বইয়ের লেখক যেভাবে ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছিলো সে তুলনায় যে বই বিক্রি হয় নাই তা গুডরিডস আর রকমারীর রিভিউ দেখলে আন্দাজ করা যায়। ফেসবুকেও একটা মাত্র রিভিউ আমার চোখে পড়ে নাই। সোলাইমান সুখনের মোটিভেশনের মতোই তাঁর ফেইম হয়ত হাওয়ার সাথে উড়ে গেছে। যাকগে...
বাঙালী কতটুকু জয় করল আর ব্যর্থতার ঝুলিতে কি কি আছে তার অনেক কিছুই জানা যাবে এই বইটি পড়লে। স্পয়লার বলতে বিরোধী দলীয় লোকেরা ভুলেও এই বই হাতে নিবেন না। কারণ সরকার দলকে অতিরিক্ত তেলমর্দন করা হয়েছে। পুরো বইটা ইতিহাস নির্ভর,বিশ্লেষণধর্মী এবং লেখকের নিজস্ব মতামতের ভিত্তিতে লেখা। বঙ্গবন্ধুর নাম দুই একবার এসেছে কিন্তু অন্যান্য নেতাদের সার্ফেক্সেলে ধুতে লেখক কিঞ্চিৎ কঞ্জুসী করেন নি। আর বই আমার কাছে ভালো লেগেছে।
...যদি আমরা একটু হিসাব নিকাশ বা বিশ্লেষণ করে দেখি, তা হলে দেখতে পাব যে আমরা বাঙালিরা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হয়তো পেয়েছি, তবে মুক্তি আমরা আজও পাইনি। (ড.ফ.র. আল সিদ্দিক)
আজ থেকে বায়ান্ন বছর আগে ডিসেম্বরের ষোলো তারিখে অফিশিয়াল হিসেবে ত্রিশ লক্ষ (আনঅফিসিয়ালি এই সংখ্যা আরও বাড়বে) শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, মা- বোন, বুদ্ধিজীবী, আমজনতার প্রাণের বিনিময়ে স্বাধীনতা আমাদের হাতের মুঠোয় ধরা দিয়েছিলো। ঐ স্রেফ স্বাধীনতা অর্জনই করেছি, রক্ষা করতে পারিনি বোধহয়। রণক্ষেত্রের ত্যাগী সৈনিকদের অর্জিত স্বাধীনতা রক্ষার গুরু দায়িত্ব পালন করাটা স্বাধীনতা পাওয়ার পঞ্চাশ বছর পরও আমাদের দ্বারা সম্ভব হয়নি। স্বাধীনতা শব্দটা কেবলমাত্র আভিধানিক শব্দ হয়েই পরিচিত রয়েছে আমাদের কাছে। এর দায়ভার কে নেবে? নানা গোষ্ঠীর নানা ধরনের চক্রান্তে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে একাত্তরে অর্জিত স্বাধীনতার প্রকৃত মর্যাদা। এসবের গভীরে গিয়ে লেখকের পর্যবেক্ষণ সুনিপুণ হাতে আচর কেটেছে সাদা কাগজের পৃষ্ঠায়। অনেকগুলো টপিকে প্রবন্ধ লেখা আছে বইয়ের ভিতর। লেখক প্রতিটা লেখায় অভিজ্ঞতা ও তার অর্জিত বিস্তর জ্ঞানের স্বাক্ষর রেখেছেন।
“যে জাতি নিজেকে সমালোচনা করতে পারে না, সে জাতি কখনও বড়ো হতে পারে না, সেই জাতি কখনও উন্নতি করতে পারে না।” বাকি সবার কথা আপাতত বাদ দিন। নিজেকে একবার প্রশ্ন করে দেখুন তো, আপনি নিজেকে নিজে কখনো সমালোচনা করেছেন কিনা? সমালোচনা করতে গিয়ে এমন কি কখনো হয়েছে যে আপনি আপনার বিবেকের কাছে আটকে গেছেন? আপনি যদি নিজের সমালোচনা করতে ব্যর্থ হন তাহলে আপনি আপনার বিবেকের কাছে কখনোই আটকাবেন না। আপনার দ্বারা যাচ্ছেতা সবই সম্ভব! এবার আপনার চিন্তার পরিধিকে বিস্তৃত করে আপনার আশেপাশের মানুষদের থেকে সংগঠন, সমাজ, রাষ্ট্র পর্যায়ে গিয়ে একটু ব্যাপারটা রিলেট করে ভাবুন তো...
ব্যর্থতার সঙ্গেই জয় থাকে। ব্যর্থতা কাটাতে হলে অনেকগুলো স্টেপ পেরুতে হয়। স্টেপ বাই স্টেপ সে পথে এগিয়ে গিয়ে ব্যর্থটাকে জয়ে রূপান্তর করা সম্ভব।
সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা 🇧🇩
বইটা খুব জোরালোভাবে রেকমেন্ড করবো আমি। বাঙালিদের নিয়ে চিন্তা ভাবনার জগতে আলোড়ন তুলতে চাইলে বইটা অবশ্য পাঠ্য!
যে প্রত্যাশা নিয়ে বইটি কিনেছিলাম তার অনেকখানিই অপূর্ণ রয়ে গেছে বই পড়া শেষে। ভালো বই, ঐতিহাসিক বিভিন্ন ঘটনার বিস্তারিত বিশ্লেষণে ঠাসা, ২-১টা অধ্যায়ে ভিন্নধর্মী বিষয় থাকলেও, বেশিরভাগ অংশের বিষয়বস্তু একই।
This book is about why criticizing one race constructively is important. Here criticisms comes from there own race. Totally not about hating a race. Here the race is Bengali from Bangladesh. The Author putted some of his opinions in various topics and events of our country Bangladesh. Topics like- 1. “জয় বাংলা, আমাদের জাতীয় জয়ধ্বনি” 2. “আবিষ্কার কল্পকাহিনিঃ অংশুক বনাম চীনাংশুক” 3. ‘আক্রান্ত হয়েছিলো মুক্তিযুদ্ধের উত্তরাধিকারও” 4. “বাঙ্গালির দাস মনোবৃত্তি – রগের নাম পাকিফিলিয়া” 5. “শিখার বিষয় বেছে নেওয়ার অধিকার” 6. “আমাদের সমাজ ও সংস্কৃতিতে অজ্ঞতার প্রকোপ” 7. etc. Authors published most of the articles in newspapers from 1992-2000. It might seem like the topics are old. But most of them are still relevant. 4 out of 5 because topics are old. I don't agree with some of his arguments. There is room for discussion. Highly recommended.