মোড় নেয় ভয়ানক এক দুঃস্বপ্নে।


অভীক সরকারের পেতবত্থু বইটিকে পাঁচমিশালী বই বলা যায়। তিন-চারটে টাইমলাইন, তন্ত্র-মন্ত্রের সাথে সাইন্সের মিশ্রণ আর ফাস্ট পেসড বইয়ে লেখনীর গুণে দুর্দান্ত দৃশ্যায়ন; এসব কিছুই আবার ১৩৫ পৃষ্ঠার মধ্যে এটে যাওয়া। বইটিকে শুরতে মনে হচ্ছিল অতিপ্রাকৃত হরর কোনো বই হবে। তন্ত্র-মন্ত্রের বিশদ বর্ণনা সেই ইংগিতই দিচ্ছিল। কিন্তু পরে আবার তাকে সায়েন্স দিয়ে জাস্টিফাই করতে গিয়ে মনে হবে যেন এটি কোনো সাই-ফাই। কিছু ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর এই দুইয়ের মিশেলে চমৎকৃত হচ্ছিলাম। কিছু ক্ষেত্রে আবার ভীষণ বিরক্তিকর এবং হাস্যকর লাগছিল। ছোট সাইজের বইয়ে এসবকিছু ঠেসে ভরতে গিয়ে ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট কিছুই ছিল না। এমনকি যেই পেতবত্থুর নামে বইয়ের নাম তার দেখাই পাওয়া যায়নি।

তবে বইটি তারপরেও পড়তে বেশি একটা খারাপ লাগেনি তার কারণ হচ্ছে লেখনীর গুণে। সবকিছু যেন চোখের সামনে ভাসছিল। অভীক সরকারের প্রশংসা করতে হবে এক্ষেত্রে। ছোট কলেবরের এবং ফাস্ট পেসড হওয়াতে বিরক্তিকর বোধ হয় না তেমন। ওয়ান টাইম রিড হিসেবে ঠিক আছে।

পেতবত্থু
অভীক সরকার
পত্রভারতী
Profile Image for অভিষেক জাষু.
18 reviews
February 8, 2026
‘প্রেতবত্থু’ — অভীক সরকারের এই বইটি নিয়ে আমার অনুভূতি কিছুটা মিশ্র। লেখকের অন্যান্য লেখা আমি পছন্দ করি, তাই এই বইটি নিয়ে প্রত্যাশাও ছিল। শুরুটা বেশ ভালো এবং কৌতূহল জাগানোর মতো—গল্পের পরিবেশ ও ধারণা আশাব্যঞ্জক।

তবে গল্প এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে তন্ত্র-মন্ত্র আর বিজ্ঞান—এই দুইয়ের মেলবন্ধনটা কিছুটা বিভ্রান্তিকর মনে হয়েছে। কোন দিকটা আসল ফোকাস, সেটা পরিষ্কারভাবে ধরা পড়ে না। এর ফলে গল্পের প্রবাহে মাঝেমধ্যে ছন্দপতন ঘটে।

সবচেয়ে বেশি হতাশ করেছে শেষটা। শুরু যতটা শক্তিশালী ছিল, সমাপ্তি ততটা প্রভাব ফেলতে পারেনি। মনে হয়েছে গল্পটা আরও গুছিয়ে শেষ করা যেত।

তবু যারা অভীক সরকারের লেখা পছন্দ করেন, তারা একবার পড়ে দেখতে পারেন। তবে এটি লেখকের সেরা কাজগুলোর মধ্যে পড়বে কিনা, সে বিষয়ে আমার একটু সন্দেহ আছে।

৩.৫ ⭐️
Profile Image for Rohit Sarkar.
47 reviews1 follower
February 23, 2026
📕বই~পেতবত্থু
✒️লেখক~অভীক সরকার
🖼️+🎨প্রচ্ছদ ও অলংকরণ~কৃষ্ণেন্দু মন্ডল
🖨️প্রকাশনা~পত্রভারতী
💷মুদ্রিত মূল্য~১৯৯/-
📋পৃষ্ঠা~১৩৬
📝পাঠ অনুভূতি»
কি হয় যখন থুবতেনের প্রিয় পোষ্য শিনজে হারিয়ে যায়? তার পরিণতি যখন থুবতেনের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে তাকে চরম পীড়া দিতে থাকে।মৃত্যুর পরও কি তাদের মিলন হবে?
‌✳️লোবসাংকে আটক করেছে কারা? কেনই বা তার ওপর এত নির্মম অত্যাচার? পেতবত্থু আসলে কী?শিনজে কি সত্যিই‌ পেতবত্থু হয়ে গেছে?কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ কি পারবেন তার মন্ত্রসিদ্ধি ঘটাতে?নাকি হেরে যাবেন?
🍂প্রশ্ন অনেক কিন্তু উত্তর জানার জন্য পড়তে হবে পেতবত্থু।
✨কিছু ভালো দিক:-
১.গল্পের স্টোরি টেলিংটা যথেষ্ট শক্তিশালী।
২.গল্পের মধ্যে একটা টানটান থ্রিল ব্যাপার রয়েছে
৩.শিনজে আর থুবতেনের মধ্যের সম্পর্কটাকে ভালোভাবে দেখানো হয়েছে।

পাঠ সুখকর হলো
🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻
লেখায় ~রহিত
Profile Image for Pabitra Ghosh.
52 reviews4 followers
December 3, 2024
আমাদের তন্ত্রের এত খারাপ দিন আসেনি যে সস্তার বিজ্ঞানযুক্তি দিয়ে সেটাকে ব্যাখা দিতে হবে। শুরুটা ভালোই হয়েছিল, কিন্তু মাঝখান থেকে রোগের উপসর্গ দেখা দিল আর শেষে গিয়ে সব গুলিয়ে ঘেটে ঘন্ট পাকিয়ে গেল। অভিকবাবু অন্তত তন্ত্রটা ভালো জানতেন এইটুকু বিশ্বাস ছিল...
Profile Image for DIPANJAN MUKHERJEE.
141 reviews4 followers
January 25, 2026
The element of fantasy outweighs the horror element, though the title suggests otherwise. The admixture of science fiction, religion and magic in the plot appears exceptional. However, I find it too complicated to be a good read. Finally, the hurried ending leaves one unsatisfied.
Profile Image for Nisa .
117 reviews18 followers
Read
September 28, 2026
গল্পটা ভয় লাগার মতো না, কিন্তু ভালো।

মধ্যেখানে এক জায়গায় লেখক বলে বসলেন যে "মুসলিমরা প্রায় ৮০০ বছর আগে তিব্বতে ঢুকে যাচ্ছেতাই অত্যাচার, খুন-ধর্ষণ, লুট-পাট, বিদ্যা মন্দির পোড়ানো এমন নারকীয় কাজকর্ম করেছিল। " এই তথ্য লেখক কোথা থেকে আনলেন জানার ইচ্ছা রাখি। আশ্চর্য!
8 reviews
July 7, 2024
মোটামুটি পড়ার মত, খারাপ না
Profile Image for Utsa.
1 review4 followers
July 7, 2024
1 star for the attempt
Profile Image for Dr X.
38 reviews1 follower
January 24, 2025
কাউরীবুড়ির পাশে না বসলেও তার কাছাকাছি বসানো যাবে 😄❤️
Profile Image for Rahul Mukherjee.
85 reviews3 followers
April 12, 2026
চিরাচরিত ধারার বাইরে এই গল্পটিতে অনেক কিছু নতুনের উপাদান। বিজ্ঞান পরাবিজ্ঞান সবমিলিয়ে কিছু কঠিন প্রশ্ন কি উঠলো না?
লেখকের অন্য গল্পগুলির মতন টানটান না হলেও যথেষ্ট ভালো লেগেছে।
Displaying 1 - 30 of 50 reviews