রোমান সাম্রাজ্য শুনলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে মাথায় ব্রোঞ্জের শিরস্ত্রাণ পরিহিত, শক্তিশালী দেহের বর্শাধারী একদল সৈন্য। কিন্তু রোমানরা কেবলই যোদ্ধা ছিল না, বর্তমান সভ্যতার অগণিত উপহার তাদের কাছ থেকে এসেছে। ছোট্ট একটা শহর হিসেবে শুরু হলেও, আস্তে-আস্তে তা বিস্তৃতি হয়ে পরিণত হয় বিশ্বের সবচাইতে বড় এবং প্রভাবশালী সাম্রাজ্যে। প্রখ্যাত রোমান সম্রাট, তাদের এলাকা দখল ছাড়াও রোমান সভ্যতার রয়েছে আরও অনেক দিক। সেনেটাস পোপুলাসকে রোমানস বইতে আমরা চেয়েছি ইতিহাসের যে অংশ প্রায়শই রয়ে যায় নজরের আড়ালে, সেই গল্পগুলোকে তুলে আনতে। কেবল গ্রিক পুরাণই নয়, রোমানদেরও রয়েছে স্বতন্ত্র অনেক পৌরাণিক গল্প; হারকিউলিস, থিসিয়াস, পার্সিয়াসদের মতো রহস্য-ঘেরা বীর না হলেও লুক্রেশিয়া, নুমা ও গাইয়াস ম্যারিয়াসের মতো ইতিহাস খ্যাত ব্যক্তিত্ব। অপরাজেয় রোমান সাম্রাজ্যকে হাঁটু গেঁড়ে বসতে বাধ্য করা হ্যানিবল, স্পার্টাকাস এবং দ্বিতীয় অ্যালারিকের কথাও আছে বইতে। আশা করি, রোমান সভ্যতার এই আখ্যান পাঠকদেরকে মুগ্ধ করবে।
জন্ম সিরাজগঞ্জে, ১৯৮৮ সালে। এসএসসি. পাশ করেন আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে, এইচএসসি-রেসিডেনশিয়াল মডেল কলেজ থেকে। এরপর শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সমাপ্ত করে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ থেকে। বর্তমানে কর্মরত আছেন কক্সবাজার জেলায়।
লেখালেখি শখের বসে, অনুবাদ করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। প্রথম প্রকাশিত বই আদী প্রকাশন থেকে-ট্রল মাউন্টেন। সেই সাথে রহস্য পত্রিকায় টুকটাক লেখালেখি।
সংক্ষেপে কিছু গুছিয়ে রোম এবং রোমানদের সম্পর্কে তহ্যবহুল একটা বই। রোম সম্পর্কে জানা শুরু করার জন্য ভালো। আবার যদি কেউ অল্পে অনেক কিছু জানতে চায়, তাও ভালো।
রোমান এবং গ্রীক- এই দুই সভ্যতাকে প্রায়শই এক করে দেখা হয়। এদের মাঝে মিল থাকলেও অমিলও প্রচুর৷ ছোটর মাঝে সহজ করে রোমের উৎপত্তি, শাসক, পুরান সম্পর্কে তুলে ধরেছেন লেখক। এত কম কলেবরে এত বিশাল ইতিহাস তুলে ধরবার জন্য লেখককে ধন্যবাদ।