Jump to ratings and reviews
Rate this book

অপুর পাঁচালী #1 - 4

অপুর সংসার সমগ্র

Rate this book
A collection of all novels of the series Apur Panchali written by Bibhutibhushan Bandyopadhyay and his son Taradas Bandyopadhyay.

712 pages, Hardcover

Published January 1, 2014

5 people are currently reading
106 people want to read

About the author

Bibhutibhushan Bandyopadhyay

209 books1,127 followers
This author has secondary bangla profile-বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.

Bibhutibhushan Bandyopadhyay (Bangla: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়) was an Indian Bangali author and one of the leading writers of modern Bangla literature. His best known work is the autobiographical novel, Pather Panchali: Song of the Road which was later adapted (along with Aparajito, the sequel) into the Apu Trilogy films, directed by Satyajit Ray.

The 1951 Rabindra Puraskar, the most prestigious literary award in the West Bengal state of India, was posthumously awarded to Bibhutibhushan for his novel ইছামতী.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
26 (70%)
4 stars
8 (21%)
3 stars
3 (8%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 4 of 4 reviews
Profile Image for Saumen.
257 reviews
September 17, 2022
বার বার পড়া বই রিভিউঃ অপুর সংসার সমগ্র
লেখকঃ বিভূতিভূষণ ও তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়

পথের পাচাঁলী বা অপরাজিত এর সৌন্দর্য এখানেই যে আটপৌরে জীবনে সেই ছোট থেকে বড় হয়ে ওঠা অপুর গল্পের পাশাপাশি এখানে প্রকৃতির বর্ণনা এত সুন্দর যে, চোখে ভাসে। অপু কি অসাধারণ? লেখক তো অনেকেই হয়, অনেকেই দরিদ্র থাকে। তারপরও অপু,বিভূতিভুষণ এত আপন?

আমি জানি,উত্তরটা মিশে আছে আমাদের রক্তে। আমরাই হয়ত শেষ জেনারেশন, যাদের গা থেকে সোঁদামাটির গন্ধ এখনো যায় নি, সে পানাপুকুর,গন্ধভাদালের গাছ, আদিগন্ত মাঠ, সাতাঁর কাটা,আর সবকিছু কোনটাই আমাদের ফ্যান্টাসি বা বইয়ে পড়া না,ওটাই আমাদের শিকড়।ভাই বোনের সাথে একসাথে সাতপাতা,আম কুড়ানো সেই যে আদিম অকৃত্রিম একটা ভাব, সেই যে মারামারির পরে রাগ অভিমান এতো আমি,আমরা,গল্পটা আমাদের।

তাই অপুর সাথে লেখক নেমে আসেন আমাদের মাঝে, বলে যান আমাদের গল্প। আমরা অপুকে ছুয়ে দেখতে পাই, কি অদ্ভূত নস্টালজিয়ায় ভুগি। অপরাজিতের অপুর মাঝে খুজেঁ পাই চিরন্তন এক যোদ্ধাকে,কিন্তু সব ছাড়িয়েও তার দৃষ্টি সুদূরে ছড়ানো, কলকাতার ধোয়া,দুঃখ সে দৃষ্টির শ্যামলিমা মুছে দেয় নি। কি ছেলেবেলার ছোট্ট দুরন্ত অপু, যৌবনের জীবনযাপনে সংগ্রামী অপু, প্রৌঢ় ধীর স্থির ধ্যানী অপু বা নদীতীরে শেষ শয্যায় শায়িত অপু, সবটাই আমাদের গল্প।

তারাদাস তার পিতার মত লেখার চেষ্টা করেছেন বইকি। মাটির সাথে তার যোগ ছিল,তাই তার লেখা কৃত্রিম তা বলা যাবে না। কিন্তু সুক্ষ্ণভাবে দেখলে বোঝা যায়,কি যেন একটা মিসিং৷ বিভূতির বর্ণণা এত হৃদয়ছোয়া আর ঘোরলাগা যে, সে ঘোরেই কাজল আর তৃতীয় পড়া হয়ে যায়।

আজকালকার ছেলেমেয়েরা সেই আকাশ নুয়ে আসা সন্ধ্যা কিসের ইংগিত দেয়, বা বাতাসে কিসের সুগন্ধ ভেসে আসে অথবা টকে যাওয়া ঝোল খেতে কেমন লাগে সেটা শুধু কল্পনাই করতে পারবে, ছুয়েঁ দেখার সুযোগ খুব অল্প। এই কথাটা যখন মনে হয়, কি খারাপ লাগে ওদের জন্য! আর মনে হয়, আমরা কি অসাধারণ সৌভাগ্যবান একটা জেনারেশন!

বই চারটির শেষে লেখক তারাদাস ছেলে সপ্তর্ষি কে অনুরোধ করেছেন, এই লেখাটা চালিয়ে নিতে। এই কথাটা পড়ে আমি দারুণ উদ্বেলিত। কারণ আর কিছুই না,লেখক আগামী প্রজন্মকে একটা সুযোগ দিয়ে রেখেছেন,তাদের জীবনকে কলমের আচঁড়ে ধরে রাখার। না হোক সে তারাদাস বা বিভূতিভূষণ। হয়ে উঠুক সে সৌমেন। তাই, এই লেখার এপিটাফ লেখার স্বপ্ন মনে ধারণ করি। সেটা হবে তীব্র শহুরে কিন্তু গায়ে এখনো সোদাঁ মাটির গন্ধ লেগে থাকা একটি ছেলের জীবনের উপাখ্যান। একটি অসাধারণ শতকের সমাপ্তি,তার সাথে নতুন শতকের আহবানও।
Profile Image for Saurav.
155 reviews19 followers
August 4, 2020
সেই কোন ছোটবেলা পড়েছিলাম, তখন কতই বা বয়েস, স্কুলে পড়তাম; আর এখন যৌবনের শেষে এসে আবার পড়লাম। ছোটবেলা তে পড়া গল্পটা খুব আবছা মনে ছিল, চরিত্রগুলো তখনো এতটাই ভালো লেগে গেছিল যে তা মনে দাগ কেটে গেছিল। সেই ভালো লাগা যে এতটুকু কম হয়নি বয়েসের সাথে, উল্টে অনেক অনেক গুণ বেড়েছে তা ভেবেও ভালো লাগে। বেশিরভাগ বাঙালিরা কিন্তু অপুর কথা জানে সত্যজিৎ এর সিনেমা থেকে, কিন্তু বিভূতিভূষণের অপু কিন্তু সিনেমার অপুর থেকে একটু আলাদা। খুব সূক্ষ্ম একটা অমিল আছে যেটা অপরাজিত বইটা না পড়লে সত্যি বোঝা যায় না। অপরাজিত - সব কটি গল্পের মধ্যে যেন মধ্যমণি হয়ে বিরাজ করে অপুর জীবনের এই অংশটি। যারা সত্যি শুধুই সিনেমা দেখেছেন আমার তাদের কাছে একান্ত অনুরোধ যেন বইটা পড়েন, কারণ সিনেমায় লীলা একদমই নেই। শুধু এই লীলা কে জানার জন্য বইটা পড়বেন৷ আমার সত্যজিৎ এর সিনেমা নিয়ে কোনো অসুবিধে নেই। উনি যতটা সুন্দর ভাবে বিভূতি বাবুর এই সৃষ্টির ন্যায্য রুপান্তর করেছেন রুপোলী পর্দায় তা হয়তো আর কেউ করতে পারবেন না। আমি নিজে ওনার অপু ট্রিলজি কতবার দেখেছি তার ঠিক নেই। তবে বইটা পড়ার আনন্দই আলাদা।

তারাদাস বাবুর কাজল তবে আমাকে সেরম ভাবে ছুতে পারেনি। আমার মনে হয় উনি খুব তাড়াহুড়ো করে এই গল্পকে এগনোর দ্বায়িত্ব নিয়েছিলেন। যখন উনি লেখা শুরু করেন তখন উনি হাই স্কুলের ছাত্র মাত্র। এত কাঁচা বয়েসে অপুর মধ্য বয়েসি জীবন পরিপূর্ণ ভাবে ফুটিয়ে তোলা তার পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠেনি। আরো একটু অভিজ্ঞতা নিয়ে উনি লিখলে ভালো হতো, আর পুরো আখ্যানটি হয়তো কাজলেই শেষ হতে পাড়ত, কারণ এ তো অপুর সংসার, অপুর গল্প, অপুর চলার সাথে শেষ হলে একটা ভালো ট্রিলজি হতে পারত।

যাই হোক, তা হয়নি৷ তবে তৃতীয় পুরুষ বইটি কাজলের তুলনায় অনেক ভালো। তারাদাস কে অনেকেই বলেন যে তিনি তেমন উচু দরের সাহিত্যিক নন, কিন্তু আমার মনে হয় নিজের বাবার পাশে তাকে দাঁড় করিয়েই লোকে এটা বলেন। তিনি নিজে সারা জীবন এটা বয়ে বেরিয়েছেন এ কথা বার বার এই বইটিতে বোঝা যায়। আসলে তো তৃতীয় পুরুষের প্রায় পুরো গল্পটাই আত্নজীবনির মত৷ তারাদাসের লেখায় বিভূতি বাবুর মতো প্রকৃতির প্রেমে মাতাল হয়ে যাওয়া নেই ঠিকি, কিন্তু তার লেখার মধ্যে আছে একটা অনুভূতিশীল ব্যাক্তিত্বের পরিস্কার ছাঁপ। শুধু হয়তো নিজের কথা বলার জন্যই তিনি এই বইটি লিখেছিলেন, আর সেটা পড়ে আমার অন্তত তার প্রতিও শ্রদ্ধা অনেক বেড়ে যায়।

অনেক হাবিজাবি লিখে ফেললাম আবেগের বশে। আসলে খুব কাছের এই সব চরিত্র আর গল্পগুলো, পাতায় পাতায় নিজেকে হারিয়ে ফেলার মত। যাক আর কিছু বলব না। সবাই পড়ে আমার মতনই তৃপ্তি লাভ করুক এটাই কাম্য রইল।
Profile Image for Sanowar Hossain.
282 reviews25 followers
February 9, 2022
আহা অপু, দূর্গা, অপর্ণা, কাজল
একেকটা ভালোবাসা।
Displaying 1 - 4 of 4 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.