What do you think?


পরাশর বর্মা সমগ্র-১
প্রেমেন্দ্র মিত্রের গোয়েন্দা চরিত্র পরাশর বর্মার ৪টি গল্প ও ২টি উপন্যাস নিয়ে এই খন্ডটি। গল্প ও উপন্যাসগুলোর নাম:
ঘোড়া কিনলেন পরাশর বর্মা
ঘুড়ি ওড়ালেন পরাশর বর্মা
পরাশর বর্মা ও বোম্বাই ধাঁধা
দু'নৌকোয় পরাশর বর্মা
প্রেমের প্রান্তে পরাশর (উপন্যাস)
নিজের জবানীতে পরাশর(উপন্যাস)
ঘোড়া কিনলেন পরাশর বর্মা
ঘুড়ি ওড়ালেন পরাশর বর্মা
পরাশর বর্মা ও বোম্বাই ধাঁধা
দু'নৌকোয় পরাশর বর্মা
প্রেমের প্রান্তে পরাশর (উপন্যাস)
নিজের জবানীতে পরাশর(উপন্যাস)
296 pages, Hardcover
First published January 1, 2003
About the author
Premendra Mitra
131 books72 followersPremendra Mitra (Bangla: প্রেমেন্দ্র মিত্র) was a renowned Bengali poet, novelist, short story writer and film director. He was also an author of Bengali science fiction and thrillers.
His short stories were well-structured and innovative, and encompassed the diverse to the divergent in urban Indian society. The themes of poverty, degradation, caste, the intermittent conflict between religion and rationality and themes of the rural-urban divide are a thematically occurring refrain in much of his work. He experimented with the stylistic nuances of Bengali prose and tried to offer alternative linguistic parameters to the high-class elite prosaic Bengali language. It was basically an effort to make the Bengali literature free from softness, excessive romance and use of old style of writing which were prevalent in older writings.
His short stories were well-structured and innovative, and encompassed the diverse to the divergent in urban Indian society. The themes of poverty, degradation, caste, the intermittent conflict between religion and rationality and themes of the rural-urban divide are a thematically occurring refrain in much of his work. He experimented with the stylistic nuances of Bengali prose and tried to offer alternative linguistic parameters to the high-class elite prosaic Bengali language. It was basically an effort to make the Bengali literature free from softness, excessive romance and use of old style of writing which were prevalent in older writings.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
July 23, 2020
গোয়েন্দা উপন্যাসের মান বিচারে হয়তো সর্বোচ্চ মানের নয়, তবে একেবারে ফ্যালনাও নয়। বাংলা সাহিত্যের দুই সেরা গোয়েন্দা চরিত্র ব্যোমকেশ বক্সী আর ফেলুদার চেয়ে আমি পরাশরকে পিছিয়েই রাখবো। পরাশর বর্মা, গোয়েন্দা পরাশর বর্মা একজন কবি। কবি হিসেবে অবশ্য তিনি ব্যর্থ। কবিতা লেখার সূত্রেই তা ছাপাবার জন্য পত্রিকা সম্পাদক কৃত্তিবাস ভদ্রের সাথে তার পরিচয় হয়। যদিও কবিতাগুলো কৃত্তিবাসের পত্রিকায় ছাপা হয়েছে এমন কোন তথ্য পাওয়া যায় না, তবে সেই সূত্রেই কৃত্তিবাস হয়ে ওঠে পরাশরের বন্ধু ও রহস্য সন্ধানের সহকারী। কৃত্তিবাসের জবানীতেই পরাশর বর্মার রহস্য সন্ধানের কাহিনীগুলো আমরা জানতে পারি আবার এই বইয়ে পরাশরের নিজের জবানীতেও রহস্যভেদের একটি কাহিনী দেয়া আছে। ঠিক জানিনা পরাশরকে নিয়ে প্রেমেন্দ্র মিত্র কয়টি লেখা লিখেছিলেন তবে আমি পরাশর বর্মা সিরিজ এই প্রথম পড়লাম। গল্পগুলোতে পরাশরের চেহারা বা বয়সের উল্লেখ নেই, তবে এটা বোঝা যায় সে একেবারে তরুণ নয় এবং অবিবাহিত। পরাশরের আর্থিক স্বাচ্ছল্য আছে তবে সেই স্বাচ্ছল্যের উৎস কি শুধু গোয়েন্দাগিরি কি না তা অবশ্য বোঝা যায় না। পরাশরের গল্পের কাহিনীগুলোতে রহস্য জট পাকিয়ে এসে একেবারে শেষে সব রহস্যের সমাধান হয়। তার আগে পাঠক পুরো ঘটনা সম্পর্কে আঁচ করতে পারেন না বলতে গেলে কিছুটা অন্ধকারেই থাকেন, এটাই পরাশর বর্মা সিরিজের দূর্বলতা বলে মনে হয়েছে। রহস্য সমাধানের প্রায় কোন সূত্র পাঠকের হাতে থাকে না, একেবারে শেষে পরাশর এসে অজানা সব তথ্য পেশ করে জাদুকরের মতো রহস্যের সমাধান করে দেন। এই বইয়ের প্রকাশনা সম্পর্কে বলতে গেলে বলতে হয়, বইয়ে ছাপার ভুল অসংখ্য এবং শেষ দুটো গল্পকে উপন্যাস বলে কেন অভিহিত করা হলো বুঝলাম না কেননা এই বইয়ের সব লেখার আকার প্রায় সমান, উনিশ বিশ বড়জোর। বলতে হলে সবগুলোকেই বড় গল্প বলা যায়। পেমেন্দ্র মিত্রের অসাধারণ কিছু ছোট গল্প পড়েছি। তার ঘনাদা সিরিজের কথা তো সাহিত্যপ্রেমী বাঙালি পাঠক মাত্রেরই পরিচিত। মামাবাবু সিরিজ, ভূত শিকারী মেজকর্তা সিরিজ আর কল্পবিজ্ঞানের লেখাগুলো ছাড়াও যে আরও একটি সিরিজ আছে তা জানতামই না। পরাশরের আরও গল্প পড়ার প্রত্যাশা রইলো।
October 9, 2020
পাঠ প্রতিক্রিয়া দিতে বসে দুকথায় বলতে গেলে বলব, ভালো লাগেনি গল্পগুলো একটুও।
ডিটেক্টিভ গল্পে লেখকের দায় থাকে গল্পের মাঝে clue ছেড়ে রাখা পাঠকদের জন্য, যাতে তারাও সেগুলি কে ঠিকঠাক চিহ্নিত করে সমাধানে পৌছনোর একটা চেস্টা করতে পারেন। এখানে তা হয়না, গল্পের শেষে পরাশর শিক্ষকের মতন একদল উত্তর না জানা পাঠকদের সামনে নিয়ে আসেন অনেক অজানা তথ্য যা দিয়ে আমরা জানতে পারি কি হল বা কেন হুল আর কে করল? আর আমরা কেনই বা সবাই ফেল করলাম।
প্লটগুলো খুব খারাপ না হলেও, এই লেভেল প্লেয়িং ফীল্ডের অভাবে মনে হয় যে গাঁজা পড়ছি। পরাশরকে মাঝে মধ্যেই মনে হয় ঘনাদা। উনি ক্রাইম হতে চলেছে যেনে জান আপনা থেকেই। পুলিশের বড় কর্তারা না বলে কয়ে হাজির হন শেষ পাতায়। একটু অবাস্তব, একটু যাকে বলে স্ট্রেচিং দ্য লিমিট অফ ইম্যাজিনেশন। ছোটবেলায় কয়েকটি গল্প পড়ার সুযোগ হয়েছিল, তখন ভালো লেগেছিল, তাই বড়বেলায় এই বই দেখে লোভ সামলাতে পারিনি। এখন মনে হচ্ছে লোভটা সামলে নিলেই ভালো হত, তাতে ভালোলাগাটা অটুট থাকত। বলতে দ্বিধা নেই, এর থেকে ভালো ক্রাইম কাহিনী আছে মার্কেটে। কিন্ত এতে খানিক নস্টালজিয়া মেশানো আবেগ আছে, যেটা হয়ত অন্য বই-এ নাও থাকতে পারে।
বই এর প্রচ্ছদ এঁকেছেন রঞ্জন দত্ত, একটু দায়সারা গোছের কাজ করেছেন। আর বইতে অসংখ্য বানান ভুল (আমার ছেলেবেলার কথা মনে করিয়ে দিল এরা)। সেদিকে একটু নজর দেওয়া উচিৎ।
ডিটেক্টিভ গল্পে লেখকের দায় থাকে গল্পের মাঝে clue ছেড়ে রাখা পাঠকদের জন্য, যাতে তারাও সেগুলি কে ঠিকঠাক চিহ্নিত করে সমাধানে পৌছনোর একটা চেস্টা করতে পারেন। এখানে তা হয়না, গল্পের শেষে পরাশর শিক্ষকের মতন একদল উত্তর না জানা পাঠকদের সামনে নিয়ে আসেন অনেক অজানা তথ্য যা দিয়ে আমরা জানতে পারি কি হল বা কেন হুল আর কে করল? আর আমরা কেনই বা সবাই ফেল করলাম।
প্লটগুলো খুব খারাপ না হলেও, এই লেভেল প্লেয়িং ফীল্ডের অভাবে মনে হয় যে গাঁজা পড়ছি। পরাশরকে মাঝে মধ্যেই মনে হয় ঘনাদা। উনি ক্রাইম হতে চলেছে যেনে জান আপনা থেকেই। পুলিশের বড় কর্তারা না বলে কয়ে হাজির হন শেষ পাতায়। একটু অবাস্তব, একটু যাকে বলে স্ট্রেচিং দ্য লিমিট অফ ইম্যাজিনেশন। ছোটবেলায় কয়েকটি গল্প পড়ার সুযোগ হয়েছিল, তখন ভালো লেগেছিল, তাই বড়বেলায় এই বই দেখে লোভ সামলাতে পারিনি। এখন মনে হচ্ছে লোভটা সামলে নিলেই ভালো হত, তাতে ভালোলাগাটা অটুট থাকত। বলতে দ্বিধা নেই, এর থেকে ভালো ক্রাইম কাহিনী আছে মার্কেটে। কিন্ত এতে খানিক নস্টালজিয়া মেশানো আবেগ আছে, যেটা হয়ত অন্য বই-এ নাও থাকতে পারে।
বই এর প্রচ্ছদ এঁকেছেন রঞ্জন দত্ত, একটু দায়সারা গোছের কাজ করেছেন। আর বইতে অসংখ্য বানান ভুল (আমার ছেলেবেলার কথা মনে করিয়ে দিল এরা)। সেদিকে একটু নজর দেওয়া উচিৎ।
Displaying 1 - 2 of 2 reviews


