Jump to ratings and reviews
Rate this book

অভিজিৎ নক্ষত্রের আলো: Abhijit Nakkhetrer Alo - Dipen Bhattacharya

Rate this book
‘অভিজিৎ নক্ষত্রের আলো’ বইটি সায়েন্স ফিকশন। দীপেন ভট্টাচার্য মার্কিন প্রবাসী বিজ্ঞানী, কিন্তু চিন্তায় ও মননে আপাদমস্তক বাঙালি। সাহিত্যের পাঠ তাঁর নিবিড়, পঠন-পাঠনের ব্যাপ্তি বিপুল, সর্বোপরি আছে সংবেদনশীল মন। আন্তঃমহাজাগতিক সভ্যতার অস্তিত্ব ঘিরে যে কাহিনির অবতারণা লেখক করেছেন তা বহুমাত্রিকতায় উজ্জ্বল। কল্পনাকে তিনি লাগামছাড়া করেননি, বাস্তবতার বিচারে সম্ভাব্যতার মধ্যে সীমিত রেখেছেন কাহিনিক্রম। ফলে তার কাহিনি অর্জন করেছে বহুমাত্রিকতা। একদিকে রয়েছে রুদ্ধশ্বাস ঘটনাধারা, অন্যদিকে রয়েছে সবকিছুর যুক্তির পরস্পরানির্ভর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।

111 pages, Kindle Edition

Published March 27, 2020

8 people are currently reading
80 people want to read

About the author

Dipen Bhattacharya

20 books45 followers
দীপেন (দেবদর্শী) ভট্টাচার্য (Dipen Bhattacharya) জ্যোতির্বিদ, অধ্যাপক ও লেখক। জন্ম ১৯৫৯ সালে। আদি নিবাস এলেঙ্গা, টাঙ্গাইল। ঢাকার সেন্ট গ্রেগরিজ স্কুল, নটরডেম কলেজ ও ঢাকা কলেজে পড়াশুনা করেছেন।

মস্কো স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে পদার্থবিদ্যায় মাস্টার্স এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব নিউ হ্যাম্পশায়ার থেকে জ্যোতির্বিজ্ঞানে পিএইচডি করেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ম্যারিল্যান্ড-এ নাসার (NASA) গডার্ড স্পেস ফ্লাইট ইনস্টিটিউটের গবেষক ছিলেন। পরে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার রিভারসাইড ক্যাম্পাসে (ইউসিআর) গামা রশ্মি জ্যোতি জ্যোতিঃপদার্থবিদ হিসেবে যোগ দেন। মহাশূন্য থেকে আসা গামা-রশ্মি পর্যবেক্ষণের জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান থেকে বায়ুমণ্ডলের ওপরে বেলুনবাহিত দূরবীন ওঠানোর অভিযানসমূহে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে পদার্থবিদ্যায় গবেষণা করছেন ক্যালিফোর্নিয়ার রিভারসাইড কমিউনিটি কলেজে; এছাড়া পদার্থবিদ্যা এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানে অধ্যাপনা করছেন ক্যালিফোর্নিয়ার মোরেনো ভ্যালি কলেজে।
১৯৭৫ সালে তিনি বন্ধুদের সহযোগিতায় ‘অনুসন্ধিৎসু চক্র’ নামে একটি বিজ্ঞান সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০৬-২০০৭ সালে ফুলব্রাইট ফেলো হয়ে ঢাকার ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িয়েছেন। বাংলাদেশে বিজ্ঞান আন্দোলন ও পরিবেশ সচেতনতার প্রসারে যুক্ত।

পত্রপত্রিকায় বিজ্ঞান বিষয়ক লেখা ছাড়াও বাংলা ভাষায় তাঁর বিজ্ঞান-কল্পকাহিনিভিত্তিক ভিন্ন স্বাদের বেশ কয়েকটি ফিকশন বই প্রকাশিত হয়েছে।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
11 (13%)
4 stars
39 (47%)
3 stars
28 (34%)
2 stars
2 (2%)
1 star
2 (2%)
Displaying 1 - 25 of 25 reviews
Profile Image for সালমান হক.
Author 67 books1,974 followers
March 2, 2020
২০০৬ সালে প্রকাশিত হয় দীপেন ভট্টাচার্যের প্রথম বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী অভিজিৎ নক্ষত্রের আলো। তখন সেভেনে পড়তাম। বইমেলায় ঘুরতে ঘুরতে যদি বইটা কিনতামও, নিশ্চিত বেশিরভাগ কথাই মাথার বেশ কয়েক হাত ওপর দিয়ে যেত। তখনও সাইফাই বলতে কেবল জাফর ইকবালের টুকুনজিল বা টুকি ও ঝা-ই বুঝি। ক'দিন আগে চৈনিক কতগুলো বৈজ্ঞানিক কল্পগল্প অনুবাদের সুযোগে এ নিয়ে বেশ ঘাঁটাঘাঁটি করা হয়েছে। তার প্রেক্ষিতে বলতে পারি, 'অভিজিৎ নক্ষত্রের আলো' হার্ড সাইফাই। যেখানে কল্পনার পরতে পরতে যুক্ত হয় কঠিন সব বিজ্ঞান নির্ভর টার্ম।

প্রথম উপন্যাস বলেই কিনা দুর্দান্ত শুরুর পরেও শেষটা কিছুটা মিইয়ে গেছে। তবে দিনপঞ্জির আদলে লেখা ১০৭ পৃষ্ঠার এই বইয়ে চোখ বুলিয়ে ঘুরে আসতে পারেন বেশ কয়েকটা মহাবিশ্বে। আকাশগঙ্গায় পৃথিবীই কি একমাত্র বুদ্ধিমান প্রাণীর আবাসস্থল, নাকি এরকম বহু বুদ্ধিমান জাতির মধ্যে একটা মাত্র? বইটা শুরুর আগে এ সম্পর্কে যদি আপনার কৌতূহল থেকে থাকে, শেষ করার পর সেই কৌতূহল কমবে বৈ বাড়বে না। শুনেছিলাম বাংলাদেশী সাহিত্যে দীপেন ভট্টাচার্য বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর দিক থেকে সময়ের অনেকটাই এগিয়ে, এবারে প্রমাণ পেলাম।
Profile Image for Md. Rahat  Khan.
96 reviews23 followers
April 21, 2021
এই বইটাকে আমি ঠিক ডিস্ক্রাইব করতে পারছি না। পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল, গল্পটা তো তেমন অচেনা নয়। প্রথাগত সায়েন্স ফিকশনের জিনিসপত্তর দিয়েই কাঠামোটা তৈরি। সাধারণ প্রোটাগনিস্ট, প্যারালাল ওয়ার্ল্ড, ভিনগ্রহ, একজন এন্টাগনিস্ট। বেশ অকাট্য ফ্যাকচুয়াল বিজ্ঞান। রহস্য দিয়ে শুরু, আস্তে আস্তে রহস্যের কিছুটা রোমাঞ্চে রূপ নেওয়া। সবকিছুই তো প্রত্যাশিত। কিন্তু একটু একটু যতই পড়তে থাকি মনে হয় আলাদা কিছু একটা হচ্ছে এখানে, কিছু ইউনিক, অদ্ভুত একটা অনুভূতি কাজ করছে। আসলে ন্যারেটিভটা এত স্বপ্নালু! এত শীতল! মনে হয় যেন ঘুমের ঘোরে চাঁদনী রাতে শুভ্র তুষারে পা ফেলে এগিয়ে যাচ্ছি কোথাও, অথচ গন্তব্যটা আমার অজানা নয়, তবু যেতে ভাল লাগছে। এই বইকে আমি বলব একটা স্বপ্নালু যাত্রা। যেই যাত্রায় গন্তব্যটা মুখ্য নয়, যাত্রার অভিজ্ঞতাটাই মুখ্য।
Profile Image for Sumaîya Afrôze Puspîta.
227 reviews292 followers
March 28, 2024
ঘটনার প্রেক্ষাপট উত্তর আমেরিকা। আরণ্যক; আমেরিকায় বসবাসকারী এক বাঙালি; পছন্দ করে ঘুরে বেড়াতে।‌ এভাবেই একদিন কুইবেক থেকে আমেরিকা ফেরার পথে লিফট দেয় পীয়েরকে। পীয়ের কে, সে সম্পর্কে বেশি কিছু জানতে পারে না আরণ্যক। পীয়েরকে তার মানসিকভাবে অসুস্থ কেউ মনে হয়। তবু কথামতো পীয়েরকে তার গন্তব্যে পৌঁছে দেয় সে।

আর তারপর‌ই সে নিজের গাড়িতে আবিষ্কার করে উজ্জ্বল এক নীল বাক্স। অদ্ভুত এই বাক্স পাওয়ার পর থেকেই আরণ্যক স্বপ্ন দেখতে থাকে হিমবাহ, মরুভূমি, বিশাল লাইব্রেরি ইত্যাদির... ব্যাখ্যাতীতভাবে মহাবিশ্বের ‌এক রহস্যের (নাকি ষড়যন্ত্র??) সাথে জড়িয়ে পড়ে সে। ইসাবেলার মাধ্যমে সেই রহস্যের খানিকটা জানতেও পারে। কিন্তু হুট করে এক আততায়ী এসে হাজির হয়।‌ সে হাতিয়ে নিতে চায় ওই নীল বাক্স–‌ কী আছে বাক্সে?

▪️▪️▪️

গোছানো লেখা। লেখকের শব্দ-নির্বাচন প্রাঞ্জল। প্রথম প্রথম লেখার ধরনে মনে হচ্ছিল কোনো অনুবাদ পড়ছি … কিন্তু শীঘ্রই বুঝলাম, এভাবে না লিখলে এতটা কঠিন-সুন্দর হতো না উপন্যাসটা। অল্প কয়েকটি চরিত্র নিয়ে সুন্দর সাজিয়েছেন। ইঙ্গিতপূর্ণ আন্তর্জাতিক দ্বন্দ্বের লঘু প্রকাশ‌ও কিছুটা অন্য ধাঁচ দিয়েছে এই ব‌ইকে। মহাজাগতিক অ্যাডভেঞ্চার পড়তে যারা উপভোগ করেন, আশা করা যায় এই ব‌ইটির সাথে তাদের সময় ভালো কাটবে।
Profile Image for Amit Das.
179 reviews118 followers
May 21, 2021
...কুইবেকে তুষার ঝড়ের পর বিপর্যস্ত জীবন আবার স্বাভাবিক হয়ে আসছে, মধ্যপ্রাচ্যে নানাবিধ অসন্তোষ, ডলারের তুলনায় ইয়েনের দাম বাড়ছে, আটলান্টিকে একটা বড় নিম্নচাপ সৃষ্টি হচ্ছে। তারপর ছিল পিঙ্ক ফ্লয়েডের গান।
Hello?
Is there anybody in there?
Just nod if you can hear me.
Is there anyone at home?


দীপেন ভট্টাচার্যের এই বইয়ের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। শেষদিকে গিয়ে মনে হলো কিছুটা ঝুলে গেছে। চার তারা দেয়ার কারণ চমৎকার ন্যারেটিভ। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মন্ত্রমুগ্ধের মতো পড়ে গেছি। উত্তর আমেরিকার শীতের শুভ্র তুষারের মধ্যে শুরু হয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক বিরাট অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত এই অভিযানের বর্ণনা তাই সুখপাঠ্যই ছিল আমার কাছে।
Profile Image for মোহতাসিম সিফাত.
180 reviews52 followers
November 4, 2024
তিন মাত্রার এক মহাবিশ্ব, যেখানে মানুষের সদৃশ জীব নিয়ন্ত্রণ করতে পারে প্রকৃতিকে। সেখানের একদল বুদ্ধিমান প্রাণীকে পাঠানো হয় পৃথিবীতে, আমাদের মহাবিশ্বের তথ্য নেবার জন্যে। ঘটনাক্রমে আমাদের গল্পের কথক ভবঘুরে আরণ্যক এদের দলটির সাথে জড়িয়ে পড়ে। এরপর ক্লাসিক কল্পকাহিনীর মতো চড়াই উৎরাই পেরিয়ে একটা সুন্দর সমাপ্তি ঘটেছে এই উপন্যাসিকায়। দীপেন ভট্টাচার্যের জাদুকরী বর্ণনা, সুন্দর শব্দচয়ন আর সাজানো গোছানো আবহ মিলিয়ে সুখপাঠ্য বই।

(নিস্তার মোল্লার মহাভারত, দ্বিতার ঘড়ি, অদিতার আঁধার পড়ে আসার পর কাহিনী একটু মলিন লেগেছে, এই আর কি। এটা আগে পড়লে ভালো হইতো)


ট্রিভিয়া: আজ থেকে প্রায় চৌদ্দ হাজার বছর আগে আমাদের ধ্রুবতারা ছিল নীলরঙা অভিজিৎ নক্ষত্র (Vega)। সামনে আরো সাড়ে তেরো হাজার বছর পর আবার এটি ধ্রুবতারা হিসেবে তার স্থান ফেরত পাবে।

৩.৫/৫
Profile Image for Klinton Saha.
358 reviews5 followers
March 21, 2025
কুইবেক থেকে ফেরার পথে গল্পকথক আ. অচেনা এক যুবক 'পীয়ের' কে গাড়িতে লিফ্ট দেয়। তাকে নামিয়ে দেওয়ার পর তীব্র তুষারপাতের কারণে গাড়িসহ সে আশ্রয় নেয় এক কবরস্থানে। পরদিন সকালে আবারো সে পীয়েরকে দেখতে পায় এবং আবিষ্কার করে তার গাড়িতে নীল আলোর দ্যুতি ছড়াচ্ছে একটি ছোট অদ্ভুত বাক্স।এবারো পীয়েরকে গাড়িতে লিফট দেয় আ. ।
এরপর বারবার পীয়েরের সাথে তার দেখা হতে থাকে।এটা কি ইচ্ছাকৃত নাকি কাকতালীয় ?
একসময় পীয়ের তার বান্ধবী ইসাবেলার সাথে আ. কে পরিচয় করিয়ে দেয়। সব ঠিকঠাক ছিল , কিন্তু হঠাৎ শুনা যায় দুর্ঘটনায় পীয়েরের মৃত্যু হয়।
এবার আ. এর ঘাড়ে চাপে ইসাবেল। কিন্তু ইসাবেল বলতে থাকে অদ্ভুত সব কথাবার্তা।সে বলে ,সে ও পীয়ের এই পৃথিবীর বাসিন্দা নয়। তারা এসেছে 'ক' মহাবিশ্ব থেকে। তাদের মহাবিশ্ব ক্রমশ সংকুচিত হয়ে একটি বিন্দুতে পরিণত হচ্ছে।মহাসংকোচনের কারণে টাইপ-৩ সভ্যতার অধিকারী হয়েও তারা স্থান-কাল সংকোচনকে ফাঁকি দিতে পারছে না।তাই নিজেদের অস্তিত্ব বাঁচাতে তারা ঐ ছোট যন্ত্র ব্যবহার বিভিন্ন মহাবিশ্বে ভ্রমণ করছে।
এই তথ্য দিয়েই ইসাবেলা ঐ ছোট বাক্স সমেত দুর্ঘটনায় পড়ে পানিতে তলিয়ে যায়। ইসাবেলার মৃত্যুর পর তার একটি চিঠিতে ইসাবেলা আ. কে একটি অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে বলে। কিন্তু আরো বিপদ অপেক্ষা করছে আ. এর জন্য। কেননা মহাজাগতিক আততায়ী স্কাইলস হন্য হয়ে পিছনে লেগেছে আ. এর । ��. কি পারবে টাইপ-৩ সভ্যতাকে বাঁচাতে ? পারবে কি অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে ?


খুব বেশি জটিল সাই-ফাই নয় এটি। পুরো বই উত্তম পুরুষে আ. এর মুখ দিয়ে বলানো হয়েছে।
Profile Image for Salman Sakib Jishan.
274 reviews160 followers
December 1, 2022
আমার শৈশবের যত স্মৃতি আমার স্পষ্ট মনে আছে তার সিংহভাগের গায়েই বোধহয় শীতের গন্ধ পাওয়া যাবে। স্মৃতিশক্তির বিচারে আমার স্মৃতিশক্তির সাথে গোল্ডফিশের তুলনা দেয়া যেতে পারে। তবে ছেলেবেলার স্মৃতিটা বোধহয় আমার শুধু মস্তিষ্ক না, রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে আছে বলে সেসব স্মৃতি বেঁচে আছে।
আমি সাধারণত শেষ পরীক্ষার আগের রাতে, পরীক্ষার পর কি করবো তা ভেবেই কাটাই। যেবার অষ্টম শ্রেণীর ফাইনাল বা জেএসসি বা এরকম কিছু একটা বড়সড় পরীক্ষা দিলাম (বয়স অনুযায়ী), পরীক্ষা দিয়ে এসেই খেয়ে ছুট দিলাম পাড়ার এক বড়ভাই এর বাসায়! উনি বলেছিলেন ওনার কাছে একটা সায়েন্স ফিকশন আছে। মুহম্মদ জাফর ইকবাল স্যারের, যেটা আমি পড়িনি। শীতের কালে সায়েন্স ফিকশন নিয়ে লেপের তলায় বসে আম্মার বানানো দুনিয়ার খাবার দাবার খাওয়া ছিল আমার দুনিয়ার সবচেয়ে প্রিয় কাজ। শীত আমার খুব পছন্দের সময়।
তো, ওই বইটার নিউরন নিয়ে গল্প, অভিনব প্লট, এসবের কিছু নেই মাথায়। তবে পুরাতন সেই আঠাখোলা বইটার গন্ধ আর দুই এক পাতা কেমন ছিল সেটা মনে আছে।
'নয় নয় শূন্য তিন' বইটার নাম।
পড়ে টরে যখন রাত হয়ে গেল, আমার চোখে তখন রাজ্যের ঘুম, কিন্তু চোখমুখ খুশিতে জ্বলজ্বল করছে, বই শেষ বলে বই নিয়ে এঘর ওঘর লাফালাফি করে জোর করে আম্মাকে শোনাচ্ছি কি পড়লাম এতক্ষণ। ওদিকে ধরেছে ঘুম, কিন্তু ঘুমালে ছুটির সময় তো কাটানো হবেনা! উফ, কি সুখের বিড়ম্বনা!!

সায়েন্স ফিকশন বই সংক্রান্ত যেকোনো আলাপে আমাকে এই 'শীতের রচনা' আগেও বলতে শুনতে পারেন। বলেছি কিনা মনে নাই, বলে থাকলে আবার বললাম। ভবিষ্যতে মনে না থাকলে আবারও বলবো।

শীতে সায়েন্স ফিকশন পড়ার স্মৃতিচারণ করলাম কারণ, এই শীতের শুরুটা করেছি একটা সায়েন্স ফিকশন দিয়ে, ইন্টেনশনালি। দীপেন ভট্টাচার্যের লেখা 'অভিজিৎ নক্ষত্রের আলো' বইটির নাম। ইন্টেনশন ছিল দুটো, ছোট বই এবং সায়েন্স ফিকশন বই।
মাসের শুরুর দিকে পড়া বইটা নিয়ে পাঠপ্রতিক্রিয়া লিখবার সময় আর হয়ে ওঠেনাই। কাহিনীও সেজন্য স্পষ্ট মনে করতে পারছিনা। কোথায় কেমন লেগেছে তাও মনে নেই। তবে মনে আছে গল্পের প্লটটা। আহামরি জটিল গল্প না। পুরনো আইডিয়ার নতুন ব্যবহার। নতুনত্ত্ব ছিল মহাবিশ্বের সংকোচন সংক্রান্ত বিষয়টিতে। মানব জাতির সভ্যতার ক্যাটাগরিটাও। কিংবা বাঙালি শব্দচয়ণে গল্প বলায়। এই বইটার গায়েও একটা শীতের গন্ধ ছিল। ভিনদেশি গন্ধ, কিন্তু শীতের।
আমার দীপেন ভট্টাচার্যের সায়েন্স ফিকশনের সবচেয়ে পছন্দের অংশ হলো লেখনি। একটা ভালো লেখা বা ভালো লেখকের লেখা পড়ছি, পড়ার সময়ই মনে হয়। ছোট এই বইটা ভালোই লেগেছে আসলে।

শীতের শুরু নাহয় করলাম, পাঠপ্রতিক্রিয়াটা লেখার সময় যেখানে পুরো মাসে পাইনি, আদৌ কি আর পড়ার সময় বের করতে পারবো কিনা কিছুদিন, নেহি পাতা!
Profile Image for Syeda Ahad.
Author 1 book131 followers
July 27, 2019
যতদূর মনে পরে লেখকের প্রথম বই এটি। তাঁর বাকি বইগুলির সাথে তুলনায় এটি কিছুটা পিছিয়ে পরার কারণও তাই ধরে নিচ্ছি আমি। বিজ্ঞান কল্পকাহিনী হিসেবে গল্প বা এর সাথে জুড়ে দেয়া বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা - দুটোই পড়তে ভালো লেগেছে একটু আটকে গেলেও। বাকি বইগুলোর মতোই ভাষার সুন্দর ব্যবহার মুগ্ধ করেছে। কিন্তু মাঝে মাঝে অনেকটা ভিনদেশি ভাষার বইয়ের অনুবাদ পড়ছি এমন মনে হয়েছে কেনো জানি না। হয়তো গল্প গাঁথার ধরণ সচরাচর বাংলা সাহিত্যের উদাহরণের মতো না বলেই। সব মিলিয়ে অবশ্যপাঠ্য না হলেও পড়ে ফেলার মতো বই। বিশেষ করে জ্যোতির্বিজ্ঞান ভালো লাগে এমন কেউ অবশ্যই পড়ে ফেলতে পারে এবং পড়ে আনন্দ পাবে মনে হয়েছে।

পড়তে গিয়ে একটা ছোট ভুল তথ্য আর একটা অসঙ্গতি পড়তে গিয়ে একটু মন খুঁতখুঁত করেছে। আর্দ্রা কালপুরুষের কাঁধের তারা হলেও বাণরাজা কাঁধের না, পায়ের। ব্যাপারটা ভুল তথ্য না বলে চোখ এড়িয়ে যাওয়া ভুল মনে করছি। তবে খ-বাক্স খুঁজে পেয়ে লেজার দিয়ে কি সংকেত দিতে হবে সেটা মাত্র দুবার উল্লেখ থাকলেও একেবারে উল্টো সংকেত লেখা দেখে একটু অবাকই হয়েছি। পড়া থামিয়ে আবার পেছনে গিয়ে দেখে নিশ্চিত হয়ে নিয়েছি। জানিনা বইটার পুরনো সংস্করণ পরে ঠিক করা হয়েছে কী না। তবে, অবশ্যই এই বিচ্ছিন্ন তথ্য ভুলের জন্য বইয়ের গল্পের কোনো তারতম্য হয়না। দীপেন ভট্টাচার্যের লেখার ভক্ত হওয়ায় এবং বাকি বইগুলি আগে পড়ে ফেলার জন্যই এই ছোট অসঙ্গতি চোখে পড়েছে মনে হচ্ছে। তাই তাঁর লেখা আগে পড়েননি এমন কারো জন্য শুরুর বই হিসেবে এটি বেশ ভালো হবে হয়তো।
Profile Image for Shotabdi.
820 reviews204 followers
February 13, 2024
৩.৫/৫
দীপেন ভট্টাচার্য অত্যন্ত প্রিয় হয়ে উঠছেন!
Profile Image for Sohan.
274 reviews74 followers
May 21, 2022
দীপেন ভট্টাচার্যের সাথে পরিচয় হয়েছিল বছর চারেক আগে। একটা সেমিনারে। সেমিনারের বিষয় ছিল Exoplanet Exploration: Searching for life on Exoplanets.
এ পর্যন্ত পাঁচ হাজারেরও বেশি বহির্গ্রহের সন্ধান পাওয়া গেছে, স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, এগুলোতে প্রানের অস্তিত্ব থাকতে পারে কি না। গ্রহগুলো বসবাসের আদৌ উপযোগী কি না। প্রোফেসর ভট্টাচার্য খুব সুন্দর করে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন কিভাবে গ্রহগুলো বসবাসযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। স্যার একটা গ্রাফের মাধ্যমে দেখাচ্ছিলেন বিজ্ঞানীরা কিভাবে সিদ্ধান্ত নেয় কোন গ্রহগুলো বসবাসের উপযোগী আর কোনগুলো নয়। আমার আফসোস হচ্ছিল গ্রাফটা দেখে—গ্রাফের অধিকাংশ গ্রহ বাদ পরে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা কত নিষ্ঠুর, হতেও তো পারে সেখানে কোন না কোন প্রানী টিকে আছে! ক্লাসে অবশ্য স্যারকে জিজ্ঞেস করতে পারিনি। ক্লাস থেকে বের হয়ে যখন রিক্সায় চেপেছি তখন মাথায় একটা আইডিয়া এল—আচ্ছা, বহির্গ্রহের এভোলিউশন যে ফ্যাকচুয়াল হতে হবে এমন কোন কথা নেই। অল্টারনেট ইভোলিউশন বলেও তো একটা ধারণা আছে। স্পেকুলেটিভ এভোলিউশোন মুভমেন্ট বহুদিন ধরেই বেশ জনপ্রিয়। এ ব্যাপারে স্যারের মন্তব্য শোনার ইচ্ছে ছিল কিন্তু তা আর হয়ে ওঠেনি।

এই বইটি পড়ে একটু আশ্চর্য হয়েছি। অধ্যাপক ভট্টাচার্য আর লেখক ভট্টাচার্যের মধ্যে একটা বিস্তর ফারাক লক্ষ্য করছি। স্বাভাবিকভাবেই ক্লাসে একজন বিজ্ঞানের শিক্ষক ফিকশনের উপর নয় বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ও তথ্য উপাত্তের উপর জোর দেবেন বেশি। বহির্গ্রহে প্রাণের বিকাশের ব্যাপারে তাঁকে খুব বেশি উচ্ছ্বসিত দেখিনি। গবেষণা ও তথ্য উপাত্ত যা বলছে তাই। কিন্তু ফিকশন লেখার ক্ষেত্রে মনের দুয়ার অনেকখানি খুলে দিয়েছেন দেখছি।

বৈজ্ঞানিক কল্পগল্প হিসেবে ‘অভিজিৎ নক্ষত্রের আলো’ বইটিতে নতুনত্বের স্বাদ তেমন না পাওয়া গেলেও তাঁর লেখার মধ্যে শুরু থেকে একটা বিভূতিভূষণীয় মিস্টিসিজমের আভাস পাচ্ছিলাম। লেখনি সুন্দর সেকারনে পড়ে আনন্দ হচ্ছিলো। তবে কেন জানি মাঝে মাঝে এও মনে হচ্ছিলো বইটা ইংরেজি গল্পের বাঙলা অনুবাদ (সৈয়দা লাম্মিম ম্যামের রিভিউতেও দেখলাম এই কথা লিখেছেন)

একটা সাধারণ গল্প। লেখকের সাথে পরিচয় হয় বরিশাল বংশদ্ভূত আমেরিকা প্রবাসী ‘আরণ্যক’ সাহেবের। তিনি তাঁর লেখা ডায়েরি লেখককে দেন ছাপানোর জন্য। দিয়েই তিনি গায়েব হয়ে যান। কি আছে তাঁর ডায়েরিতে?
সমান্তরাল উন্নত মহাবিশ্ব থেকে আসা দুজন মানুষের সাথে পরিচয় হয় তাঁর আর সেই সাথে পরিচয় হয় একটা রহস্যময় নীল বাক্সের। অতঃপর আরণ্যক তথা আ. একটা ভয়ানক এডভেঞ্চারে জড়িয়ে পরে।

টাইপ-৩ সভ্যতা (উন্নত মহাবিশ্ব) থেকে কোনও আগন্তুক আমার কাছে এলে তাঁকে হাত পা বেঁধে ল্যাবে নিয়ে যেতাম, বইপত্তর দিয়ে বসিয়ে দিয়ে বলতাম—নে ব্যাটা কোয়ান্টাম মেকানিক্স আর সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্বের সমন্বয় সাধন কর। আমার মনে হয় গল্পের প্রটাগনিস্টের উচিৎ ছিল এই কাজ করা। এইটাই আমাদের এখন আসল এডভেঞ্চার।

আবার মনে হয়েছে লেখক হয়তো একটা কাটখোট্টা সাইন্স ফিকশন লিখতেই চাননি, একটা পর্যায়ে লিখেছেন—
…হয়তো বা ইসাবেলের কাহিনী একটা রূপক মাত্র যার অন্তর্নিহিত অর্থ নিতান্তই সাধারণ যা কিনা আমাদের পৃথিবীর অংশ।

হতে পারে। হতে পারে সমান্তরাল মহাবিশ্বে মানুষ থাকা না থাকা আসলে মুখ্য বিষয় না। হয়তো প্রতীকী অর্থে লেখক পৃথিবীর গল্পই বলতে চেয়েছেন। অন্য মহাবিশ্বে ঘটে যাওয়া মহা সংকোচন (the big crunch hypothesis) দিয়ে হয়তো পৃথিবীর বাসিন্দারদের প্রতি এক বার্তা দেয়া হয়েছে। কে জানে!

সময় সুযোগ পেলে লেখকের আর বইগুলোও পড়ে ফেলবো।
Profile Image for Jheelam Nodie.
314 reviews11 followers
June 22, 2022
এক বসাতে পড়ে শেষ করলাম। দারুন লেগেছে
Profile Image for জাহিদ হোসেন.
Author 20 books476 followers
March 18, 2019
প্রথম দিকে যে অদ্ভুত রহস্যময়তার আবরণে মোড়া ছিল বইটা, তার ধার কমতে থাকে ক্রমশ। এত চমৎকার শুরুর পর আমি খুব আশাবাদী ছিলাম বইটা নিয়ে। গল্প কথক এক রহস্যময় লোককে লিফট দিলো, কানাডা থেকে আমেরিকায় নিয়ে এলো। কিন্তু আমেরিকায় এসে লোকটা মারা যায়। হঠাৎ করে গাড়িতে একটা বাক্স পাওয়া যায়, বাক্স থেকে বিচ্ছুরিত হচ্ছে অদ্ভুত নীলাভ আলো...কিন্তু এন্ডিংটা মনঃপূত হলো না।
Profile Image for Samiur Rashid Abir.
218 reviews43 followers
April 23, 2022
লেখক আমার কাছে এতদিন অচেনা ছিলেন। হয়ত মহাবিশ্বের বিশালতার কাছে সর্বসাধারণের নিকট পৌঁছানোটা অযৌক্তিক মনে হয়েছে আ. এর স্রষ্টা কে।
সায়েন্স ফিকশনের কমন ইলেমেন্ট ইউজ করে লিখা কিন্তু তাও অদ্ভুতরকম ভাল লেগেছে।
"Project Hail Mary"-র পর এ বছরে আমার পড়া দ্বিতীয় সাই ফাই উপন্যাস এটি।
লেখকের ম্যাগনাম ওপাস "দিতার ঘড়ি" পড়ার পালা এবার।
Profile Image for Farhana Sufi.
495 reviews
August 28, 2019
৪.৫/৫

অনেকদিন পরে একটা বেশ ভালো কল্প-বিজ্ঞান পড়লাম, তাও আবার বাংলায়!

আমার প্রত্যক্ষণে বিজ্ঞানী বা বিজ্ঞান ব্যাকগ্রাউন্ডের লেখকেরা ভালো কল্প-বিজ্ঞান লিখে থাকেন, আর এক্ষেত্রে লেখক নিজেই রীতিমতো একজন জ্যোতির্বিজ্ঞানী। গ্রহ-নক্ষত্র নিয়ে এবং উত্তর আমেরিকার পথ, জীবনযাত্রা নিয়ে তার ব্যক্তিগত জ্ঞান আছে, ইন্টারনেট হাতড়ে যেনতেনভাবে লেখা না, সেটা বইটা পড়লেই বোঝা যায়।

লেখার ধরনে অপ্রয়োজনীয় অলঙ্কার এসেছে মনে হতে পারে, কিন্তু যার বিবরণীতে লেখাটা, সে নিজে সেরকম ভাবুক একজন মানুষ হিসেবে ধরে নিয়ে পড়লে ঠিকই আছে।

ভালো লাগলো, এনার বাকি বইগুলোও পড়তে আগ্রহী। যারা সায়েন্সের ভিত্তিতে সায়েন্স ফিকশন পছন্দ করেন, তাদের ভালো লাগার কথা।
Profile Image for Shoshi Aliosha.
2 reviews1 follower
June 18, 2021
'আলো –অন্ধকারে যাই- মাথার ভিতরে
স্বপ্ন নয়,- কোন এক বোধ কাজ করে !
স্বপ্ন নয়- শান্তি নয়-ভালোবাসা নয়,
হৃদয়ের মাঝে এক বোধ জন্ম লয়!
আমি তারে পারি না এড়াতে,
সে আমার হাত রাখে হাতে;
             সব কাজ তুচ্ছ হয়,-পণ্ড মনে হয়,
সব চিন্তা – প্রার্থনায় সকল সময়
              শূন্য মনে হয়,
শূন্য মনে হয় !...'-
বোধ/ মহাত্মা জীবনানন্দ দাশ

এই হার্ডকোর সাইফই পড়তে গিয়ে বারবার মগজের প্যারেড গ্রাউন্ডে এই ট্র্যাক বাজছিলো। কসমিক ইনসিগনিফিকেন্স মানুষের প্রাচীনতম অনুভুতির একটি হলেও এটির স্বাদ পাওয়া লোকের সংখ্যা নেহাতই কম। এই বোধ যে পায় সে শূন্যতার শোকসভায় সে অতিথি হয়ে উঠতে পারে৷ কিংবা কারো কারো ঘটে বোধিপ্রাপ্তি। যেমনটা পেয়েছিলো কাহালোম পিরামিডের প্রধান পুরহিত জিনাকান। আর শূন্যতার শোকসভার যে বিহ্বল পথ তার দেখা পায় গল্পের নায়ক আরণ্যক। প্যারালাল ইউনিভার্সের চেনা গল্প কাঠামোর উপর দাঁড়িয়ে এই উপন্যাসের নায়ক মানুষের ক্রমশ বিকাশমান বিজ্ঞানচেতনা দিয়ে নিজের মহাজগতিক একাকীত্বের ভাগিদার খোঁজে। ঠিক যেমনটা আদিমকাল থেকে অজস্র জীবিত আর মৃত ভাষায় আকাশের পানে তাকিয়ে মানুষ বলছে এখনো--- Hello?Is there anybody in there?

আষাঢ়ের বৃষ্টিহীন রাতে যে নিস্তব্ধতার মুখোমুখি করায় কোন মফস্বলী ছাদ, তারাভরা আকাশের নিচে -ঠিক তেমনই শব্দহীনতার মুখোমুখি করায় এই উপন্যাস। বিজ্ঞান কাহিনী এমনই হওয়া উচিত, যে কাহিনীর চোখে থাকবে বিজ্ঞানের চশমা, আর হৃদয়ে থাকবে জীবন বুঝে উঠার বাসনা।

আশ্চর্যজনকভাবেই মহাত্মা জীবনানন্দ দাশের বোধ কবিতারই শেষ স্তবক---


এই বোধ—শুধু এই স্বাদ
পায় সে কি অগাধ—অগাধ!
পৃথিবীর পথ ছেড়ে আকাশের নক্ষত্রের পথ
চায় না সে? করেছে শপথ
দেখিবে সে মানুষের মুখ?
দেখিবে সে মানুষীর মুখ?
দেখিবে সে শিশুদের মুখ?
চোখে কালো শিরার অসুখ,
কানে যেই বধিরতা আছে,
যেই কুঁজ—গলগণ্ড মাংসে ফলিয়াছে
নষ্ট শসা—পচা চাল্‌কুমড়ার ছাঁচে,
যে-সব হৃদয়ে ফলিয়াছে
—সেই সব।

পৃথিবীর পথ ছেড়ে আরণ্যক /আ. নক্ষত্রের পানে চায় কি? নাকি বরিশালে সন্তানসন্ততিই এখন তার জগৎ?
Profile Image for Sarina.
425 reviews121 followers
November 30, 2020
বইঃ অভিজিৎ নক্ষত্রের আলো
লেখকঃ ডঃ দীপেন ভট্টাচার্য
প্রকাশকালঃ ২০০৬
প্রকাশনাঃ সাহিত্য প্রকাশ
ধরনঃ পরাবাস্তবতা, আন্তঃজাগতিক/ভিন্নমাত্রায় (?) পরিভ্রমণ, রহস্যময় মানবমন, অজানার উদ্দেশ্যে অভিযান ইত্যাদি।

"অভিজিৎ নক্ষত্রের আলো" পড়ার সময় উদয় হওয়া ভাবনাগুলোঃ

বাংলা ভাষাতেও যে এভাবে স্বপ্ন-কল্পের মতো করে বিজ্ঞান-কল্পকাহিনী লেখা যায়, এ বইটা শুরু না করলে বুঝতাম না। তার চেয়েও বড় কথা হচ্ছে - গল্পটা আর মূল চরিত্রের সাথে এক এক করে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো পড়তে পড়তে আমি ছোটবেলায় যে ---

১। অন্য এক ভুবনের মরুভূমিতে ছায়াশরীরে ভ্রমণ আর অনেকটা পথ কোন এক গুপ্তধনের সন্ধানে পাড়ি দেওয়া যা ফুরোতেই চায় না বা

২। মহাকাশে কোন যুদ্ধের বা শান্তির কৌশল গ্রহণ বা

৩। আমার ছাদ থেকে দেখা যায় সেই পৃথিবীর আকাশে নতুন এক শত্রুভাবাপন্ন সচেতন নক্ষত্র কিংবা চাঁদের উদয় হওয়া, আমার আড়াল থেকে তার সাথে নাটকীয় কথোপকথন আর তারপর বিশেষ এক মহাকাশযানে করে তার মুখোমুখি হওয়া কিন্তু শেষতক তাকে পরাজিত করার পূর্বমুহূর্তে করুণা করা ---

এরকম অগণিত সাই-ফাই স্বপ্ন দেখতাম তার সবগুলোর অনুভূতি পেলাম। মনে হল, লেখকও বুঝি আমার শৈশবের বৈজ্ঞানিক কল্প-স্বপ্নলোকের এক নীরব পর্যবেক্ষকরুপী বাসিন্দা হয়ে ছিলেন।

যারা এ লেখকের লেখার সাথে পরিচিত নন তাদের জন্যঃ

��্রথম প্রথম ভাষাটা খটমটে লাগলেও খুব দ্রুতই লেখার ধরনের সাথে এক প্রবল সখ্যতা হয়ে যাবে। তখন আর উঠতে মন চাবে না।

I could never describe my sci-fi dreams to anyone properly... I mean words failed me, they were so wondrous. It's one of the rare times in my life that I am trying very hard to talk about some of those dreams and still failing to convey their beauty and significance to me. And yet...

Point is, the author showed me that those dreams can be described, can be understood by someone else other than the viewer. And it was an eye-opener for me.

For all those reasons and more, I am recommending this book to all the sci-fi readers out there.
Profile Image for Khandaker Sanidulla Sanid.
42 reviews8 followers
December 16, 2023
"The way to make people trust-worthy is to trust them."
-Ernest Hemingway


বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী ছোটবেলায় পড়েছিলাম টুকিটাকি। পড়তে যে ভালো লাগতো সেটা নয় মূলত বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীতে অনেক মজার তথ্য জানা যেত যার জন্য পড়ে আরাম পেতাম। যাইহোক অনেকটা সময় পেরিয়ে গেছে সেই ছোটবেলায় কিন্তু বড় হওয়ার সাথে সাথেই সেই টুকিটাকি পড়াটাও যে কবে মিলিয়ে গিয়েছে সেটা খেয়াল নেই। এই ধরনের বই পড়া হয়না অনেকদিন। বই দেখলেই মনেহয় বিজ্ঞান অনেক কঠিন বইয়ের কিছু মাথায় ঢুকবেনা। কিন্তু সেই লম্বা বিরতি ভাঙলাম দীপেন ভট্টাচার্যের 'অভিজিৎ নক্ষত্রের আলো' বই দিয়ে।


যাইহোক বইয়ের কাহিনী শুরু একজন যাযাবর ধরনের লোককে নিয়ে যে বিভিন্ন জায়গায় সময় পেলেই ভ্রমণ করতে পছন্দ করে। তার সেই ভ্রমণেরই এক অভিজ্ঞতা বলা যায় বইটাকে। লেখক উত্তর আমেরিকার শীতে তুষারে ঢেকে যাওয়া সাদা বনের মাঝের পিচ্ছিল রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় পীয়ের নামের এক আগন্তুককে রাইড দেন। এবং সেই রাইড থেকেই শুরু হয় বইয়ের আসল কাহিনী। এরপর দেখা হয় ইসাবেল নামক তরুণীর সাথে আর সেইসাথে অদ্ভুতভাবে লেখকের কাছে চলে আসে একটা নীল বাক্স যেই নীল বাক্স কাউকে অসংখ্য মহাবিশ্বের স্বপ্ন দেখাতে পারে এবং মোহাচ্ছন্ন করে ফেলতে পারে। এবং ঘটনাক্রমে হাজির হয় একজন আততায়ী যার বাস এই পৃথিবীতে নয়। সেই আততায়ীর হাত থেকে বাঁচাতে হবে পীয়ের আর ইসাবেলকে যার গুরুদায়িত্ব পড়ে লেখকের হাতে।


প্রথমে বলে রাখি দীপেন ভট্টাচার্য জ্যোতিঃপদার্থবিদ্যায় তুখোড় পারদর্শী এবং জ্ঞানসম্পন্ন একজন মানুষ যার জন্য এই বইটা সাধারণত যারা সবসময় সহজ ভাষার বই পড়ে অভ্যস্ত তাদের কাছে একটু কঠিন লাগতে পারে কিন্তু পাঠক যখন ধৈর্য্য ধরে কিছুদূর পড়বে এবং লেখকের লেখার স্টাইলের সাথে অভ্যস্ত হয়ে যাবে আস্তে আস্তে বইটা সহজ হয়ে যাবে। বইটার মেইন কাহিনী পাঠক বুঝবেন সহজেই কিন্তু কিছু তত্বীয় বিষয় হয়ত পাঠকের মাথার উপর দিয়ে যেতে পারে। তবে এটা মানতে হবে বইটা শুরু থেকে শেষ পাঠককে আটকে রাখবে বিশেষ করে পীয়ের আর ইসাবেলের অগ্রযাত্রা পাঠককে আটকে রাখতে বাধ্য। কিছু কিছু ব্যাপার বইতে এত সুন্দরভাবে বোঝানো হয়েছিল যেন মনে হয়েছে কোনো লেকচার শুনছি। যেমন প্যারালাল ইউনিভার্স মাত্র এক প্যারায় এত সুন্দরভাবে উপমার মাধ্যমে লেখক বুঝিয়েছেন আমার মনে হয়না আমি ওটা আর কখনো ভুলব। যাইহোক বইতে নায়ক চাইলে আছে,ভিলেন চাইলেও আছে এবং সেইসাথে মহাজাগতিক অ্যাডভেঞ্চার চাইলে সেটাও আছে। সব মিলিয়ে একেবারে খারাপ বলা যাবেনা। তবে বইটার সাথে আমার সময় বেশ ভালো কেটেছে।

বই: অভিজিৎ নক্ষত্রের আলো
লেখক: দীপেন ভট্টাচার্য
মুদ্রিত মূল্য: ১৫০
পৃষ্ঠা: ১১৯
প্রকাশনী: দ্যু প্রকাশন
Profile Image for Sazedul Waheed Nitol.
87 reviews33 followers
May 12, 2019
দীপেন ভট্টাচার্যের বাকি উপন্যাসগুলোর মতো উঁচুদরের নয় 'অভিজিৎ নক্ষত্রের আলো'। স্বগুণে বইটি নিজের একটা জায়গা পাঠকের মনে বানিয়ে নেবে ঠিক; কিন্তু সহোদরদের তুলনায় সে কিছুটা পিছিয়ে আছে- এমনটা দীপেন ভট্টাচার্যের সব পাঠকই অনুভব করবেন বলে আমার বিশ্বাস।
Profile Image for Sakib A. Jami.
337 reviews41 followers
December 22, 2023
আমাদের জীবনের যে গল্প থাকে, আমরা সবাইকে কি সেই গল্পটা বলতে পারি? বিস্ময়কর সেসব গল্প নিজেদের মনেই থমকে থাকে। বেরিয়ে আর আসে না। কেউ কেউ সেসব গল্পের চাপে এতটা অসহায় হয়ে পড়ে, চায় সেই অবাক করে দেওয়া গল্প ছড়িয়ে দিতে। এরপর? মানুষ কি বিশ্বাস করে সেসব গল্প? সত্যের ছোঁয়া যেসব গল্পে থাকে, তাও কখনো কখনো মিথ্যে হয়ে যায়। হারিয়ে যায় অন্তরালে। তবে আমাদের গল্পের প্রধান চরিত্রের সেসব গল্প বিশ্বাসযোগ্য কী না, ভেবে নেওয়া যাক!

আজ যার গল্প বলব, সে হতে পরে অনীক। কিংবা আরণ্যক, বা আ.। সে যে-ই হোক, নামে কী এসে যায়? সময়টা তখন নব্বই দশকের শেষভাগে। তখন বেশকিছু রাজনৈতিক ঘটনায় উত্তপ্ত থাকত আমেরিকা ও এর আশেপাশের অঞ্চল। সেই সময়টাতে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিচ্ছিন্নতার স্বীকার হয়ে ভেঙে পড়ার দ্বারপ্রান্তে। এমন সময়টাতে আ. ব্যক্তিটি কানাডার কুইবেক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ডের পথে যাত্রা করে। শীতের সময়টাতে চারিপাশ তুষারাবৃত। ভয়ংকর কোনো এক তুষার ঝড়ের পূর্বাভাস। এমন সময় পথে তুষারের মাঝে এক ব্যক্তিকে দেখে কেমন যেন চমকে যায় আ.। এভাবে তুষারের মধ্যে কেন কেউ থাকবে? লোকটাকে স্বাভাবিক বা সুস্থ, কোনোটাই মনে হচ্ছে না। একটা ছোট্ট সাহায্য যায় সেই লোকটি, তাকে এক জায়গায় পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করে। সে অনুরোধ ফেলতে পারে না আ.।

জানা যায় লোকটির নাম পীয়ের। তাকে পৌঁছে দিতে গিয়ে নতুন এক গল্প আবিষ্কৃত হয়। অদ্ভুত এক বাক্স পাওয়া যায় গাড়িতে। যা থেকে কেবল নীল আলো ছড়ায়। শুধু তা-ই নয়, এক অদ্ভুত মেসেজ কর্ণকুহরে প্রবেশ করে। স্বপ্ন, না বাস্তব? ধরা যায় না। ওই বাক্স এমন এক অদ্ভুত ধাতু দিয়ে তৈরি যার পারমাণবিক সংখ্যা অনেক বেশি। তবুও যেন স্থিতিশীলতার সাক্ষী। পৃথিবীতে এমন ধাতু পাওয়া সম্ভব?

পীয়ের হারিয়ে যায়, আবার ফিরেও আসে। যেন পিছু ছাড়ে না। তারই মাধ্যমে পরিচয় ঘটে ইসাবেল নামের এক নারীর সাথে। মোহনীয় এক শক্তিতে বাঁধা পড়ে আ.। পীয়ের হারিয়ে গেলেও ইসাবেল থেকে যায়। শোনা যায় এক অদ্ভুত গল্প। এক অন্য মহাবিশ্ব থেকে এই পৃথিবীর বুকে আগমন ঘটেছে তাদের। যে মহাবিশ্ব একটু একটু করে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। হারিয়ে যাচ্ছে অজানায়। তাই নতুন করে আশ্রয় খোজার চেষ্টা। কিন্তু এখানেও শত্রুপক্ষের আগমন। এক মহাজাগতিক আততায়ী খুঁজে বেড়াচ্ছে তাদের।

ইসাবেল অনুরোধ করে, আ. যেন তাকে এক নিরাপদ আশ্রয় নিয়ে যায়। সেখানেই সে ভালো থাকবে। কিন্তু পথে বিপদের আভাস, পরিকল্পনা মতো যে কিছুই হয় না। তাই অন্যরকম এক গল্পের সূচনা হয়। যেখানে জড়িয়ে পড়ে এফবিআই। এখানে প্রশ্নটা গুরুত্বপূর্ণ। ইসাবেল যে গল্পটা বলেছে, তা সত্যি তো? না-কি সাহায্য পাওয়ার নিমিত্তে মনগড়া কাহিনি এখানে প্রাধান্য পায়। আ. সেই অভিযানে সফল হবে? ছয়টি যন্ত্রের সমাহারে যে ষড়যন্ত্র, তার থেকে কি মুক্তি পাবে? এই অভিযানে তার ভূমিকা কী? কোথায় গিয়ে শেষ হবে এই গল্প?

▪️পাঠ প্রতিক্রিয়া :

দীপেন ভট্টাচার্য সাম্প্রতিক সময়ে আমার একজন প্রিয় লেখক হয়ে উঠেছেন। লেখকের ”দিতার ঘড়ি” আমার অসম্ভব পছন্দের একটি সাইন্স ফিকশন জনরার বই। বলতে গেলে আমার মতে দেশীয় সেরা সাইফাই। সেই ধারাতে “অভিজিৎ নক্ষত্রের আলো” বইটি না এলেও বেশ উপভোগ্য বলাই যায়। যদি হাই সাইফাই পড়ার অভিজ্ঞতা না থাকে তাহলে এই বইটি এড়িয়ে যাওয়া উত্তম। কেননা লেখক বিজ্ঞানের যে গভীরতা এখানে আলোচনা করেছেন, অনেক কিছুই মাথার উপর দিয়ে যায়। আর যদি দারুণ কিছুর অভিজ্ঞতা নিতে চান, সময় নিয়ে বুঝে পড়বেন। তাহলে আরো বেশি উপভোগ্য হয়ে উঠবে বইটি।

লেখকের এই বইতে তিনটি বিষয়ে লেখকের দক্ষতার পরিচয় মেলে। প্রথমটা অবশ্যই তার লেখনশৈলী। তার যে বাংলাভাষার দখল, দুর্দান্ত শব্দচয়ন— সেখানে বিমোহিত হতে হয়। শব্দের খেলায় লেখক যে পটু, সেটা বেশ ভালোভাবেই অনুধাবন করা যায়। পড়ে মুগ্ধ হতে হয়। দ্বিতীয় যে বিষয়ে লেখক তার দক্ষতা কিংবা জ্ঞানের প���িচয় দিয়েছেন, তা বিজ্ঞান সম্পর্কে। আরো স্পষ্ট করে বললে পদার্থ বিজ্ঞান। পদার্থবিদ্যায় যে বিশ্লেষণ, বর্ণনা ছিল— পুরোটা বিষয় বুঝতে আমার নিজেরও অসুবিধা হচ্ছিল। সময় নিয়ে না পড়লে এমন জটিল বিজ্ঞান বুঝতে বেশ বেগ পেতে হয়। তৃতীয় বিষয়, জ্যোতির্বিদ্যা। লেখক এই জ্যোতির্বিদ্যায় নিজের যে দক্ষতা বা জ্ঞান দেখিয়েছেন, সেটা মাত্রাতিরিক্ত মুগ্ধ করেছে। দারুণ… এবং জ্ঞান বিজ্ঞানের এসব শা���ায় এমন কিছু বই বেশ উপভোগ্য হয়ে ওঠে।

দুই মহাবিশ্বের ঘটনা, এক মহাবিশ্ব হয়ে উঠছে বসবাসের অযোগ্য, তাই আরেক মহাবিশ্বে আশ্রয় খোঁজার চেষ্টা লেখক দেখিয়েছেন সম্ভবত রূপক অর্থে। প্রতিনিয়ত পৃথিবী বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ছে আমাদেরই দোষে। এর থেকে পরিত্রাণের উপায় আসলে কী? বইটিতে মানব মনের অনুভূতিগুলো দারুণভাবে ফুটে ওঠেছে। আমরা মানুষেরা খুব সহজেই অন্যকে বিশ্বাস করে ফেলি। আর এই বিশ্বাসের ফলে কিছু কিছু বন্ধন এতটাই আত্মিক হয়ে ওঠে, অবিশ্বাসও করা যায় না। মনের অজান্তেই পক্ষপাতিত্ব এসে ভর করে। তখন কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল, কে জানে? সিদ্ধান্তটা থাকে মানুষের উপরেই। ভুল সিদ্ধান্ত নিলে সবকিছু শেষ হয়ে যায়। আর যদি সিদ্ধান্তটা সঠিক হয়, তবে হয়তো টিকে থাকা যায়।

বইটিতে এছাড়াও দেখানো হয়েছে সেই সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতা। খুব যে প্রাধান্য ছিল তেমন না। তারপরও কিউবা কিংবা সোভিয়েত ইউনিয়নের কথা লেখকের সূক্ষতার প্রমাণ রাখে। এছাড়াও শীতকালীন এক যুক্তরাষ্ট্র লেখকের লেখায় ফুটে ওঠেছে। তুষারে ঘেরা চারিপাশ, তুষার ঝড়ে বিপর্যস্ত জীবন লেখক ভালোভাবেই তুলে ধরেছেন। এমন পরিবেশ কতটা বিপজ্জনক হয়, তা প্রশ্নাতীত।

চরিত্রের বহর খুব একটা ছিল না। কয়েকজনের মধ্যেই গল্প সীমাবদ্ধ। লেখক মূলত গল্প বলার দিকেই মনোযোগ দিয়েছিলেন। তারপরও সামান্য কিছু চরিত্র নিয়ে যেভাবে কাজ করেছেন, বেশ পছন্দ হয়েছে। প্রতিটি চরিত্র সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়। এবং তাদের কার্যক্রম, রহস্যে ঘেরা চালচলন লেখক দক্ষতার সাথেই দেখিয়েছেন। লেখকের ভিন্নধর্মী লেখনীর সাথে এগিয়ে চলা একটু কঠিন। প্রথম প্রথম ধরতে অসুবিধা হয়। তবে আমার যে সমস্যা হয়েছিল, সংলাপ বুঝতে। ইনভার্টেড কমা না থাকার কারণে বুঝতেও পারছিলাম না। পরে অবশ্য মানিয়ে নিয়েছি। এই একটা সমস্যা বেশ প্যারা দিয়েছে।

▪️পরিশেষে, কিছু মানুষ হয়তো এমন থাকে, যারা কোনো গল্পেই মূল চরিত্র হয়ে উঠতে পারে না। সবার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলেও হয়তো জীবনের কাছে এখনো পার্শ্ব চরিত্র। যাকে অবশ্যই দরকার, কিন্তু প্রধান রূপে নয়। সে হারিয়েও যায় না, আবার টিকেও থাকে না। এক সেতুর উপর ভাসমান অবস্থায় থাকতে থাকতে কখন যে গল্পের স্রোতে হারিয়ে যায়, নিজেও জানে না।

▪️বই : অভিজিৎ নক্ষত্রের আলো
▪️লেখক : দীপেন ভট্টাচার্য
▪️প্রকাশনী : দ্যু
▪️ব্যক্তিগত রেটিং : ৩.৮/৫
179 reviews11 followers
May 31, 2025
২৯ মে, ২০২৫

অল্প একটু বাকি আসে। কালকে শেষ হবে আশা করি। যেহেতু খুব একটা কাজ হচ্ছে না, আর রিভিউ লিখতে অনেক সময় লাগতেসে, একটু লিখে রাখতেসি এখন।

ভালোই। যদিও সে আরো ভালো লিখতে পারে।

এমনিতে ভাষা খুব একটা ভালো লাগে না। জল - বা এগুলাকে আমি খারাপ ভাবতে চাই না, বাংলাদেশে তার মতো অনেকে যদি এটা ইউজ করে। যদিও বিভূতিভূষণ, বাঘা যতীন, আর এরকম অনেকের মতো যদি কোনো কোনো মুসলমানদের কথাও কখনো বলা হইতো একটু ভালো হইতো - উনি নিশ্চই মনে করে না, অনেক ভারতীয় ছাগলের মতো - যে বাংলায় (পৃথিবীর কথা ছেড়ে দিলাম) সবার (সমান) কন্ট্রিবিউশন নাই। বিশেষ করি যদি অ্যামেরিকায়ই সেট করা হয় বেশিরভাগ বই, আর অ্যামেরিকানরা (কালোরা কম) প্রমিনেন্টলি ফিচারড হয়, আর ওইদিক থেকে দৃষ্টিকটু ভাবে শুধু এক রকম মানুষরা।

এমনিতে ভাষা, ট্রেডিশনালিস্ট-দেশীঅ্যাকিউরেটিস্টদের দ্বৈরথের বাইরেও - অনেক সময়ই অতিরিক্ত কাব্যিক - সেন্টেন্স বেশি বড় - আর এটা অবশ্য এডিটিং এর দুরবলতা - মাঝে মাঝে সেন্টেন্স বেশি বড় বা কাব্যিক হওয়ায় গ্রামার এ ভুল। এমনিতে অবশ্য বাংলাদেশের এডিটিং এর লেভেল এতই খারাপ, সেই তুলনায় এইটা যথেষ্ট ভালো।

প্লটেও মনে হয় একটু একটু দুরবলতা আসে। অনেকগুলারই অবশ্য অনেক লজিকাল একটা ব্যাখ্যা কিছু পরে পাওয়া যায়। কিন্তু ইসাবেলকে ওই পারসুআর এর সম্পর্কে জিজ্ঞেশ না করার কি কারণ থাকতে পারে? ওই ফ্লোরিডার পথে লং ড্রাইভে? যদি অ্যাকনলেজ করা হইতো তাহলেই হয়ে যাইত, আরেকটা প্রশ্ন যেরকম করসিলো। কিন্তু ভুল ভাল ফ্রেঞ্ছ কে পরে যেভাবে অ্যাড্রেস করা হয়, আমি ইম্প্রেসড হইসি খুব। প্রথমে শুধু দুঃখ পাইসিলাম উনি এতো অযত্নের সাথে ওই রিসার্চটা করসে ভেবে, হয়তো আমাদের রিডারদের জন্য এইটা ম্যাটার করবে না, এইরকম কোনো জায়গা থেকে। আর তারপর, ওই এফবিআই এসে সমস্ত ঘটনারই যে একটা খুবই রিসেনেবল আর স্বাভাবিক ব্যখা দিলো এটাও খুবই ভালো। আমরা যে, আর আ'ও যে ওই দুইটা পসিবিলিটিকে নিয়েই সামনে যাবে, আর যেভাবে এখন যাচ্ছে, এর পুরাটাই খুব ভালো। গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে, যেভাবে একটা পসিবল পারসুয়ার আসে, যেভাবে, হয়তো-আসে-হয়তো-নাই টা হ্যান্ডেল্ড হচ্ছে, সেটাও খুব ভালো।

আর এছাড়া আমার জন্য পারসোনালি খুব ইন্টারেস্টিং। আমি যেহেতু ফ্লোরিডা কিজ এ গেসি, সময় নিয়ে সব কিছুই দেখসি - আর খুবই তাড়াতাড়ি গ্র্যান্ড ক্যানিয়নেও যাচ্ছি - যদিও অ্যারিজোনা থেকে - সব কিছু খুবই ইন্টারেস্টিং করে দেয়। আমারতো বিন্দু মাত্র অ্যান্টিসিপেশন ছিলো না যে কি'জ, অথবা ক্যানিয়ন এতো প্রমিনেন্ট একটা রোল প্লে করবে! আর আমি খুব করে চাচ্ছিলাম একটা অ্যামিরিকান ওয়েস্টে, ওই দিকে সেট করা বই পড়তে এখন - কিন্তু অবশ্যই বাংলা বই তো ওই জন্য হাতে নেই নাই - আর আমার যাওয়া জায়গা কোনো বই তে আসলে, আর একটু ট্র্যাভেলের কন্টেক্সটে হয়তো - এটাও খুব ভালো আর ইন্টেরেস্টিং লাগে।

৩০ মে, ২০২৫

শেষ করলাম। ৩০ পৃষ্ঠার মতো বাকি ছিলো হয়তো। অনেক সময় লাগলো।

বেশি টানসে। শুধু শুধু।

ঢাকায় দুই ন্যারেটার এর দেখা হওয়া ভালো ছিলো। কিন্তু তার পরের সব, শুধু শুধু অনেক কষ্ট করে, এতো কাব্যিক সেন্টেন্স, এতো মাকালফল ইমোশনাল কন্টেন্ট, বেশির ভাগ অন্য লেখার সুত্র ধরে, কেন, কেন, পড়া লাগবে? আচ্ছা, দুই জনের, রুমী আর ন্যারেটার এর দুই রকম ইন্টারপ্রিটেশন আ'র ভুলে যাওয়ার। কিন্তু পোষায় নারে ভাই।

'আ', আর ক, খ, গ, এগুলার ব্যবহার কাজ করে না।

আমি আমার প্রথম পয়েন্ট ধরে (তারাশঙ্কর পরে অ্যাড হয়, আর অন্যদিকের পিঙ্ক ফ্লয়েড, কাফকা, বোরহেস), শেষে রুমী, জালালউদ্দীন, এসে একটু ভালো করসে।

কিন্তু ইম্পরট্যান্ট পয়েন্ট হইলো ত্যানাপেচানোর আগে কি হইসে। ক্লাইম্যাক্সটা - অ্যাকশন সিন টা - (আগেও - স্মিথসনিয়ান, বা ফ্লোরিডার পথে হয়তো) এত ভালো না। কিরকম, কিছু একটা ওয়ান্টিং। গতী, আর সাডেন অ্যাকশন আরো ভালো হলে ভালো হতো।

আর তারপর রিটার সাথে কথা - সব জট খুলার বেলা। ভালো লাগে নাই। একটা সারফেস লেভেলে হয়তো কিছুটা সেন্স মেক করে, কিন্তু তাও করে কিনা পুরাপুরি নিশ্চিত না। কিন্তু আর একটু ডিপে গিয়ে। অবশ্য জানি না এটা ডেপথ এর ব্যাপার কিনা। স্কাইলস কে কেনো ক তে পাঠাইলো - ওইখানে গিয়ে, তার যদি পারটিসান, লয়ালিস্টরা থাকেই, সে আবার অ্যাটেম্পট নিতে পারে না তার এইম ফুলফিল করার? ইসাবেল কে সরায়ে দেওয়ার? যদি স্কাইলস ইসাবেল আর পিয়েরকে মেরে ফেলার মতো কাজ করতে পারে, রিটা, বা রিটা আর ইসাবেল মিলে কেন তাকে মারার কথা চিন্তাও করে না - ওই লাস্ট সিনেও? কিভাবে ইসাবেল বেচে গেসিলো? ইসাবেল যদি ভবিষ্যৎ ফোরটেল করতে পারতো, কেন স্কাইলস বা রিটা পারতো না? ওরা কুইবেকে কি করতো? চারজন মিলে এক সাথে এক বাসায়, অফিসে থাকতো? ঠিক কাজটা কি পৃথিবীতে, আর ওই কাজের জন্য কুইবেকে কেন নেসেসারি ছিলো? যদি 'খ' জন্ত্র যে কোনো যায়গায়ই অ্যাক্টিভেট করা যায়, যেমন ওই ক্যানিয়নে, কেন তাহলে কি ওয়েস্ট যাওয়ার দরকার হইলো? প্রথমেই কেনো ইসাবেল চলে গেলো না? আর, স্কাইলস যদি নাই জানতো ও ফ্লোরিডা যাইতেসে, ওইখানে যাওয়ার এতো তাড়া কেন ছিলো? আর ওরা পিয়েরকে নিয়ে বোস্টন, বা ফ্লোরিডায় প্লেন এ করে গেলো না কেন? কেন একজন বোস্টন নিয়ে যাবে, আবার অন্যজন, স্কাইলস্কে ফাকি দিয়ে বোস্টনে আসবে, আবার আগের জন ফ্লোরিডা নিয়ে যাবে, তাহলে সে হুদাই স্কাইলস্কে ইভেড করে বোস্টন এ কেনে যাবে? এতোই তাদের স্কিলস, ভবিষ্যৎ দেখতে পারে, আর তারা হঠাত একজনের অ্যামেরিকান লাইসেন্সপ্লেট দেখে, বেট করে হিচহাইকার পিকআপ করে অ্যামেরিকা পর্যন্ত লিফট দিবে? আর পিয়েরকে তারা এতো বার উঠায় নিয়ে এইখানে ওইখানে নামায় দেয়, আর পিয়ের তাদের কে চিনে না, তাদের সাথে অ্যামেরিকায় যাইতে চায় না? বস্টনে যাওয়ার কথা বলে, রিটা কে এক যায়গায় উঠাইতে বলে, কিন্তু চিনে না? আর তারা যদি প্লেন এ নাই যাইতে পারে, আ' কে দিয়ে কেন অ্যামেরিকায় পাঠাইতে হবে, যখন একজন বা দুইজনই -রিটা আর ইসাবেল হুদাহুদি - গাড়ি চালায় অ্যামেরিকা আসতেসে? তোরাই ওকে নিয়ে আস্তে পারতেসিস না কেন? আর ওরা চারজনই যদি একসাথে কুইবেকে থেকে থাকে, একসাথে এক কাজে এসে থাকে, কেন স্কাইলস, রিটা পরের কথা, ইসাবেল আর পিয়েরের অ্যাবসেন্স প্রথম থেকেই খেয়াল করবে না - এইতা করেই সে স্মিথসোনিয়ান এ আসে? কিন্তু কি জানি রিটা বলে, এইটা ইসাবেল এক্সপেক্ট করে নাই বা কি জানি। ভাই, কোনো কিছুই কোনো লেভেলে কাজ করে না।

ওই ওয়ার্ল্ডের পৃথিবীতে অ্যাকচুয়ালি কি কাজ, তাদের আসল গোলটা কি? কেনো ইসাবেল ফেরত গেলো, গিয়ে কি করতেসে? এটা তো বুঝ্যা গেলো আমাদের পৃথিবী হ্যাবিটেবল, তাদের জন্যেও সুইটেবল। স্কাইলসের গোল হচ্ছে আমাদের কে মেরে ফেলে তাদের সবাইক এখানে নিয়ে আসা। ওদের গোলটা কি? কি করার জন্য ওরা মেশিন এ, বি, সি, দিয়ে সুইটেবল ওওারল্ড খুজতেসে? খুজে পাইলে, যেমন, এখন পাইসে টেরা, কি করার প্ল্যান ছিলো? কোনো প্ল্যান ছিলো না এটা কি হতে পারে? প্ল্যানটা কি ছিলো? ওরা এখানে সবাই চলে আসবে, আর আমরা আর ওরা পিস্ফুলি কোএকজিস্ট করবো? রিসোর্স নিয়ে কোনো কম্পিটিশন হবে না কারণ তাদের টেকনলজি এইসব পেটি নিড কে ছাড়ায় অনেক উপরে উঠে গেসে আগেই।

একটা ব্লেড রানার এর রেফারেন্স ছিলো, যদি না কোয়েন্সিডেন্স হয়ে থাকে, ঢাকায় বৃষ্টিতে হঠাত করে চরম কাকতালীয়ভাবে দুই ন্যারেটার এর দেখা হওয়ার পর। এটা কি আমার খুবই ভালো না লেগে পারে।

কিন্তু ওভারঅল, ডিজাপয়েন্টিং। খুব-ই হয়তো।
Profile Image for Arafat Rahman.
Author 3 books26 followers
December 30, 2023
অনেকে "দীপেন'দার অন্যান্য বইয়ের তুলনায় একটু কমজোর গল্প হয়েছে" রিভিউ দিচ্ছেন। আমি এই বইটা পড়ি ২০০৬/২০০৭ সালের দিকে। তখন পড়ে বিহ্বল হয়ে গিয়েছিলাম, যে সায়েন্স ফিকশন এভাবেও লেখা যায়! হার্ড ফিজিক্সকে এভাবে গল্পে বুননো যায়! দীপেন'দার লেখার ভাষা অসাধারণ, একটা আরণ্যক আরণ্যক ভাব চলে আসে।
Profile Image for Avishek Bhattacharjee.
370 reviews78 followers
June 3, 2025
১১৯ পাতার বইটা বেশ কঠিন। লেখক দীপেন ভট্টাচার্য সুলেখক হলেও এমন কঠিন সায়েন্স ফিকশন মনে হয় একটু সহজ ভাষায় লিখলে বুঝতে সুবিধা হয়। এছাড়াও গল্পের মাঝে এমন কিছু বিষয় রয়েছে যেটা কিনা আমার মত বকলম কেরানীর জন্য বোঝা কষ্ট। কিন্তু আমি যে বকলম, এ দোষ তোহ আর লেখকের নয়। কাজেই সে দায় আমি নিজের ঘাড়ে নিলাম।

এবার আসা যাক মূল গল্পে। পিএচডির গবেষক অমলের সাথে পরিচয় হয় অনিক ওরফে আ এর। আ এর কাছে থেকে অমল একটা ডাইরি পায় যার থেকে অদ্ভুত এক ঘটনার সাক্ষী হয় সে। কানাডার কুইবেক থেকে আসার সময় পীয়েরে নামক এক ব্যক্তির সাথে পরিচয় হয় আ এর। তাকে লিফট দিতে গিয়ে গাড়ীর মধ্যে কিম্ভুত এক বাক্সের সন্ধান পায় আ। পীয়েরের আজব আচরণ আর বাক্সের রহস্য, এ দুই নিয়েই আ ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়ে। এরই মাঝে পরিচয় হয় ইসাবেলের সাথে। আ তার থেকে জানতে পারে টাইপ-৩ মহাবিশ্বের কথা, যারা এই বাক্সের রেপ্লিকেশনের মাধ্যমে এক বিশ্ব থেকে আরেক বিশ্বে যাতায়ত করতে পারে। ইসাবেলকে তার বিশ্বে যেতে সাহায্য করতে গিয়েই আ পড়ে স্কাইলসের খপ্পরে। ইসাবেল ফ্লোরিডায় হারিয়ে যায়। সাথে চলে যায় বাক্স। কিন্তু যাবার সময় আরেক বাক্সের ম্যাপ রেখে যায় ইসাবেল। আর আ বেরিয়ে পরে সেই বাক্সের উদ্ধারে। বাকীটা বইয়ে পড়ে নেবেন।

প্রথমেই বলেছিলাম যে আমার কাছে বইটা বেশ কঠিন লেগেছে। তবে সহজ লেখা পড়তে পড়তে অভ্যাস খারাপ হয়েছে বলেই এই সমস্যা। বাস্তব কথা হচ্ছে লেখার গুনগত মান বেশ ভাল। বিষয় এইটু প্যাচালো হলেও বোঝা খুব কঠিন তাও নয়। তবে আমার সন্দেহ আছে আমি ঠিক মত বুঝেছি কিনা। আমি অনেক সায়েন্স ফিকশন পড়েছি, কিন্তু এটা আমার কাছে বেশ কঠিন মনে হল। এমন বই আমি বাংলায় আগে পড়িনি। লেখক বেশ জ্ঞানী লোক। মস্কো স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে পদার্থবিদ্যায় মাস্টার্স এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব নিউ হ্যাম্পশায়ার থেকে জ্যোতির্বিজ্ঞানে পিএইচডি করেছেন। কাজেই যা লিখেছেন বুঝে শুনেই লিখেছেন। সবশেষে আমি বলব এইটা পড়ে খুব একটা সুবিধা করতে পারিনি।
Profile Image for টক   দইয়ের  চা.
371 reviews6 followers
January 20, 2023

অসাধারণ লেখনির বলে একটা সাধারণ গল্প অসাধারণ হয়ে উঠল। দীপেন ভট্টাচার্যের লেখা যে কাউকে মুগ্ধ করবে। 'নিস্তার মোল্লার মহাভারত' এর পর লেখকের প্রতি আমার যে অগাধ শ্রদ্ধা জন্মেছে তা 'অভিজিৎ নক্ষত্রের আলো' এর পরেও অটুট রয়েছে।
Profile Image for Mazharul Islam Fahim.
98 reviews7 followers
October 21, 2025
[৩.৫/৫] বেশ ভালো লাগলো। কিছু জটিল বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে, তারপরও লেখকের বিশ্বাসযোগ্য লেখনশৈলীর গুণে তা পড়ে যেতে কোনো অসুবিধা হয়নি। লেখকের ছন্দময় লেখা বরাবরই আমাকে মুগ্ধ করে। এ বইয়েও এর কোনো ব্যতিক্রম পাইনি। রহস্য, বিজ্ঞান আর এডভেঞ্চারের দারুণ সমন্বয় ছিলো বইটাতে, ভালোই উপভোগ করেছি বলা যায়।
Profile Image for Habib Rahman.
77 reviews1 follower
March 20, 2024
ষড়যন্ত্রের ছয়টি যন্ত্র- নীল বাক্স, পিয়ের, ইসাবেল, ম্যাকিন্টায়ার, স্কাইলস আর আ.।
Displaying 1 - 25 of 25 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.