বুদ্ধিজীবী সিভিল সোসাইটির একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ।তারা স্বীয় চিন্তা ও মেধা দিয়ে দেশ ও দশের উন্নয়ন ও সীমাবদ্ধতার জায়গাগুলো তুলে ধরে। পাশ্চাত্য মতাদর্শে বুদ্ধিজীবীর যে সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য আছে আমাদের দেশের তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা তা ধারণ করেন না।নিজের স্বীয় বুদ্ধি বদলে দলীয় অনুগত্যকে বেশি গুরুত্ব দেন।নিজের বিবেক খুইয়ে অন্যায়কে জাস্টিফাই করার চেষ্ঠা করেন।এই চর্চাটা আজকের নয়।সেই উপনিবেশ আমল থেকেই এই নোংরা চর্চা হয়ে আসছে।যেখানে সক্রেটিস হেমলক পান করে নিজে স্বকীয় সত্তাকে আজও অমর রেখেছেন সেখানে আমাদের নামধারী বুদ্ধিজীবীরা যেন তৎকালীন এথেনীয় সমাজের সুবিধাবাদী গোষ্ঠীর প্রতিরূপ হয়ে আছে।সমাজে বৈষম্য অনাচারের প্রশ্নে আজ তারা নীরব।
কোথায় তাদের দায় ও সীমাবদ্ধতা, উপনিবেশ থেকে কীভাবে একটা তথাকথিত সুবিধাবাদী গোষ্ঠীর আর্বিভাব ঘটেছে লেখক তার বইয়ের গোটা কয়েক প্রবন্ধ তারই বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।একজন বুদ্ধিজীবীকে বিচার করতে কি কি বিষয়গুলো কাজ করে সেটাও খোলামেলা আলোচনা। বর্তমান সময়ের প্রেক্ষিতে লেবাসধারী আর প্রকৃত বুদ্ধিজীবীদের চেনার এইতো সময়।বইটা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে আমার বিশ্বাস।